সর্বশেষ সংবাদ-
সব ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরসাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ ও শিপন ৫ দিনের রিমাণ্ডেএবিপার্টি সাতক্ষীরা জেলা শাখার মাসিক মতবিনিময় সভাআশাশুনিতে সুদ কারবারির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান ৭ আসামি গ্রেপ্তারদেবহাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী-স্বজনদের ডেঙ্গু বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষাসাতক্ষীরায় ডিবি পুলিশের অভিযানে অনলাইন জুয়াচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার : ৬টি মোবাইল জব্দদেবহাটায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভাসাতক্ষীরা সরকারি কলেজে শিক্ষার্থী জাকারিয়া হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনবিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিশ্চিতের দাবি 

ভারতে জ্বালানি তেলের দাম ৮ দিনে সাতবার বাড়ল

বিদেশের খবর: ভারতে জ্বালানি তেলের দাম গত আট দিনের মধ্যে সপ্তমবার বেড়েছে। দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েই চলছে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, মঙ্গলবার পেট্রোলের দাম প্রতি লিটারে ৮০ পয়সা এবং ডিজেলের দর ৭০ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। এতে দিল্লিতে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ৯৯.৪১ রুপি থেকে বেড়ে হয়েছে ১০০.২১ রুপি। আর ডিজেল ৯০.৭৭ রুপি থেকে থেকে বেড়ে হয়েছে ৯১.৪৭ রুপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও ভারতে তেলের দাম স্থিতিশীল ছিল বেশ কিছুদিন ধরে। কিন্তু গত ২২ মার্চ তা বাড়তে শুরু করে।

ভারতে জ্বালানি তেলের চাহিদার ৮৫ শতাংশ আসে আমদানি থেকে। ভারতে ইন্ডিয়ান অয়েল, ভারত পেট্রোলিয়াম এবং হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়ামের মত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগারগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে দরের ওঠানামা এবং রুপি-ডলারের বিনিময় হারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের দাম পর্যালোচনা করে। ভ্যাটের হারের ভিত্তি একেক রাজ্যে দাম বদলে যায়।

ভারতের মহানগরগুলোর মধ্যে মুম্বাইয়ে জ্বালানি তেলের দাম এখন সবচেয়ে বেশি। সেখানে পেট্রোলের দাম বেড়ে হয়েছে ১১৫.০৪ রুপি, ডিজেল ৯৯.২৫ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে।

উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, গোয়া এবং মণিপুর রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম না বাড়িয়ে ধরে রাখা হয়েছিল। আর তাতে খুচরা বিক্রেতার আয় ১৯ হাজার কোটি রুপি কম হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকারি কেবিএ কলেজে অনার্স ৪র্থ বর্ষের ভাইভা ও কিছু স্মৃতিকথা”
 দেবহাটা ব্যুরো:
সাতক্ষীরা-মুন্সীগঞ্জ মহাসড়কের দেবহাটা উপজেলার সখীপুরে প্রধান সড়কের পাশে নান্দনিক পরিবেশে অবস্থিত সরকারি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজ। প্রয়াত কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও জমিদাতা আলহাজ্জ মো.আব্দুল মজিদ সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নানামুখী সহযোগিতায় ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত কলেজটি সরকারিকরণ হয় ২০১৮ সালে।
কলেজটিতে অনার্স চালু আছে ৬ টি বিষয়ে (ব্যবস্থাপনা, হিসাববিজ্ঞান, বাংলা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এবং প্রাণিবিদ্যা)।
এছাড়াও কলেজটিতে চালু আছে-
এইচএসসি বিজ্ঞান,ব্যবসায় শিক্ষা, মানবিক ও বি.এম শাখা। স্নাতক পর্যায়ে চালু আছে-
 বিএ, বিবিএ, বিবিএস ও বি-এসসি।
কলেজটির আরো আছে- বিজ্ঞান ভবন,শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব, আইসিটি মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম, লাইব্রেরি, বঙ্গবন্ধু কর্ণার,সরকারি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজ জামে মসজিদ, গেস্ট রুম, সান বাঁধানো বিশাল পুকুর, ফুটবল মাঠ, রোভার ডেন সহ নানা স্থাপনা ও নান্দনিক পরিবেশ।
তবে বিগত সময়ে ৩/৪ টি বিষয়ে অনার্স ৪র্থ বর্ষের ভাইভার কেন্দ্র হলেও এবছর প্রাণিবিদ্যা ব্যতীত অবশিষ্ট ৫ টি বিষয় অনার্স ৪র্থ বর্ষের ভাইভার কেন্দ্রও ঐতিহ্যবাহী কলেজটি।
এরই অংশ হিসেবে ২৭ মার্চ ২০২২ রবিবার ছিল সরকারি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজের ব্যবস্থাপনা ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের ও আগত সীমান্ত আদর্শ কলেজের ব্যবস্থাপনা অনার্স ফাইনাল বর্ষের ভাইভা কেন্দ্র সরকারি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজ।
বহি:পরীক্ষক ছিলেন সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজ ও সাতক্ষীরা সিটি কলেজের শিক্ষক।
মৌখিক পরীক্ষা শেষে সরকারি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক ভবনের সামনে কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) ও ইংরেজি বিভাগীয় প্রধান মোল্লা সাবীর হোসেন,
কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক ও অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো.রিয়াজুল ইসলাম, প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক ও অবসরপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ আলহাজ্জ মো.আব্দুল মজিদ, ব্যবস্থাপনা বিভাীয় প্রধান শেখ মিজানুর রহমান, একই বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক মো.মনিরুজ্জামান (মহসিন), প্রভাষক মো.রোকনুজ্জামান, প্রভাষক মো.আনোয়ার সিদ্দিকী সহ সরকারি কেবিএ কলেজের ব্যবস্থাপনা ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থীবৃন্দ।
 আমরা সবাই থাকলেও এমন মুহূর্তে একজনের অনুপস্থিতি সকলকে বড়ই পীড়া দেয়।
তিনি হলেন ক্ষণজন্মা কর্মবীর, ১০ ফেব্রুয়ারি আমাদের থেকে একেবারে হারিয়ে যাওয়া সুমিষ্টভাষী ব্যক্তিত্ব, কলেজ শিক্ষক পর্ষদ সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক মো.মইনুদ্দিন খান(৫৮)।
তবে এই অকাল প্রয়াত মানুষটির জন্য ভাইভা অনুষ্ঠানে আপ্যায়ন করানোর সাধ্য কারো না থাকলেও সকল সময় যার যার অবস্থানে অন্তর থেকে দোয়া করি আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং তার পরিবারকে শোককে শক্তিতে পরিণত করার তৌফিক দান করেন।
সাথে সকলে আরো দোয়া করি মাত্র ৪৭ বছর বয়সে ২২ জুন ২০২১ সালে আমাদের ছেড়ে চলে যাওয়া প্রাণ চাঞ্চল্য অফিস সহায়ক মো.মামুন ইসলাম মাওলার জন্য।
পাশাপাশি আরো দোয়া কামনা করি- মহান আল্লাহ যেন আমাদেরকে করোনামুক্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আগের চেয়ে আরো ভালোভাবে লেখাপড়ার সুযোগ দান করেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শিক্ষা ডেস্ক: বর্তমানে শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বলে দাবি করেছেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা। তার বলেছেন, নিয়োগবাণিজ্য, মানহীন শিক্ষাব্যবস্থায় জাতি ক্রমাগত অবনমন হচ্ছে। এর ফলে দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিল পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তার বিরোধিতা করে এসব কথা বলেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদ্যরা। তাদের মধ্যে ছিলেন- জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু, ফখরুল ইমাম, রুস্তম আলী ফরাজী, বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ এবং রুমিন ফারহানা।

সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেন, বর্তমানে শিক্ষার গুণগতমান একেবারে ভেঙে পড়েছে। তাছাড়া স্কুল-কলেজগুলোতে গত ১০ থেকে ১৫ বছরের অর্থ বিনিময়ের ছাড়া কোনো শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ হচ্ছে না। সম্প্রতি দপ্তরি নিয়োগেও ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা নিয়োগবাণিজ্য হয়েছে বলে দাবি করেন হারুন। তিনি গতানুগতিক শিক্ষা বাদ দিয়ে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাব্যবস্থা চালুর অনুরোধ করেন।

বিএনপির আরেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, আজকের এই বিল নিয়ে আমরা ১৫৭টি বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাস করলাম। কিন্তু বেকারত্বের হার বেড়েছে বৈ কমেনি।

একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমানে এমএ পাস বেকারের সংখ্যা ৩৭ শতাংশ, বিএ পাস বেকার ৩৭ শতাংশ, এইচএসসি পাশ ২৭ শতাংশ, এসএসসি পাস করা বেকারের সংখ্যা ২৮ শতাংশ। সুতরাং ৬৬ শতাংশের ওপরে শিক্ষিত বেকার ঘুরে বেড়াচ্ছেন। যার মধ্যে মাত্র ৩ শতাংশ নিজ উদ্যোগে কিছু কাজ করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। আজ সারাদেশে যত শিক্ষিত বেকার আছেন তার ২১ শতাংশ মাত্র চাকরি পেয়েছেন।

জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ইচ্ছেমতো আর্থিক ব্যবস্থাপনা করছে। এটি বন্ধ করতে না পারলে দুর্নীতি বেড়ে যাবে, শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। তিনি বলেন, সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি নীতিমালা করা উচিত। দেখা যাচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ভিন্ন ভিন্ন নীতিমালা হচ্ছে। এগুলো বন্ধ না হলে শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়বে, শিক্ষাবাণিজ্য বেড়ে যাবে।

সংসদে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো খুবই সুন্দর। কিন্তু শিক্ষাব্যবস্থা কর্মবিমুখ। শিক্ষকরাও তেমনভাবে প্রশিক্ষিত নন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেসব ছেলে-মেয়েরা বের হচ্ছেন তারা অধিকাংশই বেকার হয়ে ঘুরছেন। এ সময় তিনি কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা চালুর আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে করোনার টিকাকেন্দ্রের দোতলার রেলিং থেকে পড়ে প্রতিবন্ধী তরুণীর মৃত্যু

এম বেলাল হোসাইন: কোভিড -১৯ এর দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে যেয়ে দোতলার রেলিং থেকে পড়ে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার হরিনগর বনশ্রী বিদ্যা নিকেতনে (মাধ্যমিক বিদ্যালয়) এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম আঞ্জুয়ারা খাতুন ওরফে আঞ্জু (৩৫)। তিনি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের হরিনগর গ্রামের মৃত আবুজার মোড়লের মেয়ে।
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য পরিদর্শক লক্ষী রানী মণ্ডল জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে ৫ তলা বিশিষ্ঠ হরিনগর বনশ্রী বিদ্যা নিকেতনের ২য় তলা দ্বিতীয় তলায় মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের জনসাধারনের জন্য কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ ও গণটিকা কার্যক্রম শুরু করা হয়। সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে হরিনগর গ্রামের চায়না খাতুন তার বুদ্ধি প্রতিবন্ধি মেয়ে আঞ্জুয়ারা খাতুনকে রেলিং এর পাশে বেঞ্চে বসিয়ে রাখেন। কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই আঞ্জুয়ারা রেলিং টপকে নীচে পড়ে যায়।
শ্যামনগর উপজেলার হরিনগর গ্রামের চায়না খাতুন জানান, টিকা নিতে এসে তার মেয়ে বেঞ্চ থেকে উঠে রেলিং এর উপর ওঠার চেষ্টা করার একপর্যায়ে নীচে পড়ে মারা যায়।
হরিনগর বনশ্রী বিদ্যা নিকেতনের প্রধান শিক্ষক আব্দুল করিম জানান, আঞ্জুয়ারা দোতলা থেকে পড়ে যাওয়ার সময় তিনি অফিসে ছিলেন। খবর পেয়ে ছুঁটে আসের হরিনগর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা উপপরিদর্শক তারক চন্দ্র বিশ্বাস। আঞ্জুয়ারাকে মারাত্মক জখম অবস্থায় শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে´ে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ তরিকুল ইসলাম তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
হরিনগর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা উপপরিদর্শক তারক চন্দ্র বিশ্বাস জানান, চায়না খাতুন তার প্রতিবন্দি মেয়েকে নিয়ন্ত্রণে না রাখতে পারায় এ ধরণের দুর্ঘটনা ঘটেছে।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী ওয়াহিদ মুৃর্শিদ জানান, খবর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসাইুন শাফায়েত বলেন, কেন্দ্রে কারও গাফিলতি থাকলে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক টুটুলের মায়ের দাফন সম্পন্ন : সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোক

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্য ও দৈনিক ভোরের দর্পণ এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি স.ম তাজমিনুর রহমান টুটুলের মাতা আলহাজ্ব মন্জুয়ারা খাতুন (৮৪) বার্ধক্যজনিত কারনে সোমবার সকাল ৭:৩০ মিনিটে আশাশুনির শরাফপুর নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি-রাজেউন)। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে ও এক কন্যা সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন। সোমবার বাদ আছর শরাফপুর মশিউরিয়া দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবর স্থানে তাকে দাফন করা হয়।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক শেখ মাসুদ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না,

নির্বাহী সদস্য মকসুমুল হাকিম, সেলিম রেজা মুকুল, আব্দুল গফুর সরদার, মাছুদুর জামান সুমন, এম শাহীন গোলদারসহ প্রেসক্লাবের সকল সদস্যবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পারিবারিক কলহের জের ধরে শ^শুর কর্তৃক জামাতার নামে একাধিক মামলা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ঃ সাতক্ষীরায় পারিবারিক কলহের জের ধরে শ^শুর কর্তৃক জামাতার নামে অপহরণসহ একাধিক মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, সদর উপজেলার খড়িবিলা গ্রামের আব্দুল হকের পুত্র আরিফুল ইসলাম।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, কর্মসূত্রে আমি দীর্ঘদিন যাবত ঢাকাতে ছিলাম। সেই সময় আমার স্ত্রী সোনিয়া সুলতানার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর এই সম্পর্ককে বৈবাহিক জীবনে রূপ দিতে পারিবারিকভাবে উভয়পক্ষের সম্মতিতে ২০২০ সালের ৭ আগষ্ট ইসলামী শরিয়াহ্ মোতাবেক আমরা বিয়ে করি। বিয়ের পর থেকে দাম্পত্য জীবন আমরা যথেষ্ঠ সুখে শান্তিতে ছিলাম। কিন্তু আমার শ্বশুর শহরের ইটাগাছা এলাকার সিরাজুল ইসলাম বিভিন্ন সময় কে বা কার কুপরামর্শে লিপ্ত হয়ে তার মেয়েকে আমার কাছ থেকে সরিয়ে নিয়ে অন্যত্র বিয়ে দেওয়ার কঠিন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন।

আমার শ্বশুর একজন হীনমনের মানুষ। তিনি তার তার মেয়েকে আমার বাড়ি থেকে ভালভাবে নিয়ে যান। তারপর তিনি ওই কুচক্রী মহলের পরামর্শে আমার স্ত্রীকে আটকিয়ে রাখেন। একপর্যায়ে গত ২৪ মার্চ সন্ধ্যা অনুমান ৭ টার দিকে আমার স্ত্রীকে শ্বশুর বাড়ি থেকে ফিরিয়ে আনতে গেলে শ্বশুর কর্তৃক তার সঙ্গীয় সন্ত্রাসী বাহিনী তার নিজ বাড়িতে ফেলে আমাকে বেধড়ক মারপিট করেন। আমার স্ত্রী বিষয়টি বুঝতে পেরে কোন মতে জীবন নিয়ে পরদিন ২৫ মার্চ আমার বাড়িতে পালিয়ে আসে। আমার শ্বশুর তার নিজের জামাতা অর্থাৎ আমার নামে কিছু পথভ্রষ্ট মানুষের কুপরামর্শে যৌতুক, নারী নির্যাতন ও অপহরণসহ এ পর্যন্ত একাধিক মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন।
তিনি আরো বলেন, বিয়ের সময়ে আমি আমার শ্বশুর বাড়ি থেকে কোন প্রকার উপঢৌকন গ্রহণ করিনি। অথচ তিনি আমার নামে যৌতুকের মিথ্যা মামলা দিয়েছেন। আমার শ্বশুর আমার বিয়ের পর থেকে বরাবরই আমাদের দাম্পত্য জীবনে কলহের সৃষ্টি করতে ভিলেনের অভিনয় করে যাচ্ছেন।

তিনি এ সময় বলেন, আমার স্ত্রী স্বেচ্ছায় আমার সাথে যোগাযোগ করে আমার বাড়িতে পালিয়ে চলে আসার পরও কি কারণে তিনি (স্ত্রীর পিতা) সিনেমা স্টাইলে আমার নামে অপহরণ, নারী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলা করে যাচ্ছেন এটা জাতির কাছে প্রশ্ন রইল ? সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় যাতে তার স্ত্রীকে নিয়ে সুখে শান্তিতে দাম্পত্য জীবন পরিচালনা করতে পারেন এবং তার শ্বশুরের মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন মামলার হাত থেকে রক্ষাসহ তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় আমাদের সময় পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিক পালিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের সময় সরকারের পক্ষে বিপক্ষে নয়, রাষ্ট্র তথা জনগনের পক্ষে কথা বলে যাচ্ছে। সব পরিস্থিতিতে আমাদের সময় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখেছেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে আমাদের সময় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে একবিন্দুও বিচ্যুত হয়নি। সাততলা থেকে বটতলা’র প্রতিটি পাঠকের হৃদয়ে আজ আমাদের সময় দেশসেরা দৈনিকে পরিণত হয়েছে।
আমাদের সময় পত্রিকা প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে স্বল্পমুল্যে সব পাঠকের হাতে পত্রিকা পৌঁছে দিয়ে নজির স্থাপন করেছিলেন।

তার সুফল আজ দেশের কোটি কোটি পাঠক ভোগ করে যাচ্ছে। নতুন ধারার দৈনিক আমাদের সময় এর ১৮তম বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথিরা এসব কথা বলেন।
আমাদের সময় এর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে সকল বক্তারা বলেন রাজনীতি, অর্থনীতি, ব্যবসা-বানিজ্য, বিশ্ব পরিস্থিতি, বিনোদন, খেলাধুলা, সাহিত্যসহ সকল ক্ষেত্রে সব খবর সবার সবার আগে পাঠকের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। ভবিষ্যতেও এধারা অব্যাহত রাখবে বলে সকলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সোমবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত  প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভায় সভাপতিত্বে করেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী।
প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম কামরুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে
স্বাগত বক্তব্য দেন, আমাদের সময় এর নিজস্ব প্রতিবেদক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের
অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসু দেব বসু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক, ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের আহবায়ক শেখ এজাজ আহমেদ স্বপন, উদীচী জেলা সংসদের
সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যান ব্যানার্জি। এছাড়া অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, কবিতা পরিষদ সাতক্ষীরা’র সভাপতি মন্ময় মনির, ঐতিহ্য লোক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আহবায়ক আমিনুর রশীদ, ডেইলী সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক সেলিম রেজা মুকুল, ফরিদ আহমেদ ময়না প্রমূখ।  আলোচনা সভা শেষে আমাদের সময় এর ১৮ বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে ১৮ পাউন্ডের একটি কেক কাটা হয়।  অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, রাজনীতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে জেলা কৃষকলীগের আলোচনা সভা

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা কৃষকলীগের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে কাটিয়াস্থ সাতক্ষীরা জেলা কৃষকলীগের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু।

সাধারণ সম্পাদক মো: মঞ্জুর হোসেনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি শেক নুর আহম্মেদ লাল্টু, যুগ্ম সম্পাদক শেখ হেদায়েতুল ইসলাম, এস এম রেজাউল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আল মাহমুদ পলাশ, স্থানীয় সরকার সম্পাদক শেখ আফজাল হোসেন,

পৌর সভাপতি শামছুজ্জামান জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক শাহ আনারুল ইসলাম,পৌর ৫নং ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুল খালেক, ফিংড়ী ইউনিয়ন সভাপতি ডা: গোবিন্দ দাশ, পৌর কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, পৌর ৮নং ওয়ার্ডের মো: ওবায়দুল হক, মো: আফছার আলী প্রমুখ।

আলোচনাসভায় বক্তারা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। এছাড়া সদর উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি স ম তাজমিনুর রহমান টুটুলের মায়ের মৃত্যুতে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest