সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

সাতক্ষীরায় মুক্তিযোদ্ধার কন্যার রেকর্ডীয় সম্পত্তির গাছ কাটার অভিযোগ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে গায়ের জোরে এক মুক্তিযোদ্ধার কন্যার রেকর্ডীয় সম্পত্তি থেকে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে। গত ১৯ অক্টোবর১৮ তারিখে সাতক্ষীরা শহরের বাকাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগসুত্রে জানাগেছে, বিগত ২০১০ সালে পলাশপোল মৌজায় জে, এল ৯৪, ১৪৩৭৭ দাগে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর কাদেরের কন্যা সেলিনা আক্তার সাড়ে ৫ কাঠা এবং ট্রাক চালক জামাল উদ্দিনের স্ত্রী রেহেনা পারভীন ৬ কাঠা জমি ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের পর থেকে পিছনের সম্পত্তির মালিক মৃত নইমুদ্দিনের ছেলে কেরামত আলী সেলিনা আক্তার, রেহেনা পারভীনের রেকর্ডীয় সম্পত্তির উপর দিয়ে অবৈধভাবে রাস্তা দাবি করতে থাকেন। অথচ ইতোপূর্বে যাতায়াতের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে শালিশী বৈঠকের মাধ্যমে একটি রাস্তা নির্মাণ করা হয়। তারপরও কেরামত আলী গায়ের জোরে তাদের সম্পত্তির উপর দিয়ে রাস্তা দাবি করে বিভিন্ন হুমকি-ধামকি প্রদর্শন করেন। এবিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানালে। তারা কয়েকবার ওই কেরামত আলীর সাথে মিমাংসা করার চেষ্টা করা হলেও কেরামত প্রভাবখাটিয়ে কাউকে তোয়াক্কা করেনি।
ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা কন্যা সেলিনা আক্তার জানান, আমার স্বামী একজন মাদ্রাসা শিক্ষক। শিক্ষকতার কারণে তিনি বেশির ভাগ সময় বাড়ির বাইরে থাকেন অন্যদিনে রেহেনার স্বামী ট্রাক চালক হওয়ায় বিভিন্ন সময় জেলার বাইরে থাকেন। ফলে আমার মহিলারা বাড়িতে থাকি। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে কেরামত আলী এবং তার বড়পুত্র সাইদুল ইসলাম ইচ্ছামত আমাদের রেকর্ডীয় সম্পত্তিতে এসে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে। আমাদের বাড়িতে কোন পুরুষ মানুষ না থাকায় তাদের কোন কথার প্রতিবাদ না করে চুপচাপ সহ্য করে যাচ্ছিলাম। কিন্তু গত ১৯ অক্টেবার’১৮ তারিখ সকালে আমরা কেউ বাড়িতে না থাকার সুযোগে ওই কেরামত আলী ও পুত্র সাইদুল ইসলাম সম্পূর্ণ গায়ের জোরে অবৈধভাবে আমাদের বাড়িতে প্রবেশ করে সম্পত্তি থেকে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা কেটে দেয়। আমরা বাড়ি ফিরে এবিষয়ে তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করতে গেলে আমাদের খুন,জখমসহ মিথ্যা জড়িয়ে হয়রানি করার হুমকি প্রদর্শন করে।
উল্লেখিত ব্যক্তি একজন দূর্ধর্ষ প্রকৃতির ব্যক্তি। সে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে মূল্যায়ন করে না। তারা উপায়ন্তর হয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীরা। তারা অবিলম্বে এই দুধর্ষ কেরামত আলীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা সদর থানাপুলিশের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে অভিযুক্ত কেরামত আলীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি গাছকাটার কথা স্বীকার করে বলেন গাছ না কাটলে তো সমাধান হবে না। তাই গাছ কেটেছি। তবে তার ছেলে সাইদুল গাছ কাটা অন্যায় হয়েছে বলে জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি বিলুপ্তি

 

স্বেচ্ছাচারিতা ও দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করায় ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে। ২০ অক্টোবর’১৮ তারিখে সদর উপজেলার সভাপতি মিজানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মঈনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একপত্রে উক্ত কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচন হবে কি-না জানি না: এরশাদ

দেশের খবর: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে কি-না, সে বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তিনি বলেছেন, জাতীয় পার্টি অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন চায়।

শনিবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাপার নেতৃত্বাধীন ‘সম্মিলিত জাতীয় জোট’র মহাসমাবেশে সভাপতির বক্তৃতায় এরশাদ এ কথা বলেন।

সাবেক এ রাষ্ট্রপতি বলেন, নির্বাচন হওয়া নিয়ে শঙ্কায় আছি, নির্বাচন হবে কি-না জানি না। তবে জাতীয় পার্টি অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়।

সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জোটগতভাবে সব আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা বললেও এরশাদ ফের বলেন, তিনশ’ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হবে। জাতীয় পার্টিই আবার ক্ষমতায় আসবে।

ক্ষমতায় এলে জাপার পরিকল্পনা তুলে ধরে চেয়ারম্যান বলেন, জাতীয় পার্টি নির্বাচন পদ্ধতির পরিবর্তন করতে চায়। বিচার বিভাগ স্বাধীন করাসহ ধর্মীয় মূল্যবোধ বজায় রাখবে। শিক্ষা পদ্ধতির পরির্বতন এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় জাপা।

অতীত ইতিহাস তুলে ধরে এরশাদ জানান, তিনি ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়ার পর অনেক নির্যাতন সহ্য করেছেন। শান্তিতে ঘুমাতেও পারেননি।

সমাবেশে জাপার সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ বলেন, জনগণের কথা চিন্তা করতে হবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় যেতে চায়। এজন্য দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ওমরাহ করে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: মক্কায় পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে দেশের ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার রাত ১টা ২০ মিনিটে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট (স্থানীয় সময়) বিকেল ৪টা ১মিনিটে জেদ্দার বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দেশের উদ্দেশে যাত্রা করে।

সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ, জেদ্দায় বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল এফএম বোরহানউদ্দিন এবং সৌদি সরকারের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে বিদায় জানান।

সৌদি আরব সফরকালে প্রধানমন্ত্রী রাজপ্রাসাদে সৌদি বাদশাহ’র সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তার সম্মানে বাদশাহর দেয়া মধ্যাহ্ন ভোজে যোগ দেন। তিনি সৌদি আরবের যুবরাজ, উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী কাউন্সিল অব সৌদি চেম্বার এবং রিয়াদ চেম্বার অব কমার্স নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকের পর ঢাকা ও রিয়াদের মধ্যে প্রতিরক্ষা এবং শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা সংক্রান্ত পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়।

শেখ হাসিনা সৌদি রাজধানী রিয়াদের কূটনৈতিক এলাকায় বাংলাদেশ চ্যান্সারি ভবন উদ্বোধন এবং জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মদিনায় মসজিদে নববীতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা জিয়ারত করেন এবং মক্কায় পবিত্র ওমরাহ পালন করেন।

সৌদি বাদশাহ এবং দুটি পবিত্র মসজিদের খাদেম সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের আমন্ত্রণে দেশটিতে চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যান শেখ হাসিনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনকে সামনে রেখে ডিসি-এসপিদের সতর্ক থাকার নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সব জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারদের (এসপি) অধিকতর সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে আগামী নির্বাচনের আগে বর্তমান সরকারের প্রতি দেশের মানুষের সমর্থন আদায়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং তা ব্যাপক প্রচারেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এসব আদেশ সম্বলিত চিঠি ও ই-মেইল বার্তা দেশের সব ডিসি ও এসপিদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও জানা গেছে।

নভেম্বরের মধ্যে একাদশতম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে ইতোমধ্যেই গণমাধ্যমকে জানিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। সে অনুযায়ী চলতি বছরের শেষে অথবা আগামী বছরের শুরুতে দেশে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
সরকারের ওপর মহলের কাছ থেকে বিভিন্ন আদেশ সম্বলিত চিঠি ও মেইল বার্তা পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে একাধিক জেলা প্রশাসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, আসন্ন ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে জঙ্গি, সন্ত্রাসী, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা সুবিধাবাদী ও মাদক চোরাকারবারি গোষ্ঠী হয়তো মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। সে ক্ষেত্রে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলকে মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ডিসি ও এসপিদের জেলার বিভিন্ন উপজেলা পরিদর্শনেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আদালতের জামিনে থাকা রাজনৈতিক সন্ত্রাসীদের গতিবিধি নজরে রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় প্রশাসনের উচ্চপদস্ত কর্মকর্তারা জানান, জেলার স্পর্শকাতর অবকাঠামো, বিশেষ করে ডিসি-এসপির বাসভবন ও অফিস, জেলা কারাগার, জেলা সদর হাসপাতাল, জেলা ও দায়রা জজের বাসভবন ও আদালত, জেলার প্রধান স্কুল ও কলেজসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলো সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখার কথা বলা হয়েছে। এসব স্থানে সাদা পোশাকে সার্বক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দায়িত্ব পালনের কথাও বলা হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘাপটি মেরে থেকে সন্ত্রাসী ও জঙ্গিরা সুযোগ মতো নাশকতা বা অঘটন ঘটাতে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই অধিকতর সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশের উত্তরবঙ্গের একজন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, ‘যদিও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সব সময় স্বাভাবিক রাখা সরকারের নিত্যনৈমিত্তিক দায়িত্ব। তবে নির্বাচনকে ঘিরে এ সতর্কতা আরও কিছুটা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ প্রতি নির্বাচনের সময়ই এ ধরনের সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয় বলে জানান বরিশাল বিভাগের একজন জেলা প্রশাসক।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো একটি গোয়েন্দা সংস্থার চিঠিতে জঙ্গি গোষ্ঠী কর্তৃক নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে এমন তথ্য উল্লেখ রয়েছে। সূত্র জানায়, ওই চিঠির পর পুলিশ সদর দফতর থেকে দেশের সব জেলা পুলিশ সুপার এবং জেলা ও থানা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মরত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
এদিকে বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডসমূহ জনগণের অবগতির জন্য ব্যাপক প্রচারের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে। এসব কাজ সম্পাদনের জন্য জেলা উপজেলা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, নির্দেশ মতো কাজ হচ্ছে কিনা তা সরজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে স্বল্প সময়ের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জেলাওয়ারি পাঠানো হচ্ছে।
সূত্র আরও জানায়, জনগণের জন্য দেওয়া সরকারের সুযোগ সুবিধা, খাদ্য সামগ্রী, নগদ আর্থিক সহায়তা যাতে ঠিকমতো সুবিধাভোগীদের হাতে পৌঁছায় সে বিষয়টি কঠোর মনিটরিংয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে কঠোর নজরদারিতে রাখতে বলা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্বাচনের পূর্ব মূহূর্ত পর্যন্ত যাতে অহেতুক নিজ দফতরে অনুপস্থিত না থাকেন সে দিকেও নজর রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট দফতর প্রধানদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য ডিসি এসপিদের বলা হয়েছে। নিয়মিতভাবে জেলা আইন শৃ্ঙ্খলা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠানেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, সম্প্রতি পুলিশ সদর দফতরে অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পুলিশের আইজি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। বৈধ অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া তথ্য প্রচার করে অথবা গুজব ছড়িয়ে কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে সে ব্যাপারে তৎপর ও সজাগ থাকার জন্য পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে সরকারের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু জানিয়েছেন, ‘দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কারও কোনও উদ্বেগ নেই। সবকিছু সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। দেশে নির্বাচনি পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে, জনগণ এখন নির্বাচনমুখী। দেশবাসী মনে করে, এবার নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। কোনও ধরনের নাশকতার আশঙ্কা নাই, কারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ ব্যাপারে অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।’
কমিটির সদস্য সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ জানিয়েছেন, ‘নির্বাচনকে ঘিরে কোনও মহল দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনও তথ্য আমাদের জানা নাই। এ ধরনের আশঙ্কার সঙ্গে বাস্তবতার কোনও মিল নাই।’
এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, ‘দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। শুধু নির্বাচন নয়, সারা বছরই দেশের আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখা পুলিশের দায়িত্ব। পুলিশ নিয়মিত সে কাজ করছে। আর অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার পুলিশের সারা বছরের কাজ।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকা ও বিভাগীয় শহরে হবে ১৯ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়

অনলাইন ডেস্ক: মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) আওতায় রাজধানীর পাশাবর্তী এলাকা এবং কয়েকটি বিভাগীয় শহরে ১৯টি মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। এসব বিদ্যালয় তৈরিতে আলাদা দুটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এ বাবদ ৮৩৫ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। একটি প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও অপরটির অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে মাউশি সূত্র।
মাউশি সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ বিভাগীয় শহরে সরকারি ৯টি মডেল বিদ্যালয় তৈরি করা হবে। এ বাবদ ৪৩৫ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। অন্যদিকে ঢাকা শহর সন্নিকটবর্তী এলাকায় ১০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। এ দুই প্রকল্পের আওতায় নতুন করে ১৯টি বিদ্যালয় গড়ে তোলা হবে। দেশের চারটি বিভাগীয় শহরের মধ্যে রাজশাহী জেলায় দুটি, রংপুর জেলায় দুটি চট্টগাম জেলায় দুটি, ময়মনসিংহে একটি এবং জয়পুরহাট ও শ্রীমঙ্গল চা বাগান এলাকায় একটি করে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় গড়ে তোলা হবে। আধুনিক ভৌত অবকাঠামো সুবিধাদি এবং যুগোপযোগী শিক্ষা সামগ্রীর সমন্বয়ে এসব বিদ্যালয়গুলো গড়ে তোলা হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ৯ বিদ্যালয় প্রকল্পের প্রতিটি স্কুলে আধুনিক ভবন, আইসিটি ল্যাব, সাইন্স ল্যাব, লাইব্রেরি, ইন্টারনেট সুবিধাসহ ল্যাপটপ, কম্পিউটার ও কম্পিউটার সামগ্রী, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, বই-পুস্তুক, খেলাধুলার সরঞ্জাম, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র, রাস্তা নির্মাণ করা হবে। তিন বছর মেয়াদি ‘৯টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপন’প্রকল্প বাস্তবায়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০৩ কোটি টাকা। ইতোমধ্যে এ প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) প্রাথমিক পর্যায়ের সভায় অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আগামী একমাসের মধ্যে এটি একনেকের চূড়ান্ত সভায় তোলা হতে পারে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে মাউশির পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘বিভিন্ন বিভাগীয় শহরের যে সব স্থানে সরকারি বিদ্যালয় সঙ্কট রয়েছে সে সব জেলা সদরে নতুন করে ৯টি বিদ্যালয় তৈরি করতে এ প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘একনেকের প্রাথমিক পর্যায়ের সভায় এটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আগামী মাসের মধ্যে একনেকের চূড়ান্ত সভায় বাজেট পাস হলে প্রকল্প পরিচালকসহ জনবল নিয়োগ দেয়া হবে।’ এরপর প্রথম পর্যায়ে জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু করা হবে বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষাদান কার্যক্রমকে আধুনিক করা ও শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতে রাজধানী ঢাকার আশপাশের এলাকায় ১০টি মডেল বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একনেকে অনুমোদনের পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) আওতায় ঢাকা শহর সন্নিকটবর্তী এলাকায় ১০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য দুই একর করে জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হয়েছে। এখন ভবন তৈরির কাজ শুরু হবে।

প্রকল্প সংশ্লিরা জানিয়েছেন, রাজধানীর আশপাশের এ ১০টি মডেল বিদ্যালয় পুরোপুরি চালু হলে প্রতিটি বিদ্যালয়ে চার শিফটে ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত দুই হাজার ৭০০ জন করে মোট ২৭ হাজার শিক্ষার্থী লেখাপড়ার সুযোগ পাবে। এতে স্থানীয় জনগণের চাহিদা পূরণ ছাড়াও রাজধানীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের চাপ কমবে।

প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলতে যা বোঝায় তারই মডেল হিসেবে ১০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপনের কাজ চলছে। আগামী ২০২১ সালের মধ্যে বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা রয়েছে। ইতোমধ্যে বিদ্যালয়গুলো স্থাপনের জন্য স্থান নির্বাচন হয়েছে। ’
জানা গেছে, বিদ্যালয় ১০টি ঢাকার নবীনগরের পাথালিয়া, আশুলিয়ার বাইপাইল, ধামরাই উপজেলার গাওয়াইল, হোমায়েতপুরের বিলামালিয়া, জোয়ারসাহারা, সাতারকুল ও কেরানীগঞ্জের পশ্চিমদী।
নারায়ণগঞ্জ জেলার পূর্বাচলের ১৭ নম্বর প্লট, সাইনবোর্ড এলাকার জালকুড়ী এবং চিটাগাং রোডের খোদ্দঘোষপাড়া এলাকায় স্থাপন করা হবে।

প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুযায়ী, প্রতিটি বিদ্যালয় ভবন হবে ১০ তলা। বিদ্যালয় এলাকার ভেতরেই থাকবে প্রতিষ্ঠান প্রধানের আবাসিক ভবন। এ ছাড়া স্কুলে শিক্ষার্থীদের থাকবে পৃথক কমন রুম। থাকবে খেলার মাঠ ও লাইব্রেরি কক্ষ। প্রতিটি বিদ্যালয়েই নির্মাণ করা হবে একটি করে শহীদ মিনার। স্কুলের জন্য থাকবে নির্দিষ্ট রাস্তা ও ফুলের বাগান।
এ ছাড়া প্রতিটি বিদ্যালয়ে থাকবেন একজন প্রধান শিক্ষক, দু’জন সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং ১০৮ জন সহকারী শিক্ষক। বিদ্যালয়গুলোতে থাকবে আইসিটি, জীববিজ্ঞান, রসায়ন ও পদার্থ বিজ্ঞানের পৃথক ল্যাবরেটরি। এগুলোর জন্য থাকবেন পৃথক ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট। প্রতিটি বিদ্যালয়ে দু’জন স্টুডেন্ট কাউন্সিলর এবং একজন করে প্রশাসনিক কর্মকর্তাও নিয়োগ করা হবে। বিদ্যালয়গুলোতে মোট ১৬২ জন শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকবেন।
প্রকল্প বাস্তবায়নে সময় ধরা হয়েছে ২০১৭ সালের জুন থেকে ২০২০ সালের জুন পর্যস্ত। প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৭৩ কোটি ৪৬ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। এর মধ্যে প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ের জন্য দুই একর করে জমি বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০০ কোটি টাকা আর ভূমি উন্নয়ন বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে দুই কোটি চার লাখ ৪৪ হাজার টাকা। ভবন নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২১০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। এ ছাড়া আসবাবপত্রসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে চার কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ সোহরাওয়ার্দীতে জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশ

দেশের খবর: আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগমুহূর্তে নিজেদের শক্তি ও সামর্থ্যরে জানান দিতে রাজধানী ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ করছে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত জাতীয় জোট।
শনিবার (২০ অক্টোবর) এ মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
এবারের মহাসমাবেশে অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বৃহত্তম জমায়েতের মধ্য দিয়ে রাজধানীতে বড় ধরনের শোডাউন করতে চায় দলটি।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এতে সভাপতিত্ব করবেন। তিনি এ মহাসমাবেশ থেকে আগামী নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করবেন, দেবেন রাজনীতিতে নতুন বার্তা।
মহাসমাবেশের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে সকাল ১০টায়। পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারসহ জাতীয় পার্টি এবং জোটের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেবেন।
এদিকে, মহাসমাবেশ সফল করতে দলের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীসহ দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি বলেছেন, এবারের মহাসমাবেশ অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এদিন রাজধানী ঢাকা থাকবে জাতীয় পার্টির দখলে। জাতীয় পার্টির শক্তি এবং সামর্থ্যরে বিষয়টিও জানান দেয়া হবে এ মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে।

নির্বাচনের আগে এ মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রাজধানীতে নতুন বার্তা দেবেন জানিয়ে তিনি বলেন, জাতির উদ্দেশে আগামী দিনের দিকনির্দেশনা দেবেন। এ মহাসমাবেশ থেকে নির্বাচনী রোডম্যাপও ঘোষণা করা হবে।
এদিকে জাতীয় পার্টির একাধিক নেতা জানান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এবং উত্তর ছাড়াও দোহার, নবাবগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, সোনারগাঁ, নরসিংদী, সাভার, ধামরাই, কালীগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, মানিকগঞ্জসহ ঢাকার আশপাশের এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী মহাসমাবেশে অংশ নেবেন।

এ ছাড়াও বরিশাল, রংপুর, সিলেট, চট্টগ্রামসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে বাস, ট্রেন এবং লঞ্চে নেতাকর্মীরা মহাসমাবেশে যোগ দিতে ঢাকায় আসবেন।

অন্যদিকে, মহাসমাবেশের দিন যাতে কোনো ধরনের নাশকতা না ঘটে, এজন্য বাড়তি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি জাতীয় পার্টির একাধিক নিজস্ব টিম নিরাপত্তার বিষয়টি দেখভাল করবে। এছাড়া প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ছুটে আসা নেতাকর্মীদের যাতে কোনো ধরনের সমস্যা না হয়, তা দেখভাল করার জন্যও একাধিক টিম গঠন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইপিএলে দল হারালেন মোস্তাফিজ

খেলার খবর: ভারতের জমজমাট ঘরোয়া ক্রিকেট লিগ আইপিএলের ১২তম আসর শুরু হতে আরও অনেক সময় বাকি। আগামী বছর মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের গ্ল্যামারাস এই ফ্রাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। তবে তার আগেই শুরু হয়ে গেছে আইপিএলের উত্তাপ। এখন থেকেই শুরু হয়েছে খেলোয়াড় ট্রান্সফার, কেনা-বেচা।
যদিও আইপিএলের নিলাম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে। তবে তার আগেই বিদেশি ক্রিকেটার কেনা-বেচার সুযোগ পাচ্ছে ফ্রাঞ্চাইজিগুলো এবং শুরুতেই চমক দিয়ে দিলো মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। সবার আগে তারা রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু থেকে কিনে নিলো দক্ষিণ আফ্রিকান ওপেনার কুইন্টন ডি কককে।

প্রোটিয়া এই ওপেনারকে কিনতে গিয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ছেড়ে দিয়েছে বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমানকে। সঙ্গে তারা ছেড়েছে শ্রীলঙ্কান স্পিনিং অলরাউন্ডার আকিলা ধনঞ্জয়াকে।
ইএসপিএন ক্রিকইনফো রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, গত মৌসুমে ২ কোটি ৮০ লাখ রুপিতে ডি কককে কিনেছিল ব্যাঙ্গালুরু (আরসিবি)। এবার একই মূল্যে আরসিবির কাছ থেকে ডি কককে কিনেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। যে কারণে ২ কোটি ২০ লাখ রুপিতে কেনা মোস্তাফিজুর রহমান এবং ৫০ লাখ রুপিতে কেনা আকিলা ধনঞ্জয়াকে ছেড়ে দিয়েছে আইপিএলের তিনবারের শিরোপা জয়ীরা।

ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে গত আসরে ৮ ম্যাচ খেলে ২০১ রান করেছিলেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান কুইন্টন ডি কক। স্ট্রাইক রেট ছিল ১২৪.০৭ করে। যদিও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে রয়েছেন আরও দুই উইকেটরক্ষক ইশান কিশান এবং আদিত্য তারে। তবে, মুম্বাইর প্রয়োজন টপ অর্ডারে একজন হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান। এ কারণেই ডি কককে বেছে নিয়েছে তারা।

ক্যারিবীয় ওপেনার এভিন লুইস শুরুতে ইনিংস ওপেন করলেও শেষের দিকে এসে ফর্ম হারিয়ে ফেলেন এবং ব্যাটিংয়ে খুব সংগ্রাম করতে দেখা যায় তাকে। ডি কক এর আগেও খেলেছেন দিল্লি ডেয়ারডেভিলস এবং সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে। মোট ৩৪ ইনিংসে একটি সেঞ্চুরি ও ৬টি হাফ সেঞ্চুরিসহ করেছেন ৯২৭ রান। এর মধ্যে পাওয়ার প্লেতেই করেছেন শুধু ৫৭৩ রান।

আইপিএলে গত আসরের শুরুর দিকে মোস্তাফিজুর রহমানকে খেলিয়েছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। বোলিং মোটামুটি ভালোই করেছিলেন তিনি। কিন্তু, সমস্যা ছিল খুবই বাজে ফিল্ডিং করেছিলেন তিনি সেবার। একের পর এক ক্যাচ ছেড়ে মুম্বাইকে কয়েকটা ম্যাচে হারিয়েই দেন। যে কারণে, আইপিএলের মাঝপথ থেকে তাকে বসিয়ে রাখা হয় এবং শেষ পর্যন্ত আর খেলতেই পারেননি তিনি। এ কারণেই হয়তো এবার, তাকে ছেড়ে দিয়েছে মুম্বাই। আইপিএলে ২৪ ম্যাচ খেলে মোট ২৪টি উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest