সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরামুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ

দেবহাটার রুপসী ম্যানগ্রোভের পিচের রাস্তার উদ্বোধন করলেন ইউএনও

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটার ইছামতি নদীর পাশে শীবনগর এলাকায় চিত্ত বিনোদনের জন্য উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে তৈরী করা “রুপসী ম্যানগ্রোভ দেবহাটা” যাওয়ার জন্য পিচের রাস্তা তৈরি কাজের উদ্বোধন করলেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ। শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪ টায় সুশীলগাতী থেকে শীবনগর হয়ে রুপসী ম্যানগ্রোভ পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার রাস্তাটির উদ্বোধনের মাধ্যমে এই এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের চাওয়া পূরন হতে চলেছে। সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার মেসার্স রোশনী ইন্টারপ্রাইজ নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দেবহাটা এলজিইডির তত্ত্বাবধানে আইআরডিপি-২ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই রাস্তাটির কাজ করছেন। উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর গাজী, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব আর.কে.বাপ্পা, সাংবাদিক কে.এম রেজাউল করিম, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের তপন কুমার, ম্যানগ্রোভের ম্যানেজার দিপঙ্কর ঘোষ বাবু, ইউপি সদস্য মোক্তার আলী সহ এলাকার জনগন উপস্থিত ছিলেন। দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদের নির্দেশনায় এই বিনোদন কেন্দ্রটিকে আরো নান্দনিক ও নয়নাভিরাম করে একটি সৌন্দর্যপূর্নভাবে মানুষের চিত্ত বিনোদনের জন্য গড়ে তুলতে ইতিমধ্যে ট্রেইল নির্মান ও দিঘীতে প্যাডেল বোর্ড দেয়া, পাকা বেঞ্চ নির্মান, ম্যানগ্রোভের মধ্যে কৃত্রিমভাবে বিভিন্ন পশু পাখি তৈরী, শিশুদের বিনোদনের জন্য দোলনা নির্মান সহ বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এখানে আগত বিভিন্ন দূর-দূরান্ত আসা পর্যটক ও এই এলাকার মানুষদের যাতায়াতের জন্য পাকা রাস্তা তৈরী করার জন্য দীর্ঘদিন তারা দাবী জানিয়ে আসছিল। এই রাস্তা উদ্বোধনের মাধ্যমে তাদের সেই দাবী পূরন হলো। ভারত-বাংলাদেশ বিভাজনকারী ইছামতি নদীর কুল ঘেষে দেবহাটা উপজেলার শীবনগর গ্রামে গত কয়েক বছর আগে মানুষের চিত্ত বিনোদনের লক্ষ্যে দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সুন্দরবনের আদলে গড়ে তোলা হয় “রুপসী ম্যানেগ্রাভ” বিনোদন কেন্দ্র। দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ জানান, রুপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটি দেবহাটা উপজেলার শিবনগর মৌজার ১ নং খতিয়ানের ৩৯৮ নং দাগের ইছামতি নদীর তীরে জেগে ওঠা চরভূমি। যার আয়তন ৩১.৪৬ একর (০৭ একর পুকুরসহ)। দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গড়ে ওঠা ম্যানগ্রোভ বন সাতক্ষীরা জেলার বর্তমানে একটি উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এ পর্যটন কেন্দ্রে রয়েছে সুন্দরবনের বিভিন্ন প্রজাতির গাছ-গাছালি ও নানা ফলদবৃক্ষ। দুরদুরান্ত থেকে দেশী ও বিদেশী পর্যটকরা এসে বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীর সৌন্দর্য এবং রুপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ বনের অপরুপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ হচ্ছেন। পর্যটকদের আগমন আরো বেশী করতে এই রাস্তা নির্মান করা হচ্ছে এবং ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটি আরও আকর্ষনীয় করা হলে সরকারি রাজস্ব আরো বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে দেবহাটা উপজেলা তথা সাতক্ষীরা জেলার সুনাম বয়ে আনবে বলে তিনি জানান। আগামী ৩০ শে জুন ২০১৯ তারিখে রাস্তাটির কাজ শেষ হবে বলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক তপন কুমার জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ

 

শ্যামনগর প্রতিনিধি : : শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ীতে অসহায় শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯ টায় উপজেলার কাশিমাড়ীর ১০৫ নং পূর্ব গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রিন্সিপাল হক স্মৃতি সংঘের সার্বিক আয়োজনে অর্ধশতাধিক শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়।
প্রিন্সিপাল হক স্মৃতি সংঘের সভাপতি আব্দুস সালাম মন্টুর সভাপতিত্বে এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কম্বল বিতরণের পূর্বে শ্যামনগর সরকারি মহসীন ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল প্রয়াত জিএম আব্দুল হক সাহেবের ছবির মোড়ক উন্মোচন করেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার দেবী রন্জন মণ্ডল। বিশেষ অতিথি হিসেবে এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে কম্বল বিতরন করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ – সভাপতি গাজী আনিছুজ্জামান আনিচ, গোবিন্দপুর এএইচ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ গাজী মোঃ সফিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট সমাজসেবক ডাঃ মোস্তফা মাহমুদ, ০৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি গাজী নুরুল হক বাচ্চু, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মহসীন হোসেন, সমাজসেবক আব্দুর রহিম মোল্যা, আব্দুল হাই মোড়ল সহ উক্ত সংঘের সদস্যবৃন্দ। উল্লেখ্য, প্রিন্সিপ্যাল হক স্মৃতি সংঘের ধারাবাহিক সমাজসেবার অংশ হিসেবে শীতবস্ত্র-২০১৮ বিতরন করা হয়েছে, তাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা এলাকার কিছু অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের শীত নিবারণে কাজে লাগবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রহ্মরাজপুর বাজার জামে মসজিদের কমিটি গঠন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সাতক্ষীরা সদরের ব্রহ্মরাজপুর বাজার জামে মসজিদে শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট ত্রি-বার্ষিক নতুন কমিটি গঠন হয়েছে। কমিটিতে আলহাজ্ব আব্দুর রশিদ সরদার সভাপতি ও ডাঃ আব্দুল ওহাব আজাদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে।
শুক্রবার জুম্মার নামাজে উপস্থিত মুসল্লীদের সম্মুখে ব্রহ্মরাজপুর বাজার জামে মসজিদের আহবায়ক ও ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান এস,এম শহিদুল ইসলামের সম্মতিক্রমে পূর্নাঙ্গ কমিটির তালিকা পাঠ করেন আহবায়ক কমিটির সদস্য ও ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ রেজাউল করিম মিঠু।
কমিটির অন্যান্য নির্বাচিত সদস্যরা হলেন প্রধান উপদেষ্টা ডাঃ খোদাবকস্ দালাল, উপদেষ্টা আলহাজ্ব মোঃ নূর আহম্মদ, মোঃ মমিনুর রহমান মুকুল, আলহাজ্ব মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, শেখ সাইদুর রহমান, সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ আব্দুল হান্নান, মোঃ শাহাজান আলি, আলহাজ্ব মোঃ শামসুর রহমান, যুগ্ন-সম্পাদক মোঃ আব্দুর রহিম বাবু, মাষ্টার হাফিজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল খালেক, অর্থ সম্পাদক শাহিনুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক মাষ্টার আব্দুর রশিদ, প্রচার সম্পাদক মোঃ ছলেমান মোড়ল, কার্যকারী সদস্যরা হলেন সাংবাদিক আলহাজ্ব মোঃ শাহাদাৎ হোসেন বাবু, শেখ আব্দুল আহাদ, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (মোস্তাক), মোঃ মনিরুজ্জামান তুহিন, মোঃ আবুল হাসান, শেখ মুকুল হোসেন, মোঃ বাবলুর রহমান, মোঃ আজিজুল ইসলাম, মোঃ আনারুল ইসলাম, মোঃ কেরামত আলি, মোঃ গোলাম মোস্তফা, মোঃ নওশের আলি, মোঃ রনি পারভেজ, মোঃ মুজিবর রহমান ও মোঃ আজিজুল ইসলাম মিস্ত্রি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় দূর্বৃত্তদের হামলায় বিএনপি ও ছাত্রদলের দু’নেতা গুরুতর আহত

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মুখোশাধারী দূর্বৃত্তদের হামলায় বিএনপি ও ছাত্রদলের দু’নেতা গুরুতর আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে কলারোয়া পৌরসভার পৃথক দু’টি স্থানে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, কলারোয়া পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এখলেছুর রহমান শেলী ও ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শাহিনুর রহমান।
এদিকে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কলারোয়া থানার থেকে মাত্র ১০০ গজ দূরে এ ধরনের একটি ন্যাকারজনক ঘটনায় সাধারন মানুষেরে মধ্যে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
আহতরা জানান, কলারোয়া বাজারে নিজ ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে বসে ছিলেন এখলেছুর রহমান শেলী। এ সময় অচেনা এক যুবক জরুরী প্রয়োজনের কথা বলে তাকে দোকানের বাইরে আসতে অনুরোধ জানান। দোকানের বাইরে যাওয়া মাত্রই ওই যুবক কিল-থাপ্পড়-ঘুষি মারতে থাকে শেলীকে। এতে তিনি বাধা দিতে গেলে ও চিৎকার করলে আশপাশের দোকানদাররা ছুটে আসেন। মুহূর্তের মধ্যে সেখানে ৫/৭টি মোটরসাইকেলে ১০/১২জন মানকি টুপি ও হেলমেট পরিহিত অবস্থায় হকিস্টিক দিয়ে বেধড়ক পেটাতে থাকে শেলীকে। এ সময় তিনি ছুটে পালানোর চেষ্টা করলে ওই ব্যক্তিরা সোনালী ব্যাংকের সামনে গিয়ে তাকে দ্বিতীয় দফায় পেটাতে থাকেন। পরে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে গেলে দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল যোগে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। কলারোয়া থানা থেকে মাত্র ১০০ গজ দূরে এ ধরনের একটি ন্যাকারজনক ঘটনায় সাধারন হতভম্ব হয়ে পড়েন। গুরুতর আহতাবস্থায় শেলীকে কলারোয়া হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
এদিকে, কলারোয়া উপজেলা সদরের পলাশ সিনেমা হল মোড় এলাকায় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শাহিনকেও একই দুর্বৃত্তরা লাঠিসোটা দিয়ে মারপিট করে তাকে আহত করে।
আহত এখলেছুর রহমান শেলী জানান, চিকিৎসার পরে একটু সুস্থ হলে অভিযোগ দায়ের করা হবে।
কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মারুফ আহম্মদ জানান, ঘটনাটি শুনেছি। এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত থানায় কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপির ভোটে আসা অপ্রত্যাশিত: হাউস অব কমন্স

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশের নির্বাচন পরিস্থিতি সবার সমান সুযোগ সৃষ্টি বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’-এর ধারেকাছেও নেই বলে মন্তব্য করেছে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্স। এক প্রতিবেদনে হাউস অব কমন্স এই মন্তব্য করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার সুযোগ নিচ্ছে। অন্যদিকে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ওপর দমনপীড়ন তীব্র রয়ে গেছে। প্রতিবেদনে নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণকে অপ্রত্যাশিত বলছে হাউস অব কমন্স।

বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন পরিস্থিতি সম্পর্কে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্সের এই প্রতিবেদন ‘রিসার্চ ব্রিফিং’ নামে পরিচিত। দেশটির এমপিদের অবগতির জন্য এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ–বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়। এতে গত বুধবার বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া এক রায়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির নেতাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টিও স্থান পেয়েছে।

১৩ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবারের নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে কোনো পর্যবেক্ষক দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ প্রসঙ্গে বলা হয়, ইইউর এমন সিদ্ধান্তের পেছনে যুক্তি দেওয়া হয়, আন্তর্জাতিক মহলে এই নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ আছে। তবে ইইউ দুই সদস্যের ‘এক্সপার্ট মিশন’ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর পর্যবেক্ষক পাঠানোর বিষয়ে কমনওয়েলথ এখনো কিছু বলেনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, খালেদা জিয়ার মুক্তি, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের আয়োজনসহ কোনো দাবি পূরণ না হওয়া সত্ত্বেও বিএনপি অপ্রত্যাশিতভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এর ফলে নির্বাচন তুলনামূলক বিশ্বাসযোগ্য হবে। কিন্তু ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমান সুযোগ নিশ্চিতের বিষয়টি অনেক দূরে।

নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বহু আগ থেকেই যে বিরোধীদের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে, সেই প্রসঙ্গটিও বাদ যায়নি প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়, এবার প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচনে ‘ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন’ (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে। বিএনপি এর বিরোধিতা করে আসছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিদ্বন্দ্বিতার নিয়মের প্রতি (রুলস অব গেইম) সার্বিক আস্থার মাত্রা তলানিতে রয়ে গেছে। এর ফলে নির্বাচনী প্রচারকালে বা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরপর সংঘাত ও অস্থিতিশীলতা শুরু হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার বলেছে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচনের ১৫ দিন আগে সেনা নামবে।

হাউস অব কমন্সের এই প্রতিবেদনে বিএনপির দাবি-দাওয়া, খালেদার মামলা ও সাজা, সংলাপের আয়োজনসহ সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি সবিস্তারে তুলে ধরা হয়েছে। দলগুলোর আদর্শিক পরিবর্তনের প্রসঙ্গ টেনে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের মাধ্যমে বিএনপি ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতিকে স্বাগত জানিয়েছে। এর বিপরীতে ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির জোরালো দাবিদার আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪–দলীয় জোট সম্প্রতি রক্ষণশীল ইসলামি দলগুলোর সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো, হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে সখ্য। এ অবস্থা উল্টো পথে মোড় নেওয়ার মতো।

এ ছাড়া এই প্রতিবেদনে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, খুন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতাসহ সামগ্রিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টিও উঠে এসেছে। আছে কোটাবিরোধী আন্দোলন এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমনে পুলিশি বলপ্রয়োগ এবং ছাত্রলীগের হামলার প্রসঙ্গও। প্রখ্যাত আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে ১০০ দিনের বেশি কারাবন্দী রাখার বিষয়টিও আছে প্রতিবেদনে। রোহিঙ্গা পরিস্থিতি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন চেষ্টায় বাধা পড়ার বিষয়ে আছে বিস্তারিত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসী-জঙ্গি উৎপাতের ঘটনা কমলেও ঝুঁকি শেষ হয়ে যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌর ৯নং ওয়ার্ড বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের কমিটি অনুমোদন

 

বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ এর সাতক্ষীরা পৌর ৯নং ওয়ার্ডে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ শাখা কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি পদে মোঃ আলমগীর হোসেন সাধারণ সম্পাদক পদে মিলন হোসেন সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সালেহীন হোসেন কে মনোনীত করা হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ সাতক্ষীরা পৌর শাখার সভাপতি আসাদুজ্জামান লাভলু ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক পত্রে উক্ত পৌর কমিটি অনুমোদন দেন। ৩০ নভেম্বর-২০১৮ শুক্রবার উক্ত কমিটি হস্তান্তর করা হয়। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ এর কেন্দ্রীয় যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আল মাহমুদ পলাশ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সালমান বনাম সালমা: লড়াইটা শুধু রাজনৈতিক নয়!

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা-১ নির্বাচনী আসনটা গঠিত হয়েছে দোহার আর নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে। ২০০৮ সালের আগে এই দুই উপজেলা দুটি ভিন্ন ভিন্ন আসনে ছিল, তবে সীমানা পুনর্বিন্যাসের পর এই দুটি উপজেলা ঢাকা-১ আসনের অন্তর্ভূক্ত হয়৷ এই আসনটিকে ধরা হচ্ছে এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে হেভিওয়েট আসনগুলোর মধ্যে অন্যতম হিসেবে৷ সবচেয়ে ধনী আসনও বলা চলে এটাকে। প্রার্থীদের নামের দিকে তাকালেই বুঝতে পারবেন কেন এটা বলা হচ্ছে৷ আওয়ামী লীগ থেকে এই আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে বিশিষ্ট শিল্পপতি এবং বেক্সিমকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা সালমান এফ রহমানকে৷ অন্যদিকে এই আসনের বর্তমান সাংসদ এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামও লড়বেন এই আসনে। সালমা ইসলাম নিজে যুগান্তর পত্রিকার প্রকাশক, তার স্বামী হচ্ছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি এবং যমুনা গ্রুপের মালিক নুরুল ইসলাম বাবুল। কাজেই এই আসনের লড়াইটাকে শিল্পপতিদের লড়াই বললেও ভুল হবে না তেমন।

২০০৮ সালের নির্বাচনে এই আসন থেকে আওয়ামী লীগের টিকেট পেয়েছিলেন আবদুল মান্নান খান৷ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে মন্ত্রীও হয়েছিলেন তিনি। ২০১৪ সালের নির্বাচনেও তাকেই মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল, তবে সেবার তিনি প্রায় পাঁচ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন জাতীয় পার্টির সালমা ইসলামের কাছে৷ এবার আবারও আসনটি পুনরুদ্ধারে মরিয়া আওয়ামী লীগ, আর সেকারণেই হয়তো মহাজোটের অংশীদার হবার পরেও সালমা ইসলামের হাতে না ছেড়ে সালমান এফ রহমানকে মনোনয়ন দিয়েছে দলটি৷

তবে জাতীয় নির্বাচনে সালমান এফ রহমানের অতীত অভিজ্ঞতা কিন্ত খুব একটা সুখকর নয়৷ ২০০১ সালে এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছিলেন তিনি, প্রতিপক্ষ ছিলেন বিএনপির ব্যারিস্টার নাজমুক হুদা৷ দুজনের মধ্যে আবার আত্মীয়তার সম্পর্কও আছে৷ সেবারের নির্বাচনে তিন হাজার ভোটের ব্যবধানে হেরে গিয়েছিলেন সালমান এফ রহমান৷ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আসার আগে নিজের গড়া ‘সমৃদ্ধ বাংলাদেশ আন্দোলন’ থেকে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ধানমণ্ডি এলাকা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও জামানত হারিয়েছিলেন সালমান।

ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দীনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গ্রেফতার হয়েছিলেন সালমান এফ রহমান, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে জেল থেকে মুক্তি পান এই ব্যবসায়ী। এর পর থেকেই ধীরে ধীরে জাতীয় রাজনীতিতে দেশের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে আবির্ভূত হন সালমান এফ রহমান। মনোনীত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত উপদেষ্টা প্যানেলে। নিয়োগ পান শেখ হাসিনার বেসরকারি বিনোয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে।

তবে এসবের পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে অজস্র অভিযোগও আছে৷ বিশেষ করে শেয়ার বাজার ধ্বসের পেছনে তার হাত রয়েছে বলে দেশের অধিকাংশ মানুষের ধারণা৷ তাকে শেয়ার বাজারের ‘দরবেশ বাবা’ বলেও অভিহিত করেন অনেকে। এর আগে নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়টায় যখন শেয়ার বাজার এমন দরপতনের শিকার হয়েছিল, তখনও সালমান এফ রহমান ছিলেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের নেতৃত্বে।

দুই দফায় শেয়ার বাজার ধ্বসের পেছনেই তার প্রত্যক্ষ সংযোগ রয়েছে বলে মনে করেন ক্ষতিগ্রস্থদের অনেকেই। নিজের কোম্পানীর শেয়ারের দাম বাড়িয়ে দিয়ে তিনি বাজারে একটা অস্থিতিশীল অবস্থার সৃষ্টি করেছেন বলে অভিযোগ আছে। লক্ষ লক্ষ বিনিয়োগকারীর সর্বশান্ত হয়ে যাওয়ার পেছনে তার ভূমিকাটাই সবচেয়ে বেশি, এরকম দাবী করেন অনেকেই। শেয়ার বাজারের টাকা দিয়েই সালমান এফ রহমান দেশের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন- এমন ধারণা পোষণ করেন অনেক মানুষ। সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকার কারণেই তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে- এরকম অভিযোগও করেছেন কেউ কেউ। খোদ আওয়ামী লীগের মধ্যেই অনেকে মনে করছেন, সালমান এফ রহমানকে মনোনয়ন দেয়ায় সমালোচনা হবে, উঠবে প্রশ্নও।

ঢাকা-১ আসনের বর্তমান সাংসদ সালমা ইসলাম ২০১৪’র আগে জাতীয় রাজনীতিতে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ কেউ ছিলেন না৷ তবে সেই নির্বাচনে জয়লাভ করেই হইচই ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। আগের নির্বাচনেও জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের সঙ্গে নির্বাচন করেছিল, আসন বন্টনের সময় ঢাকা-১ আসনটা উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল সেবার। এবার মহাজোট থাকলেও আওয়ামী লীগ এখানে একক প্রার্থী দিয়েছে, পিছিয়ে যাবেন না সালমা ইসলামও, তিনিও নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং জয়লাভের ব্যাপারে আশাবাদী।

মজার ব্যাপার হচ্ছে, ঢাকা-১ আসনের নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বীতাটা কিন্ত শুধু সালমান এফ রহমান এবং সালমা ইসলামের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই আর৷ এটা এখন বেক্সিমকো বনাম যমুনা গ্রুপের প্রতিদ্বন্দ্বীতাও। সালমান এফ রহমানের মালিকানায় যেমন ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের মতো টিভি চ্যানেল আছে, সালমার হাতেও আছে যুগান্তরের মতো পত্রিকা, আর যমুনা গ্রুপের চ্যানেল যমুনা টিভিও তো তার স্বামী নুরুল ইসলাম বাবুলের মালিকানাধীন৷ কাজেই লড়াইটা একপেশে হচ্ছে না মোটেও৷

বাংলাদেশের নির্বাচনে টাকাপয়সার ছড়াছড়িটা নতুন কিছু নয়। নির্বাচনে জয়ের জন্যে কোটি কোটি টাকা খরচ হয়ে আসছে সেই আশির দশক থেকেই, কালো টাকার আধিপত্য তো আছেই৷ ব্যবসায়ীরা রাজনীতিতে আসার পরে সেটার প্রভাব আরও বেড়েছে। বাংলাদেশের সেরা দুই ধনকুবের গোষ্ঠী যখন এক আসনে জয়ের জন্যে যুদ্ধে নামে, তখন সেখানে টাকার ঝনঝনানি শোনা যাবে না, এটা তো অবাস্তব কল্পনা৷ কে জানে, ঢাকা-১ আসনের ভোটারেরা সেসবের আঁচ কতটা টের পাচ্ছেন!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফখরুলের হলফনামায় ৪ পৃষ্ঠা শুধু মামলার বিবরণ

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন কমিশনে দেয়া হলফনামায় ৪ পৃষ্ঠা শুধু মামলার বিবরণী দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার বিকাল ৪টার পর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনের জন্য মনোনীত প্রার্থী সবার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে বলে অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনে যে হলফনামা জমা দিয়েছি সেখানে ৪ পৃষ্ঠা গেছে শুধু মামলার বিবরণী লিখতে গিয়ে।
তবে নিজের নামে কতগুলো মামলা রয়েছে সে হিসাব জানা নেই উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমার বিরুদ্ধে একশ’র ওপর মামলা রয়েছে। আমি হলফ করে দিয়েছি। নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে জামায়াতের কেউ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, সবাই ধানের শীষের প্রার্থী।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest