সর্বশেষ সংবাদ-
সব ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরসাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ ও শিপন ৫ দিনের রিমাণ্ডেএবিপার্টি সাতক্ষীরা জেলা শাখার মাসিক মতবিনিময় সভাআশাশুনিতে সুদ কারবারির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান ৭ আসামি গ্রেপ্তারদেবহাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী-স্বজনদের ডেঙ্গু বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষাসাতক্ষীরায় ডিবি পুলিশের অভিযানে অনলাইন জুয়াচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার : ৬টি মোবাইল জব্দদেবহাটায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভাসাতক্ষীরা সরকারি কলেজে শিক্ষার্থী জাকারিয়া হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনবিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিশ্চিতের দাবি 

সাতক্ষীরায় বৈদ্যুতিক তাঁর ছিঁড়ে পাটকাঠি ভর্তি ট্রাকে আগুন

নিজস্ব প্রতিনিধি : বৈদ্যুতিক লাইনের তার ছিঁড়ে দ্রুত গতি সম্পন্ন পাটকাঠি ভর্তি ট্রাকে আগুন লেগেছে।

শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটায় সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কুল্ল্যার মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তিন ঘণ্টা ধরে ফায়ার ব্রিগেড আগুন নেভানোর আগেই ট্রাকটির মালামালসহ বড় অংশ পুড়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী শ্বেতপুর গ্রামের ইজিবাইক চালক বাবুরালি ও ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালক বুধহাটা গ্রামের শহীদুল ইসলাম জানান, যশোরের মনিরামপুর থেকে পাটকাঠি ভর্তি করে ঝিনাইদহ -চ- ১১-০০৩২ নং ট্রাক আশাশুনির বাঁকা বাজার এলাকায় যাচ্ছিল।

শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে পথিমধ্যে সাতক্ষীরা- আশাশুনি সড়কের কুল্ল্যা মোড়ে পাটকাটি বেঁধে বৈদ্যুতিক লাইনের তার ছিঁড়ে ওই ট্রাকের উপর পড়ে। এতে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ট্রাকে আগুন লেগে যায়। খবর পেয়ে আশাশুনি থেকে সিভিল ফায়ার ডিফেন্স এর একটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পরে সাতক্ষীরা থেকে ফায়ার সার্ভিসের আরো দু’টি ইউনিট এসে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে আগুন নিভিয়ে ফেলে।

ততক্ষণে ট্রাকে থাকা পাটকাঠি ও ট্রাকটির ইঞ্জিনসহ ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোমিনুর রহমান জানান, ট্রাকটিতে আগুন লাগার পর কুল্ল্যা মোড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় শিশু নির্যাতন বন্ধে আইনের দ্রুত প্রয়োগ ও মানবিক মূল্যবোধ সৃষ্টিতে সচেতনতা তৈরির বিকল্প নেই !

এম. বেলাল হোসাইন:
আইনের দ্রুত প্রয়োগ, মানবিক মূল্যবোধ সৃষ্টি করা এবং নির্যাতন বন্ধে ব্যাপক সচেতনা সৃষ্টি করতে পারলেই সাতক্ষীরায় শিশু নির্যাতন,ধর্ষনের মত ঘটনার প্রতিরোধ করা যাবে। তবে এক্ষেত্রে আইন শৃংখলা বাহিনীর পাশাপাশি ধর্মীয় নেতা, রাজনৈতিক নেতাসহ সামাজিক নেতৃবৃন্দকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মনে করেন সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

সম্প্রতি বেশ কয়েকটি লজ্জাজনক ঘটনায় সাতক্ষীরাবাসী উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, ২০২০ সালে করোনার শুরু থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সাতক্ষীরায় ৩০৯ টি নারী ও শিশু ধর্ষনের শিকার হয়েছে। ধর্ষনের শিকার অধিকাংশই কন্যা শিশু। ধর্ষনের শিকার বয়স্ক নারীর সংখ্যা খুবই কম। করোনাকালিন সময়েই বেশি ধর্ষনের শিকার হয়েছে এ জেলার শিশুরা।
এসব ঘটনা কন্যা শিশুদের ক্ষেত্রেই বেশি ঘটেছে। যাদের দ্বারা নির্যাতিত ও ধর্ষিত হয়েছে তারা সকলেই ভুক্তভোগীদের পরিচিত এবং আতœীয়। বেড়েছে শিশু শ্রম ও শিশু নির্যাতন। কন্যা শিশুর পাশাপাশিও অমানষিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে পুত্র শিশুও।
গত ১৪ মার্চ ২০২২ সোমবার ৭বছরের শিশু আলিফকে রক্তাক্ত অবস্থায় মরিচ্চাপ নদীর বেড়িবাঁধের পাশে একটি পানি বিহীন পুকুরে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

আলিফকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে দুই চোখ খুচিয়ে – খুচিয়ে মারাত্মক ভাবে রক্তাক্ত জখম করা হয়। পুলিশ এঘটনায় রানী বেগম এবং আশিকুর কে আটক করে। রানী বেগম শিশুটি বড় মামী এবং আশিকুর তার ছোট মামা। শিশু আলিফের মা মারা যাওয়ার ছোটকাল থেকেই নানী বাড়িতে শিশু আলিফ। সে বড় মামীকেই মা বলে ডাকে। আটকের পর মামী রানী এবং আশিক জবানবন্দিতে বলেছে, তাদের দুজনের মধ্যে পরকীয়া ছিলো। ঘটনার দিন মামী রানী এবং আশিককে একই ঘরে দেখে ফেলে শিশু আলিফ। যে কারনে তার দুচোখে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুচিয়ে নৃংশসভাবে হত্যার চেস্টা মামী রানী এবং মামা আশিক।

ওই নির্যাতনে শিশুটি তার ডান চোখ হারিয়েছে।
এর কারণ হিসেবে সাতক্ষীরার বিশিষ্ট জনেরা বলেন নৈতিক শিক্ষা, আইন থাকলেও আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকা, শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া, আদর্শ শিক্ষা না থাকা এবং অভিভাবকদের ব্যস্ততাও দায়ী। এছাড়া নৈতিক মূল্যবোধ দিন দিন কমে যাচ্ছে। স্বামী স্ত্রীর প্রতি দূরত্ব বাড়ার কারনে বেড়েই চলেছে পরকীয়ার মত ঘটনা। আর পরকীয়ার কারনেও অনেক শিশুকে নির্যাতনের পাশাপাশি জীবনও দিতে হচ্ছে।
ধর্মীয় অনুশাসন না থাকাও এধরনের অপরাধ সংঘটিত হওয়ার কারণ হিসেবে মনে করছেন ধর্মীয় নেতারা। পাশাপাশি শিশুরা কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে, যিনি শিক্ষক তার নৈতিক চরিত্র কেমন হোক সে বয়স্ক বা যুবক।

সকল বিষয়ে নজরদারি বাড়াতে হবে। অপরাধের বিষয়ে আইন থাকলেও যথাযথভাবে প্রয়োগ না হওয়াটাও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারন। কোন প্রভাবশালী ব্যক্তির কেউ অপরাধ করলে তার শাস্তি না হওয়াতে ওই অপরাধী আরো অপরাধে আসক্ত হয়ে পড়ে। আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ করতে হবে। দ্রুত রাষ্ট্রীয় আইন বাস্তবায়নের পাশাপাশি ধর্মীয় নেতাদের নিয়মিত এধরনের অপরাদের বিরুদ্ধে আলোচনা করতে হবে। বিশেষ করে মসজিদ মন্দির গীর্জায় এসব বিষয়গুলো নিয়ে বক্তব্য প্রদান করতে হবে।

পবিত্র কোরআনে কারিমে এ বিষয়ে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ।’ Ñ সুরা আল ইসরা : ৩২। এ আয়াতের ব্যাখ্যায় ইমাম কুরতুবি (রহ.) বলেন, ‘ব্যভিচার কোরো না’ এর তুলনায় আল্লাহর বাণী ‘ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না’ অনেক বেশি কঠোর।
হাদিস দ্বারা ধর্ষণের শাস্তির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। হজরত ওয়াইল ইবনে হুজর (রা.) বর্ণনা করেন, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে এক নারীকে ধর্ষণ করা হলে রাসুলুল্লাহ (সা.) ওই নারীকে কোনোরূপ শাস্তি দেননি, তবে ধর্ষককে হদের (কোরআন-হাদিসে বহু অপরাধের ওপর শাস্তির কথা আছে। এগুলোর মধ্যে যেসব শাস্তির পরিমাণ ও পদ্ধতি কোরআন-হাদিসে নির্ধারিত তাকে ‘হদ’ বলে) শাস্তি দেন।’ Ñ ইবনে মাজাহ : ২৫৯৮। ধর্ষণের ক্ষেত্রে একপক্ষে ব্যভিচার সংঘটিত হয়। আর অন্যপক্ষ হয় নির্যাতিত। তাই নির্যাতিতের কোনো শাস্তি নেই। কেবল অত্যাচারী ধর্ষকের শাস্তি হবে।

হিন্দুধর্মীয় নেতা বৃন্দাবন ঠাকুর তার রচিত গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যদি কন্যা সকামা(মহিলা যদি নিজের ইচ্ছায়) হয় তবে বধদন্ড(মৃত্যুন্ড) হইবেনা।। অর্থাৎ, কোনো মহিলার অনিচ্ছায় যদি যৌনসঙ্গম করা হয় তবে সেটা ধর্ষণ, আর তার শাস্তি হবে লিঙ্গ কেটে ফেলা বা মৃত্যু দন্ড। আর যদি মহিলা স্বইচ্ছায় যৌনসঙ্গম করে যাকে ব্যাভিচার বলা হয়,তবে গমনকারী ব্যাক্তির মৃত্যুদন্ড হবেনা। কারণ এখানে উভয়ের ইচ্ছা ছিলো।

সাতক্ষীরার বিশিষ্ট ও কবি স ম তুহিন বলেন, আমরা দিন দিন আমাদের সংস্কৃতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। একটা সময়ে বিকালে মাঠে লাঠি খেলা, যাত্রাপালা, জারিগান, কাবাডি খেলা, ওয়াজ মাহফিল, পালাগান হত। সেখানে ছোট বড় সকল বয়সী মানুষের উপস্থিতি থাকতো। প্রচুর দর্শকও থাকতো। এখন এগুলো তেমন দেখা যায় না। শিশুরা টিচার, স্বজন এবং ধর্মীয় নেতা দ্বারা ধর্ষিত হচ্ছে। এর কারন আমাদের লেখাপড়াটার উদ্দেশ্যেটার পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু একটা সময় পরিপূর্ণ মানুষ হওয়ার উদ্দেশ্যেই লেখাপড়া করা হতো। আদর্শিত মানুষ হওয়ার জন্য লেখাপড়া করা হতো। নৈতিক শিক্ষা থেকে দূরে চলে যাচ্ছি আমরা। ধর্মীয় অনুশাসন মানার কারনেও মানুষ অপরাধ থেকে দূরে থাকতো। এখন ধর্মীয় অনুশাসন আর তেমনটা দেখা যায় না। অভিভাবকদের সচেতনতাও অনেকাংশে দায়ী। এসব অপরাধ দমনে অভিভাবকদের আরো বেশি সচেতন হতে হবে। শিশুদের বেশি বেশি সময় দিতে হবে। ব্যাট টার্চ ও গুড টার্চ সম্পর্কে ধারনা দিতে হবে। অন্যদিকে অযোগ্য জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচিত করাটাও একটি অন্যতম কারন। তারা ভোটের জন্য এসব অপরাধকে ধামা চাপা দিতে চান। এমনকি কোন কোন সময়ে নিজেরাইও এধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়েন।

সাতক্ষীরা মহিলা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক এ কে এম শফিউল আযম বলেন, মহিলা অধিদপ্তর, সাংবাদিক প্রশাসন সকলেই কিন্তু বাল্য বিবাহ এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে। তারপরও কিছু ঘটনা ঘটছে, মূলত অভিভাকদের অসচেতনতা এবং জনপ্রতিনিধিদের সদিচ্ছার অভাব থাকার কারনেই এধরনের অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। তবে বাল্য বিবাহের পরেও মামলা করার সুযোগ রয়েছে। যে কেউ বাদী হয়ে মামলা করতে পারবে।
সাতক্ষীরা জজকোর্টের অতিরিক্ত পিপি এ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু বলেন, আইনের দীর্ঘসূত্রতার কারণে বিচার প্রার্থীরা ধর্য্য হারা হয়ে যায়। ফলে আসামীরা পার পেয়ে যায়। এসব ক্ষেত্রে দ্রুত বিচার করতে হবে। সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করতে, বিচারপ্রার্র্থীর হয়রানি বন্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে। সর্বপরি মূল্যবোধ সৃষ্টি করতে পারলেই এসব অপরাধ পুরোপুরি বন্ধ করতে না পারলেও প্রতিরোধ করা সম্ভব।

সাতক্ষীরা মায়ের বাড়ি মন্দিরের পুরোহিত শ্যামল চক্রবর্তী বলেন, এধরনের কাজ খুবই ন্যাক্কার জনক, মহাপাপ। এধরনের কাজের সাথে যারা জড়িত তাদের নরকে কঠোর শাস্তি পেতে হবে। এগুলো প্রতিরোধে তিনি মন্দিরের ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোতে বেশি বেশি করে মহাপাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি পরলোকের কঠোর শাস্তির বিষয়টি নিয়ে ভক্তদের মধ্যে আলোচনা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসার মুহাদ্দিস সামছুজ্জামান বলেন, পবিত্র কোরআনে এ সংক্রান্ত অনেক আয়াত রয়েছে। মসজিদের ইমামদের বেশি বেশি খুতবার এসব আয়াত নিয়ে আলোচনা করতে হবে। মানুষকে পরকালের শাস্তির বিধান সম্পর্কে অবগত করাতে হবে। তাহলেই এধরনের অপরাধ কমানো সম্ভব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তথাকথিত সাংবাদিক ঐক্যের মিথ্যাচারের নিন্দা জানিয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সভায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সিনিয়র সাংবাদিকদের উপর চড়াও হওয়া এবং জঘন্য মিথ্যাচারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিকবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় এ প্রতিবাদ জানান সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপির সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জি, দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক ও প্রকাশক জি এম নুর ইসলাম, দৈনিক সাতনদী সম্পাদক ও প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাফফর রহমান,

এম কামরুজ্জামান, ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার সাতক্ষীরা প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম মনি, নির্বাহী সদস্য সেলিম রেজা মুকুল, সাবেক অর্থ সম্পাদক কাজী শওকত হোসেন ময়না, প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক শেখ মাসুদ হোসেন, দপ্তর শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার নির্বাহী সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম কবির, এস এম রেজাউল ইসলাম প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক যুগের বার্তার সম্পাদক আ ন ম আবু সাঈদ, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, কামরুল হাসান, দৈনিক ইচ্ছেনদী সম্পাদক মকছুমুল হাকিম,

আসাদুজ্জামান আসাদ, শাকিলা ইসলাম জুই, এম রফিক, প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ইদুজ্জামান ইদ্রিস, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক মো: শহিদুল ইসলাম, কাজী জামাল উদ্দীন মামুন, বরুন ব্যানার্জি, জাহাঙ্গীর আলম কবীর, আবু তালেব মোল্যা, নির্বাহী সদস্য মাসুদুর জামান সুমন, মো: আইয়ুব হোসেন রানা, ফয়জুল হক বাবু, মেহেদী আলী সুজয়, জি এম আদম শফিউল্লাহ, আব্দুল আলিম, হাফিজুর রহমান, এসকে কামরুল হাসান, মীর আবু বকর, এসএম আকরামুল ইসলাম এম. বেলাল হোসাইনসহ ৫৫ জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজনের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন,

প্রেসক্লাবে ২২ মার্চ তারিখের বার্ষিক সাধারন সভা ও সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত নিয়ে ‘সাংবাদিক ঐক্য’ নামের একটি কথিত সংগঠনের প্রেসক্লাবের সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে সদস্যদের মেইলে চরম মিথ্যাচার, মনগড়া তথ্য সম্বলিত প্রেসবিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে সদস্যদের মধ্যে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করা হচ্ছে। প্রকৃত সত্যকে আড়াল করে সাতক্ষীরাবাসীকে মিথ্যা তথ্য দেওয়া হচ্ছে। সাতক্ষীরার সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জির বিরুদ্ধে জঘন্য মিথ্যাচার করে প্রমান করেছে তারা অপসাংবাদিকতার সাথে জড়িত। কল্যাণ ব্যানার্জি একক কোন ব্যক্তি নন। তিনি একটি প্রতিষ্ঠান। তাকে সহ সিনিয়র সাংবাদিক সম্পর্কে কোন আপত্তিকর মন্তব্য দরদাস্ত করা হবে না। এসমস্ত মিথ্যা তথ্য তারা কেবল মেইলে পাঠিয়ে খ্যন্তÍ হচ্ছে না, তারা তা আবার দু/একটি পত্রিকায় প্রকাশ এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও অনলাইন ভার্সানে এবং বিভিন্ন ফেসবুক তথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করছে। যেটি প্রেসক্লাবের মত একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য চরম মর্যদাহানিকর। যা সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্রেরও সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

তথাকথিত সাংবাদিক ঐক্যের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে বক্তারা আরো বলেন, সিনিয়র সাংবাদিকদের উপর চড়াও হওয়ায় বহিস্কার হওয়া যে উশৃঙ্খল সাংবাদিককে আজ আশ্রয় দিচ্ছেন। মনে রাখবেন আগামীকাল ওই ব্যক্তি আপনাদেরকেও সম্মান করবে না।
এছাড়া কিছু সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র অমান্য করে ২৩ মার্চ ক্লাবে প্রবেশ করে ৫ সদস্য বিশিস্ট তথাকথিত একটি আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করেছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কমিটি নির্বাচনী তফশীল ঘোষনা করেছেন। ২১ এপ্রিল প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ তফশীল অনুযায়ী প্রেসক্লাবের একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ষড়যন্ত্রকারীরা পার পাবে না। নির্বাচন বানচলের চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুশিয়ারী প্রদান করেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় যুবদল নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে ১০ ইউপিতে পকেট কমিটি দেওয়ার অভিযোগ !

নিজস্ব প্রতিনিধি :
কলারোয়ার ১০টি ইউনিয়নে ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে আওয়ামী ঘরোনার এবং নিস্ক্রিয় নেতাকর্মীদের দিয়ে ইউনিয়ন যুবদলের কমিটি গঠনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ১০টিতেই এধরনের অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে কলারোয়া উপজেলার নেতাকর্মীদের চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে উপজেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।
উপজেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশে যুবদলের পক্ষ থেকে ইউনিয়নে কমিটি দেওয়া হচ্ছে।

কিন্তু কমিটি দেওয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশনা অমান্য করে অর্থের বিনিময়ে নিস্ক্রিয় এবং আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তানদের যুবদলের কমিটিতে পদ দিয়েছেন। অথচ দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকার কারনে জেলার ১২টি ইউনিয়নের যুবদলের নেতাকর্মী রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় কারাবরনসহ শারিরীকভাবে জখম হয়েছেন। হয়েছেন একাধিক মিথ্যা নাশকতা মামলার আসামী। তাদের বাদ দিয়ে সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের ভাগ্নে কে এম পলাশ অর্থের বিনিময়ে ওই বিতর্কিত ব্যক্তিদের কমিটিতে পদ দিচ্ছেন। ইউনিয়ন গুলোর মধ্যে কেড়াগাছি,

চন্দনপুর, কয়লা, হেলাতলা, যুগিখালী, দেয়াড়া, লাঙ্গলঝাড়া, কুশোডাঙ্গা, জয়নগর ও জালালাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের কমিটিতে যেসব ব্যক্তিদের দিয়ে আহ্বায়ক কমিটি দেওয়া হয়েছে। দলের সংকটকালীন সময়ে আন্দোলন সংগ্রামে তাদের কোন ভূমিকা ছিলো না। বর্তমানেও নেই। তাদের অধিকাংশ নগদ টাকা দিয়ে কমিটি নিয়েছেন। যদিও উপজেলা যুবদলের সভাপতি সবুজ বিষয়টি অস্বীকার করে বলেছেন, টাকা পয়সার বিনিময়ে কোন কমিটি দেওয়া হয়নি। যদি কেউ প্রমান দিতে পারে আমি পদত্যাগ করবো।
এদিকে সন্তোষ জনক পদ না পাওয়ায় কয়লা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিবের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ইব্রাহিম হোসেন মুন্না। পদত্যাগ পত্রে তিনি উল্লেখ করেছেন, মানুষের ভোটাধিকার ও জেল জুলুম এবং নির্যাতনের প্রতিবাদে রাজপথে থেকে আন্দোলন করেছি। কাঙ্খিত পদ না পাওয়া যুবদলের সদস্য সচিবের পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করছি।
কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কলারোয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য শাহিন হোসেন বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে হামলা-মামলার শিকার হয়েছি। সকল আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছি। কিন্তু সাবেক এমপির ভাগ্নে পলাশ অর্থের বিনিময়ে আমাদের মত ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে কমিটি দিয়েছেন। তিনি অবিলম্বে ওই কমিটি বাতিলের দাবিতে জেলা, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কেড়াগাছি ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সেক্রেটারী মহাসিন আলী বলেন, উপজেলা যুবদলের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা টাকার বিনিময়ে কমিটি দিয়েছেন। তারপরও আমি ত্যাগীদের বাদ দেওয়ার কারন জানতে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শফি মাস্টারকে নিয়ে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক পলাশের কাছে গিয়েছিলাম। তিনি বলেছেন সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম জেল খানায় বসেই কমিটি দিয়েছেন। এখানে আমার কিছু করার নেই।
এঘটনায় মহাসীন আলী অবিলম্বে ওই কমিটি বাতিলের দাবিতে জেলা, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং তারেক রহমানের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের সভাপতি আবু জাহিদ ডাবলুর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ১০টি ইউনিয়নের বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে যুগিখালী ইউনিয়নের এধরনের অভিযোগ আসায় কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। বাকীগুলোর বিষয়ে তদন্ত করা হবে। প্রমান পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গণতান্ত্রিক দেশে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের অধিকার সমান –সাতক্ষীরায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্রাচার্য্য

আসাদুজ্জামান ঃ গণতান্ত্রিক দেশে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের অধিকার সমান। সকলে ভাই-ভাই একে অন্যের সাথে বিরোধ অথবা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করে সমাজ ও রাষ্ট্রের শান্তির জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে বসবাস করে দেশের উন্নয়নে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছি ইউনিয়নের বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে শ্রীশ্রী ব্রহ্ম হরিদাস ঠাকুরের জন্মভিটা আশ্রমে ৫ম দোলযাত্রা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন, বাংলাদেশ সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী শ্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য।

হরিদাস ঠাকুর আশ্রমেরমের সভাপতি শ্রী কার্তিক চন্দ্র মিত্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্যের সহধর্মিণী চন্দ্রা ব্যানার্জি, সাতক্ষীরা- ১(তালা+কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, সবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমান, তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষ সনদ কুমার,

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, উপজেলা আওয়ামলীগের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপন প্রমুখ।
প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য এসময় তিনি হরিদাস ঠাকুর আশ্রমের অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে আগামী ১মাসের মধ্যে ১০ লক্ষ টাকার সহায়তার ঘোষণা দেন। দোলযাত্রা উপলক্ষে সেখানে ‘বিশ্ব শান্তি ও মানবতার কল্যাণ কামনায়,

ভাগবত আলোচনা, পদাবলী কীর্তন, ভোজন কীর্তন, বাউল সংগীত ও লোক সংগীত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে সরকারি হাসপাতালের বহির্বিভাগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়েই হাসপাতালের বহির্বিভাগে ডাক্তার দেখাচ্ছেন রোগীরা। স্বাস্থ্য সেবা নিতে এসে বরং ঝুঁকিতে পড়ছেন বলে মন্তব্য করেছেন অনেকেই।
একই সাথে পর্যাপ্ত শয্যার অভাব, ডাক্তারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জনবলের কমতি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অবকাঠামোগত সংকটসহ নানান কারণে ব্যহত হচ্ছে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ।
হাসপাতালের বহির্বিভাগে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও দুর্গন্ধের মধ্যেই বসে থাকেন স্বাস্থ্য সেবা নিতে আসা রোগীরা। অনেকেই ডাইরিয়া জনিত কারনে ডাক্তার দেখাতে এসে সুস্থতার বদলে আরো বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী রোগীরা।

সরজমিনে শ্যামনগর হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় হাসপাতালের আউটডোরের পাশেই রয়েছে টয়লেট। অব্যবস্থাপনা আর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাবে দুর্গন্ধে ভরে উঠেছে এলাকা জুড়ে।হাসপাতালের পরিচ্ছন্ন কর্মী থাকলেও তাদের দেখা মেলেনা কোথাও।হাসপাতের কার্যক্রম দেখে মনে হয় আবকিছুই আই ওয়াশ। হাসপাতালের সকল কাজ যেন চলছে দায়সারা।

কোনো সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব নেই কতৃপক্ষের। উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তার অফিসের দুই পাশ ঘিরেই রয়েছে ময়লার স্তুপ,কিন্তু তা অপসারণের বদলে তৈরি করা হচ্ছে ময়লার ভাগাড়ে। সেবা নিতে আসা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক রোগী বলেন, যতবার শ্যামনগর হাসপাতালে আসি ততবারই এই দুর্গন্ধের মধ্যে বসেই সেবা নিতে হয়।
একাধিকবার হাসপাতাল কতৃপক্ষকে বলেও এর কোন সুরহা হয়নি।
এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা.জিয়াউর রহমান বলেন, আমি এসেছি কয়েকদিন হয়েছে। আমি সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহন করবো

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কা‌লিগ‌ঞ্জে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস পালনে র‌্যা‌লি ও আলোচনা সভা

কা‌লিগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ
“বি‌নি‌য়োগ ক‌রি যক্ষ্মা নির্মূলে, জীবন বাঁচাই সবাই মিলে” এই প্রতিাদ‌্যকে সাম‌নে রে‌খে কা‌লিগ‌ঞ্জে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস পালন উপলক্ষে র‌্যা‌লি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হ‌য়ে‌ছে। ‌দিবস‌টি পালন উপল‌ক্ষে বৃহস্প‌তিবার বেলা ১১টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যা‌লি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

পরবর্তী‌তে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শেখ তৈ‌য়েবুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অাবা‌সিক মে‌ডি‌কেল অ‌ফিসার (অারএমও) ডাঃ গোলাম মোস্তফা, মে‌ডি‌কেল অ‌ফিসার ডাঃ হাসান জাফরী, ব‌্র‌্যাক কা‌লিগঞ্জ অ‌ফি‌সের কর্মসূচি সংগঠক শ‌রিফুল ইসলাম প্রমুখ। অা‌লোচনা সভায় বক্তারা ব‌লেন, দুই সপ্তা‌হের বেশী সময় কা‌শি থাকা, রা‌তে জ্বর ও ওজন ক‌মে যাওয়া ইত‌্যা‌দি সমস‌্যা দেখা দি‌লে সা‌থে সা‌থে পরীক্ষা কর‌া‌তে হ‌বে।

বিনামূল্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরীক্ষা ও ঔষধ দেওয়া হয়। পুরু‌ষের তুলনায় নারীরা এই রোগে বেশী আক্রান্ত হয়। বর্তমা‌নে কা‌লিগঞ্জে ১৪জন কুষ্ঠ রোগী পাওয়া গেছে। জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর,

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে নি‌র্দেশনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনায় ক‌রেন উপ‌জেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক আব্দুস সোবহান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় প্রতিবন্ধী শিশুর লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার তালায় রসুল গাজী (১০) নামে এক প্রতিবন্ধী শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পাতবার (২৪ মার্চ) রাত ৮টায় তালার খলিলনগর ইউনিয়নের গোনালী ঘোষপাড়ার একটি পুকুর থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।

মৃত রসুল আটারই গ্রামের হালিম গাজীর ছেলে। হালিম গাজী তালার রহিমাবাদ গ্রামে বসবাস করে।
প্রত্যক্ষদর্শী প্রভাষ ঘোষ জানান, সন্ধ্যায় আমি পুকুরে হাস ঁতুলতে পুকুরে গিয়ে কিছু একটা দেখি। পরে এলাকাবাসী ও পুলিশকে খবর দিয়েছি। পুলিশ এসে রাতে লাশটি উদ্ধার করে।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করেছি। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার থেকে শিশুটিকে খুজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে খোজ পেতে মাইকিং করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest