সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরামুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ

নিলামে চাঁদের কণা

অনলাইন ডেস্ক: ১৯৭০ সালে রাশিয়ার ‘লুনা ১৬’ অভিযানে পৃথিবীতে নিয়ে আসা হয়েছিল উপগ্রহের ওই তিনটি টুকরো। পরবর্তী কালে রুশ সরকার সেগুলো উপহার দেয় সোভিয়েত স্পেস প্রোগ্রামের প্রয়াত চিফ ডিজাইনার এবং ডিরেক্টর সের্গেই পাভলোভিচ কোরোলেভের স্ত্রী নিনা ইভানোভনা কোরোলেভাকে।

১৯৯৩ সালে সেগুলো নিলামে ৪ লাখ ৪২ হাজার ৫০০ ডলারে কিনেছিলেন কোনও এক অজ্ঞাত ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে ফের সেই চাঁদের টুকরোগুলো নিলামে তুলল সদবি’জ। এবার কিনেছেন এক মার্কিন সংগ্রাহক। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে এ ক্ষেত্রেও নাম গোপন রাখা হয়েছে।

পৃথিবী থেকে লাখ মাইল দূরের বাসিন্দা চাঁদ। তার ভর লাখ কোটি টন। তবু পৃথিবীতে খুব সামান্যই ‘মুনরক’ বা চাঁদের টুকরো রয়েছে। ১৯৬৯ সাল থেকে ১৯৭২ সালের মধ্যে আমেরিকার ছ’বারের অ্যাপোলো অভিযানে মোট ৩৮২ কেজি চাঁদের মাটি নিয়ে আসা হয়েছিল।

তৎকালীন সোভিয়েত তাদের তিনটি ‘লুনা ল্যান্ডারস’-এ নিয়ে এসেছিল ৩০১ গ্রাম। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, আমেরিকা ও রাশিয়ার আনা বেশির ভাগ নমুনাই গোপনে সরকারি হেফাজতে রয়েছে। সেগুলো বিক্রি করা বা কেনা যায় না।

সদবি’জ জানিয়েছেন, বাজারে মাঝেমধ্যে মুনরক কিনতে পাওয়া যায়। কিন্তু সেগুলো হয় চোরাই জিনিস, না হলে নকল।

রুশ ‘লুনা ১৬’-র নমুনাই একমাত্র ব্যতিক্রম। তার পিছনে একটি ব্যতিক্রমী গল্পও রয়েছে। সেই অভিযানে কোনও মানুষ যায়নি। একটি রোবট পাঠানো হয়েছিল। সে-ই নিয়ে আসে চাঁদের কণাগুলো। একটি ছোট্ট কাচের বাক্সে তার আনা তিনটি টুকরোকে সাজিয়ে রাখা হয়েছে।

নিচে পাঁচ বাই পাঁচ সেন্টিমিটার ধাতব প্লেটে খোদাই করে লেখা, ‘লুনা ১৬’-র আনা মুনরক। একটি ম্যাগনিফায়ার লাগানো, চাঁদের কণাগুলিকে বড় করে দেখার জন্য। এগুলোও সরকারি সম্পত্তি ছিল। পরে কোরোলেভের স্ত্রীকে দেওয়া হয়। সোভিয়েতের মহাকাশ গবেষণার স্তম্ভ ছিলেন কোরোলেভ। ১৯৬৬ সালে তিনি মারা যান।

স্তালিনের অত্যাচারের হাত থেকে বেঁচে ফেরা কোরোলেভ পরে সোভিয়েতের মহাকাশ গবেষণার রূপকার হয়ে ওঠেন। তার হাত ধরেই সোভিয়েতের প্রথম রকেট উৎক্ষেপণ-যন্ত্র তৈরি, কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানো, মহাকাশে প্রাণি পাঠানো, প্রথম মানুষ পাঠানো, প্রথম কোনও নারীকে পাঠানো। কিন্তু এই অনেক ‘প্রথম’-এর কাণ্ডারিকে কৌশলগত কারণেই আড়ালে রেখেছিল সরকার।

মৃত্যুর পরে তার স্ত্রীকে স্বীকৃতি স্বরূপ বা ক্ষতিপূরণ বাবদ ‘লুনা ১৬’-এর আনা ২০০ মিলিগ্রাম চাঁদের টুকরো উপহার দেওয়া হয়। সোভিয়েত পতনের পরে ১৯৯৩ সালে সেই মুনরক নিলামে ওঠে। এবার ফের সেগুলো নিলামে তুলল সদবি’জ। সূত্র: আনন্দবাজার

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রথম দিনেই বাজিমাত করলো ‘দহন’

বিনোদনের খবর: নানা চড়াই উৎরাই পার করে শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) সারাদেশ মুক্তি পেয়েছে সিয়াম ও পূজা চেরি অভিনীত ছবি ‘দহন’। ছবিটির প্রযোজনা করেছে জাজ মাল্টিমিডিয়া এবং পরিচালনা করেছেন রায়হান রাফি।
প্রথম দিনেই দর্শকদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে ছবিটি। প্রথম শোতে বলাকা সিনেওয়ার্ল্ডে দর্শকদের সঙ্গে বসে ছবিটি দেখেছেন এর কলাকুশলীরা। হাউজফুল এই প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি দেখার সময় দর্শকদের প্রতিক্রিয়া দেখেছেন, আবার সিনেমা শেষে সংবাদকর্মীদের কাছে নিজেদের প্রতিক্রিয়াও দিয়েছেন সিয়াম-পূজা-রাফিরা।

ছবি শেষে গণমাধ্যমকে পূজা বলেন, ‘নিজে অভিনয় করেছি তারপরও ছবিটা শেষ করে দেখি আমার চোখ ভেজা। কখন কান্না করেছি নিজেও জানি না। সিয়াম, বাবু ভাই, মম আপু, সবাই ভালো অভিনয় করেছে। এতো সুন্দর একটি সিনেমা বানানোর জন্য রাফি ভাইকে ধন্যবাদ। সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা দর্শকদেরকে, প্রথম শোতেই যেভাবে সাড়া দিয়েছে। সেটা অভাবনীয়।’

প্রথম শোতে ঢাকার প্রায় সবগুলো হলেই ভালো দর্শক হয়েছে। এর মধ্যে বলাকা, মধুমিতা ও স্টার সিনেপ্লেক্স হাউজফুল গেছে বলেই জানা গেছে। মফস্বলেরও হলগুলোতেও বেশ ভালো সাড়া ফেলেছে বলে জানিয়েছে জাজ কর্তৃপক্ষ।
রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার জন্য রাজনীতিবিদেরা কত কিছুই না করে থাকেন। তাদের ইশারায় রাজপথে আতঙ্ক ছড়াতে কাজ করে ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা। দেওয়া হয় গাড়িতে, বাসে, ট্রাকে, ট্রেনে আগুন।
এই কাজে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয় পথশিশু, টোকাই থেকে শুরু করে নেশাগ্রস্ত তরুণদের। তারই শিকার হয় কারও ভাই, বোন, মা কিংবা বাবা। এমনই গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে চলচ্চিত্র দহন।

ছবিটির গান লিখেছেন শাহ আলম সরকার, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, বুশরা শাহরিয়ার, প্রিয় চট্টপাধ্যায়। সুর ও সংগীত করেছেন ইমন সাহা, আহমেদ হুমায়ুন ও আকাশ সেন। গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছেন কনা, ইমরান, আহমেদ হুমায়ুন, বুশরা শাহরিয়া ও আকাশ সেন।

উল্লেখ্য, ‘দহন’ ছবিটি গেল ৫ অক্টোবর মুক্তির কথা বলা হয়। শেষ পর্যন্ত ওই তারিখেও ছবিটি মুক্তি পায়নি। সর্বশেষ ১৬ নভেম্বর মুক্তির তারিখ থাকলেও এদিনও মুক্তি পায়নি ছবিটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে খাদ্য হৃদয়কে অটুট রাখবে

স্বাস্থ্য কণিকা: ভালোবাসা দিবসে প্রিয়জনকে হৃদয়ের কথা বলেন অনেকে। কিন্তু হৃদয় আপনাকে কি বলতে চাইছে সেদিকে নজর দিয়েছেন? হৃদয়টা ভালো না থাকলে যে অনুভূতিই ভোঁতা হয়ে যাবে। ভালোবাসা তখন আর উপভোগ্য থাকবে না।

হৃদয়কে তাই অটুট রাখতে এই খাদ্যকে ভালোবাসতে পারেন।

নাশপাতিঃ নাশপাতি একটি রসালো বিদেশি ফল। তবে বাংলাদেশেও এই ফলটি পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়। ফলটির ৮৩ শতাংশই পানিতে পরিপূর্ণ। এই ফলের বেশ স্বাস্থ্যকরী গুণাগুণ রয়েছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, রক্তচাপ, রক্তনালীর কার্যাবলী এবং মেটাবলিক সিনড্রোম(মেটস) স্বাভাবিক থাকে নিয়মিত নাশপাতি খেলে। নাশপাতি রক্তে শর্করার পরমাণ কমায়। এটি আপনার কোষের চর্বি শোষণের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।

কলাঃ শরীরে উচ্চ রক্তচাপ বাসা বাঁধলে তা অনেকেই আমলে নেন না। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এটি যে কোনো মানুষের জন্য নিরব ঘাতক হিসেবে দেখা দিতে পারে। হৃদয়ের অস্বাভাবিকতা থেকেই ধরা দেয় এই সমস্যা। এমনকি হৃদয়কে থামিয়েও দিতে পারে উচ্চ রক্তচাপ। শরীরে তাই উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিলে সবারই নিয়ম মেনে চলা প্রয়োজন। অষুধ তো আছেই, সবচেয়ে ভালো নিয়ম মেনে চলা এবং খাদ্য গ্রহণে সতর্ক থাকা। হৃদয়কে অটুট রাখতে কলার কিন্তু গুন অনেক।

কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে যা উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। চিকিৎসকদের মতে, একটি কলায় ৪২২ মিঃগ্রাম পটাশিয়াম থাকে। যা প্রতিদিনের চাহিদার ১৩ শতাংশ মেটাতে সক্ষম। তাই এখন থেকে বেনানা (Banana)’কে আর না না করে হ্যাঁ বলুন।

সবুজ শাক সবজিঃ হৃদয়কে অটুট রাখতে সবুজ শাক সবজি’র জুড়ি নেই। আঁশযুক্ত সবুজ শাক সবজিতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি আর পটাশিয়াম থাকে। যা হৃদপিণ্ডকে ভালো রাখতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে থাকে এন্টিঅক্সিডেন্ট (antioxidants) যা হৃদয়কে অটুট রাখতে সাহায্য করে। তাই শুধু আমিষকে ভালো না বেসে এখন থেকে নিরামিষেও মনোযোগ দিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্মৃতি বাঁচাতে মাশরুম খান

স্বাস্থ্য কণিকা: বয়সকালে ডিমেনশিয়া ও অ্যালঝাইমারের মতো অসুখের হাত থেকে নিস্তার পেতে খাদ্যতালিকায় মাশরুম রাখুন। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, মাশরুম মস্তিষ্কের স্নায়ুর বাড়বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। যে কারণে স্মৃতিভ্রংশের মতো অসুখ এড়াতে গবেষকরা মাশরুম খাওয়ার উপর জোর দিতে বলছেন।
খাদ্যোপযোগী যেসব মাশরুমে রয়েছে, তার মধ্যে বায়োঅ্যাকটিভ যৌগ থাকে। এই যৌগই মস্তিষ্কের স্নায়ুর বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও নিউরোটক্সিক স্টিমুলির হাতে থেকে রক্ষা করে। যার জন্য ডিমেনশিয়া ও অ্যালঝাইমারের মতো রোগ এড়ানো সম্ভব।
এই মুহূর্তে শুধু আমেরিকাতেই ৫.১ মিলিয়নের বেশি অ্যালঝাইমার্স রোগী রয়েছেন। ২০২০-র মধ্যে গোটা বিশ্বে অ্যালঝাইমার্স আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াবে ৪২ মিলিয়ন। জার্নাল অফ মেডিক্যাল ফুড সাপোর্টে এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হার্টের সুস্থতায় যে খাবার উপকারী

স্বাস্থ্য কণিকা: ২০১৭ সালের শুরু থেকেই অনেকে স্বাস্থ্যের উন্নতির দিকে বেশ মনোযোগ দিয়েছেন। বেশি পরিমাণ ফল ও শাকসবজি খেয়ে, নিয়মিত ব্যায়াম করে এবং পরিমিত ঘুমিয়ে অনেকেই করেছেন স্বাস্থ্যের উন্নতি। কিন্তু একমাসের মধ্যে কতজনই বা সেই কাজটা করতে পেরেছেন? আপনি যদি এইসব বিষয় থেকে কিঞ্চিত সরে আসেন তবে চিন্তা করবেন না এই ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই আপনি আপনার স্বাস্থ্যের পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারবেন। সেক্ষেত্রে পরিবর্তন করতে হবে একটু খাদ্যাভ্যাস।

মটরশুঁটি: মটরশুঁটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে আশ, পটাশিয়াম ও প্রোটিন। এটি মাংসেরও বিকল্প। ভালো স্বাস্থ্যের জন্য এটি প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে না, দৈনিক আধা-কাপ খেলেই যথেষ্ট। মটরশুঁটি রক্তে কোলস্টোরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। সিদ্ধ করে খাওয়া ছাড়াও সালাদ ও সুপে মটরশুঁটি ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

কিমচি: সেদ্ধ করা খাবার দিন দিন যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কিমচি এক ধরনের খাবার যেটা বিভিন্ন ধরনের সবজি সেদ্ধ করে তৈরি করা হয়। কোরিয়াতে খাবারটি বেশ জনপ্রিয়। এক গবেষণায় দেখা গেছে কিমচি গ্রহণে মাত্র সাত দিনের মধ্যেই শরীর থেকে অতিরিক্ত কোলেস্টরেল কমে যায়।

আঙ্গুরের জুস : অনেকেই স্বাস্থ্যের উপকারের জন্য ওয়াইন গ্রহণ করে থাকেন। তবে এক গবেষণায় দেখা গেছে প্রক্রিয়াজাত করা হয়না এমন আঙ্গুরের জুস সবচেয়ে উপকারী। দৈনিক মাত্র চার আউন্স জুস গ্রহণেই উপকার পাবেন। এটি ধমনীতে রক্তের চলাচল বাড়িয়ে দিবে।

ডিম: ডিম শরীরের জন্য খুবই উপকারী। একটি ডিমে থাকে ৬ গ্রাম প্রোটিন, ১৩ গ্রাম ভিটামিন ও মিনারেল। এছাড়া একটি ডিমে পাওয়া যাবে প্রায় ৭০ ক্যালোরি। অনেক বছর ধরে শোনা যাচ্ছিল যে ডিম শরীরে কোলস্টোরেলের মাত্রা বাড়ায়। তবে সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, ডিম শরীরে স্ট্রোকের মাত্রা প্রায় ১২ শতাংশ কমিয়ে দেয়।

পেঁপে: শরীরকে সুস্থ রাখতে টমেটো বা টমেটোর সালাদ গ্রহণ করে থাকেন অনেকে। কারণ টমেটোতে আছে প্রচুর পরিমাণে লাইকোপিন যেটি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। তবে এক গবেষণায় দেখা গেছে টমেটো থেকেও বেশি উপকারী পেঁপে। পেঁপেতে লাইকোপিনের মাত্রা টমেটো থেকেও প্রায় ২ দশমিক ৬ গুন বেশি। দৈনিক কাঁচা বা পাকা পেঁপে ২০০ গ্রাম গ্রহণে অনেক উপকার পাওয়া যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রথম দিনেই বিশ কোটি

বিনোদনের খবর: মুক্তির আগে থেকেই দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রে ‘টু পয়েন্ট জিরো’। নানা আকর্ষণের মধ্যে ছবিটির অন্যতম আকর্ষণ ছিলো এই ছবিতে প্রথমবার একসঙ্গে দেখা গেল ভারতীয় দুই সুপারস্টার রজনীকান্ত ও অক্ষয়কে। মুক্তির প্রথম দিনেই ২০ কোটি রুপী ছাড়িয়ে গেছে ‘জিরো পয়েন্ট টু’ ছবির হিন্দি ভার্সনে আয়। ছবিটি পরিচালনা করেছেন শংকর।

বক্স অফিসের সংখ্যাটি টুইটারে শেয়ার করে তারান আদর্শ লিখেছেন,ছবিটির মুক্তি ছুটির দিনে নয়, উৎসবের দিনে নয় তবু্‌ও প্রথম দিনেই চমৎকার ভাবে যাত্রা শুরু করেছে ছবিটি। এটা কেবল সূচনা। ছবিটির অনেক ব্যাবসায়িক সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশ্বব্যাপী সাড়ে দশ হাজার স্ক্রিনে প্রদর্শিত হচ্ছে ‘টু পয়েন্ট জিরো’। এরমধ্যে শুধু ভারতেই ছবিটি চলছে সাড়ে সাত হাজার স্ক্রিনে। মুক্তির আগেই এ ছবি বক্স অফিসে সংগ্রহ করেছে ৩৭০ কোটি রুপি। যদিও এ ছবির বাজেট ৫৪৩ কোটি রুপির বেশি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোটে তৎপর এনজিও

ভোটে তৎপর এনজিও

কর্তৃক daily satkhira

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নানাভাবে ভূমিকা রাখছে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)। আইনি বিধিনিষেধে ‘শাস্তির শঙ্কায়’ বিদেশি তহবিলে পরিচালিত এসব এনজিওর কর্মকর্তাদের কেউই নিজেকে সরাসরি নির্বাচনী কাজে যুক্ত করছেন না। তবে এনজিওগুলোর প্রধান সারির কেউ কেউ নাগরিক সংগঠনের ব্যানারে তৎপর রয়েছেন।

বিদেশি অনুদানে পরিচালিত এনজিওর বেশিরভাগই অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে। কোনো কোনো এনজিও নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ কাজে যুক্ত থাকতে চেয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিবন্ধিতও হয়েছে, অর্থছাড়ের জন্য আবেদন করেছেন এনজিও ব্যুরোতে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এনজিওগুলোর নির্বাচন-সংক্রান্ত কার্যক্রম ও তৎপরতায় দাতাদের প্রভাব থাকে।

বাংলাদেশে বৈদেশিক অনুদান নিয়ে কাজ করে এমন দেশি-বিদেশি এনজিও রয়েছে দুই হাজার ৬২৫টি। এর মধ্যে বিদেশি এনজিও ২৫৯ এবং দেশি দুই হাজার ৩৬৬টি। এনজিও ব্যুরোতে নিবন্ধিত এসব সংস্থা ছাড়াও অনেক এনজিও রয়েছে দেশে। এসব এনজিওর একটি অংশ সুনির্দিষ্ট কাজের বাইরে নির্বাচনী পর্যবেক্ষণের কাজও করে। একাদশ সংসদ নির্বাচন কেন্দ্র করে পর্যবেক্ষণ কাজে যুক্ত হওয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে ১১৯টি স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থাকে নিবন্ধন দিয়েছিল ইসি। তবে এগুলোর মধ্যে একটি সংস্থার বিরুদ্ধে এনজিও ব্যুরো থেকে এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর থেকে অভিযোগ আসায় নির্বাচন পর্যবেক্ষক নীতিমালা অনুসরণ করে সেটির নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। নির্বাচনী কাজে এসব সংস্থার ভূমিকা সম্পর্কে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর অনেকে এনজিও হিসেবে কাজ করেন। অন্যান্য কাজের পাশাপাশি নির্বাচনেও কাজ করেন। নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়, ভণ্ডুল হয় এমন কোনো কাজ যদি তারা করেন, নীতিমালা ভঙ্গ করেন, তাহলে নিবন্ধন বাতিল করার জন্য সংশ্নিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে চিঠি দিয়ে দেব।

বিভিন্ন ব্যানারে সক্রিয় এনজিও: গত ১৪ অক্টোবর রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ‘বাংলাদেশ ও এজেন্ডা ২০৩০ :তারুণ্যের প্রত্যাশা’ শীর্ষক দিনব্যাপী যুব সম্মেলন করে ‘এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ’। ২০১৬ সালে সংগঠনটি যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে এর ৮৭টি সহযোগী প্রতিষ্ঠান এসডিজির বিভিন্ন অভীষ্ট নিয়ে কাজ করছে। এ সম্মেলনে সারাদেশের প্রায় দুই হাজার তরুণ-তরুণী অংশ নেন। সম্মেলনের একাধিক অধিবেশনে আগামী নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করতে তরুণদের ‘সক্রিয় অংশগ্রহণের বার্তা’ দেওয়া হয়। সরকারের একাধিক কর্তাব্যক্তি এই সম্মেলনে অংশ নিলেও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের সমালোচনাও উঠে আসে অধিবেশনগুলোতে।

এ সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক এনজিও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, নির্বাচনে নাগরিকরা নিরাপদে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে কি-না তা নিয়ে উৎকণ্ঠা রয়েছে। তাই ভোট দেওয়ার নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। ‘সুশাসন ও আইনের প্রয়োগ’ শীর্ষক সম্মেলনের অন্য একটি অধিবেশনে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, নাগরিক হিসেবে রাজনীতি নিয়ে তরুণদের কথা বলতে হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি-না তা দেখতে হবে।

সরাসরি নির্বাচনী কার্যক্রমে যুক্ত না থাকলেও ‘এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ’-এর মতো বিভিন্ন ব্যানারে এনজিও এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য কাজ করছেন অনেক দিন ধরে। এ রকমই একটি নাগরিক সংগঠন ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক’ (সুজন)। এর সাধারণ সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার আন্তর্জাতিক এনজিও দ্য হাঙ্গার প্রজেক্টের গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশের ‘কান্ট্রি ডিরেক্টর’। সুজনের কাজে দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট আর্থিক সহায়তা না করলেও জনবলের সহায়তা নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

হাঙ্গার প্রজেক্টের কান্ট্রি ডিরেক্টর বদিউল আলম বলেন, গতানুগতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর বাইরে সুজন দীর্ঘমেয়াদি নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ কাজে যুক্ত রয়েছে। এনজিওগুলোকে একটা নিয়ন্ত্রণমূলক আইনের মধ্য দিয়ে চলতে হয়। তাই তাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই নাগরিক সংগঠনের ব্যানারে দেশে সুষ্ঠু গণতন্ত্র বিকাশে তারা কাজ করছে।

বদিউল আলম আরও বলেন, এবারের নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষক অনেকে আসবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছে। তাদের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নও রয়েছে। আবার বিদেশি এনজিওগুলোর তহবিল যেহেতু ইইউ, ইউএসএইডসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা দিয়ে থাকে, সেহেতু এবার তাদের অনেকেও আসবে না। অন্যদিকে, এককভাবে ব্যক্তিগত খরচে কোনো বিদেশির পক্ষে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়। এ পরিস্থিতিকে ‘নেতিবাচক’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আশা করি সরকার ও ইসি এর পরিণতি অনুধাবন করবে।

দেশে নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ কাজে সম্পৃক্ত সংস্থাগুলোর সর্ববৃহৎ জোট ‘ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ’ (ইডব্লিউজি)। ২৬টি সংগঠনের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এ জোট আগামী নির্বাচনে পর্যবেক্ষণ করার সব প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ইডব্লিউজির চেয়ারপারসন আব্দুল আউয়াল সমকালকে বলেন, তারা নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ নীতিমালা মেনে কাজ করেন। এ নির্বাচনেও এর ব্যতিক্রম হবে না। এ সময় স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক হিসেবে ১৫ হাজারের বেশি ও দীর্ঘমেয়াদি হিসেবে ১৪৫ জন কাজ করবেন।

নির্বাচন ঘিরে এনজিওগুলোর বহুমুখী তৎপরতা প্রসঙ্গে ‘সিভিল সোসাইটি’ বিশেষজ্ঞ ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ফারহাত তাসনীম বলেন, নির্দিষ্ট কোনো প্রতীকে ভোট দেওয়ার বিষয়ে মানুষকে প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে এনজিওগুলোর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক আছে। তবে একটি অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য ভোটারদের ভোট দেওয়ার বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে এনজিওর ভূমিকাকে তিনি ইতিবাচকভাবেই দেখেন।

‘ডোনারদের যে সুর, এনজিওদের সেই সুর’- এ দেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে এ কথাটি কতটা প্রাসঙ্গিক জানতে চাইলে এ শিক্ষাবিদ বলেন, দাতাদের উপেক্ষা করে এনজিওগুলো চলতে পারে না। যদিও আগের চেয়ে তারা এখন অনেক বেশি স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন বলে মনে হয়। তবে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক কাঠামো সৃষ্টিতে ‘সিভিল সোসাইটি’ যেভাবে এগিয়ে আসার কথা, সেভাবে ভূমিকা বর্তমানে রাখছে না বলে মনে করেন তিনি।

নির্বাচনী তহবিল ছাড়ে ১৯ এনজিওর আবেদন: এনজিও ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, এ পর্যন্ত ১৯টি এনজিও নির্বাচনী পর্যবেক্ষণসহ সংশ্নিষ্ট বিভিন্ন কাজে অংশ নেওয়ার জন্য তহবিল পেতে ব্যুরোতে আবেদন করেছে। ব্যুরো থেকে এসব এনজিওর বিষয়ে তথ্য চেয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগে মতামত চাওয়া হয়েছে। যদি ইসি ও সুরক্ষা সেবা বিভাগ ইতিবাচক মতামত দেয়, তা হলে তাদের প্রয়োজনীয় অর্থ ছাড়ের অনুমতি দেওয়া হবে।

ব্যুরোতে আবেদন করা এনজিওগুলো হলো- সিরাজগঞ্জের ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এনডিপি), খুলনার নবলোক পরিষদ ও রূপান্তর; নোয়াখালীর রুরাল ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি, মেহেরপুরের পলাশীপাড়া সমাজকল্যাণ সমিতি, শরীয়তপুর ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি, ওয়েভ ফাউন্ডেশন, ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, বগুড়ার লাইট হাউস, যশোরের জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ পরিষদ (জানিপপ), কুড়িগ্রামের সলিডারিটি, ধানমণ্ডির উত্তরণ, অ্যাকশন অন ডিজঅ্যাবিলিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, পিরোজপুরের ডাক দিয়ে যাই, অ্যাসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট, যশোরের বাঁচতে শেখা, কোস্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল ট্রান্সফরমেশন (কোস্ট ট্রাস্ট) ও আব্দুল মোমেন খান মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন।

এ প্রসঙ্গে এনজিও ব্যুরোর মহাপরিচালক কেএম আব্দুস সালাম বলেন, নির্বাচন কেন্দ্র করে বিভিন্ন এনজিও প্রকল্প পাসের আবেদন করে। বেশিরভাগই নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করে। ইসির অনুমোদন থাকলে এসব প্রকল্প ব্যুরো থেকে ছাড় করার অনুমতি দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে ১৯টি এনজিও এ ধরনের প্রকল্পের অর্থ ছাড়ের আবেদন করেছে।

আব্দুস সালাম বলেন, নির্বাচন কেন্দ্র করে এনজিওকেন্দ্রিক নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের কেউ কেউ ভূমিকা রাখেন। বিদেশি অনুদান রেগুলেশন আইনের ব্যত্যয় না হলে এ ব্যাপারে ব্যুরো কোনো বাধা দেয় না। এখন পর্যন্ত কারও নেতিবাচক তৎপরতা নজরে আসেনি। এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রাজিল যাচ্ছে বাংলাদেশের চার কিশোর ফুটবলার

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ থেকে চার কিশোর ফুটবলার যাচ্ছে ব্রাজিলে। ব্রাজিল সরকার এ চার ফুটবলারকে প্রায় এক বছর সেখানে প্রশিক্ষণ দেবে। ইতোমধ্যে এ ভাগ্যবান চার কিশোর ফুটবলার বাছাই করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

খেলোয়াড় বাছাই প্রক্রিয়ায় ছিলেন কোচ আবদুর রাজ্জাক এবং দুই সাবেক ফুটবলার শেখ মোহাম্মদ আসলাম ও খন্দকার রকিব আহমেদ। খন্দকার রকিব বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে চার ফুটবলার চূড়ান্ত করেছি। এখন বাকি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ব্রাজিল পাঠানো হবে।’

চার ফুটবলার হলেন- রাজশাহী জগেন লাকরা, রংপুরের লতিফুর রহমান নাহিদ, নাজমুল আকন্দ ও কুড়িগ্রামের ওমর ফারুক মিঠু। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে এ চার ফুটবলারকে নিয়ে ব্রাজিল যাওয়ার কথা রয়েছে কোচ আবদুর রাজ্জাকের।

বিভিন্ন বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট থেকে প্রতিভাবানদের বাছাই করে তাদের ট্রায়ালের মাধ্যমে এ চারজনকে বাছাই করা হয়েছে। দ্বিতীয় পর্বের ট্রায়ালে ছিল ৩৫ জনের মতো ফুটবলার। সেখান থেকে ট্রায়ালের দলের সদস্য ২০ জনে নামিয়ে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম ও ফিজিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার মাঠে চূড়ান্ত ট্রায়ালের মাধ্যমে চারজন বেছে নেয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest