সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরামুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ

‘পার্বত্য শান্তি চুক্তি সংবিধান বিরোধী’

দেশের খবর: পার্বত্য ভূমি কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি খাদিমুল ইসলাম চৌধুরী ব‌লে‌ছেন, ‘পার্বত্য শান্তি চুক্তি সংবিধান পরিপন্থী। তবে এটি আপিল বিভাগে পেন্ডিং আছে। পেন্ডিং থাকা অবস্থায় কাজ চলছে। কিন্তু সাংবিধানিক ভাবে চুক্তির অস্তিস্ব নেই।’

শ‌নিবার জাতীয় প্রেসক্লা‌বের কনফা‌রেন্স লাউ‌ঞ্জে‘পার্বত্য নাগরিক পরিষদের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২১ বছরে জাতির প্রত্যাশা ও প্রাপ্ত’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তি‌নি এ কথা ব‌লেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যের বিচারপতি খাদিমুল ইসলাম বলেন, ‘১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় পার্বত্য শান্তি চুক্তিতে সই হয়।’

পার্বত্য চট্টগ্রামে মানুষের যে ভূমির অধিকার ও তাদের বসবাসের অধিকারে ডিস্টার্ব করার অধিকার কারও নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চুক্তি হওয়ার পরবর্তীতে দেখা গেল বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। একজনের পৈতৃক জমি আর কাউকে দেয়া যাবে না, যাদের জমি তারই থাকবে। এ ধরনের অনেক বাস্তব সমস্যা দেখা দিল। এর বিরুদ্ধে দুটি রিট পিটিশন হলো। এ মামলায় দেশের নামকরা সব আইনজীবীরা যুক্তি-তর্ক দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত দেখা গেল এটি আমাদের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ফলে হাইকোট এমন রায় দিলেন যাতে এ চুক্তির অস্তিস্ব এখন আর নেই।’

খাদিমুল ইসলাম বলেন, ‘পার্বত্য শান্তি চুক্তি সংবিধান পরিপন্থী। তবে এটি আপিল বিভাগে পেন্ডিং আছে। পেন্ডিং থাকা অবস্থায় কাজ চলছে। কিন্তু সাংবিধানিক ভাবে চুক্তির অস্তিস্ব নেই। সংবিধান পরিপন্থী যেটা সেটা তো আমরা মানব না। আপিল বিভাগে যেহেতু পেন্ডিং আছে, সেহেতু এটা তারাই বিচার করবে। কিন্তু যে চুক্তিটা সংবিধান পরিপন্থী তা বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকের ওপর বহাল না। আমরা এটা মানতে রাজি না।’

পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন- জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সোলায়মান আলম শেঠ, পার্বত্য নিউজের সম্পাদক মেহেদী হাসান পলাশ, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মো. শেখ আহাম্মদ রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবদুল হামিদ রানা প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যা আছে হাসিনা-খালেদার হলফনামায়

দেশের খবর: বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ দুজন নারী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া হলফনামা থেকে জানা এই দুই নেত্রীর জানা অজানা নানান তথ্য। চলুন তাহলে জেনে নেই তাদের দুজনের জানা অজানা তথ্য।

যা আছে শেখ হাসিনার হলফনামায় :

হলফনামায় শেখ হাসিনা তার স্বামীর নাম উল্লেখ করেছেন এম. এ. ওয়াজেদ, মাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা, ঠিকানায় লিখেছেন বাসা-৫৪, রাস্তা-৫, ধানমন্ডি আ/এ, নিউমার্কেট, ঢাকা।

নির্বাচনী এলাকা রংপুর-৬ ও গোপালগঞ্জ-৩। সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্য বিএ পাশ। বর্তমানে কোনো ফৌজদারী মামলা নেই তার। অতীতে ১৬টি মামলা দায়ের হয়েছিল।

শেখ হাসিনা তার আয় উল্লেখ করেছেন— কৃষিখাত থেকে ৩লাখ টাকা, বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্ট/দোকান বা অন্যান্য ভাড়া থেকে আয় ১লাখ ৩৮ হাজার ৬২৫টাকা। ব্যবসা (রয়্যালিটি বাবদ) থেকে আয় ১৬ লাখ ৯৬ হাজার ৯টাকা। শেয়ার, সঞ্চয়পত্র/ব্যাংক আমানত থেকে আয় ১২ লাখ টাকা।

পেশা থেকে আয় উল্লেখ নেই। চাকরি (সম্মানী ভাতা) থেকে আয় ১৬লাখ ৩৮ হাজার টাকার। অন্যান্য খাত থেকে আয় দেখানো হয়েছে ২৭ লাখ ৭৬ হাজার ৭৬০টাকা। বছরে মোট আয় ৭৭ লাখ ৪৯ হাজার ৩৯৪ হাজার টাকা। সেহিসেবে মাসে আয় করেন মোট ৬লাখ ৪৫ হাজার ৭৮২ টাকা ৮৩ পয়সা।

নির্ভরশীলদের আয়ের তথ্যের ঘরে প্রযোজ্য নয় লেখা হয়েছে।

শেখ হাসিনার সম্পদের বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে— নগদ টাকার পরিমাণ ৮৪ হাজার ৫৭৫ টাকা। বৈদেশিক মুদ্রা নেই। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমার পরিমাণ ৭ কোটি ২১ লাখ ৮৫ হাজার ৩০৩ টাকা। পোস্টাল, সেভিংস সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন ধরণের সঞ্চয় পত্রে বা স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ৫লাখ টাকা। দানে প্রাপ্ত ৬লাখ টাকার যানবাহন থাকার কথাও উল্লেখ করেছেন। অলংকার রয়েছে ১৩ লাখ ২৫ হাজার টাকার। এছাড়া ৭ লাখ ৪০ হাজার টাকার আসবাবপত্র রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে তার হলফ নামায়।

এছাড়া ৬লাখ ৭৮ হাজার টাকার (অর্জিত সময়ের মূল্য) ৬ একর কৃষি জমি আছে। অর্জিত সময়ের মূল্যের অকৃষি জমি রয়েছে ৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকার। এছাড়া তার কোনো দায়-দেনা-ঋণ নেই।

হলফনামায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে— ১২টি মামলায় অব্যহতি পেয়েছেন। একটি খারিজ হয়েছে। দু’টি মামলার বিবরণীতে লেখা হয়েছে- অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে তা সিএমএম আদালত ঢাকা কর্তৃক গৃহীত হয়। অন্যটির ক্ষেত্রে বলা হয়েছে- এজাহারে নাম ছিল না। চার্জশিটে নাম অন্তর্ভূক্ত করা হলে আদালতের নির্দেশে পুনঃতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

যা আছে খালেদা জিয়ার হলফনামায় :

বেগম খালেদা জিয়া তার হলফনামায় লিখেছেন— স্বামীর নাম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম, মাতার নাম তৈয়বা মজুমদার। ঠিকানায় লিখেছেন বাড়ী নম্বর ১, রোড নম্বর ৭৯, গুলশান-২ (বর্তমান অবস্থান কেন্দ্রীয় কারাগার, নাজিমুদ্দিন রোড ঢাকা)।

শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘরে তিনি লিখেছেন-স্বশিক্ষিত।

মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করেছেন— তার বিরুদ্ধে ৩৪টি মামলা দায়ের হয়েছিল। এর মধ্যে ৭টি মামলা বিচারাধীন। চারটি মামলা পেন্ডিং আর অন্যগুলো স্থগিত রয়েছে।

পেশার বিবরণীতে লিখেছেন— বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল- বিএনপির সাংগঠনিক কার্যাবলী পরিচালনা করা।

বেগম খালেদা জিয়া বছরে বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্ট/দোকান বা অন্যান্য ভাড়া থেকে আয় করেন ৬৭ লাখ ৩১ হাজার ৩১৪টাকা। শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ব্যাংকে আমানত থেকে আয় ৮৫লাখ ৯ হাজার ৮১৩টাকা। তার ওপর নির্ভরশীলদেরও আয় প্রজোন্য নয় বলে উল্লেখ করেছেন। বছরে তার মোট আয় ১ কোটি ৫২ লাখ ৪১ হাজার ১২৭ টাকা। মাসে তার আয় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৯৩টাকা ৯২ পয়সা।

নগদ হাতে আছে ৫০ হাজার ৩শ টাকা। যানবাহন হিসেবে ৪৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকার দু’টি টয়োটা জিপ রয়েছে। সোনা আছে ৫০ তোলা (জহুরতসহ)। এছাড়া ৫লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং ২লাখ ৬০ হাজার টাকার আসবাব রয়েছে।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে আছে ১২ হাজার ৩শ টাকা মূল্যর ৮ শতাংশ অকৃষি জমি। অর্জনকালীন ১০০ টাকা মূল্যে গুলশানে একটি বাড়ি আছে। আর ৫ টাকা মূল্যের ক্যান্টমেন্টের বাড়ি দখলে নেই।

ব্যাংকে তার বিরুদ্ধে কোনো ঋণ নেই। তবে বাড়ি ভাড়া বাবাদ ১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ঋণ রয়েছে তার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির খুলনা বিভাগিয়  সদস্য হলেন সাইফুল ইসলাম বাবু ও আবু ছালেক
আবু ছালেক ;  বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির খুলনা বিভাগিয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।
 সাতক্ষীরা জেলা থেকে স্হান পেল সাইফুল ইসলাম বাবু ও আবু ছালেক। সকল জল্পনা কল্পনার অবসান করে,সকল দিধা দন্দ ভুলে, কেন্দ্রিয় কমিটির সার্বিক সহযোগিতায়,গঠন করা হয়েছে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির খুলনা বিভাগিয় ২১ সদস্যের কমিটি। যেখানে স্হান পেল সাতক্ষীরার সাইফুল ইসলাম বাবু ও আবু ছালেক। ২১ সদস্যের খুলনা বিভাগিয় কমিটিতে কমিটিতে রয়েছে সভাপতি পদে খুলনা জেলার মো:আলমগীর,সিনিয়র সহসভাপতি পদে যশোর জেলার মোহসিন সরকার,সহ সভাপতি পদে বাগেরহাট জেলার আবু নাঈম,ঝিনাইদহা জেলার শফিকুল ইসলাম,চুয়াডাঙ্গা জেলার হারুন অর রশিদ বাবু,মেহেরপুর জেলার এ এস এম ফরিদ উদ্দীন,সাধারন সম্পাদক পদে কুষ্টিয়া জেলার খন্দকার রহমত আলী,অতিরিক্ত সাধারন সম্পাদক পদে খুলনা জেলার রতন কুমার নাথ,যুগ্ন সাধারন সম্পাদক পদে যশোর জেলার জসিম উদ্দীন খান,মাগুরা জেলার মোশফিকুর রহমান খান, খুলনা জেলার বোরহান উদ্দীন বিস্বাষ,নড়াইল জেলার সুব্রত কুমার ঘোষ,কুষ্টিয়া জেলার জাহাঙ্গীর আলম,কোষাধ্যক্ষ পদে সাতক্ষীরা জেলার সাইফুল ইসলাম বাবু,সদস্য পদে যশোর জেলার আবুল হাসান, চুয়াডাঙ্গা জেলার গোলাম মাওলা খান,কুষ্টিয়া জেলার মাহবুবুর রহমান ফারুক,মেহেরপুর জেলার সাইদুল হাসান রিপন,সাতক্ষীরা জেলার মো: আবু ছালেক,ও ঝিনাইদহা জেলার আক্কাস আলী,বিভাগিয় সম্মেলনে যশোরে সুষ্টু সমাধান না হওয়াই বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি কেন্দ্রিয় কমিটির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়, ও দক্ষতায় খুলনা বিভাগিয় কমিটি ঘোষনা করেছে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীলীগের বর্ধিত সভা

সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে জেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা তাঁতীলীগের আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম। সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান তুহিনের পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলার যুগ্ম আহবায়ক আসাদুজ্জামান আসাদ, শ্যামনগর উপজেলা তাঁতীলীগের সভাপতি মামুন হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান মারুফ, আশাশুনি উপজেলা তাঁতীলীগের আহবায়ক মন্টু, সদর উপজেলার আহবায়ক সাগর হোসেন, সদস্য সচিব ঈদুল, কলারোয়া উপজেলার রিপন হোসেন, কালিগঞ্জ উপজেলার জাহিদ হাসান, সদস্য সচিব জাকির হোসেন। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন,কালিগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবকলীগের তানভীর আহমেদ উজ্জল, কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সায়ীদ ও সাধারণ সম্পাদক জজ প্রমুখ। সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট জেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির আহবায়ক উজ্জল কুমার সানা, সদস্য মনিরুজ্জামান, আব্দুল কাদের, রেজাউল ইসলাম, আশিকুর রহমান, মনোজ কুমার, মনিরুজ্জামান, তুহিন হোসেন, আবুল কাশেম, জুয়েল হাসান, আসাদুল ইসলাম, পলাশ কুমার ও জাকির হোসেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিংড়ীতে কেন্দ্রীয় শিবিরের সদস্য গ্রেফতার
আবু ছালেক : সাতক্ষীরা সদর থানার বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সুরা সদস্য বনি আমিন কে গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ। শনিবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমানে ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমানের নির্দেশে এসআই মানিক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ফিংড়ী ইউনিয়নের কাছারিপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। সে ফিংড়ী ইউনিয়নের শিমুলবাড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুস সবুরের পুত্র। এব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তার বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। ওপরের নির্দেশে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে দীর্ঘদিন পলাতক ছিল।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সখিপুরে ভূমিহীন পরিবারের ডিসিআরকৃত জমি প্রভাবশালী কর্তৃক দখল

 

স্টাফ রিপোর্টার : দেবহাটার সখিপুর কেওড়া বাগান পল্লীতে এক অসহায় ভূমিহীন পরিবারের ডিসিআরকৃত জমি জোর পূর্বক দলল করার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভূক্তভোগী নুর ইসলাম গাজী বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলেও সন্ত্রাসীরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাতে কোন কর্নপাত করিনি। জানাযায়, চিনেডাঙ্গা গ্রামের মৃত জব্বার গাজীর পুত্র নুর ইসলাম গাজী দীর্ঘ ১২ বছর যাবত সখিপুর কেওড়া তলা নামক স্থানে ৬৪শতক জমি ডিসিআর নিয়ে একটি কুড়ে ঘর তৈরি করে বসবাস করে আসছিল। কিন্তু ঐ জমিতে নজর পড়ে নারিকেলী গ্রামের প্রভাবশালী জামায়াতের সহিংসতাকারী মান্দার আলীর পুত্র মুকুল হোসেন, তার ভাই সেলিম হোসেন, ধোপাডাঙ্গা গ্রামের মুনসুর গাজীর পুত্র আলমগীর হোসেন ও একাধীম মামলার আসামী নুরো ওরফে বাঁশ নুরোর পুত্র সন্ত্রাসী সাইফুল সহ কয়েকজনের। সেই থেকে তারা এই অসহায় পরিবারটির জমিটি দখল করে নেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করে। গত ২২ নভেম্বর সকালে নুর ইসলাম ও তার পরিবারটি বাড়িতে না থাকার সুযোগে উক্ত সন্ত্রাসীরা এসে মৎস্য ঘেরের ভেড়ি কেটে একাকার করে দেয়। নুর ইসলাম বাড়িতে এসে কোন উপায় না পেয়ে দেবহাটা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগ দায়েরের পর থেকে উক্ত সন্ত্রাসীরা ভূক্তভোগী পরিবারটিকে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিয়ে চলেছে এবং পুনঃরায় জমিটি জবরদখল কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে ভূক্তভোগী পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ বিষয়ে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ মান্নান আলী জানান, নুর ইসলাম থানায় এসে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য প্রাথমিক ভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। দোষীদের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এব্যাপারে ভূক্তভোগী পরিবারটি পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাদের সিদ্দিকী ও রবকে ফিরে আসার আহ্বান নাসিমের

দেশের খবর: বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গ ছেড়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির কাছে ফিরে আসতে কাদের সিদ্দিকী এবং আ স ম আবদুর রবের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ১৪ দলের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিম। তাদেরকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষ হিসেবে গণ্য করেই এই আহবান জানান নাসিম।
ডিসেম্বরের প্রথম দিনে রাজধানীর শাহবাগে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহবান জানান।

মোহামদ নাসিম বলেন, এখনও সময় আছে কাদের সিদ্দিকী-রব সাহেবরা জামায়াত বিএনপির সঙ্গে সম্পর্কে শেষ করে মুক্তিযুদ্ধের শক্তির পক্ষে আসেন। কী কারণে আপনারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তির সঙ্গে জোট করেছেন? শুধুমাত্র এমপি হওয়ার জন্য!

আপনারা মুক্তিযুদ্ধের কথা বলেন, বঙ্গবন্ধুর কথা বলেন, নিজেরাও মুক্তিযুদ্ধ করেছেন তাই আপনাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির কাছে ফিরে আসার আহ্বান জানাবো।

এসময় বিএনপির সমালোচনা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এবারের লড়াই হবে চূড়ান্ত লড়াই। তারা (বিএনপি) বলেছিলো শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে আসবে না। এখন বিএনপি-জামায়াত নাকে খত দিয়ে নির্বাচন করছে। এখন বলছেন আওয়ামী লীগ পরাজিত হবে! তাদের বলে রাখতে চাই আওয়ামী লীগ কখনও পরাজিত হয় না৷ এবার ভোটের বিপ্লব হবে, ইনশাল্লাহ্। এমন বিপ্লব করবো বিএনপিকে খুঁজেও পাওয়া যাবে না।

বিএনপিকে জামায়াতের সঙ্গ ছাড়ার আহ্বান জানিয়ে ১৪ দলের এ মুখপাত্র বলেন, এখনও সময় আছে জামায়াতকে ছেড়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আসেন। নাহলে এমন সময় আসবে মানুষের সামনে দাঁড়াতে পারবেন না। মেসি গোল মিস করতে পারে-নেইমার গোল মিস করতে পারে কিন্তু শেখ হাসিনা গোল মিস করবে না।

যে সকল নির্বাচনী আসনে বিএনপি থেকে জামায়াত এবং যুদ্ধাপরাধী পরিবারের সদস্যদের ধানের শীষে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে সে সকল জায়গায় ১৪ দলের পক্ষ থেকে বিজয় মঞ্চ করা হবে বলে জানান নাসিম।
আগামী এক মাস গ্রামে গঞ্জে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের নৌকার পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

এসময় নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, বাংলাদেশে বহু দিবস আছে। এমনকি হাত ধোঁয়া দিবস পর্যন্ত আছে। পহেলা ডিসেম্বর আমরা মুক্তিযোদ্ধা দিবস পালন করার জন্য বহু বছর ধরে বলে আসছি। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে আমাদের স্মরণ করতে পারে এজন্য ১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা দিবস পালনের জন্য আমরা বারবার বলে আসছি।

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমরা বিশ্বাস করি, স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরে বাংলাদেশে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। আমরা তা সংসদে পাস করেছিলাম। এখন আমরা জাতীয় ভাবে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালন করি। আন্তর্জাতিকভাবে গণহত্যা দিবস পালনের জন্য আপনি কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা আপনাকে আহ্বান জানাবো, আমরা যারা মুক্তিযোদ্ধা আজকে জীবিত আছি এবং আমরা যখন থাকবো না, তখনও যেন মানুষ মুক্তিযোদ্ধা দিবসের মাধ্যমে আমাদের স্মরণ করতে পারে।’

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সমাজ কল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, বিএনপির জামায়াতি রাজনীতিকে ড. কামালরা দেশেই শুধু না বিদেশেও জায়েজ করে দিতে চাইছে। আজকের দিনে ওই ষড়যন্ত্রর বিরুদ্ধে আমাদের সোচ্চার হতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিরলেন নেহা ধুপিয়া

বিনোদনের খবর: মাত্র কয়দিন আগেই মা হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়া। আর দূরে থাকতে পারলেন না কাজ থেকে। ১৫ দিনেরও কম সময়ের মধ্যে ফিরেছেন তিনি। একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন এই অভিনেত্রী। গত ১৮ নভেম্বর একটি মেয়ে সন্তান আসে তার কোল জুড়ে।
মিডডে বলছে, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করে চলেছেন নেহা। তাই হয়তো আর দেরি সইছে না। সদ্য মা হওয়া এই অভিনেত্রী আবারও দাঁড়িয়ে গেলেন ক্যামেরার সমানে। স্বামীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়েই গত ২৪ আগস্ট প্রথম সন্তান সম্ভাব্য হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন ৩৮ বছর বয়সী নেহা।
গত মে মাসে আগাদ বেদির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ হন বলিউড অভিনেত্রী নেহা। পরে তিনি বলেছিলেন, সন্তান প্রসবের পরই কাজে ফিরব। স্বামী এবং পরিবারের সমর্থন রয়েছে আমরা প্রতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest