সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানসাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভাসাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে টুটুলকে ঘিরে তৃণমূলে তৎপরতাসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনীসাতক্ষীরায় টেপা মাছ খেয়ে একই পরিবারের ৫ জন অসুস্থ : ব্যবসায়ীর মৃত্যুডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনসাতক্ষীরায় পুকুরের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যুমানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

খাশোগির এক হত্যাকারী গাড়িচাপায় নিহত

বিদেশের খবর: সাংবাদিক জামাল খাশোগি ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেট থেকে নিখোঁজের ঘটনায় সম্পৃক্ত এক ঘাতককে গাড়িচাপায় হত্যা করা হয়েছে। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে গাড়িচাপা দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে খবর দিয়েছে তুর্কি দৈনিক ইয়ানি শাফাক।

খাশোগিকে হত্যার জন্য সৌদি আরব থেকে ১৫ সদস্যের যে দলটি তুরস্কে গিয়েছিলেন তার মধ্যে অন্যতম সদস্য ছিলেন মাল আল সাদ আল বাসতানি। তিনি সৌদি বিমানবাহিনীর লেফট্যানেন্ট।

ইয়ানি শাফাকের খবরে বলা হয়েছে, সাজানো সড়ক দুর্ঘটনায় মাল আল সাদ আল বাসতানিকে হত্যার মাধ্যমে খাশোগি হত্যার তথ্যপ্রমাণ মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে।

এছাড়া ঘাতক টিমের অন্য ১৪ সদস্যের মুখ চিরতরে বন্ধ রাখতে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পত্রিকাটি মন্তব্য করেছে।

পত্রিকাটি বলছে, গত ২ অক্টোবর বিশেষ বিমানে করে যে ১৫ জন ব্যক্তি সৌদি আরব থেকে ইস্তাম্বুলে এসেছিলেন তাদের মধ্যে সাদ আল বাসতানিও ছিলেন।

বাসতানি সেদিন কনস্যুলেট ভবনে না গিয়ে মাত্র কয়েক ঘণ্টা ইস্তাম্বুলের উইন্ডহাম গ্র্যান্ড হোটেলে অবস্থান করেন এবং হোটেল থেকে বের হয়েই তুরস্ক ত্যাগ করেন। ১৫ সদস্যের ঘাতক টিমে তার দায়িত্ব কী ছিল, তা স্পষ্ট নয়। তবে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে তিনি অবহিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমাদের সম্পর্কের গভীরতা বোঝাতে পারবো না: জেমস

শিল্প ও সংস্কৃতির খবর: কনসার্টে অংশ নিতে এখন বরগুনায় অবস্থান করছেন জেমস। আইয়ুব বাচ্চু আর নেই—সেখানেই খবরটা পান তিনি। বন্ধ করে দেন অনুষ্ঠানের সাউন্ডচেক আর প্র্যাকটিস পর্ব। বিমর্ষ হয়ে পড়েন। ঘটে হৃদয়ে রক্তক্ষরণ- জানান তার মুখপাত্র রুবাইয়াৎ ঠাকুর রবিন।

স্বাভাবিক, কারণ বাংলাদেশে রক ইতিহাসের দ্বৈরথ বলা হয় আইয়ুব বাচ্চু-জেমসকে। প্রায় তিন দশক তারা দুজনে মিলে শাসন করেছেন দুই বাংলার রক কিংবা ব্যান্ড সংগীত। দুজনার শুরুটাও চট্টগ্রাম থেকেই। চার দশকে একসঙ্গে অসংখ্য শো আর অ্যালবাম করেছেন তারা।
বরগুনা থেকে মুঠোফোনে জেমস বলেন, ‘তিনি বাংলা সংগীতের কিংবদন্তি। ১৯৮০ সালের শুরুর দিকে আমাদের পরিচয়। এরপর দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর আমরা একে অপরের সুখে-দুঃখে মানে-অভিমানে কাটিয়েছি। একসঙ্গে প্রচুর শো করেছি, গান করেছি, দেশ-বিদেশে ঘুরেছি। উনি অকস্মাৎ এভাবে আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে যাবেন, খবরটা শুনে মানতে পারছি না। রক সংগীতে তার যে অবদান সেটা এই জাতি চিরদিন মনে রাখবে বলেই বিশ্বাস করি।’
একটু থেমে আর্দ্রকণ্ঠে জেমস বলেন, ‘উনি অত্যন্ত উদার মনের মানুষ ছিলেন। প্রচণ্ড রসাত্মবোধ ছিল তার মধ্যে। ওনার সাথে আমার যে সম্পর্কটা সেটা আসলে বলে বোঝানো যাবে না। বিভিন্ন সময়ে কারণে-অকারণে আমরা একজন আরেকজনের পাশে ছিলাম। সম্পর্কের এই গভীরতার কথা কখনও বোঝাতে পারবো না। কেউ হয়তো জানবেও না আমাদের হৃদয়ে একে অপরের জন্য কতটা জায়গা।’
এ পর্যায়ে মাহফুজ আনাম জেমসের প্রতি জিজ্ঞাসা ছিল, মিডিয়ায় কিন্তু আপনাদের দুজনকে প্রতিযোগী হিসেবেই দেখে আসছে সবসময়। জবাবে জেমস বললেন, ‘মিডিয়া আমাদের সম্পর্কের বিচার কীভাবে করছে সেটা নিয়ে মাথাব্যথা নেই। তবে আমি মনে করি আমাদের মধ্যে একটা সুস্থ প্রতিযোগিতা ছিল। এটা ভালো গান তৈরির প্রতিযোগিতা। এখানে ব্যক্তিগত কোনও জেলাসি ছিল না। আপনারা হয়তো অনেকেই দেখেছেন, আমাদের যখন যেখানে দেখা হয়েছে চারপাশ অগ্রাহ্য করে একে অপরকে জড়িয়ে ধরেছি পরম ভালোবাসায়। আড্ডায় মেতেছি। এসব টান কিংবা হিডেন সম্পর্কের বিষয়গুলো ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। করতেও চাই না।’
এরপর জেমস বললেন, ‘আমি এখন বরগুনা আছি। এটা আমার জন্য দুর্ভাগ্যজনক। ঢাকায় থাকলে ছুটে যেতে পারতাম। বরগুনা স্টেডিয়ামে আজ সন্ধ্যায় একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে গাইতে হচ্ছে। আমি খবরটি পেয়েই মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের (আসাদুজ্জামান নূর) সঙ্গে কথা বলেছি। সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আজকের কনসার্টটি উনাকে (আইয়ুব বাচ্চু) ডেডিকেটেড করে করবো। কতটা প্রাণখুলে গাইতে পারবো জানি না।’আজ, ১৮ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিজ বাসায় হার্ট অ্যাটাক করেন গিটার লিজেন্ড আইয়ুব বাচ্চু। তড়িঘড়ি তাকে স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আইয়ুব বাচ্চু। ১৯৭৮ সালে ফিলিংস ব্যান্ডের মাধ্যমে সংগীত জগতে তার পথচলা শুরু হয়। ১৯৮০ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সোলস ব্যান্ডে লিড গিটারিস্ট হিসেবে যুক্ত ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে এলআরবি ব্যান্ড গঠন করেন আইয়ুব বাচ্চু। এর প্রথম অ্যালবাম ‘এলআরবি’ বাজারে আসে ১৯৯২ সালে। এটাই দেশে প্রথম ডাবল অ্যালবাম। এলআরবির অন্য অ্যালবামগুলো হলো ‘সুখ’ (১৯৯৩), ‘তবুও’ (১৯৯৪), ‘ঘুমন্ত শহরে’ (১৯৯৫), ‘ফেরারি মন’ ও ‘স্বপ্ন’ (১৯৯৬), ‘আমাদের’ (১৯৯৮), ‘বিস্ময়’ (১৯৯৮), ‘মন চাইলে মন পাবে’ (২০০১), ‘অচেনা জীবন’ (২০০৩), ‘মনে আছে নাকি নাই’ (২০০৫), ‘স্পর্শ’ (২০০৮), ‘যুদ্ধ’ (২০১২) এবং সর্বশেষ ‘রাখে আল্লাহ মারে কে’ (২০১৬)।
১৯৮৬ সালে প্রকাশিত ‘রক্তগোলাপ’ হলো তার প্রথম প্রকাশিত একক অ্যালবাম। তার সাফল্যের শুরুটা হয় দ্বিতীয় একক অ্যালবাম ‘ময়না’র (১৯৮৮) মাধ্যমে। ১৯৯৫ সালে বাজারে আসে তার তৃতীয় একক অ্যালবাম ‘কষ্ট’। এর প্রায় সব গানই জনপ্রিয়তা পায়। বিশেষ করে ‘কষ্ট কাকে বলে’, ‘কষ্ট পেতে ভালোবাসি’, ‘অবাক হৃদয়’, ‘আমিও মানুষ’ গানগুলো। তার অন্য একক অ্যালবামগুলো হলো ‘সময়’ (১৯৯৮), ‘একা’ (১৯৯৯), ‘প্রেম তুমি কি’ (২০০২), ‘দুটি মন’ (২০০২), ‘কাফেলা’ (২০০২), ‘রিমঝিম বৃষ্টি’ (২০০৮), ‘বলিনি কখনো’ (২০০৯), ‘জীবনের গল্প’ (২০১৫)।
আইয়ুব বাচ্চুর গাওয়া গানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ‘চলো বদলে যাই’। এর কথা ও সুর তারই। শ্রোতাপ্রিয় গানের তালিকায় আরও রয়েছে ‘শেষ চিঠি কেমন এমন চিঠি’, ‘ঘুম ভাঙা শহরে’, ‘হকার’, ‘সুখ’, ‘রুপালি গিটার’, ‘গতকাল রাতে’, ‘তারা ভরা রাতে’, ‘এখন অনেক রাত’ ইত্যাদি।

রক ঘরানার গানের এই শিল্পী আধুনিক আর লোকগীতিতেও শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন আইয়ুব বাচ্চু। বেশ কিছু চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করেছেন তিনি। চলচ্চিত্রে তার গাওয়া প্রথম গান ‘লুটতরাজ’ ছবির ‘অনন্ত প্রেম তুমি দাও আমাকে’। এছাড়া ‘আম্মাজান’ ছবির শিরোনাম গানটিও পেয়েছে আকাশছুঁই জনপ্রিয়তা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নায়ক মান্নার অনুরোধেই সিনেমায় এসেছিলেন আইয়ুব বাচ্চু

বিনোদনের খবর: ‘চলচ্চিত্রে আইয়ুব বাচ্চুকে নিয়ে এসেছিলেন নায়ক মান্না। একরকম জোর করেই। মান্নার একান্ত আগ্রহেই বাচ্চুর মতো একটি চমৎকার কণ্ঠ আমাদের সিনেমায় এসেছে। অনেক অনুরোধের পর বাচ্চু প্লেব্যাক করতে রাজি হয়েছিলো। সে গেয়েছিলো এবং ইতিহাস করে দিয়ে গেল। তার বেশ কিছু গান চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সেরা জনপ্রিয়তার তালিকার শীর্ষে বলে আমি মনে করি।’ আইয়ুব বাচ্চুর চলচ্চিত্রে কণ্ঠ দেয়ার গল্প শোনাতে গিয়ে এমনটাই জানালেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী নির্মাতা কাজী হায়াত। আজ দুপুরে এই নির্মাতা এসব কথা বলেন।
আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুর শোক ছুঁয়ে গেছে তাকেও। তিনি বলেন, ‘এভাবে চলে যাওয়ার মতো বয়স বাচ্চুর ছিলো না। আসলে মৃত্যু যে কোনো সিরিয়াল মানে না, বয়স মানে না এটাই সত্যি।’
বাচ্চুর সঙ্গে কাজের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যখন ‘লুটতরাজ’ সিনেমাটি বানাচ্ছি তখন একটা চমক খুঁজছিলাম। হঠাৎ মান্না বললো কাজী ভাই, আইয়ুব বাচ্চুর একটি গান ছবিতে থাকলে কেমন হয়। আমি বললাম খুবই ভালো হয়। তরুণদের কাছে দারুণ জনপ্রিয় আইয়ুব বাচ্চু। কিন্তু সে কী সিনেমায় গাইবে? ব্যান্ডের তারকারা সচরাচর সিনেমায় গাইতে চান না। মান্না বললো, আগে কথা বলে দেখেন কী বলেন উনি।
পরে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের সঙ্গে আমি আলাপ করলাম। তিনি শুনেই না করে দিলেন। বললেন বাচ্চু সিনেমায় গাইবে না কিছুতেই। আমি মান্নাকে জানিয়ে দিলাম যে হবে না। শুনে মান্না বললো, কাজী ভাই হবে। টেনশন কইরেন না আমি দেখতেছি ব্যাপারটা।’
‘আম্মাজান’খ্যাত এই নির্মাতা আরও বলেন, ‘কেমন করে কী করলো জানি না। দুদিন পর মান্না এসে বলে বাচ্চু ভাই রাজি। উনি ‘লুটতরাজ’ ছবিতে গাইবেন। আমি আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলকে জানালাম বিষয়টা। শুনে বুলবুল পাত্তা দিলো না। হাসলো আর বললো আমি বিশ্বাস করি না বাচ্চু গাইবে। মান্না তখন নিজে টেলিফোন করে আইয়ুব বাচ্চুর সঙ্গে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলকে কথা বলিয়ে দিলো। বাচ্চু নিজে জানালো যে ‘বুলবুল ভাই গান লেখেন আমার জন্য। গাইবো আমি।’ পরে মান্না জানিয়েছিলো, তার অনেক অনুরোধে রাজি হয়েছিলো বাচ্চু।’
এরপর আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের সুর ও সংগীতে তৈরি হয় ‘অনন্ত প্রেম তুমি দাও আমাকে’ গানটি। আইয়ুব বাচ্চুর গানের ধরন মাথায় রেখেই গানটি লিখেছিলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। তার সঙ্গে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন কনকচাঁপাও।
‘অবশেষে গানে কণ্ঠ দিলেন আইয়ুব বাচ্চু। সেই গান রাতারাতি পৌঁছে গেল সারাদেশের মানুষের কাছে। হাটে ঘাঠে মাঠে ময়দানে বেজেছে ‘অনন্ত প্রেম’। কিন্তু কে জানতো তার সঙ্গে আমার আরও একটি ঐতিহাসিক গানের অভিজ্ঞতা অপেক্ষা করছে।’- বললেন কাজী হায়াত।
তিনি বলেন, ‘লুটতরাজ ছবিতে জনপ্রিয়তার পর বাচ্চুর সিনেমার গানের প্রতি ভালো লাগা জন্মায়। সে বুঝতে পেরেছিলো সিনেমার মাধ্যমে খুব সহজেই ‘মাস পিপল’র কাছে পৌঁছানো যায়। আমি আর মান্নার সঙ্গে ওর একটা জুটি গড়ে উঠেছিলো পরবর্তীতে। সে আমাদের তেজি, কষ্টসহ আরও কিছু ছবিতে গেয়েছিলো। কিন্তু ‘আম্মাজান’ ছবিতে ‘আম্মাজান’ গানটি গেয়ে নতুন রেকর্ডের জন্ম দিয়েছিলো সে। তার এই গান বাংলাদেশের বাইরেও ঝড় তুলেছিলো বাংলার ভাষার শ্রোতা ও সিনেমার দর্শকদের মনে। এই ছবির ‘স্বামী আর স্ত্রী বানাইছে কোন মিস্তিরি’ গানটিও তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো।’
এরপর আরও অনেক সিনেমাতেই কণ্ঠ দিয়েছেন আইয়ুব বাচ্চু। পেয়েছেন জনপ্রিয়তাও। তবে চলচ্চিত্রে আইয়ুব বাচ্চুর সাফল্যের নৈপথ্য নায়ক হিসেবে বাংলা সিনেমার ‘সুপারস্টার’ মান্নাকেই ভাবা হয়। তার অনুরোধ রাখতেই সিনেমায় প্লেব্যাক করতে এসেছিলেন বাচ্চু, আর গানে গানে এই আঙিনায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন অনন্য এক উচ্চতায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌদি কনস্যুলেটে জ্যান্ত জবাই করা হয় খাসোগিকে

বিদেশের খবর: ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে ঢোকার কিছুক্ষণ পরই আটকে ফেলা হয় সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে। নির্যাতনের পর একটি টেবিলের ওপর নিয়ে তাকে জ্যান্ত জবাই করা হয়।

এরপর হাড় কাটা করাতে টুকরো টুকরো করা হয়। সাত মিনিটের মধ্যেই শেষ হয় খাসোগি হত্যাযজ্ঞ। মৃত্যু চিৎকার যেন কানে না আসে সেজন্য সচেতনভাবেই কানে হেডফোন লাগিয়ে নেয় হত্যাকারীরা।

খাসোগির জীবনের বর্বর এই শেষ মুহূর্তগুলোই রেকর্ড হয় তারই হাতঘড়ি অ্যাপল ওয়াচে। কয়েকদিন আগেই এই অডিও রেকর্ডিং হাতে পান তুর্কি গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। বেনামি কয়েকটি সূত্রের উল্লেখ করে বুধবার মিডল ইস্ট আই এ খবর জানিয়েছে।

হত্যার কয়েকদিন পর থেকেই হত্যার একটি অডিও রেকর্ড পাওয়ার দাবি করে আসছে তুর্কি গোয়েন্দারা। ওই অডিও রেকর্ডিং পুরোপুরি শুনেছে এমন একটি সূত্র জানিয়েছে, ২ অক্টোবর কনস্যুলেটে ঢোকার পর সোজা কনসাল জেনারেলের অফিসে যান খাসোগি। সেখান থেকে তাকে টেনেহিঁচড়ে কনসাল জেনারেলের পড়ার ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়।

কক্ষ থেকে আগেই বের হয়ে গিয়েছিলেন কনসাল জেনারেল। বের হওয়ার আগে জেনারেল ভয়ার্ত কণ্ঠে তাদের বলেন, যা করার বাইরে গিয়ে কর। তোমরা আমাকেও বিপদে ফেলছ। এ সময় ওপরে প্রচণ্ড চিৎকারের আওয়াজ শুনতে পেয়েছিলেন নিচতলায় থাকা এক ব্যক্তি।

কিছুক্ষণ পরই চিৎকার বন্ধ হয়ে যায়। কারণ তাকে চেতনানাশক কোনো ইনজেকশন দেয়া হয়েছিল। হত্যাকাণ্ডে ১৫ জনের একটি দলের নেতৃত্বে ছিলেন সালাহ মোহাম্মদ আল তুবাইগি। তিনি সৌদি আরবের জেনারেল সিকিউরিটি বিভাগের সৌদি অ্যাসোসিয়েশন অব ফরেনসিক প্যাথলজির সদস্য এবং সৌদি ফেলোশিপ অব ফরেনসিক প্যাথলজির প্রেসিডেন্ট।

ঘটনার দিন সকালেই একটি ব্যক্তিগত বিমানে করে আঙ্কারা পৌঁছায় দলটি। জিজ্ঞাসাবাদের কোনো উদ্দেশ্য বা চেষ্টাই হত্যাকারীদের ছিল না। হত্যার মিশন নিয়েই তারা এসেছিল।

সূত্রটি বলেছে, ‘খাসোগিকে জিজ্ঞাসাবাদের কোনো আলামত দেখা যায়নি।’ জবাই করার পর দেহ একটি টেবিলের ওপর রেখে কেটে টুকরো টুকরো করেন আল তুবাইগিই। তার হাতে ছিল কাটার একটা করাত। তখনও জীবিত ছিলেন খাসোগি। লাশ কাটা শুরুর আগেই কানে হেডফোন লাগিয়ে নেন তিনি। অন্যদেরকেও কানে হেডফোন লাগানোর নির্দেশ দেন।

আল তুবাইগির এই কথারও রেকর্ডিং রয়েছে। সেখানে আল তুবাইগিকে বলতে শোনা গেছে, ‘আমি গান শুনছি আর কাজ করছি। তোমাদের এটা করা উচিত।’ তিন মিনিটের এই রেকর্ডিং তুর্কি সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহর হাতে রয়েছে। এটা এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

এ ঘটনার কিছুক্ষণ পরই কালো কয়েকটি ব্যাগ নিয়ে কনস্যুলেট থেকে বের হন পরিচ্ছন্ন কর্মীরা। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ব্যাগগুলোতেই খাসোগির টুকরো টুকরো মাংস।

দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত নির্দোষ সৌদি আরব- ট্রাম্প। তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি অনেকেই বলছেন, সৌদি কনস্যুলেটেই খাসোগিকে হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে হাত রয়েছে সৌদি রাজপরিবারের।

তাদের দিকেই আঙুল তুলেছেন মার্কিন কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন সদস্য। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর হাতেও সেই তথ্য। পশ্চিমা দেশগুলোও এ বিষয়ে জবাব চেয়ে রিয়াদের ওপর চাপ বৃদ্ধি করছে। এরপরও সৌদি রাজপরিবারের পক্ষেই সাফাই গাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেছেন, দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত সন্দেহমুক্ত ও নির্দোষ (বেনিফিট অব ডাউট) সৌদি আরব।

মঙ্গলবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, কী হয়েছে তা-ই প্রথমে বের করা উচিত আমাদের। আবার আমরা এভাবেও দেখতে পারি, তুমি দোষী যতক্ষণ পর্যন্ত না নির্দোষ প্রমাণিত হও। আমি এটা পছন্দ করি না।’ সাক্ষাৎকারের আগে এক টুইটার বার্তায় ট্রাম্প বলেন, কনস্যুলেটের ভেতর কী হয়েছে সে বিষয়ে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান কিছু জানেন না বলে তাকে জানিয়েছেন।

খাসোগিকে সৌদি কনস্যুলেটেই হত্যা করা হয়েছে তুর্কি কর্মকর্তাদের এ বক্তব্যের মধ্যে তুরস্ক সফরে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। খাসোগির সঙ্গে আসলে কি ঘটেছে তা জানতে মঙ্গলবার রিয়াদ সফরে যান তিনি।

সেখানে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। রিয়াদ সফর শেষ পম্পেও বলেন, খাসোগি নিখোঁজের সুষ্ঠু তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সৌদি।

এরপর বুধবার আঙ্কারায় যান তিনি। সেখানে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোগানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে কি কথা হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে খাসোগি হত্যাকাণ্ড নিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতেই পম্পেওর তুরস্ক সফর বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পনের জনের একজন যুবরাজের দেহরক্ষী

খাসোগি হত্যাকাণ্ডে ক্রমশ জোরালো হচ্ছে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সংশ্লিষ্টতার আশঙ্কা। তুর্কি সূত্রকে উল্লেখ করে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, সন্দেহভাজনদের মধ্যে অন্তত চারজনের সঙ্গে যুবরাজের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এর মধ্যে যুবরাজের দেহরক্ষী মাহের আবদুল আজিজ মুতরেবও রয়েছেন।

তুর্কি সূত্র জানিয়েছে, দলের নেতৃত্বে ছিলেন সালাহ মোহাম্মদ আল তুবাইগি। সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান তিনি। দলের অন্যতম সদস্য মোহাম্মদ বিন সাদ আল জাহরানি।

সৌদির রাষ্ট্রীয় টিভিতে যুবরাজের পাশে তার ছবি দেখা গেছে। এ চারজনের পাসপোর্ট বিশ্লেষণ করে তাদের সৌদি সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা পাওয়া গেছে। তবে তুর্কি গোয়েন্দারা এ ১৫ জনকেই তদন্তের কেন্দ্রে রেখেছেন বলে জানিয়েছে ডেইলি সাবাহ।

নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, মুতরেবসহ চার সন্দেহভাজনের সঙ্গে যুবরাজ মোহাম্মদের নিরাপত্তাজনিত সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। ১৫ সদস্যবিশিষ্ট হত্যা বাহিনীর অন্তত ৯ জন সৌদি সিকিউরিটি সার্ভিস, সেনাবাহিনী কিংবা অন্য সরকারি মন্ত্রণালয়ে নিয়োজিত রয়েছে বলে তারা নিশ্চিত হয়েছে। চেহারা শনাক্তকরণ সফটওয়্যার, সৌদি সেলফোন নম্বরের ডাটাবেজ, সৌদি সরকারের ফাঁস হওয়া নথি, প্রত্যক্ষদর্শী ও মিডিয়ার কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করার কথা জানিয়েছে কর্মকর্তারা।

তুরস্ক থেকে পালিয়ে রিয়াদে গিয়ে বহিষ্কার সৌদি কনসাল জেনারেল : খাসোগি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তুরস্ক ছেড়ে পালিয়েছেন সৌদি কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ আল-ওতাইবি।

বুধবার ওতাইবির বাসভবনে পুলিশের সম্ভাব্য তল্লাশির কয়েক ঘণ্টা আগেই রিয়াদের উদ্দেশে ইস্তাম্বুল ছাড়েন তিনি। কিন্তু রিয়াদ গিয়েই বহিষ্কারের শিকার হয়েছেন। খাসোগির হত্যার দিন কনস্যুলেটেই ছিলেন ওতাইবি।

তার পড়ার ঘরেই জবাই করা হয় তাকে। খাসোগির অ্যাপল ওয়াচেও তার কণ্ঠ রেকর্ড হয়েছে বলে জানিয়েছেন তুর্কি কর্মকর্তারা। সেখানে হত্যাকারী দলকে উদ্দেশ করে তিনি বলছেন, ‘এগুলো বাইরে গিয়ে কর। তোমরা আমাকে ঝামেলায় ফেলতে যাচ্ছ।’ এমন খবর শোনার পরই ইস্তাম্বুল ত্যাগ করেন তিনি। বুধবার রিয়াদ পৌঁছার পরই বরখাস্ত করা হয় তাকে। সেই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। খবর রয়টার্সের।

তেল-অস্ত্রের স্বার্থেই সৌদির বিরুদ্ধে যাবে না যুক্তরাষ্ট্র

ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেট থেকে সাংবাদিক জামাল খাসোগির গুম ও সম্ভাব্য হত্যা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো বেশ বিব্রতকর অবস্থায় রয়েছে। বহু দেশই দাবি তুলেছে, সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন করে বিবেচনার। কেউ কেউ সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার কথাও বলছেন। তেল ও অস্ত্রের ফায়দা লুটতেই সৌদি আরবের বিরুদ্ধে কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি করবে না যুক্তরাষ্ট্র বা পশ্চিমা দেশগুলো। সৌদির বিরুদ্ধে গিয়ে তাদের না ঘাঁটানোর ৫ কারণ তুলে ধরেছে বিবিসি।

তেল মজুদকারী

বিশ্বে তেল মজুদের ১৮ শতাংশ সৌদি আরবে। বৃহত্তম তেল রফতানিকারক দেশটি বিশ্বে বিপুল ক্ষমতা ও প্রভাব খাটানোর সুযোগ পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশ সৌদির বিরুদ্ধে কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি করলে দেশটি তাদের তেলের সরবরাহ কমিয়ে দিতে পারে।

ফলে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাবে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন আল আরাবিয়া টেলিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার তুর্কি আলদাখিল সোমবার এক সম্পাদকীয়তে লিখেছেন, ‘সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলে সেটা এমন এক অর্থনৈতিক বিপর্যয় সৃষ্টি করবে, যা গোটা দুনিয়াকে কাঁপিয়ে দেবে।’

অস্ত্র ব্যবসা

২০১৭ সালে অস্ত্র কেনায় অর্থ খরচকারী তৃতীয় দেশ সৌদি আরব। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেই ১১ হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র কেনার চুক্তি করে দেশটি। হোয়াইট হাউসের ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এত বিশাল অংকের অস্ত্র কেনার চুক্তি আর কখনও হয়নি। ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানিও বিরাট অংকের অস্ত্র ব্যবসা করছে সৌদির সঙ্গে।

নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবাদ

পশ্চিমা দেশগুলোর আরেকটি যুক্তি হল, সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইয়েমেনে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ উঠলে সৌদির পক্ষ নিয়েছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে।

আঞ্চলিক জোট

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব খর্ব করতে সৌদি আরব বহুদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একযোগে কাজ করছে। কয়েক দশক ধরেই সুন্নীপন্থী সৌদি ও শিয়া ইরানের মধ্যে তীব্র দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলছে মধ্যপ্রাচ্যে। প্রেসিডেন্ট আসাদের বিরোধি পক্ষকে সমর্থন দিচ্ছে রিয়াদ। আর আসাদকে সাহায্য করছে রাশিয়া ও ইরান। ফলে সৌদির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিলে রিয়াদ রাশিয়ার দিকে ঝুঁকে যেতে পারে।

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ

সৌদির বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো তাদের ব্যবসা হারাতে পারে বলেও হুশিয়ার করে দিয়েছেন আলদাখিল। বর্তমানে সৌদি আরবে প্রায় ৪৬ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বাণিজ্য দফতরের হিসেবে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় এক লাখ ৬৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান নির্ভর করছে এই বাণিজ্যের ওপর।

সৌদিকে বয়কটের হিড়িক :এদিকে সৌদিকে বয়কটের হিড়িক পড়েছে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর। সাংবাদিক খাশোগি নিখোঁজের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আসন্ন অর্থনৈতিক সম্মেলন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠান।

এ তালিকায় সর্বশেষ যুক্ত হয়েছে ইন্টারনেটভিত্তিক বৃহত্তম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গুগল। আগামী ২৩ অক্টোবর থেকে তিন দিনব্যাপী ওই সম্মেলনে অংশ নেবে না বলে জানিয়েছেন গুগল ক্লাউডের প্রধান নির্বাহী ডায়ান গ্রিন।

এর আগে উবারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দারা খোশরুশাহী, ফোর্ড গাড়ি কোম্পানির চেয়ারম্যান আলফ্রেড ফোর্ড ও বহুজাতিক ব্যাংক জেপি মর্গানের প্রধান নির্বাহী জেমি ডিমোনসহ বহু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ওই সম্মেলন বয়কট করে। সিএনএন, দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমস, নিউইয়র্ক টাইমস, সিএনবিসি, ব্লুমবার্গ, ফক্স নিউজও সৌদিকে বয়কট করেছে। এছাড়া সৌদি আরবে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের আলোচনা স্থগিত করেছে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য সম্রাট রিচার্ড ব্রান্সন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনী পরিবেশ দেখতে ইইউ প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসছে

দেশের খবর: আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও পরিবেশ দেখতে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দুই সদস্যের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে আসবেন বলে জানিয়েছেন ইইউয়ের রাষ্ট্রদূত রেনজি টেরেংকে।
বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বৈঠক শেষে এ কথা জানান তিনি।
ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘নির্বাচন প্রক্রিয়া ও পরিবেশ দেখতে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ইইউয়ের দুইজন প্রতিনিধি বাংলাদেশে আসবেন। তারা কয়েক সপ্তাহ এখানে অবস্থান করবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য কোনো সহযোগিতার দরকার হলে তা করবে জন্য ইইউ।’
এর আগে সকাল সোয়া ১১ টার দিকে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।
বৈঠকে সাতটি দেশের রাষ্ট্রদূতসহ মোট ৭ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। প্রতিনিধি দলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনজি টেরিংকের নেতৃত্বে বৃটেন, জার্মানি, স্পেন, সুইডেন, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে ‘সম্প্রীতির সেতুবন্ধন’ অনুষ্ঠান পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: শারদীয়া দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে ‘সম্প্রীতির সেতুবন্ধন’ অনুষ্ঠান পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের হলরুমে এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা ও মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করা হয়।
প্রেসক্লাব সভাপতি আবু আহমেদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এড. মোস্তফা লুৎফুল্লাহ, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরার নবাগত জেলা প্রশাসক এস,এম মোস্তফা কামাল, পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান, সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবির নবাগত অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল গোলাম মহিউদ্দীন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, পৌর মেয়র আলহাজ্ব তাজকিন আহমেদ চিশতি, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি বিশ্ব নাথ ঘোষ, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী প্রমুখ।
বক্তারা এ সময় বলেন, বিশে^র মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বাংলাদেশ। আর তাই সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ জাগরণে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের এ আয়োজন অবশ্যই প্রশংসার দাবীদার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চায় ভারত’

দেশের খবর: ভারত বাংলাদেশে সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইহমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। তবে বাংলাদেশের নির্বাচনী জোট নিয়ে ভারত কোনো ধরনের মন্তব্য করবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেতু ভবনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন শ্রিংলা। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের নির্বাচনী জোট নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চান না বলে জানান শ্রিংলা। তবে অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে কোনো ধরনের সহিংসতার প্রত্যাশা করে না ভারত।
হাইহমিশনার বলেন, ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সর্ম্পক ও প্রতিবেশী দেশের গণতন্ত্রের প্রতি আস্থাশীল আমরা। সে কারণেই বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

দেশের খবর: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। এমনটাই জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নির্বাচন বিষয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন ইসি সচিব।
সম্মেলনে হেলালুদ্দীন বলেন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা। বৈঠকে তাদের জানানো হয়েছে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলটি দেশে অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চেয়েছে।
সাংবাদিকদের অন্য এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ইভিএম, পর্যবেক্ষক, জনবল, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, প্রবাসীদের ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া, ভোটার তালিকা সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন প্রতিনিধিরা। সিইসি তাদের ভোটের প্রস্তুতির বিষয়টি জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest