সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনগাজীপুরে ৫ খুন: পদ্মা সেতু থেকে লাফ দি‌য়ে অভিযুক্তের আত্মহত্যাষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাঁচতে চায় আশাশুনির মাছ ব্যবসায়ী জুলফিকরদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু খালে অবমুক্তপ্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যWarum das Cleobetra Casino bei erfahrenen Spielern so beliebt istআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  সাতক্ষীরায় আইসক্রিম কারখানায় র‍্যাবের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

সাতক্ষীরায় ১০৩ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরার কলারোয়া থেকে ১০৩ বোতল ফেন্সিডিলসহ এক মাদক ব্যবসায়িকে আটক করেছে র‌্যাব। বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার উপজেলার ব্রজবাকস বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক মাদক ব্যবসায়ির নাম শফিকুল ইসলাম (৩০)। তিনি হেলাতলা ইউনিয়নের ব্রজবাকস গ্রামের আনসার আলীর ছেলে।

র‌্যাব জানায়, ভারত থেকে অবৈধপথে মাদকের একটি বড় চালান কলারোয়া সীমান্ত দিয়ে ব্রজবাকস বাজার এলাকায় আনা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরা ক্যাম্পের এর একটি চৌকস দল সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় হেলাতলা ইউনিয়নের ব্রজ বাকসা গ্রামস্থ সাতক্ষীরা টু কলারোয়া গামী হাবিব মার্কেটের সামনে পাকা রাস্তার উপর থেকে ১০৩ বোতল ফেন্সিডিলসহ উক্ত মাদক ব্যবসায়ি শফিকুলকে হাতে নাতে আটক করা হয়।

র‌্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা ক্যাম্পের অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লীডার মো. ইশতিয়াক হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জব্দকৃত ফেন্সিডিলসহ আটক মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দিয়ে কলারোয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় করোনা উপসর্গে ৪ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৭ জন

আসাদুজ্জামান: সীমান্তবর্তী জেলা সাতক্ষীরায় করোনার সংক্রমনের হার উঠা-নামা করলেও বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসটির উপসর্গ নিয়ে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনা ডেডিকেটেড সামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাতে তারা মারা যান।

এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় ১০০ জনের নমুনা পরীক্ষা শেষে নতুন করে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২৭ জন। যা শনাক্তের হার ২৭ শতাংশ।

তবে, করোনার সংক্রমন ও মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পেলেও সাধারণ মানুষের মাঝে দেখা যাচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন প্রবনতা। এছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকেও দেখা যাচ্ছে না কোন তৎপরতা।

ভাইরাসটির উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘন্টায় যারা মারা গেছেন তারা হলেন, তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার বড়বিলা গ্রামের মৃত ফজলে করিমের পুত্র সিরাজুল ইসলাম (৬৫), সদর উপজেলার পাথরঘাটা গ্রামের মৃত মান্দার দালালের পুত্র আবুল হোসেন (৭৫), শ্যামনগর উপজেলার পারনপুর আজাদনগর গ্রামের মৃত মুৎলা সরদারের পুত্র মোহাম্মদ আলী (৬০) ও একই উপজেলার নয়নতারা চাঁদদনীমুখা গ্রামের আব্দুল্লাহ গাজীরপুত্র আল-আমিন (১৬)।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ করোনার নানা উপসর্গ নিয়ে গত এক সপ্তাহের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে তারা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তারা মারা যান। এ নিয়ে জেলায় আজ পর্যন্ত করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন মোট ৮২৪ জন। আর ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো মোট ৯১ জন।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসেইন শাফায়েত জানান, জেলায় বর্তমানে ৫৫৪ জন করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এরমধ্যে ৫৫৪১ জন বাড়িতে ও বাকী ১৩ জন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি এ সময় করোনা সংক্রমন থেকে রক্ষা পেতে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি সকলকে মাস্ক পরার আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা ব্যুরোঃ
সরকারি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজের শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক, ব্যবস্থাপনা বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক মো. মইনুদ্দিন খান স্যার (৫৮) আর নেই (ইন্নানিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তিনি ঢাকা ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎাসাধীন অবস্থায় ১০ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মৃত্যুবরণ করেছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার দেবীশহর গ্রামের আলহাজ্জ নূরালী খানের বড় ছেলে ও কালিগঞ্জ উপজেলাধীন ভাড়াশিমলা ইউপির হিজলা গ্রামের বাসিন্দা মরহুম আব্দুল জব্বার গাজীর জামাতা, দেবীশহর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিলকিছ বানু’র স্বামী, নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের অত্যন্ত ভক্ত ও সদস্য, শিক্ষাবান্ধব ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব মো.মইনুদ্দিন খানের এমন মৃত্যুতে পরিবার-পরিজন, কলেজের সহকর্মী, শিক্ষার্থী, প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন সহ সকলের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

দেবীশহর শাহী জামে মসজিদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও গাজীরহাট প্রগতি সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো.মইনুদ্দিন খান মৃত্যুকালে পিতা-মাতা,স্ত্রী,১ পুত্র সাগর, ১ কন্যা মরিয়ম মুনমুন (কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্সের শিক্ষার্থী), ২ ভাই ফারুক ও সিরাজুল, ১ বোন সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।

১১ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বাদ জুম্মা দেবীশহর ফুটবল মাঠে মরহুমের নানাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসককে সম্মিলিত সাংবাদিক এসোসিয়েশনের শুভেচ্ছা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সম্মিলিত সাংবাদিক এসোসিয়েশনের নব নির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দ। বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের বাংলো কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এ ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি দৈনিক নব অভিযান পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি,

দৈনিক যুগেরবার্তা ও রেডিও নলতার স্টাফ রিপোর্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহ সভাপতি দৈনিক ঢাকা টাইমস্’র জেলা প্রতিনিধি এম বেলাল হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক দৈনিক সাতঘরিয়া পত্রিকার মফস্বল সম্পাদক ও দৈনিক সরেজমিন বার্তা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি আব্দুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক ৭১ টিভির ক্যামেরাপার্সন সৈয়দ সাদিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সংবাদ প্রকাশের জেলা প্রতিনিধি ও দিপ্ত টিভির ক্যামেরাপার্সন মো. রিজাউল করিম, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বিটিভি’র ক্যামেরাপার্সন মীর মোস্তফা আলী, দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার নিজস্ব প্রতিনিধি মো. আব্দুর রহিম, দৈনিক লাখো কন্ঠ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ফিরোজ হোসেন, দৈনিক আজকের তথ্যের জেলা প্রতিনিধি রাহাত রাজা, দৈনিক প্রতিদিনের কথা’র জেলা প্রতিনিধি মো. মাসুদ আলী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কা‌লিগ‌ঞ্জে ইউ‌পি সদ‌স্যের শপথ গ্রহণ

কা‌লিগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধি :
আইনি জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে কালিগঞ্জ উপজেলার চাম্পাফুল ইউনিয়নের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য অমর কুমার সরকারের শপথ বাক্য পাঠ করানো হ‌য়ে‌ছে। বৃহস্প‌তিবার বিকা‌লে উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার র‌বিউল ইসলাম তারই ক‌ক্ষে এই শপথ বাক‌্য পাঠ করান।

এসময় উপ‌স্থিত ছি‌লেন উপ‌জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা অনুজ গাইন, নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যাল‌য়ের প্রশাস‌নিক কর্মকর্তা হোস‌নেঅারা খানম প্রমুখ।

উল্লেখ্য গত বছ‌রের ২৮ ন‌ভেম্বর উপ‌জেলার ১২টি ইউ‌নিয়‌ন প‌রিষ‌দের নির্বাচন অনু‌ষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচ‌নে চাম্পাফুল ইউ‌নিয়‌নের ৭ নং ওয়া‌র্ডে অমর কুমার সরকার বিজয়ী হন। প‌রবর্তী‌তে ভোট পুনর্গণনার দাবিতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কা‌ত্তিক চন্দ্র সরকার অাদাল‌তে মামলা ক‌রে। সকল বিতরকের অবসান ঘটিয়ে অমর কুমার সরকারের শপথ পড়া‌নো হ‌য়ে‌ছে। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ প্রতিনিধিকে জানান, বুধবার নির্বাচন কমিশন থেকে চিঠি পা‌ঠি‌ছে। সেই মোতা‌বেক আইনগত কোনো বাঁধা না থাকায় বৃহস্পতিবার বিকেলে চাম্পাফুল ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড সদস্যেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শপথ বাক্য পাঠ করান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌর মেয়র ও কাউন্সিলরদের সাথে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা পৌরসভা পরিদর্শন শেষে পৌর মেয়র ও কাউন্সিলরদের সাথে মতবিনিময় করেছেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ইসমাইল হোসেন। বৃহষ্পতিবার বিকেলে পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে উক্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সাতক্ষীরার পৌর মেয়র তাসকিন আহমেদ চিশতির সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,

খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোঃ হুমায়ুন কবীর। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মাসরুবা ফেরদৌস,

পৌরসভার প্রধান নির্বাহী নাজিমউদ্দিনসহ পৌরসভার নারী ও পুরুষ কাউন্সিলরগণ উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় বিভাগীয় কমিশনার সাতক্ষীরা পৌরসভার বিভিন্ন কর্মকান্ড নিয়ে জানতে চান।
মতবিনিময় সভা শেষে পৌরসভা চত্বরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, পৌর মেয়র কাউন্সিলরদের দূর্ণীতির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এবং পৌর কাউন্সিলররা মেয়রের বিরুদ্বে অনিয়ম ও দূর্ণীতির বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এটা তার জানা নেই। তিনি শুধু মাত্র পরিদর্শণে এসেছেন।

পৌরসভার উন্নয়ন নিয়ে এখানে কথা বলেছেন। তবে যেহেতু দূর্ণীতির বিষয়টি পাল্টাপাল্টি উঠে এসেছে সেক্ষেত্রে তিনি খোঁজখবর নিয়ে সামগ্রিকভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেবেন। একইভাবে পৌরসভার প্রধান নির্বাহী পানির বিল বাকী থাকলে তারা অন্যান্য নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পৌরসভা থেকে নাগরিক সুবিধা পাওয়ার ন্যয্য অধিকার যেমন রয়েছে তেমনি পৌরসভার প্রাপ্য পরিশোধ করাটাও সাধারণ নাগরিকের কর্তব্য। সেকারণে বিষয়টি উভয়পক্ষকেই দেখতে হবে। তবে পানিরে বিল না দেওয়ার জন্য অন্য নাগরিক সেবা থেকে জনগণকে বঞ্চিত করাটা ঠিক হবে না।
২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রী যে ঘোষনা দিয়েছেন সেজন্য সাতক্ষীরার ভোমরা বন্দরের আধুনিকীকরণ, চিংড়ি, আম, কুল, গ্রীষ্মকালিন টমেটোর প্রসেসিং ও বাজারজাত করণ এর উপর জোর দিতে হবে। সাতক্ষীরাকে একটি বিশেষ জেলা হিসেবে তুলে ধরতে উন্নয়নমুখী কাজ করতে হবে। শিক্ষাঙ্গন ও ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে হবে। সুন্দরবনকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। দেশের উন্নয়নে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী এ জন্য নদী ও খাল খনন, মজবুত ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ,ডিজিটাল পদ্ধতিতে চাষাবাদসহ বিভিন্ন কর্মসুচি হাতে নিয়েছেন।
এরপর তিনি সাতক্ষীরা সদর সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও পৌর ভূমি অফিস পরিদর্শণ শেষে নামজারির জটিলতা, কাজ না করে জনগনকে হয়রানি বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : পুলিশের হামলায় চেয়ারম্যানসহ গ্রামবাসী আহত হয়েছেন। অথচ সেই চেয়ারম্যানে ও গ্রামের লোকজনকে আসামি করে শ্যামনগর থানা পুলিশ আরও একটি মামলা চাপিয়ে দিয়েছে অভিযোগ করে গ্রেপ্তার হওয়া কৈখালি ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রহিমের মুক্তি দাবি করেছেন তার স্ত্রী রোকসানা পারভিন। তিনি বলেন আমার স্বামী ষড়যন্ত্রের শিকার।

তার ওপর একটির একটি মামলা দিয়ে ৫৩ টি মামলা চাপানো হলেও এখন হাতেগোনা কয়েকটি রয়েছে মাত্র। এসব মামলায় তিনি উচ্চ আদালতের জামিনে রয়েছেন। তা সত্ত্বেও পুলিশ তাকে কমান্ডো স্টাইলে গ্রেপ্তার করেছে।
বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেছেন চেয়ারম্যান আবদুর রহিমের স্ত্রী। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বুধবার বেলা ১১ টার দিকে তার স্বামী আব্দুর রহিম মোটরসাইকেল যোগে ইউনিয়ন পরিষদের দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় কতিপয় ব্যক্তি তার পথরোধ করে গাড়ি থামিয়ে তাকে বেধড়ক মারপিট করতে থাকে। তিনি মার খেয়ে লুটিয়ে পড়লে তার গলার ওপর পা তুলে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। পরে তারা নিজেদের পুলিশের লোক দাবি করে তার হাতে হাতকড়া পরায়।

এসময় গ্রামবাসী বাধার সৃষ্টি করলে পুলিশের তান্ডবে ৩০ জন আহত হন। লিখিত অভিযোগে তিনি একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে সাদা পোশাকধারী কয়েক পুলিশ সদস্য প্রকাশ্যে মারপিট করতে পারে কিনা এবং এটা মারবাধিকারের লঙ্ঘন কিনা এমন প্রশ্ন রেখে তিনি এই হামলাকারীদের বিচার দাবি করেন। রোকসানা পারভিন আরও বলেন, চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম কখনও কোনো দল করেন না। আগের পিরিয়ডেও তিনি চেয়ারম্যান ছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন তার বিরুদ্ধে একের পর এক মোট ৫৩ টি হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। এমনকি ভোটের সময় তিনি সন্ত্রাসী হামলার ভয়ে তার নিজের ভোটও দিতে পারেননি। এমন অবস্থায় জনপ্রিয় এই ব্যক্তি আবারও চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি বলেন, হয়রানিমূলক মামলার বেশিরভাগ খারিজ হয়ে গেছে। তবে ছয়টি চেকের মামলায় তার এক বছর করে সাজা হলেও এবারের ইউপি নির্বাচনের আগে এসব মামলার অবস্থা বিবেচনায় তার মনোয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষনা করে নির্বাচন কমিশন। ফলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্বিতায় কেনো বাধা ছিল না। পঞ্চম ধাপের নির্বাচনে জয়লাভের পর আগারি ১৪ ফেব্রুয়ারি তার শপথ গ্রহনের দিন ধার্য রয়েছে। তিনি যাতে শপথ গ্রহন করতে না পারেন সেই জন্যই তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আর এর পেছনে রয়েছে স্থানীয় একটি ষড়যন্ত্রকারী মহল। রোকসানা পারভিন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমার স্বামীকে বিভিন্ন সময় খুন জখম করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এতেও ক্ষান্ত না হয়ে পুলিশ তাকে পুলিশের ওপর হামলার ভুয়া মামলা সাজিয়ে আরও এক দফা হয়রানির আয়োজন করেছে। এসব ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি তার মুক্তি দাবি করেন। একই সাথে এসবের নেপথ্যে থাকা মহলটিকে চিহ্নিত করে তাদেরও বিচার দাবি করেন। তার ওপর হামলার জন্য মানবাধিকারের লঙ্ঘন হয়েছে জানিয়ে তিনি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ব্যবস্থা গ্রহনেরও দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালার শামসুন নাহার খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ জয়িতা

তালা প্রতিনিধি ::

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ‘জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ’ কর্মসুচীর আওতায় ২০২০-২০২১ অর্থবছরে শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে খুলনা বিভাগে প্রথম হয়েছেন তালার কৃতি সন্তান শামসুন নাহার। বুধবার খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁকে এ অর্জনের জন্য সার্টিফিকেট,

ক্রেষ্ট,উত্তরীয়,নগদ পঁচিশ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। শিক্ষা ও চাকুরীক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী একজন শিশুকন্যা থেকে সফল নারী হয়ে ওঠা প্রফেসর শামসুন নাহার তালা সদর ইউনিয়নের জাতপুর গ্রামের মৃতঃ সামছুর রহমান মোড়লের কন্যা। অবিবাহিত এ নারী খুলনা বিএল কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ।

তালা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার বলেন, তালার কৃতি সন্তান শামসুন নাহার খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হয়েছেন যেটি তালাবাসীর জন্য বিশেষ করে নারীদের জন্য দারুন এক অনুপ্ররণাদায়ী সংবাদ।
এজন্য তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। অধ্যক্ষের পদ থেকে কর্মজীবন শেষ করলেও এখনো তিনি নারীদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, ইউনিয়ন, জেলা, বিভাগের শ্রেষ্ঠত্বের পর এবার তিনি লড়বেন জাতীয় পর্যায়ে ।

এ বিষয়ে শামসুন নাহার বলেন, তৎকালীনর ৫০ ও ৬০ দশকের সময়ে গ্রামীণ অর্থনীতি ছিল ভঙ্গুর, আর্থ-সামাজিক অবস্থা ছিল নাজুক। ২/৪ টি পরিবার ব্যতীত গ্রামের প্রায় সকলের আর্থিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত দূর্বল।

গ্রামে কোন বিদ্যুৎ ছিল না, যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল অনুন্নত। মানুষের চিন্তা-ভাবনা ছিল অনগ্রসর। প্রচলিত ছিল বাল্য বিবাহ, পর্দা প্রথা ছিল সক্রিয়। নারীদের প্রতি গ্রামীণ সমাজের দৃষ্টিভঙ্গী ছিল রক্ষণশীল। ঐ সময়ে মেয়েদের লেখাপড়ার তেমন পরিবেশ ছিল না। গ্রামের ২/৪ টি পরিবারের মেয়েরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতো। কিন্তু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করার সুযোগ খুবই কম ছিল। নারী-পুরুষের মধ্যে বৈষম্য ছিল প্রকট। মেয়েরা স্বাধীনভাবে চলাফেরা ও মতামত প্রকাশ করতে পারতো না। সামাজিক রীতিনীতি ও অনুশাসন ছিল কঠোর। সমাজে নানা ধরণের অন্ধ বিশ^াস ও কুসংস্কার বিরাজ করতো। তখন তাদের যৌথ পরিবার ছিল কৃষিভিত্তিক ও বেশ সমৃদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, দাদা,বাবা,চাচাসহ সকলকে নিয়ে ছিল তাদের পরিবার। বাবার আর্থিক অবস্থা ছিল দূর্বল। ৬ বোন ও ৩ ভাই মিলে মোট ৯ ভাই-বোনেরম ধ্যে তার অবস্থান ৪র্থ। অল্প বয়সে দেখা তার বড় বোনের প্রতি সংঘটিত অবিচার, গ্রামের অন্যান্য নারী ও মেয়েদের প্রতি সংঘটিত অনায্যতা ও বৈষম্য, পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা, বাবার আর্থিক দূর্বলতার কারণে তাদের প্রতি অন্যদের মনোভাব ও আচরণ ইত্যাদি ঘটনা প্রবাহ তাকে প্রচন্ডভাবে আহত ও সর্বদা তাড়িত করে। যা ঐ সময়ের সকল প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে তাকে লেখাপড়া করার জন্য উদ্ভুদ্ধ করে। শুরু হয় নিজের মধ্যে এক ধরনের নীরব লড়াই এবং প্রকাশ্যে লেখাপড়া করার জন্য জেদ। এইভাবে নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে তিনি লেখাপড়া শেষ করে ১৯৮১ সালে তালা কলেজে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। সর্বশেষ তিনি খুলনা বিএল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। এদিকে তিনি শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে খুলনা বিভাগে প্রথম হওয়ায় তিনি অভিভূত এবং সংশ্লিষ্টদের কৃতজ্ঞ প্রকাশ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest