সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে গাছ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুসাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরামুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রাম

হাতে কোরআন লিখলেন ৭৫ বছরের নারী

বয়স পেরিয়েছে ৭৫ বছর। বার্ধক্যের ভারে নুব্জ্য শরীর। কায়িক শক্তি-সামর্থ্য কমে এসেছে। কিন্তু এতসব অক্ষমতা থাকলে কি হবে? যদি মনের জোর থাকে ইস্পাতের মতো দৃঢ়, তাহলে অনেক কিছুই করা সম্ভব। বয়োবৃদ্ধ এক নারী দৈনিক ৭ ঘণ্টা ব্যয় করে নিজ হাতে সম্পূর্ণ কোরআন শরিফ লিখে অনন্য কীর্তি স্থাপন করেছেন।

কীর্তমান এ বৃদ্ধার নাম সাইয়েদা সাদ আবদুল কাদের। মিশরীয় এ নারীর ইচ্ছে ছিল কোরআন হেফজ করবেন। কিন্তু বয়সের আধিক্য ও স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ায় তার পক্ষে পূর্ণাঙ্গ কোরআন মুখস্ত করা সম্ভব নয়।

কিন্তু কি করা যায়- এ ভেবে তিনি তার নাতির সঙ্গে পরামর্শ করলেন। নাতি পরামর্শ দিলেন কোরআন লিখতে। এরপর প্রবল আগ্রহ ও উৎসাহবোধে কাজ করলেন টানা ৪ বছর। আর শেষ পর্যন্ত তিনি তার উদ্দেশ্যে সফল হলেন। সৃষ্টি করলেন কোরআন লেখার অনন্য নজির।

সাইয়েদা সাদ ক্লাস সেভেন পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। এরপর তার বিয়ে হয়ে যায়। বিয়ের পর নিজেদের মানুফা প্রদেশ থেকে আলেকজান্দ্রিয়ায় চলে যেতে হয়। পারিবারিক ও সাংসারিক বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে তিনি কোরআন মুখস্ত করতে পারেননি। কিন্তু প্রচণ্ড আকাঙ্ক্ষা ও আগ্রহবোধ কাজ করতো প্রতিনিয়ত। তিনি বলেন, তার আগ্রহের কারণে কোরআন মুখস্ত করতে না পারলেও আল্লাহ তাকে এমন মহৎ কাজ করার তাওফিক দান করেছেন।

কোরআনের পাণ্ডুলিপিটি তৈরিতে তিনি ৪০টি কলম ব্যবহার করেন। শব্দগুলোতে হরকত দিয়েছেন কালো রং দিয়ে। আর আল্লাহ শব্দ ও আয়াতের সংখ্যা লেখায় লাল রং এবং অন্যান্য শব্দ আঁকায় নীল রংয়ের কালি ব্যবহার করেন। তিনি আশা করছেন, তার সন্তানরা পাণ্ডুলিপিটি শিগগির প্রিন্ট আকারে প্রকাশ করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নির্বাচনী মাঠ ছাড়বে না বিএনপি’

রাজনীতির খবর: গ্রেফতার নির্যাতন উপেক্ষা করে শত প্রতিকূল পরিবেশ-পরিস্থিতিতেও বিএনপি নির্বাচনের মাঠ ছাড়বে না বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, শত বাধা-প্রতিকূলতা, গ্রেফতার-নির্যাতন উপেক্ষা করে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে আমরা দৃঢ প্রতিজ্ঞ।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠায় আমরা চাই, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও জনগণকে মুক্ত করতে। এই দেশের মানুষ বার বার লড়াই করে তাদের অধিকার ফিরিয়ে এনেছে। এবারেও তারা সুনিশ্চিত জয়ী হবেই।

দু’একদিনের মধ্যেই জোটের আসন বন্টন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে জানিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ঐক্যফ্রন্টের এই মূখপাত্র বলেন, আলোচনা চলছে। আপনারা জানেন, আন্দোলনের অংশ হিসেবে আমরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। দু-একদিনের মধ্যেই আসন বন্টন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কঠোর সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ইসি সম্পর্কে কোনো কথাই বলতে ইচ্ছে করে না। ইসি নূন্যতম আস্থাও হারিয়ে ফেলেছে। তারা সরকারের ইচ্ছা বাস্তবায়নে বিরোধী দলকে হয়রানি ও সমস্যা তৈরি করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে।

বিএনপিতে মনোনয়ন বাণিজ্য চলছে বলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের অভিযোগ করেছেন বলে জানানো হলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তিনি তো অনেক কথাই বলেন। এখনও তাদের শরিকদের (জাতীয় পার্টির মহাসচিব পদ বদলের দিকে ইঙ্গিত করে) মধ্যেই এ নিয়ে ঝামেলা চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভিকারুননিসার অধ্যক্ষসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা

দেশের খবর: ভিকারুননিসা নূন স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে অধ্যক্ষ-শিক্ষকসহ তিনজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। এরা হলেন কলেজের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, শাখা প্রধান জিনাত আরা ও শ্রেণি শিক্ষক হাসনা হেনা।

রাজধানীর পল্টন থানায় অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী বাদী হয়ে আজ মঙ্গলবার এ মামলা দায়ের করেন।

পল্টন থানার উপপরিদর্শক সুজন তালুকদার বলেন, মঙ্গলবার রাত ৮টার পর মামলাটি হয়েছে। শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, শাখা প্রধান জিনাত আরা ও শ্রেণি শিক্ষক হাসনা হেনাকে আসামি করা হয়েছে।

অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারীর অভিযোগ, রোববার পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষক অরিত্রীর কাছে মোবাইল ফোন পান। মোবাইলে নকল করেছে-এমন অভিযোগে অরিত্রীকে সোমবার তার মা-বাবাকে নিয়ে স্কুলে যেতে বলা হয়। তিনি স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে সোমবার স্কুলে গেলে ভাইস প্রিন্সিপাল তাঁদের অপমান করে কক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। মেয়ের টিসি (স্কুল থেকে দেওয়া ছাড়পত্র) নিয়ে যেতে বলেন। পরে প্রিন্সিপালের কক্ষে গেলে তিনিও একই রকম আচরণ করেন। এ সময় অরিত্রী দ্রুত প্রিন্সিপালের কক্ষ থেকে বের হয়ে যায়। পরে বাসায় গিয়ে তিনি দেখেন, অরিত্রী তার কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়নায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছে।

অরিত্রীদের শান্তিনগরের বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সোমবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে চিকিৎসকেরা অরিত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি ভিকারুননিসার ছাত্রীদের
রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মূল ক্যাম্পাসের আন্দোলনরত ছাত্রীরা বিচার না হওয়া পর্যন্ত সব পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে কাল বুধবার সকাল থেকে কলেজের ফটকে অবস্থান নেওয়া হবে বলে ছাত্রীরা জানায়।

কলেজের অধ্যক্ষ ও শাখাপ্রধানের পূর্ণ বরখাস্ত, গভর্নিং বডি বাতিল, প্রচলিত আইনে অরিত্রী হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলনকারী ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকেরা এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। মঙ্গলবার স্কুলের বেইলি রোড শাখায় দিনভর আন্দোলন শেষে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তাঁরা বলেন, শিক্ষামন্ত্রী তিন দিনের কথা বলেছেন, এর মধ্যে বিচার সম্পন্ন করা না হলে লাগাতার আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। সব পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ৫ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় স্কুলের ১ নম্বর ফটকের সামনে তাঁরা অবস্থান নেবেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে বার্ষিক পরীক্ষা চলছে। মঙ্গলবার দিনভর বাইরে ছাত্রী-অভিভাবকদের বিক্ষোভের মধ্যেও পরীক্ষা হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এই কর্মসূচি ডেকে তাঁরা দিনের আন্দোলন শেষ করেন। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যার ঘটনার বিচারের দাবিতে আজ দিনভর এখানে বিক্ষোভ হয়। দুপুরে কয়েকটি বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও আন্দোলনে যোগ দিলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। দুপুরের পর থেকে ছাত্রীদের একটি দল নিজেরাই থেমে থেমে বিক্ষোভ চালিয়ে যায়।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ক্ষুব্ধ ছাত্রী ও অভিভাবকেরা বেইলি রোডে কলেজের ফটকে জড়ো হন। সেখানে তাঁরা ‘একি শুধু আত্মহত্যা?’, ‘সুইসাইড মানে কি শুধুই প্রেমে ব্যর্থতা?, ‘স্কুল কিলস স্টুডেন্টস’, ‘এই শহরে কোনো তীব্র স্লোগান মুখর হতে বেশিক্ষণ লাগে না’, ‘আমরা আর অরিত্রী চাই না’, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ ইত্যাদি লেখা প্ল্যাকার্ড বহন করেন। দিনভর থেমে থেমে তাঁদের বিক্ষোভ চলে। সারা দিনই গণমাধ্যমগুলোতে ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা ভিকারুননিসার বিভিন্ন অনিয়মের কথা বলছিলেন।

অভিভাবকদের অভিযোগ, স্কুল কর্তৃপক্ষ কখনোই কোনো অভিভাবকের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করে না। অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বাধ্যতামূলকভাবে আলাদা আলাদা বিষয়ে সবাইকে কোচিং করতে হয়। চতুর্থ ও সপ্তম শ্রেণির দুই ছাত্রীর একজন অভিভাবক এই প্রতিবেদকের কাছে জানতে চান, ‘আপনারা আসার পর এখন পর্যন্ত কোনো ভালো কথা শুনেছেন? শুধু রেজাল্ট ভালো বলে আর কোনো বিকল্প না থাকায় অভিভাবকেরা এখানে ছাত্রীদের ভর্তি করান।’

সকালে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ কলেজ ক্যাম্পাসে এসে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে গণমাধ্যমকে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষকের কথায় অপমানিত হয়ে আত্মহত্যার এই ঘটনা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। এ ঘটনায় কেউ অপরাধী হলে অবশ্যই শাস্তি পাবে। তিনি বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থী কতটা অপমানিত হলে, কতটা কষ্ট পেলে আত্মহত্যার মতো পথ বেছে নেয়? যে ঘটনাগুলো আমরা শুনছি, এর পেছনের কথা শুনছি, ঘটনার পেছনে বা ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, যদি প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ ঘটনায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ঢাকা অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউসুফকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তিন দিনের মধ্যে এই কমিটির প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই এটা অভিভাবকদের কাছে আকর্ষণীয় স্থান। তাঁদের সন্তানদের এখানে পড়াতে চান। জনপ্রিয়তার কারণে স্কুল কর্তৃপক্ষের নানা অনিয়মের কথা অনেক আগেই কানে এসেছে। এসব অনিয়মের কারণে টাকার বিনিময়ে ভর্তি বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এখানে ভর্তির জন্য একসময় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হতো, যা বন্ধ করা হয়েছে।

পরে দুপুরের দিকে অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। আমরা সবাই মর্মাহত।’ এই ঘটনা তদন্তে মন্ত্রণালয়ের বাইরেও নিজেরা তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করেছেন বলে জানান তিনি। অভিভাবকদের সঙ্গে স্কুলের শিক্ষকদের খারাপ ব্যবহার প্রসঙ্গে সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন। তবে অরিত্রীকে টিসি দেওয়া নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পরীক্ষা শুরু হয়। ছাত্রীদের একটা দল ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ জানাতে থাকে এবং পরীক্ষায় অংশ নেবে না বলে জানায়। কেউ কেউ বাসায় চলে যায়। তবে বেশির ভাগ ছাত্রীই পরীক্ষা দিয়েছে। বেলা সাড়ে তিনটার দিকে পরীক্ষা শেষ হলে বিক্ষোভে আরও কিছু ছাত্রী যোগ দেয়।

ওই সময় স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি গোলাম আশরাফ তালুকদার সাংবাদিকদের বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত মূল শাখার প্রধান শিক্ষক জিন্নাত আরাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

কিন্তু এই ঘোষণার পরও আন্দোলনকারীরা আরও ঘণ্টাখানেক গভর্নিং বডির পদত্যাগ ও অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ করে। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে কয়েকজন ছাত্রী একটি প্ল্যাকার্ডে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি ঘোষণা করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইসির কাঠগড়ায় বিভাগীয় কমিশনার ও সাতক্ষীরাসহ ৫ ডিসি

ডেস্ক রিপোর্ট: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা না নেয়ার অভিযোগে ছয় রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদন চেয়ে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তারা হলেন, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নরসিংদী, রংপুর, সাতক্ষীরা ও টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক (ডিসি)। তারা সবাই এ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা। পৃথক ৭ জনের আবেদনের প্রেক্ষিতে ইসি তাদের প্রতিবেদন দিতে বলেছে। ইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন মোহাম্মদ কাজী জাহাঙ্গীর। তার অভিযোগ, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন গত ২৮ নভেম্বর বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটে তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলেও তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়নি। বিষয়টি জানিয়ে প্র্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বরাবর আবেদন জানান তিনি। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন দিতে বলেছে ইসি। রংপুর-৫ আসনের প্রার্থী গোলাম রাব্বানীর মনোনয়নপত্র গ্রহন না করার সিইসি বরাবর আবেদন করেন। সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আবেদনটি সংযুক্ত করে রংপুর জেলার রিটার্নিং অফিসারকে কারণ ব্যাখ্যা করে প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে। এদিকে সাতক্ষীরা-৩ আসনে প্রার্থী আবু ইউসুফ মো. আবদুল্লাহ গত ১ লা ডিসেম্বর নির্বাচনে কমিশনে মনোনয়নপত্র গ্রহন করার বিষয়ে রিটার্নিং অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। টাঙ্গাইল-৩ আসনের প্রার্থী মো. রেজাউল করিম গত ২৮ নভেম্বর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করার বিষয়ে ইসিতে অভিযোগ দনে। ঢাকা-৯ আসনে প্রার্থী মির্জা আব্বাস ও ঢাকা-১৬ আসনের প্রার্থী মো. সাদাকাত খান ফাক্কু মনোনয়নপত্র গ্রহণ না করা বিষয়ে অভিযোগ করেন। নরসিংদী তিন আসনের প্রার্থী মো. আব্দুল লতিফও মনোনয়নপত্র গ্রহণ না করার বিষয়ে অভিযোগ দাখিল করেন গত ২৯ নভেম্বর। এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারদের নির্দেশ দেয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি থানা পুলিশের অভিযানে আটক-৫

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি থানা পুলিশের অভিযানে ৫ আসামীকে আটক করা হয়েছে।আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথের নেতৃত্বে সোমবার রাতভর আশাশুনি থানা এলাকায় নিয়মিত মামলার আসামী গ্রেফতার, ওয়ারেন্ট তামিল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে এসআই মনজুরুল হাসান সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় আশাশুনি থানার নিয়মিত মামলায় আসামী গাবতলা গ্রামের নিতাই সরকারে পুত্র দেবব্রত সরকার ও মৃত রাজ্যেশ্বর দাসের ছেলে রাজ্যেশ্বর দাসকে রাত ১১ টার দিকে গাবতলা বাজার হতে গ্রেফতার করা হয়। অপরদিকে এএসআই মোকাদ্দেস হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় সিআর-৩১/১৮ (ওয়ারেন্ট) মূলে আসামী পুরোহিত পুর গ্রামের মফিজুল শেখের ছেলে খলিলুর রহমান ও একই গ্রামের মফিজুল শেখের স্ত্রী মোছাঃ নুর জাহানকে তাদের নিজ বাড়ী হতে রাত সাড়ে ১১ টার দিকে গ্রেফতার করা হয়। পৃথক অভিযানে এএসআই জাকির হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় রাত ১২টার দিকে সিআর-১৫৪/০৮ (ওয়ারেন্ট) মূলে আসামী কুড়িকাহুনিয়া গ্রামের আঃ সাত্তার মোড়লের ছেলে মোঃ হাবিবুল্লাহকে তার নিজ গ্রাম হতে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে এক সময়ের সমৃদ্ধির প্রতীক ধানের গোলা

মোস্তাফিজুর রহমান, আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে এক সময়ের সমৃদ্ধির প্রতীক ধানের গোলা। একের পর এক ফসলি জমি মৎস্য চাষে ব্যবহৃত হওয়ায় এর মুল কারন বলে মনে করছেন উপজেলার সচেতন মহল। আশাশুনি উপজেলার প্রায় প্রত্যেক পরিবারে বাঁশ দিয়ে চটা তৈরী করে সেটাকে গোলাকার আকৃতির দিয়ে ধানের গোলা তৈরী করে বাড়ির উঠানে একটি গোলাকার উঁচু ভীত বানিয়ে সেখানে বসানো হতো। আর সেটার ছাউনি হিসাবে থড়, গোল পাতা এবং টিন ব্যবহার করা হত। ছাউনির উপরের দিকে বেশ উঁচু টিনের পিরামিড আকৃতির হতো যা অনেক দূর থেকে দেখা যেত । ইঁদুর জাতীয় প্রাণী এবং বর্ষার পানি থেকে রক্ষা করে ফসল সংরক্ষনের জন্য গোলঅ ছিলো ব্যাপক জনপ্রিয় এবং কার্যকর। সে সকল পরিবারের গোলা তৈরী করার সমার্থ থাকত না তাদের প্রায় প্রত্যেকের বাড়িতে থাকত গোলার মত ছোট আকৃতির আউড়। আউড় বসানো হতো ঘরের মধ্যে। কম খরজে বেশি পরিমানে শষ্য সংরক্ষনের গোলার বিকল্প কিছু নেই। কালের আর্বতনে গ্রাম অঞ্চালের মানুষের ঐতিহ্য গোলা ও আউড় এখন খুবই কম দেখা মেলে। বর্তমান সময়ে গ্রাম অঞ্চালে যেটুকু শষ্য উৎপাদিত হয় সেগুলো বিক্রি করে চাউল কিনে খাওয়ার প্রবনতাই বেশি দেখা যায়। আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রাম বাংলার মানুষের চাল-চিত্র উলট-পালট করে দিয়েছে বলে সর্ব মহলের ধারণা। সে সময় ছেলে-মেয়ে বিয়ের জন্য পাত্র বা পাত্রি পক্ষের সম্পদের মাপকাটি হিসাবে ধরা হতো বাড়িতে গোলা বা আউড়ের পরিমানের উপর নির্ভর করতো। বর্তমানে কন্যা পাত্রস্থ করতে পিতা ভাবে ছেলের সরকারি চাকুরী কিংবা বড় ধরণের কোন ব্যবসা আছে কি না। বুধহাটা ইউনিয়নের আলহাজ্ব আবুল কাশেম মোড়ল(৮০) জানান, এখন গোলার প্রচলন প্রায় উঠে গেছে বললেও ভুল হবে না। আমার বাড়িতে একটি গোলা আছে কিন্তু দীর্ঘ দিন সেটাকে ব্যবহার করা হয় না বা ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না। কয়েক বছর পূর্বেও এলাকায় প্রায় প্রত্যেকের বাড়িতে কম বেশি গোলা থাকতো। । সব কিছু মিলিয়ে গ্রাম বাংলার কৃষকের এক সময়ের সমৃদ্ধির প্রতীক ছিলো এ গোলা যেটি আজ হারিয়ে যেতে বসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা সরকারী বিবিএমপি হাইস্কুলের শতবর্ষ উদযাপন কমিটির সভা

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো ॥ দেবহাটা উপজেলা সদরের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ দেবহাটা বিবিএমপি হাইস্কুলের শতবর্ষ উদযাপন কমিটির সভা মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় স্কুলের ডিজিটাল ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন শতবর্ষ উদযাপন কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট ব্যাংকার ও সমাজসেবক কাজী আব্দুল মজিদ। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা কমিটির আহবায়ক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সৈয়দ আকবর আলী, ঢাকা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাব্বির হোসেন, কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ডাঃ আব্দুল লতিফ, সাধারন সম্পাদক আনোয়ারুল হক, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হক লাভলু, সহকারী অধ্যাপক সাংবাদিক ইয়াছিন আলী, সহকারী প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, প্রচার উপ-কমিটির আহবায়ক সাংবাদিক আর.কে.বাপ্পা, প্রকাশনা উপ-কমিটির আহবায়ক সহকারী অধ্যাপক রওশন আলী, অর্থ উপ-কমিটির সদস্য সৈয়দ হাসান জাহিদ, শিক্ষক সিদ্দিক আহমেদ মিঠু, সাংবাদিক কে.এম রেজাউল করিম, সদস্য সৈয়দ জাহিদ হাসান প্রমুখ। সভায় কমিটির সভাপতি কাজী আব্দুল মজিদ আগামী ২০১৯ সালের ১৯ জানুয়ারী তারিখে শতবর্ষ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে উক্ত অনুষ্ঠানটি সাড়ম্বরভাবে অত্যন্ত জাকজমকপূর্নভাবে অনুষ্ঠিত করতে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য ভারতের বিখ্যাত নিউরোলজিস্ট ডাঃ অনুপম দাশগুপ্ত উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। ঐদিন সকাল ৮ টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হবে। রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিখ্যাত শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন সঙ্গীত পরিবেশন করবেন। এছাড়া ঐদিন র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হবে এবং যার ১ম পুরষ্কার থাকবে একটি ১০০ সিসি মোটর সাইকেল। যারা এখনো রেজিষ্ট্রেশন করেননি তাদেরকে অবিলম্বে রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করতে অনুষ্ঠানের সভাপতি অনুরোধ করেন। এছাড়া বিস্তারিত তথ্যের জন্য উদযাপন কমিটির ওয়েবসাইট- www.debhatabbmpcent.org এবং ফেসবুক পেইজ- Debhata Bbmp Century Celebration তে যোগাযোগ করার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার সখিপুরে শ্রমিকলীগের উঠান বৈঠাক

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-৩ আসনের আওয়ামীলীগের মনোনিত প্রার্থী অধ্যাপক আ.ফ.ম রুহুল হকের পক্ষে উঠান বৈঠাক করেছে দেবহাটা সখিপুর ইউনিয়ন শ্রমিকলীগ। মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় সখিপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে এ উঠান বৈঠাক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি আবু তাহের। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি কবির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউপি সদস্য আরমান হোসেন। বক্তব্য রাখেন, উপজেলা শ্রমিকলীগের দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হক আরিফ, সখিপুর ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা হামিদা পারভীন, দেবহাটা ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সভাপতি রাজির হোসেন জজ, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, শ্রমিক নেতা মিজানুর রহমান মিজান, মোক্তার আলী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest