সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তৃণমূল নারী সুরক্ষা ফোরামের সম্মেলনচৈতালী মুখার্জির কণ্ঠে কালজয়ী গানের মূর্ছনা, মুগ্ধ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রউপজেলা সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের সমন্বয় সভাশ্যামনগরে গাছ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুসাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরা

শিবমন্দিরে শত মুসল্লির নামাজ আদায়

ভারতের উত্তর প্রদেশের বুলান্দশহর জেলার একটি শিবমন্দিরে জোহরের নামাজ আদায় করেছেন প্রায় ১০০ মুসল্লি। ভারতের সংবাদমাধ্যম ডেকান ক্রনিকল এ খবর প্রকাশ করেছে।

ধর্মীয় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে তারা জ্যামে আটকে যান। এদিকে জোহরের নামজের সময় হয়ে যায়। সেখানেই নামাজ আদায়ের জন্য উপযুক্ত জায়গা খুজতে থাকেন তারা। ওই মুসল্লিদের অবস্থা উপলব্ধি করে এগিয়ে আসেন স্থানীয়রা। তারা একটি শিবমন্দিরের দরজা খুলে দেন। সেটিকে নামাজ পড়ার জন্য প্রস্তুত করতেও সাহায্য করেন তারা। পরে মুসল্লিদের মাঝে মিষ্টি ও পানি বিতরণ করা হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, কে কোন ধর্মের তা বিষয় নয়। সবারই নিজ নিজ ধর্মপালনের স্বাধীনতা আছে। মুসলিমরা আমাদের ভাই। তাদের সাহায্য করতে পেরে ভালো লাগছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রেক্সিট নিয়ে হারের হ্যাট্রিকে টেরেসা

একই দিনে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে ব্রেক্সিট ইস্যু নিয়ে পর পর তিনটি প্রস্তাবে হেরে গেলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হওয়া খসড়া ব্রেক্সিট চুক্তির পক্ষে সমর্থন জোটাতে মঙ্গলবার টেরেসা হাউজ অব কমনসে প্রস্তাবটি উপস্থাপন করেন।

এমপিরা ইতোমধ্যেই বেক্সিট চুক্তিটি নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। তার ওপর হাউজ অব কমনসের সামনে প্রস্তাবটির সারসংক্ষেপ প্রকাশ করায় আরও ক্ষেপে যান তারা। আইনি পরামর্শের সম্পূর্ণটা ইস্যু না করাকে পার্লামেন্টের অবমাননা বলে মন্তব্য করেছেন তারা।

পার্লামেন্ট অবমাননা খুবই গুরুতর অভিযোগ। তাই টেরেসা সরকারের মন্ত্রীরা বাধ্য হয়ে ইইউর সঙ্গে চুক্তির ওপর সরকারের পূর্ণাঙ্গ আইনি সুপারিশ প্রকাশ করতে রাজি হয়েছেন।

ব্রেক্সিট চুক্তি অনুমোদনের আগে ক্যাবিনেটে যে আইনি সুপারিশ উপস্থাপিত হয়েছে তার পুরো তথ্য খোলাসা করার প্রক্রিয়া শুরুর জন্য ২৯৩ ভোটের বিপক্ষে ৩১১ ভোটে হাউজ অব কমনস সমর্থন জানায়।

শুধু তাই নয়, আগামী মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবিত চুক্তির ওপর চূড়ান্ত ভোটাভুটি হওয়ার কথা। সেই ভোটে খসড়া চুক্তিটি বাতিল হলে কী করা হবে, সেখানে হাউজ অব কমনস সরাসরি বক্তব্য দিতে পারবে – টেরেসার প্রস্তাবের বিরুদ্ধে গিয়ে এই সিদ্ধান্তের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন বেশিরভাগ এমপি।

এ ব্যাপারে শুনানি ও বিতর্কের এক পর্যায়ে কড়া ভাষায় তর্ক বেঁধে যায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এমপিদের।

এ নিয়ে হাউজ অব কমনসে ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে আসা বা ব্রেক্সিট প্রক্রিয়ার খসড়া প্রস্তাব নিয়ে তৃতীয়বারের মতো এমপিদের সিদ্ধান্তের কাছে হেরে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

তবে টেরেসা বলেছেন, ২০১৬ সালের ব্রেক্সিট গণভোটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন এমপিদের দায়িত্ব এবং তার জন্য প্রস্তাবিত চুক্তিটিতে সমর্থন দেয়া তাদের ‘সম্মানজনক আপোস’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিজের ভাস্কর্যের সামনে হিরো আলম

হিরো আলম মানেই আলোচনা-সমালোচনা। এবার সেখানে আরেকটু ঘি দিলেন হিরো আলম।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের এক শিক্ষার্থী তৈরি করছেন হিরো আলমের আবক্ষ ভাস্কর্য। ইতোমধ্যে ভাস্কর্যের কাজ অনেকটা এগিয়ে গেছে। আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম নিজেই মঙ্গলবার দুপুরে জগন্নাথ হলে নিজের প্রকৃতি দেখে এসেছেন।এ প্রসঙ্গে আপ্লুত হিরো আলম বলেন, আমি শুনেছি গতকাল। এমনকী আমাকে ভাস্কর্যের ছবিও পাঠানো হয়েছে কিন্তু বিশ্বাস হয়নি। তাই নিজেই চলে এসেছি দেখতে। আমি অবাক হয়েছি আমার নিজের ভাস্কর্য দেখে। ‘

জানা গেছে, চারুকলার শিক্ষার্থী ও জগন্নাথ হলের আবাসিক ছাত্র উত্তম কুমার নিজ আগ্রহে ভাস্কর্যটি তৈরির উদ্যোগ নেন। ভাস্কর্যটি কোথায় স্থাপন করা হবে, আদৌ স্থাপন করা হবে কি না তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি।

তবে আপাতত জগন্নাথ হলে নিজের কাছেই ভাস্কর্যটি রাখবেন বলে জানান উত্তম কুমার।উত্তম কুমার বলেন, আশরাফুল আলমের ভাস্কর্য নির্মাণ করে শুধু সম্মান ও ভালোবাসাই প্রদর্শন করিনি, সকল শিল্পী সমাজকেও সম্মানিত করেছি এই শিল্পকর্ম নির্মাণের মাধ্যমে। জনাব আলম চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন, অবৈধ অর্থে আমির হয়ে নিজেকে অনেক বড় বলে কল্পলোকের বাসিন্দা হওয়া যায়, কিন্তু একজন শিল্পীর ভালোবাসা পেতে হলে তাকে প্রকৃত মানুষ হতে হয়। এ দেশে প্রকৃত মানুষের সমাজ প্রতিষ্ঠিত হোক।

সম্প্রতি সংসদ নির্বাচন করার জন্য হিরো আলম বগুড়া ৬ আসন থেকে মনোনয়ন পত্র ক্রয় করে দাখিল করে দেশব্যাপী নতুন করে আলোচনায় আসেন। কিন্তু ত্রুটির কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। অবশ্য তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গাঁজা চাষে প্রচুর চাকরি, জনবল খুঁজছে কানাডা

৯৫ বছর ধরে কানাডায় নিষিদ্ধ ছিল গাঁজা। তবে কয়েক মাস আগে দেশটি গাঁজা বৈধ করেছে। তাই দেশটির বিভিন্ন বিভিন্ন জায়গায় গ্রিনহাউস তৈরি করে গাঁজা চাষ করার প্রবণতা বেড়েছে। কিন্তু চাষের জন্য উপযুক্ত কর্মী নেই সেখানে। তাই দক্ষ জনবল খুঁজছে কানাডা।

কানাডায় পাঁচ বছর ধরে গাঁজা চাষ বৈধ হয়েছে। এবং দেশটিতে গাঁজা বৈধ করার পর এর চাষেরও বেড়েছে ব্যাপক চাহিদা। কিন্তু দক্ষ কর্মী পাচ্ছে না দেশটি।

বৈধভাবে গাঁজা চাষ করে এমন এক কোম্পানির প্রধান নির্বাহী অফিসার ন্যুফেবাহ জানিয়েছেন, ‘গরমকালে যখন গরম ও আর্দ্রতা চরমে থাকে তখন গ্রিন হাউসের মধ্যে কাজ করা খুবই কষ্টকর। ঠান্ডা হাওয়া চালিয়ে আমরা গরম কম করার চেষ্টা করি। কিন্তু জুলাই-অগস্টে পরিস্থিতি খুবই কষ্টকর।

কানাডার প্রত্যেকটি কোম্পানিতে প্রায় একই সমস্যা দেখা দিয়েছে। ২০১৭ সাল অবধি কানাডার লাইসেন্স প্রাপ্ত গাঁজা চাষ করা কোম্পানিগুলো আড়াই হাজার কর্মী নিয়োগ করেছিল।

কানাডার বিএমও ক্যাপিটাল মার্কেটের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় অবধি প্রায় সাড়ে তিন হাজার লোকের দরকার ছিল। সে দেশের লাইসেন্স প্রাপ্ত সবথেকে বড় কোম্পানি ক্যানোপি গ্রোথ কর্পোরেশনের ১ হাজার ২০০টি চাকরির পদ খালি পড়ে রয়েছে।

বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কানাডার গাঁজা চাষ করা প্রথম আটটি বড় কোম্পানি প্রায় ১ হাজার ৭০০ কর্মীকে নিয়োগ করবে।

দেশটির একটি ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা জানায়, গাঁজা চাষ বৈধ হওয়ায় আগামী দিনে গাঁজা নিয়ে গবেষণা, নিষ্কাষণ ও ওইজাত দ্রব্য তৈরির জন্য প্রচুর লোক নিয়োগ করতে হবে। গাঁজা চাষ এবংসেই সম্পর্কিত শিল্পের বিস্তার আগামী এক বছরে প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার লোককে চাকরির ব্যবস্থা করবে। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘খুব সম্ভবত বিশ্বকাপ পর্যন্তই আমার ক্যারিয়ার বাকি’

সংবাদ সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা ছিল দুপুর ১টায়। মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা এলেন নির্ধারিত সময়ের ৪০ মিনিট পর। এসেই মেটালেন উপস্থিত সাংবাদিকদের মনের খোরাক। প্রায় আধাঘণ্টা ধরে চলা সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই ইঙ্গিত দিলেন ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পরেই ইতি ঘটতে চলেছে বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়কের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের!

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-২ আসনে আওয়ামী লিগের হয়ে নৌকা মার্কায় নির্বাচন করবেন মাশরাফী। তার নির্বাচনে অংশ নেয়ার সংবাদ রটতেই পুরো দেশের মানুষের মধ্যে শুরু হয়েছে মিশ্র অনুভূতি। ‘১৬ কোটি মানুষের মাশরাফী কেন এখন নির্দিষ্ট এক দলের?’-এমন প্রশ্নও যেমন মানুষের মুখে মুখে, তেমনি ‘সাংসদ নির্বাচিত হলে কী মাঠের খেলায় কী দেখা যাবে ম্যাশকে’, আছে এমন জিজ্ঞাসাও।

মাশরাফী এলেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের গেটের কাছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য নির্মিত সামিয়ানার নীচে সাংবাদিকদের মাধ্যমে উত্তর দিলেন পুরো বাংলাদেশের মানুষের প্রশ্নের, ‘প্রথমত আমি বিশ্বকাপ পর্যন্তই চিন্তা করছিলাম। আর ৭-৮ মাস পর্যন্ত সময় আছে। হয়তো খুব শিওর বিশ্বকাপ পর্যন্তই আমার ক্যারিয়ার বাকি আছে। এরপর সাড়ে চার বছর পর্যন্ত যদি ক্যারিয়ার শেষ হয় তাহলে দেশের জন্য কাজ করতে পারবো। আমি জানি না কী করতে পারবো। আমার একটা সুযোগ আছে যেটা আমি খুব উপভোগ করি সবসময়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে একটা সুযোগ দিয়েছেন আমার এলাকার কাজ করার। সেখান থেকেই মনে হয়েছে ৭-৮ মাস পরে তো আর জাতীয় নির্বাচন হবে না। সে বিবেচনায় সুযোগটা নেয়া।’

সংবাদ সম্মেলনে বারবার বলেছেন ম্যাশ, শেষের ডাক শুনতে পাচ্ছেন। এই ডাকটা আরও একবার শুনতে পেয়েছিলেন। ২০১১ সালে। সেবার ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ খেলতে না পারায় অনেকেই ভেবেছিলেন ক্যারিয়ারের ইতি ঘটতে চলেছে মাশরাফী নামের এক লড়াকু যোদ্ধার। সব জল্পনায় দাড়ি টেনে ঠিকই ফিরেছিলেন মাশরাফী। ক্যারিয়ার লম্বা করেছেন আরও ৭ বছর। যদি সাংসদ নির্বাচিত হয়েই যান আর শরীর-মন সায় দেয় তাহলে ক্যারিয়ার নিয়ে সিদ্ধান্ত আবারও বিবেচনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

‘আমি বলেছি বিশ্বকাপ পর্যন্তই আমার মাইন্ডসেট আপ ছিল। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পর্যন্তই লক্ষ্য ছিল, মনে হয়েছিল আমি আর পারবো না। এরপর আমার পারফরম্যান্স আর ফিটনেস বিবেচনায় বিশ্বকাপ পর্যন্ত খেলার চিন্তা করেছি। আবারও বলছি বিশ্বকাপ পর্যন্তই আমার মাইন্ডসেটআপ। তারপর আমার সামনে সুযোগ থাকছে পুনরায় বিবেচনার। আর যদি সে বিবেচনায় না থাকি তাহলে আমাকে সরে আসতে হবে। আর যদি থাকি তাহলে অবশ্যই চেষ্টা করবো। অবশ্য এর আগেও অনেক কিছু হতে পারে। ২০১১ সালের পর ৫০ শতাংশ লোকই ভেবেছিল আমার ক্যারিয়ার হয়তোবা শেষ। এরপরও আমি ৭ বছর টানতে পেরেছি।’

বিশ্বকাপের পরেই ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ইতি টানলে মাশরাফী ঘরের মাঠে পাচ্ছেন আর একটি সিরিজ। সেটি ৯ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ। ১৪ ডিসেম্বরের পর থেকে পুরোপুরি মন দেবেন নির্বাচনের মাঠে। শেষবারের মত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে স্বাগতিক দর্শকদের মুখোমুখি হওয়া নিয়ে খুব ভাবনার কথা অবশ্য বললেন না টাইগারদের ওয়ানডে অধিনায়ক।

‘যদি দেশের মাটিতে শেষ সিরিজ ধরেন তাহলে আমার কাছে আগের সিরিজও যেমন ছিলো এটাও তেমন। আমার শুরু-শেষ নিয়ে কিছু আসবে যাবে না। এ নিয়ে কখনো ভাবিনি, এখনো ভাবিনা। তবে অবশ্যই সিরিজটা জিততে চাই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সোয়া শ’ বছরে ম্যানসিটিই প্রথম

উড়েই চলছে ম্যানচেস্টার সিটি। মঙ্গলাবার রাতেও ওয়াটফোর্ডকে ২-১ গোলে হারিয়েছে তারা। দ্বিতীয়স্থানে থাকা লিভারপুলের চেয়ে পরিষ্কার পাঁচ পয়েন্টে থেকে এদিন আবার ১২৫ বছরের এক রেকর্ড গড়েছে পেপ গার্দিওলার দল।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ওয়াটফোর্ডের ঘরের মাঠে সিটির হয়ে গোল করেন লিরয় সানে ও রিয়াদ মাহারেজ। ১১ মিনিটের ব্যবধানে হওয়া ওই দুই গোলই ম্যাচের ফলাফল গড়ে দেয়। শেষ দিকে একটি গোল শোধ করলেও ওয়াটফোর্ডের টানা তৃতীয় হার এড়ানো জন্য তা যথেষ্ট ছিল না।

ম্যাচের ৪০ মিনিটে প্রথম গোল করেন জার্মান তারকা সানে। আর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে (৫১) মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আলজেরীয় সুপারস্টার মাহারেজ। স্বাগতিকদের হয়ে ৮৫ মিনিটে একমাত্র গোলটি করেন ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড আবদুল্লা ডাকোর। এটি সিটির টানা সপ্তম জয়, আর চলতি মৌসুমে লিগে ১৫ ম্যাচে ১৩তম জয়। একটি ম্যাচও হারেনি গার্দিওলার শিষ্যরা। দুটি ম্যাচে ড্র করে আগুয়েরো-জেসুসরা।

প্রতি ম্যাচেই নিজেদের গোল করার স্টাইলটা ধরে রাখছে ম্যানসিটি। তাদের গোল গড় ৩। ১৫ ম্যাচে তারা প্রতিপক্ষের জালে বল জড়িয়েছে ৪৫বার। হজম করেছে মাত্র ৭ গোল।

প্রথম ১৫ ম্যাচে ৩৮’র বেশি গোলই যেখানে রেকর্ড। সেখানে সিটি করেছে ৪৫ গোল। গত ১২৫ বছরে এই রেকর্ডের কাছেও যেতে পারেনি অন্য কোনো দল।

গোলের এরকম কোনো রেকর্ডের ছোট ছবি দেখতে হলে তাকাতে হবে অনেক পেছনে। অন্তত ১৮০০ শতকের দিকে। ১৮৯২-৯৩ মৌসুমে ১৫ ম্যাচে ৩৯ গোল করেছিল সান্দারল্যান্ড।

চলতি মৌসুমে প্রতিটি প্রতিপক্ষের মাঠেই গোল করেছেন ম্যানসিটি ফরোয়ার্ডরা। তাই ওয়াটফোর্ড ম্যাচে সানে-মাহারেজের গোল কোনো বিস্ময়ই ছিল না। মঙ্গলবারও প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়ে কোচের আস্থার প্রতিদান দেন সানে। সবশেষ পাঁচ ম্যাচের পাঁচটিতেই গোল করলেন জার্মান উইংগার। আর লেস্টার সিটির সাবেক তারকা মাহারেজ ওয়াটফোর্ডের বিপক্ষে টানা ছয় ম্যাচে গোলের দেখা পেলেন। যদিও প্রিমিয়ার লিগের অন্যদলগুলো তাকে কখনোই এই সুযোগ দেয়নি।

সবধরনের প্রতিযোগিতায় ওয়াটফোর্ডের বিপক্ষে সবশেষ ৯ ম্যাচের প্রতিটিতে অন্তত দুটি করে গোল করল ম্যানসিটি। এই ৯ ম্যাচের সবগুলোতেই জয় পেয়েছে তারা। এই ৯ ম্যাচে আবার ওয়াটফোর্ডের জালে বল জড়িয়েছে ২৯বার। বিপরীতে খেয়েছে মাত্র ৫টি।

এই জয়ের পর ১৫ ম্যাচে শীর্ষে থাকা ম্যানসিটির পয়েন্ট ৪১। এক ম্যাচ কম খেলে দ্বিতীয়স্থানে থাকা লিভারপুলের পয়েন্ট ৩৬। ১৪ ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে তিনে চেলসি। আগামী শনিবার এই চেলসির বিপক্ষেই আগুনে ম্যাচে মাঠে নামবে ম্যানসিটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাজারের একমাত্র আকর্ষণ সাইফ আলি খান

নবাগত গৌরব কে. চাওলা পরিচালিত থ্রিলার ছবি ‘বাজার’ মূলত স্টক মার্কেট কেন্দ্রিক ছবি। ছোট শহরের একটি ছেলে নিজের রোল মডেল কর্পোরেট সম্রাটের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছায় খুব অল্প বয়সে মুম্বাই চলে আসে। এরপর থেকেই শেয়ার বাজারের ওঠানামার মতোই গল্পে বিভিন্ন ঘটনার ঘাতপ্রতিঘাতে চরিত্রদের ওঠানামা শুরু হয়।

সাইফ আলি খানের দুর্দান্ত অভিনয় ছবির মূল আকর্ষণ হলেও স্টোরিলাইন সহজেই অনুমান করে ফেলে দর্শক। দালাল স্ট্রিটের জর্ডন জিকো রূপে সাইফ আলি খান ছবির সূক্ষ্ম মুহূর্তগুলোকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি একটা মুখোশের আড়ালে নিজেকে ঢেকে রেখেছেন কিন্তু সেই মুখোশ খসে প্রায়ই তার আসল চেহারা সকলের সামনে ভেসে উঠেছে। তার অভিনয় দক্ষতায় সুন্দরভাবে এগিয়ে গেছে বাজারের গল্প।

কিন্তু সাইফ আলি খানের দুর্দান্ত অভিনয়ও বাজারের প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারেনি। বাজারে ক্ষমতা ও অর্থলোভী সাইফ আলি খানের সঙ্গে প্রায় তিন দশক আগে মুক্তি পাওয়া অলিভার স্টোনস মাইকেল ডগলাস চার্লি শীনের ওয়াল স্ট্রিটের সঙ্গে সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া গেছে।

বাজার এমন একটা জগতের গল্প যা জর্ডন বেলফোর্টের সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি মার্টিন স্কোরসিসির দ্য উলফ অব ওয়াল স্ট্রিটের (২০১৩) সদৃশ মনে হলেও পুরোপুরি সমকক্ষ হয়ে উঠতে পারেনি। দুর্নীতি, ক্ষমতা লোভ, রেষারেষি, শেয়ার বাজার, মিডিয়ার খেলা সবই এই ছবিতে স্থান পেয়েছে। কখনো তিনি সব কিছু নিজেদের ছাপ ফেলতে পেরেছে আবার কখনো বা পারেনি।

শকুন কোঠারি একজন ক্ষমতাবান অর্থলোভী বিজনেস টাইকুন যিনি মনে করেন অর্থই ক্ষমতা এবং লোভই ঈশ্বর। এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক রিজওয়ান আহমেদ (নবাগত রোহন মেহেরা) তাকে ঈশ্বর-জ্ঞানে পুজা করে এবং তাকে অনুসরণ করেই নিজের ভবিষ্যৎ গড়তে চায়। কিন্তু পরবর্তীকালে পরিস্থিতির শিকার হয়ে সে বাস্তবের মাটিতে আছড়ে পড়ে।

শুরুতে রিজওয়ানের বাবা নিজের কাজের জন্য প্রশংসা হিসাবে একটা ঘড়ি উপহার পান। কাজের জগতে পা রাখার পর প্রিয়া রাই (রাধিকা আপ্তে) নামক এক সহকর্মী তাঁর পথপ্রদর্শক এবং প্রেমিকা হয়ে ওঠে।

শেয়ার বাজারের দালালদের পাল্লায় পড়ে রিজওয়ান হতবাক হয়ে যায়। তার জীবনের বিভিন্ন সমস্যাগুলো ফুটিয়ে তুলতে ব্যাকগ্রাউন্ডে একটা গানের ব্যবহার করা হয়েছে।

শকুনের মতোই এই ছবিতে রিজওয়ান গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু নবাগত রোহন মেহেরাকে প্রচুর পরিশ্রম সত্ত্বেও চিত্রনাট্যের জন্যই কোনও কোনও অংশে দুর্বল মনে হয়েছে।

প্রিয়া ছাড়াও এই ছবির অন্যতম মূল মহিলা চরিত্র শকুনের স্ত্রী মন্দিরা (চিত্রাঙ্গদা সিং) যার এমন কোনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেই যে তাকে ছবির কেন্দ্রে রাখবে। তবে সামান্য যেটুকু অংশে তিনি অভিনয় করেছেন তা দিয়েই তিনি ছবিতে নিজের উপস্থিতি বুঝিয়ে দিয়েছেন।

বাজার পুরোপুরি মধ্য মানের ছবি। ছবির বিষয়বস্তুর বিচারে এ ছবি আরও ভাল হয়ে উঠতে পারতো কিন্তু তা শেষমেশ আর হয়ে উঠতে পারেনি। সূত্র: এনডিটিভি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শীতে ঠোঁটের যত্ন

শীতে ত্বক শুষ্ক হওয়ার পাশাপাশি ঠোঁটও শুষ্ক, রুক্ষ হয়ে ওঠে। এ সময় ঠোঁটের নিয়মিত যত্ন নেওয়া জরুরি। ঘরোয়া কিছু পদ্ধতিতে এ সময় ঠোঁট ফাঁটা রোধ করা যায়। যেমন-

১.  অনেকের বাড়িতেই আজকাল অ্যালোভেরা গাছ থাকে। আশেপাশের বাজারেও অ্যালোভেরার পাতা পেতে পারেন। নিয়মিত অ্যালোভেরার রস ঠোঁটে লাগালে শুষ্ক ঠোঁটের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

২. এক ফোঁটা ঘি ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। এটি ঠোঁটের শুষ্কতা কমিয়ে ঠোঁট নরম রাখতে সাহায্য করবে।

৩. মধু ও গ্লিসারিনের পেস্ট বানিয়ে  লাগালে ঠোঁট নরম হবে।

৪. টাটকা গোলাপের পাপড়ি নিয়ে কাঁচা দুধে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন। তারপর সারা দিনে অন্তত তিন বার এটা ঠোঁটে লাগান। ঠোঁট হবে কোমল ও মসৃণ।

৫. চিনি স্ক্র্যাবার হিসাবে ভাল কাজ করে। ঠোঁটে চিনি ঘষলে মরা কোষ সরে যায়। সেই সঙ্গে ঠোঁট হয়ে ওঠে নরম, কোমল।

৬. প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসাবে নারকেল তেলের গুরুত্ব অনেক। অল্প একটু নারকেল তেল গরম করে ঠোঁটে সারা রাত লাগিয়ে রাখুন । সকালে ঠোঁট নরম হয়ে উঠবে।

এছাড়া ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করতে আর কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরী। ঘনঘন ঠোঁট চাটা থেকে বিরত থাকুন। রাতে ঠোঁটে লিপ জেল, গ্লিসারিন ব্যবহার করুন। নিয়মিত ঠোঁটে সানস্ক্রিন লাগাতে ভুলবেন না। শীতকালে শরীরে যেন পানির ঘাটতি না হয়  সেজন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন। শরীরকে সতেজ রাখতে ভিটামিন, খনিজ পদার্থে পূর্ণ খাবার খান। সূত্র : এনডিটিভি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest