সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

কলারোয়ার কুশোডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাকুরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসলামুল আলম আসলাম কর্তৃক দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরী পদে চাকুরী দেয়ার নামে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা আত্মসাতের প্রতিবাদে ও তার অনিয়ম দূর্নীতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের কলাটুপি গ্রামের মৃত ছমেদ আলীর ছেলে ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ভুক্তভোগী বাবর আলী।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আসন্ন ৫ম ধাপে অনুষ্ঠিতব্য কলারোয়া উপজেলার ১০নং কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও বর্তমান চেয়ারম্যান আসলামুল আলম আসলামের বহু অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগসহ মামলাও রয়েছে। তিনি বলেন, কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নে কলাটুপি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমার ছেলের দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরী পদে চাকুরী দেওয়ার নামে চেয়ারম্যান আসলাম আমার কাছ থেকে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা গ্রহন করেন। এছাড়া তিনি পানিকাউরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আলমগীর হোসেন চাকুরী থেকে পদত্যাগ করার পর ১৩ মাসের টাকা উত্তোলন করে তা আত্মসাৎ করেন। তার বিরুদ্ধে এ ঘটনায় উক্ত প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য রুমি খাতুন বাদী হয়ে আদালতে একটি দেওয়ানী মামলাও দায়ের করেন। চেয়ারম্যান আসলাম নিজেকে আওয়ামীলীগ দাবি করলেও তিনি একজন স্বাধীনতা বিরোধী পরিবারের সদস্য।

তার একমাত্র ভাই ইমাম হোসেন খান নাশকতা মামলার চার্জশীট ভুক্ত আসামী। ইমাম কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক। ভাই চেয়ারম্যান হওয়ার সুবাদে তিনি ২০১৩ সালের ১২ই ডিসেম্বর রাতে কুখ্যাত রাজাকার কাদের মোল্যার ফাঁসি দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় শাকদাহ বাজারে আওয়ামীলীগের অফিস ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে উল্লাস প্রকাশ করেন। শুধু তাই নয় তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাংচুর ও পদদলিত করেন এবং প্রবীন আওয়ামীলীগ নেতা নেদু গাজী ও ইশারত সরদারকে বেধড়ক মারপিট ও রক্তাক্ত করেন। তিনি আরো বলেন, চেয়ারম্যান আসলাম টিআর কাবিখা, কাবিটা বিধবা বয়স্ক ভাতার টাকা আত্মসাৎ করে বিলাস বহুল মার্কেট নির্মান করেছেন। দূর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে তিনি কলারোয়া উপজেলা খাদ্যগুদামের নিকটে কোটি টাকা দিয়ে একটি আলিশান বাড়ি কিনেছেন এবং গ্রামের বাড়ীতে কোটি টাকা ব্যয় করে আধুনিক বাড়ি নির্মান করেছেন। এছাড়া ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে ১৪টি প্রকল্পের নামে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় এলাকাবাসী স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের সচিব বরাবর তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগও করেছেন। যা স্থানীয় বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি নিজেকে একজন দরিদ্র আওয়ামীলীগ কর্মী দাবী করে দূর্নীতিবাজ চেয়ারম্যানের কবল থেকে তার ছেলের চাকুরী দেয়ার নামে নেয়া টাকা ফেরত ও তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রসাশসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ, কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তাজ হোসেন সহ অত্র এলাকার আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাবার পরে মা এরপর মেয়ে সাফিয়া পারভীন জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতিক নিয়ে বাজিমাত করেছেন। রোববার (২৮ নভেম্বর) তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩৬৩ ভোট বেশী পেয়ে তিনি জয়লাভ করেন। এই ইউনিয়নে টানা তিন বার জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতিক নিয়ে প্রথমে জিতেন বাবা মোশারফ হোসেন, এরপর মা আকলিমা খাতুন (মোশারফের স্ত্রী) ও তৃতীয় বার জিতলেন মেয়ে সাফিয়া পারভীন।

ইউনিয়নটিতে বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতিক নিয়ে রবিউল্লাহ্ বাহার ও নৌকা প্রতিক নিয়ে লড়েন শ্যামলী রানী অধিকারী।

কালিগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, ইউনিয়নটিতে নৌকা প্রতিকের প্রার্থী পেয়েছেন ৩৮৫ ভোট, লাঙল প্রতিকের প্রার্থী ৭২৩৮ ভোট ও ঘোড়া প্রতিক পেয়েছেন ৬৮৭৫ ভোট। বেসরকারিভাবে লাঙল প্রতিকের প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষনা করা হয়েছে। নিকটতম প্রতিদ্বদ্বী প্রার্থীর থেকে ৩৬৩ ভোট বেশী পেয়ে জয়লাভ করেছেন জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতিকের এই প্রার্থী।

কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন সাফিয়া পারভীনের বাবা জাতীয় পার্টির নেতা মোশাররফ হোসেন। ২০১৮ সালে ৮ সেপ্টেম্বর রাত ১১টার দিকে কৃষ্ণনগর বাজারে যুবলীগ কার্যালয়ের সামনে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এরপর ১৫ সেপ্টেম্বর হত্যাকারী যুবলীগ নেতা আব্দুল জলিল গাইনকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করে গ্রামবাসী। এরপর ২০১৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইউনিয়নটির উপ-নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতিকে জয়লাভ করেন নিহত মোশাররফ হোসেনের স্ত্রী আকলিমা খাতুন লাকী। সর্বশেষ ২০২১ সালের ২৮ নভেম্বরের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতিক নিয়ে নির্বাচনে দাঁড়িয়ে জয়ী হলেন মোশাররফ হোসেনের মেয়ে সাফিয়া পারভীন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় আপন বড় ভাই কর্তৃক ছোট ভাইকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি !

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় আপন বড় ভাই কর্তৃক পিতার সম্পত্তির অংশ বৃদ্ধা মাতা, ছোট ভাই এবং বোনদের না দিয়ে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি এবং খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকির অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক জনার্কীন সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর ঝিলপাড়ার মৃত. কাজী আব্দুল কাদের এর ছেলে কাজী আবু তাহের লালন। তিনি বলেন আমরা দুই ভাই এবং তিন বোন। আমি শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করি।

পিতার মৃত্যুর পর আমাদের বড় ভাই কাজী আবুল খায়ের পিতার সম্পত্তির ভাগ কারো না দিয়ে নিজে ভোগদখলের চক্রান্ত শুরু করে। বিশেষ করে আমার বোন মেডিকেলে কর্মরত মাজেদা পারভীন খুলনা থেকে বদলী হয়ে সাতক্ষীরায় এসে পিতার ভিটাতে বাড়ি নির্মাণের কথা বলার পর থেকেই জ্বলে উঠেন বড় ভাই আবুল খায়ের। আমাকে পিতার বাড়ি থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে হুমকিদাতা আবুল খায়ের তার শ্বশুর বাড়ির আতœীয় ইটাগাছা গ্রামের জনৈক রবিউল এর দ্বারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পরিচয়ে কখনো ডাক্তার, কখনো ইঞ্জিনিয়ার, কখনো বিডিআর কখনো উর্দ্ধতন প্রশাসনিক কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানানভাবে হয়রানি করে যাচ্ছেন। এমনকি ক্রাস ফায়ারে আমাকে হত্যার হুমকিও প্রদর্শন করে যাচ্ছে।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর‘২১ তারিখে আমাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। যার নং- জি আর ৭১৩/২১(সাত:) নং। উক্ত মিথ্যা মামলায় পুলিশ আমাকে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করেন। আদালত থেকে জামিনে মুক্তিলাভ করায় ভাই আবুল খায়ের আমাকে আবারো মারপিট ও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির হুমকি দিচ্ছে। এমনকি বাড়িতেও উঠতে দিচ্ছে না। এছাড়া আমাদের বৃদ্ধা মাতাকেও বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন।

এই তীব্র শীতের মধ্যে বৃদ্ধা মানুষ অন্যের বারান্দায় আশ্রয় নিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, বড় ভাই আবুল খায়ের সম্পত্তির মোহে এতটায় উন্মাদ হয়ে পড়েছে যে, আমাকে ক্রাস ফায়ার দেওয়াসহ ভাড়াটিয়া খুনিদের দিয়ে আমাকে হত্যার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন। তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য আমার স্ত্রীকে একাধিকবার মারপিটও করেছেন সে। স্থানীয় গণম্যান্য ব্যক্তি এমনকি জনপ্রতিনিধিদের কাউকে তিনি মূল্যায়ন করেন না। তার কর্মকান্ডে অতিষ্ট হয়ে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে গণস্বাক্ষরও করেছেন এলাকাবাসী। এছাড়া আমার শ্যালক, শ্বশুরসহ আমাকে সহযোগিতাকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় দায়ের করেছে আবুল খায়ের। আমি ওই সম্পদলোভী আবুল খায়েরের কবল থেকে পৈত্রিক সম্পত্তির অংশ বোনদের প্রাপ্য সম্পত্তি বুঝে পাওয়ার দাবিতে এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ১ম স্ত্রী রেখে বাল্য বিবাহ করা আলোচিত শিক্ষক খায়রুল বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় স্ত্রী রেখে ১০ম শ্রেণির ছাত্রীকে বিবাহ করা আলোচিত শিক্ষক খায়রুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ১০ নভেম্বর ২১ তারিখে মানিকহার দ্বি মুখী দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক কম্পিউটার শিক্ষক খায়রুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
গত ১৬ অক্টোবর ২১ তারিখে মানিকহার দ্বি মুখী দাখিল মাদ্রাসার কম্পিউটার শিক্ষক খায়রুল ইসলামের বিরুদ্ধে নিজের স্ত্রী থাকতেও মাদ্রাসার ১০ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে বিবাহের অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে টনক নড়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের। কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আব্দুর নুর খান, রাহেলা খাতুন ও মঈনুল আমিন মিঠুর সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর গত ১০ নভেম্বর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এবিষয়ে মানিকহার দ্বিমুখী মাদ্রাসার সুপার ফজুলর রহমান খায়রুলকে বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রথমে খায়রুল বিবাহের বিষয়টি মৌখিকভাবে স্বীকার করলেও পরে অস্বীকার করে। বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ফলে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
অভিযুক্ত শিক্ষক খায়রুল ইসলামের মোবাইল বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
খায়রুলের প্রথম স্ত্রী তানিয়া খাতুন বলেন, আমার অভিযোগের ভিত্তিতে তালা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কার্যালয়ে শর্ত স্বাপেক্ষে খায়রুলের সাথে মিমাংসা হয়। সেখানে দ্বিতীয় বিবাহের বিষয়টি অস্বীকার করে খায়রুল। কিন্তু কয়েকদিন পর মাদ্রাসা থেকে বরখাস্ত করার পর থেকে দ্বিতীয় স্ত্রীকে আবারো পালিয়েছে খায়রুল। তার মোবাইল বন্ধ রয়েছে। কারো সাথে যোগাযোগও করেন না।

উল্লেখ্য: মানিকহার দ্বিমুখী মাদ্রাসার শিক্ষক খায়রুল ইসলামের কাছে প্রাইভেট পড়তো একই প্রতিষ্ঠানের এস এস সি পরীক্ষার্থী মানিকহার গ্রামের আব্দুল মাজেদের কন্যা । প্রাইভেট পড়ানোর সুযোগে ফুঁশলিয়ে গত কায়েক মাস পূর্বে তাকে বাল্য বিবাহ করে শিক্ষক খায়রুল ইসলাম। অথচ তানিয়া নামে খায়রুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী রয়েছে। যদিও পরবর্তীতে ওই শিক্ষার্থী , তার পিতা এবং খায়রুল বিবাহের বিষয়টি অস্বীকার করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জামানত হারালেন কৃষ্ণনগর ইউপির নৌকার প্রার্থী শ্যামলি

নিজস্ব প্রতিনিধি :
জামানত হারিয়েছেন কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী শ্যামলি রানী অধিকারী।
২৮ নভেম্বর কালিগঞ্জ ও দেবহাটা উপজেলার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে মাত্র ৩৮৫ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন তিনি।
নির্বাচনী ফলাফল অনুযায়ী লাঙল প্রতীকে জাপার প্রার্থী সাফিয়া পারভীন পেয়েছেন ৭ হাজার ২৩৮ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপি সামর্থিত (স্বতন্ত্র) জিএম রবিউল্লাহ বাহার ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৮৭৫ ভোট।
আটজন প্রার্থীর মধ্যে মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী রওশান কাগুজী পেয়েছেন ৬৪৩ ভোট। আনারস প্রতিকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রহমান মোল্লা ৬৩৪ ভোট।
এছাড়া আওয়ামী লীগের প্রার্থী শ্যামলি রানী বাপ্পি ৩৮৫ ভোট পেয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর হাত পাখা প্রতীক নিয়ে শাহাজান কবীর শানু পেয়েছেন ৮৯ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী আশানুর রহমান অটোরিকশা প্রতীক নিয়ে ৪০ ভোট পেয়েছেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী চশমা প্রতীকের নজরুল ইসলাম গাজী ৩৯ ভোট পেয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জের ১২ ইউপিতে নির্বাচিতরা কে কত ভোট পেলেন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
কালিগঞ্জের ১২ইউনিয়নের নির্বাচন ২৮ নভেম্বর সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনী বিজয়ী প্রার্থীরা কে কত ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
১নং কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য প্রয়াত ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেনের মেয়ে সাফিয়া পারভীন (লাঙ্গল) ৭২৩২ ভোট,২নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে বিএনপি’র উপজেলা ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম (আনারস) ৬৮৯৯ ভোট, ৩নং চাম্পাফুল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক গাইন (নৌকা) ৫৯৪৩ ভোট, ৪নং দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গোবিন্দ মন্ডল (নৌকা) ৪৯৪৬ ভোট, ৫নং কুশুলিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল কাশেম মোহাম্মদ আব্দুল্যাহ (নৌকা) ৭২৩৩ ভোট, ৬নং নলতা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান (চশমা) ১৩৬৫৮ ভোট, ৭নং তারালী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন ছোট (নৌকা) ৬৫৯৫ ভোট,

৮নং ভাড়াশিমলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম নাঈম (আনারস) ৭৯২৮ ভোট, ৯নং মথুরেশপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হাকিম (রজনীগন্ধা) ৫০১৩ ভোট, ১০নং ধলবাড়িয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান গাজী শওকাত হোসেন (ঘোড়া) ৫৩৮২ ভোট, ১১ নং রতনপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আলিম আল রাজি টোকন (নৌকা) ৮৩৩৪ ভোট, ১২নং মৌতলা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফেরদৌস মোড়ল (ঘোড়া) ৬৪৩৩ ভোট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ওমিক্রন প্রতিরোধে ১৫ দফা নির্দেশনা স্বাস্থ্য অধিদফতরের

দেশের খবর: বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি করা করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন প্রতিরোধ করতে কিছু নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা। রবিবার (২৮ নভেম্বর) শাখাটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজুমল ইসলাম স্বাক্ষরিত ১৫ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন (বি.১.১৫২৯) এর সংক্রমণ দেখা দেওয়ায় অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে সতর্ক করেছে। যুক্তরাজ্যসহ অনেক দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, বতসোয়ানা এবং লেসোথোর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করেছে। করোনাভাইরাসের ভারিয়েন্টটি ডেলটার চেয়েও বেশি সংক্রামক বলে বিশেষজ্ঞরা মতামত প্রকাশ করেন।

এ অবস্থায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো কঠোরভাবে বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

সাউথ আফ্রিকা, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, বতসোয়ানা, এসওয়াতিনি, লেসোথো এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভিন্ন সময়ে ঘোষিত অন্যান্য আক্রান্ত দেশ থেকে আগত যাত্রীদের বন্দরগুলোতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও স্ক্রিনিং জোরদার করতে হবে।
সকল ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও অন্যান্য জনসমাগম নিরুৎসাহিত করতে হবে।
প্রয়োজনে বাইরে গেলে প্রত্যেক ব্যক্তিকে বাড়ির বাইরে সর্বদা সঠিকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরাসহ সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।
রেস্তোরাঁতে বসে খাওয়ার ব্যবস্থা ধারণক্ষমতার অর্ধেক বা তার কম করতে হবে।
সকল প্রকার জনসমাবেশ, পর্যটন স্থান, বিনোদনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার, সিনেমা হল/থিয়েটার হল ও সামাজিক অনুষ্ঠানে (বিয়ে, বৌভাত, জন্মদিন, পিকনিক পার্টি ইত্যাদি) ধারণক্ষমতার অর্ধেক বা তার কম সংখ্যক লোক অংশগ্রহণ করতে পারবে
মসজিদসহ সকল উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।
গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে।
যেসব দেশে এই ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে সেসব দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে।
সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (সকল মাদ্রাসা, প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়) ও কোচিং সেন্টারে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে।
সকল স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানে সেবাগ্রহিতা, সেবা প্রদানকারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঠিকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরাসহ সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভ্যাকসিন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
করোনা উপসর্গ/লক্ষণযুক্ত সন্দেহজনক ও নিশ্চিত করোনা রোগীর আইসোলেশন ও করোনা পজিটিভ রোগীর সংস্পর্শে আসা অন্যান্যদের কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে।
কোভিড-১৯ এর লক্ষণযুক্ত ব্যক্তিকে আইসোলেশনে রাখা এবং তার নমুনা পরীক্ষার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে সহায়তা করা যেতে পারে।
অফিসে প্রবেশ এবং অবস্থানকালীন বাধ্যতামূলক নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাটা দাফতরিকভাবে নিশ্চিত করতে হবে।
কোভিত-১৯ রোগ নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাস করার নিমিত্তে কমিউনিটি পর্যায়ে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার সচেতনতা তৈরির জন্য মাইকিং ও প্রচারণা চালানো যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনে মসজিদ/মন্দির/গির্জা/প্যাগোডা’র মাইক ব্যবহার করা যেতে পারে এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলর/ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যসহ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবেদনময়ী শ্রাবন্তী, আলোচনায় গলার লকেট

বিনোদন ডেস্ক: পরনে কালো রঙের হাতকাটা টি-শার্ট। মেকআপবিহীন শ্রাবন্তীর দুধে-আলতা ত্বক থেকে উপচে পড়ছে গ্ল্যামার। মাথার চুল পনি টেল করে বাঁধা। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা একটি ছবিতে এমন আবেদনময়ী রূপে ধরা দিয়েছেন টলিউডের আলোচিত এই অভিনেত্রী। যা নিয়ে চলছে দারুণ আলোচনা। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘জাস্ট লাইক দ্যাট।’

শ্রাবন্তীর শরীরি সৌন্দর্যের বাইরে নেটিজেনদের নজর কেড়েছে তার গলার লকেট। সোনালি রঙের এই লকেটে কার নাম লেখা রয়েছে? এই প্রশ্নই এখন অনেকের। একটু লক্ষ্য করলে দেখা যায়, শ্রাবন্তীর গলার লকেটে লেখা রয়েছে ‘জিন্টু’। জানা যায়, শ্রাবন্তীকে তার বাড়ির সবাই এই নামে ডাকেন।

ব‌্যক্তিগত জীবনে স্বামী রোশান সিংয়ের সঙ্গে এক বছর ধরে আলাদা থাকছেন শ্রাবন্তী চ‌্যাটার্জি। স্ত্রীর সঙ্গে পুনরায় সংসার করার জন‌্য মামলা দায়ের করেছেন রোশান। কিন্তু তাতে সায় না দিয়ে বিয়েবিচ্ছেদ চেয়ে আদালতে মামলা করেছেন শ্রাবন্তী। শুধু তাই নয়, খোরপোশ বাবাদ প্রতি মাসে ৭ লাখ রুপি দাবি করেছেন এই অভিনেত্রী।

আলিপুর আদালতে মামলা দায়ের করেছেন শ্রাবন্তী। এর আগে শিয়ালদহ ফাস্টট্র্যাক ফাস্ট কোর্টে মামলা দায়ের করেন শ্রাবন্তীর তৃতীয় স্বামী রোশান। পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী গত ১৪ জুলাই, দুজনেরই আদালতে হাজির হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রোশান উপস্থিত হলেও যাননি শ্রাবন্তী চ‌্যাটার্জি।

রোশান তার মামলায় জানিয়েছেন, গত ১২ এপ্রিল ই-মেইল ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে শ্রাবন্তীকে পুনরায় সংসার শুরুর অনুরোধ করেন তিনি। কিন্তু ২৬ এপ্রিল এর উত্তরে শ্রাবন্তী জানান, তিনি সংসার শুরু করতে রাজি নন। এরপর ৭ জুন, শিয়ালদহের ফাস্টট্র্যাক আদালতে মামলা দায়ের করেন রোশান। তার দাবি, শ্রাবন্তীর সঙ্গে তার কোনো তিক্ততা নেই। তাই তিনি পুনরায় সংসার শুরু করতে চান।

জানা গেছে, হিন্দু বিবাহ আইনের ৯ নম্বর ধারায় ‘রেস্টিটিউশন অব কনজুগাল রাইটস’র কথা বলা আছে। সেই অধিকার থেকেই আদালতে মামলা দায়ের করেন শ্রাবন্তীর স্বামী। এই ধারা অনুযায়ী— স্বামী বা স্ত্রী কেউ যদি কোনো যুক্তিযুক্ত কারণ না দেখিয়ে একসঙ্গে না থাকেন, তবে অপরজন এই ধারায় মামলা করতে পারেন। পরবর্তী সময়ে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে যথাযথ কারণ দেখাতে হয়।

২০০৩ সালে পরিচালক রাজীবের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শ্রাবন্তী। এই দম্পতির সন্তান অভিমন্যু। রাজীবের সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পর প্রেমিক কৃষাণ ভিরাজকে বিয়ে করেন এই অভিনেত্রী। ২০১৬ সালের জুলাইয়ে শ্রাবন্তী ও কৃষাণের বিয়ে হয়। কিন্তু বছর পেরুতেই বিবাহবিচ্ছেদের কথা জানান শ্রাবন্তী। ২০১৯ সালে রোশানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest