সর্বশেষ সংবাদ-
সব ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরসাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ ও শিপন ৫ দিনের রিমাণ্ডেএবিপার্টি সাতক্ষীরা জেলা শাখার মাসিক মতবিনিময় সভাআশাশুনিতে সুদ কারবারির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান ৭ আসামি গ্রেপ্তারদেবহাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী-স্বজনদের ডেঙ্গু বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষাসাতক্ষীরায় ডিবি পুলিশের অভিযানে অনলাইন জুয়াচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার : ৬টি মোবাইল জব্দদেবহাটায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভাসাতক্ষীরা সরকারি কলেজে শিক্ষার্থী জাকারিয়া হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনবিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিশ্চিতের দাবি 

শ্যামনগরে পিস ক্লাবের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

শ্যামনগর প্রতিনিধি : হিংসা নয়, সম্প্রীতি ছড়াই এই স্লোগানে রূপান্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত বার্ষিক পিসক্লাব সম্মেলন ২০২১/২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৮মার্চ) শ্যামনগরের সুন্দরবন পিকনিক কর্নারে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকতার হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম আতাউল হক দোলন।
এসময় পিসকনসোর্টিয়াম প্রকল্পের ম্যানেজার গোলাম কিবরিয়া ও মেহেদী মারুফ এর যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক সাঈদ উজ জামান সাঈদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা আইয়ুব ডলি, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনুল ইসলাম , ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাগর কুমার মন্ডল, কাশিমাড়ী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান গাজী আকতার ফারুক সহ ইমাম, পুরোহিত ও বিভিন্ন ইউনিয়ন পিসক্লাবের সদস্যবৃন্দ প্রমুখ।

সমগ্র অনুষ্ঠানটির সার্বিক দিকনির্দেশনা ও পরামর্শে ছিলেন রূপান্তর’র পরিচালক শাহাদাত হোসেন বাচ্চু। এসময় সমাজে শান্তি সম্প্রীতি রক্ষায় স্ব-স্ব ইউনিয়নের কার্যক্রমের মুল্যায়নের উপর ভিত্তি করে সেরা ৩ পিস ক্লাবের মধ্যে রমজাননগর, ঈশ্বরীপুর ও কাশিমাড়ী ইউনিয়ন পিসক্লাব নেতৃবৃন্দের হাতে সেরা পিসক্লাব নির্বাচিত হওয়ায় ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

সমগ্র অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন রূপান্তর কর্মী আব্দুল হান্নান, মিনহাজুল মুনমুন ও

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাধবকাটির ডাকাতিসহ ১১ টি নাশকতা মামলার আসামী ওয়ারেশ আলীর হাত থেকে রক্ষা পেতে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ঃ সাতক্ষীরার মাধবকাটির চিহ্নিত ভূমিদস্যু ও ডাকাতিসহ ১১ টি নাশকতা মামলার আসামী ওয়ারেশ আলীর ষড়যন্ত্রের হাত থেকে রক্ষা পেতে এবং মিথ্যা মামলায় জড়ানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, সদর উপজেলার মাধবকাটি গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর পুত্র ভুক্তেভোগী শফিকুল ইসলাম।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি একাধারে ফোরকানিয়া কোরআনিয়া মাদ্রাসার সভাপতি,

মাধবকাটি প্রাইমারী স্কুলের সহ-সভাপতি ও কাঁচা বাজার জামে মসজিদের সদস্য এবং বলাডাঙ্গা হেফজখানার সদস্য। একই এলাকার মৃত মাদার মোড়ল ওরফে পাগলা মোড়লের পুত্র ওয়ারেশ আলীর সাথে আমার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। আমাকে সর্বশান্ত ও হয়রানির করার জন্য বিগত ২০০৯ সালের পহেলা অক্টোবর ওয়ারেশ আলী তার কন্যাকে দিয়ে ধর্ষন চেষ্টার একটি মিথ্যা নাটক সাজিয়ে নিজে বাদী হয়ে আমার বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলা খারিজ হওয়ার পর বিগত ২০১০ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারী তিনি আমার বিরুদ্ধে আদালতে আরো একটি মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। এরপর তার আতœীয় স্বজনদের বাদী করে তিনি আদালতে একের পর এক আমার নামে পেন্ডিং মামলাসহ মোট ৯ টি মামলা দায়ের করেন।

সর্বশেষ আমি ঢাকায় থাকাকালিন সময়ে ওয়ারেশের কন্যার আতœীয় ডাকাতী মামলার আসামী গদাঘাটা গ্রামের মিজানুর রহমানকে দিয়ে সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। আমি বাড়ি ফিরে আসার পর ওয়ারেশ ও এই মামলা বাদী মিজানুর ২০২১ সালের ১৭ ডিসেম্বর পুলিশ নিয়ে আমাকে চিনিয়ে দেন। পরদিন ১৮ ডিসেম্বর পুলিশ আমাকে আটক করে ছিনতাই মামলায় কারাগারে প্রেরণ করেন। ভূমিদস্যু ওয়ারেশ আলীর হাত থেকে রক্ষা পেতে চলতি বছরের গত ৮ মার্চ আমি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করি। এঘটনায় ওয়ারেশ আলী আরো ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১২ মার্চ জঘন্য মিথ্যাচার করে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। যা পরদিন বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

সেখানে ওয়ারেশ আলী বলেছেন আমার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার একটিরও নাকি বাদী তিনি নন। যা সম্পুর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রকৃত পক্ষে তিনি আমার বিরুদ্ধে যে ৯টি মামলা করেছেন এর মধ্যে ৫টি মামলার বাদী ওয়ারেশ আলী নিজেই।

আর বাকী ৪টি মামলার বাদী তার আতœীয় স্বজন। যার সকল কাগজপত্র ও মামলার এজাহারের কপি আমার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। যা সুষ্ঠু তদন্ত করলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে। ধর্মীয় লেবাসে ওয়ারেশ আলী মানুষকে হয়রানি করে যাচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, মাধবকাটি মৌজার এস.এ ২৯৪ ও ২৩২ নং খতিয়ানে ১৬১ ও ১৬২ দাগের ১.৪ একর ‘ক’ তফসীলভুক্ত সম্পত্তি অবৈধভাবে ভোগদখল করায় ওয়ারেশ আলীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক আতিয়ার রহমান যুগ্ম জেলা জজ আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ডাকাতী মামলা দায়ের করেন। ১৯৯৮ সালে শিক্ষক আতিয়ার রহমান কোন উপায় না পেয়ে চাকুরি বাঁচাতে অন্যত্র চলে যান। পরে ওই সম্পত্তির ভূয়া দলিল করে ওয়ারেশ আলী ভোগদখল করেন। সেখান থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার মাটি বিক্রি করে তিনি তা আত্মসাৎ করেছেন। এরপরও তিনি ও তার পুত্র আবুল বাশার ধোয়া তুলশীপাতা দাবি করেছেন। অথচ আমার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করায় এলাকাবাসী তার বিরুদ্ধে গণস্বাক্ষর পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানিয়েছেন। কোন ভালো মানুষের বিরুদ্ধে গ্রামবাসী এভাবে গণস্বাক্ষর করে কি না তা আমার জানা নেই। ওয়ারেশ আলীর বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ ১১টি নাশকতার মামলা রয়েছে। আর তার ছেলে আবুল বাশারের বিরুদ্ধে ৬টি চেক জালিয়াতি ও ৭টি নাশকতার মামলা রয়েছে। ওই ডাকাত ও জালিয়াত চক্রের ষড়যন্ত্রে আমি আজ দিশেহারা হয়ে পড়েছি। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় মিথ্যা মামলার বাদী ওয়ারেশ গংয়ের ষড়যন্ত্রের হাত থেকে রক্ষা পেতে এবং তাদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাবিতে কাঁকশিয়ালী’র সভাপতি মামুন :  সম্পাদক নাসিমা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন, কাঁকশিয়ালী’র ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের নব গঠিত কমিটির সভাপতি হিসেবে শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শেখ নাসিমা ইসলামকে আগামী এক বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে কাঁকশিয়ালী “মুজিববর্ষ, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন, নবীন বরণ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান- ২০২২” – এর আয়োজন করে। এ অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে “বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষে বাংলাদেশ ও আমাদের প্রত্যাশা” শীর্ষক শিরোনামে আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং “শেখ ওমর তৌফিক স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নকে বায়ান্ন, ছেষট্টি, উনসত্তর ও একাত্তর নামক একাদশে বিভক্ত করে চারটি দল গঠন করা হয়। ফাইনালে বায়ান্ন একাদশ উনসত্তর একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

এছাড়াও কালিগঞ্জ উপজেলা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে চান্সপ্রাপ্ত ১৫জন নবীন শিক্ষার্থীকে ক্রেস্ট প্রদানের মাধ্যমে বরণ করে নেয়া হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাঁকশিয়ালী’র সম্মানিত উপদেষ্টা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ রফিকুল ইসলাম পিএএ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নীল দলের দপ্তর সম্পাদক, বিশ্ববিদ্যালয়টির সহকারী প্রক্টর ও সহকারী অধ্যাপক কাঁকশিয়ালী’র সম্মানিত প্রতিষ্ঠাতা কাজী ফারুক হোসেন, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক(রিপোর্টিং) মুজাহিদ আল মনজুর প্রমুখ।

প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি আনিম ইরতিজা শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ শাহ আলম, সদ্য বিদায়ী কমিটির সভাপতি আরাফাত শায়ান রিয়াজ এবং সাধারণ সম্পাদক(ভারপ্রাপ্ত) শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুনের সুপারিশক্রমে কাঁকশিয়ালী’র প্রতিষ্ঠাতা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক কাজী ফারুক হোসেন নবগঠিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে যথাক্রমে শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং শেখ নাসিমা ইসলামকে অনুমোদন দেন। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আরাফাত শায়ান রিয়াজ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা রেঞ্জের নিষিদ্ধ গহীন অভয়ারান্যে মধু আহরণের সময় ৭ মৌয়াল আটক

আসাদুজ্জামান ঃ সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের নিষিদ্ধ গহীন অভয়ারন্য অঞ্চলে মধু আহরণের সময় সাত মৌয়ালকে আটক করেছে বনবিভাগের স্মাট পেট্টোল টিমের সদস্যরা। সোমবার সকাল ৭টার দিকে তাদের আটক করা হয়। পরে এঘটনায় উক্ত সাত জেলেকে বনআইনে তাদের কাছ থেকে ৭০হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
আটক মৌয়ালরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার যাবদপুর গ্রামে আশরাফুল আলীর পুত্র অমিনুর রহমান (৩২), পশ্চিম কৈখালী গ্রামের মেহের উদ্দীন গাজীর পুত্র দিদারুল ইসলাম (৫২), আরশাদ সরদারের পুত্র আনোয়ার সরদার (৪২), শেফা বাউলিয়ার পুত্র আঙ্গর আলী (৩০), বৈশখালী গ্রামের সোহরাব আলীর পুত্র আসলাম ফারুক (৫৫),

মৃত খয়রাত গাজীর পুত্র মজিবর রহমান (৫২) ও জয়াখালী গ্রামের আব্দুল মজিদের পুত্র ইসমাইল হোসেন (৩৪)।
বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের নিষিদ্ধ গহীন অভয়ারন্য আঠারোবেকি এলাকায় কয়েকজন মৌয়াল মধু আহরন করছেন এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বনবিভাগের স্মাট টিমের দলপতি এফজি হারুনার রশিদের নেতৃত্বে একটি টিম সেখানে অভিযান চালায়।

এ সময় সেখান থেকে উক্ত সাত মৌয়ালকে আটক করা হয়। এরপর উক্ত সাত জেলের কাছ থেকে বনআইনে ৭০হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এম.এ হাসান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় জমি-জমা বিরোধে গৃহবধুকে মারপিটের ঘটনায় জিডি করায় ২০ হাজার টাকা চাঁদা চেয়ে হত্যার হুমকি

নিজস্ব প্রতিনিধি :

জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মারপিটের ঘটনায় থানায় জিডি করার পর ২০ হাজার টাকা চাঁদা এবং জিডি প্রতাহার করার তাগিৎ দিয়ে এক অসহায় গৃহবধূকে প্রাণ-নাশের হুমকি দিয়েছে প্রতিপক্ষরা। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তালা থানা থেকে জিডি প্রতাহার না করলে খুন করা হবে বলে হুমকির অভিযোগে সোমবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে গৃহবধু তাছলিমা খাতুন। সে সাতক্ষীরা তালা উপজেলার জাতপুর গ্রামের সামছুর রহমান খাঁর মেয়ে।

লিখিত অভিযোগে তাছলিমা খাতুন জানান, দীর্ঘ দিন ধরে তালা উপজেলার জাতপুর মৌজার ৪২০ ও ৪২২ দাগে তার ক্রয়কৃত ও পিতার নিকট থেকে প্রাপ্ত ১০ শতক জমি নিয়ে জাতপুর গ্রামের প্রতিবেশি প্রতিপক্ষ মোঃ} হোসেন আলী খাঁর ছেলে কামরুল ইসলাম খাঁ,আক্তারুল খাঁ,ও নাজমূল খাঁ এবং একই গ্রামের ইছার উদ্দীন খাঁর ছেলে জাহান আলী খাঁর সাথে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। গত ২৭ মার্চ রবিবার বেলা ১২টার দিকে উল্লেখিত ব্যক্তিরা আমার ভোগ দখলীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক গায়ের জোরে প্রবেশ করে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ।

আমি বাঁধা দিতে গেলে বাঁশের লাঠি দিয়ে আমাকে মারপিট করে এবং শালনিতাহানীর চেষ্টা চালায়। এঘটনায় আমি তালা থানায় ঘটনার দিনেই একটি সাধারণ ডায়েরি করি। যার নাম্বার ১১৩৬। এঘটনার পরের দিন ২৮ মার্চ সোমবার সকালে জমিজমা ও মারপিটের ঘটনার বিষয়টি নিয়ে সাতক্ষীরা জজ কোটের আইজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি এ্যাডঃ আব্দুল মজিদ সাহেবের সেরেস্তায় পরামর্শ নিতে আসি।

দুপুরে একটি ইঞ্জিনচালিত ভ্যানযোগে বাড়ী ফেরার পথে বেলা আনুমানিক ৩ টার সময় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বিসিক শিল্পনগরীর নিকট পৌছাতেই দুটি মটরসাইকেল যোগে প্রতিপক্ষ ওই চার ব্যক্তি কামরুল,আক্তারুল,নাজমুল খাঁ ও জাহান আলী খাঁ সন্ত্রাসী স্টাইলে আমার ভ্যানের গতিরোধ করে জিডি তুলে নিতে হুমকি দিয়ে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। এছাড়া আগামি সাত দিনের মধ্যে তাদের দাবীকৃত উক্ত চাঁদার টাকা এবং থানা থেকে জিডি প্রতাহার না করলে জানে মেরে ফেলে দিবো বলে হুমকি দিয়ে চলে যায়। এঘটনায় আমি নিজেকে অনেক অসহায় বোধ করছি। অবিলম্বে ওই চার সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে বিচার করার জন্য পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বিধবা গৃহবধূ তাছলিমা খাতুন। #

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা কলারোয়ায় কুলবাগানের পানির ড্রেন থেকে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

এম বেলাল হোসাইন : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় একটি কুলবাগানের ড্রেন থেকে সাচিতা হোসেন সেজুতি নামের অষ্টম শ্রেণির স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্কুলছাত্রীর মরদেহ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তারা।
সাচিতা হোসেন সেঁজুতি জালালাবাদ গ্রামের কৃষক সোহরাব হোসেন পলাশের মেয়ে। সে কলারোয়া পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।
মেয়েটিরবাবা সোহরাব হোসেন পলাশ জানান, গতকাল রোববার মেয়ে স্কুলে গিয়েছিল। তারপর থেকে সে বাড়ি ফেরেনি। সারাদিন তাকে না পেয়ে রাতে আমি কলারোয়া থানায় জিডি করি।
মেয়ের হত্যা প্রসঙ্গে পলাশ জানান, আমার মেয়ের সাথে প্রতিবেশি আলতাফ হোসেনের ছেলে আব্দুর রহমানের সাথে এক বছর আগে থেকে সম্পর্ক ছিল। আব্দুর রহমান কলারোয়া সরকারি কলেজে এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষে পড়ে। এ নিয়ে শালিস-বিচারও হয়েছে। আমি তাদের এই সম্পর্ক মেনে নেইনি। ধারণা করছি,আব্দুর রহমান আমাকে শিক্ষা দিতে মেয়েকে হত্যা করেছে।
কলারোয়া থানারও সিনাসির উদ্দীন মৃধা জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মেয়েটির মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। তার গলায় ওড়না পেচিয়ে শ^াসরোধ করে হত্যার আলামত মিলেছে। তবে ধারণা করছি, তাকে অন্য কোথাও হত্যা করে এখানে ফেলে রাখা হয়েছে। এঘটনায় এখনো মামলা হয়নি বলে জানান ওসি।
২৮.০৩.২২

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৭ নং ওয়ার্ড আ’লীগের অফিস ভাংচুরের ঘটনায় থানায় মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধি : রাতারাতি শহরের ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের অফিস ভাংচুরের ঘটনায় সদর থানায় মামলা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শহরের ইটগাছা পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত নিয়ামুদ্দীন সরদারের ছেলে জামায়াত বিএনপির সদস্য আবুল কালাম আজাদ (৫০) এর নেতৃত্বে ২০/৩০ জন গত ১২ মার্চ ভোর সাড়ে ৫ টার দিকে ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ অফিস ভাংচুর করে তা মাটির সাথে বিলীন করে দেয়। সকালে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা শহরের ইটাগাছা চিত্ত মোড়ে গিয়ে আ’লীগ অফিসের কোন অস্তিত্ব খুঁজে পায়না।

আবুল কালাম আজাদ প্রায় স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের হুমকি দিয়ে বলতো এ ওয়ার্ডে আওয়ামীলীগ অফিস থাকবে না। রাতারাতির মধ্যে আওয়ামীলীগ অফিস ভাংচুর করে মাটির সাথে সমান করে দিবে বলে হুমকি প্রদান করতো। এঘটনায় ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সদস্য আসাদুজ্জামান লাভলু বাদী হয়ে সদর থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে তদন্ত প্রমাণিত হওয়ায় এজাহারটি মামলা হিসেবে নেয়া হয়েছে

। যার মামলা নং- ৬৪৭, তাং-২৪/০৩/২০২২। এব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর মোঃ শফিউল ইসলাম জানায়, তদন্তে প্রাথমিক ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মামলা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে। এঘটনায় যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ার কেড়াগাছিতে পদ বঞ্চিত যুবদল নেতাকর্মীদের মানববন্ধন

কলারোয়ার ১০টি ইউনিয়নে ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে নিস্ক্রিয় নেতাকর্মীদের দিয়ে ইউনিয়ন যুবদলের কমিটি গঠনের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে পদ বঞ্চিত নেতাকর্মীরা।
গতকাল কেড়াগাছি বাজারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কেড়াগাছী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মহসীন আলী, যুবদল নেতা সৈকত, মিঠু,শাহীন আলমগীর, আলিম,রফিকুল, শাহাজান,মিল্টন প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশনা অমান্য করে অর্থের বিনিময়ে নিস্ক্রিয় এবং আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তানদের যুবদলের কমিটিতে পদ দিয়েছেন। অথচ দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকার কারনে জেলার ১২টি ইউনিয়নের যুবদলের নেতাকর্মী রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় কারাবরনসহ শারিরীকভাবে জখম হয়েছেন। হয়েছেন একাধিক মিথ্যা নাশকতা মামলার আসামী। তাদের বাদ দিয়ে সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের ভাগ্নে কে এম পলাশ অর্থের বিনিময়ে ওই বিতর্কিত ব্যক্তিদের কমিটিতে পদ দিচ্ছেন। ইউনিয়ন গুলোর মধ্যে কেড়াগাছি, চন্দনপুর, কয়লা, হেলাতলা, যুগিখালী, দেয়াড়া, লাঙ্গলঝাড়া, কুশোডাঙ্গা, জয়নগর ও জালালাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের কমিটিতে যেসব ব্যক্তিদের দিয়ে আহ্বায়ক কমিটি দেওয়া হয়েছে। দলের সংকটকালীন সময়ে আন্দোলন সংগ্রামে তাদের কোন ভূমিকা ছিলো না। তাদের অধিকাংশ নগদ টাকা দিয়ে কমিটি নিয়েছেন।
তিনি অবিলম্বে ওই কমিটি বাতিলের দাবিতে জেলা, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest