সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরামুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ

বিএনপি ক্রমেই ‘বন্ধুহীন’ হয়ে পড়ছে: কাদের

দেশের খবর: উন্নত গণতান্ত্রিক বিশ্বে বিএনপি ক্রমেই ‘বন্ধুহীন’ হয়ে পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে বিএনপি মহাসচিব হতাশা প্রকাশের পর শনিবার ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে কাদেরের এমন মন্তব্য এল।
তিনি বলেন, “পাকিস্তানের সঙ্গে তো বন্ধুত্ব এখনও অটুট। একেবারে বন্ধুহীন হয়ে পড়বে এটা এই মুহূর্তে বলছি না। তবে উন্নত গণতান্ত্রিক বিশ্বে তারা ক্রমেই বন্ধুহীন হয়ে পড়ছে।”
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে উত্থাপিত একটি বিলে বাংলাদেশে নির্বাচন ঘিরে জামায়াতে ইসলামী ও হেফাজতে ইসলামসহ ধর্মীয় দলগুলোর সহিংসতার শঙ্কা প্রকাশ করা হয়। এসব দল ও গোষ্ঠীকে কোনো ধরনের সহায়তা না করার জন্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয় ওই প্রস্তাবে।
জামায়াতের জোটসঙ্গী বিএনপি এ বিষয়টিকে কীভাবে দেখছে তা বুধবার দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে জানতে চেয়েছিলেন সাংবাদিকরা।

জবাবে ফখরুল বলেন, “বাংলাদেশে একটা অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করার জন্যে তাদের যে ভূমিকা রাখা উচিত, সেই ভূমিকা তারা রাখছেন না।”

মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের সূত্র ধরে ওবায়দুল কাদের শনিবার বলেন, ‘অন্যায় আর অসত্যের’ সঙ্গে কেউ থাকে না। “তারা অনেক দেশে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। কই আমরা তো লক্ষ লক্ষ ডলার দিয়ে লবিস্ট নিয়োগ করতে যাইনি? তারা লক্ষ লক্ষ ডলার খরচ করেও মার্কিনিদের সাড়া পাচ্ছেন না।”

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “তারা অগণতান্ত্রিক আচরণ করতে থাকবে আর অন্যরা (বিদেশি রাষ্ট্র) সমর্থন করতে থাকবে এটা হয় না। যুক্তরাষ্ট্র কি আমাদের কথায় চলে? শেখ হাসিনা সরকারের আন্ডারে না কি তারা? ওদের নিজস্ব সত্তা আছে। যুক্তরাষ্ট্র কার পক্ষে থাকবে, আর কার পক্ষে থাকবে না এটা ওয়াশিংটনের ব্যাপার।”

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জাতিসংঘ সফরের প্রসঙ্গ টেনে কাদের বলেন, “তিনি তো জাতিসংঘে গিয়েছিলেন। এত দেন-দরবার করেও সাড়া কেন পাচ্ছেন না এটা তাকেই জবাব দিতে হবে। আমাদের এখানে বলার কিছু নেই।”

জামায়াতের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে বিল আসার পর বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেবে কি না জানতে চাইলে কাদের তফসিল ঘোষণার পর সরকারের এখতিয়ার সীমিত হয়ে আসার কথা তুলে ধরে বলেন, “এই বিষয়টা এখন সরকারের এখতিয়ারে নেই। ২৪ দিন বাকি, এই সময় সামনে রেখে আদালত ও তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে বলে মনে হচ্ছে না।”

তবে সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে নয়, দেশের জনগণের মতামতের ভিত্তিতে কাজ করবে বলে মন্তব্য করেন সরকারের এই মন্ত্রী।

তিনি বলেন, “বিএনপি-জামায়াতের সম্পর্কটা একেবারেই নীতি আদর্শের ব্যাপার। আমরা জাতীয় পার্টির সঙ্গে স্ট্র্যাটেজিক্যাল অ্যালায়েন্স করেছি। তাদের স্ট্র্যাটেজিক্যাল অ্যালায়েন্স না। তাদেরটা একেবারেই আদর্শিক জোট। বিএনপি সভা সমাবেশ ডাকলে ওটার মূল হয়ে যায় জামায়াত।”
তবে নির্বাচন নিয়ে যে ‘শঙ্কা’ ছিল, তা কাটতে শুরু করছে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অনুকূল পরিবেশে, উৎসব মুখর পরিবেশে’ জনগণের ভোট দেওয়ার পরিবেশ এখন দেশে বিরাজ করছে।

অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক আব্দুস সবুর, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, উপ দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য এস এম কামাল হোসেন, আনোয়ার হোসেন এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এক ভোটের ‘এমপি’ সুধীর রঞ্জন বিশ্বাস

অনলাইন ডেস্ক: পাঁচবার এমপি নির্বাচন করে ৭০ বছরের বৃদ্ধ সুধীর রঞ্জন বিশ্বাস প্রতিবারই পেয়েছেন এক ভোট। এলাকার লোকজন মজার ছলে তাঁকে ‘এমপি সুধীর’ বলে ডাকেন।

পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনে ষষ্ঠবারের মতো স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে আলোচনার শীর্ষে চলে এসেছেন তিনি।

মঠবাড়িয়া উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের গিলাবাদ গ্রামের মৃত যোগেশ চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে সুধীর রঞ্জন বিশ্বাস। একসময় সচ্ছল কৃষক ছিলেন তিনি। এইচএসসি পর্যন্ত পড়ালেখা করেছেন। ২৯ বছর আগে তাঁর স্ত্রী অঞ্জলি রানী বিশ্বাস দাউদখালী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পদে নির্বাচন করে হেরে যান। এর কয়েক দিন পরই তাঁর স্ত্রী মারা যায়। এতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে স্বাভাবিক জীবনবোধ হারান সুধীর রঞ্জন।
তারপর থেকে স্বাধীনচেতা সুধীর কারো কাছে হাত না পেতে জমি আর বাড়ির গাছপালা বিক্রি করে এমপি পদে নির্বাচনে দাঁড়ান। টানা পাঁচবার ভোটযুদ্ধে নেমেছেন। কিন্তু একবারও মনোনয়নপত্রে নাম প্রস্তাবকারী আর সমর্থনকারীরও ভোট পান না তিনি। তবে নিজের ভোটটি নিজেকে ঠিকমতোই দেন। ভোটে জিততে না পারলেও তাঁর আক্ষেপ নেই। কারণ তাঁর নিজস্ব কর্মীবাহিনী নেই। নিজেই নিজের নির্বাচনী পোস্টার লাগান, লিফলেট বিলি করেন। এবারও তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।

সুধীর রঞ্জন ভোটের লড়াইয়ের জন্য জমানো টাকার পাশাপাশি বসতবাড়ির একটি রেইনট্রি গাছ বিক্রি করে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে গত বুধবার গ্রামের বাড়ি থেকে হেঁটে একাই উপজেলা পরিষদে যান। এরপর নিজের হাতেই উপজেলা সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জি এম সরফরাজের হাতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। প্রতিবারের মতো এবারও তিনি ইলিশ মাছ প্রতীক চেয়েছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী সুধীর রঞ্জন দাবি করেন, তিনি এলাকায় একজন পল্লী চিকিৎসক হিসেবে মানুষের সেবা করে আসছেন। প্যারালিসিস, স্ট্রোক আর বাতের মতো জটিল চিকিৎসায় তিনি বহু মানুষকে সুস্থ করেছেন। আর এ চিকিৎসা তিনি বিনা মূল্যে করেছেন।

সুধীর রঞ্জন বিশ্বাস জানান, প্রয়াত স্ত্রী অঞ্জলির স্মৃতি রক্ষায় মৃত্যু অবধি তিনি এমপি নির্বাচন করে যাবেন। তিনি সব সময় মানুষের ও দেশের উন্নয়নে কাজ করতে চান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গ্রেফতার বন্ধ ও প্রশাসনে রদবদলসহ ৬ দফা দাবি বিএনপির

দেশের খবর: বর্তমান সরকারের ‘সাজানো প্রশাসনে’ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সম্ভব নয় বলে দাবি করেছে বিএনপি। নির্বাচন একটি প্রহসনে পরিণত হতে যাচ্ছে দাবি করে দলটির পক্ষ থেকে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও মাঠ প্রশাসনে কর্মরত ‘বিতর্কিত’ কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার, ইউএনও, এসপিদের কর্মস্থলের বাইরে বদলিসহ ছয় দফা লিখিত দাবি করা হয়।

শনিবার (১ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বিএনপির প্রতিনিধি দলের প্রধান ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এ কথা বলেন। মওদুদ আহমদের নেতৃত্বে দলটির আট সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বিকাল তিনটা থেকে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় তারা ‘গণগ্রেফতার’ বন্ধ ও প্রশাসনে রদবদলসহ ছয় দফা দাবি তোলেন।

মওদুদ আহমদ বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের ন্যূনতম পরিবেশ বর্তমানে নেই। দিন দিন পরিবেশের আরও অবনতি ঘটছে। সরকার যেভাবে নীলনকশার নির্বাচন বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে, নির্বাচন কমিশন তা রোধ করতে সক্ষম হচ্ছে না। আমরা যাদের ওপর নির্ভর করে নির্বাচন করি, আমাদের সেই নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার চলছে। সাতজন সম্ভাব্য প্রার্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিচারিক আদালত পুরোপুরি সরকারের নিয়ন্ত্রণে, যার কারণে গ্রেফতারকৃতদের জামিন পাওয়ার সম্ভাবনা দেখছি না।’
তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের যারা নির্বাচন পরিচালনা করেন সেই ডিসি, এসপি, ইউএনও সরকারের অধীনে কাজ করছে। বর্তমানে যারা সংসদ সদস্য তিনি আবার এমপি প্রার্থী। এ অবস্থায় কোনোভাবেই লেভেল প্লেংয়িং ফিল্ড অর্জন করা সম্ভব নয়। আমরা ন্যূনতম পরিবেশ সৃষ্টির জন্য গণগ্রেফতার বন্ধ করার দাবি করেছি। গণগ্রেফতার বন্ধ হলে কাঙ্ক্ষিতভাবে না হলেও নির্বাচন করার সামান্য একটা পরিবেশ সম্ভব হতো।’
প্রশাসনে বদবদলের দাবি করে তিনি বলেন, ‘১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ৫ থেকে ৭ জন প্রার্থীকে বদলি করা হয়েছিল। তারা সরকারের অনুগত হয়েছিল বলে সেই সময় তাদের বদলি করা হয়। বর্তমান প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বদলি করে নির্বাচনে আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করা না হলে নির্বাচন দুরূহ ব্যাপার হয়ে যাবে। শেষ পর্যন্ত নির্বাচন প্রহসনে পরিণত হবে।’
মওদুদ আহমদ বলেন, ‘এবারের নির্বাচন হচ্ছে জাতির জন্য শেষ পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে পারবো না।’ তিনি জানান, কমিশন এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন। আশা করি তারা সফল হবেন। যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাধা আসতে পারে, সজাগ থাকুন: কামাল হোসেন

দেশের খবর: ভোটে বাধা দেওয়া হতে পারে, এমন শঙ্কা ব্যক্ত করে জনসাধারণকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন।
শনিবার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “নির্বাচন যেন সুষ্ঠুভাবে হয়, সেটা পাহারা দিতে হবে জনসাধারণকেই দেশের মালিক হিসেবে। এখানে আমরাও বলছি, পত্রপত্রিকায় সবাই আশঙ্কা করছেন যে, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে নানাভাবে বাধা দেওয়া হবে। সেই বাধাগুলো সরকার বা যে কেউ দিক না কেন, বাধা দিলে আমাদের সবাই মিলে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে রক্ষা করতে হবে।”

জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে গণফোরাম সভাপতি বলেন, “আমার একটা বিনীত নিবেদন আপনারা কষ্ট করে নির্বাচনের ব্যাপারে সর্তক থাকবেন। পাড়া-প্রতিবেশী সবাইকে নিয়ে যাতে ভোট দিতে একদম সকালে সকালে চলে যেতে পারেন, বুথ খোলার সাথে সাথে যেন আপনারা সেখানে উপস্থিত হোন। প্রত্যেক বাড়িতে যত ভোটার আছে সবাই যেন ভোট দেয় সেই ব্যবস্থা করবেন।”

ড. কামাল বলেন, “দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। আমি দেশবাসীর প্রতি ১৯৭১ সালের মতো ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাই। আমি বিশ্বাস করি, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হচ্ছে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের অপরিহার্য অংশ। যদি জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারেন তাহলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বই হুমকির মুখে পড়বে।”

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, যাচাই-বাছাইয়ের পর সব আসনেই জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের একক প্রার্থী নির্ধারিত হবে।”

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি কামাল হোসেন বলেন, “নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসারসহ সব কর্মকর্তাদের প্রতি আমাদের আহ্বান, আপনারা দলীয় আনুগত্যের ঊর্ধ্বে উঠে নিজ নিজি দায়িত্ব পালন করুন। পোলিং এজেন্টরা যাতে নির্ভয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন সে ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করুন।”
সংবিধানে জনগণের মালিকানার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় গেছি। সকলে বলেছেন যে, তারা পরিবর্তন চায়, অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়। সেই কারণে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন এটা শুধু দয়া বা অনুগ্রহের ব্যাপার না। এটা সংবিধানের প্রতিশ্রুতি।

“আমাদের সংবিধানে আছে জনগণ দেশের মালিক। সেই মালিকানা প্রয়োগ করবে তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে। সেই বিষয়টি ২ তারিখ থেকে ২৮ দিন জনগণকে জানাতে হবে। আমি এ ব্যাপারে নাগরিক ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা চাচ্ছি। যাতে সঠিক তথ্য জনগণ জানতে পারে সেজন্য গণমাধ্যমের বিশেষ ভূমিকা থাকতে হবে। দৈনন্দিন তথ্য দিন, যেখানে আইন লঙ্ঘন হচ্ছে সেটা জানান, আইন অমান্য করলে তা ধরিয়ে দেওয়া গণমাধ্যমে দায়িত্ব।”

নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

“সুষ্ঠু পরিবেশের পরিপন্থি হচ্ছে পাইকারি হারে গ্রেপ্তার। যেটা চলছে এটা সুষ্ঠু পরিবেশ নয়। তফসিল ঘোষণার পরে সাতশর উপরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজন প্রার্থীও আছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছিলেন, কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না। প্রধানমন্ত্রীও বলেছিলেন। আমার কথা হল স্বাভাবিক পরিবেশ রাখার জন্য এই গ্রেপ্তার বন্ধ করা হোক। যাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বিশেষ করে যারা প্রার্থী তাদের সকলকে মুক্ত করা হোক।”

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের কাছে বিএনপির পক্ষ থেকে গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের তালিকাও সরবারহ করা হয়।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তফসিল ঘোষণার পর থেকে গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “এই নির্বাচনে আমরা অংশ নিচ্ছি গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার জন্য, নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ বন্দি নেতাকর্মীদের মুক্ত করার জন্য, অধিকার প্রতিষ্ঠার করার জন্য।

“কিন্তু তফসিল ঘোষণার পরেও এখনো বেআইনিভাবে গায়েবি মামলায় শত শত নেতাকর্মীকে আটক করা হচ্ছে। প্রার্থী যারা হচ্ছেন, যারা আগে এমপি ছিলেন তাদেরকেও করা হচ্ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে নির্বাচনের যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সেটা কোনো মতে তৈরি হবে না।”

ফখরুল বলেন, “আমরা আশা করব ড. কামাল হোসেনের এই সংবাদ সম্মেলনের পরে গ্রেপ্তার বন্ধ হবে। অন্যথায় নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু করার জন্য আমরা বৃহত্তর একটা কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।”

সংবাদ সম্মেলনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, হাবিবুর রহমান তালুকদার, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সুলতান মো. মনসুর আহমেদ, গণস্বাস্থ্য সংস্থার ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির আবদুস সালাম, রেজা কিবরিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নুরনগরে ৮ দলীয় ব্যাটমিন্টন টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত

পলাশ দেবনাথ নুরনগর প্রতিনিধি : শ্যামনগর উপজেলার নুরনগর রামচন্দ্রপুর ঢালীপাড়া মাঠে ৮ দলীয় ব্যাটমিন্টন টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যা ৭ টায় ঢালীপাড়া স্পোটিং ক্লাবের উদ্যেগে মোঃ আব্দুল্লাহ আল-বাক্কীর সার্বিক পরিচালনায় উক্ত টুনামেন্ট উদ্বোধন করেন সাংবাদিক এস এম জাকির হোসেন ও সাংবাদিক মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম। উদ্বোধনী খেলাটি ঢালীপাড়া স্পোটিং ক্লাব ও মুনস্টার ক্লাবের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। এবং ফাইনাল খেলা মানিক সাউন্ড ব্যাটমিন্টন একাদশ ও সিরাজপুর ব্যাটমিন্টন একাদশের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। শীতের রাতে দর্শকের মন জয় করে হাড্ডা হাড্ডি লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে খেলায় সিরাজপুর ব্যাটমিন্টন একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে মানিক সাউন্ড ব্যাটমিন্টন একাদশ। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ রোকেয়া মুনছুর মহিলা কলেজের প্রভাষক নাসির উদ্দীন বাদশা, সাংবাদিক আশরাফুল আলম মিন্টু, ডি এম আব্দুস ছাত্তার, ফিরোজ আহমেদ, মোঃ মুকুল হোসেন, আতাউর রহমান, আবু সাঈদ, ছাদেকুল হাসান, শাহীন আলম, বিশ্বজিত, নাজমুল, রাশিদুল, আবীদ, আল-আমিন সহ ঢালীপাড়া স্পোটিং ক্লাবের সকল সদস্যবৃন্দ ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত দর্শকরা । খেলাটির ধারাভার্ষে ছিলেন বিট্টু দেবনাথ ও আবু কওছার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেয়েকে নিয়ে ইমোশনাল হয়ে পড়লেন শাহরুখ

বিনোদনের খবর: যার বাবার নাম শাহরুখ খান তার রক্তে অভিনয় থাকবে এটা কোনো চমকে যাবার মতো ঘটনা নয়। তাই সুহানা অভিনেত্রী হবেন সেটাও স্বাভাবিক বিষয়। আর সুহানা খান যে ভালো অভিনয় করেন সেটার প্রমাণ নাটকের মঞ্চে অনেক আগেই মিলেছে।

সেই অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন অনেকেই। বলিউডের নামি দামি তারকারাও ছিলেন সেই তালিকায়। তবে মেয়ের অভিনয় নিয়ে কখনোই কোনো প্রশংসাবাক্য উচ্চারণ করেননি শাহরুখ খান। এবার সেটাও হয়ে গেল। সুহানার অভিনয় দেখে আবেগে ভেসে গেলেন শাহরুখ স্বয়ং।

এই মুহূর্তে লন্ডনের আর্ডিংলি কলেজের ছাত্রী সুহানা। সেই কলেজের একটি নাটকে জুলিয়টের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তিনি। সে সময় ‘জিরো’র কাজে ব্যস্ত থাকলেও মাত্র এক দিনের জন্য লন্ডনে মেয়ের অভিনয় দেখতে গিয়েছিলেন বলিউড বাদশা। আর তা দেখার পর তিনি মুগ্ধ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সুহানার সঙ্গে ছবি শেয়ার করে শাহরুখ লিখেছেন, ‘লন্ডনে আমার জুলিয়েটের সঙ্গে। অসাধারণ অভিজ্ঞতা। সকলেরই অসাধারণ পারফরম্যান্স। অভিনন্দন…।’

সুহানার বলিউড এন্ট্রি নিয়ে এর আগে যতবার শাহরুখের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, তিনি সুহানার পড়াশোনার ওপর জোর দিয়েছেন। বারবার জানিয়েছেন, পড়াশোনা শেষ করার পর অভিনয় নিয়ে ভাববে মেয়ে।
তবে নাটকে বেশ কয়েক বছর ধরেই অভিনয় করছেন সুহানা। তবে কি এ বার বলিউডে কেরিয়ার শুরু করার জন্য তৈরি সুহানা? দেখা যাক নতুন বছরে কোনো চমক নিয়ে হাজির হন কী না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার সুশীলগাঁতীতে ২ শিশুকে যৌন নিপিড়ন: লম্পট পলাতক

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটার সুশীলগাঁতীতে শিশু শ্রেণির ২ ছাত্রীকে যৌন নিপিড়িনের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার বেলা ১টার দিকে উপজেলার সুশীলগাঁতীর পাতনার বিলের মৎস্য ঘেরের বাসায় এ ঘটনা ঘটেছে। এতে নির্যাতিতা শিশুর পরিবার থেকে দেবহাটা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভিক্টিম শিশু জানায়, তাদের প্রতিবেশী আবুল শেখের ছেলে আব্দুর রহিম শেখ স্কুল থেকে পরীক্ষা দিয়ে বাড়িতে ফেরার পর তাদেরকে প্রলোভন দেখিয়ে তার মৎস্য ঘেরে নিয়ে যায়। তাদেরকে নিয়ে মৎস্য ঘেরের বাসার ভিতরে নিয়ে যৌন নিপিড়ন করে। তাদের শরিরের স্পর্শকাতর স্থানে কামড় দেয়। এতে শিশুরা ভীত হয়ে কান্নাকাটি শুরু করে। তাদেরকে বুঝিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। শিশুরা বাড়িতে এসে আবারো কান্নাকাটি শুরু করলে পরিবারের সদস্যরা জানতে চাইলে তাদেরকে বলে দেয়। পরে থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করে ভিক্টিমের পরিবার। এঘটনার পর থেকে লম্পট আব্দুর রহিম পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে। এবিষয়ে দেবহাটা থানার ওসি সৈয়দ মান্নান আলী জানান, শিশু নির্যাতনকারীর বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ৯ম বর্ষে পদার্পন আলোচনা সভা ও কেককাটা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ৯ম বছরে পদার্পন করায় র‌্যালি, আলোচনা সভা ও কেককাটা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে স্কুল প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের কার্যকরি সদস্য ও সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সুভাষ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন,সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) ও সোনামুখ মানব উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা এ এম কামরুল ইসলাম পিপিএম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আসাদুজ্জামান বাবু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ ইলতুৎমিশ, যশোর জেলা সহকারি তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম টুটুল, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবু কাজী, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের স্কুল ইউরেকা’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সিনিয়র গ্রাফিক্স ডিজাইনার নূরুজ্জামান ফিরোজসহ স্কুলের সকল শিক্ষক- শিক্ষার্থীবৃন্দ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালক আলাউদ্দীন ফারুকী প্রিন্স। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, রেজওয়ানুল আলম রিজভী। অনুষ্ঠানে কেক কাটেন অতিথিবৃন্দ। এর আগে স্কুলের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest