সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদকলারোয়ায় প্রবাসীর অর্ধকোটি টাকার ইটভাটা জবরদখলের অভিযোগ- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলননক্ষত্রের অভিবাদন: শ্যামনগরে ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনাসাংবাদিক পুত্র কাজী ফাহিমের অতুলনীয় সাফল্য : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দন

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেমিকাসহ ৬ জনকে হত্যা করে প্রেমিকের আত্মহত্যা

বিদেশের খবর : জন্মদিনের অনুষ্ঠানে প্রেমিকের বন্দুক হামলায় প্রেমিকাসহ ৬ জন নিহত হয়েছেন। হামলার পর আত্মহত্যা করেছেন প্রেমিক নিজেও। তবে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিশুদের দিকে গুলিবর্ষণ করেননি ঘাতক প্রেমিক।

রোববার (৯ মে) এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয় বলে জানিয়েছে কলোরাডো পুলিশ। তবে, সংশ্লিষ্টদের নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

কলোরাডো স্প্রিংস পুলিশ বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর ৬ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে। একইসঙ্গে আশঙ্কাজনক ভাবে আহত অবস্থায় আরও এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হলেও হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান।

বিবৃতিতে পুলিশ আরও জানিয়েছে, ‘অভিযুক্ত হামলাকারী জন্মদিনের পার্টিতে নিহত নারীদের মধ্যে একজনের প্রেমিক। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি গাড়ি চালিয়ে ঘটনাস্থলে যান, হেঁটে ভেতরে ঢোকার পরই অতিথিদের ওপর গুলিবর্ষণ শুরু করেন। পরে তিনি নিজেও আত্মহত্যা করেন।’

পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, জন্মদিন উদযাপনে বন্ধু-বান্ধব, পরিবারের সদস্য ও শিশুরা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন। একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি সেখানে বন্দুক হামলা চালান।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছরই ব্যক্তিগত বন্দুক ব্যবহার করে এ ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে থাকে। এ ধরনের ঘটনা এড়াতে দেশটির বন্দুক আইনে পরিবর্তনের কথা ভাবছে বাইডেন প্রশাসন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৫ লাখ চীনের করোনা টিকা আসছে বুধবার

অনলাইন ডেস্ক : সিনোফার্মের তৈরি পাঁচ লাখ করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আগামী বুধবার বাংলাদেশে আসছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং।

সোমবার ঢাকায় ভার্চুয়াল সম্মেলনে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, চীনের টিকার চাহিদা অনেক দেশের আছে। তাই বাণিজ্যিকভাবে যেটা বাংলাদেশ পেতে চায়, সেই টিকা পেতে বাংলাদেশের সময় লাগবে। তা ছাড়া বাংলাদেশ এক সপ্তাহ আগে শুধু সিনোফার্মের টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।

লি জিমিং বলেন, চীনের উপহারের টিকার জন্য বাংলাদেশকে ৩ ফেব্রুয়ারি প্রস্তাব দিয়েছিলাম। অথচ এই অনুমোদনের জন্য দীর্ঘ তিন মাস অপেক্ষা করতে হয়েছে। বাণিজ্যিকভাবে টিকা পেতে বাংলাদেশ ৩০ এপ্রিল প্রস্তাব দিয়েছে। বাংলাদেশ আগেই অনুমতি দিলে চীনের টিকা আগে পেত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘টিকা অকার্যকর করে দিতে পারে করোনার ভারতীয় ধরন’

অনলাইন ডেস্ক : করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে নাস্তানাবুদ ভারত। সেখানে প্রতিদিন আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হার লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।

এরমধেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এর শীর্ষ বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথান বলছেন, করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট অনেক শক্তিশালী। করোনার এই ভ্যারিয়েন্ট বাজারে প্রচলিত টিকাগুলোকে অকার্যকর প্রমাণিত করতে পারে।

সম্প্রতি বার্তাসংস্থা এএফপিকে এক সাক্ষাৎকারে এমন আশঙ্কার কথা জানান ডব্লিউএইচও’র এই শীর্ষ বিজ্ঞানী ও গবেষক।

তিনি বলেন, করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট অত্যন্ত শক্তিশালী যা খুব দ্রুত মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে।

ভারতের পরিস্থিতি সম্পর্ক তিনি বলেন, ভারতে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গণটিকাদান কর্মসূচির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তিনি ভারতে সবগুলো রাজ্যে করোনা ছড়িয়ে পড়ার আগেই সব মানুষকে টিকার আওতায় আনার পরামর্শ দেন।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার এই ভারতীয় গবেষক বলেন, করোনাভাইরাসের ভারতীয় ধরন বি.১.৬১৭ প্রথম গত অক্টোবর মাসে ধরা পড়ে। এরপর কতদ্রুত এটি লাখ লাখ মানুষকে সংক্রমিত করেছে।

ফলে এটা স্পষ্ট যে, করোনাভাইরাসের ভারতীয় ধরন বি.১.৬১৭ প্রচলিত ভাইরাসটির তুলনায় অনেকগুণ বেশি সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন এবং বিপজ্জনক। প্রচলিত করোনাভাইরাসের কয়েকবার অভিযোজনের পর নতুন এই ধরণটি এসেছে। যা চিকিৎসাবিজ্ঞানকে চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলেছে।

তিনি বলেন, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ছাড়াও আমেরিকা এবং যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞানীরা বলেছেন বি.১.৬১৭ প্রচলিত ভাইরাস সার্স-কোভ-২ এর তুলনায় অত্যন্ত শক্তিশালী। যা অল্প সময়ের মধ্যে বেশিসংখ্যক মানুষকে আক্রান্ত করতে পারে। এমনকি টিকা নেওয়ার পর শরীরে যে করোনা প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি জন্মায় তাকেও ফাঁকি দিতে পারে।

করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে সৌম্য স্বামীনাথান ভীড় এড়িয়ে চলা, বড় ধরণের গণ জমায়েত না করা, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা এবং মাস্ক ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোভিডে বিপর্যস্ত ভারতে বাংলাদেশি রোগীরা দিশেহারা

অনলাইন ডেস্ক : কোভিডে মৃত মায়ের মরদেহ নিয়ে কীভাবে কত দ্রুত দেশে ফিরবেন, মর্যাদার সাথে মাকে দাফন করতে পারবেন তা নিয়ে উদভ্রান্ত হয়ে পড়েছেন নাহিদ নাসের তৃণা, তার দুই বোন, চাচাতো ভাই এবং শোকে কাতর বাবা।

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনে অনাপত্তিপত্রের (এনওসি) জন্য আবেদন করেছেন তারা, কিন্তু রোববার বিকাল পর্যন্ত তা তাদের কাছে আসেনি। শুধু মায়ের মরদেহের ছাড়পত্র হাতে পাওয়া গেছে। মৃত মা শুক্রবার থেকেই হাসপাতালের হিমঘরে।

“আমাদের মনের অবস্থা যে এখন কেমন তা বলে বোঝাতে পারবো না,“ দিল্লি থেকে টেলিফোনে বলছিলেন ঢাকার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী তৃণা।

ফেরা নিয়ে দুশ্চিন্তা :

এমনিতে গুলশান আক্তারের এই মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না তার স্বামী এবং সন্তানেরা। কিন্তু শোকের চাইতে মরদেহ নিয়ে দেশে ফেরা এবং তার দাফন নিয়ে শোকের চেয়ে উদ্বেগই বেশি ভর করেছে পুরো পরিবারের ওপর।

“কখন দেশে যাওয়া যাবে? বিমান নেই, ফলে কিভাবে এতদূর মায়ের মরদেহ নিয়ে যাবো? বেনাপোল সীমান্ত পেরিয়ে যদি ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হয় কিভাবে তা সম্ভব হবে? মায়ের দাফন কোথায় কিভাবে হবে – এসব চিন্তায় মাথা এলোমেলো হয়ে আছে সবার,“ বলেন তিনি।

শুধু গুলশান আক্তারই নয়, সাত জনের পরিবারের সবাই একে একে কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন। উপসর্গ চলে গেলেও সবাই যে নেগেটিভ হয়েছেন রোববার পর্যন্ত সেই টেস্টের ফলাফল তারা পাননি।

নষ্ট হয়ে যাওয়া কিডনি বদলানোর জন্য গত ২৬শে মার্চ দিল্লিতে যান গুলশান আক্তার। সাথে ছিলেন স্বামী, তিন মেয়ে এবং তাদের চাচাতো ভাই এবং বাসার গৃহকর্মী। দিল্লির উপকণ্ঠে ফিরোজাবাদ এলাকায় হাসপাতালের কাছে একটি বাসা ভাড়া নেন তারা।

দিল্লির কোভিড পরিস্থিতি তখন ভয়াবহ রূপ নিতে শুরু করেছে।

“মায়ের ডায়ালাইসিস চলছিল, সপ্তাহে তিনদিন। শহরের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলাম। হাসপাতালে অক্সিজেন সংকটের খবর শুনছিলাম। চিন্তা ঢুকেছিল মায়ের চিকিৎসা এখন ঠিকমত কি হবে?“, বলেন তৃণা।

আশঙ্কা সত্যি রূপ নিল যখন ২১শে এপ্রিল তৃণার বাবা এবং দুই বোনের কোভিড ধরা পড়লো। দুদিন পর ধরা পড়লো তার মায়ের। তার পর একে একে সবার।

গুলশান আক্তারের শরীরে অক্সিজেন দ্রুত কমতে থাকায় ২৬শে এপ্রিল তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তিন-চারদিনের মাথায় তিনি অচেতন হয়ে পড়লে আইসিইউতে নিয়ে ভেন্টিলেটরে নেওয়া হয়। তারপর শুক্রবার ডাক্তাররা জানান হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা গেছেন।

“আমরা মনে করিনা চিকিৎসায় কোনো ঘাটতি হয়েছে, কিন্তু হাসপাতালে নেওয়ার পর মা প্রচণ্ড মানসিক চাপে পড়েছিলেন। তাকে আইসোলেশনে রাখা হয়। হিন্দি বা ইংরেজি বলতে পারতেন না। আমাদের সাথেও দেখা হতো না। আমার মনে হয় ঐ চাপ তিনি নিতে পারেননি।“

গুলশান আরা মাঝে মধ্যে পরিবারকে বলতেন মৃত্যুর পর তাকে যেন নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজারে তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। “আমরা কি তা পারবো জানিনা, “দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন তৃণা।

এনওসি পেলেও ভারতে আটকে পড়া বাংলাদেশীদের আসতে হচ্ছে বেনাপোল স্থল সীমান্ত দিয়ে। ঢোকার পর সেখানে তাদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হচ্ছে। সেই চিন্তাতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন তৃণা, তার ভাই-বোন এবং বাবা।

তৃণার পরিবারের মত কম-বেশি একই সংকটে পড়েছেন ভারতে চিকিৎসার জন্য যাওয়া বহু বাংলাদেশি।

চেন্নাইতে চিকিৎসা করতে গিয়ে একইভাবে আটকা পড়েছেন মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এবং তার স্ত্রী। বললেন তার শরীরের যে অবস্থা তাতে স্থলপথে ফেলা সম্ভব নয়, ফলে এনওসির জন্য আবেদনও করেননি।

বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ঢোকার পর সেখানে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকা নিয়েও তিনি উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশে না ফিরে চেন্নাই থেকে দুবাইতে গিয়ে সেখানে কিছুদিন থাকার কথা ভেবেছিলেন। কিন্তু ভারত থেকে দুবাইয়ের ফ্লাইটও বন্ধ।

“হোটেলে খাঁচাবদ্ধ হয়ে পড়ে রয়েছি,“ চেন্নাই থেকে টেলিফোনে তিনি বলেন।

কামরুজ্জামান জানালেন, যে হাসপাতালে তার চিকিৎসা হচ্ছিল সেখানেই শনিবার বাংলাদেশী একজন ক্যানসারের রোগী মারা গেছেন।

“মরদেহ দেশে নিয়ে যাওয়া নিয়ে সাথে আসা পরিবারের সদস্য চোখে অন্ধকার দেখছেন। সরকারের উচিৎ শিঘ্রি বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে এমন সঙ্কটে পড়া লোকদের নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা।“

জানা গেছে, কোভিডের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় বেড খালি করতে অনেক হাসপাতাল অন্য রোগীদের আগেভাগেই ডিসচার্জ করে দিচ্ছে। ফলে দেশে ফিরতে মরিয়া হয়ে পড়েছেন এরকম কয়েক হাজার বাংলাদেশি।

এনওসির জন্য শত শত আবেদন :

এনওসি‘র জন্য দিল্লিতে হাই-কমিশন ছাড়াও মুম্বাই এবং কলকাতার ডেপুটি হাই কমিশনেও এনওসি চেয়ে প্রতিদিন শত শত আবেদনপত্র জমা হচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি আবেদন হচ্ছে কলকাতায় বাংলাদেশে ডেপুটি হাই কমিশনে। “প্রতিদিন আমাদের এখানে ৩০০ থেকে ৫০০ আবেদন পড়ছে, “নাম না প্রকাশ করার শর্তে সেখানকার একজন কর্মকর্তা জানান।

কিন্তু এনওসি দেওয়ার সময় বেনাপোল সীমান্তের ওপাশে কোয়ারেন্টিন সুবিধার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। ভিসার মেয়াদ যাদের শেষ হয়ে যাওয়ার পথে তাদেরকে বা যারা মারা যাচ্ছেন তাদের এবং স্বজনদের আবেদনপত্রকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

তারপরও, সীমান্ত বন্ধ হওয়ার পর গত ১৫ দিনে কলকাতা ডেপুটি হাই-কমিশন থেকেই প্রায় তিন হাজার বাংলাদেশিকে দেশে ফেরার জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে কলকাতার ঐ কর্মকর্তা জানান বিশেষ কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া আজ (রোববার) থেকে ঈদ পর্যন্ত আটকে পড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফেরার এনওসি দেওয়া বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ওদিকে যশোরের সাংবাদিক সাজেদ রহমান জানিয়েছেন ভারত থেকে ফেরত লোকজনকে কোয়ারেন্টিনে রাখতে শহরের ১৮টি হোটেল বুক করা হয়েছে। সেগুলোতে স্থান সংকুলান না হওয়ায়, আশপাশের কয়েকটি জেলা শহরের হোটেলেও তাদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

ভাইরাস নিয়ে ফিরছেন অনেকে :

শনিবার সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ভারত থেকে ফেরা দুজনের শরীরে নিশ্চিতভাবে করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে যা নিয়ে সরকারের মধ্যে বেশ উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

যশোর থেকে সাংবাদিক সাজেদ রহমান বলছেন গত ১৫ দিনে ভারত থেকে ফেরা ২৫ জন কোভিড পজিটিভ হয়েছেন বলে তাকে জানিয়েছেন যশোরের আড়াইশ বেড হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: দিলিপ কুমার রায়। এখনও ঐ হাসপাতালে ১৭ জন ভর্তি রয়েছেন।

ভারত থেকে আসা যাত্রীদের মধ্যে কোনো উপসর্গ দেখলেই তাদের এই হাসপাতালের নিয়ে আসা হচ্ছে এবং নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্ব মা দিবসে সাতক্ষীরার তালায় শুভেচ্ছা উপহার বিতরণ

তালা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা তালা উপজেলায় বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে ১২ জন দুস্থ গর্ভবতী নারীর মাঝে শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করা হয়েছে।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে রবিবার উপজেলা পরিষদের হল রুমে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তারিফ- উল- হাসানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা ১ আসনের সংসদ এ্যাড. মুস্তফা লুৎফুলাহ( এমপি) তালা উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুরশিদা পারভীন পাপড়ি, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মহাবিদ্যালয় অধ্যক্ষ এনামুল ইসলাম, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রণব ঘোষ বাবলু।

বিশ্ব মা দিবস আজ। জন্মদাত্রী মা, যার কল্যাণে পৃথিবীতে আলোর মুখ দেখার সুযোগ হয় সন্তান দের । সেই মায়ের স্মরণে প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার ‘বিশ্ব মা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। যদিও মাকে ভালোবাসা-শ্রদ্ধা জানানোর কোনো দিনক্ষণ ঠিক করে হয় না, তবুও মাকে গভীর মমতায় স্মরণ করার দিন আজ।

উল্লেখ্য, সকালের মাঝে দুই কেজি পুলাওয়ের চাউল, ১কেজি তেল, ১ কেজি চিনি, ১ কেজি পেঁয়াজ, দুই প্যাকেট সেমাই, সাবান,ডাউল, লবণ ও কিসমিস সহ ১০ প্রকার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভুটানে করোনায় মৃত্যু কম যে কারণে

অনলাইন ডেস্ক : ছবির মতো সুন্দর দেশ। একদিকে পাহাড়, অন্যদিকে জঙ্গল। সরকার নয়, রাজাই এখনও সে দেশের শেষ কথা। মানুষের দৈনন্দিন জীবন থেকে শুরু করে হোটেলের ঘরের মাপ, সবই ঠিক হয় রাজদরবারে নেওয়া সিদ্ধান্তে। জিগমে ওয়াংচুকের আমলে ভুটান অনেক উন্নতি করেছে। দেশে ভারতের প্রভাব না চীনের প্রভাব বেশি, এই প্রশ্নের উত্তর যেমন বুদ্ধি করে সামলেছিলেন, তেমনই করোনা নিয়ন্ত্রণে দুই প্রতিবেশী দেশের তুলনায় অনেক বেশি সফল ভুটানের রাজা।

ভারতে তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। কিন্তু কোভিড মানচিত্রে অন্যতম বিরল দেশ ভুটান। সেখানে এখনও মৃতের সংখ্যা ১।
কোভিড সংক্রমণ শুরুর সময়ে রাজধানী থিম্পুর হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত এক যুবকের একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে মৃত্যু হয়। তারপর থেকে এ দেশে এক জনেরও করোনায় মৃত্যু হয়নি। দৈনিক সংক্রমণও আছে নিয়ন্ত্রণে। ভারতে যেখানে দৈনিক ৪ লাখের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন, সেখানে ভুটানে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১১। শুধু ভুটান নয়, পৃথিবীর একাধিক দেশ- ভিয়েতনাম, রাওয়ান্ডা, সেনেগাল- অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে করোনা সংক্রমণকে।

বিশেষজ্ঞদের দাবি, জনস্বাস্থ্যে বিশেষ জোর দেওয়ার কারণেই এই দেশগুলোতে করোনা তেমন করে কামড় বসাতে পারেনি।

ভুটানে রয়েছেন মোট ৩৩৭ জন চিকিৎসক, ৩ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী। তা-ও লড়াইয়ে প্রায় জয় নিশ্চিত করে ফেলেছে ভুটান। কারণ প্রশাসনিক পরিকল্পনা। ২০১৯-এর ৩১ ডিসেম্বর চীনে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। ভুটান করোনার বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে ২০২০-র ১৫ জানুয়ারি থেকে। শুরু হয় লক্ষণের ভিত্তিতে পরীক্ষা। মার্চ মাসের ৬ তারিখে ভুটানে প্রথম আক্রান্তের খবর মেলে। তার ৬ ঘণ্টা ১৮ মিনিটের মধ্যে আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা ৩০০ জনকে চিহ্নিত করে পরীক্ষা শুরু হয়। পাঠানা হয় নিভৃতবাসে।

এমন পরিকল্পনাই অনেকটা এগিয়ে দিয়েছে এই ছোট্ট দেশকে। দেশের প্রধান অর্থনীতি পর্যটন হওয়া সত্ত্বেও গত বছরের মার্চ থেকে কড়া হাতে বিদেশিদের আগমন বন্ধ করে ভুটান। প্রায় সমস্ত জিম, রেস্তোরাঁ, শপিং মল বন্ধ করে দেওয়া হয়। মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহারে করা হয় কড়াকড়ি। যারা বিদেশ থেকে এসেছিলেন, তাদের জন্য সরকারি খরচে থাকার ও খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। কোনও উপসর্গ দেখা দিলেই যাতে সঙ্গে সঙ্গে সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে যাওয়া যায়, তার ব্যবস্থাও করা হয়।

ভুটানে চালু করা হয় ১৪ থেকে ২১ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকার নিয়ম। যাতে সামান্যতম সংক্রমণেরও সম্ভাবনা না থাকে। বিপুল হারে পরীক্ষা শুরু করে ভুটান। আমেরিকা, ইংল্যান্ড এবং পশ্চিমী দুনিয়ার অনেক উন্নত দেশের থেকেও ভুটানের ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা বেশি সাফল্য পেয়েছে। আজ ভারত সহ করোনায় আক্রান্ত পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ করোনা নিয়ন্ত্রণের পাঠ নিতে পারে রাজার দেশ থেকে। কথায় বলে শেখার শেষ নেই। তাই বিশাল দেশ ভারত যদি ছোট্ট দেশ ভুটানের থেকে ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে শিক্ষা নেয়, তাতে খারাপ কী? সূত্র: জি নিউজ, নিউজ এইট্রিন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মমতার মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ৪৩

অনলাইন ডেস্ক : মন্ত্রিসভার পুরনো সঙ্গীদের ওপরই মূলত আস্থা রাখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইসঙ্গে একাধিক নয়া মুখকেও মন্ত্রিসভায় জায়গা করে দিলেন। খবর জিনিউজের।

সোমবার রাজভবনে তৃতীয় দফায় মমতা সরকারের ৩৪ জন পূর্ণমন্ত্রী শপথ নিতে চলেছেন। প্রত্যাশিত মতোই পূর্ণমন্ত্রী হচ্ছেন অমিত মিত্র। অবশ্যই সবথেকে নজরকাড়া পূর্ণমন্ত্রী হচ্ছেন অখিল গিরি। যিনি শুভেন্দু অধিকারীর গড়ে তৃণমূলের লিড ধরে রাখার অন্যতম কাণ্ডারী। তবে ঠাঁই পেলেন না মদন মিত্র।

মন্ত্রিসভায় নতুন সংযোজন- মানস ভুঁইয়া, হুমায়ুন কবীর ,অখিল গিরি, রত্না দে নাগ, বালুচিক বারিক, শিউলি সাহা, মনোজ তিওয়ারি ও বীরবাহা হাঁসদা। তালিকায় পূর্ণমন্ত্রী ২৪ ও প্রতিমন্ত্রী ১৯ রয়েছেন। এবং স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ১০ জন। সবমিলিয়ে ৪৩ জন শপথ নিতে চলেছেন।

দেখে নিন তালিকা
সুব্রত মুখোপাধ্যায়
পার্থ চট্টোপাধ্যায়
অমিত মিত্র
সাধন পাণ্ডে
জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক
বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা
মানস ভুঁইয়া
সৌমেন কুমার মহাপাত্র
মলয় ঘটক
অরূপ বিশ্বাস
উজ্জ্বল বিশ্বাস
অরূপ পায়
রথীন ঘোষ
ফিরহাদ হাকিম
চন্দ্রনাথ সিনহা
শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়
ব্রাত্য বসু
পুলক রায়
শশী পাঁজা
গুলাম রব্বানি
বিপ্লব মিত্র
জাভেদ আহমেদ খান
স্বপন দেবনাথ
সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী

স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী

বেচারাম মান্না
সুব্রত সাহা
হুমায়ুন কবীর
অখিল গিরি
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য
রত্না দে নাগ
সন্ধ্যারানি টুডু
বুলু চিক বারিক
সুজিত বোস
ইন্দ্রনীল সেন

প্রতিমন্ত্রী
দিলীপ মণ্ডল
আখরুজ্জামান
শিউলি সাহা
শ্রীকান্ত মাহাতো
ইয়াসমিন সাবিনা
বীরবাহা হাঁসদা
জ্যোৎস্না মান্ডি
অধিকারি পরেশ চন্দ্র
মনোজ তিওয়ারি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তসলিমা করোনা আক্রান্ত

অনলাইন ডেস্ক : করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ভারতে বসবাসরত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন। রোববার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এতথ্য জানান তিনি।

তসলিমা লিখেছেন, ‘আমি চিরকালই বড় দুর্ভাগা। এই যে গত বছরের মার্চ মাস থেকে একা আছি ঘরে, একখানা ইন্ডোর ক্যাট সঙ্গী, কোথাও এক পা বেরোলাম না, কাউকে ঘরে ঢুকতে দিলাম না, রান্না বান্না বাসন মাজা কাপড় কাচা ঝাড়ু মোছা সব একাই করলাম, কী লাভ হলো? কিছুই না। ঠিকই কভিড হলো।’

তিনি লিখেছেন, ‘গত এক বছরে শুধু একবার এক ঘণ্টার জন্য বাইরে বেরিয়েছিলাম, তাও দু’মাস আগে, টিকার প্রথম ডোজ নিতে। ওই ডোজটি কিছু অ্যান্টিবডি তৈরি করেছিল বলে হয়তো এ যাত্রা বেঁচে গেছি।’

তসলিমা ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমি চিরকালই বড় দুর্ভাগা। এক এক করে যদি লিখি কী কী ঘটেছে জীবনে, যা ঘটার কথা ছিল না, তাহলে তালিকা এত দীর্ঘ হবে যে পড়ে কেউ কূল পাবে না। আপাতত কভিড হওয়ার দুঃখটাই থাক। দুঃখ থাকাও হয়তো ঠিক নয়। কারণ ধীরে ধীরে আমি সুস্থ হয়ে উঠছি। কিন্তু হাজারো মানুষ, যারা সুস্থ হতে পারেনি! যারা শ্বাস নিতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছে কিন্তু পারেনি শ্বাস নিতে! দুঃখগুলো বরং তাদের জন্য থাক।’

বাংলাদেশি এই লেখিকা লিখেছেন, ‘এখন এইটুকু অন্তত ভালো লাগছে, এটি আর স্টিগমা নয় আগের মতো। কারো কভিড হলে সে লুকিয়ে রাখতো। কারণ কভিড হওয়াটা অনেকটা ছিল এইডস হওয়ার মতো। সমাজ ব্রাত্য করে দিত। এক বছরে এত মানুষকে ধরেছে এই কভিড যে স্টিগমাটা গেছে। কেউ আর বলতে দ্বিধা করেনা যে তার কভিড হয়েছে।’

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর আন্দোলনের মুখে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হন তসলিমা।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত ভারত। প্রতিদিনই দেশটিতে মৃত্যু ও আক্রান্তের রেকর্ড হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ৪ লাখ ৩ হাজার ৭৩৮ জন। মারা গেছে ৪ হাজার ৯২ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest