সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

কর্তৃক daily satkhira

সাতক্ষীরায় কথা সাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের স্মরণ সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় কথা সাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা ম্যানগ্রোভ সভা ঘরে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন, তালা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আশুতোষ সরকার।
মূখ্য আলোচক ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মাধব চন্দ্র রুদ্র।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, খুলনা বিএল কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শংকর কুমার মল্লিক। আলোচক ছিলেন, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি সাতক্ষীরার সভাপতি অধ্যক্ষ এনামুল ইসলাম, কবি ও প্রাবন্ধিক শুভ্র আহমেদ।
ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুমের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন, এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি, প্রফেসর আব্দুল হামিদ, কবি স ম তুহিন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, “হাসান আজিজুল হক টেরিফিক রাইটার, সাহিত্যে টেরিফিক হওয়া সহজ নয়। শুধু কি ঔপন্যাসিক হিসেবে, তার সাহিত্য সমালোচনাও দারুণ।”

হাসান আজিজুল হক ১৯৬৭ সালে আদমজী সাহিত্য পুরস্কার এবং ১৯৭০ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পান। এরপর লেখক শিবির পুরস্কার, অলক্ত সাহিত্য পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, অগ্রণী ব্যাংক সাহিত্য পুরস্কার, ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার-সম্মাননা পান তিনি।

১৯৯৯ সালে তাকে ‘একুশে পদকে’ ভূষিত করে সরকার। ২০১৯ সালে পান দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার।
তাঁর লেখা ‘সমুদ্রের স্বপ্ন শীতের অরণ্য’, ‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ’, ‘জীবন ঘষে আগুন’র মতো গ্রন্থের গল্পগুলো বোদ্ধা পাঠকের মনযোগ কেড়ে নেয়। হাসান আজিজুল হকের উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- নামহীন গোত্রহীন, পাতালে হাসপাতালে, আমরা অপেক্ষা করছি, রোদে যাবো, রাঢ়বঙ্গের গল্প। বাংলা ছোটগল্পের ‘রাজপুত্র’ উপন্যাস লেখার কাজ শুরু করেন নতুন শতাব্দীতে। তাঁর প্রথম উপন্যাস প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালে। তাঁর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উপন্যাস নিঃসন্দেহে ‘আগুন পাখি’। রাঢ় বঙ্গের প্রেক্ষাপটে এই উপন্যাস লিখেছিলেন এই কথা সাহিত্যিক, এর জন্য ২০০৮ সালে আনন্দ পুরস্কার প্রদান করা হয় তাঁকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ৮ দলীয় নক আউট ফুটবল টুর্নামেন্ট

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ৫ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের আয়োজনে ২৭ নভেম্বর শনিবার কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ দলীয় নক আউট ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচের আয়োজন করা হয়।

ফাইনাল খেলার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম আশিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেখ আনোয়ার হোসেন মিলন ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ,

অনিমা রাণী মন্ডল ৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর, মো: কোরবান আলী যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ, মিয়ারাজ মাহমুদ শোভন সহ সভাপতি সুলতানপুর বড় বাজার কাচা ও মালামাল সমিতি , রজব আলী খা সহ সম্পাদক সুলতানপুর বড় বাজার কাচা ও মালামাল সমিতি।

ফাইনাল ম্যাচে অংশগ্রহণ করে গড়েরকান্দা বনাম বাগানবাড়ি। টুর্নামেন্টে জয়লাভ করে বাগানবাড়ি দল

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতাপনগরে ১৮ মাস পর পানিমুক্ত হল চারটি গ্রাম

আসাদুজ্জামান : ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ও ইয়াস বিধ্বস্ত সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগরের বন্যতলা এলাকার খোলপেটুয়া নদীর বেঁড়িবাঁধটি দীর্ঘ ১৮ মাস পর অবশেষে মেরামত করা সম্ভব হয়েছে। এরফলে দীর্ঘদিন পরে হলেও পানিবন্দি থেকে মুক্তি পেলো ক্ষতিগ্রস্ত প্রতাপনগর ইউনিয়নের ৪টি গ্রামে। এতে বন্ধ হল ওই ইউনিয়নের চারটি গ্রামের লোকালয়ে নদীর লবণাক্ত পানি প্রবেশ। শনিবার দুপুরে ভেঙে যাওয়া বাঁধের স্থানটি মেরামত করা সম্ভব হয়।
বাঁধটি মেরামত করা গেছে এই খবরে বন্যতলা এলাকায় ছুটে যান শত শত মানুষ। মেরামতে স্বেচ্ছাশ্রমে তারাও সহযোগিতা করেছেন অনেকেই। আনন্দে আতœহারা দীর্ঘ ১৮ মাস পানিবন্দি থাকা উপকূলীয় ৬ হাজার বাসিন্দা।
প্রতানগর গ্রামের বাসিন্দা সাঈদুর রহমান জানান, ইয়াসের প্রভাবের জলোচ্ছ্বাসে নদীর বাঁধটি ভেঙে যায়। সেই থেকে দীর্ঘ ১৮ মাস পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছি। মানুষের কত দুঃখ-কষ্ট সেটি ভাষায় প্রকাশ অসম্ভব। গ্রামের মধ্য দিয়েই নদীর জোয়ারের লবণাক্ত পানি উঠানামা করেছে। গ্রামের মধ্যে অনেকস্থান নদীর সংযোগ খালে পরিণত হয়েছে। ভেঙে গেছে বহু মানুষের ঘরবাড়ি, ভেসে গেছে মাছের ঘের কৃষি জমি। তিনি বলেন, অবশেষে বন্যতলা এলাকার সেই বাঁধটি ১৮ মাস পর রক্ষা করা গেছে। আজ থেকে নদীর পানি গ্রামে প্রবেশ বন্ধ হলো। আনন্দে আতœহারা হয়েছে মানুষ। তবে আবারও দূর্যোগ আসলে বাঁধ ভেঙে মানুষ আবারও দূর্ভোগে পড়বে। আরএ জন্য তারা টেকসই বাঁধ নির্মাণ চান যাতে তারা ভবিষ্যতে নিরাপদে বসবাস করতে পারেন।
ওই এলাকার মাসুম বিল্লাহ জানান, বাঁধটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে প্রতানগর ইউনিয়নের প্রতাপনগর, কুড়িকাওনিয়া, মাদারবাড়িয়া ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নের বন্যতলা এই চারটি গ্রামের প্রায় ৬ হাজার মানুষ পানিবন্দী ছিলেন। অবশেষে আজ থেকে পানিমুক্ত হলো এ চারটি গ্রাম। এখন আর নদীর জোয়ারের পানি গ্রামে ঢুকছে না। ভেঙে যাওয়া বাঁধের স্থানটি জিও ব্যাগ দিয়ে আটকানো হয়েছে।
দাতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের তত্ত্বাবধানে বন্যতলা এলাকার বাঁধটি সংস্কার কার্যক্রম চলেছে। ফেনী জেলার সালেহ আহম্মেদ নামে এক ঠিকাদার বাঁধ মেরামত কাজটি বাস্তবায়ন করছেন। প্রকল্পের ব্যয় ৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। তবে এটি আরও বাড়বে বলে জানা গেছে।
দাতা সংস্থা জাইকার বন্যতলা বেড়িবাঁধ সংস্কার প্রকল্পের কনসালটেন্ট আন্দুল মালেক জানান, বন্যতলা এলাকায় ৩০০ ফিটের মত বাঁধ ভেঙে গিয়েছিল। আজ থেকে আর লোকালয়ে পানি প্রবেশ করবে না মূল ভাঙ্গন পয়েন্টটি আটকে দেওয়া হয়েছে। বাঁধ মেরামত কাজটি এখনো শেষ হয়নি চলমান রয়েছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাত পোহালেই সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ ও দেবহাটার ১৭ ইউনিয়নে ভোট

আসাদুজ্জামান : রাত পোহালেই রোববার তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ ও দেবহাটা উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই দু’টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৮৫ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ২০০ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ৬৪২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ইতিমধ্যে অবাধ, সুষ্ট ও নিরপেক্ষ ভোট গ্রহণের লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, কালিগঞ্জ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৬৮ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৪২ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ৪৬৭ জন এবং দেবহাটা উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ১৭ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৫৮ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ১৭৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এই দুই উপজেলার ১৭ টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ৩ লক্ষ ৩৬ হাজার ৮৯১ জন। এরমধ্যে কালিগঞ্জ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ২ লক্ষ ৩১ হাজার ৮৬৪ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ১৭ হাজার ৯৮০ ও নারী ভোটার ১ লক্ষ ১৩ হাজার ৮৮৪ জন। এছাড়া দেবহাটা উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ১ লক্ষ ৫ হাজার ৩৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫২ হাজার ৯০১ জন এবং নারী ভোটার ৫২ হাজার ১৩৬ জন। দুই উপজেলায় মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৬১ টি ও ভোট কক্ষের সংখ্যা ৮৫৩। এর কালিগঞ্জ উপজেলার ১১০টি কেন্দ্রের ৫৮৬ কক্ষে ও দেবহাটা উপজেলার ৫১টি কেন্দ্রের ২৬৭টি কক্ষে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে, নির্বাচন ঘিরে যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন সাতক্ষীরা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির। সংশ্লিষ্ট এলাকায় ২৭ নভেম্বর মধ্যরাত ১২টা হতে ২৮ নভেম্বর মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত ট্রাক, পিকআপ, লঞ্চ, ইঞ্জিন চালিত সকল নৌ-যান, স্পীড বোট চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া ২৬ নভেম্বর মধ্যরাত ১২টা হতে ২৯ নভেম্বর মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলও বন্ধ থাকবে।

পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রতিটি কেন্দ্রে একজন এস.আইয়ের নেতৃত্বে ৫ জন পুলিশ সদস্য ও দুজন সশস্ত্রসহ ১৭ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়া প্রত্যেক ইউনিয়নে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বরত থাকবেন। এছাড়া দুই উপজেলায় ৫জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন। পাশাপাশি ৩প্লাটুন বিজিবি সদস্য ও ৩ প্লাটুন র‌্যাব সদস্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবেন
জেলা নির্বাচন অফিসার নাজমুল কবির জানান, দুই উপজেলার ১৭ টি ইউনিয়নে অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরবন উপকূলে শতাধিক পানির ট্যাংক বিতরণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : দু’কূলে কেউ নেই রাজিয়া বিবির। বসবাস সাতক্ষীরার উপকূলীয় শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী গ্রামে। বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়েছেন। কিন্তু, বেঁচে থাকার তাগিদে প্রতিদিন কয়েক কিলোমিটার হেঁটে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হয়। এটা রোজকার ব্যাপার। বর্ষাকালে পাত্রের অভাবে পানি সংগ্রহ করে রাখতে পারেন না।

‘দিনি দু-তিনবার অনেক দূর হাঁটি পানি আনতি হয়। মাজায় আর পারে না বাবা। মনে হয় হাঁটু খুলি য্যাতিস। বাড়ি নি কোন বেটা ছাবাল। বর্ষাকালে যা পানি ধুরি রাখি তা পাত্রের অভাবে রাখতি পারিনি’, বলছিলেন রাজিয়া বিবি।

পানি সংরক্ষণের জন্য বিনা পয়সায় হাজার লিটারের ট্যাংক পেয়ে তিনি খুশিতে আত্মহারা। চোখেমুখে আনন্দের ছাপ, যেন আকাশের চাঁদ হাতে পেয়েছেন।

সুন্দরবন উপকূলের শতাধিক প্রান্তিক পরিবারের মাঝে পানির ট্যাংক বিতরণ করেছে চিকিৎসক এবং শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত সামাজিক সেবামূলক সংগঠন ডু সামথিং ফাউন্ডেশন।

শনিবার (২৭ নভেম্বর) সকাল ১০টায় ডু সামথিং ফাউন্ডেশনের কোষাধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেনের উপস্থিতিতে সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবক শাহিন আলম, মাহমুদুল হাসান, বুলবুল, মামুন, মাসুম প্রমুখ সুন্দরবন উপকূলীয় শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা, পদ্মপুকুর, বুড়িগোয়ালিনী, মুন্সিগঞ্জ, কৈখালী, রমজাননগর, আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ও খুলনার কয়রা পয়েন্টে ১ হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ১১০টি পানির ট্যাংক বিতরণ করেন।

ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা বলেন, চারদিকে পানি কিন্তু পানযোগ্য পানি নেই। সুন্দরবন তীরবর্তী সাতক্ষীরার মানুষের এই অবস্থা দেখে আমাদের মনে নাড়া দেয়। তাই আমরা এই অসহনীয় কষ্ট থেকে মানুষকে কিছুটা মুক্তি দেওয়ার জন্য এই উদ্যোগ নিই। উপকূল তীরবর্তী মানুষের খাবার পানির কষ্ট লাগবে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যহত থাকবে।

সুন্দরবন উপকূলে খাবার পানির সংকট নৈমিত্তিক। তবে, বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ বিপর্যের কারণে এই সংকট বহুগুণ বেড়ে গেছে। বর্ষা মৌসুমে পানি সংরক্ষণ করে বছরের বড় একটি সময় চলে যায়। অসচ্ছল পরিবারগুলো পাত্রের অভাবে বর্ষা মৌসুমে পানি সংরক্ষণ করতে পারে না। মাটির কলস, ছোটখাটো পাত্র, কিংবা মাটির গর্তে পলিথিন দিয়ে যৎসামান্য সংরক্ষণ করে রাখে।

উল্লেখ্য, ডু সামথিং ফাউন্ডেশন উপকূলের প্রান্তিক মানুষের উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় এ্যাপোলো হসপিটাল কোলকাতার ইনফরমেশন সেন্টার উদ্বোধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : এ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হসপিটাল কোলকাতার ইনফরমেশনের জন্য “লাইফ এন্ড হেল্থ ইনফরমেশন সেন্টার” এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। সিওক হেল্থ কেয়ারের তত্ত্বাবধায়নে সুলতান সমবায় মার্কেটের ৪র্থ তলায় এই ইনফরমেশন সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে উদ্বোধন ঘোষনা করেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম।

পরে লেকভিউ ক্যাপে এন্ড রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সদস্যদের নিয়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন এ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হসপিটাল কোলকাতা এর সি.ই.ও. রানা দাশ গুপ্ত। বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর প্যানেল মেয়র কাজী ফিরোজ হাসান। এ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হসপিটাল কোলকাতার ডাঃ আশফাক আহম্মেদ, ডাঃ মানিশ কুমার জেইন, ডাঃ সুভাদীপ চক্রবর্তী, বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সাতক্ষীরা জেলার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফফার,

সিওক হেল্থ কেয়ারের কর্মকর্তা এমএম মাসুমুজ্জামান, অমিতাভ ভট্টাচার্য, লাইফ এন্ড হেল্থ ইনফরমেশন, সাতক্ষীরার পরিচালক কাজী ফারুক হাসান। বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনের পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম দুলু, কলারোয়া উপজেলার সভাপতি নজরুল ইসলাম, শ্যামনগর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক আবু কওসার, আলমগীর হোসেন, মিজানুর রহমান, রেজাউল ইসলাম, হাদীউজ্জামান, বিধান বিশ্বাস, আক্তার হোসেন, আনোয়ার পারভেজ, প্রভাষক রবিউল ইসলাম, প্রভাষক মাহবুবুর রহমান, আবুল বাশার, প্রশান্ত ঢালী, জামিলুর বাসার, শফিকুল ইসলাম, আল আমিন হোসেন, অর্নিবান সরকার প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লাবসায় ধর্ষণ মামলায় পঙ্গু ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার লাবসায় গৃহবধু ধর্ষণ মামলায় এক পঙ্গু ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার ও হয়রানির প্রতিবাদে এবং সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক প্রকৃৃত ধর্ষককে চিহ্নিত করে শাস্তি প্রদানের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, মাগুরা (তালতলা) গ্রামের গ্রেপ্তারকৃত পঙ্গু আজিজুল ইলামের স্ত্রী মনজুয়ারা খাতুন।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমার স্বামী গত ২০২০ সালে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়ে অসুস্থ্য অবস্থায় রয়েছে। দুর্ঘটনায় স্বামীর ডান পায়ের লেগোমেন্ট শিরা ছিড়ে পা পঙ্গু হয়ে যায়। বর্তমানে কোন কাজ করতে পারে না। যে কারনে সংসার পরিচালনার জন্য তালতলা স্কুলের সামনে একটি চায়ের দোকান পরিচালনা করি। আমি সারাদিন চা বিক্রয় করি আমার স্বামী সারাদিন আমার সামনে চেয়ারে বসে থাকে। রাতে দু’জন একই সাথে দোকানের মধ্যেই থাকি। রাতে বাথরুমে যেতে হলেও আমার সাহায্য ছাড়া স্বামী আজিজুল উঠতে পারে না। এমনকি বাথরুম করতে গেলেও চেয়ারে ছাড়া করতে পারে না। আমার স্বামীর পঙ্গুত্বর বিষয়টি এলাকার সকলেই অবগত আছেন। আমার সেই পঙ্গু স্বামীকে একটি ধর্ষণ মামলায় জড়িয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষণ মামলার বাদীর বক্তব্য অনুযায়ী ২৫ নভেম্বর রাত ২টার দিকে বাদী হাসিনা পারভীন রাতে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। সে সময় অজ্ঞাত ব্যক্তি দরজা খুলে তার ঘরে প্রবেশ করে বলে,“আমার সাথে আরো দু জন আছে, তারা বাইরে আছে।চিৎকার করে খুন করবো বলে গলায় ছুরি ধরে।

এরপর গামছা দিয়ে তার হাত খাটের পাশে জালানার সাথে বেধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।” কিন্তু আমার স্বামী যেখানে নিজে হাটা চলা করতে পারে না। সেখানে ওই নারীকে ধর্ষনের জন্য গভীর রাতে একা একা কিভাবে হেটে আমার বাড়ি থেকে অর্ধ কিলোমিটার দুরে গেলেন এটি আমার বুঝে আসে না। পঙ্গু মানুষ কিভাবে ওই নারীর হাত বেধে ধর্ষণ করলেন, একজন সুস্থ্য মানুষের সাথে ধস্তাধস্তি করলে আমার স্বামীর দাঁড়িয়ে থাকার কোন ক্ষমতা নেই। এছাড়া ওই নারীর বয়স ৪৫ বছর।

ধর্ষকের মুখ বাধা থাকায় নাকি তাকে ধর্ষিতা চিনতে পারেননি। তবে মামলার এজাহারে কারো নাম না উল্লেখ করলেও তিনি উল্লেখ করেছেন ধর্ষকের স্বাস্থ্য শরীর নাকি আমার স্বামীর মত। একজনের শরীরের সাথে আরেকজনে মিলা থাকতেই পারে তাই বলে আমার স্বামীই ধর্ষণ করেছে এটি কিভাবে হতে পারে। ২৫ নভেম্বর রাত ৯টার দিকে আমার স্বামীকে দোকান থেকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। এরপর তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। তিনি আরো বলেন, ওই নারীকে কে বা কারা ধর্ষন করেছে এটি আমাদের জানা নেই। তবে যে বা যারা ধর্ষন করেছে আমি তাদের কঠোর শাস্তি চাই। কিন্তু একজন নিরাপরাধ মানুষ যেন মিথ্যা মামলায় হয়রানি না হয়। আমার স্বামী এখনো পর্যন্ত পায়ে এ্যাংলেট না লাগিয়ে চলাচল করতে পারে না। আমার শতভাগ বিশ্বাস সুষ্ঠু তদন্ত হলে আমার স্বামী স্বসম্মানে ওই মিথ্যা মামলার দায় থেকে মুক্তি পাবে। কারন একটি পঙ্গু ব্যক্তির পক্ষে হাত বেধে ধর্ষন করাটা অসাধ্য। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় তার নিরাপরাধ পঙ্গু স্বামীর মুক্তি ও এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক প্রকৃত ধর্ষকদের খুজে বের করে কঠোর শাস্তি প্রদানের জন্য সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারসহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশ্র হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পঞ্চম ধাপে ৭০৭ ইউপিতে ভোটগ্রহণ ৫ জানুয়ারি

দেশের খবর : চলমান ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের পঞ্চম ধাপের ভোটের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৫ জানুয়ারি বুধবার দেশের ৭০৭টি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার (২৭ নভেম্বর) সকালে কমিশনের বৈঠক শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তফসিল ঘোষণা করেন ইসি সচিব হুমায়ুন কবীর। এদিন সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে কমিশনের ৯০তম মুলতবি সভা নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে পঞ্চম ধাপের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়।

বৈঠক শেষে ইসি সচিব হুমায়ুন কবীর জানান, তফসিল অনুযায়ী, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৭ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। আর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ৯ ডিসেম্বর। আপিল ১০ থেকে ১২ ডিসেম্বর, নিষ্পত্তি ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ১৫ ডিসেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ১৭ ডিসেম্বর আর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৫ জানুয়ারি।

নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ, এনআইডি ডিজি এ কে এম হুমায়ুন কবীর, যুগ্মসচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান ও জনসংযোগ পরিচালক এসএম আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ২১ জুন ও ২০ সেপ্টেম্বর প্রথম ধাপের দুই দফায় ৩৬৯টি এবং ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে ৮৩৩টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২৮ নভেম্বর রোববার তৃতীয় ধাপে এক হাজার এবং চতুর্থ ধাপে আগামী ২৩ ডিসেম্বর ৮৪০টি ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

প্রসঙ্গত, দেশে চার হাজার ৫৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় চার হাজার ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বাকিগুলোতে মামলা জটিলতার কারণে নির্বাচন আটকে রয়েছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ইতোমধ্যে নয়বার ইউপি নির্বাচন হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৭৩ সালে প্রথম ইউপি নির্বাচন এবং সর্বশেষ ২০১৬ সালে নবম ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়াও ১৯৭৭, ১৯৮৩, ১৯৮৮, ১৯৯২, ১৯৯৭, ২০০৩ ও ২০১১ সালে ইউপি নির্বাচন হয়েছে। চলতি ২০২১ সালের জুন-জুলাই মাস থেকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে দশম ইউপি নির্বাচন।

সর্বশেষ ২০১৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি প্রথম বারের মতো দলীয় প্রতীকে নবম ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ছয় ধাপে চার হাজার ২৭৫টি ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest