সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে গাছ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুসাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরামুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রাম

‘১০ ডিসেম্বরের আগে সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন না এরশাদ’

রাজনীতির খবর: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সুস্থ থাকলেও নিয়মিত চেকআপের জন্য সিঙ্গাপুর যাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু দলের স্বার্থে তিনি ১০ ডিসেম্বরের আগে সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা। তিনি বলেন, ‘আগামী ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে মহাজোটের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। মঙ্গলবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী অফিসে সম্মিলিত জাতীয় জোটের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।

মসিউর রহমন রাঙ্গা বলেন, ‘জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ শতভাগ ভালো আছেন, সুস্থ আছেন। নিয়মিত মেডিক্যাল চেকআপের জন্য তার সিঙ্গাপুরে যাওয়ার প্রয়োজন আছে, কিন্তু দলের স্বার্থেই ১০ ডিসেম্বরের আগেই যাচ্ছেন না তিনি।’

মহাজোটের সঙ্গে আসন চূড়ন্ত করার বিষয়ে সাংবাদিকদের মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, ‘৯ ডিসেস্বরের মধ্যেই মহাজোটের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। যারা নির্বাচনে জিততে পারবেন এবং মাঠ পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা আছে তাদেরই মনোনয়ন দেওয়া হবে।

দলটির মহাসচিব আরও বলেন, ‘মহাজোটের বন্ধুদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই চূড়ান্ত হবে প্রার্থী তালিকা। তবে, জাতীয় পার্টি ৫৪ থেকে ৫৫টি আসন প্রত্যাশা করছে, যেখানে জাতীয় পার্টি জিতে আসতে পারবে। এই আসনগুলোতে আমাদের শক্তিশালী প্রার্থী আছে। তবে মহাজোটের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়ে দেওয়া হবে।’

দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কেউ নির্বাচন করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
জাতীয় পার্টির মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ প্রসঙ্গে সদ্য মহাসচিবের দায়িত্ব পাওয়া রাঙ্গা বলেন, ‘জাতীয় পার্টির কেউ মনোনয়ন বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত থাকলে প্রেসিডিয়ামে আলোচনার মাধ্যমে কমিটি গঠন করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার শারীরিক অসুস্থতার জন্য নিজেই পার্টি চেয়ারম্যানের কাছে পদত্যাগ করেছেন। তিনি এখনও পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আছেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভিকারুননিসার প্রভাতী শাখার প্রধান জিনাত আরা বরখাস্ত

দেশের খবর: ভিকারুননিসা নূন স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রি অধিকারীর আত্মহত্যার ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির প্রভাতী শাখার প্রধান জিনাত আরাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেয়া হয়েছে।

ভিকারুননিসা নূন স্কুলের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান গোলাম আশরাফ তালুকদার এসব জানিয়েছেন।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস বলেন, গতকাল রাতে জিনাত আরাকে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও ম্যানেজিং কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে অব্যাহতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

গতকাল সোমবার দুপুরে রাজধানীর শান্তিনগরের নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয় অরিত্রি। মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল (ঢামেক) কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অরিত্রির আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে গতকাল তারা বাবা দিলীপ অধিকারী বলেছিলেন, অরিত্রির স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা চলছিল। গতকাল রোববার সমাজবিজ্ঞান পরীক্ষা চলার সময় তার কাছে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। এজন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের ডেকে পাঠায়। সোমবার স্কুলে গেলে স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের জানায়, অরিত্রি মোবাইল ফোনে নকল করছিল, তাই তাকে বহিষ্কারের (টিসি) সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ আমার মেয়ের সামনে আমাকে অনেক অপমান করে। এই অপমান এবং পরীক্ষা আর দিতে না পারার মানসিক আঘাত সইতে না পেরে সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয় অরিত্রি।

এ ঘটনার পর আজ শিক্ষামন্ত্রী ভিকারুননিসা স্কুলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অভিযোগের শেষ নেই ভিকারুননিসার শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে!

দেশের খবর: ‘এই পাগল-ছাগলের বাচ্চা, তোরে যে কইছি তুই শুনছ নাই’- উক্তিটি রাজধানীর খ্যাতনামা ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন শিক্ষিকার। সম্প্রতি ক্লাসে অমনোযোগী হয়ে নোট তুলতে না পারায় দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি এ উক্তি করেন। শিক্ষিকার এমন আচরণে ওই ছাত্রী বাসায় গিয়ে ওই ম্যাডামের ক্লাসে যাবে না বলে কান্নাকাটি জুড়ে দেয়। পরে অভিভাবক অনেক বুঝিয়ে-শুনিয়ে ক্লাসে পাঠান তাকে।

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে ওই অভিভাবক বলেন, ‘খুব শখ করে মেয়েকে ভিকারুননিসা নূন স্কুলে দিয়েছিলাম। কিন্তু পড়াশুনার ব্যাপক চাপ ও কিছু কিছু শিক্ষিকার দুর্ব্যবহারের কারণে ছেড়ে দে মা, কেঁদে বাঁচি অবস্থা।’

এ অভিভাবকের অভিযোগ, পরীক্ষার প্রশ্ন যে পদ্ধতিতে আসে সে পদ্ধতিতে শ্রেণিকক্ষে পড়ানো হয় না। সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে প্রশ্ন করা হয়। এ অভিভাবকের মতো খ্যাতনামা এ স্কুলটির বিভিন্ন শাখার শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে অভিভাবকদের।

অপমান সইতে না পেরে স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রির আত্মহত্যার পর স্কুলটির শিক্ষিকাদের দুর্ব্যবহারের ব্যাপারে অভিভাবকদের অনেকে মুখ খুলতে শুরু করেছেন। তবে তারা কেউই পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি।

অভিভাবকদের সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে, স্কুলটিতে দ্বিতীয় শ্রেণি থেকেই শিক্ষিকারা ছাত্রীদেরকে তাদের কাছে কোচিং করার জন্য প্রলুব্ধ করেন। তৃতীয় শ্রেণি থেকে তা তীব্র আকার ধারণ করে। জনশ্রুতি রয়েছে, তৃতীয় শ্রেণিতে উঠে একাধিক শিক্ষিকার কাছে কোচিং না করলে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় নম্বর কম দেয়া হয়। ক্লাসে না পড়িয়ে কোচিং-এ সাজেশন দেয়া হয়। যারা কোচিং করে তারা ভালো ফলাফল করে। ফলে অভিভাবকরা অনেকটা বাধ্য হয়েই সন্তানদের কোচিং-এ দেন।

তৃতীয় শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থী জানায়, স্কুলের বোর্ডে শিক্ষিকার লেখা বুঝতে না পেরে কখনও প্রশ্ন করলে শিক্ষিকা তখন রেগে গিয়ে বলেন-‘চোখে দেখিস না, আজই চোখের ডাক্তার দেখাবি। বেয়াদব কোথাকার।’

এ স্কুল থেকে পাস করে গেছে-এমন এক শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, ‘এ স্কুলে বড় মেয়েকে পড়াতে গিয়ে পড়াশুনা কাকে বলে হাড়েহাড়ে টের পেয়েছি। তাই সুযোগ থাকলেও ছোট মেয়েকে এই স্কুলে ভর্তি না করিয়ে সরকারি একটি স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস মঙ্গলবার বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা জিজ্ঞেস করলে শিক্ষক উত্তর না দিয়ে তাকে থামিয়ে দেবে-এমন কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে নেই। আমাদের শিক্ষকরা ঠিকমতোই ক্লাস নেন।’
কোচিং প্রসেঙ্গ তিনি বলেন, কোচিংয়ে উৎসাহী করার প্রশ্নই ওঠে না। অধ্যক্ষের দাবি, ভিকারুননিসার শতকরা পাঁচভাগ শিক্ষকও কোচিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তবে এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অরিত্রির ঘটনায় আমি ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত: শিক্ষামন্ত্রী

দেশের খবর: শিক্ষকের কাছে বাবার অপমান সইতে না পেরে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রি অধিকারীর আত্মহত্যার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, আমি ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত। ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয় বিদারক। এ বিষয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা হয়েছে। অভিযোগ ও ক্ষোভের কথা শুনেছি। তাদের বলেছি, কেউ অপরাধী হলে অবশ্যই শাস্তি পাবে।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বেইলি রোডে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে আসেন শিক্ষামন্ত্রী। সেখানে তিনি স্কুলের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একজন শিক্ষার্থী কতটা অপমানিত হলে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়? ঘটনার পেছনের কথাও শুনছি। ঘটনার পেছনে বা ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাহিদ জানান, এ ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ঢাকা অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউসুফকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল দীর্ঘদিন ধরে অভিভাবকদের পছন্দের উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অভিভাবকেরা তাদের ছেলেমেয়েদের এখানে পড়াতে চান। জনপ্রিয়তার কারণে স্কুল কর্তৃপক্ষের নানা অনিয়মের কথা আগেও কানে এসেছে।

এদিকে ছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় তিন সদস্যের পৃথক তদন্ত কমিটি গঠনের কথা বলেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। স্কুলটির ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল নাজনীন ফেরদৌস বলেন, এ ঘটনায় আমরা তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন- স্কুলের গভর্নিং বডির সদস্য আতাউর রহমান, খুরশিদ জাহান ও ফেরদৌসী জাহান।

তিনি আরও বলেন, যে শিক্ষক তাকে ভর্ৎসনা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে তদন্তে এর প্রমাণ পাওয়া গেলে স্কুলের নিয়ম অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে অরিত্রির বাবা সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী দিলীপ অধিকারী বলেন, অরিত্রি পরীক্ষার হলে মোবাইলে নকল করছে— এমন অভিযোগে তাকে সোমবার বাবা-মাকে নিয়ে স্কুলে যেতে বলা হয়। তিনি স্ত্রী ও অরিত্রিকে নিয়ে স্কুলে যান। তারা প্রথমে ভাইস প্রিন্সিপালের কক্ষে যান। তারা মেয়ের হয়ে তার কাছে ক্ষমা চান। কিন্তু তিনি তাদের অপমান করে বের হয়ে যেতে বলেন। মেয়ের টিসি নিয়ে যেতেও বলেন ভাইস প্রিন্সিপাল। এরপর তিনি প্রিন্সিপালের কাছে গিয়ে ক্ষমা চান। একপর্যায়ে অরিত্রি তার পা ধরে ক্ষমা চায়। তাতেও কাজ হয়নি। প্রিন্সিপাল তাদের অপমানজনক কথাবার্তা বলে তার কক্ষ থেকে বের করে দেন।

তিনি আরও বলেন, ওই ঘটনার পর অরিত্রি প্রিন্সিপালের রুম থেকে দৌড়ে বের হয়ে যায়। তারাও তার পিছু নেন। স্কুল থেকে বের হয়ে মেয়ে একাই একটি রিকশায় তাদের শান্তিনগরের বাসায় চলে আসে। পরে তারা ফিরে দেখেন, নিজের ঘরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছে অরিত্রির নিথর দেহ। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে নেওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন বাসির পক্ষ হতে এমপি জগলুল হায়দারকে শুভেচ্ছা
প্রেস বিজ্ঞপ্তি :   সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে জরিপে সততা ও যোগ্যতার বিচারে সাতক্ষীরা-৪ আসনে আবারও নৌকার মাঝির টিকিট পেলেন এসএম জগলুল হায়দার।  ভালোবাসা ও উন্নয়ন দিয়ে সাতক্ষীরা-৪ সর্বস্তরের জনতার গর্ব ও অহংকার আশার-আকাঙ্খার প্রদীপ হয়ে এ মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের পলাশ সরদারের নেতৃত্বে শতাধিক মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত নৌকার মাঝি এস এম জগলুল হায়দার কে ফুলের শুভেচ্ছা জানাই।
এস এম জগলুল হায়দার বলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনে আবারও নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে স্বাধীনতার স্বপক্ষের নেতা-কর্মীদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল ভেদা ভেদ ভুলে গিয়ে নৌকাকে বিজয়ী করার আহবান জানিয়েছেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের সমাজ সেবক কাজল কান্তি সরদার, ইউ,পি সদস্যা জামেলা, সুধারানী, তাপস মন্ডল, মিজানুর রহমান, সাঈদ, আজিজুল, সহ অনেকেই।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপি পরাজয় বুঝে ভোট বানচালের অপচেষ্টা করছে: কাদের

রাজনীতির খবর: আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি জেনে গেছে আগামী নির্বাচনে তাদের জয়ের কোনো সম্ভাবনা নেই, তাই নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা করছে।তারা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির প্রয়াস চালাচ্ছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত করতে নানা ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি। এজন্য তাবলিগ জামাতসহ অনেকের ওপর ভর করার চেষ্টা করছে।তাদের উস্কানি দিয়ে মাঠে নামানোর চেষ্টা করছে।

সাতকানিয়ার এমপি প্রার্থী আবু রেজা মোহাম্মদ নিজামুদ্দিন নদভী এক নির্বাচনী সভায় বলেছেন, ভোটে জিতলে সবাই মিলে ভাগ করে খাবো।

এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমি বিষয়টি জানি না, খোঁজ-খবর নেব। তবে একটি বিষয় হচ্ছে নির্বাচন সামনে রেখে সবাই সাইবার অপরাধ চলছে। আসলেই উনি এসব বলেছেন কি-না তা খতিয়ে দেখবো।

বিএনপির দুই শীর্ষ নেতা খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সাজার বিষয়ে ওবয়াদুল কাদের বলেন, আমার পাপে আমি ভিকটিম (ভুক্তভোগী)। আমার অন্যায়ে আমি ভিকটিম। এখানে অন্যদের কি করার আছে?

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, জিয়া পরিবার এতিমের টাকা মেরে খেয়েছে। সেই ঘটনায় মামলা হয়েছে। অহেতুক মামলাটি ১০ বছর কালক্ষেপণ করা হয়েছে। ইচ্ছা করেই আদালতে মামলা থেকে বিরত রাখা হয়েছে। এটি না হলে ওই মামলার রায় হয়তো আগেই হতো।

এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনিসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৎমায়ের ভূমিকায় রিটার্নিং কর্মকর্তারা: রিজভী

রাজনীতির খবর: মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তারা সৎমায়ের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সরকারের নির্দেশনা মেনে রিটার্নিং কর্মকর্তারা বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন বলে অভিযোগ করেন রিজভী।

তিনি বলেন, কিছু দিন আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ডেকে এনে বৈঠক করে যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, সেই নির্দেশনা অনুযায়ী বিএনপিসহ বিরোধী দলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র গণহারে বাতিল করা হয়েছে।

‘ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়নপত্রে অসংখ্য ত্রুটি থাকার পরও সেগুলোকে বাতিল করা হয়নি। দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হওয়া ও তথ্য গোপনের অভিযোগ থাকার পরও সরকারি দলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়নি।’

বিএনপির এ নেতা বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রিটার্নিং কর্মকর্তা হায়াত-উদ দৌলা খানের কার্যালয়ে রোববার মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রমে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া বিএনপি মনোনীত প্রার্থীসহ কোনো প্রার্থীকে কথা বলার সুযোগ দেননি তিনি।

তিনি বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধির বিধান হচ্ছে- প্রার্থীদের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তা হলে তাদের কথা বলার সুযোগ দিতে হবে। কোনো ডকুমেন্টস উপস্থাপন করতে চাইলে তা করতে দিতে হবে।

‘কিন্তু রিটার্নিং কর্মকর্তা যদি শুরুতেই প্রার্থীকে থামিয়ে দেন, তা হলে বুঝতে হবে রিটার্নিং কর্মকর্তা দুরভিসন্ধি নিয়ে কাজ করছেন। এভাবে সারা দেশেই রিটার্নিং কর্মকর্তারা তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিএনপির মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন।’

রিজভী বলেন, তফসিল ঘোষণার পর রিটার্নিং কর্মকর্তারা নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে কাজ করেন। সে ক্ষেত্রে তাদের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া চলবে না। কিন্তু যদি রিটার্নিং কর্মকর্তা বা নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত অন্য কোনো কর্মকর্তা কোনো রাজনৈতিক দলের স্বার্থের পক্ষে কাজ করেন, তা হলে তা হবে গুরুতর অসদাচরণ। এটি সমগ্র নির্বাচন কমিশনকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে নির্বাচন কমিশন, শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং নির্বাচনে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের ভোটে নিরপেক্ষতা নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়, জনমনে শঙ্কা ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।

রিজভী আরও বলেন, সম্প্রতি দেশব্যাপী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ডে নির্বাচনে জনমতের সঠিক প্রতিফলন ঘটবে কিনা, তা নিয়ে মানুষের মধ্যে জিজ্ঞাসা তৈরি হয়েছে। এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন এবং তাদের নিয়ন্ত্রিত রিটার্নিং কর্মকর্তারা যা করছেন, তা কেবলই প্রহসন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, আয় কমে গেলেও ক্ষমতাসীন মন্ত্রী-নেতাদের সম্পদ বাড়ে অথচ এগুলোতে দুদক ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের চোখ এড়িয়ে যায়। আসন্ন নির্বাচন ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে আবারও দেশব্যাপী গভীর অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৭ বছরের শিশুর ইউটিউব থেকে শত কোটি টাকা আয়

ইউটিউব থেকে শত কোটি টাকার বেশি আয় করেছে মাত্র সাত বছরের এক শিশু। ইউটিউবে বিভিন্ন খেলনার ভিডিও দেখিয়ে এত টাকা আয় করা ওই শিশুর নাম রায়ান। খবর বিবিসি’র।

রায়ান ইউটিউব থেকে ইতিমধ্যে আয় করেছে ১৭৬ কোটি টাকা। সেই সঙ্গে ইউটিউব থেকে বেশি আয় করা তারকায় পরিণত হতে চলেছে।

২০১৫ সালে রায়ানের বাবা-মা ‘রায়ান টয়’স রিভিউ’ নামে চ্যানেলটি তৈরি করে দেন। চ্যানেলটিতে বর্তমানে প্রায় দুই কোটির মত সাবস্ক্রাইবার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest