সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

ভাড়াসিমলায় এমপি রুহুল হকের পক্ষে সাইকেল র‌্যালি

নিজস্ব প্রতিবেদক : কালিগঞ্জের ভাড়াসিমলা ইউনিয়নে শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন প্রচার করতে একটা বিশাল সাইকেল র‌্যালি বিভিন্ন ওয়ার্ড ও গ্রাম প্রদক্ষিণ করে। এমপি রুহুল হকের পক্ষে শনিবার বিকাল ৩ টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাইসাইকেল র‌্যালিটি ভাড়াশিমলা ইউনিয়ন মোড়ে এসে পরবর্তীতে একটি পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়।
নাজমুল হাসান নাঈমের সভাপতিত্বে আরও ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, ভাড়াসিমলা ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুল আলীম, নলতা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সাইফুল, নলতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফি সুজন, সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন, রাজু, জহুরুল ইসলাম জফু সহ প্রমুখ।
এ পথসভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনার হাতধরে বাংলাদেশ এখন সারাবিশ্বের বিস্ময়। যুবসমাজই হবে আগামী দিনের দিনবদলের হাতিয়ার, এখনই সময় শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার। জননেত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা দূত হিসেবে সাতক্ষীরায় অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক এমপি স্যারকে পাঠিয়েছেন। রুহুল হক স্যারের হাতকে শক্তিশালী করতে আমরা বদ্ধপরিকর।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা বধির কল্যাণ সংস্থার সাথে আসাদুজ্জামান বাবু’র মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা বধির কল্যাণ সংস্থার সাথে সদর উপজেলা চেয়ারম্যানের মতবিনিময় ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার রাত ৮টায় বিনেরপোতা গোপীনাথপুরস্থ সংস্থার নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, সংস্থার সভাপতি রমেশ বিশ্বাস। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ রোকনুজ্জামান, লাবসা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম ও সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সুভাষ হালদার। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, সমাজসেবক মনিরুজ্জামান টিটু।
প্রধান অতিথি বলেন, প্রতিবন্ধীরা যে সমাজের বোঝা নয় সেটি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মানুষকে বোঝাতে পেরেছে। বিশেষ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করে তাদের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। তার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় প্রতিবন্ধীরা আজ সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখছে। প্রতিবন্ধীদের বিভিন্নমূখি প্রতিভা আছে। তাদের শক্তি ও সাহস জোগাতে পারলে তারা আরো ভালো করবে। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার মানবতার সরকার। উন্নয়নের সরকার। জননেত্রী শেখ হাসিনা মানবতার নেত্রী। সেই মহান নেত্রী আবারো রাষ্ট্রক্ষমতায় আনতে সকলকে একযোগে নৌকায় ভোট দেওয়ার আহবান জানান। এছাড়া তিনি প্রতিবন্ধীদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আনুলিয়ায় এমপি রুহুল হকের পক্ষে মা সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়ায় এমপি রুহুল হকের পক্ষে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে আনুলিয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মির্জাপুর গ্রামে অনুষ্ঠিত সমাবেশ সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি সদস্য সাহাবুদ্দীন। আনুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটনের আয়োজনে মা সমাবেশে মায়েদের পাশাপাশি অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শওকত হোসেন, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আহসান বাবু, ছাত্রলীগ নেতা আছাদুল, সাদ্দাম, তরুন লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক সহ প্রমুখ।
মা সমাবেশে চেয়ারম্যান লিটন বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য, সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা: আ ফ ম রুহুল হক এমপির জন্য আজ আমরা সাতক্ষীরা জেলাতে মেডিকেল কলেজ হয়েছে। নলতায় প্যারা-মেডিকেল, চাম্পাফুল ও দরগাহপুরে ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতাল পেয়েছি। সারা দেশে কমিউনিটি ক্লিনিক গুলোকে সচল করে প্রত্যেকর মাঝে বিনামূল্যে ঔষধ সরবরাহ করছেন সরকার। একাধিক স্কুল-কলেজকে সরকারি করণ ও বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন, সাতক্ষীরা ও আশাশুনিতে বাইপাস সড়ক পেয়েছি, ৫২ টি সাইক্লোন শেল্টার পেয়েছে, অসংখ্য ব্রীজ- কালভার্ট, শত শত কিলোমিটার কার্পেটিং রাস্তা পেয়েছি। আপনাদের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার বিনামূল্যে লেখা-পড়ার সুযোগ করে দিয়েছেন, বৃদ্ধ ভাতা, বিধবা ভাতা, বিনামূল্যে ১০ কেজি চাউল সহ অসংখ্যা সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছেন। তাই আবারও নৌকায় ভোট দিয়ে রুহুল হকের হাতকে শক্তিশালী করে তাকে আমরা সংসদে পাঠাবো। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি হরেন্দ্র দেবনাথ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধুলিহরে আসাদুজ্জামান বাবুর নির্বাচনী গণসংযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ধুলিহর ইউনিয়নের মানুষে মাঝে স্মাটকার্ড বিতরণ পরিদর্শন ও নির্বাচনী গণসংযোগ করেছেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু। শনিবার দুপুরে ধুলিহর ইউনিয়নের ভোটারদের মধ্যে স্মাটকার্ড বিতরণ পরিদর্শন করেন এবং আগামী সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে নির্বাচনী গণসংযোগ করেন। পরিদর্শনকালে সাথে ছিলেন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গণেশ চন্দ্র মন্ডল, ধুলিহর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবুসহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। এসময় তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা শুধু ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখাননি। তা বাস্তবায়ন করেছেন। এখন প্রত্যান্ত অঞ্চলের মানুষও ঘরে বসে দেশ বিদেশের মানুষের খবর জানতে পারে। ঘরে বসেই বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারে। দেশ এখন উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে। রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন হয়েছে। স্বাস্থ্য,চিকিৎসা ও শিক্ষা বিভাগ আধুনিকায় হয়েছে। দেশের এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আবারো জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা আনার আহ্বান জানান এবং নির্বাচনী লিফলেট বিতরণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মায়ের কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় আইয়ুব বাচ্চু

অনলাইন ডেস্ক: কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার বাদ আসর চট্টগ্রাম জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদ মাঠে হাজার হাজার মানুষের ঢলে আইয়ুব বাচ্চুর শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজা শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে চৈতন্যগলি কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হন রুপালী গিটারের এ যাদুকর।
অগণিত ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীর অংশগ্রহণে পুরো জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদ ময়দান পরিণত হয় জনসমুদ্রে। মাঠ ছাড়িয়ে পাশের সড়কেও সাধারণ মানুষ অবস্থান নেন। আশপাশের বিভিন্ন ভবনের উপরে জড়ো হন নারী ও শিশুরা। বিপুল সংখ্যক মানুষের ঢল সামলাতে হিমশিম খেতে হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের।

জানাজায় ইমামতি করেন জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদের খতিব অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ আবু তালেব মো. আলাউদ্দিন।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল মান্নান, পুলিশ কমিশনার মাহবুবুর রহমান, নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, নগর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান ও যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু। জানাজায় আইয়ুব বাচ্চুর পিতা মোহাম্মদ ইছহাকও অংশ নেন।

এরআগে শনিবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ইউএস বাংলার বিএস১০৩-এর একটি ফ্লাইটে শাহ আমানত বিমানবন্দরে পৌঁছায় আইয়ুব বাচ্চুর মরদেহ।
আইয়ুব বাচ্চুর মরদেহ প্রথমে সড়কপথে নেয়ার কথা থাকলেও পরে ওই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয় বলে জানান আইয়ুব বাচ্চুর ব্যান্ড এলআরবির ব্যবস্থাপক শামীম আহমেদ।
শুক্রবার তৃতীয় জানাজা শেষে ব্যান্ড সংগীতের এ কিংবদন্তির মরদেহ স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে না ফেরার দেশে চলে যান আইয়ুব বাচ্চু। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তার মরদেহ রাখা হয় সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য।
শুক্রবার বাদ জুমা জাতীয় ঈদগাহে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে দ্বিতীয় জানাজা হয় তার গানের স্টুডিও মগবাজারে ‘এবি কিচেন’ এর সামনে। এরপর তৃতীয় জানাজা হয় চ্যানেল আই কার্যালয়ের সামনে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশে সচ্ছল পরিবারেও পুষ্টিহীনতা বড় সমস্যা

দেশের খবর: আয় দারিদ্রের হার কমে আসলেও পুষ্টিহীনতা বাংলাদেশে এখনও বড় সমস্যা। অনেক সচ্ছল পরিবারেও অপুষ্ট শিশু বেড়ে উঠছে। বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে পুষ্টিসমৃদ্ধ বা খাদ্য নিরাপত্তা রয়েছে এমন পরিবারগুলোতে ৫৫ ভাগ ছেলে এবং ৪৭ ভাগ মেয়ে অপুষ্টিতে ভুগছে। ‘পভার্টি এন্ড শেয়ার্ড প্রসপারিটি ২০১৮: পাইসিং টুগেদার দ্য পভার্টি পাজল’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এমনটি উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ১৫ দশমিক ২০ শতাংশে নেমে এসেছে। ফলে ২ কোটি ৪৪ লাখ মানুষ এখন দারিদ্র্য সীমার নিচে রয়েছে। বাংলাদেশের মতো উচ্চ দারিদ্র্য হারের অনেক দেশ নিজেদের অর্থনীতির আকার বাড়িয়ে নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্যের হার ১০ শতাংশের ঘরে নেমে আসে। চলতি বছরের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ৮ দশমিক ৬০ শতাংশে নেমে আসবে বলে ধারণা দেয়া হয়েছিল সংস্থাটির পক্ষ থেকে। তবে এ লক্ষ্য পূরণ হচ্ছে না। কারণ বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য হ্রাসের গতি কমে এসেছে। এজন্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক। বিশেষ করে আফ্রিকায় সাহারা অঞ্চলে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। প্রতিবেদন প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ পরিচালক ক্যারোলিনা সানচেজ-প্যারামো উল্লেখ করেন আফ্রিকার দারিদ্র্য হ্রাস করতে আমাদের আরো দৃষ্টি দিতে হবে। বিনিয়োগ বাড়াতে হবে যাতে করে উন্নয়ন অন্তর্ভুক্তিমূলক হয় এবং দরিদ্র মানুষের উত্পাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। মূলত দৈনিক ১ দশমিক ৯০ ডলার আয়ের নিচে রয়েছে এমন মানুষদের দরিদ্র হিসেবে গণ্য করে বিশ্বব্যাংক। সে হিসাবে ২০১৩ সাল থেকে পরবর্তী দুই বছরে বিশ্বে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা কমেছে ৬ কোটি ৮৩ লাখ। এ সময়ে বিশ্বে ৮০ কোটি ৪২ লাখ থেকে কমে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ কোটি ৫৯ লাখে। দক্ষিণ এশিয়ায় দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ২৭ কোটি ৪৫ লাখ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ২১ কোটি ৬৪ লাখে। দুই বছরে দারিদ্র্য জয় করা মানুষের ৮৫ শতাংশের বেশি দক্ষিণ এশিয়ায়।

প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বিশ্বের অর্ধেকের বেশি দরিদ্র মানুষের বসবাস আফ্রিকার সাহার অঞ্চলে। অঞ্চলটির ৪১ দশমিক ১০ শতাংশ মানুষ এখনও দরিদ্র। সংখ্যার হিসাবে এর পরিমাণ ৪১ কোটি ৩৩ লাখ। ২০৩০ সালে বিশ্বের প্রতি ১০ জন অতিদরিদ্র মানুষের ৯ জনেরই আবাসস্থল হবে এ অঞ্চলে। মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় সাম্প্রতিক সময়ে দারিদ্র্যের হার অনেক বেড়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করেন, গত ২৫ বছরে শতকোটির বেশি মানুষ অতি দারিদ্র্যের বাধা অতিক্রম করেছে। বিশ্বে এখন চরম দরিদ্র মানুষের সংখ্যা অতীতের যে কোনো সময়ের চাইতে কম। বর্তমান প্রজন্মের জন্য এটা অনেক বড় অর্জন। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য দূর করতে হলে আমাদের আরো অনেক বেশি বিনিয়োগ করতে হবে। মানবসম্পদ উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

বিশ্বব্যাংক নতুন হিসাব করে দেখিয়েছে যে, বিশ্বে বর্তমানে অর্ধেকের বেশি মানুষ দৈনিক সাড়ে ৫ ডলারের নিচে আয় করছে। ২০১৫ সালের হিসাবে বিশ্বের এক-চতুর্থাংশ মানুষ দৈনিক গড়ে ৩ দশমিক ২০ ডলারের নিচে আয় করতো। যে কোনো দেশের অবস্থার উন্নতির সাথে সাথে তাদের চাহিদারও পরিবর্তন ঘটে। উহাদরণ হিসেবে বলা হয়েছে, দরিদ্র দেশে একটি মানুষ চাকরি নেবার জন্য তার পোশাক এবং খাদ্যের নিশ্চয়তা চায়। কিন্তু ধনী দেশের এই চাহিদা আরেটু বেড়ে ইন্টারনেট সুবিধা, যাতায়াত ব্যবস্থা এবং মোবাইল ব্যবহারের সুবিধা দাবি করে। সেজন্য দরিদ্র হিসাবে যদি আয়ের স্তর উপরে উঠানো হয়, সেক্ষেত্রে বিশ্বে দরিদ্র্য মানুষের সংখ্যা অনেক বেড়ে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে শিশুর ছবি কাঁদাচ্ছে সবাইকে

অনলাইন ডেস্ক: মায়ের কোল সন্তানের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল। নিজের সবটুকু দিয়ে একজন মা তার সন্তানকে লালন-পালন করেন। তবে সেই মা-ই যখন সন্তানের মৃত্যুর কারণ হয় তখন অনেক প্রশ্নই উঁকি দেয় সবার মনে।
শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরে এমনই এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। মাত্র চারদিন বয়সী নিজের সন্তানকে পাঁচতলা বিশিষ্ট একটি বেসরকারি ক্লিনিকের ছাদ থেকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে হত্যা করেছে তার মা সীমা আক্তার।
সীমা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ফুলচং গ্রামের মনির মিয়ার স্ত্রী। মনির লেবানন প্রবাসী। গত এক বছর আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়।
মা-সন্তানের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউই। সীমার এমন পাষণ্ডের মতো আচরণের কারণ খুঁজছে পুলিশও। তাদের ধারণা স্বামীর ওপর সীমার অভিমান এ ঘটনার মূল কারণ হতে পারে।

এদিকে ঘটনার পর ফেসবুকে সীমার শিশু সন্তানের একটি ছবি ভাইরাল হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন গ্রুপের মাধ্যমে ছবিটি ছড়িয়ে পড়েছে সবখানে। ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে- হাসপাতালের সামনের সড়কে পড়ে আছে শিশুটির নিথর দেহ। প্রাণহীন ওই শিশুর দেহ ঘিরে উৎসুক জনতা। হৃদয় বিদারক ওই ছবি দাগ কেটেছে সবার মনে। ছবিটি যেন কাঁদাচ্ছে গোটা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মানুষকে। অনেকেই শিশুটির ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে আবেগাপ্লুত হচ্ছেন।
মনিরুজ্জামান পলাশ নামে এক সংবাদকর্মী শিশুটির ছবি দিয়ে লিখেছেন, আজ যে শিশুর থাকার কথা ছিল পরম আদরে, বাবা-মায়ের মান-অভিমান তাকে নিয়ে গেল লাশকাটা ঘরে।

প্রকাশ দাস নামে আরেকজন লিখেছেন, জীবন চলার টাকা নামক কাগজের কাছে পরাজিত নবজাতকের মরদেহ। নিশ্চুপ, নিস্তব্ধ, নিথর। যেখানে সকল শব্দেরাই ইতি টানলো। জীবনের কাছে কতটাই না অসহায় আত্মসমর্পণ ছিল সেই মায়ের, যে মা তার চার দিনের নবজাতককে বহুতল ভবন থেকে ফেলে দিয়ে মৃত্যুর কোলে ঠেলে দিল। পরে নিজেও সেই ভবন থেকে ঝাঁপ দিয়ে জীবনের শেষ অধ্যায়ের রচনা করে গেল। পেছনে রেখে গেল নানা প্রশ্নের ঝুলি।
পলাশ ও প্রকাশের মতো আরও অনেকেই ফেসবুকে শিশুটির ছবি নিয়ে আবেগঘন পোস্ট দিচ্ছেন।
মা-সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় সদর মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। এখনো এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন হয়নি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রেজাউল কবির বলেন, ধারণা করা হচ্ছে স্বামীর সঙ্গে অভিমান করেই সীমা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। সীমার মা রেহানা বেগমও এ বিষয়ে কিছু বলতে পারছেন না। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি।

এর আগে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পৌরশহরের পুরাতন জেল রোডস্থ দি ল্যাব এইড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও স্পেশালাইজড হাসপাতালের ছাদ থেকে নিজের শিশু সন্তানকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে হত্যা করেন সীমা। পরে তিনি নিজেও লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেন। গত ১৬ অক্টোবর প্রসব বেদনা নিয়ে ল্যাব এইড হাসপাতালের পার্শ্ববর্তী লাইফ কেয়ার শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন সীমা। এদিন রাতেই সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ছেলে সন্তান প্রসব করেন। শুক্রবার সকালে সীমা ও তার সন্তানের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার কথা ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শত বছরের সেরা পেসার পাকিস্তানের আব্বাস

খেলার খবর: মাত্র কয়েকদিন আগেই ভারতের বিপক্ষে টানা তিন ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়ে একটা রেকর্ড গড়েছিলেন ক্যারিবীয় পেসার এবং অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। এক পঞ্জিকা বর্ষে মাত্র ১১.৮৭ গড়ে ৩৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। যা গত একশত বছরের টেস্ট ইতিহাসে সেরা গড়।

কিন্তু পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মদ আব্বাস যে রেকর্ড গড়লেন, সেটার মাহাত্ম্য আরও বেশি। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসকেই যেন ওল্ট পালট করে দিয়েছে। শত বছরের ইতিহাসে সেরা পেসারের তকমাটা এক সিরিজ দিয়েই নিজের নামের পাশে সেঁটে নিলেন পাকিস্তানি এই পেসার।

মাত্র ১০.৫৮ গড়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে নিলেন ১৭ উইকেট। এই গড়টাই আব্বাসকে তুলে দিয়েছে অনন্য উচ্চতায়। শতবছরের সেরার আসনে বসিয়ে দিলো তাকে। আবু ধাবি টেস্টে আব্বাসের আগুনেই তো পুড়ে ছাই হয়ে গেলো অসি ব্যাটিং লাইনআপ। যে কারণে, ৩৭৩ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে পাকিস্তান। নিজেদের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে যা পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় জয়।

পেসার মোহাম্মদ আব্বাস এক টেস্ট দিয়েই গড়ে ফেলেছেন অনেকগুলো রেকর্ড। যার মধ্যে অন্যতম এবং সবচেয়ে সেরা হলো, গত ১০০ বছরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এত সেরা গড় নিয়ে আর কেউ বোলিং করতে পারেনি। আব্বাসের আগে ১৯৮৫ সালে ইংল্যান্ডের রিচার্ড এলিসন সর্বোচ্চ গড় নিয়ে বোলিং করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। সেই গড় ছিল ১০.৮৮। উইকেট নিয়েছিলেন ১৭টি।

১৯৮৫ সালে স্যার রিচার্ড হ্যাডলিও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১২.১৫ গড়ে বোলিং করে উইকেট নিয়েছিলেন ৩৩টি। ওই সিরিজটি ছিল ৩ ম্যাচের। এক ইনিংসে ৫২ রান দিয়ে ৯ উইকেট নেয়ার রেকর্ডও ছিল হ্যাডলির।

শুধুমাত্র অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই নয়, টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বশেষ ১০০ বছরে সেরা গড়ধারী বোলার এখন মোহাম্মদ আব্বাস। ৫০ প্লাস উইকেট নেয়া বোলারদের মধ্যে শত বছরে সেরা গড় পাকিস্তানি এই পেসারের। মাত্র ১৫.৬৪ করে। আব্বাস পেছনে ফেলেছেন অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তি হার্বাট আয়রনমঙ্গারকে।

যিনি ১৯৭১ সালেই পৃথিবী ছেড়ে পাড়ি জমিয়েছেন পরকালের পথে। ১৭.৯৭ গড়ে ১১২ উইকেট নিয়ে এতদিন সবার ওপরে ছিলেন তিনি। এবার মোহাম্মদ আব্বাস তাকেও পেছনে ফেলে দিয়েছেন। ইংল্যান্ডের ফ্রাঙ্ক টাইসনের গড় ছিল ১৭.০৭ করে। ১৯৫৪ সাল থেকে ১৯৫৯ পর্যন্ত খেলে তিনি উইকেট নিয়েছিলেন ৬১টি। ২০১৫ সালে মারা যান টাইসন।

তবে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে (প্রায় ১৪২ বছরের) মোহাম্মদ আব্বাস কিন্তু শীর্ষে নন। তিনি রয়েছেন সেরা চারে। ১৮৮৬ থেকে ১৮৯৬ সাল পর্যন্ত খেলা ইংল্যান্ডের পেসার জর্জ লোহম্যানের গড় ছিল ১০.৭৫ করে। অস্ট্রেলিয়ার জন জেমস ফেরিসের গড় ছিল ১২.৭০ করে। ১৮৮৭ থেকে ১৮৯২ পর্যন্ত খেলেছিলেন তিনি। ইংল্যান্ডের পেসার উইলিয়াম বার্নেস ৫১ উইকেট নিয়েছেন ১৫.৫৪ গড়ে। ১৮৮০থেকে খেলেছেন ১৮৯০ পর্যন্ত। তিনি মারা যান ১৮৯৯ সালে।

পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যেও রেকর্ড গড়েন মোহাম্মদ আব্বাস। পাকিস্তানের হয়ে কোনো সিরিজে ১৫ কিংবা তার বেশি উইকেট নেয়া বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ গড় একন আব্বাসের। তার আগে সেরা গড় ছিল মোহাম্মদ আসিফের, ১০.৭৬। ২০০৬ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এই রেকর্ড তৈরি করেছিলেন তিনি। ওয়াকার ইউনুসের ছিল ১০.৮৬। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৯৯০-৯১ সালে এই রেকর্ড গড়েন তিনি।

২০০৬ সালের পর এই প্রথম কোনো পাকিস্তানি বোলার এক টেস্টে ১০ উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব দেখালো। ২০০৬ সালে সর্বশেষ ক্যান্ডিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১০ উইকেট নিয়েছিলেন মোহাম্মদ আসিফ। গত ১০ বছরে পাকিস্তানের হয়ে সেরা ১০টি বোলিং রেকর্ডের মধ্যে ৫টিই হচ্ছে মোহাম্মদ আব্বাস কিংবা মোহাম্মদ আসিফের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest