সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরামুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ

বিশ্বজুড়ে ‘ফেসবুক মেসেঞ্জার’ ব্যবহারে বিঘ্ন

বিদেশের খবর: জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মেসেজিং অ্যাপ ‘ফেসবুক মেসেঞ্জার’ ব্যবহার করতে সমস্যায় পড়তে হয়েছে ব্যবহারকারীদের। বিশ্বজুড়ে অনেকেই ফেসবুকে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে কিছু ব্যবহারকারীরা দেখতে পান তাদের ফেসবুক মেসেঞ্জার ডাউন। এই নিয়ে একই সপ্তাহে দ্বিতীয়বার এই ঘটনা ঘটলো।

বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে এ সমস্যা দেখা যায়। এতে করে বিপাকে পড়ে ব্যবহারকারীরা। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এ ঘটনাটি যান্ত্রিক সমস্যার কারণে ঘটছে বলে স্বীকার করেছেন। এর ফলে সারা বিশ্বে ফেসবুক মেসেঞ্জার ব্যবহারকারীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়।

এক সপ্তাহ আগে টানা একদিন ফেসবুক মেসেঞ্জার একই সমস্যায় পড়েছিল। সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই ফের একবার হোঁচট খেল মেসেঞ্জার। অনেকেই মেসেজ পাঠানো এবং প্রত্যুত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে অসুবিধায় পড়ে বলে জানা গেছে। আবার অনেকে অনলাইনে অন্যান্য ইউজারদের দেখতে পাচ্ছে না বলেও রিপোর্ট করেন।

প্রায় ৪০ শতাংশের দাবি, তারা মেসেঞ্জার সার্ভার কানেক্ট করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছেন। ৩২ শতংশ জানান, তারা কোনও মেসেজ পাচ্ছেন না, ২৭ শতাংশ জানান, সার্ভিসে লগ ইন করতে পারছেন না তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একাদশ সংসদ নির্বাচন; উভয় জোটেই প্রার্থী নিয়ে তালগোল

রাজনীতির খবর: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা শেষ হলেও প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। শরিকদের সঙ্গে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করতে গিয়ে দু’দলই তালগোল পাকিয়ে ফেলেছে।

দলের পাশাপাশি জোটের শরিকদের আসন ভাগাভাগি নিয়েও সমঝোতায় পৌঁছতে পারছেন না তারা। দফায় দফায় আলোচনায় বসেও সমাধান আসছে না। শরিকদের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে উভয় দলের হাইকমান্ড।

তাদের চাহিদার সঙ্গে বাস্তবতার মিল না থাকায় কঠিন সংকটে পড়েছেন নীতিনির্ধারকরা। ফলে শরিক দলগুলো দলীয়ভাবেই মনোনয়ন জমা দিয়েছে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত এ ব্যাপারে সমঝোতার চেষ্টা চলবে।
শেষ পর্যন্ত সমাধান হলে একজন রেখে বাকিদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা হবে। কিন্তু বাস্তবে ছাড়কৃত আসন বাদে অন্যগুলো থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার আদৌ হবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

আইনি সমস্যা এবং আসন সমঝোতা না হওয়ায় অনেক আসনে এখন মহাজোটের একাধিক প্রার্থী। কোথাও নৌকার বিরুদ্ধে নৌকা। আবার কোথাও নৌকার বিরুদ্ধে শরিক দলের প্রতীক। প্রার্থী প্রত্যাহারের সময়সীমার আগেই এ সমস্যার সমাধান হবে বলে আশায় বুক বাঁধছেন মহাজোটের একাধিক নেতা।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের শরিকদের ১৩টি আসনে ছাড় দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এর মধ্যে কয়েকটি আসনে নৌকার প্রার্থীকেও মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এ নিয়েও শরিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ড. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টও প্রত্যাশিত আসন পায়নি। তাদের দুটি আসনে ছাড় দেয়া হয়। তবে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে সারা দেশে ৫১টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হয়েছে।

একই অবস্থা বিএনপির ক্ষেত্রেও। মাঠের বিরোধী দলটি দুটি জোটের সঙ্গে সম্পৃক্ত। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোট। উভয় জোটের শরিকদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেও আসন বণ্টন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি।

এ অবস্থায় কোনো ঝামেলায় না গিয়ে শরিকদের চাহিদামতো মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। বিএনপির পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত চিঠিও দেয়া হয়। শরিকরা যার যার মতো করে মনোনয়নপত্র জমা দেয়।

শরিকদের মধ্যে যেসব দল নিবন্ধিত তাদের কেউ কেউ নিজেদের প্রতীকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। জানা গেছে, ২০ দলের শরিকদের সর্বোচ্চ ৪০-৪৫টি আসনে ছাড় দিতে পারে বিএনপি। কিন্তু জোটের শরিকরা মনোনয়নপত্র জমা দেয় প্রায় একশ’ আসনে।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, শরিকদের যোগ্য ও উইনেবল প্রার্থী দেয়ার কথা বলা হয়েছে। আমরাও (আওয়ামী লীগ) যারা যোগ্য তাদের মনোনয়ন দিয়েছি।

জয় নিশ্চিতে যেখানে যে প্রার্থীর দরকার আমরা মহাজোটগতভাবে সে সিদ্ধান্তই নেব। জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ২০ দলীয় জোটের শরিক ও ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আসন নিয়ে আলোচনা অব্যাহত আছে।
ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। এ নিয়ে কোনো সংকট হবে না। সময় স্বল্পতার কারণে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার আগে আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত করা হয়নি। আশা করি প্রত্যাহারের আগে এ ব্যাপারে আমরা একটা সমঝোতায় আসতে পারব।

সমঝোতা না হওয়ায় অধিকাংশ আসনে একাধিক প্রার্থী মহাজোটের : মনোনয়ন নিয়ে জটিলতা কাটেনি আওয়ামী লীগের। দলীয় প্রার্থীর আইনি সমস্যা আর মহাজোটের আসন সমঝোতা না হওয়ায় বেশিরভাগ আসনে এখন একাধিক প্রার্থী।

আইনি জটিলতার কারণে ১৪টির মতো আসনে একাধিক প্রার্থী দিয়েছে আওয়ামী লীগ। শাসক দলের প্রার্থী হিসেবে চাঁদপুর-২ আসন থেকে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া ও নূরুল আমিন রুহুল মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
চাঁদপুর-৪ আসন থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুহম্মদ শফিকুর রহমান বুধবার মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ আসনে প্রথমে মনোনয়নপত্র দেয়া হয় বর্তমান সাংসদ মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়াকে। তিনিও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

ঢাকা-৭ আসনে সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমেরও আইনি জটিলতা রয়েছে বলে আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন। এজন্য হাজী সেলিমের পাশাপাশি বিকল্প প্রার্থী হিসেবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতকেও দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। ঢাকা-১৭ আসনে চিত্রনায়ক ফারুক ও ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাদের খান মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এ আসনে মহাজোট শরিক বিএনএফের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এক আসনে মহাজোটের এত প্রার্থী জটিলতা সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন নেতারা।

এদিকে মহাজোটের শরিকদের অনেক আসনে আওয়ামী লীগও প্রার্থী দিয়েছে। কুড়িগ্রাম-১ আসনে আসলাম হোসেন সওদাগর, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে এমএ মতিন এবং কুড়িগ্রাম-৪ আসনে মো. জাকির হোসেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। এদিকে আওয়ামী লীগের আসন বরিশাল-২ এ প্রার্থী হয়েছেন শাহে আলম। একই আসনে মহাজোটের শরিক দলের প্রার্থীও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। জোটের আসন ভাগাভাগি শেষ না হওয়ায় দলগতভাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিকরা।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, ৩০০ আসনের মধ্যে ৫১টিতে দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে মহাজোটের শরিক যুক্তফ্রন্ট। মহাজোটগতভাবে এখনও কোনো আসন পায়নি এ জোট।

তবে জোটের মুখপাত্র মাহী বি. চৌধুরীকে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে মনোনয়ন নিশ্চিত বলে জানা গেছে। মহাজোটের শরিক বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) ৬২টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। মহাজোটগত সমঝোতা না হলেও এসব প্রার্থী এবার নির্বাচন করবে বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ।

১৪ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ৩৩টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। মহাজোট থেকে আসন পেয়েছে ৫টি। বর্তমান এ দলের এমপির সংখ্যা ছয়। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আগেই প্রত্যাশিত আসন সমস্যার সমাধান হবে বলে বৃহস্পতিবার জানান দলটির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হাসান বাদশা।

১৪ দলের শরিক গণতন্ত্রী পার্টির সঙ্গে আসন সমঝোতা হয়নি বলে জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ডা. সাহাদৎ হোসেন। নির্বাচনে এ দল ১০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। তরিকত ফেডারেশন মহাজোট থেকে ২টি আসন নিশ্চিত করেছে।
নির্বাচনে ২৫টি আসনে প্রার্থী দেয়ার কথা জানিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী। প্রধানমন্ত্রী চাইলে এসব আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

জাতীয় পার্টি (জেপি) ১৯টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। বর্তমান সংসদে ২টি আসন থাকলেও এবারের জন্য এখন পর্যন্ত একটি আসন নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আগেই আসন সমঝোতা হবে বলে বিশ্বাস দলটির সাধারণ সম্পাদক শেখ সহিদুল ইসলামের।

৫১টি আসনে দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ-ইনু)। জোটের আসন বণ্টনে দলটিকে ৩টি আসন নিশ্চিত করা হয়েছে। সামনে আরও পাওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে জানান দলের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আকতার।
মহাজোটে নতুন অন্তর্ভুক্ত জাকের পার্টি ১০৬টি আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে। মহাজোটের পক্ষ থেকে ফরিদপুর-২ আসনটি দেয়ার কথা থাকলেও তা নিশ্চিত করা হয়নি। একইভাবে ১৪ দলীয় জোটের অন্য শরিকরাও নিজেদের মতো করে বিভিন্ন আসনে দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে।

২০ দলীয় জোট : আসন নিয়ে জোটের শরিকদের সঙ্গে কোনো সমঝোতা হয়নি। শরিকদের মধ্যে নিবন্ধিত দলগুলো তাদের প্রতীকে প্রার্থিতা জমা দিয়েছে। যেসব দলের নিবন্ধন নেই সেগুলো ধানের শীষের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেয়।

জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীকে ২৫টি আসনে ছাড় দেয়া হয়েছে। কিন্তু দলটির ধানের শীষের প্রতীকে ২৫টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। স্বতন্ত্র হিসেবে আরও ২০ আসনে তারা প্রার্থী দিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদের সদস্য এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আমরা ৪৫টি আসনে মনোয়নপত্র জমা দিয়েছি। জোটের পক্ষ থেকে আমাদের ২৫টি আসনে ছাড় দেয়া হয়েছে। আরও কয়েকটি আসন আমাদের চাহিদা রয়েছে। তাই কৌশলগত কারণে আমরা বেশ কয়েকটি আসনে স্বতন্ত্র মনোনয়পত্র জমা দিয়েছি। চূড়ান্ত সমঝোতা হলে বাকিগুলো প্রত্যাহার করা হবে।

জানা গেছে, আসন সমঝোতা না হওয়ায় যে যার মতো করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। জোটের শরিকদের যেসব আসনে ছাড় দেয়া হয়েছে এর মধ্যে অনেক আসনে বিএনপির প্রার্থীও রাখা হয়েছে। কোথাও কোথাও জোটের দুই শরিককে ছাড় দেয়া হয়েছে। পিরোজপুর-২ আসনে জোটের শরিক জামায়াতের শামীম সাঈদী ও লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরানকে ধানের শীষে মনোনয়ন দেয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কাকে ছাড় দেয়া হবে তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

জোটের আরেক শরিক এলডিপি ১০টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। কিন্তু বিএনপির পক্ষ থেকে তাদের তিনটি আসন দেয়া হবে বলে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু এলডিপি চাচ্ছে ন্যূনতম ৫টি আসন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে দরকষাকষি চলছে। খেলাফত মজলিসের পক্ষ থেকে ১৭টি আসনে মনোনয়পত্র জমা দেয়া হয়েছে। কিন্তু বিএনপি তাদের মাত্র একটি আসনে ছাড় দিয়েছে। এটা জানার পরও তারা অনেকগুলো আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছে মূলত বার্গেনিং করার জন্য। জোটের শরিক জাগপা দলীয়ভাবে সাতটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে একটির বেশি আসন ছাড় দেয়া হবে না।

এ প্রসঙ্গে জাগপার সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান জানান, আমরা দলীয়ভাবে সাতটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। বিএনপি যে ক’টি আসনে ছাড় দেবে সেগুলো রেখে বাকি আসনের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হবে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট : জানা গেছে, বিএনপির পক্ষ থেকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে সর্বোচ্চ ২০টি আসনে ছাড় দেয়া হতে পারে। এ নিয়ে ফ্রন্টের শরিকদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেও কোনো সমঝোতা হয়নি। শেষপর্যন্ত যার যার মতো করে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হয়। ফ্রন্টের শরিক নাগরিক ঐক্য নয়টি আসনে ধানের শীষ নিয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছে। তবে চূড়ান্তভাবে এ দলটিকে সর্বোচ্চ দুটি আসনে ছাড় দেয়া হতে পারে। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সারা দেশে দলীয়ভাবে ৪০টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়। তবে শেষ পর্যন্ত কাদের সিদ্দিকীকে সর্বোচ্চ ২-৩টি আসনে ছাড় দেয়া হতে পারে।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের যুগ্ম-সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকী বলেন, দলীয় ভাবে আমরা ৪০টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। তবে ঐক্যফ্রন্টের প্রধান শরিক বিএনপির সঙ্গে যেসব আসনে সমঝোতা হবে সেগুলো রেখে বাকিগুলো প্রত্যাহার করা হবে।

ফ্রন্টের আরেক শরিক জেএসডি দলীয়ভাবে ৬০টি মনোনয়পত্র জমা দিয়েছে। তবে তাদের সর্বোচ্চ দুটি আসনে ধীনের শীষ দেয়া হতে পারে। এ প্রসঙ্গে দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন বলেন, ফ্রন্টের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে বাকি আসনের মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হবে।

গণফোরামের পক্ষ থেকে সারা দেশে শতাধিক আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হয়েছে। কিন্তু বিএনপির পক্ষ থেকে গণফোরাম ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার প্রার্থীদের সর্বোচ্চ ১৫টি আসনে ছাড় দেয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উত্তেজনার মধ্যেই ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে রাশিয়া

বিদেশের খবর: ইউক্রেনের সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যেই নতুন এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে রাশিয়া। ইউক্রেনের সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যেই শক্তি প্রদর্শনে দখলকৃত ক্রিমিয়া উপদ্বীপে শিগগিরই ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য নতুন এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করতে যাচ্ছে রাশিয়া। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা দপ্তরকে উদ্ধৃত করে এমনটাই জানাচ্ছে বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম।

কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ার জলসীমায় ইউক্রেনের তিনটি জাহাজ এখনও আটকে রাখা হয়েছে। আর এই কাজে রাশিয়ার অস্ত্র ব্যবহার করা নিয়ে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ইউক্রেন তাদের জাহাজ আটকের জেরে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৩০ দিনের জন্য সামরিক আইন জারির আদেশ দেওয়ার পর রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের উদ্যোগের এই খবর এল।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা রিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, এই বছরের শেষ দিকে নিজেদের আরও আধুনিক এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রয়োগ করতে চলেছে রাশিয়া। ওদিকে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন পশ্চিম সামরিক জোট ন্যাটোকে আজভ সাগরে যুদ্ধ জাহাজ পাঠানোর আহবান জানিয়েছে ইউক্রেন।

অবৈধভাবে জলসীমায় প্রবেশের অভিযোগ তুলে গত রবিবার রাশিয়া কৃষ্ণ সাগরে ইউক্রেনের দুটি গানবোট এবং একটি টাগবোট আটক করা হয়। পরদিন রুশ নিরাপত্তা সংস্থা এফএসবি জানায়, তাদের সীমান্ত টহল বোটগুলো ইউক্রেন নৌবাহিনীর জাহাজ বাজেয়াপ্ত এবং সেগুলো থামাতে অস্ত্র ব্যবহার করেছে। আর এই ঘটনায় ইউক্রেনের তিন নাবিক আহত হয়েছেন।

রাশিয়া জানায়, আহত নাবিকদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং ইউক্রেনের ২৪ নাগরিককে আটক করা হয়েছে। ক্রিমিয়ার একটি আদালত পরে আটক ১২ জনকে ৬০ দিনের কারাদণ্ড দেয়।
ইউক্রেনের জাহাজগুলোকে আটকাতে রাশিয়া প্রায় ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে কৃষ্ণ সাগর থেকে আজোভ সাগরে জাহাজ চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছিল। এই ঘটনায় কিয়েভ মস্কোর বিরুদ্ধে ‘আগ্রাসনের; অভিযোগ তুললেও ক্রেমলিন বলছে, আগে থেকে না জানিয়ে তাদের জলসীমায় গানবোট পাঠিয়ে ইউক্রেন ইচ্ছা করেই ‘যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি’ করেছে।

এফএসবি আটক কয়েকজনের বিবৃতির ভিডিও রেকর্ডিং প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে ইউক্রেনের নাবিকরা বলেন, তারা রুশ জলসীমায় জাহাজ পাঠিয়ে ‘উসকানি সৃষ্টিতে’ কিয়েভের পদক্ষেপ সম্পর্কে আগে থেকেই অবগত ছিলেন। ওদিকে, জাহাজ আটক করার ঘটনায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পেত্রো পোরেশেঙ্কোর ১০ সীমান্ত এলাকায় ৩০ দিনের জন্য সামরিক আইন জারির আদেশে দেন। সোমবার রাতে দেশটির পার্লামেন্ট ওই আদেশে অনুমোদন দেয়।

পোরেশেঙ্কো পরে বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে একটি ‘পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধের’ আশঙ্কাও করছেন তিনি। পোরোশেঙ্কো জানান, ‘আমাদের সীমান্তের কাছে অবস্থিত রুশ ঘাঁটিগুলোতে তাদের ট্যাঙ্কের সংখ্যা অন্তত তিনগুণ বেড়েছে।’ ক্রিমিয়া অধিগ্রহণ ও ২০১৪ সালে ইউক্রেইনের পূর্বাঞ্চলীয় দুটি এলাকায় মস্কোপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর লড়াই শুরুর পর থেকেই দেশদুটির মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কেউ তেল চায়, কেউ চায় সেক্স : শ্রীলেখা মিত্র

বিনোদন সংবাদ: ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র বলেছেন, প্রথম সন্তান মেয়ে হলে অনেককেই বলতে শুনেছি, ঘরে লক্ষ্মী এল। সেই কারণেই কিনা জানি না, বাড়িতে সবারই আদরে বেড়ে ওঠা আমি বরাবরই জেদি।

তিনি আরো বলেন, মাকে দেখেছি চিরকাল বাবাকে এবং পরবর্তী কালে আমাদের সবাইকে খানিক সমঝে চলতেন। স্যরি মা। ভেরি স্যরি। বাবা আসছে টিভি বন্ধ কর। কলেজ থেকে তাড়াতাড়ি ফিরো। আড্ডা মারতে যেও না। বাবা ফিরে এসে কিন্তু খুব অশান্তি করবে।

তিনি আরো বলেন, বাবাকে সঙ্গে নিয়ে অভিনয় করতে যেতাম। কোনো তিমি মাছ, হাঙর গিলতে আসেনি আমাকে। শুধু কিছু চারাপোনা একটু আধটু জ্বালিয়েছিল। কিন্তু আমি চারাপোনা খাই না বলে, আমায় তারা জ্বালায়নি। হ্যাঁ, খুব বেশি হলে তাদের ছবিতে আমায় নেয়নি। কিন্তু তাতে আমার কিচ্ছু যায় আসে না।

এক প্রোডিউসার বাবাকে ডেকে এক পার্টিতে বলেছিলেন, মিত্র সাহেব আপনার মেয়েকে হয়ত বিশেষ কারণে আমার ছবিতে কখনওই নেব না। তবে ওকে আমি খুব রেসপেক্ট করি। উত্তরে বাবা স্মিত হেসে তার হাত ধরে বলেছিলেন, বাবা হয়ে এটা আমার দারুণ প্রাপ্তি। থ্যাঙ্ক ইউ স্যার। বিশেষ কারণটা সবিস্তারে বলতে হবে? জানি, আপনারা বুদ্ধিমান।

শ্রীলেখা আরো বলেন, আমার প্রচার কম। কাগজে বড় বড় ছবি ছাপা হয় কম। তাতে আবারো, কিচ্ছু যায় আসে না। যার যত ক্ষমতা, ক্ষমতা টাকার হোক বা কাজ দেওয়ার হোক, তার তত গর্জন। তোষামোদপ্রিয় মানুষ সর্বক্ষেত্রেই বিরাজমান। সে ইগো বুস্ট করতে কেউ তেল চায়। কেউ সেক্স। কেউ বা দুটোই। যারা দেন, তারা দেন। ভালো করেই দেন। যারা দেন না, তাদের আমার মতো, কিচ্ছু যায় আসে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আ.লীগের ৩৬টিতে, বিএনপির ৫ আসনে প্রার্থী নেই

রাজনীতির খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তবে কোনও দলই ৩০০ আসনে প্রার্থী দিতে পারেনি। সর্বোচ্চ ২৯৯টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আর ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন দিয়েছে একটি আসনে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবার ৩৬টি আসনে কাউকে মনোনয়নই দেয়নি। বিএনপি দেয়নি ৫টি আসনে। আর জাতীয় পার্টি দেয়নি ৯০টি আসনে।

এদিকে সব আসনে প্রার্থী না দিলেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি অনেক আসনে একাধিক প্রার্থী দিয়েছে। বিএনপি প্রায় প্রতি আসনেই একাধিক প্রার্থী প্রাথমিক মনোনয়ন দিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৫ আসনে দিয়েছে ৬৯৬জনকে। দলটি কৌশলগত কারণে একাধিক প্রার্থী রেখেছে বলে জানা গেছে। ২৬৪টি আসনে আওয়ামী লীগের ২৮১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বৃহস্পতিবার রাতে দলভিত্তিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন। ইসি সচিব জানান, এবারের নির্বাচনে তিন হাজার ৬৫জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলের প্রার্থী দুই হাজার ৫৬৭ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪৯৮ জন।

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এলডিপি (ছাতা) ১৫জন, জাতীয় পার্টি-জেপি (বাইসাইকেল) ১৭ জন, সাম্যবাদী দল (চাকা) ৩জন, কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ (গামছা) ৩৭জন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি- সিপিবি (কাস্তে) ৭৭জন, আওয়ামী লীগ (নৌকা) ২৮১জন, বিএনপি (ধানের শীষ) ৬৯৬জন, গণতন্ত্রী পার্টি (কবুতর) ৮ জন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ (কুঁড়ে ঘর) ১৪জন, ওয়ার্কার্স পার্টি (হাতুড়ি) ৩৩জন, বিকল্প ধারা (কুলা অথবা নৌকা) ৩৭জন, জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল) ২৩৩জন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ (মশাল) ৫৩জন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি (তারা) ৫১জন, জাকের পার্টি (গোলাপফুল) ১০৮ জন, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মই) ৪৯জন, জাতীয় পার্টি-বিজেপি (গরুর গাড়ী) ১১জন, তরীকত ফেডারেশন (ফুলের মালা) ২০জন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন (বট গাছ) ২৬জন, মুসলিম লীগ (হারিকেন) ৪৯জন, ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টি (আম) ৯০ জন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ (খেজুর গাছ) ১৫জন, গণফোরাম (উদীয়মান সূর্য) ৬১ জন, গণফ্রন্ট (মাছ) ১৬ জন, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল (বাঘ) ১৬ জন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ (গাভী) ৪জন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (কাঁঠাল) ১৩জন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ (চেয়ার) ২৮জন, কল্যাণ পার্টি (হাতঘড়ি) ৫জন, ইসলামিক ঐক্যজোট (মিনার) ৩২জন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ (রিকশা) ১২জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা) ২৯৯জন, বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট (মোমবাতি) ২১জন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (হুক্কা) ৬জন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি (কোদাল) ৩০জন, খেলাফত মজলিশ (দেয়ালঘড়ি) ১২জন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (হাতপাঞ্জা) ১৭ জন, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট একজন এবং বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ (টেলিভিশন) দিয়েছে ৭১ জন।

নির্বাচন কমিশেনর নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখা থেকে জানা গেছে, ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬৪ আসনে আওয়ামী লীগের ২৮১ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছে। দলটির পক্ষে ১৭টি আসনে একাধিক প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এই দলটির পক্ষে ৩৬টি আসনে কোনও প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেয়নি। আসনগুলো হলো- ঠাকুরগাওঁ-৩; নীলফামারী-৩ ও ৪; লালমনিরহাট-৩; রংপুর-১ ও ৩; কুড়িগ্রাম-২; গাইবান্ধা-১; বগুড়া-২, ৩, ৪, ৬ ও ৭; রাজশাহী-২; কুষ্টিয়া-২; বরিশাল-৩ ও ৬; পিরোজপুর-২ ও ৩; ময়মনসিংহ-৪ ও ৮; কিশোরগঞ্জ-৩; মুন্সিগঞ্জ-১; ঢাকা-৪, ৬ ও ৮; নারায়ণগঞ্জ-৫; সুনামগঞ্জ-৪; সিলেট-২; মৌলভীবাজার-২; বাহ্মবাড়িয়া-২; ফেণী-১ ও ৩; লক্ষ্মীপুর-২ এবং চট্টগ্রাম-২ ও ৫।

আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, শরিক মহাজোটের দলগুলোর সঙ্গে আসন ভাগাভাগির অংশ হিসেবে আওয়ামী লীগ ৩৬টি আসনে কোনও প্রার্থী দেয়নি। জানা গেছে, আওয়ামী লীগ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় শরিকদের আরও কিছু আসন ছেড়ে দিয়ে নিজেদের প্রার্থীদের প্রত্যাহার করিয়ে নিতে পারে।

বিএনপির প্রার্থীরা ২৯৫টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। এরমধ্যে মাত্র ৩৮টি আসনে একক প্রার্থী রয়েছে। এছাড়া ২৫৭টি আসনে দুই থেকে ৫জন পর্যন্ত প্রার্থী রয়েছে। দলটি কৌশলগত কারণে একাধিক প্রার্থী রেখেছে বলে জানা গেছে। দলটি ৫টি আসনে কোনও প্রার্থী মনোনয়ন দেয়নি।

আসনগুলো হলো- টাঙ্গাইল-৮, মৌলভীবাজার-২, কুমিল্লা-৭, লক্ষ্মীপুর-৪ ও চট্টগ্রাম-১৪। আওয়ামী লীগের মতো বিএনপিরও বেশ কিছু আসন শরিকদের ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সমাঝোতা হলে ওইসব আসন থেকে তারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেবে।

বিএনপির যে আসনগুলোতে একক প্রার্থী দিয়েছে সেগুলো হলো: ঠাকুরগাঁও-১ ও ৩, লালমনিরহাট-৩, গাইবান্ধা-১, বগুড়া-২, চাপাইনবাবগঞ্জ-২, পাবনা-১, কুষ্টিয়া-১, চুয়াডাঙ্গা-২, মাগুরা-১, খুলনা-১ ও ২, জামালপুর-৪, ময়মনসিংহ-৫, কিশোরগঞ্জ-৬, ঢাকা-৩, মুন্সীগঞ্জ-৩, গাজীপুর-৩, ৪ ও ৫, নরসিংদী-১ ও ২, নারায়ণগঞ্জ-৩, মাদারীপুর-৩, শরীয়তপুর-১, ২, ও ৩, হবিগঞ্জ-১ ও ৪, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১, নোয়াখালী-৬, লক্ষ্মীপুর-১, চট্টগ্রাম-১১, ১৫ ও ১৬ এবং কক্সবাজার-১, ২ ও ৩।

জাতীয় পর্টি ৩০০ আসনের মধ্যে ২১০টি আসনে মনোয়নপত্র জমা দিয়েছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মতো এ দলটিরও কয়েকটি আসনে একাধিক প্রার্থী রয়েছে। জাতীয় পার্টি যে আসনগুলোতে মনোনয়নপত্র জমা দেয়নি সেগুলো হলো- ঠাকুরগাঁও-১ ও ২; দিনাজপুর-৩; নীলফামারী-২; লালমনিরহাট-২; রংপুর-৬; গাইবান্ধা-২; চাপাইনবাবগঞ্জ-১, ২ ও ৩; নঁওগা-৬; রাজশাহী-১ ও ৪; সিরাজগঞ্জ- ১, ২, ৫ ও ৬; পাবনা-২, ৩ ও ৪; কুষ্টিয়া-২ ও ৩; চুয়াডাঙ্গা-২; ঝিনাইদাহ-১, ২ ও ৪, যশোহর-১; মাগুরা-২; খুলনা-৩; সাতক্ষীরা-৩; বরগুনা-১; পটুয়াখালী-২; ভোলা-২; বরিশাল-১ ও ৪, পিরোজপুর-২; টাঙ্গাইল-১, ২, ৩ ও ৬; শেরপুর-২, ময়মনসিংহ ১, ৩ ও ১১; নেত্রকোনা-১, ৪ ও ৫; কিশোরগঞ্জ-৪ ও ৫; মানিকগঞ্জ-১; ঢাকা-১, ২, ৯ ও ১৯; নারায়ণগঞ্জ-২; ফরিদপুর-২, ৩ ও ৪; গোপালগঞ্জ-১; মাদারীপুর ২ ও ৩; শরিয়তপুর-১ ও ২; সুনামগঞ্জ-১ ও ৩; মৌলভীবাজার ১, ৩ ও ৪; হবিগঞ্জ-৪; বাহ্মণবাড়িয়া-১; কুমিল্লা-৬, ৯ ও ১০; চাঁদপুর-৩; ফেনি-১ ও ২; নোয়াখালী-৩; লক্ষ্মীপুর-৩ ও ৪; চট্টগ্রাম-১, ৩, ৬, ৭, ৮, ৯, ১১, ১৩, ১৫ ও পার্বত্য বান্দরবান।

আগামী ২ ডিসেম্বর প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ৯ ডিসেম্বর। আর প্রতীক বরাদ্দ ১০ ডিসেম্বর।৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নজরুল ইসলামকে জেলা বঙ্গবন্ধু পেশাজীবি ফোরামের শুভেচ্ছা

 

জেলা বঙ্গবন্ধু পেশাজীবি ফোরামের নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চেয়ারম্যানের নিজস্ব বাসভবনের জেলা বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী ফোরামের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হয়ে এ শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের জেলা সভাপতি আব্দুল আলিম, সহ-সভাপতি মারুফ আহমেদ, আব্দুস সামাদ, জিল্লুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম সম্পাদক রবিউল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, সেলিম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোছাক সরদার, মিজানুর রহমান, গোলাম এজদানী, খায়রুল ইসলাম বাবু, শাহরিয়া কবির পিন্টু, আশরাফুল ইসলাম, ফরমান সরদার, ইউনুছ আলীসহ জেলা নেতৃবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডাঃ রুহুল হক কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক ছাত্রনেতারা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সাতক্ষীরা-৩ আসনে সাবেক সফল স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ আ. ফ. ম. রুহুল হক পুনরায় নৌকা প্রতিকের মনোনয়ন পাওয়ায় সাতক্ষীরার সাবেক ছাত্রনেতা সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে কে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়েছে। গতকাল রাতে রুহুল হকের বাসভবনে উপস্থিত হয়ে নেতৃবৃন্দ এ ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাবেক ছাত্রনেতা সমন্বয় কমিটির আহবায়ক শেখ সাহিদ উদ্দীন, যুগ্ম আহবায়ক জে এম ফাত্তাহ, কাজী আক্তার হোসেন, সদস্য সাংবাদিক রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী, সৈয়দ মহিউদ্দীন হাশেমী তপু, নূর ই আলম সিদ্দিকী মুকুল, মোঃ সালাউদ্দীন আল আজাদ, আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, সাংবাদিক মাসুদ আলী, পলাশ হোসেন, হোসেন মাহমুদ ক্যাপ্টেন সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। এসময় রুহুল হক এমপি সকল নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আসন্ন মহান জাতীয় নির্বাচনে শেখ হাসিনা যাদের নৌকা প্রতিক দিয়েছেন দলের স্বার্থে সকল ভেদাভেদ ভুলে যেয়ে নৌকা প্রতিককে বিজয়ী করে শেখ হাসিনা সরকারকে আবারও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় নিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির কাদাকাটিতে ফুটবল টুর্ণামেন্টে মনিরামপুর স্পোর্টিং ক্লাব জয়ী

 

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি যুব মজলিস ফুটবল মাঠে বৃহস্পতিবার বিকেলে আটদলীয় নক আউট ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডের শেষ খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কাদাকাটি যুব মজলিসের আয়োজনে খেলায় যশোর জেলার মনিরামপুর স্পোর্টিং ক্লাব ফুটবল একাদশ ও খুলনা জেলার গিলাবাড়ি যুব সংসদ ফুটবল একাদশ পরষ্পরের মুখোমুখি হয়। মনোমুগ্ধকর এই খেলাটি আক্রমন পাল্টা আক্রমনের মধ্য দিয়ে চললেও নির্ধারিত সময়ে উভয় দল কোন গোল করতে পারেনি। ফলে খেলাটি টাইব্রেকারে গড়ায়। টাইব্রেকারে মনিরামপুর স্পোর্টিং ক্লাব ফুটবল একাদশ ৩-২ গোলের ব্যবধানে গিলাবাড়ি যুব সংসদ ফুটবল একাদশকে পরাজিত করে জয়লাভ করে। হাজার হাজার দর্শকের পাশাপাশি এসময় বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সাবেক শিক্ষক আলহাজ্ব মহররম আলী মালী, আশরাফউদ্দীন টোকা, সিরাজউদ্দীন সরদার, গোয়ালডাঙ্গা শুক্কুলিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক গোলাম মোস্তফা, তরুনলীগ নেতা ওমর ছাকী পলাশ, মেম্বার আবু হাসান বাবু, কাদাকাটি যুব মজলিস সভাপতি মহাসিন আলী বকুল, সাধারন সম্পাদক মাশহুরুল হক সাজু সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও কাদাকাটি যুব মজলিসের সকল সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মনোমুগ্ধকর এই খেলাটি পরিচালনা করেন আবু ওয়াহিদ বাবলু, ইয়ামিন হোসেন, আবুল বাশার ও খায়রুল বাশার পল্টু। দর্শক নন্দিত এই খেলার ধারাভাষ্যে ছিলেন, আশরাফ হোসেন, একরামুল ইসলাম ও সবুজ আহমেদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest