সর্বশেষ সংবাদ-
প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভা

মানুষকে ভোটাধিকার বঞ্চিত করার পায়তারা চলছে: ড. কামাল

দেশের খবর: দেশের মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার পায়তারা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন। শুক্রবার বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে সাতদফা দাবিতে ঐক্যফ্রন্টের বিভাগীয় সমাবেশে মোবাইলে এ মন্তব্য করেন তিনি। অসুস্থতার কারণে সমাবেশে ঢাকা থেকে রাজশাহী আসতে পারেননি ড. কামাল হোসেন। ফলে তিনি মোবাইলে বক্তব্য দেন।
সমাবেশে আসতে না পেরে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমরা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছিলাম। দ্বিতীয়বার সংলাপে গিয়ে নির্বাচনের তফসিল পেছানোর দাবি করেছিলাম, কিন্তু আমাদের দাবি উপেক্ষা করে, তড়িঘড়ি করে, সংবিধান পরিপন্থিভাবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এতে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে না।

সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, আগামী নির্বাচনে জনজোয়ারে আওয়ামী লীগের নৌকা ভেসে যাবে। আমরা সন্ত্রাস ও সংঘাত এড়ানোর জন্য সমঝোতার পথ বেছে নিয়েছিলাম। গত দশ বছর ধরে দেশে গণতন্ত্রের সংকট, বিচার বিভাগের সংকট ও আইনের শাসনের সংকট চলছে। মৌলিক অধিকার হারিয়েছে দেশের জনগণ। আমরা এগুলো ফিরিয়ে দিতে চেয়েছিলাম। এনিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দুই দফা সংলাপে বসেছিলাম। আমরা সাত দফা দাবি উত্থাপন করেছিলাম। কিন্তু সেই সংলাপ সফল হয়নি। কারণ স্বৈরাচারী সরকার ক্ষমতা ছাড়তে চায় না।’ এবার ৫ জানুয়ারির মত নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আব্দুর রব বলেন, সংলাপে গিয়েছিলাম, দেশ-জাতিকে বাঁচাতে চেয়েছিলাম। বলছি সংঘর্ষে যাবেন না। আমরা নির্বাচনে আসতে চাই, নির্বাচনে আসতে চাই। খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন, নেতাকর্মীদের মুক্তি দিন। সংলাপে দাবি করেছিলাম, সংসদ বাতিল করেন, আপনি পদত্যাগ করেন। সংসদ ভেঙ্গে দেন। কিন্তু তিনি শুনলেন না। তড়িঘড়ি করে তফসিল ঘোষণা করে দিলেন। আমরা যাতে নির্বাচনে যেতে না পারি। দেশের ৯০ শতাংশ ভোটারকে বাদ দিয়ে সাত দফা না মেনে দেশে নির্বাচন হতে পারে না। যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য আন্দোলন করেছিলেন সেটা কি সংবিধানে ছিল। আজকে বলছেন, তফসিল ঘোষণার পরে আন্দোলন বেআইনি। যখন বিরোধী দলে ছিলেন তখন বেআইনি ছিল না। এসব তালবাহানা করে পার পাবেন না। দাবি মানতে হবে।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বলেন, যতদিন বেঁচে থাকবো বঙ্গবন্ধুকে হৃদয়ে ধরে বেঁচে থাকবো। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আর জিয়াউর রহমানের মদ্যে দ্বন্দ্ব করে যারা দেশকে লুটে পুটে খাচ্ছে। আল্লাহ যদি আমাকে সময় দেয়, তাহলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আর জিয়াউর রহমানের দ্বন্দ্ব আমি মিটিয়ে ছাড়বো ইনশাল্লাহ। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া ২০১৫ সালে লাগাতার হরতাল দিয়েছিলেন, আমি উনাকে হরতাল প্রত্যাখ্যান করতে অনুরোধ করেছিলাম, কিন্তু তিনি হরতাল প্রত্যাখ্যান করতে পারেন নাই। এর আগে শেখ হাসিনাকে বলেছিলাম আলোচনায় বসুন, বসেননি। এবার আলোচনায় বসেছেন। যেদিন আলোচনায় বসেছেন সেদিনই আপনাদের বিজয় হয়েছে। আপনারা কি শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় দেখতে চান। বাংলাদেশের রাজনীতি মানেই বেগম খালেদা জিয়া, তাকে বন্দি রাখা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, বিএনপি প্রথম রাজাকারের গাড়িতে পতাকা দেয়নি। শেখ হাসিনা রাজাকারের গাড়িতে প্রথম পতাকা দিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় সিনিয়র আইনজীবী এড. শহীদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি: জেলা আইনজীবী সমিতির একাধিকবার নির্বাচিত সাবেক সহ-সভাপতি, সিনিয়র আইনজীবী এড. মো. শহীদুল্লাহ (২) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকালে শহরের উত্তর পলাশপোলস্থ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের পর শুক্রবার বিকেলে তাকে একটি নাশকতার মামলার আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এড. শহীদুল্লাহ’র স্ত্রী আঞ্জুমান আরা জানান ‘বৃহস্পতিবার বেলা ৩টা ২৭ মিনিটের সময় কয়েকজন পুলিশ তার বাড়িতে যায়। এড. শহীদুল্লাহ তখন বাড়িতে ঘুমাচ্ছিলেন। পুলিশ এ সময় ঘুম থেকে তাকে ডেকে তুলে বলেন, ওসি স্যার আপনাকে সালাম দিয়েছে। আমাদের সাথে আপনাকে থানায় যেতে হবে। পরে তাকে থানায় আনা হয়। তার স্ত্রী আরও জানায়, এড. শহীদুল্লাহ হার্ট, কিডনী ও হাই প্রেসারের রোগী। সম্প্রতি তার হার্টে বাইপাস সার্জারী করা হয়েছে। তিনি প্রচন্ড অসুস্থ। থানায় সারারাত তাকে বসিয়ে রাখার হয়। পরের দিন শুক্রবার সকালে থানায় গিয়ে জানতে পারেন, তার স্বামীকে নাশকতার একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং শুক্রবার বিকালে আদালতের মাধ্যমে সাতক্ষীরা জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সাতক্ষীরার পুরাতন আইনজীবী সমিতির জায়গা-জমি দখর নিয়ে পুলিশের সাথে আইনজীবীদের একটি বিরোধ রয়েছে। এনিয়ে আদালতে মামলাও চলছে। ওই মামলার স্বাক্ষী আমার স্বামী এড. শহীদুল্লাহ। আর এ কারণেই তাকে আটক করে তার নামে নাশকতার মিথ্যে মামলা দেওয়া হয়েছে। একই কারণে কিছুদিন আগে আরও একটি মামলা দেওয়া হয়েছে তার নামে। ওই মামলায় তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিনে আছেন’।
এব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এড. শহীদুল্লাহ (২) নামে সাতক্ষীরা সদর থানায় নাশকতার মামলা রয়েছে। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জন্মদিনে মিমের দুই খবর

বিনোদনের খবর: আজ বিদ্যা সিনহা সাহা মিমের জন্মদিন। প্রতিবারের মতো এবারও ঘরোয়া পরিবেশে পালন করবেন দিনটি। এবারের জন্মদিনে দুটি স্পেশাল খবর জানা গেল মিমের। একটি দিলেন অভিনেত্রী নিজে, অন্যটি দিলেন তাঁর মা ছবি সাহা

বিয়ের কেনাকাটা শুরু!
জন্মদিনে মেয়েকে কী গিফট দেবেন? জানতে চাইলে ছবি সাহা জানালেন খুশির খবর, ‘[ফিসফিস করে] মিম পাশে আছে। দাঁড়ান, একটু দূরে যাই।’ এরপর, ‘অনেক দিন থেকে মিমের ইচ্ছা পায়ে সোনার নূপুর পরবে। কিন্তু আমাদের হিন্দু সমাজে সোনার নূপুর পরাটা ভালোভাবে দেখা হয় না। আমি সব সময় মিমের ইচ্ছার প্রাধান্য দিয়েছি। এবারের জন্মদিনে ওর জন্য সোনার একটি নূপুর কিনেছি। কিনেছি একটি সোনার টিকলিও। অবশ্য এর কারণও আছে। আগামী বছরই মিমকে বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাই আগে থেকে কেনাকাটা শুরু করেছি। নূপুর আর টিকলি মিমের বিয়ের প্রথম কেনাকাটা।’

তাহলে কে হতে যাচ্ছেন মিমের বর? ‘এখনই সব বললে তো হয়ে গেল। আর কিছুদিন যাক না! মেয়েকে তো আর চুরি করে বিয়ে দেব না। অবশ্যই সবাই জানবে।’

টালিগঞ্জে নতুন ছবি
গতকাল গাজীপুরে ‘সাপলুডু’ ছবির শুটিংয়ের ফাঁকে মিম জানালেন, ডিসেম্বরে কলকাতা যাবেন। সেখানকার লোকাল প্রডাকশনের একটি ছবিতে অভিনয়ের কথা চূড়ান্ত, শুধু সাইনিং বাকি। ভারতে এর আগে ‘ব্ল্যাক’, ‘ইয়েতি অভিযান’ ও ‘সুলতান’ ছবিগুলোতে দেখা গেছে মিমকে। প্রতিটিই ছিল বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনার। অবশ্য ‘ইয়েতি অভিযান’ ও ‘সুলতান’-এর শুটিং শুরু হয় যৌথ প্রযোজনার ছবি হিসেবে, বাংলাদেশে যৌথ প্রযোজনার নীতিমালা বদলে যাওয়ায় পরে ছবি দুটির মালিকানা হয় ভারতের। পরে আমদানি করে এনে দেশে প্রদর্শিত হয় ছবি দুটি। সে হিসেবে এবারই প্রথম খাঁটি ভারতীয় ছবিতে অভিনয় করবেন মিম। ভীষণ খুশি এই অভিনেত্রী, “অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল কলকাতার একক প্রযোজনায় কাজ করব। অনেক প্রস্তাবও ছিল। বিশেষ করে ‘ইয়েতি অভিযান’ করার সময় বেশ কয়েকটি ছবির প্রস্তাব পেয়েছিলাম। কিন্তু শিডিউলের টানাপড়েনে করতে পারিনি। এবার অপেক্ষার পালা শেষ হতে যাচ্ছে। সেখানকার নতুন এক পরিচালকের ছবি এটি। ভারত থেকে ফিরেই ছবি, পরিচালক ও নায়কের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে জানাব।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রার্থীর ব্যয়সীমা ২৫ লাখ টাকা

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারপ্রতি সর্বোচ্চ ব্যয় ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে একজন প্রার্থীর সর্বোচ্চ ব্যয় ২৫ লাখ টাকা বহাল রাখা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের এই সিদ্ধান্ত অনুসারে সর্বোচ্চসংখ্যক ভোটার রয়েছে এমন আসনের প্রার্থীরা ভোটারপ্রতি ব্যয় করতে পারবেন মাত্র তিন টাকা ৩৪ পয়সা।

ইসির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আরপিওর ৪৪বি(৩) অনুযায়ী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় ভোটারপ্রতি নির্বাচনী ব্যয় ১০ টাকা নির্ধারণ করা হলো। তবে শর্ত হলো যে ওই নির্বাচনী এলাকার ব্যয় সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকার বেশি হবে না। এর আগে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারপ্রতি ব্যয় ধরা হয়েছিল আট টাকা।

কমিশন সূত্র জানিয়েছে, দ্রব্যমূল্যসহ দেশের সার্বিক ব্যবস্থা বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশন ভোটারপ্রতি সর্বোচ্চ ব্যয় নির্ধারণ করে থাকে।

এদিকে গত ১ আগস্ট পর্যন্ত ইসির হালনাগাদ তথ্য অনুসারে দেশে মোট ভোটারসংখ্যা ১০ কোটি ৪১ লাখ ৯০ হাজার ৪৮০। এর মধ্যে পুরুষ পাঁচ কোটি ২৫ লাখ ৪৭ হাজার ৩২৯ জন এবং নারী পাঁচ কোটি ১৬ লাখ ৪৩ হাজার ১৫১ জন। সবচেয়ে বেশি পাঁচ লাখ থেকে সাত লাখের ওপরে ভোটার রয়েছে ১২টি আসনে। এর মধ্যে ঢাকা-১৯ (চারটি ইউনিয়ন বাদে সাভার উপজেলা) আসনে ভোটার সাত লাখ ৪৭ হাজার ৩০১ জন এবং গাজীপুর-২ আসনে সাত লাখ ৪৫ হাজার ৮৪১ জন। আর সর্বনিম্ন দুই লাখের নিচে ভোটার রয়েছে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া উপজেলা, এক লাখ ৭৮ হাজার ৭৮৫ জন), লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ উপজেলা, এক লাখ ৯৬ হাজার ৪২৮ জন) এবং পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া উপজেলা, এক লাখ ৮৯ হাজার ৭৬৩ জন)। ঢাকা-১৯ আসনের ভোটারদের জন্য সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা ব্যয় হলে ভোটার প্রতি ব্যয় করা যাবে তিন টাকা ৩৪ পয়সা। আবার কম ভোটার থাকার পরও ঝালকাঠি-১ আসনের প্রার্থী ১৭ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫০ টাকার বেশি ব্যয় করতে পারবেন না।

রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ: এদিকে ইসির পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সারা দেশের ৬৪টি জেলার জেলা প্রশাসকদের রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি এলাকার কিছু আসনে স্থানীয় বিভাগীয় কমিশনারকে রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা জেলার ২০টি আসনের মধ্যে ৪ থেকে ১৮ নম্বর আসনে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার। আর ১ থেকে ৩, ১৯ ও ২০ নম্বর আসনে এই দায়িত্ব পালন করবেন ঢাকার জেলা প্রশাসক। চট্টগ্রামে ৪, ৫, ৮, ৯, ১০ ও ১১ নম্বর আসনে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার এবং বাকি আসনগুলোতে জেলা প্রশাসক রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন।

সহকারী রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া ব্যক্তির সংখ্যা ৫৮০-র মতো। তাঁদের বেশির ভাগই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এ ছাড়া কয়েকজন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকেও এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ইসি সচিব জানান, প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা প্রচারে নামতে পারবেন। এর আগ পর্যন্ত কোনো প্রার্থী বা রাজনৈতিক দল নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারবেন না। এ বিষয়ে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কাছে গতকাল চিঠি পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বলিউডে অভিনয়ের সুযোগ পেলেন ৫ যৌনকর্মী!

বিনোদন সংবাদ: গল্পের সুবাদে চরিত্রকে ফুঁটিয়ে তুলতে অনেক সময় অচেনা কোনো নারী কিংবা পুরুষকে অভিনয়ের সুযোগ করে দিতে হয় পরিচালকদের। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ৫ যৌনকর্মীকে অভিনয়ের সুযোগ দেওয়া হলো বলিউডের একটি ছবিতে। নবীন পরিচালক সৌম্যদীপ ঘোষ চৌধুরী তাঁর জীবনের প্রথম ফিচার ছবি ‘দ্য ওপেন সিক্রেট’-এ চেষ্টা করেছেন যৌনপল্লির কাহিনী রূপালি পর্দায় তুলে ধরতে। এক সময়ে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরিচালনায় এসেও ছবির গল্পে খুঁজে দেখেছেন বাস্তব দুনিয়ার ছবিকে।

তাঁর ছবির কাহিনি আবর্তিত হয়েছে ৪ তরুণ-তরুণীকে নিয়ে। তারা ফিল্মের ছাত্র। কলকাতার যৌন কর্মীদের নিয়ে একটি ডকুমেন্টরি করতে চায় তারা। আর সেই ডকুমেন্টরির শ্যুটিং করতে সোজা হাজির হয়ে যায় যৌনপল্লিতে। মুখোমুখি হয় এত দিন অদেখা ভয়ঙ্কর নিষ্ঠুর পৃথিবীর। নিজেদের এত দিনের সমস্ত মূল্যবোধ যেন ভেঙেচুরে যেতে থাকে। সমাজের বুকের মধ্যে লুকিয়ে থাকা ভণ্ডামিকে প্রত্যক্ষ করে তারা।

সৌম্যদীপ জানাচ্ছেন, ‘‘এই ছবিতে তরুণ অভিনেতাদের পাশাপাশি ৫ জন যৌনকর্মীও অভিনয় করেছেন। আসলে তো ‘অভিনয়’ নয়। নিজেদের সত্যি জীবনের বেদনাময় অভিজ্ঞতাই তাঁরা তুলে ধরেছেন ছবিতে।’’

মনিকা মোহনত প্রযোজিত এই হিন্দি ছবি এবারের কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে মনোনয়ন পেয়েছে। সে বিষয়ে বলতে গিয়ে ছবির কাস্টিং ডিরেক্টর শাহির রাজ জানালেন, এ জন্য তাঁরা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞ। টেকনিক্যাল সমস্যায় ছবির প্রদর্শন আচমকাই বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। অরিন্দম শীল নিজে বিষয়টি দেখার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দেন। পরে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সরাসরি হস্তক্ষেপে সমস্যা মিটে যায়।

ছবির শ্যুটিংয়ের কথা বলতে গিয়ে সৌম্যদীপ জানাচ্ছেন, ‘‘ছবির শ্যুটিংয়ে আসা এক যৌনকর্মীর কথা। যিনি বলছিলেন, ভালবাসাই পারে সমস্ত কিছুকে ঠিক করে রাখতে। সকলেরই উচিত একে অপরের সঙ্গে ভালাবাসায় জড়িয়ে থাকা।’’

কেবল ‘শরীর, শরীর’ নয়, এই অন্ধকার দুনিয়ার মানবীদেরও যে ‘মন’ রয়েছে সেটাই যেন ছবির পরতে পরতে ধরতে চেয়েছেন তিনি। ছবির বাকি ‘সিক্রেট’ জানতে যে ছবিটি দেখতেই হবে, সে কথা মনে করিয়ে দিচ্ছেন সৌম্যদীপ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে জিয়ার তুলনা করে গালি খেলেন কাদের সিদ্দিকী

দেশের খবর: সাধারণ মানুষের মুখে ‘গাদ্দার-বেইমান’ গালাগাল শুনলেন একাত্তরের রণাঙ্গনের যোদ্ধা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী। মানুষ বলে ওঠে, ‘আপনারে সম্মান করতাম। এখন করিনা। বঙ্গবন্ধুকে জিয়ার সঙ্গে তুলনা করেন ক্যান? বঙ্গবন্ধু আর জিয়া এক না?

রাজশাহীতে ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ শেষে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন তার গাড়ি বহর নিয়ে। তার গাড়ি বহরে ৫টি গাড়ি ছিল। তার গাড়ি ছিল সবার সামনে। সমাবেশ থেকে ফেরার পরে কুমারপাড়া রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে দিয়ে যাবার সময় ‘গাদ্দার-বেইমান’ শব্দ শুনতে পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে আসেন তিনি। তার গাড়ি বহরের লোকজন তার পাশে অবস্থান নেন। তাদের মাথায় লাল গামছা বাঁধা ছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গাড়ি বহর থামিয়ে নেমে আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে নেতা-কর্মীদের কাছে গিয়ে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘কে গালি দিয়েছে আমাকে। আমি বঙ্গবন্ধুর যোদ্ধা।’ এসময় উপস্থিত সাধারণ মানুষ কাদের সিদ্দিকীকে উদ্দেশ্য করে ফের বলেন, ‘আপনি একটা বেইমান, দালাল। আপনি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর তুলনা করেছেন। আপনাকে আমরা সম্মান করতাম এখন ঘৃণা করি।’

এসময় কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে থাকা লোকজনকে কোমরে হাত দিতে দেখা যায়। তবে সেখানে কর্মরত পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রত্যক্ষদর্শী মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মহমুদ হাসান রাজিব বলেন, সমাবেশ থেকে ফেরার পথে কাদের সিদ্দিকী আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে নেতাকর্মীদের দেখে গাড়ি থামিয়ে উস্কানিমূলক কথাবার্তা বলেন। এসময় সাধারণ মানুষ তার প্রতিবাদ করেন। তিনি উত্তেজিত হয়ে তার কমোরে থাকা পিস্তল বের করার চেষ্টা করলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমাদের কিছু ছেলে গালাগালি করছিল। লোক জড়ো হয়েছিল। পরে আমরা চলে এসেছি। আমি সারাজীবন দেশের জন্য কাজ করেছি। বঙ্গবন্ধুকেই বাংলাদেশ মনে করি, ভালোবাসি। আমাকে গালি দেয়া মানে বঙ্গবন্ধুকে গালি দেয়া। বঙ্গবন্ধুকে জিয়াউর রহমানের সাথে এক করিনি। বঙ্গবন্ধু দেশের নেতা, জাতির পিতা। আমরা তার সন্তান। দুই রহমানকে দ্বিখণ্ডিত করে যারা ফয়দা লুটে, আমি তাদের দুরত্বটা কমিয়ে দিতে চেয়েছি সমাবেশে আমার বক্তব্যে।’

উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেলে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনসভায় কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আর জিয়াউর রহমানের যে দ্বন্দ্ব, এই দ্বন্দ্ব পুঁজি করে যারা দেশকে লুটেপুটে খাচ্ছে, আল্লাহ যদি আমাকে দুই বছর সময় দেয়-তাহলে শেখ মুজিব আর জিয়াউর রহমানের দ্বন্দ্ব আমি ঘুচিয়ে দেব ইনশাল্লাহ।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচন নিয়ে ২০ দলীয় জোটের সিদ্ধান্ত আজ

দেশের খবর: তফসিল ঘোষণার পর নড়েচড়ে বসেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোট। ৭ দফা পূরণ ছাড়াই নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা, সেই প্রশ্নে উভয় জোটের নেতাদের মধ্যে চলছে নানা বিশ্লেষণ। তফসিল ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার রাতেই ২০ দলীয় জোটের বৈঠক হয়েছে। বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির বৈঠকও হয়েছে। উভয় বৈঠক থেকে নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষে বিভক্ত মত উঠে আসে।
এখন পর্যন্ত নেয়া মতামতে ২০ দলের ১০টি শরিক দল নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক মতামত দিয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্যও একই মত ব্যক্ত করেছেন। নির্বাচনে যাওয়ার বিপক্ষের অংশটি মনে করছে, আন্দোলনের বিকল্প নেই। আর পক্ষের অংশটি মনে করছে, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আন্দোলনের কৌশলও বাস্তবায়ন করা যাবে। এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে আজ বিকাল ৫টায় বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও সন্ধ্যায় ২০ দলীয় জোট গুলশানে পুনরায় বৈঠকে বসছে।

একই ইস্যুতে রাতে ড. কামাল হোসেনের বেইলি রোডের বাসায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টেরও বৈঠক আছে। বিএনপি, ২০ দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মতামত নিয়ে আগামীকাল রোববার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে কারাগারে দেখা করতে পারেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া লন্ডনে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গেও আরেক দফা কথা বলবেন বিএনপির দায়িত্বপ্রাপ্তরা। সব আলোচনা শেষে দু-এক দিনের মধ্যেই আসবে নির্বাচনে অংশ নেয়া না নেয়া সংক্রান্ত ঘোষণা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, বিএনপি এবং ২০ দলীয় জোট সূত্র জানিয়েছে, ঘোষিত তফসিলে নির্বাচনে অংশ নেয়া এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে কী কী প্রতিবন্ধকতা আছে, তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে বিএনপির থিংক ট্যাংক বা বিশেষজ্ঞ মহলে। উভয় জোটের পক্ষ থেকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম। তফসিল ঘোষণার পরও বিভিন্ন জেলায় বেশ কয়েকজন নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রাজশাহীতে জনসভায় যোগ দিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বাস চলাচলে বিঘ্ন ঘটানো হয়েছে। ওই সমাবেশকে কেন্দ্র করে মহড়া দিয়েছেন সরকারদলীয় নেতাকর্মীরা। এছাড়া গত কয়েক দিনে ২২ শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নেতাকর্মীরা বাসায় ঘুমানো দূরের কথা, এলাকায়ও থাকতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনে গেলে প্রচার-প্রচারণা করাও সম্ভব হবে না। ফলে নির্বাচনে যাওয়াটা ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। এমন পরিস্থিতিতে কী করণীয়, সেসব বিশ্লেষণ শেষেই আসবে নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে উভয় জোটের ঘোষণা।

জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার বৈঠকে নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বৈঠকে ভালো-মন্দ বিশ্লেষণ হয়েছে। কী করা উচিত, কী করা উচিত না- এসব নিয়ে সবাই মতামত দিয়েছেন।

তিনি বলেন, বৈঠকে কেউ কেউ বলেছেন, সরকার তো তার জায়গা থেকে একটুকুও সরছে না। কিন্তু নির্বাচন করতে গেলে এখন আমরা অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন পাব না। নেতাকর্মী গ্রেফতার এখনও অব্যাহত রেখেছে। নির্বাচনে গিয়ে সরকারকে বৈধতা দেয়া হবে। আবার কেউ বলেছেন, নির্বাচন না করলে দলের আরও ক্ষতি হতে পারে। তবে এ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। শুধু আলোচনা হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে।

বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনে অংশ নিতে হলে জোটগতভাবে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রয়োজন আছে। কেননা, জোটগতভাবে প্রার্থী দিতে হলে তিন দিনের মধ্যে তা জানাতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। তাই আজকের উভয় জোটের বৈঠকে এ বিষয়টিও আলোচনায় আসবে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেছেন, জোটগতভাবে নির্বাচন করতে চাইলে তিন দিনের মধ্যে কমিশনকে জানাতে হবে। আজই দলগুলোকে এ বিষয়ে চিঠি দেয়া হবে।

তিনি বলেন, কোনো অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সদস্য যদি নিবন্ধিত কোনো দলের হয়ে বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে চান, তাহলে সেটি সম্ভব। এ অবস্থায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ও ২০ দলীয় জোটের আজকের বৈঠকটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন উভয় জোটের নেতারা।

বৃহস্পতিবার গুলশান কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের বৈঠকে নির্বাচন নিয়ে শরিক দলগুলোর মধ্যে ১১টি দলের মতামত নেয়া হয়। সূত্র জানায়, এর মধ্যে ১০টি শরিক দল নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষে মত দেয়। যদিও তারা আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেয়া উচিত বলে মনে করছে। সেখানে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ বাকি ৯ দল তাদের মতামত জানানোর আগেই জোটের বৈঠক মুলতবি করা হয়। আজ সন্ধ্যা ৭টায় বৈঠকটি গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

জোটের অন্যতম শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ বলেন, আমাদের সাত দফা দাবি ছিল। এর কোনোটিই প্রধানমন্ত্রী মানেননি। সরকারের যদি সুষ্ঠু নির্বাচনের সদিচ্ছা থাকত, তাহলে তারা দাবিগুলো মেনে নিত। কিন্তু এখন পর্যন্ত একদফা দাবিও মানা হয়নি। শুধু তা-ই নয়, সংলাপের পর আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য দেয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। তা-ও তিনি দেননি।

তিনি যদি তার বক্তব্যে ৭ দফা দাবির মৌলিক কিছু বিষয় মেনে নেন, তাহলে নির্বাচনে যাওয়ার পথ সুগম হতো। ড. রেদোয়ান বলেন, তারা ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করবে, সেটা অপর পক্ষের জন্য সমান সুযোগ নয়। ২০ দলীয় জোট নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিপক্ষে নয়। কিন্তু নির্বাচনের তফসিল যদি পরিবর্তন করা হয়, খালেদা জিয়ার মুক্তি দেয়া হয়, ধরপাকড় বন্ধ ও ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়, তাহলে নির্বাচনের পথ সৃষ্টি হতে পারে।

জোটের শরিক ন্যাশনাল পিপলস পার্টি-এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ বলেন, নির্বাচনে যাওয়া উচিত। নির্বাচন একটি আন্দোলনের অংশ। তাই অবশ্যই আমরা যাব। এ সরকার মিথ্যা মামলায় খালেদা জিয়াকে আটকে রেখেছে। তাকে জামিন দিচ্ছে না। আমরা আন্দোলন ও নির্বাচনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব।

নির্বাচনে না গেলে আমাদের কর্মী ধরে রাখা যাবে না। সরকার আরেকটি ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মতো ভোট করবে। সরকার চাচ্ছে না ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে আসুক। এজন্য যা যা করা দরকার, তা তারা করছে। যদি নির্বাচনে না যাই, তাহলে সরকারের ফাঁদে পা দেয়া হবে।

আরেক শরিক দল বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, সরকার একটি পাতানো নির্বাচন করতে চায়। এজন্য একটি আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন দিয়ে তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। দেশের গণতন্ত্রকামী কোনো রাজনৈতিক দল এ তফসিলকে স্বাগত জানায়নি। সুতরাং এ তফসিলে বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হবে না। নতুন করে তফসিল দিতে হবে। তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই নির্বাচনে যেতে চাই। তার আগে দাবিগুলো মানতে হবে।

সূত্র জানায়, জোটের বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও অধিকাংশ সদস্য আন্দোলনের কৌশল হিসেবে নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে মত দেন।

তারা বলেন, আন্দোলন ও নির্বাচন একই সঙ্গে চালিয়ে যেতে হবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আন্দোলনের কৌশলও বাস্তবায়ন করা যাবে। তবে কয়েকজন নীতি-নির্ধারক আন্দোলনের পক্ষে মত দেন। তারা বলেন, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে রাজপথের আন্দোলনে যাওয়া উচিত। বর্তমান অবস্থায় নির্বাচনে যাওয়া ঠিক হ?বে না জানি?য়ে তারা বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা কয়েক মাস ধরে নির্বাচনী প্রচার চালালেও বিএনপির প্রার্থীরা এলাকায় যেতে পারছেন না। তারা নিজেদের কার্যালয়েও যেতে পারেন না। দলের তৃণমূল পর্যন্ত মামলার পাহাড়।

এ অবস্থায় তারা নির্বাচনের কার্যক্রম চালাতে পারবেন না। আবার খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া নির্বাচনে গেলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের বাধার সম্মুখীনও হতে পারি। এ অবস্থায় শুধু নির্বাচনকে বৈধতা দেয়ার জন্য অংশগ্রহণ কোনোক্রমেই ঠিক হবে না। তবে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। নীতি-নির্ধারকদের মতামত নিয়ে একটি সারসংক্ষেপ করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, স্থায়ী কমিটির করা সারসংক্ষেপ লন্ডনে থাকা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে এরই মধ্যে পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে তিনি দলের বেশ কয়েকজন নীতি-নির্ধারকের সঙ্গে কথা বলেছেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নীতি-নির্ধারকদের জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলের মতামতকে প্রাধান্য দিতে বলেছেন। তাদের মতামত পেলে তিনি এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দেবেন বলে বিএনপি সূত্রে জানা গেছে। সূত্র: যুগান্তর

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুবকের পুরুষাঙ্গ কেটে নিলেন গৃহবধূ!

ভিন্ন রকমের খবর: ঘটনাটি ভারতের ওড়িশার হরিচন্দনপুরের। আক্রান্ত যুবকের নাম রাজেন্দ্র নায়েক। বুধবার রাতে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনায় অভিযোগের তীর এক গৃহবধূর দিকে।

সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার রাতে অফিস থেকে ফিরে ওই মহিলার বাড়ি যান রাজেন্দ্র। সেখানে রাজেন্দ্র অন্য এক মহিলার সঙ্গে ফোনে কথা বলতে থাকেন, যা দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে যান ওই গৃহবধূ। অভিযোগ, এর পরেই রাজেন্দ্রকে জোর করে মদ্যপান করান ওই মহিলা। তার পরেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গোপনাঙ্গ কেটে দেন ওই বধূ।

এর পরেই আর্তনাদ শুরু করেন রাজেন্দ্র। চিৎকার শুনে এলাকাবাসীরা এসে তাকে উদ্ধার করেন। হাসপাতালে আপাতত স্থিতিশীল রয়েছেন রাজেন্দ্র। পুলিশের কাছে রাজেন্দ্র ওই মহিলাকে নিজের বন্ধু বলেই পরিচয় দিয়েছেন। ওই মহিলাকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। ঠিক কী কারণে ওই মহিলা এমন নৃশংস আচরণ করলেন, তা-ও জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest