সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরামুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ

অবশেষে ঢাকা টেস্টে লিটন দাস

খেলার খবর: অবশেষে ঢাকা টেস্টে ডাক পেলেন লিটন কুমার দাস। জাতীয় দলের উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহীম ইঞ্জুরিতে পড়ায় লিটনের দলে ফেরা নিয়ে ছিল জোর গুঞ্জন। এবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে জানালো, দলে জায়গা হয়েছে লিটন দাসের।

বৃহস্পতিবার (২৯ নভেম্বর) অনুশীলন শেষে সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক সাকিব আল হাসান লিটন দাসকে দলে অন্তর্ভূক্ত করার কারণ ব্যাখ্যা করেন। তবে তখনও খোলাসা হয়নি যে, দলে লিটন আছেন কী নেই। বিসিবি কিংবা নির্বাচকমণ্ডলি কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় নি বিষয়টি।

অবশেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিসিবি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পাঠিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে যে, লিটন দাসকে ঢাকা টেস্টে দলে নেয়া হয়ে হয়েছে। লিটন দাসসহ ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশ দল দাঁড়ালো ১৪ জনে। শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) থেকে শুরু হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকা টেস্ট।

এর আগে সংবাদ সম্মেলনে সাকিব আল হাসান জানিয়েছিলেন, যদি মুশফিকুর রহীম ম্যাচে কিপিং করতে পারেন তাহলে লিটনের খেলার সম্ভাবনা নেই। আর যদি মুশফিক কিপিং করতে পারবেন না বলে মনে হয় তাহলে লিটনকে দলে নেয়া হবে।

বাংলাদেশ দল: সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহীম, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাঈম হাসান, তাইজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, আরিফুল হক, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, সাদমান ইসলাম এবং লিটন কুমার দাস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইসলাম গ্রহণ করে মালয়েশিয়ার রানি রাশিয়ান মডেল

বিদেশের খবর: ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পরপরই মালয়েশিয়ার এক রাজাকে বিয়ে করায় রানির আসন পেলেন রাশিয়ার সাবেক মডেল ও ‘মিস মস্কো’।
দ্য সানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মালয়েশিয়ার কেলান্তান অঞ্চলের রাজা আগং সুলতান মুহাম্মদকে বিয়ে করেছেন ওই মডেল। ফলে অঞ্চলটির রানি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন তিনি।

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করা রাশিয়ান মডেলের নাম ওকসানা ভয়েভোদানা। তিনি তার বর্তমান স্বামীর চেয়ে ২৪ থেকে ২৫ বছরের ছোট।
বিয়ের সময় ৪৯ বছর বয়সী ওই রাজা দেশটির জাতীয় পোশাক পরেন। অন্যদিকে ওই মডেল একটি গাউন পরেন। তাদের বিয়ে পরবর্তী অনুষ্ঠান অ্যালকোহলমুক্ত ছিল এবং সেখানে সম্পূর্ণ হালাল খাবার খাওয়ানো হয়েছে।

রাজ পরিবারের বউ হওয়ার আগে ওকসানা বলেছিলেন, স্কুলে থাকার সময় আমি দুরন্ত প্রকৃতির ছিলাম। বাইক, স্কেটার ইত্যাদি নিয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতাম। কিন্তু বিয়ের পর তিনি বলেন, আমি মনে করি পুরুষ একটি পরিবারের প্রধান হওয়া উচিৎ এবং অবশ্যই কোনও নারীর চেয়ে তার কম আয় করা উচিৎ নয়।

জানা গেছে, ওকসানা ২০১৫ সালে ‘মিস মস্কো’ প্রতিযোগিতার বিজয়ী নির্বাচিত হন। এরপর তিনি কীভাবে মালয়েশিয়ার এই রাজার সাথে পরিচিত হয়েছেন তা জানা যায়নি। এমনকি তিনি আগে বিয়ে করেছিলেন কীনা তা নিয়েও ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দ্য রেইপ অব নানকিং

অনলাইন ডেস্ক: দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে ঘটে যাওয়া বর্বরতায় হিটলারের মিত্র দেশগুলো কেউ কারও থেকে কম যায়নি। পশ্চিমা গণমাধ্যমের কল্যাণে হিটলারের পৈশাচিক সব গণহত্যা আর পরিকল্পনার কথা পরবর্তীতে যেভাবে বিশ্বের ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে সে তুলনায় অন্যদের বর্বরতার কথাগুলো চাপা পড়ে আছে। আলোচনায় না থাকায় বহু গণহত্যা ও বর্বরতার কাহিনী ইতিহাস থেকে মুছে গেছে। হিটলারের মিত্র জাপানীরা এশিয়াতে, বিশেষ করে চীন আর কোরিয়াতে যে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে তার নজির ইতিহাসে বিরল। সেই নারকীয় তান্ডবের জ্বলজ্বলে উদাহরণ হল দ্য রেইপ অব নানকিং খ্যাত জাপানী তান্ডব। এই তান্ডবকে নানকিং ম্যাসাকারও বলা হয়ে থাকে।

১৯৩৭ এর শেষের দিকে ইউরোপ ব্যস্ত ছিল জার্মান সামরিক শক্তিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে। এ সময় জাপান চীন দখল করতে শুরু করেছে। চীন ও জাপানের মধ্যকার বিরোধ বহু প্রাচীন। সে সময় জাপান সরকার তাদের দেশের সীমানা বৃদ্ধির জন্য উদগ্রীব ছিল। শুরুতে একা থাকলেও পরবর্তীতে মিত্র বাহিনীর সহায়তা নিয়ে যুদ্ধের সময় চীন পাল্লা দিয়ে জাপানের সাথে লড়াই করেছে যেন প্যাসিফিক ও ইস্ট এশিয়ায় জাপানী প্রভুত্ব ঠেকানো যায়। এই লড়াইয়ে ‍২০ মিলিয়ন চীনা নাগরিক প্রাণ হারান। এই ২০ মিলিয়নের ১৭ মিলিয়নই ছিলেন নিরীহ চীনা বেসামরিক নাগরিক, যাদের নিরস্ত্র অবস্থায় নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছে জাপানীরা। এ যুদ্ধের মাঝেই ১৯৩৭ এর ডিসেম্বরে জাপানীদের হাতে চীনের তৎকালীন রাজধানী নানকিং (বর্তমানে নানজিং) এ ঘটে এক নারকীয় ধ্বংসযজ্ঞ।

এক রক্তাক্ত লড়াইয়ে জাপানীদের হাতে সাংহাইয়ের পতন হওয়ার পর চীনা সৈন্যরা পিছু হটতে শুরু করে। জাপানীদের হাতে পুরো সৈন্য বাহিনী হারানোর ভয়ে চীনা সৈন্যদের নানকিং থেকে সরিয়ে আরও ভেতরের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। জাপানীদের এগিয়ে আসার খবর শুনে নানকিংয়ের অধিবাসীরা পালাতে শুরু করলে চীনা সরকার তাতে বাঁধা দেয়। জাপানীরা যখন নানকিং এসে পৌঁছায়, তখন শহরের ভেতর ৫ লক্ষ অধিবাসী বসবাস করছিল।

নানকিং ম্যাসাকারের সূচনা জাপানীরা নানকিং দখল করার আগেই শুরু হয়েছিল। এর দিকে এগিয়ে আসার সময় জাপানীরা পথে যা পেয়েছে তা-ই ধ্বংস করেছে। যারাই ওদের হাতে ধরা পড়েছে তাদেরকেই হত্যা করা হয়েছে। জাপানী সৈন্যদের উপর নির্দেশ ছিল সকল বন্দীকে হত্যা করতে হবে।

নানকিংয়ের পথের গ্রামগুলো পোড়াতে পোড়াতে তারা একসময় নানকিং পৌঁছে যায়। গরীব বা ধনী কেউই তাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি। বেশিরভাগ লাশকে যেখানে হত্যা করা হয়েছে সেখানেই খোলা অবস্থায় রেখে জাপানীরা অগ্রসর হয়েছে। বিজিতদের লুট, হত্যা ও ধর্ষণ করা সৈন্যদের অধিকারে পরিণত হয়েছিল। একপ্রকার বিনা লড়াইয়ে নানকিং দখল করার পরও জাপানী সৈন্যদের এমন আচরণের কোনো সঠিক কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন বিচিত্র উপায়ে তারা বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করতো। কে কার আগে নিজ হাতে ১০০ জন চীনাকে হত্যা করতে পারবে সে নিয়ে দুজন জাপানী অফিসার মুকাই এবং নদার মাঝে একটি ব্যক্তিগত প্রতিযোগিতাও শুরু করেছিল। এই প্রতিযোগিতায় কে কয়টি খুন করেছে তার অগ্রগতির প্রতিবেদন শীর্ষস্থানীয় জাপানী পত্রিকাগুলো প্রতিদিনের আর্কষণীয় সংবাদ হিসেবে প্রচার করেছিল, এ যেন ছিল এক আন্তর্জাতিক খেলার ফলাফল।

১৯৩৭ সনের ১৩ ডিসেম্বর থেকে পরের ছয় সপ্তাহে জাপানীরা নানকিংয়ের সাধারণ মানুষদের হত্যা ও নির্বিচারে ধর্ষণ করেছে। এ সময় প্রায় ৮০,০০০ নারী ধর্ষণের শিকার হন। জাপানী সেনারা বিভিন্ন ঘরে চীনা সৈন্য খোঁজার নাম করে নারী ও শিশু কন্যাদের বের করে এনে গণধর্ষণ করেছে। ধর্ষণ শেষে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ধর্ষিতাদের হত্যা করা হয়েছে। এসব হত্যা ও ধর্ষণের সব আলামত পর্যবেক্ষণ করলে বোঝা যায়, সবকিছুই শুধুমাত্র সৈন্যদের নিজের ইচ্ছাতেই হয়েছে এমন নয়। বরং হত্যা ও ধর্ষণের ব্যাপকতা দেখে পরবর্তীতে ধারণা করা হয়, ব্যাপারগুলো ছিল পরিকল্পিত এবং সৈন্যদের এমন কাজ করার জন্য হয়তো কোনো গোপন নিদের্শনাও প্রদান করা হয়েছিল।

কেবল খুন করেই তারা ক্ষান্ত হয়নি। খুনের আগে যতভাবে মহিলাদের কষ্ট দেওয়া সম্ভব তার প্রায় সব বর্বরতাই জাপানীরা দেখিয়েছিল। গর্ভবতী মহিলাদের পেট কেটে খালি হাতে গর্ভের শিশুকে বের করে ফেলতো সৈন্যরা। যুবতী মেয়েদের দিনে ছয়-সাতবারও ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়। তরুণীদের যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহারের জন্য নানকিং থেকে বিভিন্ন জাপানী ক্যাম্পে প্রেরণ করা হয়েছিল। শিশুরাও জাপানী বর্বরতা থেকে রেহাই পায়নি। বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে বহু শিশুকে হত্যা করা হয়।

নিউ ইর্য়ক টাইমসের এক সাংবাদিক ছিলেন এ গণহত্যার প্রত্যক্ষদর্শী। তিনি পরবর্তীতে লিখেছিলেন, সমুদ্রের পাড়ে যাওয়ার পথে আক্ষরিকভাবেই লাশের স্তুপ মাড়িয়ে উনাকে যেতে হয়েছে। সমুদ্রতীরে তার চোখের সামনে মাত্র দশ মিনিটে ২০০ বন্দীকে হত্যা করা হয়।

জাপানী জেনারেলরা তাদের অধীনস্থদের এমন আচরণ জানার কথা কখনোই স্বীকার করেনি। চীনে জাপানী বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল মাতসুই দাবী করেন, সৈন্যদের এমন বর্বরতার মাত্রা সর্ম্পকে তিনি সর্ম্পূনভাবে কখনও অবহিত ছিলেন না। তিনি ব্যক্তিগতভাবে এমন ঘটনার জন্য অনুতাপ প্রকাশ করেন। যুদ্ধের পর ইন্টারন্যাশন্যাল মিলিটারি ট্রাইবুনাল ফর ফার দ্য ইস্ট জেনারেল মাতসুইকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করে। ১৯৩৮ সালে জাপানের সর্মথনপুষ্ট এক পুতুল সরকারকে জাপানীরা ক্ষমতায় বসানোর পর নানকিংয়ের পরিস্থিতির উন্নতি ঘটে এবং নির্বিচারে মানুষ হত্যা বন্ধ হয়।

নানকিং গণহত্যায় কয়েক সপ্তাহের ভেতর আনুমানিক তিন লক্ষ মানুষকে হত্যা করা হয়। নিহত মানুষের সংখ্যা নিয়ে বির্তক রয়েছে। যুদ্ধের পর নানকিং গণহত্যায় অভিযুক্ত জাপানী সেনাদের বিচারের সময় আদালতের রায় অনুসারে নানকিংয়ে দুই লক্ষ লোককে হত্যা করা হয়েছিল। তবে সংখ্যাটা যা-ই হোক না কেন, তা কিছুতেই নিরীহ সাধারণ মানুষ হত্যা, নারী ধর্ষণের মতো অপরাধ ও বর্বরতার অপরাধের মাত্রাকে কমিয়ে দেয় না।

নানকিংয়ে যা ঘটেছিল তা সঠিকভাবে প্রচারের আলো না পাওয়ায় অনেকেই এর কথা ভুলে যেতে শুরু করে। জাপান সরকার বহু বছর এ বর্বরতার দায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি। বরং বিভিন্ন সময় চীনের প্রকাশিত সংবাদ ও তথ্যকে একপেশে হিসেবে দাবী করেছে। ১৯৯৫ সালের ১৫ আগস্ট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আত্মসমর্পণের পঞ্চাশ বছর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তৎকালীন জাপান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তমিচি মুরায়ামা চীনসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে জাপান যে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল তার জন্য আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে দুঃখ প্রকাশ করেন। কিন্তু জাপান কখনোই লিখিতভাবে নানকিং গণহত্যার জন্য চীনের কাছে দুঃখ প্রকাশ কিংবা ক্ষমা চায়নি।

পরবর্তী জাপানী সরকারগুলো এ ব্যাপারে কোনো দায় নিতে অস্বীকার করে আসছে। ২০১৫ সালে জাপানী প্রধানমন্ত্রী শিনজো এ্যাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির ৭০ বছর উপলক্ষ্যে যে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেন তাতে চীনে জাপানের এই বর্বরতার বিষয়গুলো এড়িয়ে যাওয়া হয়, যা চীন-জাপান সর্ম্পকে টানাপোড়ন সৃষ্টি করে। বিভিন্ন সময় চীন ও জাপানের মাঝে সর্ম্পক অবনতির পেছনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানী গণহত্যার প্রভাব সুস্পষ্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাইকোর্টের আদেশ সংবিধান পরিপন্থী : অ্যাটর্নি জেনারেল

দেশের খবর: বিচারিক আদালতের দণ্ড হাইকোর্টে স্থগিত হলে দণ্ডিতরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন বলে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছেন তা সংবিধান পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রের প্রধান কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করা হবে বলেও জানান তিনি। হাইকোর্টের একক বেঞ্চের আদেশের পর অ্যার্টনি জেনারেলের নিজ কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মাহবুবে আলম।
এর আগে হাইকোর্টের বিচারপতি মোহাম্মদ রইচ উদ্দিনের একক বেঞ্চ আদেশ দেন বিচারিক আদালতের দণ্ড হাইকোর্টে স্থগিত হলে দণ্ডিতরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। এ আদেশের ফলে সম্পদের গরমিল তথ্য দুদকে দেয়া-সংক্রান্ত মামলায় দণ্ড স্থগিত চেয়ে করা যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান সাবিরা সুলতানার নির্বাচনে প্রার্থী হতে কোনো বাধা নেই।

এ আদেশের প্রতিক্রিয়ায় রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা বলেন, ‘হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ একই রকম মামলার আদেশে বলেছিলেন, নির্বাচনের উদ্দেশে কেউ দণ্ড বা সাজা স্থগিত করার পর নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এরপর সেই আদেশের বিরুদ্ধে এক বিএনপিপন্থী নেতা আপিল করেন। পরে সেই আবেদনে আপিল বিভাগ থেকে কোনো আদেশ দেননি। ফলে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ বহালই রইলো আপিল বিভাগে।’

‘এর একদিন পর আজ হাইকোর্টের একটি একক বেঞ্চ বলেন, দণ্ডিত ব্যক্তির সাজা হাইকোর্টে স্থগিত হলে দণ্ডিতরা নির্বাচন করতে পারবেন। তাহলে তো এটা পূর্বের আরেকটি হাইকোর্ট বেঞ্চের বিপরীতধর্মী আদেশ হলো। ফলে হাইকোর্টের আজকের আদেশটি সংবিধান পরিপন্থী। তাই এ আদেশের বিরুদ্ধে আমরা আপিলে যাব’, বলেন মাহবুবে আলম।

নির্বাচনে অংশ নিতে দণ্ডিত ব্যক্তির সাজা বা দণ্ড স্থগিত নিয়ে হাইকোর্টের দুটি বেঞ্চের আদেশ পরস্পর সাংঘর্ষিক কিনা জানতে চাইলে মাহবুবে আলম বলেন, ‘অবশ্যই। সেজন্যই আমরা আপিল বিভাগে যাব।’
সাবিরা সুলতানার সাজা ও দণ্ড আজ হাইকোর্টে স্থগিত হওয়ার পর রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে না যাওয়া পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নিতে তার বাধা থাকবে কিনা সে বিষয়ে জানতে চাইলে মাহবুবে আলম বলেন, ‘আপিল বিভাগ এ বিষয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন। আপিল বিভাগের সে সিদ্ধান্তই হবে সঠিক সিদ্ধান্ত।’

হাইকোর্টে দণ্ড স্থগিতের বিষয়টি আপিলে পূর্ণ নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন কিনা জানতে চাইলে অ্যার্টনি জেনারেল বলেন, ‘আদেশের মাধ্যমে যে কোনো বিচারক তার মতামত প্রকাশ করতে পারেন। কিন্তু সবার উপরে আমাদের সংবিধান। আমাদের বিচারকরা বিচার করেন সাংবিধানিক বিধি মেনে। আমাদের সংবিধানে স্পষ্ট আছে, কোনো ব্যক্তি ২ বছরের বেশি সাজাপ্রাপ্ত হলে এবং তার নৈতিক স্খলন ঘটলে তিনি নির্বাচন করতে পারবেন না।

ইতোমধ্যে তিনি যদি মুক্তিও লাভ করেন তবুও তাকে ৫ বছর অপেক্ষা করতে হবে। সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন। কাজেই এ আইনের পরিপন্থী যদি কোনো আদেশ হয় তবে অবশ্যই আমরা বিষয়টি আপিল বিভাগের দৃষ্টিতে আনব। কেননা, বিষয়টি সংবিধানে স্পষ্ট করাই আছে।’

গত ২৭ নভেম্বর দুর্নীতির অভিযোগে বিচারিক আদালতে দায়ের হওয়া মামলার দণ্ড (কনভিকশন অ্যান্ড সেন্টেন্স) স্থগিত চেয়ে বিএনপির ৫ নেতার করা আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্টের অপর একটি দ্বৈত বেঞ্চে। হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এ মামলার পর্যবেক্ষণে আদালত বলেছিলেন, বিচারিক আদালতে কোনো ব্যক্তি ২ বছরের অধিক সাজাপ্রাপ্ত হলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না এবং তার সাজার রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে দণ্ড স্থগিত করা হলেও বা আপিল চলাকালেও কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। তবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে দণ্ড স্থগিত কিংবা বাতিল হলে ওই ব্যক্তির নির্বাচনে অংশ নিতে কোনো বাধা থাকবে না বলেও আদালত মন্তব্য করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মালয়েশিয়ায় ২৫০ বাংলাদেশির ‘সেকেন্ড হোম’

অনলাইন ডেস্ক: মালয়েশিয়ায় দ্বিতীয় নিবাস গড়ার কর্মসূচি ‘মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোমে (এমএম২ এইচ)’ অংশ নেওয়া ৩ হাজার ৭৪৬ জন বাংলাদেশির মধ্যে ২৫০ জন সেখানে বাড়িও কিনেছেন। ওই প্রকল্পে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশিরা যেমন তৃতীয় অবস্থানে আছেন, তেমনি বাড়ি কেনার ক্ষেত্রেও একই অবস্থানে তাঁরা।

মালয়েশিয়া সরকারের প্রকাশিত এক পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়। দেশটি বিভিন্ন সময় মোট কতজন বিদেশি নাগরিক দ্বিতীয় নিবাস কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন, তা প্রকাশ করলেও বাড়ি কেনার তথ্য এই প্রথম প্রকাশ করল। এতে দেখা যায়, চীন ও যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে বেশিসংখ্যক লোক সেখানে বাড়ি কিনেছেন।

বাংলাদেশ থেকে বৈধভাবে অর্থ নিয়ে মালয়েশিয়ায় বাড়ি কেনার কোনো সুযোগ নেই। এ দেশের যাঁরা সেখানে বাড়ি কিনেছেন, তাঁরা মূলত টাকা পাচার করেছেন।
মালয়েশিয়া সরকার ২০০২ সালে দ্বিতীয় নিবাস কর্মসূচি চালু করে। এর আওতায় মালয়েশিয়ার ব্যাংকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জমা রেখে অন্য দেশের একজন নাগরিক দেশটিতে দীর্ঘমেয়াদি বসবাস ও অন্যান্য সুবিধা পান। তাঁরা সেখানে বাড়িও কিনতে পারেন। যদিও মালয়েশিয়ায় সম্প্রতি বিতর্ক তৈরি হয়েছে যে বিদেশিরা সেখানে প্রচুর বাড়ি কিনে ফেলছেন।

মালয়েশিয়ার স্থানীয় সরকার ও গৃহায়ণ উপমন্ত্রী রাজা কামারুল বাহরিন শাহ রাজা আহমাদ ১ নভেম্বর দেশটির সংসদে জানান, মালয়েশিয়ায় দ্বিতীয় নিবাস কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন দেশের মোট ৪ হাজার ৪৯৯ জন নাগরিক বাড়ি কিনেছেন। এর মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন চীনের নাগরিকেরা। তাঁরা কিনেছেন ১ হাজার ৬৬৪টি বাড়ি। এর পরের অবস্থান যুক্তরাজ্যের, সেখানকার নাগরিকেরা কিনেছেন ৩৫৭টি। আর তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পরেই আছে যথাক্রমে ইরান (২১৭টি), জাপান (২০৮টি), পাকিস্তান (১৯২টি), সিঙ্গাপুর (১৭৫টি), অস্ট্রেলিয়া (১৪৭টি), দক্ষিণ কোরিয়া (১২৭টি) ও যুক্তরাষ্ট্র (১১৫টি)। বাড়ি কেনা বাবদ বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরা সেখানে কত অর্থ ব্যয় করেছেন, তা উল্লেখ করেননি মালয়েশীয় মন্ত্রী।

মোট বাংলাদেশি ৩৭৪৬ জন
দ্বিতীয় নিবাস কর্মসূচিতে বাংলাদেশিরা অংশ নেওয়া শুরু করেন ২০০৩ সাল থেকে। মালয়েশীয় সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ওই বছর ৩২ জন বাংলাদেশি এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। এ পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৭৪৬ জন বাংলাদেশি এতে অংশ নিয়েছেন। অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ কেউ বাড়ি কিনেছেন, সেই সংখ্যা ২৫০।

আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম দুই বছর ১০০ জনের কম করে বাংলাদেশি দ্বিতীয় নিবাসে অংশ নেন। এরপর থেকে সংখ্যাটি ২০০ জনের ওপরে রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি মালয়েশিয়ার দ্বিতীয় নিবাসে অংশ নিয়েছিলেন ২০১২ সালে, ৩৮৮ জন। প্রকাশিত তথ্য থেকে দেখা যায়, নির্বাচনের আগের বছরগুলোতে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে যায়। ২০১৫ সালে যেখানে ২০৫ জন বাংলাদেশি এ সুবিধা নিয়েছেন, সেখানে ২০১৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৮৩ জনে। সর্বশেষ প্রকাশিত ২০১৭ সালের আগস্ট পর্যন্ত হিসাবে আট মাসে মালয়েশিয়া দ্বিতীয় নিবাসে অংশ নিয়েছেন ২৫৩ জন বাংলাদেশি।

পাচারে কারা, খোঁজ নেই
মালয়েশিয়ায় কারা টাকা পাচার করছেন, তা নিয়ে দেশের বিভিন্ন সংস্থা অনুসন্ধানের ঘোষণা দিলেও কার্যত কোনো ফল দেখা যায়নি। এমনকি বাংলাদেশে বিভিন্ন মেলায় অংশ নিয়ে এবং পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে বিভিন্ন দেশে নাগরিকত্ব নিতে আগ্রহীদের খোঁজা হয়।

দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘সরকার চাইলে মালয়েশীয় সরকারের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশিদের তথ্য পেতে পারে। কিন্তু কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। এটা দুঃখজনক।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশনে সই করেছে। এর আওতায় তথ্য চাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর পাচার করা টাকা কিন্তু সিঙ্গাপুর থেকে ফেরত আনা হয়েছিল। একজনের ক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্যদের ক্ষেত্রে কেন নয়?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপির নেতারা মির্জা ফখরুলের নিয়ন্ত্রণের বাইরে: কাদের

দেশের খবর: বিএনপির ভেতরে জগাখিচুড়ি অবস্থা বিরাজ করছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির সব নেতা এখন মির্জা ফখরুলের কন্ট্রোলের (নিয়ন্ত্রণের) বাইরে। এ ছাড়া ঐক্যফ্রন্টও ঐক্যবদ্ধ নয়। ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা মনোনয়ন নেননি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের কয়েকজনের মনোনয়নপত্র জমা না দেওয়ার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, এটা বিএনপির ইন্টারনাল ব্যাপার। এর মধ্যে দুজন নেতা আছেন যারা তাদের মনোনয়ন কাঙ্ক্ষিত জায়গায় দেওয়া হয়নি বলে মনোনয়নপত্র জমা দেননি। আর মির্জা আব্বাস সময় মত মনোনয়নপত্র জমা দেননি। নির্বাচন কমিশন তাই মনোনয়ন জমা নেয়নি। নির্বাচন কমিশন তো আর নিয়মের বাইরে যাবে না।

জামায়াত ইসলামীর প্রার্থীরা ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন— এ বিষয়ে সাংবাদিকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ওবায়দুল কাদের বলেন, জামায়াতকে ছাড়া বিএনপি অচল। তারা একসঙ্গেই কাজ করছে, রাজনীতি করেছে এবং সাম্প্রদায়িকতা করেছে।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে সহিংসতা হয়েছে সেটিও বিএনপির সঙ্গে মিলে জামায়াত করেছে। জামায়াত, বিএনপিকে আলাদা করে ভেবে লাভ নেই। তারা একই বৃন্তে দু’টি ফুল।
বিএনপি থেকে জঙ্গিদের মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে অভিযোগ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এই যে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, সে কে? সে জঙ্গি অর্থায়নের সঙ্গে জড়িত। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। শাকিলা ফারজানা যদি জঙ্গি না হয়, তাহলে জঙ্গি কে? এরকম অনেক জঙ্গিকে তারা মনোনয়ন দিয়েছে বলে আমরা জানি। এগুলো তাদের জন্য নতুন কিছু নয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে নৌকার পক্ষে কাজ করুন: জগলুল হায়দার

শ্যামনগর প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি অসীম মৃধার সভাপতিত্বে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কার্যালয় সংলগ্ন এক বর্ধিত ও শুভেচ্ছা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এম এম জগলুল হায়দার।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানার মতো জনম দুখিনী আর কে আছেন? তিনি আরও বলেন, মুন্সীগঞ্জ বাজার হতে হরিনগর বাজার, সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয় হয়ে ভেটখালী বাজার পর্যন্ত সাড়ে ১০কোটি টাকা ব্যয়ে কার্পেটিং রাস্তা নির্মাণ ও সংষ্কার এই হাসিনা সরকারই করেছেন। পদ্মা সেতুর কাজ অর্ধেক সমাপ্ত হয়েছে। বাঁকি অর্ধেক কাজ সমাপ্ত করতে হলে এ সরকারের প্রয়োজন আছে কিনা? তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বছরের ১ম দিনে আপনাদের ছেলে মেয়েদের হাতে কে বই উঠিয়ে দেন? ১০ টাকা কেজি দরে কে চাউল দেন? সকলে সমস্বরে জননেত্রী শেখ হাসিনার কথা বললে তিনি আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকা-কে বিজয়ী করার জন্য জনগনের নিকট তার সরকারের উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড তুলে ধরার জন্য আহ্বান জানান। তিনি সাতক্ষীরা-৪ আসন হতে তাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করায় জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ এবং তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
এসময় তার সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কালীগঞ্জ ৮ ইউনিয়নের সমন্নয়কারী সজল মুখার্জী, প্রভাষক মোশারাফ হোসেন। উক্ত বিশেষ বর্ধিত সভায় মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের এবং সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন, ইউপি সদস্য শেখ গোলাম মোস্তফা, আকবর আলী, সেলিনা সাইদ এবং সেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি গাজী মিজানুর রহমান। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আঃ মাজেদ মোড়ল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা আদিবাসী বিষয়ক জাতীয় কোয়ালিশন ও এইচ আর ডি নেতৃবৃন্দের সাথে সংলাপ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: আদিবাসী বিষয়ক জাতীয় কোয়ালিশন নেতৃবৃন্দ ও এইচ আর ডি নেতৃবৃন্দের সাথে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা শাখার কার্যালয়ে কোয়ালিশনের নেতৃবৃন্দের সংলাপে সভাপতিত্ব করেন আদিবাসী বিষয়ক জাতীয় কোয়ালিশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি হরেকৃষ্ণ মুন্ডা। ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের সহযোগিতায় ও রিলিফ ইন্টার ন্যাশনালের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সংলাপে উপস্থিত ছিলেন, আদীবাসী বিষয়ক জাতীয় কোয়ালিশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহ-সভাপতি অপরেশ পাল, সাধারণ সম্পাদক শেখ আফজাল হোসেন, অর্থ সম্পাদক শংকর চন্দ্র মন্ডল, প্রচার সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, আইচ আর ডি’র বিভিন্ন অঞ্চলের সভাপতিবৃন্দ যথাক্রমে কালিঞ্চির গোপাল মুন্ডা, দাতিনাখালীর জগদিশ মুন্ডা, কৈখালীর প্রশান্ত মুন্ডা, খলিষখালীর নিতাই মুন্ডা, গাবুরার অঞ্জলি মুন্ডা প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, রিলিফ ইন্টার ন্যাশনালের এইচ আর ডি প্রকল্পের কো-অডিনেটর দিপংকর সাহা। সংলাপে আদিবাসীদের মানবাধিকার, ভূমি অধিকার, প্রত্যয়নপত্র ও সামাজিক নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার বিষয়ে আদীবাসী বিষয়ক জাতীয় কোয়ালিশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest