সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

২৭ বছর পর ৪২০ শিক্ষকের পদোন্নতি

দেশের খবর: সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪২০ জন শিক্ষককে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৭১ জন পদোন্নতি পেয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং ৫২ জন সহকারী মাধ্যমিক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হয়েছেন। নিয়োগের ২৭ বছর পর তারা পদোন্নতি পেলেন।
সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব (সরকারি মাধ্যমিক) আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন স্বাক্ষরিত পদোন্নতি-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
জানা গেছে, মামলা, পদমর্যাদা পরিবর্তন হওয়াসহ নানা জটিলতায় সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের পদোন্নতি স্থগিত ছিল। এ কারণে গত ৮ বছর ধরে এ পর্যায়ের শিক্ষকরা পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত ছিলেন। নিয়োগের ২৭ বছর পার হলেও এসব শিক্ষকদের পদোন্নতি দেয়া সম্ভব হয়নি।
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের পদটি ১০ গ্রেডে (২য় শ্রেণি) উন্নীত হওয়ায় বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) আওতায় নিয়োগ-পদোন্নতি দেয়ার ক্ষমতা চলে যায়। গত তিন মাস আগে তিনটি পদে মোট ৪২৬ শিক্ষককে পদোন্নতি দিতে সুপারিশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তার ভিত্তিতে পিএসসি মোট ৪২০ জনকে পদোন্নতি দিতে সুপারিশ করে। যা আজ সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এসব শিক্ষকদের পদোন্নতি দিতে প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি না হওয়া জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের মধ্যে ১৯৮ জনকে সহকারী মাধ্যমিক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, ১৭৩ জনকে সহকারী প্রধান এবং ১৩০ জনকে সহকারী প্রধান শিক্ষিকা পদে পদোন্নতির জন্য পিএসসিতে চাহিদা দেয়া হয়। তার ভিত্তিতে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে ১৯৬ জন, সহকারী প্রধান শিক্ষিকা পদে ১৭২ জন এবং সহকারী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা পদে ৫২ জনসহ মোট ৪২০ জনকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।
১৯৯১ সালের ২৫ মে আগে যোগদান করা শিক্ষকদের পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। এসব শিক্ষকরা দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে একই পদে কর্মরত ছিলেন। আজ (১৭ সেপ্টেম্বর, সোমবার) থেকেই এসব পদোন্নতি কার্যকর করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সারাদেশে ৪৯৩টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে পুরাতন ৩৩৩টি এবং ১২টি মডেল বিদ্যালয়সহ জাতীয়করণ হওয়া ১৩০টি বিদ্যালয় রয়েছে। সম্প্রতি আরও প্রায় ৩০টি বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করা হয়েছে। সব মিলে বর্তমানে সারাদেশে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪শ’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শান্তির রাজনীতির অঙ্গীকার আ.লীগ-বিএনপি নেতাদের

দেশের খবর: ‘শান্তির অঙ্গীকার’ করলেন দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা।
আজ (সোমবার) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ইউএসএআইডি এবং ইউকেএইডের যৌথ অর্থায়নে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের স্ট্রেংথেনিং পলিটিক্যাল ল্যান্ডস্কেপ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ অঙ্গীকার করেন তারা।
৪০টি জেলার আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতারা রাজনৈতিক সহনশীলতা ও সম্প্রীতির সমর্থনে তাদের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে একসঙ্গে দাঁড়িয়ে সহিংসতার বিরুদ্ধে অঙ্গীকার করেন।
আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলে ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ প্রমুখ।
বিএনপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, বিলকিস জাহান শিরিন, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন, রাশেদা বেগম হীরা, সাবেক সংসদ সদস্য নীলোফার চৌধুরী মনি প্রমুখ।

যে অঙ্গীকার করলেন দু’দলের নেতারা
‘আমি বিশ্বাস করি, একমাত্র সহনশীল ও শান্তিপূর্ণ রাজনীতিই দেশের মানুষের কল্যাণ আনতে পারে। আমি বিশ্বাস করি, যারা শান্তিপূর্ণ রাজনীতির চর্চা করবে দেশের মানুষ তাদেরকে সমর্থন করবে। তাই আমি অঙ্গীকার করছি, আমি সহনশীল ও শান্তিপূর্ণ রাজনীতির চর্চা করবো। ভবিষ্যতের যে কোনো নির্বাচনে আমি শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা করবো এবং দলের সহকর্মীদেরকেও নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে উৎসাহিত করবো।

আমি অঙ্গীকার করছি, আমি সব সময় শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে সচেষ্ট থাকবো। শান্তিতে বিজয় বাংলাদেশের ষোলো কোটি মানুষের বিজয়। শান্তি জিতলে জিতবে দেশ।

এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেন ব্লুম বার্নিকাট বলেন, বাংলাদেশিদের অবশ্যই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে- নির্বাচনের আগে, চলাকালে এবং পরে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেককে অহিংস আচরণ করার আহ্বান জানাতে হবে। যারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, দেশ ও নাগরিকদের স্বার্থহানী করতে চায় সহিংসতা শুধু তাদেরই কাজে আসে। একটি গণতান্ত্রিক দেশের জন্য অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে মধ্যম আয়ের দেশ হওয়ার পথে থাকা একটি রাষ্ট্রের জন্য এটি আরও গুরুত্বপূর্ণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চাকরিতে কোনো কোটা না রাখার সুপারিশ কমিটির

দেশের খবর: শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির (নবম থেকে ১৩তম গ্রেড) সরকারি চাকরিতে কোনো কোটা না রাখার সুপারিশ করেছে এ-সংক্রান্ত কমিটি। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের নেতৃত্বে কমিটি আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এ সুপারিশ করে।

দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে কমিটির আহ্বায়ক সচিব শফিউল আলম বলেন, ‘প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে প্রবেশে কোনো কোটা পদ্ধতি না রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। সরকারি চাকরির ক্রমতালিকার নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত কোটা পদ্ধতি থাকছে না। মুক্তিযোদ্ধা কোটাও না রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশ তৈরি করার আগে আমরা সংশ্লিষ্ট আইন বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়েছি। আইন বিশেষজ্ঞদের অভিমত হচ্ছে, কোটা রাখা বা না রাখা এটা সরকারের পলিসির ব্যাপার। মুক্তিযোদ্ধা কোটা না রাখলে এ-সংক্রান্ত উচ্চ আদালতে যে রায় হয়েছে, তা লঙ্ঘন হবে না।’

এটি কবে নাগাদ বাস্তবায়িত হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ করেছি। এখন প্রধানমন্ত্রী অনুমোদনের পর সেটি মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভা অনুমোদন করলে এটি কার্যকর।’

এ বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীসহ সরকারি চাকরিপ্রত্যাশীরা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৯ এপ্রিল সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে ৭ মে পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করেন আন্দোলনকারীরা। পরে প্রধানমন্ত্রী সংসদে কোটা বাতিলের ঘোষণা দেন। আন্দোলনকারীরা এ জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিলও করেন। কিন্তু এ ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারি না করায় আবারও মাঠে নামেন আন্দোলনকারীরা। গ্রেপ্তার হন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতারা।

এদিকে, আন্দোলনের মুখে সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর গত ৩ জুলাই সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করে সরকার। এই কমিটিই আজ এ সুপারিশ করে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয়ের সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় যৌতুকের দাবিতে গৃহবধুকে হত্যার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঃ যৌতুকের দাবিতে এক গৃহবধুকে নির্যাতন চালিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত গৃহবধুর নাম শাহানারা খাতুন (২০)। তিনি সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানাধীন উত্তর শার্শা গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী আসাদুল গাজীর স্ত্রী ও পার্শ্ববতী এনায়েতপুর শানতলা গ্রামের জলিল সরদারের মেয়ে।
এনায়েতপুর শানতলা গ্রামের হোসনে আরা খাতুন জানান, শাহানারা খাতুন তাদের সাত ভাই বোনের মধ্যে সকলের ছোট। ২০১৬ সালের আগষ্ট মাসে তার সঙ্গে উত্তর শার্শা গ্রামের অমেদ গাজীর ছেলে আসাদুলের সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দেওয়া হয়। এ ছাড়া সোনার গহনাসহ পরবর্তীতে জমি বন্দক রাখার জন্য ৪০ হাজার টাকাও আসাদুলকে দেওয়া হয়। শাহানারাকে দেওয়া হয় একটি মোবাইল ফোন। বিয়ের পরপরই বড় ভাই আজাহারুলের সঙ্গে আসাদুল মালয়েশিয়ায় চলে যায়। বিয়ের পর থেকে আসাদুল ও তার পরিবারের সদস্যরা শাহানারাকে বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করতো। টাকা দিতে না পারলে তাকে মানসিক ও শারিরিকভাবে নির্যাতন চালানো হতো। বিষয়টি জানালে মোবাইলে আসাদুল তার স্ত্রী শাহানারাকে হুমকি দিতো।একপর্যায়ে শাহানারার মোবাইল ফোনটি নিয়ে নেয় তার শ্বাশুড়ি চন্দনা বিবি।
হোসনে আরা আরো জানান, প্রতিবেশীদের মুখে খবর পেয়ে শনিবার রাত ১০ টার দিকে তারা শাহানারার শ্বশুর বাড়িতে যান। শ্বাশুড়ি চন্দনা বিবি, বড় ননদের স্বামী চৌরাস্তার নূর হোসেন, চাচা শ্বশুর তাকে নির্যাতনের পর গলায় দড়ি দিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে দিয়ে দরজায় তালা লাগিয়ে পালিয়ে গেছে মর্মে এলাকাবাসি তাদেরকে জানায়। একপর্যায়ে গ্রামবাসি দড়ি কেটে মুমুর্ষ শাহানারাকে রাতেই সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ মাহাবুবর রহমান জানান, শাহানারার থুতনিসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়না তদন্ত ছাড়া মৃত্যুর কারণ বলা যাবে না।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় নাশকতার প্রস্তুতিকালে জামায়াতের সুরা সদস্যসহ আটক-৪

কলারোয়া প্রতিবেদক :  কলারোয়ায় নাশকতার পরিকল্পনাকালে জামায়ত-বিএনপির ৪ নেতাকর্মীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। রোববার সকালে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মারুফ আহম্মদ জানান-কলারোয়া উপজেলার কে,কে,ই,পি সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যলয়ের মাঠে শনিবার গভীর  রাতে জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীরা নাশকতার পরিকল্পনা করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে থানার এসআই পীষুষ কান্তি ঘোষ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীরা ককটেল ও টায়ার জ্বালিয়ে পলিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে ৪ নেতাকর্মী আটক হয়।

আটককৃতদের মধ্যে কেন্দ্রীয় সুরা সদস্য, জেলা জামায়াতের সহকারী আমির, কলারোয়া মহিলা জামায়াতের তত্ববধায়ক, সাবেক উপজেলা জাতায়াতের জেনারেল সেক্রেটারি ১নং জয়নগর ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক আমীর  মোস্তফা গৌসুল হক (৫৬) রয়েছে। সে উপজেলার খোরদো-বাটরা গ্রামের মৃত আঃ গফুরের ছেলে।

এছাড়া রয়েছে-উপজেলার শাকদহ গ্রামের মৃত জনাব আলীর ছেলে ইমামুল হক (৩৫), একই গ্রামের মৃত লোকমানের ছেলে ছকিম উদ্দিন মোড়ল (৪৮), জয়নগর গ্রামের মৃত বালক চাদের ছেলে মকর আলী গাজী (৩৫)।

 এঘটনায় কলারোয়া থানায় ১৭জনের নাম উল্লেখ করে ও আরো ২৫/৩০জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা(২১(৯)১৮ দায়ের হয়েছে বলে জানান থানার ওসি শেখ মারুফ আহম্মদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টাম-লীর সদস্য সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ডাঃ মোখলেছুর রহমান, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু সায়ীদ, দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমন, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, জেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান, পৌর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু, খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিম, প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন, চাম্পাফুল ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক লায়লা পারভীন সেজুতি, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক আফিস শাহবাজ খান প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক, আধুনিক সাতক্ষীরার উন্নয়নের অন্যতম রূপকার, সাতক্ষীরা-০৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য, সাবেক সফল স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য প্রফেসর ডা. আ ফ ম রুহুল হক এর বিরুদ্ধে কতিপয় নামপরিচয়হীন ব্যক্তি মিথ্যা, বানোয়াট, কুরূচিপূর্ণ মিথ্যাচার করে গত ১৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সন্নিকটে একটি বিচ্ছিন্ন মানববন্ধন করেছে। কথিত মানববন্ধনে জনা বিশেক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। যার মধ্যে মাত্র ২/১ জন পরিচিত মুখের বাইরে অধিকাংশেরই কোন নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এমনকি মানববন্ধনে যে লিখিত বক্তব্য সরবরাহ করা হয়েছিল সেখানেও কারও কোন নাম-পরিচয় বা স্বাক্ষর নেই।
আমরা মনে করি, ডা. রুহুল হক এমপির জনপ্রিয়তায় ঈর্ষাণি¦ত হয়ে কোন মনোনয়ন প্রত্যাশী চক্র তার বিরুদ্ধে এ ধরনের কুৎসা রটনার চেষ্টা চালাচ্ছে। আপনাদের কারও অজানা নয় যে, ডা. আ ফ ম রুহুল হক একজন বিশ্ববরেণ্য চিকিৎসক। তিনি ছাত্র জীবনে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বে ছাত্র ইউনিয়নের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। তিনি দীর্ঘদিন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ(স্বাচিপ)’র সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০১, ২০০৮ এবং ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়পন জাতীয় সংসদ নির্বাচন করেন। ২০০৮ সাল থেকে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তিনি দীর্ঘদিন থেকে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন। বর্তমানে সাতক্ষীরা জেলা থেকে একমাত্র তিনিই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টাম-লীর সদস্য হিসেবে রয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপ-কমিটিরও সভাপতি। তিনি ৫ বছর সফলতার সাথে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশকে জাতিসংঘের এমডিজিসহ বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেতে সাহায্য করেছেন। বর্তমানে তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিরও সভাপতি। সম্প্রতি জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মনোনীত করেছেন। ডা. আ ফ ম রুহুল হকের হাত ধরে সাতক্ষীরাতে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি সাতক্ষীরায় অসংখ্য উন্নয়নমূলক কর্মকা- সম্পন্ন করেছেন এবং করছেন। আমরা মনে করি, ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি সাতক্ষীরার সম্পদ। সাতক্ষীরার উন্নয়নে এবং সাতক্ষীরাকে জাতীয় পর্যায়ে উপস্থাপনে তিনি তার চিকিৎসক জীবনে এবং রাজনৈতিক জীবনে উভয় ক্ষেত্রেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। আমরা মনে করি, যারা ডা. তাকে নিয়ে কুৎসা রটনা করছেন তারা সাতক্ষীরার শক্র, সাতক্ষীরার উন্নয়নের শক্র। সাতক্ষীরার উন্নয়নের জন্য যাকে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সেই ডা. রুহুল হক এমপিকে অসম্মানিত করা বা তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের চেষ্টা সাতক্ষীরাবাসী মেনে নেবে না। তিনি আরো বলেন, গত ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা প্রেসক্লাবের সন্নিকটে যে কথিত মানববন্ধনটি হয়েছিল তার কোন ছবি কোন সংবাদপত্র বা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি। সেই মানববন্ধনের কিছু ছবি আমাদের হাতে রয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে যে, হাতেগোনা কিছু যুবক ডা. আ ফ ম রুহুল হক সম্পর্কে কুরূচিকর বক্তব্য সম্বলিত একটি ব্যানার ও কিছু প্লাকার্ড ধরে আছে। ছবি তোলার সময় প্রতিবারই অধিকাংশ যুবক প্লাকার্ড দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছে। এতে বোঝা যায়, এটি কোন স্বতঃস্ফূর্ত কর্মসূচি ছিল না। এটি কোন বিশেষ মহলের ইঙ্গিতে বা প্রযোজনায় মঞ্চস্থ করা হয়েছে। এধরনের কূট কৌশল অসুস্থ মানসিকতার পরিচায়ক।
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া দেশের প্রচীনতম এবং বৃহত্তম রাজনৈতিক সংগঠন। এখানে বহু নেতা আছেন, কর্মী আছেন, বিশিষ্ট জনেরা আছেন। বহু নেতা আসবেন, যাবেন। দলে মনোনয়ন ও নেতৃত্বের জন্য প্রতিযোগিতা থাকবে। এখানে নেতৃত্ব দিতে হলে বা বিভিন্ন নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে হলে রাজনীতির মাঠে বিচরণ করতে হবে, দলের নেতা-কর্মীদের আস্থা অর্জন করতে হবে, তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হতে হবে। দলের প্রতিষ্ঠিত প্রবীণ নেতাদের চরিত্র হননের অপচেষ্টাকারীরা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের শুভাকাক্সক্ষী নন। তারা বাংলাদেশের সফল রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশকে অমান্য করে আওয়ামীলীগের ক্ষতি করার চেষ্টা করলে তা আমরা বরদাস্ত করব না।
এদিকে গত ১৬ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা শহীদ আলাউদ্দিন চত্বরে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, উপজেলা আওয়ামীলীগসহ সকল অঙ্গ সহযোগী সংঠগনের নেতৃত্বে সমন্বয়ে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু আজকে কয়েকটি পত্রিকায় ডা: রুহুল হকের মনোনয়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছি মর্মে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তা আদৌ সত্য নয়। আমার মানববন্ধন করেছি তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে। এছাড়া ওই মানববন্ধনটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে একটি মহল সাংবাদিক লাঞ্চিতের গুজব ছড়িয়ে দু একটি অন লাইন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ করেছে। আসলে সেখানে এধরনের কোন ঘটনাই ঘটেনি। ওই ষড়যন্ত্রকারীরা কিছু ব্যক্তিকে ম্যানেজ করে এধরনের অপপ্রচার চালিয়েছে। আমরা সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপির বিরুদ্ধে এ ধরনের ঘৃণ্য অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানবন্দর হচ্ছে চীনে

অনলাইন ডেস্ক: আগামী ২০১৯ সাল থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানবন্দরটি যাত্রা শুরু করবে চীনে। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বেইজিং ডেক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নামে ওই স্থাপনার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। বিমানবন্দরটি চালু হলে এখান থেকে বছরে ৬ লাখ ২০ হাজার ফ্লাইট পরিচালনা করা যাবে।
এর মাধ্যমে সেবা পাবেন অন্তত ১০ কোটি মানুষ। ২০১৪ সালে ওই বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ শুরু হয়। কর্তৃপক্ষ বলছে, আগামী বছরের মাঝামাঝি এই বিমানবন্দর পুরোপুরি ব্যবহার উপযোগী হবে।
এর আগে চীনের তৈরি এ যাবত কালের সবচেয়ে বড় যাত্রীবাহী বিমান সি ৯১৯ আকাশে উড়েছিল। সি৯১৯ বিমানটির দৈর্ঘ্য ৩৮.৯ মিটার আর প্রস্থ ৩৩.৬ মিটার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিউইয়র্কে শেখ হাসিনার সফরের পক্ষে-বিপক্ষে তুমুল উত্তেজনা

দেশের খবর: নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরের সমর্থনে আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি র‌্যালির পাশাপাশি ‘যেখানে হাসিনা সেখানেই প্রতিরোধ’ কর্মসূচির সমর্থনে বিএনপির মানববন্ধন, আলোচনা সভা ঘিরে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জাতিসংঘে ৭৩তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা হিসেবে ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে আসবেন শেখ হাসিনা। ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জাতিসংঘে ভাষণ প্রদানের পর লন্ডন হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা নিউইয়র্ক ত্যাগ করবেন। ৫ দিনের এই সফরের সময়ে ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায়ই ‘প্রবাসী নাগরিক সংবর্ধনা’ সমাবেশে বক্তব্য দেবেন শেখ হাসিনা। এটি অনুষ্ঠিত হবে মিডটাউন ম্যানহাটানে হোটেল হিল্টনের বলরুমে। এই সমাবেশের বাইরেও বিক্ষোভ ও কাল পতাকা দেখাবে বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের লোকজন। এজন্যে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা গিয়াস আহমেদ। এর আগে জেএফকে এয়ারপোর্টে শেখ হাসিনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে হাজারো নেতা-কর্মীর সমাগম ঘটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এবং নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগসহ যুবলীগ, শ্রমিক লীগ। একইসময়ে শেখ হাসিনাকে কালো পতাকা দেখানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি, যুবদল, জাসাস। এসব সংগঠনের পক্ষে যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা এম এ বাতিন এ সংবাদদাতাকে জানান, বিনা চ্যালেঞ্জে কিছুই করতে দেয়া হবে না শেখ হাসিনাকে। আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করবো।

জাতিসংঘে শেখ হাসিনার ভাষণের সময়ে বাইরে আওয়ামী লীগ করবে শান্তি সমাবেশ, অপরদিকে বিএনপি ঘোষণা দিয়েছে প্রতিবাদ সমাবেশের। বিএনপির কর্মসূচির জন্যেও কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানান বিএনপি নেতা গোলাম ফারুক শাহীন। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান আগেই এয়ারপোর্ট, জাতিসংঘসহ সর্বত্র শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির জন্যে কর্তৃপক্ষের অনুমতি সংগ্রহ করেছেন।

আওয়ামী লীগের পক্ষে ঘোষণা দেয়া হয়েছে, প্রতিবাদের নামে জামায়াত-শিবিরের প্ররোচনায় বিএনপি যদি কোন অসভ্য-অগণতান্ত্রিক আচরণের চেষ্টা করে তাহলে তার সমুচিত জবাব দেয়া হবে। নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ ও যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের নেতা-কর্মীরা আগের মতো এবারও শেখ হাসিনার নিরাপত্তায় অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকায় থাকবে বলে জানানো হয়েছে সংবাদ সম্মেলন থেকে।

পক্ষ ও বিপক্ষের কর্মসূচির সমর্থনে ১৬ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে আওয়ামী লীগ আর যুবলীগের ব্যানারে দুটি র‌্যালি এবং বিএনপির ৩ গ্রুপের ৩টি র‌্যালি হয়েছে কাছাকাছি দূরত্বে। সকলেই পরস্পরের বিরুদ্ধে স্লোগান আর বক্তব্য দিলেও তা শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়ে যায়নি। নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির র‌্যালি চলাকালে তা থেকে ৪/৫ গজের মধ্যেই প্রদীপ রঞ্জন করের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ছিলেন কিন্তু কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব হয়নি। বিএনপির কর্মসূচি শেষ হলেই প্রদীপ কর ও আব্দুর রহিম বাদশা’র নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের র‌্যালি শুরু হয় ডাইভার্সিটি প্লাজায়।

স্টেট বিএনপির এ র‌্যালিতে শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও বেগম জিয়ার মুক্তি দাবিতে স্লোগানের পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন ছাড়া বিএনপি কখনো সে নির্বাচনে যাবে না বলে মন্তব্য করা হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ জসীম ভূইয়া, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা জসীমউদ্দিন, সভাপতি মাওলানা অলিউল্লাহ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, সেক্রেটারি সাইদুর রহমান, মহানগর বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা, শ্রমিক দলনেতা রফিকুল মাওলা প্রমুখ।

অপরদিকে আওয়ামী লীগের শোভাযাত্রায় বক্তব্য দেন ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, আব্দুর রহিম বাদশা, এডভোকেট শাহ বখতিয়ার, কাজী কয়েস, মিসবাহ আহমেদ, ফরিদ আলম, কায়কোবাদ খান, হিন্দাল কাদির বাপ্পা, শাহীন আজমল, মুক্তিযোদ্ধা আর আমিন, শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রায় একইসময়ে শেখ হাসিনাকে কাল পতাকা প্রদর্শনের কর্মসূচি সফল করার প্রস্তুতি সভা হয় নিকটস্থ কাবাব কিং পার্টি হলে। বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির বিলুপ্ত কমিটির সেক্রেটারি জিল্লুর রহমান জিল্লু এবং পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিএনপি নেতা পারভেজ সাজ্জাদ।

নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির বিলুপ্ত কমিটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরী ও মোহাম্মদ বশির, প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক ডা. মজিবর রহমান মজুমদার, যুগ্ম সম্পাদক গোলাম ফারুক শাহীন, আনোয়ার হোসেন এবং ফিরোজ আহমেদ, মহিলা সম্পাদিকা সৈয়দা মাহমুদা শিরিন, জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভাপতি রাফেল তালুকদার, বিএনপি নেতা শামসুল ইসলাম মজনু, বাসিত রহমান, শাহাদৎ হোসেন রাজু, হেলালউদ্দিন, এমলাক হোসেন ফয়সল, কাজী আমিনুল ইসলাম, যুবদল নেতা জাকির হোসেন চৌধুরী, আবু সাঈদ আহমেদ প্রমুখ।

অধ্যাপক দেলোয়ার বলেন, বাংলাদেশে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে জনগণের সরকার নির্বাচিত করতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের বিকল্প নেই। এ দাবির সমর্থনে বিশ্বজনমত গড়তেই জাতিসংঘের সামনে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে হবে।

বিএনপির অপর অংশের আরেকটি প্রস্তুতি সভা হয় ইত্যাদি পার্টি হলে। ডা. মজিবর রহমান, সৈয়দ এম রেজা, মোহাম্মদ বশীর প্রমুখ এ সময় বক্তব্য রাখেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest