সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে গাছ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুসাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরামুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রাম

নয়’শ বছরের পুরনো স্বর্ণমুদ্রার সন্ধান

ইসরাইলের সমুদ্রবর্তী প্রাচীন শহর কেসৈরিয়া থেকে প্রায় নয়’শ বছরের পুরনো স্বর্ণমুদ্রার সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছেন একদল প্রত্নতাত্ত্বিক।

একটি পাত্রের ভেতরে প্রায় ২৪ টি মুদ্রা পাওয়া গেছে বলে জানান তারা।

ধারণা করা হচ্ছে, কেউ হয়তো যত্ন করে লুকিয়ে রেখেছিল মুদ্রাগুলো। তার আশা ছিল পরে কোনো এক সময় হয়তো সেগুলো সংগ্রহ করবেন। তবে শেষ পর্যন্ত আর ফেরা হয় নি তাদের অথবা কোনো যুদ্ধে নিহত হন তারা।

স্বর্ণমুদ্রা রাখার এই গুপ্ত পাত্রটি ছিল ব্রোঞ্জ আর পাথর দিয়ে মোড়ানো। মুদ্রার পাশাপাশি সেখানে একটি সোনার দুলও পাওয়া যায়।

গবেষকরা অনুমান করছেন, স্বর্ণমুদ্রাগুলোর মালিক ১১০১ সালের ভয়াবহ ক্রুসেডের সময় নিহত হন। ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো খননকালে এটি আবিষ্কৃত হয়।

এই আবিস্কারকে কেসৈরিয়ার ইতিহাস ঐতিহ্যের এক নীরব সাক্ষী বলে মনে করেন সেখানকার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। ক্রুসেড যুদ্ধের সময় শহরটির যে কি ভয়াবহ ঝড় বয়ে গেছে-সেটিই যেন মনে করিয়ে দিচ্ছে এ আবিষ্কার।

লিখিত দলিল অনুসারে কেসৈরিয়া শহরটি বাল্ডউইন আর্মির আক্রমণের শিকার হয়। তারা ১১০০ থেকে ১১১৮ সাল পর্যন্ত জেরুজালেম শহরটি তাদের দখলে ছিল।

খনন দলের পরিচালক ড পিটার ও মোহাম্মদ হাতার বলেন, ধারণা করা হচ্ছে এই স্বর্ণগুলোর মালিক এবং তার পরিবারকে সেই যুদ্ধে ভয়াবহ পরিণতি বরণ করতে হয়েছিল। অথবা তাদেরকে জোর করে দাস বানানো হয়েছিল। তাই তাদের পক্ষে আর সম্পদ উদ্ধার সম্ভব হয় নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভিকারুননিসার ছাত্রী আত্মহত্যার ঘটনা হৃদয় বিদারক: হাইকোর্ট

দেশের খবর: ভিকারুননিসা নূন স্কুলের প্রধান শাখার শিক্ষার্থী অরিত্রি অধিকারীর (১৫) আত্মহত্যার ঘটনাকে হৃদয় বিদারক বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। এছাড়া মেয়ের সামনে বাবা-মাকে অপমান করা বাজে ঘটনার দৃষ্টান্ত বলে অভিহিত করেছেন আদালত।

বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত অরিত্রির আত্মহত্যা সংক্রান্ত প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনা হয় মঙ্গলবার (৪ ডিসেম্বর)। এরপর বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।

দৈনিক পত্রিকার প্রতিবেদনগুলো আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইয়েদুল হক সুমন। শুনানিকালে তিনি আদালতকে বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা প্রার্থনা করছি।’

তখন আদালত বলেন, ‘অরিত্রি অধিকারীর আত্মহত্যার ঘটনা খুবই হৃদয় বিদারক। শিক্ষার্থীর সামনে বাবা-মাকে অপমানের ঘটনাকে বাজে রকমের দৃষ্টান্ত।’

পরে আদালত আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে রিট দায়ের করেন। আমরা বিষয়টি দেখবো।’

ভিকারুননিসা নূন স্কুলের প্রধান শাখার ইংলিশ ভার্সনের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল অরিত্রি। তার বাবা দিলীপ অধিকারী। দুই মেয়ে অরিত্রি, ঐন্দ্রীলা ও স্ত্রী বিউটিকে নিয়ে শান্তিনগরের একটি বাসায় থাকেন। তিনি কাস্টমসের সিএন্ডএফ-এর ব্যবসা করেন। ছোট মেয়ে ঐন্দ্রীলাও একই স্কুলের শিক্ষার্থী। অরিত্রির বার্ষিক পরীক্ষা চলছিল। ২ ডিসেম্বর অরিত্রির ইতিহাস পরীক্ষা ছিল। স্কুলে মোবাইল নেওয়া নিষেধ থাকা সত্ত্বেও অরিত্রি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। পরে মোবাইলটি দেখতে পেয়ে শিক্ষকরা তা জব্দ করে এবং অরিত্রিকে পরীক্ষার হল থেকে বের করে দেয়।

৩ ডিসেম্বর সকালে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য স্কুলে যায় অরিত্রি। কিন্তু তাকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না দিয়ে তার বাবা ও মাকে ডেকে পাঠায় স্কুল কর্তৃপক্ষ। তখন অরিত্রির বাবা ও মা স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপালের কক্ষে যান। ভাইস প্রিন্সিপাল বলেন, ‘মোবাইলে অরিত্রি নকল করছিল।’ এ ঘটনায় অরিত্রির বাবা-মা ক্ষমা চাইলে তাদের প্রিন্সিপালের কক্ষে পাঠানো হয়। প্রিন্সিপালের কক্ষে গিয়েও তারা ক্ষমা চান। কিন্তু প্রিন্সিপাল সদয় হননি। একপর্যায়ে পায়ে ধরে ক্ষমা চান তারা। কিন্তু প্রিন্সিপাল তাদের বেরিয়ে যেতে বলেন এবং অরিত্রিকে টিসি (ছাড়পত্র) দেওয়ারও মোখিত নির্দেশ দেন। এরপর স্কুল থেকে বের হয়ে অরিত্রির বাবা ও মেয়ে ও স্ত্রীকে বাসায় নামিয়ে দেন। পরে বিভিন্ন জায়গায় ফোন তিনি তদবির শুরু করেন। এরই মধ্যে বাসা থেকে তাকে জানায়, অরিত্রি রুমের দরজা বন্ধ করে রেখেছে। দরজা ভেঙে অরিত্রিকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৬ ডিসেম্বর থেকে সারাদেশে ‘বিজয় মঞ্চ’ করা হবে

দেশের খবর: আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে দেশের সব জেলা উপজেলায় ‘বিজয় মঞ্চ’ করে সেখান থেকে স্বাধীনতার পক্ষের প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ধানমণ্ডিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাসভবনে সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বিজয় মঞ্চে বিজয়ের গান হবে, বঙ্গবন্ধুর কথা হবে, স্বাধীনতার ইতিহাসের কথা হবে, শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরা হবে এবং নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে বিজয়ী করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হবে।

তিনি আরো বলেন, বিজয় মঞ্চের কার্যক্রম দেখভাল করার জন্য গোলাম কুদ্দুসকে সমন্বয়ক করে ২১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

উক্ত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক শাজাহান খান, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) হেলাল মোরশেদ বীর বিক্রম, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, গণতন্ত্রী পার্টির নেতা ড. শাহাদত হোসেন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপির নাসিরের জমি বাড়ি আয়ের উৎস কিছুই নেই

রাজনীতির খবর: ঢাকা–১০ সংসদীয় আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত দলের নাসির উদ্দিন আহমেদের আয়ের কোনো উৎস নেই। তাঁর নিজের নেই কোনো জমি, বাড়ি কিংবা স্থাবর সম্পদ। কিন্তু তাঁর ব্যাংকে জমা আছে ২৪ লাখ টাকা। হাতে নগদ অর্থের পরিমাণ ৫ লাখ।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য দেওয়া নাসির উদ্দিন আহমেদের হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

নাসির উদ্দিন আহমেদ বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক। তিনি দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল মান্নানের জামাতা। হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুসারে তাঁর নামে স্থাবর কোনো সম্পদ না থাকলেও স্ত্রীর নামে ২৫ লাখ টাকার কৃষিজমি, ১২ লাখ টাকার অকৃষিজমি এবং ৯৯ লাখ ১৩ হাজার টাকার ভবন, অ্যাপার্টমেন্ট ইত্যাদির কথা উল্লেখ আছে।

নাসির উদ্দিন আহমেদ হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘরে উল্লেখ করেছেন ‘বার–অ্যাট–ল’। তবে পেশাগতভাবে তিনি আয়ের কোনো উৎস দেখাননি। নিজ নামে অস্থাবর সম্পদের হিসাবে তিনি নগদ ও ব্যাংকে জমাকৃত অর্থের পাশাপাশি ৬৫ ভরি সোনা, ৬০ হাজার টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও ৮৫ হাজার টাকার আসবাবের কথা উল্লেখ করেছেন। তাঁর স্ত্রীর নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা অর্থের পরিমাণ ৭৪ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা, বন্ড, ঋণপত্র ও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ১ কোটি ৬৭ লাখ ৭৯ হাজার ৫৪৯ টাকা, সঞ্চয়পত্র ও স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ৫ কোটি ১৩ লাখ ৫২ হাজার ৫ টাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এখন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট আমিরাতের

বিদেশের খবর: বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।সিঙ্গাপুর ও জার্মানিকে পিছনে ফেলে দেশটি শীর্ষস্থান দখল করেছে।

‘পাসপোর্ট ইনডেক্স’ নামের আন্তর্জাতিক সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে।

‘পাসপোর্ট ইনডেক্স’-এর তথ্য বলছে, অগ্রিম (প্রাইয়র) ভিসা ছাড়াই বিশ্বের ১৬৭টি দেশ ভ্রমণ করতে পারবেন আরব আমিরাতের পাসপোর্টধারী ব্যক্তি। এর মধ্যে ১১৩টি দেশে যেতে কোনো ভিসাই লাগবে না। ৫৪টি দেশে ‘অন অ্যারাইভাল’ বা পৌঁছা মাত্র ভিসা প্রক্রিয়ায় ভ্রমণ করতে পারবেন তারা।

ওই তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে সিঙ্গাপুর ও জার্মানি। এই দুটি দেশের পাসপোর্টধারীরা অগ্রিম ভিসা ছাড়া বিশ্বের ১৬৬টি দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গরু-হত্যার গুজবে উত্তপ্ত ভারত, পুলিশসহ নিহত ২

গো-হত্যার গুজবে ফের উত্তপ্ত ভারত। ভারতের উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে সোমবার পুলিশসহ ২ জন নিহত হয়েছে।

পুলিশ জানায়, বুলন্দশহরের স্যানা মহকুমা এলাকায় মাহু গ্রামের বাইরে একটি মাঠে প্রায় ২৫টি গরুর মাংস পড়ে আছে বলে গুজব রটে। এর জেরে গতকাল প্রতিবাদে নামে ওই এলাকার শত শত মানুষ। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান পুলিশ। এতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে পুলিশের।

বুলন্দশহরের জেলাশাসক অনুজ কুমার ঝা বলেন, ‘বিক্ষোভকারীদের অবরোধ তুলতে অনুরোধ করায় কোনও কাজ হয়নি। বরং ওই অবরোধকারীদের মধ্যে থেকে দুষ্কৃতীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে থাকে।’

এছাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালানো হয় এবং পুলিশকে লক্ষ করে গুলিও চালায় বলেন তিনি।

অবরোধ ও বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে শুন্যে গুলে চালায় পুলিশ। সংঘর্ষে একজন পুলিশ ও বিক্ষোভকারী নিহত হন। গুরুতর আহত হন আরো কয়েকজন।

বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এছাড়া এমন ঘটনায় অভিযুক্ত কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পছন্দের প্রার্থীকে নির্ভয়ে ভোট দিবেন: সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক

কলারোয়া প্রতিনিধি : জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বলেন, আপনাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্ভয়ে ভোট দেবেন। শান্তি, নিরাপত্তা ও সুন্দর আগামীর জন্য সুষ্ঠু নির্বাচন জনগণের শক্তিতেই সম্ভব হবে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে সোমবার বিকালে কলারোয়া উপজেলার ৯নং হেলাতলা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আয়োজিত বিশেষ আইন শৃংখলা সংক্রান্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসক আরো বলেন কোন ভোটারকে প্রভাবিত, ভয়ভীতি ও চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে কঠিন মোকাবেলা সমুচিত জবাব দেয়া হবে। কোন নিরাপদ-নিরাপত্তা বিঘিœত হলে নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। সাতক্ষীরায় বর্তমানে শান্তির সুবাতাসে অনন্য নজির স্থাপন হয়েছে। ভোট কেন্দ্রে যাতে ভোটাররা নিরাপদে যেতে পারেন সেই শংকা দূর করতেই আজকের এই আলোচনা সভা। আপনারা ভোট দেবেন আর আমরা ভোট গ্রহন করে নির্বাচন কমিশনে পাঠাবো। তিনি আরো বলেন, নিবার্চনের রোডম্যাপ অনুযায়ী আগামী ৯ ডিসেম্বর প্রার্থীতা স্পষ্ট হবে। ১০তারিখে প্রতীক বরাদ্দের পর সকল রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের প্রচার-প্রচারণা চালাবেন, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে। এসময় কেউ বাঁধা সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও ইউএনও এবং ওসিসহ নির্বাচনে সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসক বলেন, কেউ যাতে নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন না করতে পারে সেদিকে সজাগ থাকার নির্দেশ দেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান বলেন, আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ মনে করে সাতক্ষীরাকে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় শান্তির জনপদে পরিণত করা হয়েছে। সকলে নির্বাচনের বিধিমালা অনুসরণ করতে হবে। নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। আইনশৃংখলা রক্ষায় ভোটারদের যে কোন শংকা দূর করে আশান্বিত হওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, যার ভোট সেই দেবেন, যাকে খুশি তাকেই দেবেন। বিচার বিবেচনা করে ভোট দেবেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খুলনা র‌্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর মাহবুব বলেন, নির্বাচন আচরণবিধি ও আইনশৃংখলা রক্ষা করবেন। যে কোন বিশৃংখলা রক্ষার্থে ও শৃংখলা আনতে র‌্যাব সর্বাত্মক চেষ্টায় থাকবেন। কেউ বিশৃংখলা করার চেষ্টা করলে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তাৎক্ষনিক ভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সাতক্ষীরা-১ আসনের কলারোয়ার সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরএম সেলিম শাহনেওয়াজের সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইলতুৎমিশ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনিন্দিতা রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মেরিনা আক্তার, সহকারী পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবির, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসফিয়া সিরাত, আমিনুল ইসলাম, আরিফ আদনাম, লিখন বনিক, ইদ্রজিত সাহা, আজহার আলী ও মুর্শিদা খাতুন, ডিজিএফআই’র শাখা অধিনায়ক রাশেদ সরোয়ার, শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার বিদ্রোহ কুন্ডু ও আশরাফ হোসেন, ৩১ আনসার ব্যাটালিয়নের উপ-পরিচালক মোরশেদা খানম, কলারোয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মারুফ আহমেদ, কলারোয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, সাংগঠনিক কমান্ডার সৈয়দ আলী গাজী, ডেপুটে কমান্ডার আবুল হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরাফাত হোসেন, উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক ভিপি মোরশেদ আলী, হেলাতলা ইউনিয়ন পরিষদরে চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা পরিষদ সদস্য আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন, ইমাম পরিষদের পক্ষে মোয়াজ্জেম হোসেন, কলারোয়া উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি সিদ্ধেশ্বর চক্রবর্তী, লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাস্টার নুরুল ইসলাম, কলারোয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা আনোয়ার ময়না, কলারোয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার মাসুদুর রহমান, উপজেলা কৃষি অফিসার মহাসিন আলী, পল্লী উন্নয়ন অফিসার সন্দীপ কুমার প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে এই প্রথম নির্বাচনের ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব পাওয়া উপজেলার গ্রাম পুলিশদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা মুলক বক্তব্য রাখেন অতিথিবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় ধান ঝাড়াইয়ে ব্যস্ত কৃষক-কৃষাণী

তালা প্রতিনিধি: তালা উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষক-কৃষাণীরা ধান ঝাড়াইয়ে (পরিষ্কার) অতি ব্যস্থতার মধ্যে সময় অতিবাহিত করছেন। শীতের মিষ্টি মিষ্টি আমেজে যেমনই বেড়েছে অতিথির আনাগোনা তেমনি মেহমানদারিত্বে পিঠাপুলির একটি অংশ ছাড়া যেন জমছে না বলে মনে করছেন কৃষক-কৃষাণী। তাইতো নতুন আমন ধান ঝাড়াই এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করতে নাওয়া খাওয়া পিছনে ফেলে সময় পার করছেন তারা। সাধারণত অগ্রাহায়ণের মাঝামাঝি সময়ে বীজতলা তৈরী শেষে আমন ধান গাছ লাগানো হয়। আর এই ফসলটি অনেকটা বৃষ্টির পানির উপরই নির্ভরশীল কৃষককুল। তবে এ বছর বৃষ্টিপাত একেবারেই কম থাকাই কৃষকরা পড়েছিলেন মহা বিপাকে। উপায়ন্তুর না পেয়ে অধিকাংশ কৃষকগণ ধান গাছের ভালো ফলনের আশায় সেচ পাইপ দ্বারা পানি দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। বৃষ্টির পানি ছাড়া এ ফলনটি খুব একটা ভালো আশা করা যায় না। তবুও কষ্টের্জিত ফসল যা পেয়েছেন কৃষককুল তা নিতান্তই খারাপ না। অগ্রাহায়নের শুরুতে আমন ফসলটি কর্তন করে থাকেন কৃষক-কৃষাণী। এ বছরও তার বিপরীত ঘটেনি। ইতিমধ্যে অধিকাংশ কৃষকরা আমন ধান ঝাড়াইয়ের কাজ শেষ করে ফেলেছেন। যাদের এখনও বাকি আছে তারাও ধান ঝাড়াইয়ে ব্যস্থতার মাঝে সময় পার করছেন। আমন ধানের পিঠাপুলির যেন স্বাদই অন্যরকম। সাধারণত এ চালের পিঠা দিয়ে রসপিঠা, তেলপিঠা, পাকানপিঠা, কুলি পিঠা সহ হরেক রকমের পিঠাপুলি তৈরী করেন গৃহিণীরা। নতুন জামাইয়ের মেহমানদারিত্বে তার কোনো অংশে কমতি রাখেন না। অন্যান্য স্বজনরা যেন এর থেকে বাদ পড়েন না। উপজেলার কুমিরা গ্রামের আব্দুস সালামের পুত্র শহিদুল ইসলাম বলেন, জমি বন্ধকী নিয়ে ২ বিঘা মতো জায়গায় ধানগাছ রোপন করেছিলাম। বৃষ্টির পানি যেন একেবারেই না থাকায় সেচ দ্বারা ফসলি ক্ষেতে পানিও দিয়েছিলাম। মন মতো ফলন না পেলেও কোনো অংশ কমতি নেই গাছগুলোতে ধান। ধানাধীন কিছু এলাকার মাঠ-ঘাট ঘুরে সরেজমিনে দেখা যায়, কৃষকরা ধান গাছ কেউ কাটছেন, আবার কেউ গাছ গুলো বাধার কাজে ব্যস্থ আছেন। তড়িঘড়ি করে বাড়িতে নেয়ার জন্য ইচ্ছার যেন কোনো ত্রুটিই নেই। অনেকে আবার ফসলি ক্ষেতে ধান ঝাড়াইয়ের মেশিন দিয়ে গাছ হতে ধান গুলো পরিষ্কারে ব্যস্থতার সময় পার করছেন। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এ বছর বৃষ্টিপাত কম থাকায় কৃষকরা চাষকৃত জমি সুবিধায় আনতে পারেনি। তবে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ কোনো অংশে ঘাটতি হবে না বলে আশা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest