সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরামুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ

শিক্ষার্থীদের কাদিয়ে পরপারে চলে গেলেন গণিত শিক্ষক দীপক হোড়।

ঝাউডাঙ্গা প্রতিনিধি:
হাজারো ছাত্র /ছাত্রীদের গুনগ্রাহীতা সহকর্মদের কাঁদিয়ে পর পারে চলো গেলেন শিক্ষক দীপক হোড়। তিনি সাতক্ষীরা সদর ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বি এস সি গণিত শিক্ষক মৃত্যু কালো তার বয়ষ হয়োছিল ৫১ বছর। পারিবারিক সূত্তে জানা গেছে গত বুধবার ১৮ নভেম্বর রাত ১০ টার দিকে তিনি হঠাৎ অস্থহ হয়ে পড়েন। স্থানীয় চিকিৎসকগন তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। রাত ১২টার দিকে তাকে সাতক্ষীরা একটি বেসরকারী ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।সেখানে ডাঃফয়সাল ও ডাঃ কল্যানাশীষ সরকারের তত্ববাধায়নে চিকিস্যার চলতে থাকে।বৃস্হপতিবার ২৯ নভেম্বর সকাল ১০টার দিকে চিকিস্যারত অবস্থায় তিনি রিদযন্তের বন্ধ হয়ে মৃত্যু বরণ করেন।তিনি ১ পুত্র ১ কন্যা সস্তানের জনক ছিলেন।কন্যা মৌসুমি হোড় জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি প্রানী বিদ্যায় অর্নাস ফাইনাল ইয়ারে ও ছেলে প্রদীপ কুমার হোড় জে এসসি পরীক্ষা দিয়েছে। দীপক হোড় এর মরাদেহ সকাল ১১ টার দিকে তার কর্মস্হল ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়ে আসলে সেখানে এক বিদায়ক দৃশ্যের অবতারনা হয়।এ সময় স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা চলছিল।ছাএ ছাত্রীরা শিক্ষক কর্মচারী পরীক্ষা বন্ধ করে তাদের প্রিয় স্যারকে এক নজরে দেখতেভীড় জমাতে থাকে। খবর পেয়ে সেখানে ছুটে আসেন স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ান পরিষদের চেয়ারম্যান আজমল উদ্দীন ঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান বাজার ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল হাই প্রমখ।দীপক হোড় ১৯৯০ সালে বি এসসি গণিত শিক্ষক হিসাবে ঝাউডাঙ্গা হাইস্কুলে যোগদান করের।দীর্ঘ ২৮ বছর শিক্ষকতা জীবনে তিনি শত শত ডাক্তার ইন্জির্নিয়ার প্রসাসনিক কর্মকতা প্রভাষক শিক্ষক তৈরি করেছেন। দীপক হোড় কলারোয়া উপজেলার মুরারীকাটি গ্রামের অধিবাসী ছিলেন।দীপক হোড়কে পৌর সভার গোপিনাথপুর মহা শ্বাশ্মানে দাহ করা হয়েছে।ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ান আওয়ামীলীগের সভাপতি রমজান আলী বিস্বাস সাধারন সস্পাদক অমরেন্দ্র নাথ ঘোষ যুবলীগের জাহিদ হোসেন মাস্টার তারক নাথ পাল আব্দুল খালেক সহ অংগ সংগঠনের নেতা কর্মরা তার আত্বার শান্তি কামনা এবং পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আ’লীগ প্রার্থীর সঙ্গে দুই ওসির ফটোসেশন, সমালোচনার ঝড়

অনলাইন ডেস্ক: গাইবান্ধার-৫ ও ৩ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় দুই ওসির ফটোসেশনে সর্বত্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। একেবারে দলীয় কর্মীর ভূমিকায় গিয়ে তারা প্রার্থীর সঙ্গে ছবি তোলেন বলে অভিযোগ করছেন অনেকেই।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ছবি ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়।

দুই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন-সাঘাটা থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান ও পলাশবাড়ী থানার ওসি হিপজুর আলম মুন্সি।

এ ছাড়া সাঘাটা থানার ওসি মোস্তাফিজারের সঙ্গে  বোনারপাড়া তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমানও ফটোসেশনে অংশ নেন।

বুধবার দুপুরে সাঘাটা উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাহী অফিসার উজ্জল কুমার ঘোষের কাছে গাইবান্ধা-৫ আসনের (ফুলছড়ি-সাঘাটা) এমপি ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া মনোনয়নপত্র জমা দেন।

অভিযোগ উঠেছে-এ সময়ে ফটোসেশনে অংশ নেন সাঘাটা থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান ও বোনারপাড়া তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান।

এ ছাড়া পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাহী অফিসার মেজবাউল হোসেনের কাছে গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের ক্ষমতাসীন দলের এমপি ডা. মো. ইউনুস আলী সরকার মনোনয়নপত্র জমার সময় ফটোসেশনে অংশ নেন পলাশবাড়ী থানার ওসির হিপজুর আলম মুন্সি।

বিষয়টি নিয়ে ওসি হিপজুর আলম বলেন, আমরা ওখানে ছিলাম। তখন আমাদের অনুরোধ করা হয়েছে ছবি তোলার জন্য। এটি রাজনৈতিক উদ্দেশে তোলা হয়নি। নির্বাচনী নীতিমালার কোনো লঙ্ঘন নয়। তবে এটি নিয়ে কেউ বিতর্ক করতে চাইলে করতে পারেন।

তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় নেতাকর্মীদের বারবার ডাকেই মনোনয়নপত্রে হাত দিয়েছেন। তবে এমন ছবি সারাদেশে অনেক হয়।

এ বিষয়ে সাঘাটা থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করেছি। আমরা ইউএনওর সঙ্গে ছিলাম। তাকে সহযোগিতা ও নিরাপত্তা দেয়া আমাদের দায়িত্ব।

তিনি বলেন, প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা তা গ্রহণ করেছেন। আমরা সঙ্গে ছিলাম। এখানে অন্য কিছু হয়নি।

মনোনয়ন জমার সময় দলের প্রার্থীদের সঙ্গে ফটোসেশনের বিষয়টি নিয়ে কথা হয় গাইবান্ধা পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান মিয়ার সঙ্গে।

তিনি বলেন, বিষয়টি আমার নজরে পড়েছে। নিরাপত্তার কারণে তারা দায়িত্ব পালন করতে পারেন, কিন্তু হাত বাড়িয়ে দেয়া ঠিক হয়নি। এ নিয়ে তাদের সতর্ক করাসহ জবাব দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রিয়াঙ্কার বিয়েতে ৮০ পদের খাবার

বিনোদনের খবর: তারায় তারায় মিলন। একজন বলিউডের তারকা অন্যজন হলিউডের। দুই তারার মিলনে আলোকসজ্জিত উমেদ ভবন প্যালেস।
বুধবার সন্ধ্যায় প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও নিক জোনাস প্রিয়াঙ্কার বাড়ি থেকে পূজা দিয়ে যোধপুরের উদ্দেশে রওনা হন। পূজার সময় আকাশি রঙের সালোয়ার-কামিজ পরনে ছিল প্রিয়াঙ্কার। নিকের পরা ছিল গোলাপি রঙের কুর্তা আর সাদা পায়জামা।

প্রিয়াঙ্কা-নিকের এই মহাক্ষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উপস্থিত থাকবেন বলে খবর চাউর হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আশীর্বাদ থাকছে যে বিয়েতে সেখানে খাবারের আয়োজন কী? এ নিয়ে অবশ্য মানুষের বেশ আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

অতিথি আপ্যায়নে অবশ্য কোনো ত্রুটি রাখছেন এ তারকা জুটি। নিজেরাই সবকিছু তদারকি করছেন। তালিকায় কন্টিনেন্টাল ফুড, চায়নিজসহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি খাবার থাকছে।
অতিথিদের জন্য মোট ৮০ পদের খাবারের ব্যবস্থা করেছে প্রিয়াঙ্কা-নিক। এর মধ্যে রয়েছে রাজস্থানি কড়ি পকোড়ে, সাংগরি কি রোটি, বাজরা কে রোটি, মক্কাই কি রোটি, রাজস্থানি থালি, ডাল-বাটি চুর্মাসহ অনেক কিছু।
শুক্রবার থেকে প্রিয়াঙ্কা-নিকের বিয়ে উৎসব শুরু হবে। এ জন্য বৃহস্পতিবার থেকে প্যালেস ভাড়া করা হয়েছে। আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য বিয়ের দিন থাকবে রিটার্ন গিফট। প্রত্যেকে অতিথিকে রুপার টাকা উপহার দেবেন প্রিয়াঙ্কা। রুপার টাকার একপিঠে থাকবে প্রিয়াঙ্কা-নিকের নামের আদ্যক্ষর (এনপি)। আর অন্য পিঠে থাকবে লক্ষ্মী-গণেশের ছবি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইরানকে ‘ফ্রি-ট্রেড’ সুবিধা দিলেন পুতিন

বিদেশের খবর: ইরানের বহুল প্রতীক্ষিত মুক্তবাণিজ্য বিষয়ক চুক্তি অনুমোদন দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর ফলে রুশ নেতৃত্বাধীন আঞ্চলিক ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়নে যুক্ত হতে পারবে ইরান। খবর আইআরআইএর।
এর আগে রাশিয়ার জাতীয় সংসদের নিম্নকক্ষ দুমা ও ফেডারেল অ্যাসেম্বলিতে ইরানের সঙ্গে দেশটির ওই চুক্তিটি অনুমোদন। আইনি বডিতে চুক্তি অনুমোদনের পর সেটি চূড়ান্ত করেন প্রেসিডেন্ট পুতিন।
রাশিয়ার নিয়ম অনুযায়ী, চুক্তিটি ফেডারেল আইনে পরিণত হয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের কাছে চুক্তিটি বাস্তবায়নের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং এই চুক্তি মানতে সবাই বাধ্য।
ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলো হচ্ছে রাশিয়া, আর্মেনিয়া, বেলারুশ, কাজাখস্তান ও কিরগিজিস্তান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কেউ ‘শেবাগ’ হতে চাইলে নিষেধ করা ঠিক নয়: সাকিব

অনলাইন ডেস্ক: ক্রিকেটের মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত টেস্ট খেলতে হয় ঠাণ্ডা মেজাজে। টি-টোয়েন্টির মতো এতটা আক্রমণে না গিয়ে টেস্ট একটু রয়েসয়ে খেলতে হয়। কিন্তু ক্রিস গেইল, এবি ডি ভিলিয়ার্স এবং বীরেন্দ্রর শেবাগের মতো এমন অনেক ক্রিকেটার আছেন, যারা বাউন্ডারি মেরে টেস্ট ইনিংসের সূচনা করেছেন।

টেস্টের প্রথম বলে বাউন্ডারি হাঁকানোর আত্মবিশ্বাস যদি কারও থাকে তাহলে তাকে নিষেধ করা ঠিক হবে না। সে যেভাবে খেলে সফল তাকে সেভাবেই খেলার সুযোগ করে দেয়া উচিত। এমনটিই বলছেন বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

উইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকা টেস্ট শুরুর ঠিক আগের দিন বৃহস্পতিবার মিরপুরে সাকিব বলেন, ‘আমি সবসময় ফিল করি যার খেলার ধরন যেটা সেটা থেকে বের না হতে। বীরেন্দ্রর শেবাগ টেস্ট ম্যাচে যদি ফার্স্ট বলে চার মারার সুযোগ পেত তাহলে সে তাই করত। আমার কাছে মনে হয় এই অ্যাপ্রচটা থাকা খুবই জরুরি।’

সাকিব আরও বলেন, ‘যে ব্যাটসম্যান টি-টোয়েন্টি বা ওয়ানডে ম্যাচে ফার্স্ট বলে চার মারার জন্য দাঁড়ায়, সেই ব্যাটসম্যানকে আমি কখনোই চাইব না টেস্ট ম্যাচে ফার্স্ট বল ডিফেন্ড করুক বা ছেড়ে দেক। আমি চাইব টেস্টে ফার্স্ট বলেও সে চার মারার মাইন্ড সেট নিয়েই যাবে এবং চার মারবে। কারণ ওটাই ওর খেলা। ওইভাবে খেলেই সে সফল এবং এই খেলা দেখেই কিন্তু টিম সিলেক্টররা তাকে নির্বাচিত করেছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এমপি হলে যা পাওয়া যায়

দেশের খবর: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য সারা দেশে ৩ হাজার ৫৬জন মনোনয় পত্র দাখিল করেছেন। নির্বাচনে আগে হাজার-হাজার ব্যক্তি প্রার্থী হবার আগ্রহ প্রকাশ করলেও শেষ পর্যন্ত দলের মনোনয়ন না পাওয়ায় তারা প্রার্থী হননি।
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি নানা রকম সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন। একজন সংসদ সদস্য যেসব সুবিধা পান তা হচ্ছে;

১. সংসদ সদস্যদের মাসিক বেতন ৫৫,০০০ টাকা

২. নির্বাচনী এলাকার ভাতা প্রতিমাসে ১২,৫০০ টাকা

৩. সম্মানী ভাতা প্রতিমাসে ৫,০০০ টাকা

৪. শুল্কমুক্তভাবে গাড়ি আমদানির সুবিধা

৫. মাসিক পরিবহন ভাতা ৭০,০০০ টাকা

৬. নির্বাচনী এলাকায় অফিস খরচের জন্য প্রতিমাসে ১৫,০০০ টাকা

৭. প্রতিমাসে লন্ড্রি ভাতা ১,৫০০ টাকা

৮. মাসিক ক্রোকারিজ, টয়লেট্রিজ কেনার জন্য ভাতা ৬,০০০ টাকা

৯. দেশের অভ্যন্তরে বার্ষিক ভ্রমণ খরচ ১২০,০০০ টাকা

১০. স্বেচ্ছাধীন তহবিল বার্ষিক পাঁচ লাখ টাকা

১১. বাসায় টেলিফোন ভাতা বাবদ প্রতিমাসে ৭,৮০০ টাকা

১২. সংসদ সদস্যদের জন্য সংসদ ভবন এলাকায় এমপি হোস্টেল আছে।

এছাড়া ২০১৫ -২০১৯ সাল পর্যন্ত একজন সংসদ সদস্য প্রতিবছর চার কোটি টাকা করে থোক বরাদ্দ পাচ্ছেন।

দাপ্তরিকভাবে এসব সুবিধা পেলেও এর বাইরে নানা সুবিধা রয়েছে সংসদ সদস্যদের জন্য। এর মধ্যে বিভিন্ন সময় নানা প্রকল্পে প্লট-ফ্ল্যাট বরাদ্দের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার অন্যতম।
নির্বাচিত ব্যক্তি হিসেবে একজন সংসদ সদস্য তার এলাকায় সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ব্যক্তি হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩৫টি আসনে আওয়ামী লীগ এবং পাঁচটি আসনে বিএনপি প্রার্থী দেয়নি

দেশের খবর: পাঁচটি আসনে প্রার্থী দেয়নি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। আসনগুলো হলো-টাঙ্গাইল-৮, মৌলভীবাজার-২, কুমিল্লা-৭, লক্ষীপুর-৪ ও চট্টগ্রাম-১৪।
আওয়ামী লীগ ২৬৫টি আসনে দলীয় মনোনয়ন জমা দিয়েছে। জাপা-২১০টি আসনে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভুয়া হোমিও চিকিৎসকের ওষুধে ২ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক: নাটোরের বাগাতিপাড়ায় পেড়াবাড়িয়া বাজারের ভুয়া হোমিও চিকিৎসক শরিফুল ইসলামের (৪০) দেয়া ওষুধ খেয়ে দুই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে একজন বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও অপরজন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়। ভুয়া চিকিৎসক শরিফুলকে আটক করে চিকিৎসা কেন্দ্রটি হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

এলাকাবাসী জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে পেড়াবাড়িয়া বাজারে হোমিও চিকিৎসকের ঘরে গিয়ে ওষুধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে জিয়াউর রহমান ও খোকন নামের দুই রোগী। তাদের অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক খোকনকে (৪৬) মৃত ঘোষণা করে। আর জিয়াউর রহমানকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জিয়াউর রহমানকেও মৃত ঘোষণা করে।
জিয়াউর রহমান (৪৫) বাগাতিপাড়া পৌর এলাকায় ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সোনাপাতিল মহল্লার মৃত সাজদার মাস্টারের ছেলে। আর খোকন উপজেলার ফাগুয়ারদিয়ার এলাকার আব্দুল মজিদের জামাই। তিনি ঘরজামাই থেকে এলাকায় গামের্ন্টস কাপড়ের ব্যবসা করতেন। এলাকাবাসীর ধারণা, ওই চিকিৎসক রোগীদের যৌন উত্তেজক কোনো পানীয় বা স্পিরিট জাতীয় কোনো বিষাক্ত পদার্থ পান করিয়েছিলেন।
এদিকে এ ঘটনার পরপরই পুলিশ গিয়ে ভুয়া চিকিৎসক শরিফুলকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। শরিফুল লক্ষণহাটি গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে।
এ ব্যাপারে বাগাতিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ‘ভুয়া চিকিৎসককে আটক করা হয়েছে। এছাড়া বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মরদেহের ময়নাতদন্তের পর সঠিক কারণ জানা যাবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest