সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির হেমায়েত স্থায়ী বহিষ্কারসাতক্ষীরায় পৌরসভার বিল্ডিং কোড অমান্য করে জোরপূর্বক ভবন নির্মাণের অভিযোগবাড়িতেই মজুত ছিল নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশ : র‌্যাবের অভিযানে ধরাসাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানসাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভাসাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে টুটুলকে ঘিরে তৃণমূলে তৎপরতাসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনীসাতক্ষীরায় টেপা মাছ খেয়ে একই পরিবারের ৫ জন অসুস্থ : ব্যবসায়ীর মৃত্যুডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

এবার কৃত্রিম চাঁদ বানাতে চলেছে চীন!

অনলাইন ডেস্ক: রাতের আকাশ আলোকিত করতে কৃত্রিম চাঁদ বানাতে চলেছে চীন। দেশটির একটি শহরে উৎক্ষেপণ করার পর ওই চাঁদ আকাশ থেকে চারপাশের প্রায় ৫০ কিলোমিটার এলাকা আলোকিত করবে। চীনের সংবাদমাধ্যম চায়না ডেইলীর এক প্রতিবেদেনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২০২০ সালে তথাকথিত আলোকসজ্জা বিষয়ক উপগ্রহ অর্থাৎ সেই চাঁদটি শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় চেংগদু শহরে উৎক্ষেপণের কথা রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ওই অঞ্চলের ওপরে নিক্ষেপ করা এই উপগ্রহটি সত্যিকারের চাঁদের চেয়ে আটগুণ বেশি আলো দিবে।
উপগ্রহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই প্রকল্পের কিছু কিছু তথ্য প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হচ্ছে, ফ্রান্সের একজন শিল্পীর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েই এ প্রকল্প হাতে নিয়েছেন তারা। ওই শিল্পী ওপর থেকে পৃথিবীতে আয়নার একটি নেকলেস ঝুলিয়ে দেয়ার কথা প্রথম কল্পনা করেছিলেন।
চেংগদু অ্যারোস্পেস সায়েন্স অ্যাণ্ড টেকনোলোজি মাইক্রো-ইলেক্ট্রনিক্স সিস্টেম রিসার্স ইন্সটিটিউট কোম্পানি লিমিেটের প্রধান উ চুংফেন্ড ১০ অক্টোবর কৃত্রিম চাঁদ নামের এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রথম জনসম্মুখে প্রকাশ করেন।
এমন চাঁদের ব্যাপারে উ চুংফেন্ডকে সংশয়ের কথা জানালে তিনি বলেন, আমরা অনেক বছর ধরে এটির উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। আর বর্তমানে আমরা এ ব্যাপারে আশাবাদী যে ২০২০ সালের মধ্যে আমরা এটিকে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করতে পারবো।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে রাশিয়া রাতের আকাশে এমন একটা কিছু উৎক্ষেপণ করার চেষ্টা করেছিলো যা চাঁদের পর সবচেয়ে আলোকিত কিছু বলে জানানো হয়েছিল তাদের পক্ষ থেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক: নাম জিজ্ঞেস করতেই হাত দিয়ে ইশারা করে খেতে চাইল ৭৫ এর কাছাকাছি বয়সী রোগাক্রান্ত প্রবীণ এই নারী। রাতে কিছু খেয়েছে কিনা জানি না। তবে হাতের ইশারা দিয়ে বোঝাতে চায় বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত কিছুই খাওয়া হয়নি তার । প্রবীণ এই নারী শারীরিক অসুস্থতার কারণে ভালভাবে কথা বলতে পারেনা। হাতের ইশারায় সব কিছু বোঝানোর চেষ্টা করেন তিনি। জানি না কার মা কে রেখে গেছে, আর কে তাকে খাওয়াবে! নাম পরিচয় ভালোভাবে বলতে পারে না এমনি এক হতভাগ্য প্রবীণ নারীর অবশেষে ঠাই হলো মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার আরিচা ঘাটের পুরাতন ট্রাক টার্মিনালের পরিত্যক্ত ঘরের বারান্দায়।

ছানি পড়ায় চোখে কম দেখে, মুখে ঘা, জ্বরসহ শরীরে নানা সমস্যা নিয়ে টার্মিনালে ঘরের বারান্দায় সাতদিন ধরে শুয়ে আছে প্রবীণ এই নারী। কোথায় তার বাড়ি-ঘর, কোথায় তার ছেলে-মেয়ে, কোথায় তার স্বজন, কেবা রাখে তার খবর? মানুষের দেয়া মশারির মধ্যে শুয়ে থাকা এই নারীর সাথে কথা বলতে যায় এ প্রতিনিধি। সে কথা বলতে চায়, কিন্ত  দুর্বলতার কারণে তার মুখ দিয়ে বলা কথার শব্দ শোনা যায়না। তাই বোঝা যায় না তার কথা।

স্থানীয়রা জানান, এক সপ্তাহ আগে কে বা কারা আরিচা পুরাতন ট্রাক টার্মিনালের দক্ষিণ পাশের ঘরের বারান্দায় ফেলে রেখে যায় এই প্রবীণকে। হাঁটার কোনো শক্তি নেই যেখানে প্রাকৃতিক কাজ সারতেন সেখানেই থাকতেন তিনি। কেউ না কেউ তাকে এখানে রেখে গেছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।

এমতাবস্থায় নিহালপুর গ্রামের জবেদা বেগম নামের অপর এক নারীর মায়া হলে তিনি ওই প্রবীণকে রিকশায় করে টার্মিনালের উত্তর পাশের ঘরের বারান্দায় নিয়ে যান। তাদের সাধ্য অনুযায়ী সেবা করছেন। একটি মশারি কিনে দিয়েছেন স্থানীয় একজন। কেউ দিলে তার ভাগ্যে খাবার জোটে, না দিলে না খেয়ে থাকতে হয় তাকে। তাও আবার একা হাত দিয়ে খেতে পারে না। দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে ওই প্রবীণ নারী। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে আরো রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ছেন তিনি।

আরিচা পুরাতন ট্রাক টার্মিনালের সুইপার আব্দুর রহমান বলেন, ‘৭দিন আগে টার্মিনালে এসে ওই প্রবীণ নারীকে ঘিরে লোকজনের ভিড় দেখতে পাই। কে বা কারা তাকে এখানে রেখে গেছে বলতে পারি না। আমি দু’দিন খাবারও দিয়েছি তাকে। তখন তিনি একটু একটু কথা বলতে পারতো। কিন্ত হাঁটতে পারতো না। তার নাকি ছেলে-মেয়ে সবই আছে।’

নিহালপুর গ্রামের জবেদা বেগম জানান, ‘কয়েকদিন আগে টার্মিনালের দক্ষিণ পাশের ঘরের বারান্দায় যেখানে প্রাকৃতিক কাজ সারতেন সেখানেই শুয়ে থাকতে দেখা যায় তাকে। এমতাবস্থায় তাকে দেখ-ভাল করার জন্য রিকশায় করে টার্মিনালের উত্তর পাশের ঘরের বারান্দায় নিয়ে আসি আমি। ওই ঘরটি আমার বাড়ির কাছে। তাকে গোসল করিয়ে পোশাক পরিয়ে এখানে রাখা হয়। কাঁথা-বালিশের ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছে।’

একই গ্রামের সুলতানা বেগম বলেন, আমি ওই প্রবীণের কাছ থেকে শুনেছি তার ১ ছেলে, নাম মসুর আলী, স্বামীর নাম মকছেদ আলী, বাড়ি শিবালয় উপজেলার জাফরগঞ্জ গ্রামে। কে তাকে এখানে রেখে গেছে জিজ্ঞেস করলে একবার ছেলের কথা বলে, আবার বলে আমার কপাল। কোনো কিছুই ভালভাবে বলতে পারেনা সে। বর্তমানে সে অসুস্থ্য তাকে চিকিৎসা করানো দরকার। আমরা গরিব মানুষ, যা খাই, তা নয় দিলাম। কিন্ত চিকিৎসা করাবো কিভাবে? তাকে চিকিৎসা এবং সহযোগীতা করার জন্য সংশ্লিষ্টসহ সমাজের হৃদয়বান ব্যাক্তিদেরকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

এ ব্যাপারে শিবালয় মডেল ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ডের সদস্য রফিকুল ইসলাম বলেন, যদিও নিহালপুর এলাকাটি তার এলাকার মধ্যে নয়। তারপরও মানবিক কারণে তার সাধ্য আনুযায়ী ওই প্রবীণকে সহযোগীতার করার আশ্বাস দেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফল বাতিল ও ঢাবি ভিসির পদত্যাগ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষার ফল বাতিল এবং ঢাবির উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ বৃহস্পতিবার বিকেলে ডাক ও রেজিস্ট্রিযোগে শিক্ষা সচিব ও ঢাবি উপাচার্যের প্রতি এই নোটিশ পাঠান। নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী ইউনুছ আলী নিজেই।

গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত হওয়া ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। যে অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবি করে ডিজিটাল জালিয়াতি হয়েছে। সমালোচনার মুখে পড়ে প্রথমে সোমবার এই পরীক্ষার ফল স্থগিত করা হয়। কিন্তু মঙ্গলবার ঠিকই ফল প্রকাশ করা হয়।
অপরদিকে ইউনিটটিতে নিকট অতীতে সর্বোচ্চ ফলাফল হয়েছে, যা ক্ষেত্রবিশেষে দুই থেকে তিনগুণ। ২৬ দশমিক ২১ শতাংশ শিক্ষার্থী এতে পাস করেছেন।

এমনকি ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় রেকর্ড নম্বর পেয়ে প্রথম হওয়া ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটে ফেল করেছিলেন। এই শিক্ষার্থীর নাম জিহাদ হাসান আকাশ। তিনি রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন। এ নিয়ে শুরু হয় আরও সমালোচনা। প্রশ্নফাঁসের সন্দেহ আরও বাড়ে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে ডানায় ভর করছে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক: যুদ্ধাস্ত্র তৈরিতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে ভারত। এবার সর্বাধুনিক মার্কিন যুদ্ধবিমান ‘এফ-১৬’ তৈরি হবে ভারতের মাটিতে। আগামী দুই বা তিন বছরের মধ্যে এ প্রজেক্ট শুরু হবে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।
এফ-১৬ এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিনের চিফ এক্সিকিউটিভ ফিলশ জানিয়েছেন, আগামী ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যেই ভারতের সঙ্গে পার্টনারশিপে বানানো হবে এই ফাইটার জেট।
তিনি বলেন, ভারতে মূলত এই বিমানের উইং বানানো হবে। ভারতের টাটা অ্যাডভান্স সিস্টেম লিমিটেডের সঙ্গে যৌথভাবে এই বিমানের উইংস বানানো হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় শেখ রাসেলের জন্মদিন পালন

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা, কেক কাটা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ সাতক্ষীরা পৌর শাখার আয়োজনে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালিত হয়। শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ পৌর শাখার সভাপতি মোঃ নুরুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মোঃ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু সায়ীদ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের জেলা শাখার সভাপতি রাশেদুজ্জামান রাশি, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক শেখ মনিরুল হোসেন মাসুম, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক লায়লা পারভীন সেজুতি, সাংগঠনিক সম্পাদক রওশন আরা রুবি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক সেলিম, সাংগঠনিক সম্পাদক সায়ীদ, উজ্জল, কুখরালী আমতলা আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক নূর মনোয়ার হোসেন, শুকুর মাহমুদ, শহীদুল ইসলাম, নজিবুল্লাহ। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আবার নিতে বলল ছাত্রলীগ

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা পুনরায় নেওয়া ও পরীক্ষা পদ্ধতি সংশোধনসহ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে চারটি দাবি জানিয়েছে ছাত্রলীগ। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্বচ্ছ, মানসম্পন্ন, মেধাভিত্তিক পরীক্ষার স্বার্থে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশিত আধুনিক, জ্ঞানভিত্তিক, গবেষণা-বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর আলোকে অনতিবিলম্বে গ্রহণযোগ্য সমাধানের দাবি জানাচ্ছে।

ছাত্রলীগের দাবিগুলো হচ্ছে—১. যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে পুনরায় ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া অথবা উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের নিয়ে বিশেষ পরীক্ষার মাধ্যমে ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে সুস্পষ্ট সিদ্ধান্তে আসা, ২. ডিজিটাল জালিয়াতি, প্রশ্নফাঁস বা যেকোনো ধরনের অসদুপায় অবলম্বনকারীর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া, ৩. সুস্পষ্ট তথ্য-প্রমাণ সাপেক্ষে জালিয়াতি বা অসদুপায়ের মাধ্যমে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ছাত্রত্ব বাতিল এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা, ৪. আধুনিক, যুগোপযোগী ও মানসম্পন্ন ভর্তি পরীক্ষার স্বার্থে শিক্ষাবিদ, বিশেষজ্ঞ, সিনেট, সিন্ডিকেট, অংশীজন এবং ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে পলিসি ডিবেটের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতির সংস্কার করা।

দাবির বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, আমাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। আমরা মনে করি ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ইস্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে এবং ভর্তি পরীক্ষা সংস্কারে সবার সঙ্গে কথা বলবে। তিনি বলেন, এই দাবির বিষয়ে অনশনরত শিক্ষার্থীর পাশেও আছে ছাত্রলীগ।

১২ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীন ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে এই অভিযোগের মধ্যেই গত মঙ্গলবার বিকেল তিনটার দিকে ঘ ইউনিটের ফল প্রকাশ করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আখতার হোসেন গত মঙ্গলবার ঘ ইউনিটের ফল ঘোষণার দিন দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনশন করছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটার দিকে অনশনরত আখতার হোসেন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংক্ষেপে আইয়ুব বাচ্চুর জীবন

বিনোদনের খবর: বাংলা সঙ্গীতজগতের অন্যতম ধ্রুবতারা আইয়ুব বাচ্চু জন্মগ্রহণ করেন ১৯৬২ সালের ১৬ অক্টোবর। চট্টগ্রামে জন্ম নেওয়া এই সঙ্গীতশিল্পী ভক্তদের কাছে এবি নামে পরিচিত। তাঁর পারিবারিক ডাকনাম রবিন।
চট্টগ্রামের সরকারি মুসলিম হাইস্কুলে আইয়ুব বাচ্চুর শিক্ষাজীবনের হাতেখড়ি হয়। তবে মাত্র ১৬ বছর বয়সেই ১৯৭৮ সালে যোগ দেন ব্যান্ড ফিলিংসে। শহীদ মাহমুদ জঙ্গির ‘হারানো বিকেলের গল্প’ গানে প্রথম কণ্ঠ দেন আইয়ুব বাচ্চু। এরপর ১৯৮০ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত জনপ্রিয় ব্যান্ড সোলসে গান গেয়েছেন তিনি।

সোলসে থাকার সময়ই ১৯৮৬ সালে তাঁর প্রথম একক অ্যালবাম ‘রক্তগোলাপ’ বের হয়। ১৯৮৯ সালে দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘ময়না’ মুক্তি পায়। ১৯৯০ সালের পর থেকেই নিজের ব্যান্ড গড়বেন বলে মনস্থির করেন আইয়ুব বাচ্চু। সেই সূত্রে ১৯৯১ সালের ৫ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে তাঁর ব্যান্ড ‘লিটল রিভার ব্যান্ডস’, সংক্ষেপে ‘এলআরবি’। পরে অবশ্য নাম পরিবর্তিত হয়: ‘লাভ রানস ব্লাইন্ড’, সংক্ষিপ্ত রূপ অবশ্য সেই এলআরবি-ই থাকে। এরপর তিনি হয়ে উঠতে থাকেন বাংলা ব্যান্ড সঙ্গীতের এক ইতিহাস। ধীরে ধীরে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন অনন্য উচ্চতায়। বাংলাদেশে প্রথম ডাবল অ্যালবাম এলআরবি-১ ও এলআরবি-২ ব্যাপক সাড়া জাগায় শ্রোতাদের মাঝে।

এরপর নিয়মিত প্রকাশ পেতে থাকে ‘সুখ’, ‘তবুও’, ‘ঘুমন্ত শহরে’, ‘স্বপ্ন’, ‘আমাদের বিস্ময়’, ‘মন চাইলে মন পাবে’, ‘অচেনা জীবন’, ‘মন আছে নাকি নাই’, স্পর্শের মতো অ্যালবাম। সুখ অ্যালবামের ‘সুখ’, ‘চলো বদলে যাই’, ‘রুপালি গিটার’, ‘গতকাল রাতে’ উল্লেখযোগ্য গান। ‘চলো বদলে যাই’ বাংলাদেশের সঙ্গীত জগতে অন্যতম জনপ্রিয় একটি গান। গানটির কথা লিখেছেন ও সুর করেছেন বাচ্চু নিজেই। ২০১২ সালে ব্যান্ডটির সর্বশেষ অ্যালবাম ‘যুদ্ধ’ বের হয়েছে। ব্যান্ডটির একমাত্র লাইভ অ্যালবাম ‘ফেরারী মন’ ১৯৯৬ সালে মুক্তি পায়।

সোলসে থাকার সময় দুটি একক অ্যালবামের কাজ হলেও নিজের ব্যান্ড তৈরির পর সেদিকে আবারো নজর দেন আইয়ুব বাচ্চু। ১৯৯৫ সালে চতুর্থ ব্যান্ড অ্যালবাম ‘ঘুমন্ত শহরে’র সঙ্গে তিনি বের করেন তৃতীয় একক অ্যালবাম ‘কষ্ট’। সর্বকালের সেরা একক অ্যালবামের একটি বলে অবিহিত করা হয় এটিকে। এই অ্যালবামের প্রায় সব গানই জনপ্রিয়তা পায়। বিশেষ করে ‘কষ্ট কাকে বলে’, ‘কষ্ট পেতে ভালোবাসি’, ‘অবাক হৃদয়’ ও ‘আমিও মানুষ’। তিনি বাংলা ছবিতেও প্লেব্যাক করেছেন। ‘অনন্ত প্রেম তুমি দাও আমাকে’ বাংলা ছবির অন্যতম একটি জনপ্রিয় গান। এটি তাঁর গাওয়া প্রথম চলচ্চিত্রের গান। ছবিটির নাম ছিল ‘লুটতরাজ’।

পরে প্রকাশ হওয়া জনপ্রিয় একক অ্যালবামগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘সময়’, ‘একা’, ‘প্রেম তুমি কি’, ‘দুটি মন’, ‘কাফেলা’, ‘প্রেম প্রেমের মতো’, ‘পথের গান’, ‘ভাটির গানে মাটির টানে’, ‘জীবন’, ‘সাউন্ড অব সাইলেন্স’, ‘রিমঝিম বৃষ্টি’, ‘বলিনি কখনো’ এবং সর্বশেষ ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয়েছে একক অ্যালবাম ‘জীবনের গল্প’। ‘সাউন্ড অব সাইলেন্স’ আইয়ুব বাচ্চুর একমাত্র যন্ত্রসঙ্গীতের অ্যালবাম।
ব্যক্তিগত জীবনে আইয়ুব বাচ্চু ফেরদৌস চন্দনাকে বিয়ে করেন। তাঁদের ঘরে জন্ম নেয় পুত্র ফাইরুজ ও কন্যা তাজওয়ার।

এবি কিচেন নামে আইয়ুব বাচ্চুর একটি ব্যক্তিগত রেকর্ডিং স্টুডিও রয়েছে। এই স্টুডিওতে নিজের জন্য ও অন্য জনপ্রিয় শিল্পীদের জন্য অনেক গান সুর ও সঙ্গীত আয়োজন করেছেন।
২০১২ সালের ২৭ নভেম্বর ফুসফুসে পানি জমে যাওয়ার কারণে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। তবে সুস্থ হয়ে আবার সঙ্গীতজগতে ফিরলেও হৃদরোগের সমস্যায় ভুগেছেন তিনি। ২০০৯ সালে হার্টে রিং পরাতে হয়েছে তাঁর। সর্বশেষ ১৬ অক্টোবর রংপুর জিলা স্কুলের মাঠে ‘শেকড়ের সন্ধানে’ শিরোনামের একটি অনুষ্ঠানে কনসার্টে অংশগ্রহণ করেন তিনি। ঢাকায় ফিরে আসার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন আইয়ুব বাচ্চু।
১৮ অক্টোবর মগবাজারে নিজ বাসভবন থেকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে হার্ট অ্যাটাকের কারণে বাংলা ব্যান্ড সঙ্গীতের এই মহাতারকার মৃত্যু হয়। বাংলা সঙ্গীতজগতে অপূরণীয় অভাব রেখে গেলেন আইয়ুব বাচ্চু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এমন হাস্যকর রান আউটও হয়!

এমন হাস্যকর রান আউটও হয়!

কর্তৃক daily satkhira

খেলার খবর: সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রথম টেস্ট নাটকীয়ভাবে ড্র হলেও দ্বিতীয় টেস্টে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছে পাকিস্তান। প্রথম ইনিংসে নাথান লায়নের বলে ২৮২ রানেই গুটিয়ে গিয়েছিল তারা। তবে অস্ট্রেলিয়াকে ১৪৫ রানে গুটিয়ে দিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে পাকিস্তান। দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করছে পাকিস্তান। সেই ইনিংসে হাস্যকরভাবে রান আউট হন আজহার আলী।

ইনিংসের ৫৩তম ওভারে স্ট্রাইকে ছিলেন আসাদ শফিক। পিটার সিডলের বলে ব্যাট চালান শফিক। তবে সেটি গালি অঞ্চল দিয়ে সীমানার দিকে চলে যেতে থাকে। বলে যথেষ্ট গতি থাকায় এবং সেখানে কোনো ফিল্ডার না থাকায় শফিক বলটিকে চার হিসেবে ধরে নেন। ফলে আজহার এবং শফিক দুজনে ক্রিজের মাঝখানে দাঁড়িয়ে কথা বলতে থাকেন। ঠিক তখনই মিশেল স্টার্ক ফিল্ডিং করে বল পাঠিয়ে দেন উইকেটরক্ষক অধিনায়ক টিম পেইনের কাছে। স্ট্রাইকিং প্রান্তের স্ট্যাম্প ভেঙে উল্লাসে মেতে ওঠে অস্ট্রেলিয়া দল। হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন ক্রিজের দুই ব্যাটসম্যান। পরে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে মাঠ থেকে বের হয়ে চলে আসেন নন-স্ট্রাইকিং প্রান্ত থেকে বের হয়ে যাওয়া আজহার আলী। এমন হাস্যকর ভুলের কারণে রান আউট হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও।
https://youtu.be/bMAGNbZ7f9s

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest