সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরামুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ

কাদের থাকেন স্ত্রীর বাড়িতে, ফখরুল ঘোরেন বউয়ের গাড়িতে

দেশের খবর: ওবায়দুল কাদের, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তিনি। এছাড়াও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী তিনি। অথচ রাজধানীতে তার কোনো বাড়ি বা ফ্ল্যাট নেই। থাকেন স্ত্রীর বাড়িতে। আর রাজনীতিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মহাসচিব সাবেক মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলামের নিজস্ব কোনো গাড়ি নেই। স্ত্রীর দেয়া গাড়ি ব্যবহার করেন তিনি। রাজনীতির দুই মেরুর এই দুইজনই স্ত্রীর দ্বারস্থ। মির্জা ফখরুল একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ এবং ওবায়দুল কাদের নোয়াখালী-৫ আসন থেকে নির্বাচন করছেন।

ওবায়দুল কাদেরের সম্পদ স্ত্রীর চেয়ে বেশি। তার স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে- উত্তরায় অর্জনকালীন সময়ের ৫০ লাখ ৭৯ হাজার ৬০০ টাকা মূল্যের অকৃষি জমি এবং পৈতৃক সম্পত্তি হিসেবে ৬০ শতাংশ অকৃষি জমি। ওবায়দুল কাদেরের নিজস্ব কোনো বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্ট নেই। স্ত্রীর অর্জনকালীন সময়ের ১৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের এক হাজার ৫০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট আছে।

মামলাসংক্রান্ত বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেছেন- বর্তমানে তার নামে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই। অতীতে ১২টি মামলা দায়ের হয়েছিল। অব্যাহতিমূলে ৯টি নিষ্পত্তি এবং ৩টিতে খালাস পেয়েছেন।

আয়ের স্থানে তিনি উল্লেখ করেছেন- বাড়িভাড়া/অ্যাপার্টমেন্ট/দোকান বা অন্যান্য ভাড়া থেকে বছরে আয় ১৩ লাখ ৬৮ হাজার টাকা, পেশা (শিক্ষকতা, চিকিৎসা, আইন, পরামর্শক ইত্যাদি) থেকে ১২ লাখ ৬০ হাজার, বই লিখে আয় চার লাখ ৮৯ হাজার ৬৫১ টাকা। ৩১ লাখ ১৭ হাজার ৬৫১ টাকা। মাসিক গড় আয় দুই লাখ ৫৯ হাজার ৮০৪ টাকা ২৫ পয়সা।

স্ত্রীর আয় আসে বাড়িভাড়া/অ্যাপার্টমেন্ট/দোকান বা অন্যান্য ভাড়া থেকে; বছরে আয় দুই লাখ ৬৬ হাজার ৪৩৬ টাকা, ব্যবসা থেকে আয় তিন লাখ ৯৩ হাজার ২৬০ টাকা, অন্যান্য আয় দেখিয়েছেন- তিন লাখ ৯৬ হাজার ৫১৯ টাকা।

ওবায়দুল কাদেরের অস্থাবর সম্পদের মধ্যে তার নিজের নগদ টাকা আছে ৫৫ হাজার টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ৮৩ লাখ ৫৮ হাজার ৭৪২ টাকা। পোস্টাল, সেভিংস সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্র বা স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ এক কোটি ২৪ লাখ ২১ হাজার। ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ব্যক্তিগত গাড়ি আছে। আর এক লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ২৫ তোলা স্বর্ণ আছে। তিনি উপহার পাওয়া মোবাইল ব্যবহার করেন। নিজের নামে আট লাখ ৭৫ হাজার টাকার আসবাবপত্র আছে।

স্ত্রীর হাতে নগদ ৫০ হাজার টাকা আছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ২৬ লাখ ৩৪ হাজার ৬১১ টাকা। পোস্টাল, সেভিংস সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে বা স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ৫৫ লাখ ৯ হাজার ৮৪৫ টাকা, ব্যক্তিগত কোনো গাড়ি নেই। এক লাখ টাকা মূল্যের ২০ তোলা স্বর্ণ আছে। ১২ হাজার টাকার টিঅ্যান্ডটি ও মোবাইল আছে। আছে এক লাখ টাকার আসবাবপত্র।

অন্যদিকে স্ত্রীর ১৭ লাখ ৫৮ হাজার ১৪০ টাকা দামের একটি গাড়ি দানসূত্রে ব্যবহার করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া স্ত্রীর ব্যাংক-ব্যালেন্স তার চেয়ে বেশি।

হলফনামা অনুযায়ী, ফখরুলের নগদ ৪২ লাখ ৭১ হাজার ও ব্যাংকে এক লাখ ৪৩ হাজার টাকার মতো রয়েছে। তবে স্ত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২১ লাখ ৭২ হাজার ৮৭০ টাকা রয়েছে। হলফনামায় ফখরুল তার আয়ের উৎস উল্লেখ করেন শিক্ষকতা, চিকিৎসা, আইন ও পরামর্শক। এই চার খাত থেকে তিনি বছরে সর্বোচ্চ ছয় লাখ টাকা আয় করেন। এছাড়াও ফখরুল কৃষিখাত থেকে ৯৯ হাজার ৫০০, মার্কেটের ফার্মের শেয়ার থেকে এক লাখ ২৫ হাজার ৯৪৭, শেয়ার বাজার ও ব্যাংক আমানত থেকে এক লাখ ৪১ হাজার ১৮১ টাকা, দি মিজার্স প্রাইভেট লিমিটেড থেকে এক লাখ ৬২ হাজার টাকার সম্মানী, ব্যাংকসুদ থেকে দুই হাজার ৮০৫ টাকা আয় করেন।

অতীতে ৩৮টি এবং বর্তমানে ৭টি ফৌজদারি মামলার আসামি তিনি। এর মধ্যে ১৪টি মামলার চার্জ গঠন ও শুনানি চলছে। হলফনামায় তিনি ৪৫টি মামলার কথা উল্লেখ করেন যার অধিকাংশ, নাশকতা, ভাঙচুরের হুকুম দেয়ার। ১৪টির কার্যক্রম চললেও বাকি মামলাগুলোর কার্যক্রম হাইকোর্ট স্থগিত করেছেন, কয়েকটিতে অব্যাহতি পেয়েছেন।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট। এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষদিন ছিল ২৮ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই ২ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ ডিসেম্বর আর প্রতীক বরাদ্দ ১০ ডিসেম্বর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ফলোঅন করে বাংলাদেশের ইতিহাস

খেলার খবর: প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ গড়ে রানের পাহাড়, ৫০৮ রান। এর জবাবে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ মাত্র ১১১ রানে ইনিংস গুটিয়ে নেয়। বাংলাদেশি স্পিনারদের ঘূর্ণিতেই চরম ব্যাটিং বিপর্যয় হয়েছে তাদের। তাই প্রথম ইনিংসেই ৩৯৭ রানের লিড পায় স্বাগতিকরা। শুধু তাই নয়, ফলোঅনে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে এই প্রথম কোনো দলকে ফলোঅনে পাঠাতে পেরেছে বাংলাদেশ।

আর বাংলাদেশের বিপক্ষে ক্যারিবীয় দলটির এটিই সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর। আগের দিনের পাঁচ উইকেটে ৭৫ রান নিয়ে এদিন ব্যাট করতে নেমে অতিথি দলটি যোগ করতে পেরেছে মাত্র ৩৬ রান। তরুণ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণি-জাদুতেই এই বিপর্যয় হয়েছে তাদের।

ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চেপে ধরেন মিরাজ। তিনি ১৬ ওভারে ৫৮ রান দিয়ে সাত উইকেট তুলে নেন। বাকি তিনটি উইকেট নেন সাকিব আল হাসান, ২৭ রান খরচায়।

এর আগে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে করে ৫০৮ রান। যাতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন মাহমুদউল্লাহ। ২৪২ বল খেলে ১৩৬ রানের চমৎকার একটি ইনিংস খেলেন তিনি।

তরুণ ওপেনার সাদমান ইসলাম খেলেন ৭৬ রানের চমৎকার একটি ইনিংস, যাতে তিনি বল খরচ করেছেন ১৯৯টি। আর মুমিনুল ও মিঠুন ২৯ রান করে নেন। ওপেনার সৌম্য সরকার করেন ১৯ রান।

পরে পঞ্চম উইকেট জুটিতে সাকিব-মুশফিক কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। কিন্তু মুশফিক দ্রুত ফিরে গেলে (১৪) কিছুটা চাপে পড়ে যায় দল। তবে সেই চাপ সামলে দলকে এগিয়ে নেন সাকিব ও মাহমুদউল্লাহ জুটি। দুজনে ১১১ রানের জুটি গড়েন। তবে সাকিব ১৩৯ বলে ৮০ রান করে আউট হন। এক টেস্ট পর দলে ফিরে আট নম্বরে ব্যাট করতে নেমে লিটন দাস ৫৪ রানের চমৎকার একটি ইনিংস খেলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নগ্ন হয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন রাখি!

বিনোদনের খবর: বলিউড এখন রাখি সায়ন্তকে নিয়ে সরগরম। তার একের পর এক অদ্ভুত ঘোষণায় এই অবস্থা। সম্প্রতি বিয়ের ঘোষণা দেন নানা সময়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করে আসা এই অভিনেত্রী।
তিনি ইনস্টাগ্রামে এক ভিডিওতে বলেন, ‘আমি বিয়ে করতে যাচ্ছি। চাইলেই সবাই বিয়েতে আসতে পারেন। বিয়ের অনুষ্ঠান লস অ্যাঞ্জেলসে হতে চলেছে।’

রাখি সায়ন্ত বিয়ে করতে যাচ্ছেন দীপক কালালকে। তিনিও রাখির মতো বিতর্কিত ভিডিও পোস্ট করে মাঝে মধ্যেই সংবাদ শিরোনামে আসেন। আগামী ৩১ ডিসেম্বর তাদের গাঁটছড়া বাঁধার কথা রয়েছে।
এদিকে এই বিয়েকে কেন্দ্র করে আরো বিতর্ক ছড়িয়ে দিলেন রাখি। জানা গেছে, রাখি ও দীপক নাকি সম্পূর্ণ নগ্ন হয়েই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন!

ইনস্টাগ্রামে রাখি লিখেন, দীপক ও তিনি নগ্ন হয়ে বিয়ে করবেন। বিয়ের পোশাক না কিনে সেই টাকায় কম্বোডিয়া ও সোমালিয়ার দরিদ্র মানুষদের অর্থ সাহায্য করবেন।
স্বাভাবিকভাবেই এমন অদ্ভুত ঘোষণার পরে সেই পোস্ট ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এর আগেই রাখির কৌমার্য পরীক্ষার সার্টিফিকেট ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছিলেন দীপক। তা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা।

এদিকে রাখি সত্যিই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকে। সে জন্য রাখি ভক্তদের অপেক্ষা করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও নির্বাচনের সুযোগ আছে’

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আজ রোববার থেকে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ৯ ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে। তবে মনোনয়ন বাতিল হলেও নির্বাচনের সুযোগ আছে বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

তিনি বলেন, রিটার্নিং অফিসারের বিবেচনা সাপেক্ষে একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও সেই প্রার্থীর সামনে নির্বাচনের সুযোগ আছে। এ ক্ষেত্রে রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক বাতিল হওয়ার পর প্রার্থী নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রাথমিক পর্যায়ে আপিল করতে পারেন। নির্বাচন কমিশনও যদি প্রার্থীর আবেদন বাতিল করে দেয়, তখন প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করতে পারবেন। আর হাইকোর্ট যদি তার আবেদন মঞ্জুর করেন তা হলে ওই প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দ্বিতীয় ইনিংসেও সাকিব-মিরাজের স্পিনে নাকাল উইন্ডিজ

খেলার খবর: ৩৯৭ এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ ফলোঅন করিয়েছে উইন্ডিজকে। দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমে সফরকারীরা আবারও শুরুতে ধাক্কা খায়। প্রথম ইনিংসের চিত্রনাট্যেই যেন শুরু হয় তাদের দ্বিতীয় ইনিংস। প্রথম আঘাত হানেন সেই সাকিব আল হাসান। তার ঘূর্ণিতে দলীয় ২ রানে এলবিডাব্লিউ হয়ে যান উইন্ডিজ অধিনায়ক ব্র্যাথওয়েট (১)। এরপর চিত্রনাট্য অনুযায়ী মঞ্চে আসেন মেহেদী মিরাজ। তুলে নেন কাইরন পাওয়েলের উইকেট। ১৪ রানে ২ উইকেট হারিয়ে এখন কাঁপছে সফরকারীরা।

এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সেঞ্চুরিতে ৫০৮ রানে পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ। ক্যারিয়ারে তৃতীয়বারের মতো তিন অংকে পা রাখা মাহমুদউল্লাহ ১৩৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস উপহার দেন। সর্বশেষ তিন টেস্টে এটা তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। হাফ সেঞ্চুরি করেন অধিনায়ক সাকিব (৮০), অভিষিক্ত সাদমান (৭৬) এবং লিটন দাস (৫৪)।

বাংলাদেশের ৫০৮ রানের জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১১১ রানে অল-আউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তারা খেলতে পেরেছে মাত্র ৩৬.৪ ওভার। দুই ঘূর্ণি তারকা অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ৩টি এবং মেহেদী হাসান মিরাজ ৭ উইকেট শিকার করেন। মিরাজের ক্যারিয়ারে ৬ষ্ঠ বারের মতো ৫ উইকেট শিকার। স্পিন বিষে নীল ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন শিমরন হেটমায়ার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৭ রান শন ডারউইচের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে কারণে ভোটে নেই বিএনপির হেভিওয়েটরা

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। দলটির হাইকমান্ড বলছে-মামলার কারণে কেউ অংশ না নিতে পারলে কোনো আসনে যেন দলের প্রার্থী শূন্য না থাকে, সে জন্য প্রতিটি আসনে বিকল্প প্রার্থী রাখা হয়েছে। কিন্তু বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া নেতারা বলছেন-এভাবে ঢালাও মনোনয়ন দিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল করা হয়েছে।
একই আসনে একাধিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়া হলেও মনোনয়নবঞ্চিত হয়েছেন অনেক পোড় খাওয়া নেতা। অনেকে মনোনয়ন পেয়েও নির্বাচন করছেন না। এ নিয়ে দলটিতে চলছে নানা গুঞ্জন।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির অন্তত তিন সদস্য এবার ভোট করছেন না। ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যেও কেউ কেউ নির্বাচন করছেন না। কেউ কেউ মনোনয়নই পাননি। ভোটে না থাকার তালিকায় রয়েছেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টারাও। বাদ নেই যুগ্ম মহাসচিব পর্যায়ের নেতারাও।

ভোটে না থাকা নেতাদের মধ্যে কেউ কেউ মনোনয়ন পাননি। কেউ কেউ মনোনয়ন পেয়েও নির্বাচন করছেন না, কাঙ্ক্ষিত আসন না পাওয়ায়। আবার কেউ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেও শেষ পর্যন্ত জমা দেননি।

এমন নেতার মধ্যে রয়েছেন-দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.)মাহবুবুর রহমান, নজরুল ইসলাম খান ও সালাহউদ্দিন আহমেদ। রয়েছেন ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, গাজীপুরের সাবেক মেয়র অধ্যাপক এমএ মান্নান। ভাইস চেয়ারম্যান এজেডএম জাহিদ হোসেন মনোনয়ন পেলেও সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় ভোট করতে পারছেন না।

চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের মধ্যে নির্বাচন থেকে দূরে রয়েছেন-অধ্যাপক মামুন আহমেদ। আমানউল্লাহ আমান ও মশিউর রহমান মনোনয়ন পেলেও হাইকোর্টের রায়ে নির্বাচন করতে পারছেন না।

যুগ্ম মহাসচিবদের মধ্যে রয়েছেন-রুহুল কবির রিজভী, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও হাবিব-উন নবী খান সোহেল। তারা সবাই একাদশ সংসদ নির্বাচনে দর্শক। বিএনপির রাজনীতিতে তারা সবাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। দলের সংকটে সামনে থেকে নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন। এদের বেশিরভাগেরই নির্বাচন করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাকিরা আগে নির্বাচন না করলেও এবার করার জন্য প্রস্তুত ছিলেন।
দলের চার সহসাংগঠনিক সম্পাদকও মনোনয়ন নিয়ে ক্ষুব্ধ। তারা হলেন-মাহবুবুল হক নান্নু, আ ক ন কুদ্দুসুর রহমান, সেলিমুজ্জামান সেলিম ও মাশুকুর রহমান।
মনোনয়নবঞ্চিত হয়েছেন-সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমদ (লক্ষ্মীপুর-১) ও হারুন অর রশিদও (চাঁদপুর-৪)। তারা দুজনই ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত হন।

দলের মনোনয়নপত্র নেননি দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, নজরুল ইসলাম খান, রুহুল কবির রিজভী। মনোনয়নপত্র তুলেও নির্বাচন করছেন না যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন নবী খান সোহেল।
আবার সাবেক এমপিসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েক নেতাকে মনোনয়নই দেয়া হয়নি। নজরুল ইসলাম নির্বাচন না করলেও তাকে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

যে কারণে ভোটে নেই
মাহবুবুর রহমান
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. মাহবুবুর রহমানও নির্বাচন করছেন না। তিনি দিনাজপুর-২ আসন থেকে দুবার দলের মনোনয়ন পান। একবার সংসদ সদস্যও নির্বাচিত হন। নির্বাচনে না যাওয়ার বিষয়ে মাহবুবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, আমার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়; তাই নির্বাচন করছি না।

নজরুল ইসলাম খান
স্থায়ী কমিটির এই নেতার নির্বাচন করার অভিজ্ঞতা নেই বললেই চলে। তবু শোনা যাচ্ছিল স্বাভাবিক নির্বাচন হলে তিনি এবার জামালপুরের একটি আসনে নির্বাচন করতে পারেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়ে উঠল না। তিনি বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ কক্সবাজার থেকে নির্বাচন করেন। তার আসনে স্ত্রী হাসিনা আহমেদকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলায় ভারতের আদালতে খালাস পেলেও তিনি এখনও দেশে ফিরতে পারেননি। এ কারণে তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি।

আবদুল আউয়াল মিন্টু
নির্বাচন না করা প্রসঙ্গে দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, আমার কখনই নির্বাচন করার শখ ছিল না। পরিবারের মধ্যে আমার বাবা-ভাই নির্বাচন করেছেন। অতীতে আমি কখনও নির্বাচনে অংশ নিইনি। এখন যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। দলের নেতাকর্মী-সমর্থকরা গ্রেফতার-মামলা ও হয়রানির মুখে পড়ছেন প্রতিনিয়ত।

এ রকম অবস্থায় আমি মনে করছি-নির্বাচনে অংশগ্রহণের চেয়ে নির্বাচন পরিচালনায় আমার সময় ও অবদান রাখা উচিত। সে জন্য দলের বৃহত্তর স্বার্থে আমি নির্বাচন না করে দলের নির্বাচনী কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

কারণ নির্বাচন পরিচালনায় দলে এখন পর্যাপ্ত ও অভিজ্ঞ লোকজনের অভাব রয়েছে। সে জন্য আমি মনে করছি-দলের এ রকম গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নির্বাচন করার চেয়ে নির্বাচনী কাজে সময় ও শ্রম দেয়া জরুরি। তিনি বলেন, দলও মনে করে যে নির্বাচন পরিচালনার কাজে আমি সম্পৃক্ত থাকি। আমার মনোনয়নপত্র দাখিল নিয়ে যেসব খবর গণমাধ্যমে আসছে তা সঠিক নয়। এ নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল।

অধ্যাপক এমএ মান্নান
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক এমএ মান্নান চেয়েছিলেন গাজীপুর-২ আসন থেকে নির্বাচন করতে। গত সিটি নির্বাচনে মনোনয়নবঞ্চিত মান্নানকে সংসদ নির্বাচনও মূল্যায়ন করা হয়নি। তবে তার ছেলে মঞ্জুরুল আলম রনিকে যৌথভাবে ওই আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

রিজভী
রুহুল কবির রিজভীর রয়েছে শক্ত রাজনৈতিক পটভূমি। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নির্বাচিত ভিপি ছিলেন। ‘৯০-এর গণআন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ছিলেন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি।
রুহুল কবির রিজভী বহুদিন ধরে বিএনপির কেন্দ্রীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি এর আগে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ছিলেন। পরে যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন। দলের সংকটময় মুহূর্তে রিজভী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দলের বার্তা সারা দেশের নেতাকর্মীদের মধ্যে পৌঁছে দেন। মাসখানেক টানা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তার থাকার ইতিহাসও রয়েছে। রিজভী কুড়িগ্রাম কিংবা রাজশাহীর একটি আসন থেকে নির্বাচন করার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনে নেই। মনোনয়নপত্রই সংগ্রহ করেননি।

নির্বাচন না করার বিষয়ে রিজভী গণমাধ্যমকে বলেন, খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে এবং তারেক রহমানকে নির্বাসিত রেখে তিনি নির্বাচন করবেন না। এ ছাড়া বর্তমান ‘একনায়কতান্ত্রিক’ সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে লড়াই করছে। শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন তিনি করবেন না।

আলাল
যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের রাজনৈতিক হাতেখড়ি ছাত্রদলের রাজনীতি দিয়ে। পরে তিনি যুবদলের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে প্রায় এক দশক সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল একজন সুবক্তা হিসেবে পরিচিত। টিভিতে টকশোয় দলের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। গত এক দশকে তার বিরুদ্ধে অন্তত ‌১০০ মামলা হয়েছে। বহুবার কারাবরণ করতে হয়েছে। তবু হাল ছাড়েননি।
আলাল ২০০৮ সালে মোহাম্মদপুর-আদাবর আসন থেকে নির্বাচন করেন। এবার বরিশাল-৫ আসন থেকে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন; কিন্তু দল তাকে মনোনয়ন দিয়েছে বরিশাল-২ আসন থেকে। তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেননি।

বরিশাল-২ আসনে এবার আলালের পাশাপাশি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সরফুদ্দিন সান্টুকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। আর আলালের কাঙ্ক্ষিত আসনে এবার মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির আরেক যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার।
মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের ভোটে না থাকার রহস্য কি? দলীয় মনোনয়ন পেয়েও কেন তিনি নির্বাচন করছেন না তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা কথা হচ্ছে।

কেউ কেউ বলছেন, কাঙ্ক্ষিত আসন বরিশাল-৫ (সদর) আসনে মনোনয়ন না পাওয়ায় নাখোশ হয়েছেন আলাল। কারণ তিনি আগেই বলে রেখেছিলেন-ওই আসনে দলীয় মনোনয়ন না পেলে ভোট করবেন না।

অনেকে বলছেন, বরিশাল-৫ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী সরোয়ার। ওই আসনে মনোনয়ন দৌড়ে সরোয়ারের কাছে হেরে যাওয়াটাকে মেনে নিতে পারছেন না আলাল। তাই হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তে নাখোশ হয়ে ভোট থেকেই সরে দাঁড়িয়েছেন।

তবে মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলছেন ভিন্নকথা। এ বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপির দুই শীর্ষ নেতা খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান নির্বাচন করতে পারছেন না। তাদের একজন কারাবন্দি, অন্যজন নির্বাসিত। এমতাবস্থায় জাতীয়তাবাদী আদর্শের একজন কর্মী হিসেবে তিনি নির্বাচন করতে পারেন না।

আলালের ভাষ্য-‘খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান তারা আমাদের জাতীয়তাবাদী শক্তির মূল অনুপ্রেরণার উৎস ও উজ্জীবনী শক্তি। তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারলে আমিও সে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী নই। এ জন্যই আমি মনোনয়নপত্র দাখিল করিনি।’

সোহেল
হাবিব-উন নবী খান সোহেলের রাজনৈতিক পটভূমি খুবেই সুদৃঢ়। তিনি ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হিসেবে সারা দেশে এ অঙ্গ-সংগঠনকে মজবুত ভিত্তি দেন। সোহেল বিএনপির তরুণ প্রজন্মের কাছে বেশ জনপ্রিয়। দলের পোড় খাওয়া নেতাদের মধ্যে তিনি একজন। তিনি ঢাকার রাজনীতিতে সক্রিয়। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি পদে রয়েছেন।
তার বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তিনি এখনও কারাবন্দি।

সোহেল ২০০৮ সালে ঢাকা-৮ আসন থেকে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন। এবারও ওই আসন থেকেই তার পক্ষ হয়ে মেয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু বিএনপির হাইকমান্ড তাকে অন্য আসন দিতে চেয়েছিল। তাই তিনি নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সোহেল কারাবন্দি থাকায় এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ প্রসঙ্গে সোহেলের মেয়ে জান্নাতুল ইলমি সূচনা এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দেন ফেসবুকে।
সেখানে তার বাবার মনোনয়ন সম্পর্কে ইলমি লেখেন- ‘এমন না যে তাকে আসন দেয়া হয়নি। একাধিক আসনের প্রস্তাব ছিল। কিন্তু আমাদের দাবিতে আপসহীন ছিলাম। যোগ্যতার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘খান’ পদবী বাদ দিলেন মালাইকা

বিনোদনের খবর: বলিউডের আলোচিত তারকা মালাইকা আরোরা ও অর্জুন কাপুরের প্রেম নিয়ে আলোচনা থামতেই চাইছে না। দুই জন এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেননি। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের অন্তরঙ্গ ছবি, একসঙ্গে ডিনার, অবকাশযাপন সাক্ষ্য দিচ্ছে যে তারা প্রেম করছেন।
সামাজিক মাধ্যমে সম্প্রতি একটি ছবি শেয়ার করেছেন মালাইকা। সেখানে গলায় একটি ‘এএম’ (অর্জুন-মালাইকা) চিহ্নিত লকেট পরে থাকতে দেখা গেছে তাকে।
বলিউড অভিনেতা আরবাজ খানের সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে যাওয়ার পরও মালাইকার ইনস্টাগ্রামের নাম ‘মালাইকা আরোরা খান’ই ছিল। অভিনেত্রী এবার সেখান থেকে ‘খান’ বাদ দিয়ে দিয়েছেন। গুঞ্জন আছে, আগামী বছর বিয়ে করতে যাচ্ছেন অর্জুন-মালাইকা। সূত্র: ফিল্মফেয়ার

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চাঁদের বিপরীত পিঠে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা চীনের

বিদেশের খবর: চাঁদের বিপরীত পিঠের মাটি কেমন, সেখানে বরফের পুরু স্তর আছে কিনা এমন সব তথ্যই খুঁজে বের করতে এই প্রথম চাঁদের উল্টো পিঠে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে চীন। আর সেই উদ্দেশ্যেই মহাকাশে পাড়ি জমাচ্ছে চীনা ল্যান্ডার ‘শাঙ্গে-৪’। তার সঙ্গে যাচ্ছে একটি রোভারও।

জানা গেছে, চাঁদের যে দিকটি আমরা দেখতে পাই না, সেই দিকের একটি কক্ষপথে ঘুরছে চীনা উপগ্রহ ‘শেকিয়াও’। কক্ষপথ থেকে ‘শাঙ্গে-৪’র ওপর নজর রাখবে ‘শেকিয়াও’। চীনের ‘ন্যাশনাল স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’র (সিএনএসএ) গ্রাউন্ড স্টেশন আর ‘শাঙ্গে-৪’র মধ্যে বার্তা বিনিময় করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest