সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মুদি ও চায়ের দোকানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগডিবিসি নিউজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ: ডিবি হেফাজতে ইকবাল সোবহানভিডিও কন্টেন তৈরীর আড়ালে চাঁদাবাজী -ব্লাকমেইল-আলোচিত মামুন গ্রেফতারশ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদ

সাতক্ষীরায় সম্পত্তি থেকে জোরপূর্বক ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সদরের বকচরা গ্রামে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে দীর্ঘদিন ভোগদখলীয় সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল চেষ্টা এবং জোরপূর্বক ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে এক আইনজীবী সহকারি। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করনে বকচরা গ্রামের মৃত কওছার আলীর ছেলে কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, সদরের কাশেমপুর মৌজার, জে এল নং-৯৩, ১০৮৩ নং খতিয়ানে মোট ৭টি দাগে ৪৫৫ শতক জমির বৈধ মালিক ইছা খা ও ইউসুফ খা দিং। আমার পিতা কওছার আলী মন্ডল বিগত ২৬ এপ্রিল ১৯৮০ তারিখে ৫০০৬ নং কোবলা দলিল মূলে ৫ দাগের ৪০৪ শতক বিলান জমির মধ্যে ২৫ শতক এবং গত ইং ৩১ অক্টোবর ১৯৮৮ তারিখে ৭০৭১ নং কোবলা দলিল মূলে ৭ দাগে ৪৫৫ শতক জমির মধ্যে ২০ শতক জমি। যার এস এ প্রজা ইছা খান এবং ইউসুফ খা ও তাদের ওয়ারেশগণের নিকট হতে ক্রয় করেন। ২টি কোবলা দলিল মূলে ৭টি ৪৫ শতক জমি প্রাপ্ত হয়ে এস এ ৬০৯৬, ৬০২০, ৬১৪৫ ও ৪৯৭৭ নং দাগে আমার পিতা নিস্কন্ঠক ভোগদখলে থাকা অবস্থায় ৪পুত্র, ৩ কন্যা ও স্ত্রীকে রেখে ইন্তেকাল করেন। পিতার মৃত্যুর পর তার ওয়ারেশ হিসেবে আমরা ২০১০ সালে জমির মিউটেশন করে ১০৮৩/৪ খতিয়ান করে নামপত্তন করি। খাজনাদি পরিশোধ করি। উক্ত সম্পত্তি ৬০৯৬ ও ৬১৪৫ নং দাগের ২৫ শতক জমির মাঝখান দিয়ে বাইপাস সড়ক যাওয়ার কারনে একই এলাকার বাবুর আলী ঢালীর পুত্র চাঁদাবাজ আমজেদ আলী কৌশলে আমাদের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের ষড়যন্ত্র করতে থাকে। এর জের ধরে আমাদের সম্পত্তিতে সীমান প্রাচীর নির্মাণসহ উন্নয়ন কাজের জন্য ইট,বালু, রড, বাঁশ তক্তাসহ কিছু সরঞ্জাম রেখেছিলাম। কিন্তু আমজেদ বাহিনীর লোকজন আমার উক্ত সরঞ্জাম নিয়ে যায়। আমি বিষয়টি জানতে পেরে আদালতে একটি চুরির মামলা দায়ের করি। যার বিচারিক কার্যক্রম চলমান। আমজেদ আলী এলাকার চিহ্নিত লাঠিয়াল বাহিনীর প্রধান হিসেবে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদকের মামলা রয়েছে। আমজাদ বাহিনীর সদস্যরা হলেন, বকচরা গ্রামের রাজ্জাক আলী, শওকত ঢালী, কাশেমপুর গ্রামের আব্দুর রব দালাল, আব্দুর রহমান দালাল, ফজলুর রহমান। আমি গত ৩ এপ্রিল‘২১ তারিখে ৬০৯৬, ৬১৪৫ ও ৪৯৭৭ নং দাগের জমিতে গিয়ে ইরি ধানের চাষের আগাছা পরিস্কার করতে থাকলে আমজেদ বাহিনীর লোকজন আমার কাছে ১লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে উক্ত জমি দখল ও ইরি ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছে। এছাড়া গত ১৩ এপ্রিল‘২১ তারিখ সকালে ৪৯৭৭ দাগের সম্পত্তি নিয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পিটিশন ৬০৮/২১ নং মামলা চলমান থাকা অবস্থায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি থেকে জোরপূর্বক ধান কেটে নিয়ে যায়। আমরা বাধা দিতে গেলে জীবন নাশের হুমকি দেয় আমজেদ বাহিনীর লোকজন। তিনি আমজেদ বাহিনীর কবল থেকে পৈত্রিক সম্পত্তি রক্ষা এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃৃতিতে জেলা আ’লীগ নেতৃবৃন্দের শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে মুজিবনগর দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার সকালে খুলনা রোড মোড়স্থ বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।
শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আবু আহমেদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. ওসমান গনি, শিক্ষা ও মানব সম্পাদক বিষয়ক সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতি, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক শামীমা পারভীন রতœা, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা: সুব্রত ঘোষ, জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য এড. সৈয়দ জিয়াউর রহমান, শিমুল সামস্, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রশিদ, শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদ পৌর শাখার সভাপতি নুরুল হক, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি বশির আহমেদ, = সহ সদর উপজেলা ও পৌর আ’লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ঐতিহাসিক এই দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: নজরুল ইসলাম বলেন, আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী। দিনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অন্যতম একটি অবিস্মরণীয় দিন। আজ থেকে ৫০ বছর আগে ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলার আ¤্রকাননে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে। রচিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের নতুন ইতিহাস।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এর তিন সপ্তাহ পর বৈদ্যনাথতলা নামে পরিচিত ঐ বিশাল আমবাগান এলাকাকেই পরে ‘মুজিবনগর’ নাম দিয়ে বাংলাদেশের অস্থায়ী রাজধানী ঘোষণা করা হয়েছিল। বাংলাদেশকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দখলমুক্ত করতে মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বেই পরিচালিত হয় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ। মুজিবনগর সরকারের দক্ষ নেতৃত্ব ও পরিচালনায় ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিণতিতে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ব মানচিত্রে বাঙালির নিজস্ব আবাসভূমি স্বাধীন-সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

১৭.০৪.২১

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় দিনে একই সংখ্যক মৃত্যু হলো।

মৃতদের মধ্যে ৬৯ জন পুরুষ ও ৩২ জন নারী। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ২৮৩ জন।

একই সময়ে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৪৭৩ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৭ লাখ ১৫ হাজার ২৫২ জন।

একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৯০৭ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৬ লাখ ৮ হাজার ৮১৫ জন।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন মৃত্যুবরণকারী ১০১ জনের মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯৯ জন ও বাসায় দুজনের মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে বিশোর্ধ তিনজন, ত্রিশোর্ধ্ব তিনজন, চল্লিশোর্ধ্ব আটজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ২৯ জন এবং ষাটোর্ধ ৫৮ জন।

একই সময়ে বিভাগওয়ারি দেখা গেছে, মৃত ১০১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৬৭ জন, চট্টগ্রাম ২৩ জন, রাজশাহীতে দুজন, খুলনায় তিনজন, বরিশালে একজন, সিলেটে দুজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে তিনজন।

একই সময়ে দেশের সরকারি ও বেসরকারি ২৫৭টি ল্যাবরেটরিতে ১৫ হাজার ৪১৩টি নমুনা সংগ্রহ ও ১৬ হাজার ১৮৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষায় ৩ হাজার ৪৭৩ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৪৬ শতাংশ। একই সময় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ১২ শতাংশ।

এর আগে গতকাল শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) করোনায় ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আর ৪ হাজার ৪১৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চট্টগ্রামে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে নিহত ৫

অনলাইন ডেস্ক : চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে পাঁচ জন নিহত ও অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। আজ শনিবার সকাল ১১টার দিকে বেতন-ভাতার দাবিতে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাইদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘আজ সকালে বেতন-ভাতা নিয়ে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প কর্মকর্তাদের সঙ্গে শ্রমিকদের তর্ক হয়। এক পর্যায়ে প্রকল্প কর্মকর্তারা থানায় জানান। পুলিশ এলে শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। শ্রমিকদের পাশাপাশি এলাকাবাসীও সংঘর্ষে যোগ দেয়।’

বিদ্যুৎকেন্দ্রের শ্রমিক মেহেদী হাসান উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ আমাদের বেতন-ভাতা সময় মতো না দেওয়ায় আমরা বিক্ষোভ করছি। পুলিশের গুলিতে অনেক শ্রমিক আহত হয়েছে।’

বাঁশখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘সংঘর্ষের পুলিশের গুলিতে চার শ্রমিক নিহত হয়েছেন। চার পুলিশ সদস্যও গুরুতর আহত হয়েছেন।’

চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বকেয়া বেতনের দাবিতে গতকালও গণ্ডামারা ইউনিয়ন এলাকায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেছে। এই বিষয়ে বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু শ্রমিকরা বিক্ষোভের এক পর্যায়ে আজ হামলা চালিয়েছে। শ্রমিকরা পুলিশের ওপর হামলা চালালে পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়। এতে চার শ্রমিক নিহত হয়েছে। তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরে প্রায় ৫০ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করে।’

পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, নিহত শ্রমিকরা হলেন— রনি, মো. রাহাদ, শুভ ও মাহমুদ রেজা।

চট্টগ্রাম মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফয়সাল কবির রোজার্স বলেন, ‘এ পর্যন্ত আমরা পেয়েছি ১৪ জনকে। এর মধ্যে একজন আছেন রায়হান নাম, আমাদের মনে হচ্ছে তিনি মারা গেছেন। বাকি যে ১৩ জন আছেন তাদের চিকিৎসা চলছে। গুলিবিদ্ধ ছাড়াও অনেক ধরনের ইনজুরি আছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে আমেরিকা প্রবাসী বিজ্ঞানীর বাড়িতে ডাকাতি !

শ্যামনগর প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের আবাদ চন্ডিপুর গ্রামে শনিবার রাতে ডাকাতি হয়েছে। আমেরিকা প্রবাসী বাঙালি অণুজীব বিজ্ঞানী ডঃ আবু সিদ্দিকীর গ্রামের বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতরা বাড়ি থেকে ২৪ ভরি সোনার গহনা, নগদ ৩ লাখ টাকা ও জমির দলিলপত্র লুট করে নিয়ে যায়।
ডাকাতির সময় হাজী আশরাফ আলীর বড় ছেলে আব্দুস সাত্তার বাড়িতে ছিলেন। তিনি জানান, শুক্রবার রাত ১২ টার পরে মুখোশ পরা পাঁচজন ডাকাত তাদের বাড়ির পশ্চিম দিকের পুরনো ভবনের কাঠের জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর অস্ত্রের মুখে তাদের তিনজনকে জিম্মি করে একটি অন্ধকার ঘরে আটকে রাখে। এ সময় ডাকতরা বাড়ির কোথায় কী আছে জানতে চায়। একপর্যায়ে বাড়ির সবকিছু তছনছ করে ডাকাতরা। তারা চারটি আলমারি, দুইটি ওয়ারড্রপ, স্টিলের ড্রাম ভেঙে সেখান থেকে জমির সকল দলিলপত্র, নগদ ৩ লাখ টাকা এবং ২৪ ভরি সোনার গহনা লুট করে ডাকাতরা পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) কাজী শহীদুল হকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান। এ ঘটনার তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন কাজী শহিদুল হক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দরজা ভেঙে অধ্যাপক তারেক শামসুর রেহমানের লাশ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. তারেক শামসুর রেহমান মারা গেছেন।

শনিবার উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রোজেক্টে নিজের ফ্ল্যাটে মৃত অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়।

এ সময় বাসায় কেউ ছিলেন না। পুলিশ দরজা ভেঙে তার লাশ উদ্ধার করে। তার মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি।

রাজউকের উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রোজেক্টের প্রকল্প পরিচালক মো. মোজাফফর আহমেদ তার মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক সদস্য তারেক শামসুর রেহমান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন।

আন্তর্জাতিক রাজনীতি, আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক ও বৈদেশিক নীতি এবং তুলনামূলক রাজনীতি নিয়ে তার একাধিক গ্রন্থ রয়েছে।

অআন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রির অধিকারী অধ্যাপক রেহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

অধ্যাপনার পাশাপাশি ড. রেহমান নিয়মিত কলাম লিখতেন। প্রায় প্রতিটি জাতীয় দৈনিকে তার কলাম নিয়মিত ছাপা হতো।

তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরাক যুদ্ধ পরবর্তী আন্তর্জাতিক রাজনীতি, গণতন্ত্রের শত্রু-মিত্র, নয়া বিশ্বব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি, বিশ্ব রাজনীতির চালচিত্র, উপআঞ্চলিক জোট, ট্রানজিট ইস্যু ও গ্যাস রফতানি প্রসঙ্গ, বাংলাদেশঃ রাষ্ট্র ও রাজনীতি, বাংলাদেশঃ রাজনীতির ২৫ বছর, বাংলাদেশঃ রাজনীতির চার দশক, গঙ্গার পানি চুক্তিঃ প্রেক্ষিত ও সম্ভাবনা, সোভিয়েত-বালাদেশ সম্পর্ক, বিশ্ব রাজনীতির ১০০ বছর ইত্যাদি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্বাস্থ্য খবর : করোনাভাইরাস প্রধানত বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞদের একটি টিম এ বিষয়ে শক্তিশালী প্রমাণ পেয়েছেন। ব্রিটিশ চিকিৎসাবিষয়ক ম্যাগাজিন দ্য ল্যানচেটে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই ওই প্রতিবেদনকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, করোনার এসএআরএস-কোভ-২ বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার এমন সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং দৃঢ় প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এর ফলে জনস্বাস্থ্যবিষয়ক যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয় চিকিৎসার জন্য, তা ব্যর্থ হয়। বলা হয়েছে- এসব ব্যর্থতার কারণ বাতাস থেকে ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া। এ অবস্থায় মানুষ অনিরাপদ হয়ে পড়ে এবং ভাইরাসের ব্যাপক বিস্তার ঘটে। এমনটা বলেছেন, ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিজ্ঞানীরা।

কো-অপারেটিভ ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস (সিআইআরইএস) এবং ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডো বৌলডারের এক রসায়নবিদ হোসে লুইস জিমেনেজ বলেছেন, বাতাসের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পক্ষে বড় ধরনের তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে। বড় বড় ড্রপলেট বা হাঁচি কাশির যেসব বিন্দু আকারে জলীয়বাষ্প বেরিয়ে যায়, তার মাধ্যমে এই সংক্রমণ ছড়ানোর পক্ষে প্রমাণ কম। তিনি দাবি করেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও অন্য স্বাস্থ্যসেবাবিষয়ক এজেন্সিকে সংক্রমণ বিষয়ে বিজ্ঞানসম্মত বর্ণনা প্রচার করা খুব জরুরি। এ ধরনের প্রচার করলে বাতাসের মাধ্যমে সংক্রমণ কমিয়ে আনা যায়। গবেষণা দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ডের তৃষ গ্রিনহাফ। তার নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞরা গবেষণা পর্যালোচনা শেষে তা প্রকাশ করেছেন এবং বাতাসের মাধ্যমে যে এই ভাইরাস প্রধানত ছড়ায়, তার পক্ষে যুক্তি হিসেবে ১০টি পয়েন্ট উত্থাপন করেন। এর শীর্ষে রয়েছে স্কাগিট চোইর প্রাদুর্ভাবের মতো সুপার স্প্রেডার। এতে একজন মাত্র আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে ৫৩ জন আক্রান্ত হতে পারে। ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, অভিন্ন কোনো তল স্পর্শ করা বা অন্য কোনো কিছুর মাধ্যমে এই সংক্রমণ ব্যাখ্যা করা যায় না। উপরন্তু করোনা ভাইরাস সংক্রমণ অধিক হারে ইনডোর বা আবদ্ধ ঘরের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার হার বেশি। ঘরের বাইরে বা আউটডোরে এই সংক্রমণের হার কম। ফলে ইনডোরে ভেন্টিলেশন বা বাতাস যাতায়াতের পথ খোলা রাখার মাধ্যমে এ সংক্রমণকে অনেকাংশে কমিয়ে রাখা যায়।

গবেষণায় দেখা গেছে, নীরব সংক্রমণে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি থেকে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমনভাবে আক্রান্ত হওয়ার শতকরা হার মোট সংক্রমণের মধ্যে শতকরা কমপক্ষে ৪০ ভাগ। বিশ্বজুড়ে এই নীরব সংক্রমণ করোনা ছড়িয়ে পড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। হোটেলে পাশাপাশি রুমে অবস্থানকারী মানুষদের ওপর গবেষণা করা হয়েছে এসব বিষয়ে।

হোটেলের যেসব মানুষ করোনায় আক্রান্ত হননি বা তাদের মধ্যে কখনো লক্ষণ দেখা যায়নি- এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে এই ভাইরাসও ছড়ায়। পক্ষান্তরে এ টিম বড় বড় ড্রপলেটের মাধ্যমে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পক্ষে খুব কমই প্রমাণ পেয়েছে। এসব ড্রপলেট দ্রুতই বাতাসে মেশে এবং তলকে সংক্রমিত করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে করোনা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু

বিদেশের খবর : ভারতের লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু। গত তিন ধরেই দেশটিতে দৈনিক করোনা সংক্রমণ দু’লাখ ছাড়িয়ে যাচ্ছে এবং প্রতিদিনই তা বাড়ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৯২ জন। সংক্রমণ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দেশটিতে দৈনিক মৃত্যুও লাফিয়ে বাড়ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৩৪১ জনের। একদিনে মৃত্যুর হিসাবে যা সর্বোচ্চ। গত বছর ১৬ সেপ্টেম্বর মারা গিয়েছিল ১ হাজার ২৯০ জন। এই সংখ্যা এতদিন সর্বোচ্চ ছিল। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শনিবার ছাপিয়ে দিল সেই সংখ্যাকে।

করোনাভাইরাস ভারতে এখন পযর্ন্ত প্রাণ কেড়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৬৪৯ জনের।

মহারাষ্ট্র ছাড়াও দেশটির বেশ কয়েক জায়গায় দৈনিক সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। তাদের মধ্যে প্রথম সারিতে রয়েছে উত্তরপ্রদেশে, দিল্লি, ছত্তীসগঢ়, কর্নাটক, কেরালা, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, হরিয়ানা, পাঞ্জাব। সূত্র: আনন্দবাজার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest