সর্বশেষ সংবাদ-
মোটরসাইকেলের ওপর প্রস্তাবিত কর প্রত্যাহারের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভূমিসেবা কেন্দ্রের জেলা—-জেলা প্রশাসকসাতক্ষীরায় অন্ত:স্বত্তা স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ: স্বামী পলাতকহিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ৩০ মে রিইউনিয়নের লোগো উন্মোচনলীজ নিয়ে অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করতে না পেরে বিএনপির দুই নেতার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মানববন্ধনের অভিযোগসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কোর কমিটির সভা অনুষ্ঠিতঅপরাধীকে অপরাধী হিসেবে আইনের আওতায় আনা হবে, সে যে দলেরই হোক –সাতক্ষীরার নবাগত এসপিআশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

মাইকিং করে গ্রাহক খুঁজছে কালিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিস

আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্চু :
ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ পৌছে দেওয়া হবে বলে মাইকিং করে গ্রাহক খুঁজছে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কালিগঞ্জ জোনাল অফিস। এখনো যারা বিদ্যুৎ সংযোগ পাইনি এমন ব্যাক্তিদের পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে এসে যোগাযোগ করতে বলা হচ্ছে।

গত সোমবার থেকে ইজিবাইকে মাইক বেঁধে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গ্রাহক খোঁজার এই অভিনব প্রচার কৌশল চালাচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, মুজিবর্ষকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে দেশের ৪৬২টি উপজেলায় বিদ্যুতায়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। যারা এখনো পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ গ্রহণ করেনি, নিকটস্থ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে বিজয়ে মাস ডিসেম্বরের মধ্যে যোগাযোগ করে বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণের জন্য পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান (অবঃ) মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন ও সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি অনুরোধ করেছেন। এ বিষয়ে মহৎপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ওবায়দুর রহমান বলেন, ডাঃ রোগী দেখবেন, গরুর মাংস বিক্রি করা হবে ইত্যাদি মাইকিং করতে শুনেছি। কিন্ত মাইকিং করে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সযোগ দেওয়ার বিষয়টি কল্পনাও করতে পারিনি কখনো। আগে বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে হাটতে হাটতে পায়ের জুতা ক্ষয় হয়ে যেত। আর এখন ফেরী করে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে বলে মাইকিং চলছে।

মুজিববর্ষে সবার জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরা জেলার সব কয়টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নে আওতায় আনতে প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সাতক্ষীরাসহ সকল উপজেলায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মাইকিং করে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রত্যাশীদের সংযোগের নেওয়ার আহবান জানিয়েছেন সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার জিল্লুর রহমান ও কালিগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যনেজার পংকজ সিকদার। এই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে কালিগঞ্জ উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের কাজ সম্পন্ন করতে প্রতিটি ইউনিয়নে মাইকিং করে জোরালো প্রচার চালানো হচ্ছে। এ পর্যন্ত কালিগঞ্জ উপজেলায় মোট বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে প্রায় ৮৪ হাজার।

অতি শিগ্রই সাতক্ষীরা জেলা শতভাগ বিদ্যুতায়নের ঘোষনা আসতে যাচ্ছে বলে নিশ্চিত করছেন পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জজকোর্ট চত্বর থেকে শিক্ষকের মটরসাইকেল চুরি

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় এক শিক্ষকের মটর সাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। ১৪ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সাতক্ষীরা জজ কোর্টর চত্ত্বরে এ ঘটনা ঘটে।

এঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলাম কুমিরা বহুমুখি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের দামারপোতা গ্রামের অজিয়ার রহমান গাইনের পুত্র।

তিনি জানান, ১৪ডিসেম্বর সাতক্ষীরার জজকোর্ট চত্ত্বরে তার ব্যবহৃত হিরোহোন্ডা ইসস্পেল্যান্ডার মটরসাইকেল রেখে জেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে যান। কিছুক্ষন পরে সেখানে এসে তার মটরসাইকেলটি আর পাননি। এঘটনায় তিনি সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সদর উপজেলা আ’লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদকের উপর হামলার নিন্দা

সদর উপজেলার ১৩নং লাবসা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বর আসাদুজ্জামান আসাদ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক লাবসা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বর মো: সিরাজুল ইসলাম এর উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। উক্ত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন সদর উপজেলার আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।

১৩ ডিসেম্বর সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) ও সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী স্বাক্ষরিত এক পত্রে নিন্দা জানান। সাথে সাথে উক্ত নগ্ন মামলার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

উল্লেখ্য: সদর উপজেলা ইউপি নির্বাচনে ইসমাইল নামক এক ব্যক্তি সদর উপজেলার মথুরাপুর বাইপাসের পাশে সরকারী জায়গায় চায়ের দোকান করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। নির্বাচনে চা বিক্রেতা ইসমাইল নৌকার পক্ষে কাজ করে। এরই জের ধরে তার চায়ের দোকান ভেঙ্গে উচ্ছেদ করে লাবসা ইউপির ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ। এঘটনায় ইসমাইল বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা করে। এঘটনায় সদর এমপি ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বরাবর অভিযোগ দিলে সোমবার সদর এমপি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে যান।

পরিদর্শন শেষে সদর এমপি চলে গেলে ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য আসাদ, আলতাফ হোসেন আলতু, ওবায়নুর, বেল্লাল, রফিক, আবু তালেবের নেতৃত্বে ১৫/২০ জন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য এবং আসাদের সাথে ইউপি সদস্য পদে সদ্য শেষ হওয়া নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতাকারী সিরাজুল ইসলাম ও দেবনগর এলাকার মৃত শওকত গাজীর ছেলে আলমগীর হোসেন (৩৪) কে কুপিয়ে ও পিটিয়ে মারাত্বক আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, আসাদুজ্জামান আসাদ ও সিরাজুল ইসলাম ইউপি সদস্য পদে করায় আসাদুজ্জামান তার উপর ক্ষিপ্ত ছিলো। এর জের ধরেই এহামলা চালানো হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জনতা ব্যাংক সাতক্ষীরা এরিয়া অফিসে বঙ্গবন্ধু কর্নারের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
জনতা ব্যাংক সাতক্ষীরা এরিয়া অফিসে বঙ্গবন্ধু কর্নারের উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকালে জনতা ব্যাংক সাতক্ষীরা এরিয়া অফিসে বঙ্গবন্ধু কর্নারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: নজরুল ইসলাম। পরে ফিতা কেটে কর্নারের উদ্বোধন করেন জনতা ব্যাংক খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের জেনারেল ম্যানেজার ও অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছগীর আহমেদ।
জনতা ব্যাংক সাতক্ষীরা এরিয়া প্রধান ও উপ-মহাব্যবস্থাপক মো: হামিদুল হকের সভাপতিত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা এরিয়া অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো: মিজানুর রহমানসহ সাতক্ষীরা এরিয়া অফিসের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সিবিএ নেতৃবৃন্দ।

এছাড়াও জেলার সকল শাখা ব্যবস্থাপক ভার্চ্যুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো: নজরুল ইসলাম বলেন, আজ আমরা যে যেখানেই আছি, তা সবই বঙ্গবন্ধুর অবদান। বঙ্গবন্ধুর কারনে আমরা স্বাধীন ভূখন্ড পেয়েছি। যে কারনে আজ আমরা এই পর্যায়ে পৌছাতে পেরেছি। আজ বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা জাতির জনকের সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধু কর্নারের মাধ্যমে বর্তমান প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জানতে পারবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু ও বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।
পরে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মুজিবর রহমান।

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার অধির কুমার গাইনের সঞ্চলনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ ওবায়দুল্লাহ, দেবহাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, দেবহাটা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জি এম স্পর্শ।

অন্যান্যদের মধ্যে দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুর রব লিটু, সাধারণ সম্পাদক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান শাওন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আলী মোর্তোজা আনোয়ারুল হক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল লতিফ, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাহজাহান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার শফিউল বশার, মহিলা বিষয়ক অফিসার নাসরিন জাহান, একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান,

সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন আলী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডারের সভাপতি আবু রায়হান তিতু সহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা বৃন্দ, বিভিন্ন কলেজ ও স্কুলের শিক্ষক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সভয় বক্তারা বলেন, নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতা যুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে। বাংলাদেশকে মেধা শুন্য করতে বুদ্ধিজীবী হত্যা করা হয়। তাদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না। বক্তারা আরো বলেন, ১৯৭১ এর দিনগুলো থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ দিনের স্বপ্নের ফল মহান স্বাধীনতা। তার আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক। আজ বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন। আগামী ২০৪১ সালের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদের ঐক্য হয়ে কাজ করে যেতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অসুস্থ পরীমনি, পেছাল চার্জগঠনের শুনানি

বিনোদন ডেস্ক: আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে করা মাদক মামলার চার্জগঠনের শুনানির তারিখ পিছিয়ে ২ জানুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ-১০ নজরুল ইসলামের আদালতে মামলাটি চার্জ শুনানির জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু পরীমনি ‘অসুস্থতার কারণে রাস্তা থেকেই ফিরে যাওয়ায়’ অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছানো হয়।

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ গত ১৫ নভেম্বর সিআইডির দেওয়া চার্জশিট আমলে নিয়ে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য মামলাটি ১০ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে পাঠানোর আদেশ দেন।

আজ সেই শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও আসামি পরীমনির অসুস্থতার কথা জানিয়ে তার আইনজীবী নিলাঞ্জনা রিফাত সুরভী সময়ের আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন।

আইনজীবী সুরভী বলেন, পরীমনি ভার্টিগোতে (মাথা ঘোরা রোগ) আক্রান্ত হওয়ায় এজলাস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেননি, ফিরে গেছেন। আমরা সময় চেয়েছি।

এ মামলার অপর দুই আসামি হলেন— আশরাফুল ইসলাম দীপু ও কবির হোসেন।

গত ৪ অক্টোবর এ মামলায় পরীমনিকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেয় সিআইডি।

এর আগে ১০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। এর পর আদালত মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন।

৪ আগস্ট বিকালে রাজধানীর বনানীর বাসায় অভিযান চালানোর পর পরীমনিকে বাসা থেকে গ্রেফতার করে র্যাব।

৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ শুনানি শেষে পরীমনির জামিন মঞ্জুর করলে পর দিন ১ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে মুক্ত হন এ চিত্রনায়িকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিজের বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন বিএনপি নেতা আলাল

রাজনীতির খবর: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক সৃষ্টি করা বক্তব্যের বিষয়ে ক্ষমা চাইলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। একইসঙ্গে তিনি নিজের বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান।

ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসারত আলাল দেশবাসীর উদ্দেশে লিখিত বার্তায় বলেন, কোনো অসতর্ক মুহূর্তের কথা কিংবা বক্তব্যে যারা কষ্ট পেয়েছেন, অনুভূতিতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাদের সবার কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। একইসঙ্গে আমার বক্তব্য আমি প্রত্যাহার করছি। ভালো থাকুক আমার প্রিয় স্বদেশ, শান্তিপূর্ণ থাকুক বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, আমি প্রিয় স্বদেশভূমি থেকে হাজার মাইল দূরে জীবন সংকটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছি। আমার শরীরে একটি গুরুতর সার্জারি হয়েছে। সঙ্গত কারণেই সব দুঃসংবাদ থেকে পরিবার আমাকে দূরে রেখেছে। তারপরও বিলম্বে আমি জেনেছি, অতীতে আমার একটি বক্তব্য বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। দীর্ঘ ৪৯ বছরের রাজনৈতিক জীবনে জ্ঞাতসারে কিংবা ইচ্ছাকৃত কারো সম্মান, অনুভূতি, বিশ্বাসে আঘাত করিনি। তবুও মানুষ হিসেবে আমি তো ভুলের ঊর্ধ্বে নই।

গত কয়েকদিন ধরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা বিএনপি নেতা আলালের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ আনছেন। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে তার নামে বেশ কয়েকটি মামলাও হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারানোর দিন আজ

বিশেষ ডেস্ক: আজ ১৪ ডিসেম্বর, শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তার দোসর রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস মিলিতভাবে পরিকল্পনা করে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। বুদ্ধিজীবীদের হত্যার ঠিক দুই দিন পর ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস-২০২১ পালনের লক্ষ্যে জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ উপলক্ষে পৃথক বাণী প্রদান করবেন।

দিবসটি উপলক্ষে সকাল ৭টা ৫ মিনিটে মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং যুদ্ধাহত ও উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধারা সকাল ৭টা ২২ মিনিটে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে এবং সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে সর্বস্তরের জনগণ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। দেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ অন্যান্য বেসরকারি টিভি চ্যানেল দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করছে।

একাত্তরে ত্রিশ লাখ শহিদের মধ্যে বুদ্ধিজীবীদের বেছে বেছে হত্যার ঘটনা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। তারা শহিদ হন এক সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে। হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী তাদের পরাজয় আসন্ন জেনে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার লক্ষ্যে বুদ্ধিজীবী নিধনের এই পরিকল্পনা করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শহিদ জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরের সহধর্মিনী বাসন্তী গুহ ঠাকুরের মতে নীল নকশার রেখা অঙ্কন শুরু হয়েছিল একাত্তরের পয়লা মার্চের আগেই। সত্তরের ১৭ ডিসেম্বর গণভোট বা তারও অনেক আগে ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের সময় থেকেই। কিংবা বাহান্নর ভাষা আন্দোলনের পরে।

একাত্তরে তারা প্ল্যান করে যুদ্ধে নামে। যুদ্ধতো নয়, কেবল নিরস্ত্র মানুষ নিধন। প্রথমে ওদের এলোপাতাড়ি মারা, তারপর শহরে, গ্রামে-গঞ্জে বেছে বেছে ধনী, ব্যবসায়ী, বুদ্ধিজীবী নিধন করে নদীতে খালে ফেলে দেয়।

অনেকে মনে করেন, চরম বিপর্যয় আসন্ন, পরাজয় একেবারেই সন্নিকটে- তখনই তারা সেই পরিকল্পনা কার্যকর করে। তালিকাভুক্ত বুদ্ধিজীবীদের চোখ বেঁধে নিয়ে হত্যা করে। তারা স্বাধীন বাংলাদেশের ভবিষ্যতকে এভাবেই অন্ধকার করার পাঁয়তারা করেছিল।

একাত্তরের সেই যুদ্ধাপরাধী ও বুদ্ধিজীবী হত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেকের বিচারের রায় কার্যকর হয়েছে। এর মধ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত অনেকের বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় ঘোষিত হয়েছে। মানবতাবিরোধী হত্যা মামলায় দণ্ডিত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হয়েছে। জামায়াতের অপর নেতা মো. কামারুজ্জামান এবং বুদ্ধিজীবী হত্যার অন্যতম হোতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির রায়ও কার্যকর হয়েছে।

২০১৬ সালের ১১ মে মুক্তিযুদ্ধকালে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের নীলনকশা বাস্তবায়নকারী গুপ্তঘাতক আলবদর বাহিনীর প্রধান ও জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হয়। তবে বুদ্ধিজীবী হত্যায় সরাসরি জড়িত চৌধুরী মইনুউদ্দীন ও আশরাফুজ্জামান খান পলাতক থাকায় তাদের বিচার এখনও কার্যকর করা সম্ভব হয়নি।

চৌধুরী মইনুদ্দীন যুক্তরাজ্য এবং আশরাফুজ্জামান খান যুক্তরাষ্ট্রে পলাতক রয়েছে। তাদের ২০১৩ সালের ৩ নভেম্বর মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানের এ দেশীয় দোসর আল-বদরের সাহায্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, সংস্কৃতি কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার বরেণ্য ব্যক্তিদের অপহরণ করা হয়। পরে নিদারুণ যন্ত্রণা দিয়ে রায়েরবাজার ও মিরপুরে তাদের হত্যা করা হয়। এ দুটি স্থান এখন বধ্যভূমি হিসেবে সংরক্ষিত।

মুক্তিযুদ্ধের শেষ লগ্নে ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে আল-বদর বাহিনী আরও অনেক বুদ্ধিজীবীকে ধরে নিয়ে মোহাম্মদপুর ফিজিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে স্থাপিত আল-বদর ঘাঁটিতে নির্যাতনের পর রায়েরবাজার বধ্যভূমি ও মিরপুর কবরস্থানে নিয়ে হত্যা করে।

শহিদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে রয়েছেন- অধ্যাপক মুনির চৌধুরী, ডা. আলিম চৌধুরী, অধ্যাপক মুনিরুজ্জামান, ড. ফজলে রাব্বী, সিরাজ উদ্দিন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, অধ্যাপক জিসি দেব, জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুর, অধ্যাপক সন্তোষ ভট্টাচার্য, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন, অধ্যাপক আনোয়ার পাশা, অধ্যাপক রশীদুল হাসান, ড. আবুল খায়ের, ড. মুর্তজা, সাংবাদিক খন্দকার আবু তাহের, নিজামউদ্দিন আহমেদ, এসএ মান্নান (লাডু ভাই), এএনএম গোলাম মোস্তফা, সৈয়দ নাজমুল হক, সেলিনা পারভিনসহ আরও অনেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest