সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনগাজীপুরে ৫ খুন: পদ্মা সেতু থেকে লাফ দি‌য়ে অভিযুক্তের আত্মহত্যাষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাঁচতে চায় আশাশুনির মাছ ব্যবসায়ী জুলফিকরদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু খালে অবমুক্তপ্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যWarum das Cleobetra Casino bei erfahrenen Spielern so beliebt istআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  

সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির উদ্যোগে জাতীয় গ্রন্থগার দিবস উপলক্ষে বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি ও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির যৌথ আয়োজনে লাইব্রেরির পাঠ কক্ষে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ করেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সাতক্ষীরা শেখ মফিজুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কাজী আরিফুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা-তুজ-জোহরা, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি জিয়াউদ্দীন আহমেদ,

সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান, উপজেলা তথ্য কর্মকর্তা ইরা খাতুন, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপিকা মুর্শিদা পারভীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুল করিম, অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির গাজী আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রাসেল, সহ-সম্পাদক সৈয়দ মহিউদ্দিন হাসেমী তপু,

সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক তৃপ্তি মোহন মল্লিক, নির্বাহী সদস্য মো. আমিনুল হক, প্রভাষক মো. রেজাউল করিম, অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম, শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু প্রমুখ। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় সাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ,

সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এসময় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুবদলনেতা হত্যার বিচার ও শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলা যুবদল নেতা আকবর আলী হত্যার বিচার ও খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাতক্ষীরায় যুবদলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৫ জানুয়ারি ২০২২ বিকালে কামালনগর এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্র-ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের সভাপতি আবু জাহিদ ডাবলু। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এইচ আর মুকুল।
বক্তব্য রাখেন জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মোঃ নজরুল ইসলাম, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও পৌর যুবদলের আহবায়ক আলি সাইন, সদর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো নুরুজ্জামান প্রিন্স, সদর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক সুমন রহ এরমান, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মাসুম রানা সবুজ,

জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন, জেলা যুবদলের যুগ্ম-সম্পাদক তারিকুল ইসলাম কল্লোল, জেলা যুবদলের যুগ্ন সম্পাদক ইসমাইল হোসেন বাবু, জেলা যুবদলের যুগ্ন সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, জেলা যুবদলের যুগ্ন সম্পাদক পারভেজ সাজ্জাদ,

জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শেখ রুবেল, জেলা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দেবাশীষ চৌধুরী, জেলা যুবদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রাসিউল করিম রুমান, জেলা যুবদলের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক শেখ ফেরদৌস রহমান, জেলা যুবদলের সহ তথ্য ও যোগাযোগ হয়েছে সম্পাদক মোহাম্মদ শামীম হোসেন রাজু, সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-সম্পাদক খোরশেদ আলম, সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক শাহজাহান আলী বাবলু প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে ১০টি খাতে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতির বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সরকারি কর্ম দিবস থেকে এতদন্ত কাজশুরু হয়েছে। তদন্ত করছেন সাতক্ষীরার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মাশরুবা ফেরদৌস।

টানা দুই বার নির্বাচিত সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতী শহরের কামালনগর গ্রামের মৃত. আবুল কাশেমের পুত্র। এছাড়া সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য।

সাতক্ষীরার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মাশরুবা ফেরদৌস জানান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব মোহাম্মদ ফারুক হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সরজমিনে তদন্ত করে সুস্পষ্ঠ মতামত সহ জরুরি ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য আমি কাজ করছি। কত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে,এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,সময় সীমা বেঁধে দেওয়া নেই। তবে যত তাড়াতাড়ি পারা যায়, প্রতিবেদন পাঠানো হবে।
০৪ নংওয়ার্ডের কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হাসান বলেন,কমপক্ষে ১০টি খাতে পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যে কারো সাথে পরামর্শ না করে গরীব মানুষদের আর্থিক সাহায্য বাবদ ১ কোটি ৮ লাখটাকা আত্মসাৎ,ব্যক্তিস্বার্থে ৮০ লাখ টাকার পানির বিল মওকুফ,ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য পৌরসভার টাকায় গাড়ীর তেল ক্রয়সহ প্রমোদ ভ্রমণ, ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে পৌর সভার আর্থিক ক্ষতিসাধন,পৌরসভার বিভিন্ন হাট-বাজার বিধি ভঙ্গ করে ইজারা প্রদান এবং অনৈতিক আর্থিক সুবিধা গ্রহণের নিমিত্তে বাজেট ব্যতীত টেন্ডার প্রদান উল্লেখযোগ্য।

অভিযোগের লিংক  -:   https://lgd.gov.bd/sites/default/files/files/lgd.portal.gov.bd/divisional_noc/982dffde_2fe6_4b21_805e_b0005433f490/2022-01-25-09-34-d7e7956e6072eca9a4599d4ac68f679f.pdf

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি বলেন, আমার বিরু্েদ্ধ আনা এসব অভিযোগ ষড়যন্ত্রেরই নামান্তর।
এবিষয়ে সাতক্ষীরা পৌরসভার নির্বাহী নাজিমউদ্দীন বলেন, পৌর মেয়র অনিয়ম করেছেন কিনা সেটি তদন্তে প্রমানিত হবে।
প্রসঙ্গত,সাতক্ষীরা পৌরসভার ১২ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ১১ জন কাউন্সিলর গত ১৩ জানুয়ারী মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতির বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগে অভিযোগ উত্থাপন করেন। অভিযোগ প্রাপ্তি পর গত ২৪ জানুয়ারী ২০২২ স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব মোহাম্মদ ফারুক হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সরজমিনে তদন্ত করে সুস্পষ্ঠ মতামতসহ জরুরি ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য জেলা প্রশাসক,সাতক্ষীরাকে অনুরোধ জানানো হয়। পরবর্তীতে তদন্তভার অর্পণ করা হয় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালককে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের মেয়াদ আরো ৪৫ দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত: বিপথগামী সদস্যদের সুপথে ফিরে আসার আহবান

করোনাকালিন মহামারির মধ্যে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের বিশেষ সাধারণসভা ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১২টায় অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপি।

সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন সহ বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি এম নুর ইসলাম, দৈনিক যুগেরবার্তা সম্পাদক আ ন ম আবু সাঈদ, দৈনিক কাফেলার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ডা: রফিক উজ্জল, প্রেসক্লাবের কার্যনিবাহী কমিটির সহ-সভাপতি ও সাতনদী সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম কামরুজ্জামান, মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সপ্তাহিক ইচ্ছেনদী সম্পাদক মোকছুমুল হাকিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, দপ্তর সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, সেলিম রেজা মুকুল, মাসুদুর জামান সুমন, ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান, বরুন ব্যাণার্জি, কাজী জামাল উদ্দীন মামুন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কালিদাস রায়, এসএম মহিদার রহমান, খন্দকার আনিসুর রহমান, হাফিজুর রহমান, আব্দুল আলিম, এম. বেলাল হোসাইন, মেহেদীআলী সুজয়, জি এম আদম শফিউল্লাহ, আবু বক্কর,

জাহাঙ্গীর আলম কবির, মাহাফিজুল ইসলাম আক্কাস, আকরামুল ইসলাম, মীর মোস্তফা আলী,প্রমুখ।
সভার শুরুতে সদ্য প্রয়াত দুই সিনিয়র সাংবাদিক এড. অরুন ব্যানার্জি ও কে এম আনিছুর রহমানের বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করা হয়। এছাড়া যারা অসুস্থ তাদের আশু সুস্থতা কামনা করা এবং সারা বিশ্বে চলমান করোনা মহামারি মোকাবেলায় সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন,
কিছু বিপথগামী সাংবাদিক সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ভাবমূর্তি নষ্টের পায়তারা চালাচ্ছে। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন। ওই ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয় এবং ওই সকল বিপথগামী সদস্যদের সুপথে আসার আহ্বান জানিয়ে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনে গঠিত কমিটির সকল গঠনতান্ত্রিক কার্যক্রমে সহযোগিতা কামনা করা হয়।
বক্তারা আরো বলেন, আজ যারা প্রেসক্লাবের কমিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তারাই অন ইলেভেনের সময় মিনি-বারি কমিটিকে সাধারণ সভা এবং নির্বাচন না করিয়ে অগঠনতান্ত্রিকভাবে টানা ৪ বছর নিজেদের ইচ্ছামত প্রেসক্লাব পরিচালনা করে ছিলেন।

কিন্তু আমরা গঠনতন্ত্রের প্রতিশ্রদ্ধাশীল। যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রেসক্লাব তার নিজস্ব গতিতেই চলবে বলে দৃঢ অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।
করোনা পরিস্থিতির ভয়াবহতার কারনে সরকার দেশের স্কুল কলেজ বন্ধ সহ সকল ধরনের সভা সেমিনার নিষিদ্ধ করেছে।

এমনকি নলতার ওরজ স্থগিত করা হয়েছে। সরকারের বিধিনিষেধের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এ সময় ভার্চ্যুয়ালি সভা আহ্বান করা অবশ্যই প্রশসাংসার দাবি রাখে বলে বক্তারা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন৷ বক্তারা প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যে কোন ধরনের দুর্যোগকালিন পরিস্থিতিতে কমিটির মেয়াদ ৪৫ দিন পর্যন্ত বাড়ানোর পক্ষে প্রস্তাব দিয়েছেন। সে কারনে করোনা পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় সকল সদস্যের সর্বসম্মত প্রস্তাবের ভিত্তিতে কমিটির মেয়াদ ৪৫দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরবনের দুবলার চর সংলগ্ন ডুবে যাওয়া নৌকার ৩ জেলে উদ্ধার

বিশেষ প্রতিনিধি :
বৈরী আবহাওয়ায় ডুবে যাওয়া নৌকার তিন জেলেকে সুন্দরবনের দুবলার চর সংলগ্ন এলাকায় থেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পাঁচই ফেব্রুয়ারি ৫ টার দিকে দুবলার চর হতে দক্ষিনে বৈরী আবহাওয়ার কারণে একাধিক নৌকা ডুবে যায় খবর পাওয়া মাত্র বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট দুগলা কর্তৃক এন্ড রেস্কিউ টিম নিয়ে উক্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে তিন জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এর পক্ষ থেকে জানান, উদ্ধারকৃত জেলেদেরকে দুবলার চরে নিয়ে আসা হয় এবং কোস্টগার্ডের তত্ত্বাবধানে রেখে তাদেরকে খাদ্য সেবা ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রধান করে পরিবারের সাথে যোগাযোগ করার সুব্যবস্থা করেন। উদ্ধারকৃত জেলেরা বাগেরহাট জেলার রামপাল থানার কাশিপুর গ্রামের নাজমুল

এর পুত্র আব্দুল্লাহ, মংলা থানার আমড়াতলা গ্রামের আব্দুল হাকিম শেখ এর পুত্র রাজু শেখ, রামপাল থানার শ্রীফলা গ্রামের হোসেন আলী ইয়াকুব আলী। এ ঘটনায় আরো ফিশিংবোট নিখোঁজ আছে কিনা। এ বিষয়ে জানতে কোস্টগার্ড বোট মালিক সমিতি স্থানীয় ফরেস্ট অফিস যোগাযোগ করে কর্তৃক উদ্ধার অভিযান এখনো অব্যাহত আছে বলে জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাঁচ কোটি জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য ‘গায়েব’

দেশের খবর: দেশের কয়েক কোটি নাগরিকের জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য গায়েব হয়ে গেছে। তাদের তথ্য অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে না। এসব মানুষকে এখন সম্পূর্ণ নতুন করে আবেদন করে জন্ম নিবন্ধন নিতে হবে। ধারণা করা হচ্ছে, কমপক্ষে পাঁচ কোটি মানুষকে এই সমস্যার সম্মুখিন হতে হচ্ছে।

বাংলাদেশে এখন প্রায় চার কোটি স্কুল শিক্ষার্থীর জন্য ডিজিটাল ইউনিক আইডি তৈরির কাজ চলছে, যার জন্য জন্ম নিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন নিয়মে শিক্ষার্থীদের জন্ম নিবন্ধন সনদের আবেদন করতে হলে আবার তাদের বাবা-মায়ের জন্ম নিবন্ধন সনদ দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ অবস্থায় বহু অভিভাবক দেখছেন যে তাদের আগে নেওয়া জন্ম সনদ এখন আর সরকারি সার্ভারে প্রদর্শন করছে না।

বৃটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি বাংলা’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের দায়িত্বে থাকা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন- আগে জন্ম নিবন্ধন করে সনদ নিয়েছেন এমন কয়েক কোটি মানুষকে এখন সম্পূর্ণ নতুন করে অনলাইনে জন্মনিবন্ধন করাতে হবে। কারণ তাদের আগের নিবন্ধন গায়েব হয়ে গেছে।

তারা বলছেন, এসব ব্যক্তির জন্মনিবন্ধন অনলাইনে আপডেট করা হয়নি এবং এখন নতুন সার্ভারে আর পুরনো তথ্য স্থানান্তর করা সম্ভব হবে না। পাশাপাশি স্কুল শিক্ষার্থীদের একটি বিরাট অংশের আবার একাধিক অনলাইন জন্ম নিবন্ধনের ঘটনাও বেরিয়ে এসেছে, যা সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

কর্তৃপক্ষ বলছে, আগে যারা ম্যানুয়ালি জন্ম সনদ নিয়েছেন তাদের মধ্যে যারা নিজ উদ্যোগে বা সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন অফিস থেকে অনলাইনে অ্যান্ট্রি করেননি তাদের জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত তথ্য সার্ভারে আর নেই। তাদের এখন সম্পূর্ণ নতুন করে আবেদন করে জন্ম নিবন্ধন নিতে হবে বলেছেন ঢাকা সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ফখরুদ্দিন মোবারক।

বাংলাদেশের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বিষয়ে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার জেনারেল মির্জা তারিক হিকমত বলেন, ‘আগে যারা ম্যানুয়ালি জন্ম সনদ নিয়েছে তাদের তথ্যাদি অনলাইনে আপডেট করার জন্য ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় ছিল। এগুলো নিবন্ধন অফিসগুলোরই করার কথা। ইউনিয়ন পর্যায়ে অনেকটা হয়েছেও। কিন্তু পৌর এলাকাগুলোতে এটি হয়েছে খুব কম। যে কারণে বহু মানুষের তথ্য এখন আর অনলাইনে নেই। এখন আবার নতুন সার্ভারে পুরনো তথ্য স্থানান্তর করা যাচ্ছে না। ফলে যাদেরটা বাদ পড়েছে তাদের নতুন করে জন্ম নিবন্ধন করাতে হবে।’

তবে এটি সংখ্যায় কত সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন তারিক হিকমত।

ঢাকা সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ফখরুদ্দিন মোবারক বলেন, ২০০৭ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রায় পনেরো লাখ সনদের তথ্য আপলোড হয়েছে। তবে অনেকের তথ্যই আপলোড হয়নি বলে তাদের এখন নতুন করে নিবন্ধন করাতে হবে।

এদিকে ২০১৩ সালে সরকার আইন সংশোধন করে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়কে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের দায়িত্ব দেয়, যা ২০১৬ সাল থেকে কাজ শুরু করে। এর মধ্যে ২০১১ সালের ১৫ ডিসেম্বর জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের নতুন ওয়েবসাইট ও সার্ভার চালু করা হয়, যা ২০১২ সালে কার্যক্রম শুরু করে।

সে সময় গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পুরোনো নিবন্ধিতদের জন্মনিবন্ধন সনদ নতুন ওয়েবসাইটে যুক্ত করে নেওয়ার কথা বলা হলেও তা বেশিরভাগ মানুষের অগোচরেই থেকে যায়। ফলে এ আহ্বানে খুব বেশি সাড়া মেলেনি। আর যারা এটি করেনি বা নিবন্ধন কার্যালয়গুলোও নিজ থেকে যেগুলো আপলোড করেনি সার্ভারে সেগুলো আসলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বাতিল হয়ে গেছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, ২০১১ সালের পর থেকে সব জন্ম নিবন্ধন অনলাইনেই হচ্ছে। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগের তথ্যগুলো অনলাইনে আপলোড করার সুযোগ ছিল।এরপর নতুন সার্ভার আসে কিন্তু সেটিতে আর পুরনো তথ্য আপলোড করার সুযোগ না থাকায় ২০১১ সালের আগে করা বহু নিবন্ধন স্বয়ংক্রিয়ভাবে গায়েব হয়ে যায়। অর্থাৎ সেগুলো অনলাইনেই কখনো আসেনি।

সম্প্রতি বাংলাদেশে স্কুলে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের জন্ম নিবন্ধন সনদ দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আবার পঞ্চম শ্রেণিতে পিএসসি পরীক্ষার সময়েও জন্ম সনদ দিতে হয়।

রেজিস্ট্রার জেনারেল অফিস বলছে, সরকার দেশের প্রায় চার কোটি স্কুল শিক্ষার্থীর জন্য একটি ইউনিক আইডি খোলার কাজ শুরু করেছে।

হিকমত বলেন, ‘এটি করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে অনেক শিক্ষার্থীর স্কুলে ভর্তি আর পিএসসির সময়ে দেওয়া জন্ম সনদের মিল নেই। অর্থাৎ তাদের নামে দুটি করে সনদ নিয়েছেন তাদের অভিভাবকরা। আমরা এটা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে এখন হিমশিম খাচ্ছি।’

আবার শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার জন্য সুরক্ষা অ্যাপে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্যও জন্ম সনদ বাধ্যতামূলক। কিন্তু সেখানে জন্মসনদ দিতে গিয়ে অনেক অভিভাবক দেখছেন যে ২০১১ সালের আগে নেওয়া জন্মসনদ জাতীয় সার্ভারে নেই।

কাজী আশরাফুল ইসলাম নামে একজন বলেন, ‘তার, তার বাবা, মা ও বোনের জন্মসনদ করানো হয়েছিল ২০০৭ সালে কিন্তু পরে তাদেরকে আবার ২০১৯ সালে জন্ম নিবন্ধন করাতে হয়েছে।’

শফিকুল ইসলাম নামের একজন সরকারি কর্মকর্তার দুই সন্তান ঢাকার ভিকারুন্নিসা স্কুলে পড়ে। সেখানে কাগজপত্র জমা দিতে গিয়ে তিনি সম্প্রতি দেখেন যে তার জন্মনিবন্ধন অনলাইনে নেই। অথচ তিনি ২০১০ সালে মিরপুরে সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড অফিস থেকে সেটি করিয়েছিলেন।

ঢাকা সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ফখরুদ্দিন মোবারক অবশ্য বলেন, ‘২০১০ সাল পর্যন্ত বহু মানুষের জন্মসনদের তথ্য অনলাইনে আপলোড করা হয়েছে তবে অনেকেরটাই শেষ করা যায়নি। তবে এখনকার সার্ভারে পুরনোটা আর দেওয়া যাবে না। তাই যাদেরগুলো বাদ পড়েছে তাদের নতুন করেই করতে হবে।’

কর্মকর্তাদের ধারণা, সব মিলিয়ে কমপক্ষে ৫ কোটি জন্মনিবন্ধন একেবারেই গায়েব হয়ে গেছে।

রেজিস্ট্রার জেনারেলের অফিস থেকে সম্প্রতি একটি প্রস্তাব গেছে মন্ত্রণালয়ে যেখানে বলা হয়েছে যারা আগে জন্ম সনদ নিয়ে ব্যবহার করেছেন বিভিন্ন কাজে সেই নিবন্ধন নাম্বার নতুন সনদেও উল্লেখ করার জন্য। মূলত একই ব্যক্তির যাতে একাধিক নিবন্ধন না হয় সেজন্যই এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

তবে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে যাদের তথ্য অনলাইনে আসেনি বা যারা নিজ উদ্যোগে এটি করিয়ে নেননি তাদের জন্ম সনদ পেতে হলে এখন সম্পূর্ণভাবে নতুন করে আবেদন করে তা নিতে হবে বলে জানিয়েছেন রেজিস্ট্রার জেনারেল অফিস ও সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে ৬ সদস্যের সার্চ কমিটি

দেশের খবর: নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে প্রধান করে ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

কমিটির অপর সদস্যেরা হলেন—হাইকোর্টের বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. মুসলিম চৌধুরী, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইন, এবং রাষ্ট্রপতি মনোনীত দুজন—সাবেক নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন ও কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক আনোয়ারা সৈয়দ হক।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার আইন ২০২২-এর ধারা ৩ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের যোগদানের জন্য আইনে বর্ণিত যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নাম সুপারিশ করার লক্ষ্যে অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হলো।

অনুসন্ধান কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন-২০২২ অনুযায়ী দায়িত্ব ও কার্যাবলী সম্পন্ন করবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ অনুসন্ধান কমিটির কার্য সম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবেন।

গত ২৭ জানুয়ারি একাদশ জাতীয় সংসদের ষোড়শ অধিবেশনে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল-২০২২’ পাসের প্রস্তাব করেন। এরপর তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। ২৯ জানুয়ারি বিলে সই করেন রাষ্ট্রপতি। এরপর ৩০ জানুয়ারি তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।

কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান ইসির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। নিয়ম অনুযায়ী তার আগেই নতুন কমিশন গঠন করতে হবে রাষ্ট্রপতিকে। সে কমিশনের অধীনেই হবে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

সংসদে উত্থাপন হওয়ার পর বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটি দুটি সংশোধনী এনে পাসের সুপারিশ করলে ধারা দুটি সংশোধন করে বিলটি পাস হয়।

প্রথমে বিলটির নাম ছিল ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল’। সংসদে সংশোধনী প্রস্তাব গ্রহণের মাধ্যমে নাম হয় ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল’। রাষ্ট্রপতি সই করার পর নাম হয় ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২’।

এর আগে নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ করেন রাষ্ট্রপতি। সংলাপে অংশ নিয়ে দলগুলো তাদের মতামত ও প্রস্তাব উপস্থাপন করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেই মা ফিরে পেলেন বিক্রি হওয়া নবজাতককে

দেশের খবর: সিজারের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দিয়ে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করতে গিয়ে নবজাতককে বিক্রি করে দিয়েছিলেন মা। এই খবর গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে এলে ব্যবস্থা নেয় স্থানীয় প্রশাসন। চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা গাজী শরিফুল হাসানের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত মায়ের কোলে ফিরেছে শিশু সন্তান।

বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল ইউনিয়নে সিমলা আক্তারের থেকে নবজাতককে ফিরিয়ে এনে তার মায়ের কোলে দেওয়া হয়।

মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজী শরিফুল হাসান বলেন, সন্ধ্যার পর শিশু বিক্রির বিষয়টি জানার পর সহকারী কমিশনার (ভূমি), মতলব উত্তর থানা–পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় বিভিন্ন জায়গায় গভীর রাত পর্যন্ত অভিযান চালাই। পরে উপজেলার ষাটনল ইউনিয়নের কাছে শিশুটি রয়েছে নিশ্চিত হলে, সেখান থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করি।

জানা যায়, ষাটনল এলাকার একজন প্রবাসীর স্ত্রী সিমলা আক্তার বাচ্চাটা কিনেছিলেন। নিজের তিন মেয়ের পাশাপাশি ওই নবজাতককে সন্তান হিসেবে লালন-পালনের জন্য দত্তক নেন। বিনিময়ে ওই নবাজাতকের মাকে দেওয়া হয় নগদ টাকা।

স্থানীয়রা জানান, শিশুটি জন্মের আগে তার মা গত ২৩ জানুয়ারি প্রসব বেদনা নিয়ে ভর্তি হন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার পালস-এইড জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে। সিজারের মাধ্যমে জন্ম হয় ফুটফুটে এক ছেলে সন্তানের। পরে হাসপাতাল এবং ওষুধ খরচের ব্যয় বহন করতে না পেরে ৫০ হাজার টাকায় বাধ্য হয়ে সন্তানকে বিক্রি করে দেন মা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest