সর্বশেষ সংবাদ-
টেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরামুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ৫০তম জাতীয় দাবা ‘বি’ বাছাই না করিয়ে খেলোয়াড় পাঠানোর পায়তারা: সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরা

২০ মিনিটের জন্য ২ কোটি

অনলাইন ডেস্ক: হাল সময়ে মালাইকা আরোরা খান আলোচনায় রয়েছেন তরুণ অভিনেতা অর্জুন কাপুরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে। গত বছর আরবাজ খানকে ডিভোর্স দেয়ার পরই অর্জুনের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে কানাঘুষা শুরু হয়। আর এখন শোনা যাচ্ছে তারা খুব শিগগিরই বিয়ে করতে যাচ্ছেন। তবে এবার আরও একটি বিষয়ের মাধ্যমে আলোচনায় আসলেন মালাইকা। আর সেটা হলো প্রতি বছরই থার্টি ফার্ষ্ট নাইটে আঁকাশছোঁয়া পারিশ্রমিকে বিভিন্ন ইভেন্টে পারফর্ম করে থাকেন এ আইটেম কন্যা। এবারও আগে থেকেই মালাইকাকে নিয়ে থার্টি ফার্স্টের জমকালো আয়োজনের তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এবার ভারতের একটি শীর্ষ আয়োজক প্রতিষ্ঠান মালাইকাকে প্রস্তাব করেন পাঁচ তারকা হোটেলে রাতে ২০ মিনিটের একটি পারফরমেন্সের জন্য। অবাক করার বিষয় হলো এ ২০ মিনিটের জন্য মালাইকা হাঁকিয়েছেন ২ কোটি রুপি।
বিষয়টি অবাক করার মত হলেও সত্যি। কারণ এর আগে এত পারিশ্রমিক থার্টি ফার্স্টের অনুষ্ঠানের জন্য কখনই হাঁকাননি মালাইকা। তবে এবার ২০ মিনিটে ৭ টি গানে পারফরমেন্সের জন্য এই সম্মানি চেয়েছেন তিনি। তবে এখনও আয়োজক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়নি মালাইকার। জানা গেছে এবার বেশ কিছু অনুষ্ঠানে পারফর্মের প্রস্তাব রযেছে মালাইকার। আর তার মধ্যে থেকে কেবল একটি অনুষ্ঠানেই পারফর্ম করতে চাইছেন তিনি। আর তার জন্যই এমন আঁকাশছোঁয়া পারিশ্রমিক চেয়েছেন মালাইকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভারসাম্য রেখে চলবে বাংলাদেশ

দেশের খবর: ২০১৩ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগের ঘোষণা দেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র তার ‘ইন্দো প্যাসিফিক কৌশল’ সুস্পষ্ট করে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুটি দেশ তাদের ভিন্ন দুটি উদ্যোগে পাশে চায় বাংলাদেশকে। এদিকে এই দুটি উদ্যোগের মধ্যে একটি ভারসাম্য রেখে দেশের উন্নয়ন ঘটাতে চায় ঢাকা।

এ ব্যাপারে সরকারের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘অনেকে ইন্দো প্যাসিফিক কৌশলকে মনে করে চীনকে বেঁধে রাখার একটি পরিকল্পনা। আবার অনেকে মনে করে বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যেগের মাধ্যমে চীন বিশ্বের এক নম্বর দেশ হতে চায়।’
তবে এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ এবং এর জাতীয় স্বার্থ পূরণে যেকোনও ধরনের অর্থনৈতিক উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। বড় দুটি দেশের এই উদ্যোগের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিকভাবে কীভাবে লাভবান হওয়া যায়, এটিই বাংলাদেশের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’

জানা যায়, পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক গত মাসে চীন সফরের সময়ে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে ইন্দো প্যাসিফিক বিষয়টি উত্থাপন করলে ওই উদ্যোগের বিষয়টি উল্লেখ না করে ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়- বাংলাদেশের উন্নতির জন্য সহায়ক যেকোনও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উদ্যোগকে স্বাগত জানায় সরকার।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ২০১৬ সালে বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যেগে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেয় এবং অন্যদিকে ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের বিষয়ে বাংলাদেশের আপত্তি নেই।

বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ কী?
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৩ সালে বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ ধারনাটি প্রথম জনসমক্ষে প্রকাশ করেন কাজাখস্থানে। এখন পর্যন্ত ৫০টিরও বেশি দেশ এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এমনকি ২০১৭ সালে চীনে আয়োজিত বেল্ট অ্যান্ড রোড সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করে।
২০১৬ সালে চীনের প্রেসিডেন্টের ঢাকা সফরের সময়ে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে এই উদ্যোগে যোগ দেয় এবং এটিকে যৌথভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করে।

এ ব্যাপারে সরকারের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের বিনিয়োগ দরকার এবং চীন এটির জোগান দিতে সক্ষম। পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কর্ণফুলি টানেল ও চীনের বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বাংলাদেশের বেইজিং এর কয়েকটি বড় উদ্যোগ।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই প্রতিটি প্রকল্প বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং সমাজে অবদান রাখবে, যা আমরা অবহেলা করতে পারি না।’
এই প্রকল্পগুলি বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের সঙ্গে জড়িত কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই উদ্যোগ শুরু হওয়ার অনেক আগে থেকে প্রকল্পগুলো নিয়ে আলোচনা চলছিল।’

ইন্দো প্যাসিফিক কৌশল কী?
উন্মুক্ত ও স্বাধীন ইন্দো-প্যাসিফিক কীভাবে অর্জন করা যায় সেই কৌশল প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, এটাই ইন্দো প্যাসিফিক কৌশল নামে পরিচিত। চলাচলে স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণভাবে ও আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে সুমদ্রসীমানা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি, অবকাঠামো নির্মানে স্বচ্ছতা, দায়িত্বপূর্ণ ঋণ গ্রহণ, সার্বভৌমতাকে সম্মান জানানো এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হচ্ছে এই কৌশলের মৌলিক উপাদান।
এ ব্যাপারে একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তার কৌশল জাপান, ভারত ও অস্ট্রেলিয়াসহ অনেককে জানিয়েছে এবং ওই দেশগুলি তাদের নিজস্ব কৌশল তৈরি করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশকেও এই বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র অবহিত করেছে এবং বাংলাদেশ বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসাবে দেখছে। এই বিষয় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের একাধিকবার কথা হয়েছে।’ এর যে মৌলিক উপাদান তার সঙ্গে বাংলাদেশ একমত বলেও তিনি জানান।
এ কৌশলের প্রসঙ্গে বাংলাদেশের অবস্থানের ব্যাপারে আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, ‘এর কোনও উপাদান নিয়ে আমাদের আপত্তি নেই।’

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণভাবে ও আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সুমদ্রসীমানা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করেছে।

চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের পৃথক দুই উদ্যোগের সঙ্গে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রসঙ্গে এই সরকারি কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রেখে আমাদের জাতীয় স্বার্থ বজায় রাখবো। কারণ এছাড়া আমাদের আর কোনও বিকল্প নেই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুদ্ধাপরাধী সাঈদীর পুত্রও ধানের শীষের প্রার্থী

রাজনীতির খবর: যুদ্ধাপরাধে আজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে শামীম সাঈদী আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

তার ছোট ভাই ইন্দুরকানি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী মনোননয়নপত্র জমার শেষ দিন বিকালে পিরোজপুর-১ আসনের জন্য রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ওই মনোনয়নপত্র জমা দেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষরে শামীম সাঈদীর প্রাথমিক মনোনয়নের একটি প্রত্যয়নপত্রের ছবিও মাসুদ সাঈদী তার ফেইসবুকে দিয়েছেন।

নিবন্ধন হারানো দল জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দ দাবি করেছেন, তাদের প্রার্থীরা এবার জোট শরিক বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে অংশ নেবে।

বুধবার ঢাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুর রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে তিনি বলেন, ২০ দলীয় জোট থেকে তাদেরকে ২৫টি আসন নিশ্চিত করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, “আমরা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করব ২০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে।”

পিরোজপুরে শামীম সাঈদী এবং সিলেটে জামায়াত নেতা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর নামে ধানের শীষের প্রত্যয়নপত্রের ছবি ফেইসবুকে ঘুরলেও এ বিষয়ে মুখ খোলেননি বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের কেউ।

মতিউর রহমান আকন্দ ২৫টি আসনে জোটের সম্মতি পাওয়ার কথা বললেও সারা দেশে জামায়াত নেতারা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ৩০টির বেশি আসনে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকা-৭ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে তুলে নেয়ার অভিযোগ

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসনের বিএনপির প্রাথমিক মনোনীত প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকনকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
বুধবার রাতে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি।

রিজভী বলেন, ঢাকা-৭ (লালবাগ) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহ-সভাপতি এবং সাবেক কমিশনার মোশারেফ হোসেন খোকন আজ দুপুরে মনোনয়নপত্র দাখিল করে বাসার উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর থেকে তার কোনো হদিস মিলছে না। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীই তাকে গ্রেফতার করেছে। আমি অবিলম্বে তাকে সুস্থ অবস্থায় পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, শরীয়তপুর-৩ (ভেদরগঞ্জ-গোসাইরহাট-ডামুড্যা) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপি নেতা মিয়া নুর উদ্দিন অপু নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র দাখিলের উদ্দেশ্যে ভেদরগঞ্জ উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের দিকে রওনা হলে পথিমধ্যে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে অতর্কিত তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এমনকি মিয়া নুর উদ্দিন অপুকে কার্যালয়ে ঢুকতেও দেয়া হয়নি। সন্ত্রাসীরা নির্বিচারে বিএনপি নেতাকর্মীদের পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত উপ-সচিব নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে এক ঘণ্টা কথা বলার নাম করে গতকাল রাত ১০টায় র‌্যাব-২ অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাকে ফিরিয়ে দেয়া হয়নি। এ নিয়ে তার পরিবার-পরিজন ভীষণ উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় আছে।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে রিজভী বলেন, গত দুইদিন ধরে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের শাহজাহানপুরের বাসা সার্বক্ষণিক ঘিরে রাখছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। গত কয়েকদিনে মির্জা আব্বাসের বাসা থেকে ১৯ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মঞ্চে নাচতে নাচতে মৃত্যুর কোলে কিশোরী!

অনলাইন ডেস্ক: মঞ্চে উঠে নাচতে শুরু করেন কিশোরী। তবে হঠাৎ করেই নাচতে নাচতে সেই কিশোরীর সাথে ঘটে গেল ভয়ানক কাণ্ড।
ভারতের মুম্বইয়ের কান্দিবলি থেকে প্রকাশ্যে এল এক চাঞ্চল্যকর ভিডিও। মঞ্চে নাচতে নাচতে হঠাৎ পড়ে গিয়ে মৃত্যু হল কিশোরীর। কান্দিবলি এলাকায় ওই নৃত্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল বিজেপি।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মঞ্চে উঠে নাচতে শুরু করেন ওই কিশোরী। কয়েক সেকেন্ড নাচতে নাচতে হঠাৎই সজোরে মাটিতে আছড়ে পড়েন সে। সঙ্গে সঙ্গে সংজ্ঞা হারায়। উদ্যোক্তারা তাকে জাগানোর চেষ্টা করলেও সফল হননি।

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, কান্দিবলির পশ্চিম লালজি পাড়ায় গত ২৩ নভেম্বর থেকে নানা রকম প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান চলছিল। আয়োজনে ছিল বিজেপি। মঙ্গলবার সেখানে ছিল নাচের প্রতিযোগিতা। সেখানেই অংশগ্রহণ করতে যায় অনিশা শর্মা নামে ১২ বছরের ওই কিশোরী। মঞ্চে উঠে নাচ শুরু করতেই মাটিতে আছড়ে পড়েন ওই কিশোরী।

সঙ্গে সঙ্গে উদ্যোক্তারা তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিত্সকরা ওই কিশোরীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত অনিশা পশ্চিম কান্দিবলিতে থাকত, সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল সে। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, দেহ মিললে তবেই মৃত্যুর কারণ বলা সম্ভব।

মঞ্চে নাচতে নাচতে মৃত্যুর কোলে কিশোরী!

মঞ্চে অনেক আনন্দের মধ্যেই নাচতেছিল কিশোরী। তবে হঠাৎ করেই নাচতে নাচতে পড়ে গেল সেই কিশোরী। তবে শুধু পড়েই যায়নি, নাচতে নাচতে মৃত্যুর কোলে পড়ে গেল সেই কিশোরী।

Posted by AIR Group Bangladesh on Wednesday, 28 November 2018

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মোটরসাইকেলে ট্রাকের ধাক্কায় দুই শিক্ষক নিহত

দেশের খবর: বাগেরহাটের মোল্লাহাটে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই স্কুলশিক্ষক নিহত হয়েছেন। বুধবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে মোল্লাহাট উপজেলার জয়ডিহি কাহালপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে বাগেরহাট-মাওয়া মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই স্কুলশিক্ষক মারা যান।

নিহত শিক্ষক দুজন হলেন মোল্লাহাট উপজেলার সরোসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম দুলাল (৪৫) ও একই উপজেলার সরোসপুর দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বাহারুল আলম মোল্লা (৪৩)। তাঁদের বাড়ি সরোসপুর গ্রামে।

মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী গোলাম কবির বলেন, মোল্লাহাট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে বাড়ি ফিরছিলেন দুই শিক্ষক। গোপালগঞ্জ থেকে খুলনাগামী একটি ট্রাক মহাসড়কের ওই এলাকায় পৌঁছে একটি মোটরসাইকেলকে পেছন থেকে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে দুই মোটরসাইকেল আরোহী আহত হন। চালক ট্রাক নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যান। স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পুলিশ বলছে, ট্রাকটিকে শনাক্ত করতে কাজ চলছে। লাশ ময়নাতদন্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক: সিরাজগঞ্জে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া। এ সময় আহত হয়েছেন আরও অত্যন্ত দুই জন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ নভেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের সয়দাবাদ এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত চালকরা হলেন- বগুড়ার শিবগঞ্জের আরিফ হোসেন (২২) এবং যশোহরের মনিরামপুরের মোরশেদুল ইসলাম (২৮)।

আহতরা হলেন- বগুড়ার শিবগঞ্জের উথুলীদাস পাড়া গ্রামের শক্তি মোহন্তের ছেলে উজ্জল মোহন্ত (৩৫) ও যশোহরের মনিরামপুরের মদনপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন (৪০)। তাদেরকে সিরাজগঞ্জ আড়াই’শ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মো: আবদুল হামিদ জানান, বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে উত্তরবঙ্গ থেকে একটি রডবাহী ট্রাক ঢাকায় যাচ্ছিল। পথে ওই এলাকায় বিপরীতমুখী একটি ট্রাকের সঙ্গে রডবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই জনের মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার ওসি সৈয়দ সহিদ আলম বলেন, রাতে উত্তরাঞ্চল থেকে ধান বোঝাই ট্রাকটি ঢাকা যাওয়ার সময় বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ সড়কের সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা অপর একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই উভয় ট্রাকের চালক নিহত এবং হেলপাররা আহত হন।

পুলিশ ও দমকল বাহিনীর সদস্যরা হতাহতদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠায় বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অবৈধভাবে চাকরি করছেন বিজেএমসির তিন উপদেষ্টা!

দেশের খবর: বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) তিন উপদেষ্টাকে নিয়ে জটিলতা অনেক দিনের। প্রায় দুই বছর তাঁরা উপদেষ্টা হিসেবে চাকরি করছেন। কোনো প্রকার নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে এই তিন উপদেষ্টা চাকরি করছেন বলে জানা গেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জনপ্রসাশন মন্ত্রণালয় তিন উপদেষ্টার চাকরি ‘বৈধ নয়’ বলে মত দিয়েছে। পাশাপাশি তিন উপদেষ্টা বেতন হিসেবে যে টাকা নিয়েছেন তা বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়কে আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাবেক অতিরিক্ত সচিব এ কে নজমুজ্জামান (উৎপাদন ও পাট), যুগ্ম সচিব সিরাজুল ইসলাম (বিপণন) এবং যুগ্ম সচিব বাবুল চন্দ্র রায় (গবেষণা ও মান নিয়ন্ত্রণ) ডেপুটেশনে বিজেএমসির উল্লিখিত বিভাগগুলোতে পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ কে নজমুজ্জামান ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, সিরাজুল ইসলাম ২০১৬ সালের ২৬ ডিসেম্বর এবং বাবুল চন্দ্র রায় ২০১৭ সালের ১০ জানুয়ারি অবসরে যান। অবসরের তারিখ থেকে হিসাব করে পরবর্তী এক বছর তাঁরা পিআরএলে থাকার কথা। পিআরএলে থাকা অবস্থায় সরকারের সব সুযোগ-সুবিধা তাঁরা ভোগ করবেন—এটাই নিয়ম। তবে ‘উন্নতির ধারা অব্যাহত রাখার স্বার্থে’ পাবলিক সার্ভেন্টস রিটায়ারমেন্ট অ্যাক্ট, ১৯৭৪ অনুযায়ী পিআরএলে যাওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য তাঁদেরকে পরিচালক পদের বিপরীতে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিজেএমসি, যা পুরোপুরি অবৈধ বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

আইন অমান্য করে, রাষ্ট্রপতি, জনপ্রসাশন ও আইন মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া না মেনে এই তিনজনকে এক দিনের মধ্যে নিয়োগ দেয় বিজেএমসি। ৮০ হাজার টাকা বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দিয়ে তাঁদেরকে ২০১৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পরপরই তাঁরা বিজেএমসিতে চাকরি শুরু করেন। তবে বিজেএমসিতে নতুন চাকরি শুরু করলেও তাঁরা পিআরএলে থাকাকালে আগের পদের বিপরীতে সরকারি অর্থ গ্রহণ করেছেন। অর্থাৎ একই সঙ্গে দুই বেতনে এক চাকরি করেন তাঁরা। আইনত যা অবৈধ। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্প্রতি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে তিন কর্মকর্তার নিয়োগকে অবৈধ বলে জানিয়েছে। পাশাপাশি তাঁরা যে টাকা বেতন হিসেবে গ্রহণ করেছেন তা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বলেছে, পিআরএল ভোগরত অতিরিক্ত সচিব এ কে নজমুজ্জামান, যুগ্ম সচিব সিরাজুল ইসলাম এবং যুগ্ম সচিব বাবুল চন্দ্র রায় বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের গণকর্মচারী (অবসর) আইন ১৯৭৪-এর ৫ ধারা মতে দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে সম্মানী গ্রহণ এবং উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগকে বৈধ বলে গণ্য করার সুযোগ নেই।

এ অবস্থায় উল্লিখিত কর্মকর্তাদের সম্মানী ভাতা হিসেবে কী পরিমাণ অর্থ দেওয়া হয়েছে তা হিসাব করে আদায় করে সরকারি খাতে জমা দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে বলা হয়েছে।
চিঠির অনুলিপি বিজেএমসিকেও পাঠানো হয়েছে। চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করে বিজেএমসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহেদ সবুর বলেন, ‘জনপ্রসাশনের চিঠি আমরা পেয়েছি। তবে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নিয়ে আমাদেরকে জানাবে। কিন্তু এখনো এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা পাইনি।’

তিনি আরো বলেন, ‘তাঁরা যে প্রক্রিয়ায় নিয়োগ পেয়েছেন সেটা পুরোপুরি অবৈধ। কারণ নিয়োগের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নিয়ম মানা হয়নি। বিজেএমসির বোর্ড তাঁদের আর প্রয়োজন নেই মনে করছে।’

বিজেএমসি তিন উপদেষ্টাকে নিয়োগ দিলেও এখন মনে করছে তাঁদের আর প্রয়োজন নেই। এ কারণে দুই বছরের চুক্তি শেষ হওয়ার আগেই চলতি বছরের আগস্ট মাসের ১৬ তারিখে বিজেএমসি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠায়। বিজেএমসির সাবেক চেয়ারম্যান ড. মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়, ‘উপদেষ্টা হিসেবে ওই তিন কর্মকর্তাকে বিজেএমসিতে আর রাখার প্রয়োজন না থাকায় চুক্তি বাতিল করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে চুক্তির শর্ত মোতাবেক মেয়াদ শেষ হওয়ার এক মাস আগে তাঁদেরকে নোটিশ দেওয়ার প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে।’ যদিও বিজেএমসির সাবেক চেয়ারম্যান ড. মাহমুদুলের সময়েই নিয়োগটি দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ফয়জুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘জনপ্রশাসনের চিঠি আমরা পেয়েছি। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। কাজ শেষ হলে আমরা বিজেএমসিকে এ বিষয়ে নির্দেশনা পাঠাব।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest