সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

নৌকার প্রার্থীকে দ্বিগুণ ভোটে হারিয়ে দেশের প্রথম তৃতীয় লিঙ্গের চেয়ারম্যান ঋতু

ভিন্নরকম খবর: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় সব মহলকে তাক লাগিয়ে প্রথম একজন তৃতীয় লিঙ্গের চেয়ারম্যান প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন। তাও আবার নৌকা প্রতীকের হেভিওয়েট চেয়ারম্যান প্রার্থীকে পরাজিত করে। তিনি হলেন উপজেলার ৬ নম্বর ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলাম ঋতু। আনারস মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম সানা হেভিওয়েট হলেও ঋতুর কাছে বিপুল ভোটে পরাজিত হয়েছেন।

রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আনারস প্রতীকে তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থী পেয়েছেন ৯ হাজার ৫৫৭ ভোট। নিকটতম নৌকা প্রতীকের নজরুল ইসলাম সানা পেয়েছেন মাত্র চার হাজার ৫২৯ ভোট। ইউনিয়নে মোট ভোটার ছিল ১৯ হাজার ৬০০।

এ খবর খবর নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন।

বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত তৃতীয় লিঙ্গের ঋতু বলেন, ‘এলাকার মানুষ আমাকে ভালোবেসে ভোটে দাঁড় করিয়েছিলেন। ভোটে জয়ী হয়ে চেয়ারম্যান হয়েছি, এখন জীবনের বাকি সময় নিজ ইউনিয়নবাসীর সেবা করতে চাই।’

ঋতু আরও বলেন, ‘এ জয় ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নবাসীর। প্রতিটি মানুষের কাছে আমি ঋণী। কাজের মাধ্যমে মানুষের ঋণ পরিশোধ করার চেষ্টা করব।’

এলাকাবাসী বলেন, ঋতু ঢাকাতে থাকলেও পরিবারের টানে প্রায়ই তিনি গ্রামের বাড়িতে আসেন। ১৫ বছর ধরে তিনি ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের অসহায় মানুষকে আর্থিক সহযোগিতা করে আসছেন। এভাবেই এলাকায় তার পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। ঋতুর বিজয়ে খুশি এলাকার মানুষ।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জানান, উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ২৯ জন, পুরুষ সদস্য পদে ৩১৫ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৯৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে তিনজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে ১ নম্বর সুন্দরপুর-দুর্গাপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের ওহিদুজ্জামান ওদু, ৭ নম্বর রায়গ্রাম ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের আলী হোসেন অপু ও ৯ নম্বর বারবাজার ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের আবুল কালাম আজাদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস: চিকিৎসক

রাজনীতির খবর: বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা। যদিও তাঁর শারীরিক অবস্থা গত ২৪ ঘণ্টা ধরে স্থিতিশীল আছে। তবে লিভার সিরোসিসের কারণে যেকোনো সময় রক্তক্ষরণের শঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা। আর এজন্য যত দ্রুত সম্ভব সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার সুপারিশের কথাও জানান তাঁরা।

আজ রোববার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের বাসার সামনে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসক এফ এম সিদ্দিকী এসব তথ্য তুলে ধরেন।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসক এফ এম সিদ্দিকী বলেন, ‘আমরা যারা খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় সরাসরি জড়িত তাঁরা দেখলাম, মানুষের মাঝে এ নিয়ে স্বচ্ছ ধারণা নেই। ম্যাডামের কী অবস্থা সে বিষয়ে সঠিক ধারণা নেই। তাই, আমরা আপনাদের মাধ্যমে সেটি জানাতে এসেছি।’

চিকিৎসক বলেন, ‘গত ১২ নভেম্বর আমরা প্রথম জানতে পারি, হঠাৎ তিনি খুব দুর্বল হয়ে পড়েছেন। এমন অবস্থা হয়েছে যে, একটু হাঁটতে গিয়ে তিনি হাঁপিয়ে উঠছেন। আমি এবং ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এসে রাত ২টার পর পরীক্ষা করাই। সকালে দেখতে পাই যে, উনার শরীরের হিমোগ্লোবিন কমে গেছে। তাই, তখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ে উনাকে হাসপাতালে ভর্তি করাই।’

‘মূলত উনার (খালেদা জিয়া) লিভারের যে সমস্যা সেটি মাথায় রেখেই উনাকে ভর্তি করাই। এবং রাত ৯টার দিকে উনার ম্যাসিভ রক্তবমি হয়। উনাকে দুই ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয় এবং দ্রুত এন্ডোস্কপি করে ব্লিডিংয়ের কারণ জানতে চেষ্টা করি। কিন্তু উনার ব্লাডপ্রেসার বেশি থাকায় সম্ভব হয়নি। পরে রাত ৩টার দিকে প্রফেসর আরেফিনকে খবর দেই এবং খালেদা জিয়ার এন্ডোস্কপি করি এবং উনার চিকিৎসা শুরু করি।’

এফ এম সিদ্দিকী বলেন, ‘তখন দেখতে পাই, খালেদা জিয়ার সিরোসিস অফ লিভার৷ তথা লিভার তাঁর কাজ করতে পারছিল না। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে উনার ব্লিডিংটা বন্ধ করি। কারণ উনি ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের রোগী৷ এবং নতুন কিছু মেডিসিন দেই।’

চিকিৎসক আরও বলেন, ‘১৭ নভেম্বর ম্যাডামের খাদ্যনালী দিয়ে ব্লিডিং শুরু হয়। তখন আমরা আবার হিমোগ্লোবিন পরীক্ষা করি। ১৩ তারিখ রাতে উনার হিমোগ্লোবিন ৫.৪ এ চলে আসে। ১৭ তারিখ আবার তা কমে আসে। কিন্তু উনাকে আবার এন্ডোস্কপি করলে বিপদ হতে পারে…। আবার ২১ তারিখ মনে হয় যে উনার ব্লিডিং বন্ধ হয়।’

এফ এম সিদ্দিকী বলেন, ‘ভয়ের কথা হলো, ২৩ তারিখ থেকে উনার ফের ব্লিডিং শুরু হয়। ২৪ তারিখ উনার এত বেশি ব্লাড যাওয়া শুরু হলো যে, তা কালার পরিবর্তন করারও সুযোগ পাচ্ছিল না। এবং কালো, আবার ফ্রেশ ব্লাড যাওয়া শুরু হলো। তখন আমরা আবার প্রফেসর আরেফিনকে ডাকি। এবং রাতে আবার জেনারেল ওটিতে নিয়ে উনাকে এন্ডোস্কপি ও ব্লাড ট্রান্সমিশন করি। তখন মনে হলো আরেকটু নিচ থেকে হচ্ছে। কারণ উপর থেকে হলে রক্তবমিটা উপর দিয়ে হতো। আমরা নিজেদের চোখকে বিশ্বাস করাতে পারছিলাম না যে, উনার পুরা ক্লোন রক্ত জমাট বেঁধে আছে। এবং এটা ক্লিন করে করে উপরে গিয়েছে। কিন্তু উনার তৃতীয় ব্লিডিংয়ের সোর্স পর্যন্ত যাওয়া যায় না। আবার উনাকে সেই লাইফ সেভিং ইনজেকশন দিয়েছি। কোনো উপায় না পেয়ে। লাস্ট ২৪ ঘণ্টায় উনার কোনো ব্লিডিং হয়নি।’

চিকিৎসক আরও বলেন, ‘উনার এখন সব শেষ যা চিকিৎসা সেটি হাতেগোনা কয়েকটি অ্যাডভান্স সেন্টারে আছে। বাংলাদেশ, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভারত কোথাও নেই।’

এই চিকিৎসকদের দাবি, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতেই সম্ভব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রকস্টার হয়ে মঞ্চে নাচলেন-মাতালেন প্রতিমন্ত্রী মুরাদ!

বিনোদন সংবাদ: অতিথি হয়ে এসেছিলেন, তবে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করে নয় উপস্থিত দর্শক-স্রোতা-অতিথিদের রকস্টারের মতো নাচে-গানে মাতোয়ারা করে দিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান।

অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সভায় উপস্থাপক সাজু খাদেম যখন ডাকলেন তখন তথ্য প্রতিমন্ত্রী বললেন, আমি শুধু ডাক্তার নই, আমি গায়কও।

হয়তো সবাই ভেবেছিলেন প্রতিমন্ত্রী বুঝি গান গাইতে চেয়েছেন শখ করে। যদিও ক’দিন আগে একটি ভিডিও ভাইরাল প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদের। সেই ভিডিওতে তাকে গাইতে দেখা গেছে। ভিডিওটি সত্যিই প্রতিমন্ত্রীর কিনা তা নিয়েও সন্দিহান ছিলেন অনেকে।

অভিনয়শিল্পী সংঘের অনুষ্ঠানের বক্তৃতার পালা শেষ হয়ে যাওয়ার পর শুরু হলো সংগীতানুষ্ঠান। চললো একের পর এক। মঞ্চে উঠলেন অভিনেত্রী তারিন ও প্রতিমন্ত্রী মুরাদ। দুজন কণ্ঠ মেলালেন একসঙ্গে। গাইলেন, ‘আমায় ডেকো না, ফেরানো যাবে না, ফেরারি পাখিরা…’

অভিনয়শিল্পী ও রাজনীতিক যুগলের গানে মুহুর্মুহু করতালিতে ভরে গেলো শিল্পকলার মূল মিলনায়তন। দেয়ালে হতে লাগলো প্রতিধ্বনি। মুগ্ধতা বেড়ে গেলো দর্শকদের, সেই সঙ্গে চাহিদা। গানের অনুরোধ পেতে থাকলেন ডা. মুরাদ।

এবার তিনি একা দাঁড়ালেন। কি-বোর্ড, ড্রাম, প্যাড, লিড গিটার, বেজ গিটার চেক করে নিলেন। চলে এলেন মঞ্চের একেবারে সামনে, চিরপরিচিত রকস্টারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন। গাইলেন—ওই দূর পাহাড়ের ধারে, দিগন্তেরই কাছে, নিঃসঙ্গ বসে একটি মেয়ে, গাইছে, আপন সুরে…

ততোক্ষণে সামনের সারির দর্শকরা উঠে পড়েছেন। প্রতিমন্ত্রীর গানের সুরে শরীরকে স্থির রাখতে পারলেন না তারা। ঊর্মিলা শ্রাবন্তী, বিজরী বরকতুল্লাহ, সুইটি… সবাই মিলে মঞ্চের সামনেই মেতে উঠলেন নাচে। আর বাকি দর্শকের কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হতে থাকলো ‘আপন সুরে, আপন সুরে, আপন সুরে…’।

এরপর ডা. মুরাদ গাইলেন, ‘ওরে মালেকা ওরে সালেকা, ওরে ফুলবানু পারলি না বাঁচাতে…’।

গান শুনে প্রাণ রায়, মামুন অপুসহ আরো অনেক শিল্পী ততোক্ষণে উঠে এসেছেন মঞ্চে। মন্ত্রীকে ঘিরে শুরু করে দিয়েছেন নাচ। যেন এক সুরের লহরি ঘুরছে মিলনায়তন ঘিরে। ক্লান্তিহীন কণ্ঠে এবার গাইলেন আজম খানের বিখ্যাত গান, ‘রেললাইনের ওই বস্তিতে, জন্মে ছিলো একটি ছেলে, মা তার কাঁদে….’।

রকস্ট্রিট নামে একটি ব্যান্ড দলও আছে রকস্টার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদের। নিজেই জানালেন সে কথা। সেই ব্যান্ডের লিড ভোকালিস্ট তিনি। প্রতিমন্ত্রী এটাও জানালেন, এই নাট্যশালায় নিজের দলের কনসার্ট করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্যালটে ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই’ লিখে সিল

ভিন্ন স্বাদের খবর : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ব্যালেটে খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই লিখে সিল দিয়েছেন একজন ভোটার। রোববার (২৮ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই, সোনারগাঁ থানা ছাত্রদল’ সিল-সম্বলিত ব্যালট পেপারের একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে।

ছবিতে দেখা যায়, ব্যালট পেপারটিতে তিনজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম রয়েছে। তারা হলেন-লাঙল প্রতীকের মো. আবুল হাসেম, নৌকা প্রতীকের মো. আব্দুর রশিদ মোল্লা ও হাতপাখা প্রতীকের মো. গোলাম মোস্তফা।

এ তিনজনই নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের প্রার্থী। ফলে সাদিপুর ইউনিয়নের যে কোনো একটি কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোনারগাঁ থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাফর আহমেদ তুষার বলেন, নেতাকর্মীরা বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে ও আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির পক্ষে নীরব প্রতিবাদস্বরূপ ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে হয়তো ব্যালটে মুক্তির সিল মেরেছেন।

তবে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও সোনারগাঁ উপজেলার বাসিন্দা খায়রুল ইসলাম সজীব বলেন, এখন পর্যন্ত বিষয়টি আমার নজরে আসেনি।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউসুফ উর রহমান বলেন, এই মুহূর্তে আমার নজরে এটা আসেনি।

যদি নজরে আসে তাহলে কোনো ব্যবস্থা নেবেন কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, পাবলিক সেন্স যদি ন্যূনতম পর্যায়ে চলে যায় সেক্ষেত্রে উন্মাদ, বদ্ধপাগলের বিরুদ্ধে কিভাবে ব্যবস্থা নেওয়া সেটা হলো চিন্তার বিষয়।

তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে সোনারগাঁ উপজেলার আটটি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কেন্দ্র সংখ্যা ১১৬টি। তবে আট ইউনিয়নের মধ্যে চারজনই আগেই বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার দুটি উপজেলার ১৭টি ইউপির ১১ইউপিতে নৌকার হার

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ এবং দেবহাটা উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কালিগঞ্জ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬টি নৌকা বিজয়ী হয়েছেন। বাকী ৭টির মধ্যে ১টি জাতীয়পার্টি, ১টিতে বিএনপি, ৪টিতে বিদ্রোহী এবং ১টি স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।
বিজয়ীরা হলেন, কুশলিয়া ইউপিতে নৌকার প্রার্থী আবুল কাশেম, রতনপুর ইউপিতে নৌকার প্রার্থী আলি আল রাজ টোকন, দক্ষিণ শ্রীপুর ইউপিতে নৌকার প্রার্থী গোবিন্দ মন্ডল, চাম্পাফুল ইউপিতে নৌকার প্রার্থী মোজাম্মেল, তারালি ইউপিতে নৌকার প্রার্থী এনামুল হক ছোট, নলতা ইউপিতে বিদ্রোহী প্রার্থী আজিজুর রহমান, মথুরেশপুরে বিদ্রোহী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম, ধলবাড়িয়া ইউপিতে বিদ্রোহী প্রার্থী শওকত হোসেন, কৃষ্ণনগর ইউপিতে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাফিয়া পারভীন, বিষ্ণপুর ইউপিতে বিএনপির প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন, মৌতলা ইউপিতে বিএনপির সমর্থক ফেরদৌস হোসেন, ভাড়াশিমলা ইউপিতে নাজমুল হাসান।
দেবহাটা উপজেলার ৫টি ইউপির মধ্যে ১টিতে নৌকার বিজয়ী হয়েছেন। বাকী ৪টি ইউপিতে ২টিতে বিএনপি, একটিতে বিদ্রোহী এবং একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন, নওয়াপাড়া ইউপিতে নৌকার প্রার্থী সাহেব আলী, কুলিয়া ইউপিতে বিদ্রোহী প্রার্থী আসাদুল হক, পারুলিয়া ইউপিতে বিএনপির সমর্থক গোলাম ফারুক বাবু, সখিপুর ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম, দেবহাটা সদরের বিএনপি সমর্থক বকুল হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসাবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সু-চিকিৎসার দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার বিকালে সাতক্ষীরা শহরের পাকাপোল মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পোস্ট অফিস মোড় প্রদক্ষিণ শেষে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অনতিবিলম্বে মুক্তি ও বিদেশে সুচিকিৎসার দাবি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সোহেল আহম্মেদ মানিক, সিনিয়র সহ-সভাপতি মিলন হোসেন শিকদার, সহ-সভাপতি আ: মজিদ,

আখেরাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) সাইফুল ইসলাম,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসলাম পারভেজ শাহিন, আবুল বাসার, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল করিম, সহ-দপ্তর সম্পাদক তরিকুল ইসলাম (শামীম),

সহ-প্রচার সম্পাদক শামীম হাসান, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক গোলাম সরোয়ার, যুগ্ম আহবায়ক সাইদুল ইসলাম হিমু, মনিরুল ইসলাম, নিজাম উদ্দীন, কামরুল ইসলাম, মোবাশ্বের হোসেন মধু, মহাসীন আলম, আ: ছামাদ, সদস্য সচিব জাকির হোসেন আফিল, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আলী হাসান খান হাবলু, যুগ্ম আহবায়ক শিবলুর রহমান, আলমগীর হোসেন আলম, আ: মাজেদ, সাইফুল ইসলাম, হাফিজুল ইসলাম, আ: হামিদ, সালাউদ্দীন, সাদ্দাম, আসাদুজ্জামান খোকা প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সাথে ফিংড়ীর নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও মেম্বরদের শুভেচ্ছা বিনিমিয়

আবু ছালেক: রবিবার সকাল ১০ টার সময় সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক,জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: নজরুল ইসলামের সাথে ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন  ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও মেম্বর, উপস্হিত ছিলেন ফিংড়ীর নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান,১ নং ওয়ার্ড মেম্বর ইউছুফ সরদার,২ নং ওয়ার্ড মেম্বর আরশাদ আলী,৩ নং ওয়ার্ড মেম্বর আবু সাঈদ মোল্যা,

৪ নং ওয়ার্ড মেম্বর মাহফুজ সরদার,৫ নং ওয়ার্ড মেম্বর খান আ: হামিদ,৬ নং ওয়ার্ড মেম্বর জাহিদুজ্জামান বাবু,৭ নং ওয়ার্ড মেম্বর সাংবাদিক মো: আবু ছালেক,৮ নং ওয়ার্ড মেম্বর আ: রাজ্জাক,৯ নং ওয়ার্ড মেম্বর দিপংকর কুমার ঘোষ, এবং সংরক্ষিত সদস্যা রেবেকা সুলতানা,রত্না রানী সরকার ও সালমা খাতুন,

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের প্রশিক্ষণ ও সনদপত্র বিতরণ 
প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
মুজিববর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) সাতক্ষীরার উদ্যোগে স্বাস্থ্য বিধি মেনে দূর্ঘটনা রোধকল্পে পেশাজীবী গাড়িচালকদের পেশাগত দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত সহ সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে।
পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ধারাবাহিক ভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রবিবার সকালে সাতক্ষীরার টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
“গতিসীমা মেনে চলি, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা জেলা প্রসাশনের সহযোগিতায় ও বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেলের আয়োজনে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি:) এ এস এম ওয়াজেদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ এর অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার মশিউর রহমান, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন প্রতিনিধি ডা, জয়ন্ত কুমার, পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক কামরুজ্জামান, মোটরযান পরিদর্শক রামকৃষ্ণ পোদ্দার।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এ এস এম ওয়াজেদ হোসেন পেশাজীবী চালকদের উদ্দেশ্য বলেন,, আপনারা রাস্তায় ঘুম চোখে গাড়ি চালাবেন না, অধিক আত্মবিশ্বাস নিয়ে ওভার টেকিং করবেন না, একটানা গাড়ী চালাবেন না, ট্রাফিক আইন মেনে গাড়ি চালাবেন, অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন করিবেন না, গাড়ী চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করবেন না, অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালাবেন না। আপনারা একটানা ৮ ঘন্টার বেশি গাড়ি চালাবেন না, গাড়ি চালানোর পূর্বে জ্বালানি, মবিল, ব্রেক দেখে গাড়ি পরিচালনা করবেন। তিনি আরো বলেন, মহাসড়কে নছিমন, করিমনসহ অবৈধ যানবাহন চলাচল করতে না পারে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এছাড়াও বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের রামকৃষ্ণ পোদ্দার কর্মশালায় উপস্থিত বিভিন্ন শ্রেণীর পেশাদার চালকদের দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্যে বলেন, আপনারা রাস্তায় প্রতিযোগিতা মূলক গাড়ি চালাবেন না, অতিরিক্ত মালামাল ও যাত্রী বহন করিবেন না, বৈধ কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালাবেন না।
চালকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মোঃ আব্দুর রশিদ, মোঃ আব্দুস ছালাম, গোবিন্দ মন্ডল, আলমগীর কবীর, ফিরোজ আলী সরদার।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ’র অফিস সহকারি মোঃ সাইফুল ইসলাম, সীল ম্যাকানিক শেখ আমিনুর হোসেন, অফিস সহায়ক আব্দুল গফফার।
অনুষ্ঠানে চালকদের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর পর্বের কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং সঠিক উত্তর দাতাদের পুরস্কৃত করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের মোটরযান পরিদর্শক রামকৃষ্ণ পোদ্দার। কর্মশালায় বিভিন্ন শ্রেণীর ৫৬ জন পেশাজীবি চালক অংশ গ্রহণ করে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest