সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেনসাতক্ষীরা সদরে ইউনিটি গ্রুপের ‘বিজনেস অপরচুনিটি’ সম্মেলন অনুষ্ঠিতসাংবাদিক সুজন ওসুজয়ের মায়ের ইন্তেকাল:প্রেসক্লাবের শোকশ্যামনগরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে আহতের একদিন পর এক ব্যক্তির মৃত্যুকপ৩১-কে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জলবায়ু পদযাত্রা: ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতের দাবিসাতক্ষীরার সুন্দরবন রেঞ্জের ৬৮টি খালে বিভিন্ন মাত্রায় বিষ প্রয়োগের তথ্য গবেষণায় উঠে এসেছেসাংবাদিক হাফিজুর রহমানের মায়ের ইন্তেকাল,প্রেসক্লাবের শোকঅসুস্থ ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আমিরুল ইসলামকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন জেলা কৃষক দল নেতা রবিতালার ধানদিয়ায় ত্রাস সৃষ্টি করে ২লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কাটার অভিযোগ

৯০ বছর বয়সী বাবাকে বিয়ে দিলেন ছেলে

বিশেষ সংবাদ: কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ ইসমাইল ৯০ বছর বয়সে বিয়ে করেছেন।

সোমবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে তিনি কয়েকজন আইনজীবীর উপস্থিতিতে বিয়ে করেন। পাত্রীর বাড়ি কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালীপট্টিতে। তার বয়স ৪০ বছর।

ইতোমধ্যে ফেসবুকে নব-দম্পতির একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। তবে অনেকে বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। নিঃসঙ্গতা বোধ থেকেই তিনি বিয়ে করেছেন বলে অনেকের ধারণা। কারণ বেশ কয়েক বছর হলো তার স্ত্রী মারা গেছেন।

কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ জানান, ইসমাইল সাহেবের বিয়ের বিষয়টি শুনেছি। স্ত্রী মারা যাওয়ার পর একাকিত্ব বোধ থেকে তিনি বিয়ে করতে পারেন।

ইসমাইল হোসেনের ছেলে আশরাফ সিদ্দিকী বলেন, সাত বছর আগে আমার মায়ের মৃত্যু হয়েছে। মূলত একাকিত্বের কারণেই আমরা বাবাকে বিয়ে করিয়েছি।

এর আগে ৬৭ বছর বয়সে বিয়ে করে আলোচনায় আসেন সাবেক রেলমন্ত্রী কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের সংসদ সদস্য মুজিবুল হক। তবে ওই বিয়েটি ছিল মন্ত্রীর প্রথম বিয়ে।

প্রসঙ্গত, মোহাম্মদ ইসমাইল কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির পাঁচ বারের নির্বাচিত সাবেক সভাপতি। তার চার ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডিসিরা ক্ষমতা চাইলেন, নাকচ করলেন পরিকল্পনামন্ত্রী

দেশের খবর: উন্নয়ন প্রকল্প তদারকির জন্য জেলা পর্যায়ে কমিটি করার পরামর্শ দিয়েছেন জেলা প্রশাসকরা। তবে তা নাকচ করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) শুরু হওয়া ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় সেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসকরা জেলা পর্যায়ে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে ক্ষমতা বা নজরদারি বাড়ানোর বিষয়ে বলেছেন। কিন্তু আমরা তাতে সম্মতি দিইনি। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী অলরেডি জেলা প্রশাসকদের সে ক্ষমতা রয়েছে। তারা যেকোনো সময় যেকোনো প্রকল্পের খোঁজখবর নিতে পারেন।

তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে আরও বেশি নজরদারি বাড়াতে আমরা আইএমইডিকে শক্তিশালী করতে বিভাগীয় পর্যায়ে অফিস করছি। প্রত্যেক বিভাগে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) কার্যালয় খোলা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, জেলা প্রশাসকদের সহায়তা শব্দটি ব্যবহারে সাবধান হওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়ছে। কারণ, আমাদের উন্নয়ন সহযোগীরা যে সহায়তা করে, সেটার পরিমাণ খুবই সামান্য। আমরা ঋণ নিই, আবার যথাসময়ে সেগুলো পরিশোধ করি। সুতরাং, তারা আমাদের উন্নয়ন সহযোগী, দাতা সংস্থা নয়।

এবার ডিসি সম্মেলনের ভেন্যু রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন। সম্মেলন শেষ হবে ২০ জানুয়ারি। সম্মেলনে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. কামরুল হাসান। পরে মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনের কার্যক্রমের ওপর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। এরপর ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিমু হত্যা মামলায় স্বামী ও গাড়িচালক রিমান্ডে

বিনোদন ডেস্ক: চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমু হত্যা মামলায় তার স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল ও গাড়িচালক এস এম ফরহাদের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবু সালাম মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে নিহত অভিনেত্রী শিমুর বড় ভাই শহীদুল ইসলাম খোকন বাদী হয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন ওই থানার উপ-পরিদর্শক চুন্নু মিয়া। শুনানি শেষে ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাবেয়া বেগম তাদের প্রত্যেকের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সোমবার (১৭ জানুয়ারি) ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে অজ্ঞাত হিসেবে চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর (৩৫) বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে তার পরিচয় মিলছিল না। পরে ওইদিন রাতে তার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে নাম-পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পুলিশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও দাম্পত্য জীবনে কলহ থাকায় তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে নিহতের স্বামী নোবেল জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। হত্যার পর লাশ গুমের জন্য গাড়িচালক ফরহাদের সহযোগিতা নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : কলারোয়ার লাঙ্গলঝাড়ায় এতিম ভাইজির সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের উদ্দেশ্যে ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে চাচা এবং চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে।
এঘটনায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাননি বলে ভুক্তভোগী কলারোয়া উপজেলার লাঙ্গলঝাড়া গ্রামের মৃত. আবেদুল ইসলামের এতিম কন্যা আনিকা ইসলাম দাবি করেছেন।
ভুক্তভোগী আনিকা ইসলাম জানান, মাত্র ৪ বছর বয়সেই পিতাকে হারান তিনি। এ কারনে পিতার সমুদয় সম্পত্তি তার আপন চাচা কবিরুল এবং চাচাতো ভাই মোমিনুর ইসলাম ও আমিনুল ইসলাম দেখাশোনা করার নাম করে ভোগদখল করে আসছিলেন। কলারোয়ার লাঙ্গলঝাড়া বাজারে তার পিতার নিজের নামীয় ৩টি দোকানঘর ভোগদখল করতো আনিকা।
সম্প্রতি আনিকা ইসলামের বিবাহের পর থেকে পিতার সম্পত্তির ভাগ তাকে না দিয়ে অবৈধভাবে ভোগদখলের বিভিন্নভাবে অত্যাচার নির্যাতন করতে থাকে চাচা কবিরুল এবং চাচাতো ভাইয়েরা। এমনকি ওই তিনটি দোকানঘরও দখলের পায়তারা শুরু করে।
বিষয়টি তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করলেও কোন সমাধান হয়নি। এদিকে ২৪ ডিসেম্বর ২১ তারিখে চাচা কবিরুল তার পুত্র মোমিনুর ইসলাম, আমিনুল, আনছার আলীর পুত্র শাহানুর হোসেন,মৃত. মজিদ আলীর পুত্র আলিম, ফজর আলীর পুত্র নাজমুল, ওয়াছেদ দালালের পুত্র মজি, কমলের পুত্র নুর মোহাম্মদসহ কতিপয় ব্যক্তি লাঙ্গলঝাড়া বাজারের তিনটি দোকান থেকে ভাড়াটিয়াদের নামিয়ে দিয়ে ভাংচুর করে। খবর পেয়ে সেখানে গেলে আনিকা ইসলাম কে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ সহ খুন জখমের হুমকি প্রদর্শন করে তাড়িয়ে দেয় চাচা কবিরুল ও তার সহযোগিরা।
ভুক্তভোগী আনিকা ইসলাম আরো বলেন, এতদিনপর যখই পিতার সম্পত্তির ভাগ চেয়েছি তখনই চাচারো সাথে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। প্রয়াত ভাইয়ের সম্পত্তি অবৈধভাবে ভোগদখলের উদ্দেশ্যেই চাচা এধরনের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি তার স্বামী, মা সহ পরিবারের সদস্যদের নানাভাবে হয়রানিসহ খুন জখমের হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে যাচ্ছেন ওই চাচারা।
তিনি এতিমের সম্পত্তি ফাঁকি দেওয়ার চেস্টাকারী চাচার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে অভিযোগ চাচা কবিরুল ইসলাম ভাইজির সম্পত্তি দখল চেষ্টার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমি তার ভাগের সম্পত্তি বুঝিয়ে দিয়ে চাই। কিন্তু আনিকা সব সম্পত্তি সামনে থেকে নিতে চায়। যে কারনে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এনিয়ে কলারোয়া থানাসহ বিভিন্ন স্থানে বসাবসিও হয়েছে। আনিকা কারো কথা মানে না। তাকে সামনে থেকেই দিতে হবে। যে কারণে সমাধান সম্ভব হয়নি। তবে কার অনুমতি নিয়ে দোকান ভেঙেছেন এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তর দিতে পারেননি কবিরুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় কৃষকদলের দোয়া ও আলোচনাসভা

বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, যুগ্ম সম্পাদক মোশারফ হোসেন এমপি ও সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক এড. সৈয়দ ইফতেখার আলীর সুস্থতা কামনায় দোয়া ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহরের পলাশপোল এলাকায় সাতক্ষীরা জেলা কৃষকদল ও পৌর কৃষকদলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত দোয়া ও আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক রবিউল ইসলাম রবি।
জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক ও পৌর কৃষকদলের আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মাসুম রাজ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক শাকিল হোসেন জাহাঙ্গীর, মনিরুজ্জামান প্রিন্স, মল্লিক ফারুক হোসেন শামীম, পৌর কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক সাব্বির হোসেন, রেজাউল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, মামুনার রশিদ, ঘোনা ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদ হাসান রিপন, ভোমরা ইউনিয়ন কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছাইলুর রহমান বিশ্বাস প্রমুখ। এসময় বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, যুগ্ম সম্পাদক মোশারফ হোসেন এমপি ও সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক এড. সৈয়দ ইফতেখার আলীর সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মরহুম আফতাব উদ্দীন মাষ্টারের স্মরণে শীত বস্ত্র বিতরণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ঠাণ্ডা বাতাসের দাপট আর মাঝে মাঝে অসময়ের বৃষ্টি মিলে শীত জেঁকে ধরেছে সবাইকে। হিম হিম ঠাণ্ডা আর কুয়াশায় নাকাল জনজীবন। শীতের এই তীব্রতা বেশি কাবু করে নিম্মআয়ের মানুষকে।

শীতার্ত অসহায় ও দুস্থ মানুষের উষ্ণতা দিতে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে পাশে দাঁড়াল মরহুম আফতাব উদ্দীন মাষ্টারের কনিষ্ঠ পুত্র বেনজু আমিন। মঙ্গলবার সকাল ১০ ঘটিকায় তাঁর নিজস্ব বাসভবনে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।

শীতবস্ত্র বিতরণকালে অসহায় মানুষের উদ্দেশে বেনজু আমিন বলেন, আমরা আপনাদের ঘরের সন্তান। এই শীতে আপনারা অমানবিক কষ্ট করবেন, তা মেনে নেয়া যায় না। আপনাদের প্রতি বুকভরা ভালোবাসা, শ্রদ্ধাবোধ, সম্মান ও সহমর্মিতা নিয়ে, আপনাদের পরিবারের সদস্য হিসেবে আপনাদের পাশে দাঁড়াতে। আমার আব্বার রুহের মাগফিরাতের জন্য কিছু মানুষের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করলাম। দোয়া করবেন আমি যেনো সারা জীবন গরীব দুখী মানুষের পাশে থাকতে পারি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শীতের ভোরে কুয়াশার চাদর মোড়ানো সকালে মাঠ জুড়ে দাঁড়িয়ে আছে হলুদের সমারোহ
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা :
শীতের ভোরে কুয়াশার চাদর মোড়ানো সকালে মাঠ জুড়ে দাঁড়িয়ে আছে হলুদের সমারোহ। জেলার মাঠ দখলে নিয়েছে সরিষা। আর তাই কুয়াশায় ভেজা হলুদ ফুল দুলছে মাঠে মাঠে। শীতের রাতে কুয়াশায় ভেজা শরিষার গাছ রোদে যেন ঝিকিমিকি করছে। সব মিলে সৃষ্টি হয়েছে মনোরম পরিবেশ। বেলা বাড়তেই কুয়াশার জল রৌদ্রে পালিয়া যায়। আর এই গাছ থেকে শত শত মৌমাছি মধু সংগ্রহ করে ফেরে আপন নীড়ে। সেই সাথে রাস্তার পাশের শরিষার মাঠে ছবি তুলছেন অনেকে।সাতক্ষীরার প্রায় প্রতিটি মাঠে এখন শুধু সরিষা ফুলের হলুদ রঙের চোখ ধাঁধানো বর্ণিল সমারোহ। তবে সরিষা চাষে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ায় এচাষে ঝুঁকে পড়েছেন এ জেলার কৃষকরা। চলতি মৌসুমে এ অঞ্চলে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা থাকলেও সংশয় কাটছে কৃষকদের। কারন অসময়ের বৃষ্টিতে কিছুটা উৎপাদন ঘাট্টি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু ভালো ফলনের আশায় জেলার কৃষকরা রাতদিন পরিশ্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। কৃষকের পাশাপাশি কৃষি কর্মকর্তারাও মাঠে মাঠে ছুটে চলেছেন।এদিকে চলতি রবিশস্য মৌসুমে অনাকাঙ্খিত বৃষ্টিতে উৎপাদন নিয়ে সংসয় রয়েছে। তবে উৎপাদিত ফসলে কৃষক ক্ষতি কাটিয়ে উঠবেন বলছেন কর্মকর্তারা। তবে মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টি হওয়ায় অনেক জমি ডুবে যায় আবার কোন কোন জমিতে এখনো পানির আর্দ্রতা কমেনি। যার কারনে পরিমিত ফলন না হওয়ার কথা বলছেন কৃষক।

জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলার ৭টি উপজেলায় ১২৫০ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে হেক্টর প্রতি ১.২ মেট্রিক টন উৎপাদনের সম্ভবনা করা হচ্ছে। আবাদ হওয়া সরিষার মধ্যে টরি-৭, বারি সরিষা-১৪ ও ১৫, বারি সরিষা-১৭, বিনা সরিষা- ৯ জাতের সরিষা আবাদ বেশি হয়েছে।

এদিকে সরিষা চাষি জামাল উদ্দীন জানান, এবছর আমি ৬ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। গত বছরের তুলনায় ফলন কম হওয়ার আশংঙ্কা করছি। তবে সরিষা চাষ শুরুতে আবহাওয়া অনুকুলে না থাকায় একটু চিন্তায় আছি। তবে চলতি মৌসুমে সরিষা ফলন কম হওয়ায় এবছর দাম বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তিনি।

সরিষা চাষি সৈয়দ আলী জানান, সরিষা চাষের শুরুতে জমিতে ঠিকমত জো করতে পারিনি। বীজ রোপনের পর অতি বৃষ্টিতে চারা ঠিকমত বেড়ে উঠতে পারেনি। তবে যা ফলন হয়েছে শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া ঠিক থাকলে খরচ কাটিয়ে উঠতে পারবো। তিনি আরো জানান, বীজ রোপন থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত কৃষি অফিসারগন বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন। যে কারনে কিছুটা হলেও মানসিক ভাবে স্বাভাবিক আছেন বলেও জানান তিনি।

এ ব্যাপারে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ নূরুল ইসলাম জানান, মৌসুম শুরুতে আবহাওয়া অনুকুলে না থাকায় সরিষার ফলন একটু ব্যহত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে এবছর সরিষা চাষের বিগত বছরের মত উৎপাদন না হলেও উৎপাদিত ফলন থেকে কৃষক বাড়তি মুনাফা পাবে বলেও আশা করছি। তবে বিগত বছরের তুলনায় সরিষার দাম বাড়তে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এশিয়ান টেলিভিশনের ৯ম বর্ষ পূর্তিতে সাতক্ষীরায় আলোচনাসভা ও কেককাটা

আসাদুজ্জামান ঃ বেসরকারি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল এশিয়ান টেলিভিশনের ৯ম বর্ষ পূর্তি ও দশম বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে স্বাস্থ্য বিধি মেনে সাতক্ষীরায় আলোচনাসভা ও কেককাটা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১ টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম।
প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরার পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আসাদুজ্জামান, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু,
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সুজন, দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক ও প্রকাশক জি এম নুর ইসলাম, ভোমরা সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের আহবায়ক শেখ এজাজ আহমেদ স্বপন প্রমুখ।

এর আগে অনুষ্ঠানে শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন, টিভি চ্যানেলটির সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান তুহিন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক এম.কামরুজ্জামান।
বক্তারা এ সময় বলেন, এশিয়ান টেলিভিশনের নান্দনিক প্রোগাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ দর্শককে মুগ্ধ করে চলেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী এ চ্যানেলটি এগিয়ে যাবে স্ব-মহিমায় এমনটি প্রত্যাশা করেন বক্তারা। এ সময় তারা টেলিভিশনটির কলাকৌশুলিসহ সকলের উত্তোরত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।

আলোচনাসভা শেষে সেখানে এক কেক কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest