সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরামুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ

একগুচ্ছ নির্দেশনা, বিদেশ যাওয়ার ছুটিও বন্ধ শিক্ষকদের

দেশের খবর: আগামী ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সাধারণত ভোট গ্রহণ করা হয় বিভিন্ন স্কুল-কলেজে। আর নির্বাচনী দায়িত্ব, বিশেষ করে প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে শিক্ষকদের বড় একটি অংশ। তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ, ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষকদের নির্দেশনা দিয়েছে তাঁরা যেন নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা করেন। এ ছাড়া নির্বাচনের ১০ দিন পর পর্যন্ত শিক্ষকদের দেশের বাইরের সব ধরনের ছুটিও বন্ধ রাখা হয়েছে।

জানা যায়, যারা প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা তাঁদের সাধারণত প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তাদের দেওয়া হয় সহকারী প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসারের দায়িত্ব। সরকারি কলেজের সব শিক্ষক এবং সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা। আর বাকি শিক্ষকরা দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদার। দেশে সরকারি কলেজে শিক্ষকসংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকসংখ্যা ১০ হাজার, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকসংখ্যা প্রায় সাড়ে চার লাখ এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকসংখ্যা প্রায় পৌনে চার লাখ। সব মিলিয়ে সাড়ে আট লাখ শিক্ষক, যাঁরা নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করার যোগ্য।

তবে আগামী নির্বাচনে কতসংখ্যক শিক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন সে ব্যাপারে কেন্দ্রীয় কোনো তথ্য শিক্ষা অধিদপ্তরগুলোর হাতে নেই। কারণ উপজেলা ও জেলাপর্যায়ের নির্বাচনী অফিস ও প্রশাসন নির্বাচনী কর্মকর্তাদের তালিকা তৈরি করে থাকে।

গত ২৫ নভেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পত্রের বরাত দিয়ে শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ১৬টি দপ্তরের প্রধানকে চিঠি দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়, সরকারি ও সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষিকারা নির্বাচনের কাজে প্রত্যক্ষভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হবেন। ভোটগ্রহণের কাজে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানের আসবাবপত্র নির্বাচনে ব্যবহৃত হবে। তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সব অনুবিভাগ প্রধান, অধিদপ্তর, দপ্তর, সংস্থা এবং তাদের আওতাধীন সব প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের এসংক্রান্ত আইনের বিধান সম্পর্কে সচেতন থেকে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করতে অনুরোধ করা হলো।

এ ছাড়া ২৭ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের এক নির্দেশনায় জানানো হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারী কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত হতে পারবেন না। এ ছাড়া মাউশি অধিদপ্তর থেকে এখন দেশের বাইরে কোনো ছুটির আবেদন মঞ্জুর করা হচ্ছে না। দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ, বেড়ানো বা অন্য কোনো কাজে কোনো শিক্ষক বিদেশে যেতে চাইলে তা ফেরত দেওয়া হচ্ছে।

মাউশি অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামছুল হুদা বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নির্বাচনসংক্রান্ত নির্দেশনা এলে আমরা সবাইকে জানিয়ে দিচ্ছি। এরই মধ্যে আচরণ বিধিমালাসংক্রান্ত নির্দেশনা ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে আরো এলে সেগুলোও দেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের কারণে এখন শিক্ষকদের সব ধরনের ছুটিও মঞ্জুর করা হচ্ছে না। তবে অসুস্থতাজনিত ছুটির আবেদনগুলো মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হচ্ছে। ছুটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত এখন নির্বাচন কমিশনের হাতে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বীরপ্রতীক তারামন বিবির ইন্তেকাল

অনলাইন ডেস্ক: একাত্তরে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেয়া বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি আর নেই (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)। শনিবার (১ ডিসেম্বর) সকালে কুড়িগ্রাম জেলার রাজীবপুর উপজেলার কাচরিপাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়।

তারামন বিবির ছেলে আবু তাহের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬২ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুস ও শ্বাস কষ্টে ভুগছিলেন।

স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করে। একই বছরের সরকারি গেজেট অনুযায়ী তার বীরত্বভূষণ নম্বর ৩৯৪। গেজেটে নাম মোছাম্মৎ তারামন বেগম।

তারামন বিবি ১১ নং সেক্টরে নিজ গ্রাম কুড়িগ্রাম জেলার শংকর মাধবপুরে ছিলেন। তখন ১১ নং সেক্টরের নেতৃত্বে ছিলেন সেক্টর কমান্ডার আবু তাহের। মুহিব হাবিলদার নামে এক মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবিকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন।

যিনি তারামনের গ্রামের পাশের একটি ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি তারামনকে ক্যাম্পে রান্নাবান্নার জন্য নিয়ে আসেন। তখন তারামনের বয়স ছিলো মাত্র ১৩ কিংবা ১৪ বছর। কিন্তু পরবর্তিতে তারামনের সাহস ও শক্তির পরিচয় পেয়ে মুহিব হাবিলদার তাকে অস্ত্র চালনা শেখান।
পরবর্তীতে সহকর্মীদের কাছ থেকে অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ নিয়ে তাদের সাথে অনেক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শুরু হল বিজয়ের মাস

শুরু হল বিজয়ের মাস

কর্তৃক daily satkhira

অনলাইন ডেস্ক: আজ শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে বিজয়ের মাস। ত্রিশ লাখ শহীদ আর দু’লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার সাক্ষর এই বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। দেশে পয়লা ডিসেম্বরকে মুক্তিযোদ্ধা দিবস হিসাবে পালন করা হয়। প্রতিবছরের মতো এবারও দেশের মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনগুলো দিনটি পালনে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বাংলাদেশের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম ঘটনা হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে বাঙ্গালি জাতির কয়েক হাজার বছরের সামাজিক রাজনৈতিক স্বপ্ন সাধ পূরণ হয় এ মাসে। বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধের অবিস্মরণীয় গৌরবদীপ্ত চুড়ান্ত বিজয় এ মাসের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয়। স্বাধীন জাতি হিসেবে সমগ্র বিশ্বে আত্মপরিচয় লাভ করে বাঙালিরা। অর্জন করে নিজস্ব ভূ-খন্ড আর সবুজের বুকে লাল সূর্য খচিত নিজস্ব জাতীয় পতাকা।

বিজয়ের মাসের প্রথমদিন আজ বিভিন্ন সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বিজয়ের মাসকে স্বাগত জানিয়ে সমাবেশ, মানববন্ধন, বিজয় র‌্যালি, মুক্তিযোদ্ধা কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে এদিনের কর্মসূচি পালন করা হবে।

মুক্তিযোদ্ধা দিবস উদযাপন জাতীয় কমিটি আজ সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে মিরপুর কবরস্থানে পুস্পমাল্য অর্পণ করে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আজ বিজয় র‌্যালি বের করবে। সকাল ১০টা ৪৫মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী কর্মকর্তা কর্মচারী অপারেজেয় বাংলার পাদদেশে জমায়েত হবেন। সেখান থেকে বেলা ১১টায় উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে বিজয় র‌্যালি বের হবে। এটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা চত্বরে গিয়ে শেষ হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আহা রে, এত মধু এমপিগিরিতে!

দেশের খবর: দেশ স্বাধীনের পর ব্যবসায়ী পেশার সংসদ সদস্য ছিলেন ১৫ শতাংশ। কয়েক দশকের ব্যবধানে তা বেড়ে ৬৯ শতাংশ হয়েছে। গত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন এক হাজার ১০৭ জন। এবার বেড়েছে প্রায় ১১ গুণ এবং আওয়ামী লীগ এবং বিএনপিসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে সংখ্যাটি প্রায় ১২ হাজার। এত বেশিসংখ্যক মনোনয়নপ্রত্যাশী হওয়াকে অত্যধিক ও অস্বাভাবিক বলেই দেখছেন নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা। রাজনীতি বিশ্লেষক, সমাজবিজ্ঞানী, অর্থনীতিবিদ ও পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আইন প্রণেতা হিসেবে সংসদ সদস্যের নির্দিষ্ট কর্মপরিধি আছে। তবে এর বাইরেও বহু সুযোগ-সুবিধা ও আর্থিক সংশ্লিষ্টতা থাকায় সংসদ সদস্য হওয়ার দৌড়ে যোগ দিচ্ছেন হাজার হাজার মনোনয়নপ্রত্যাশী।

সুইজারল্যান্ডের বাংলাদেশ দূতাবাস ও সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশনের (এসডিসি) যৌথ প্রতিবেদন ‘দ্য রিয়েল পলিটিকস অব বাংলাদেশ : দি ইনসাইড স্টোরি অব লোকাল পাওয়ার ব্রোকারস’ প্রকাশিত হয়েছে সম্প্রতি। তা থেকে জানা যায়, দেশে ছয় বছরের কম সময়ে সংসদ সদস্যদের আয় বেড়েছে ৩২৪ শতাংশ। বর্তমানে সংসদ সদস্যদের বার্ষিক গড় আয় প্রায় কোটি টাকা, যা একজন সাধারণ মানুষের আয়ের প্রায় শতগুণ। ১২৪ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে ২০০৮ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে সংসদ সদস্যদের আয় বৃদ্ধির তথ্যচিত্র তুলে ধরা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামায় উল্লেখকৃত তথ্যের তুলনা করে এতে বলা হয়েছে, ২০০৮ সালে সংসদ সদস্যদের বার্ষিক গড় আয় ২৩ লাখ ২৭ হাজার টাকা ছিল, ২০১৩ সালে তা বেড়ে হয়েছিল ৯৮ লাখ ৭১ হাজার টাকা। তবে এর বাইরে বেশির ভাগ সংসদ সদস্যের আয় আরো বেশি।সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), নির্বাচন কমিশন, সংসদ সচিবালয়, সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড করপোরেশনসহ বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনায় একটি চিত্র স্পস্ট হয়ে উঠেছে। আর তা হচ্ছে ব্যবসায়ীদের কবজায় চলে গেছে দেশের রাজনীতি। তাদের কাছে ত্যাগী রাজনীতিকরা কোণঠাসা। যাদের হাতে কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থ আছে ও প্রভাব বিস্তার করতে পারছে, তাদের নিয়ন্ত্রণে এখন মাঠের রাজনীতি। জাতীয় সংসদেও এর প্রতিফলন তীব্রতর হচ্ছে ক্রমেই।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ‘বাংলাদেশে সুশাসনের সমস্যা, উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সমীক্ষা থেকে জানা গেছে, ৮১.৮ শতাংশ জনগণ বিশ্বাস করে, সংসদ সদস্যরা প্রশাসনিক কাজে প্রভাব বিস্তার করেন। ৭৬.৯ শতাংশ জনগণ মনে করে, সংসদ সদস্যরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ করেন। উন্নয়ন বরাদ্দের অপব্যবহার, অপরাধমূলক কার্যক্রমে জড়িত হওয়া বা সমর্থন, সরকারি কেনাকাটায় প্রভাব বিস্তার, মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্লট বরাদ্দ নেওয়ার সুযোগও নেন বেশির ভাগ সংসদ সদস্য।

দেখা গেছে, পাঁচ বছরে একেকটি সংসদীয় আসনে গড়ে হাজার কোটি টাকার উন্নয়নকাজ হয়। থাকে চাকরির জন্য সুপারিশ, রাস্তার উন্নয়নসহ বিভিন্ন কাজে আধাসরকারি পত্র বা ডিও লেটারে কাজ বাগিয়ে নেওয়ার পথ। অনেক ক্ষেত্রে উন্নয়নকাজে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদের বেশির ভাগ কোথাও ১০ শতাংশ, কোথাও তার চেয়ে বেশি কমিশন পান বলে প্রচার রয়েছে। সম্মানীর বাইরেও সরকারি ফ্ল্যাট, শুল্কমুক্ত গাড়ি, বিদেশ ভ্রমণ, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে বৈধ-অবৈধ নানা আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ আছে বেশির ভাগ সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে।

সংসদ সচিবালয়, সুশাসনের জন্য নাগরিকসহ (সুজন) বিভিন্ন সংস্থার তথ্য পর্যালোচনায় জানা যায়, বাংলাদেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্যের মধ্যে ব্যবসায়ী ছিলেন ১৫ শতাংশ, সর্বশেষ দশম জাতীয় সংসদে ব্যবসায়ী পেশার সংসদ সদস্য বেড়ে হন ৬৯ শতাংশ। ১৯৫৪ সালে তা ছিল ৪ শতাংশ। দশম জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনসহ ব্যবসায়ী পেশার সংসদ সদস্য ২১৪ জন, আইনজীবী ৪৮ জন, রাজনীতিক ২২ জন। সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) গবেষণা থেকে বের হয়েছে, দশম সংসদের ২২৬ জন বা ৬৫ শতাংশ সংসদ সদস্যের সম্পদ কোটি টাকার ওপরে। আওয়ামী লীগের ১৯৪ জন বা ৭১ শতাংশই কোটিপতি। জাতীয় পার্টির ১৮ জন বা ৪৫ শতাংশের সম্পদ কোটি টাকার বেশি। জাসদের ছয়জন ও ওয়ার্কার্স পার্টির একজন সংসদ সদস্য কোটিপতি। তরীকত ফেডারেশনের দুজনের দুজনই কোটিপতি। স্বতন্ত্র এমপিদের মধ্যে আটজন কোটিপতি।

এবার মনোনয়নপ্রত্যাশীদের বড় অংশই ব্যবসায়ী। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ৮০ শতাংশ ব্যবসায়ী। প্রবাসে চুটিয়ে ব্যবসা করেন এমন ব্যক্তিরাও দেশে এসে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে নেতিবাচক আভাস পেয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিয়েছেন মনোনয়ন পেতে। প্রবাসীবহুল সিলেট অঞ্চল থেকেই অর্ধশতাধিক কোটিপতি মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছেন।

বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী ড. মোজাম্মেল হোসেন মাতব্বর বলেন, তিনি ২২ বছর ধরে ব্যবসা করছেন। ২০১৪ সালেও মনোনয়ন চেয়েছিলেন, এবারও চেয়েছেন। তাঁর মতে, উচ্চাভিলাষ থেকে ব্যবসায়ীরা সংসদ সদস্য হতে চাইছেন, এটা দৃশ্যমান। তবে তিনি নিজে ব্যবসার পাশাপাশি মাঠের রাজনীতিতেও সক্রিয়।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারে টানা দুই মেয়াদে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এসেছেন ২০০১ সালের নির্বাচনের আগে। সম্প্রতি তিনি রাজনীতিতে লুটপাট হচ্ছে স্বীকার করে বলেছেন, এই লুটপাট আরো ১০ বছর পর্যন্ত থাকবে। দারিদ্র্য এর বড় কারণ।

গণফোরামে যোগ দিয়ে হবিগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষ নিয়ে লড়তে প্রস্তুতি নিচ্ছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে ড. রেজা কিবরিয়া। তিনি বলেন, রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন আনার জন্য রাজনীতিতে নামছি। ব্যবসার জন্য রাজনীতি করা সমীচীন নয়।

মনোনয়নপ্রত্যাশীদের অতি উৎসাহকে ‘উৎসব’ বলতে নারাজ স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমদ। তিনি বলেন, এটা রাজনীতির নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির নির্দেশক। সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, সংসদ সদস্যের কর্মপরিধির বাইরেও আরো কিছু সুবিধা তাঁকে দেওয়া হচ্ছে। ফ্ল্যাট, প্লট পাওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজে সুপারিশ করে কমিশন নেওয়ার বিষয়টি অজানা নয়। ব্যবসায়ীদের আধিক্য থাকায় জাতীয় সংসদে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর প্রভাব বেশি প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। জাতীয় সংসদে সব পেশার জনপ্রতিনিধির সম্মিলন ঘটলে তাতে আলাদা সৌন্দর্য থাকত। না হলে এটা হয়ে যাবে টাকা দিয়ে কেনা গণতন্ত্রের মতো।

গত ২২ নভেম্বর রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, রাজনীতি এখন দেশের বড় ব্যবসা।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আকবর আলি খান ‘অবাক বাংলাদেশ বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি’ গ্রন্থে লিখেছেন, বর্তমানে সংসদ সদস্যদের অনুপার্জিত মুনাফা অর্জনে বিভিন্ন সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। সংসদ সদস্যদের গাড়ি আমদানিতে শুল্ক মওকুফ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের আচরণ বৈষম্যমূলক এবং শুল্ক মওকুফের সুবিধা অনুপার্জিত মুনাফা অর্জনের সহায়ক।’ এসব বন্ধের দাবি জানিয়ে তিনি লিখেছেন, বর্তমান সংসদ সদস্যরা নির্বাহী বিভাগের অর্থে বিদেশ সফরের জন্য যে স্টাডি ট্যুরের ব্যবস্থা করেছেন, তাও অবিলম্বে বন্ধ করে দেওয়া উচিত।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংসদ সদস্যের অনেকে সাধারণ জীবন যাপন করেন। এমনকি ভারতেও কোনো কোনো মন্ত্রী সাইকেল চালান। বিদেশে কোনো কোনো এমপির বাসা ভাড়া করার টাকাও থাকে না। যেমন—যুক্তরাষ্ট্রের সংসদ কংগ্রেসের সদ্য নির্বাচিত সদস্য আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-কোর্তেজ ওয়াশিংটন ডিসিতে কোনো ধরনের অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া নিতে পারছেন না। কারণ তাঁর কাছে অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া নেওয়ার মতো অর্থ নেই। আগামী জানুয়ারিতে নিজ দপ্তরের দায়িত্ব পাবেন তিনি। এর আগে তিনি কোনো বেতন-ভাতা পাবেন না। সম্প্রতি দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসকে এ অবস্থার কথা জানিয়েছেন ২৯ বছর বয়সী ডেমোক্রেটিক পার্টির এ নেত্রী। বাংলাদেশে সরল জীবনে বিশ্বাসী রাজনীতিকরা অবহেলিত। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ত্যাগের রাজনীতির পক্ষে। তিনি বারবার বলে থাকেন, রাজনীতি ভোগের জন্য নয়। প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি গণভবনে যুবলীগের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানেও বলেছেন, ভোগে নয়, ত্যাগেই সার্থকতা।

গত সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে অংশ নেয় ১২টি। এবার ৩৯টি দলের মধ্যে বেশির ভাগই অংশ নেবে বলে মনে করা হচ্ছে। গত নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন এক হাজার ১০৭ জন। এবার আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির (জাপা) মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে ১১ হাজার ২১টি। এর মধ্যে বিএনপির চার হাজার ৫৮০টি, আওয়ামী লীগের চার হাজার ২৩টি ও জাতীয় পার্টির দুই হাজার ৪১৮টি। বরগুনার একটি আসন থেকেই আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ৫২ জন, বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতিও উষ্মা প্রকাশ করেছেন। এবার ছোট দলগুলোর মনোনয়নপত্র কম বিক্রি হয়েছে। যেমন বিকল্পধারার মনোনয়নপত্র শতাধিক, গণফোরামের মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে চার শতাধিক। এলডিপির মনোনয়ন পেতে মনোনয়নপত্র নিয়েছেন অর্ধশতাধিক, হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বাধীন জাসদের মনোনয়নপত্র নিয়েছেন আড়াই শর বেশি ব্যক্তি। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মনোনয়নপ্রত্যাশী শতাধিক। ইসলামী আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট, খেলাফত মজলিস, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, ইসলামী ফ্রন্টসহ ছোট দলগুলোর মনোনয়নপ্রত্যাশী সীমিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘আমাকে পাবলিক টয়লেটের মতো ব্যবহার করেছে সে’

বিনোদন সংবাদ: #মিটু বিতর্কে একের পরে এক অভিনেত্রী মুখ খুলছেন। তাতে হলিউড থেকে বলিউডের খ্যাতনামা অভিনেতার নাম উঠে এসেছে। এবার মিটু# ট্যাগে আবারো মুখ খুললেন ভারতের দক্ষিণি চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রী রেড্ডি।

জানা গেছে, সম্প্রতি যৌন হয়রানির ব্যাপারে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন শ্রী রেড্ডি। সেই পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, তামিলের এক বড় অভিনেতা তার কেরিয়ার ধ্বংস করার জন্য উঠে-পড়ে লেগেছেন। ওই ব্যক্তি নাকি তাকে পাবলিক টয়লেটের মতো ব্যবহার করেছেন।

তবে এবারই প্রথম নয়। এর আগেও কাস্টিং কাউচ নিয়ে সরব হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। একবার তো প্রকাশ্যে উর্ধাঙ্গ উন্মোচন করে বিক্ষোভও করেছিলেন শ্রী রেড্ডি। যদিও বরাবরই তিনি বিতর্কের কেন্দ্রে থাকেন।

জানা গেছে, এখন তামিলনাড়ুতেই রয়েছেন এই অভিনেত্রী। সেখানে ঘূর্ণিঝড় গাজার প্রভাবে বিপাকে পড়া মানুষদের সাহায্য করছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নায়ক নিয়ে দুই নায়িকার দ্বন্দ্ব!

বিনোদন সংবাদ: শাকেব খানকে নিজের করে পাওয়ার জন্য উদগ্রীব দুই নায়িকা নুসরাত ফারিয়া ও রোদেলা জান্নাত। কিন্তু কে পাবেন তাকে? শেষ পর্যন্ত কার প্রেমের তরীতে উঠবেন শাকিব? এমন প্রশ্ন নিয়েই নির্মিত হচ্ছে চলচ্চিত্র ‘শাহেন শাহ’।শামীম আহমেদ রনি পরিচালিত ছবিটির শুটিং এখন শেষের পথে।ফেব্রুয়ারি মধ্যেই ছবিটির শুটিং শেষ হবে বলে জানালেন পরিচালক।

মজার বিষয় হচ্ছে পুরো ছবির শুটিংই শেষ হচ্ছে বাংলাদেশে। লাখ লাখ টাকা ব্যয় করে এফডিসিতে নান্দনিক সেট বানিয়ে শুটিং করা হচ্ছে । তবে গতানুতিক সেট নয়, সেটগুলো এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে দর্শকরা বুঝতেই পারবেনা আসলে কোথায় শুটিং করা হয়েছে ছবিটির। পাওয়া যাবে বিদেশি লোকেশনের মুগ্ধকরা আবহ। এমনটিই জানিয়েছেন পরিচালক রনি

ছবিটি নিয়ে শামীম আহমেদ রনি বলেন, ‘এফডিসি,আফতাবনগর, পূবাইলে বিশাল আয়োজন ও সেট নির্মাণ করে ‘শাহেনশাহ’ ছবির কাজ হয়েছে। ইতোমধ্যে ৭৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে শাহেন শাহর। এখন গানের শুটিংয়ের পরিকল্পনা চলছে। গানের জন্য ভারত থেকে কোরিওগ্রাফার আনা হচ্ছে। শিগগিরই গানেরও শুটিং করবো।’

ছবিটিতে শাকিবের দুই নায়িকা ফারিয়া ও রোদেলা। দুই নায়িকাই প্রথমবার শাকিবের বিপরীতে কাজ করছেন। একজনের নাম লায়লা অন্যজন প্রিয়া। অপরদিকে এ ছবির মাধ্যমেই বড় পর্দায় অভিশেক হচ্ছে রোদেলার। তাই স্বভাবতই অন্য রকম এক উচ্ছাস কাজ করছে তার মধ্যে।

রোদেলা বলেন,‘প্রথমবার চলচ্চিত্রের ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছি। নায়ক হিসেবে পেয়েছি দেশের একজন সুপারস্টারকে। অন্যরকম এক অভিজ্ঞতা হচ্ছে। অনেক কষ্টও হচ্ছে। নিজের চরিত্রটিকে ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলতে নিয়মিত গ্রুমিং করেছি। মোট কথা অনেক কষ্ট করছি প্রথম কাজটির জন্য।আশা করি ভালো কিছু হবে। আমার আগামীর পথ চলাটা সহজ হবে।’

শাকিব খান, নুসরাত ফারিয়া ও রোদেলা জান্নাত ছাড়াও ‘শাহেনশাহ’ ছবিতে আরও অভিনয় করছেন মিশা সওদাগর, উজ্জ্বল,আহমেদ শরিফ, অনুভব মাহবুব, লিটন হাসমি প্রমুখ। ছবিটি প্রযোজনা করছে শাপলা মিডিয়া। এর ডিজিটাল কনটেন্ট পার্টনার হিসেবে থাকছেন লাইভ টেকনোলজিস। আগামী বছর কোন উৎসব উপলক্ষে ‘শাহেনশাহ’ মুক্তি দেয়া হবে বলে জানান পরিচারক শামীম আহমেদ রনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশের ৩৭ হলে চলছে ভারতীয় সিনেমা ‘ভিলেন’

বিনোদন সংবাদ: ৪৭ সিনেমা হলে ‘দহন’ আর দুটিতে ‘পাঠশালা’র পাশাপাশি শুক্রবার দেশের ৩৭টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে সাফটা চুক্তিতে আসা কলকাতার ছবি ‘ভিলেন’। ছবিটি আমদানি করছে এনইউ আহমেদ ট্রেডার্স।

বাবা যাদবের পরিচালনায় ‘ভিলেন’ ছবিটি নির্মিত হয়েছে এসভিএফ-এর ব্যানারে। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন অঙ্কুশ, মিমি চক্রবর্তী, ঋতিকা সেন প্রমুখ। গত দুর্গা পূজায় পশ্চিমবঙ্গে ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল।

এন ইউ আহমেদ ট্রেডার্সের কর্ণধার কামাল কিবরিয়া লিপু বলেন, ‘আমরা সাফটা চুক্তির আওতায় ভিলেন ছবিটি বাংলাদেশে মুক্তি দিয়েছি। তার বিনিময়ে শাকিব খানের ‘রানা পাগলা: দ্য মেন্টাল’ ছবিটি পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি দেয়া হচ্ছে।’

‘রানা পাগলা: দ্য মেন্টাল’ ছবিটি কলকাতায় শিগগিরই মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছেন লিপু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রংপুরে জিয়াউদ্দিন বাবলুর গাড়িতে হামলা

রাজনীতির খবর: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদের ভাগ্নিজামাই প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন বাবলু’র গাড়ির ওপর হামলা চালিয়েছে রংপুরে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা। রংপুর-২ বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ আসনে মনোনয়ন দাখিলকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা ঝাড়ু মিছিলসহ বুধবার রাতে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। বর্তমানে সেখানে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা জানায়, জিয়া উদ্দিন বাবলু জাতীয় পার্টির মনোনয়ন না পাওয়ায় কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে বাবলু ও তার স্ত্রী টুম্পা মঙ্গলবার রাতে রংপুরে আসেন। গোপনে তারা রংপুর-২ বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ আসনে মনোনয়ন দাখিল করবেন এমন খবর চাউর হয়ে গেলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা। বুধবার সকাল থেকেই তার মনোনয়ন দাখিল রুখতে নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ, ঝাড়ু মিছিল করে।

সেইসঙ্গে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয় শ’ শ’ নেতাকর্মী।

এ ব্যাপারে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুর মহানগর সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসির আহমেদ বলেন, এরশাদ স্যারের নির্দেশ অমান্য করে মনোনয়ন চুরি করে জিয়াউদ্দিন বাবলু রংপুর-২ ও নীলফামারী-৪ আসনে গোপনে তা দাখিলের জন্য বুধবার সকাল থেকে চেষ্টা করেছেন। এ খবর জানতে পেরে তাকে প্রতিহত করার জন্য দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীরা প্রশাসনিক কার্যালয়সহ নির্বাচন কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। যাতে করে জিয়াউদ্দিন বাবলুর পক্ষে তার কোনো প্রতিনিধি এ মনোনয়ন দাখিল করতে না পারে। এদিকে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রংপুর জেলার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবদুুর রাজ্জাক জানান, জিয়াউদ্দিন বাবলু দলীয় প্রধানের নির্দেশ অমান্য করে রংপুরে এসে বুধবার বিকালে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে আসেন তার ব্যক্তিগত সহকারী।এ পর্যায়ে মনোনয়ন দাখিল করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের আতিয়ার রহমানের নেতৃত্বে জিয়াউদ্দিন বাবলুর গাড়িতে হামলা চালিয়ে তার ব্যক্তিগত সহকারী রাজুসহ সঙ্গে আসা লোকজনকে লাঞ্ছিত করেছে। তার গাড়ির উপর চড়াও হয় নেতাকর্মীরা এ সময় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। জিয়াউদ্দিন বাবলুর পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা নেয়ার প্রতিবাদে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যাপক দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest