সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

ঢাবির ‘গ’ ইউনিটে ৮৯ শতাংশই ফেল

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধীন ‘গ’ ইউনিটের ১ম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় ৮৯ দশমিক ২ শতাংশ পরীক্ষার্থী ফেল করেছেন। পরীক্ষায় পাসের হার মাত্র ১০ দশমিক ৯৮ শতাংশ।
সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান প্রশাসনিক ভবনের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল প্রকাশ করেন। গত ১৪ সেপ্টেম্বর ‘গ’ ইউনিটের এ ভর্তি পরীক্ষা হয়।
পরীক্ষার বিস্তারিত ফলাফল এবং ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট admission.eis.du.ac.bd জানা যাবে। এ ছাড়া DU GA লিখে রোল নম্বর লিখে ১৬৩২১ নম্বরে send করে ফিরতি SMS এ ভর্তিচ্ছুরা তার ফলাফল জানতে পারবেন।
ফলাফলে দেখা যায়, পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ২৫ হাজার ৯৫৮ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। এরমধ্যে পাস করেন ২ হাজার ৮৫০ জন । ‘গ’ ইউনিটের অধীনে আসন রয়েছে ১ হাজার ২৫০টি।
উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে পছন্দ তালিকা পূরণ করতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রসুন দিয়ে চ্যাপা শুঁটকি ভুনা

অনলাইন ডেস্ক: শুঁটকি অনেকেরই প্রিয় খাবার। গরম ভাতের সঙ্গে শুঁটকি ভুনা হলে আর কিছু দরকার পড়ে না। চলুন আজ জেনে নেই রসুন দিয়ে চ্যাপা শুঁটকি ভুনার রেসিপি-

উপকরণ: রসুন বাটা আধা কাপ, চ্যাপা শুঁটকি ৫০ গ্রাম, মরিচ বাটা ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো, ফিস সস ১ চা চামচ, তেল এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ, কাঁচামরিচ ৫টি।

প্রণালি: শুঁটকি ভালো করে ধুয়ে বেটে নিন। কড়াইতে তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি দিন। পেঁয়াজ কুচি ভাজা হলে রসুন, মরিচ, শুঁটকি ও লবণ দিয়ে ভুনতে থাকুন। ভুনা হয়ে এলে কাঁচামরিচ চিরে দিন। ফিশ সস দিন। কড়াই থেকে আলগা হয়ে তেল চকচকে হলে নামিয়ে নিন। পরিবেশন করুন ভাত, রুটি কিংবা চিতই পিঠার সঙ্গে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ শ্রীলংকার বাঁচা-মরার লড়াই

খেলার খবর: শ্রীলংকার এশিয়া কাপ শুরু হয়েছে বাংলাদেশের কাছে ১৩৭ রানের শোচনীয় হারের মধ্যদিয়ে। এমনিতে শ্রীলংকার সাম্প্রতিক ওডিআই পারফরম্যান্স সুখপ্রদ নয়।
গত ১৮ মাসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তারা যত ওডিআই খেলেছে তার অর্ধেক ম্যাচে হার হয়েছে তাদের সঙ্গী। আর ভারত, পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরেছে ওয়ানডে সিরিজ।
আজ আফগানিস্তান কি পারবে অঘটন ঘটাতে? শ্রীলংকাকে হারাতে? প্রশ্নটা তর্কযোগ্য। তবে রশিদ খানের মতো লেগ-স্পিনার যাদের সম্পদ, সেই আফগানদের স্পিন-ঐশ্বর্য আরও ঋদ্ধ হয়েছে মুজিব-উর-রাহমান ও মোহাম্মদ নবীর মতো খেলোয়াড়ের দরুন।
জীবন-মরণ ম্যাচে না জিতে উপায় নেই শ্রীলংকার। এমন ম্যাচে অফ-স্পিনার আকিলা দনানজয়াকে পাওয়াটা চন্ডিকা হাথুরুসিংয়ের জন্য স্বস্তির বিষয়। তার প্রথম সন্তানের আগমনে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। এ বছর সব ফরম্যাটে আকিলাই শ্রীলংকার খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে ধারাবাহিক। লাসিথ মালিঙ্গার প্রত্যাবর্তনে লংকানদের শক্তি বেড়েছে। আফগানিস্তানের তুলনায় তাই অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসরা শক্তিতে এগিয়ে। তাই বলে আফগানদের হালকাভাবে নেয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।
এবারের এশিয়া কাপের তৃতীয় ম্যাচের ভেন্যু আবুধাবি। দুবাইয়ের মতো সেখানেও প্রচণ্ড গরম। তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপর। রাতে শিশির পড়ে। পরে ফিল্ডিং করা দলের বোলারদের গ্রিপ ঠিক রাখা কষ্টকর। শ্রীলংকার জন্য প্রেরণা হতে পারে এই ফরম্যাটে আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলা দুটি ম্যাচেই পাওয়া জয়। এরমধ্যে দ্বিতীয় জয়টি চার উইকেটে। ২০১৫ বিশ্বকাপে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মোহাম্মদ আশরাফুল ‘এ’ দলে জায়গা পেলেন

খেলার খবর: আশরাফুল বাংলাদেশ ‘এ’ দলে জায়গা পেয়েছেন। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) হাইপারফরম্যান্স ইউনিটের বিপক্ষে ‘এ’ দলের হয়ে চারদিনের ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করবেন ৩৪ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।
২০১৬ সালে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরলেও, বন্ধ ছিল জাতীয় দল ও বিপিএলের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্টের দরজা। অবশেষে গত ১৩ আগস্ট, সেই দরজাও খুলেছে। নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি শেষে আশরাফুল জানিয়েছেন, তার লক্ষ্য ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ। সেই লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন বাংলাদেশের সাবেক এই অধিনায়ক।

জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া ক্রিকেটার, ‘এ’ দলে থাকা ক্রিকেটার ও এইচপি টিমে থাকা সদস্যের সমন্বয়ে দুইটি দল গঠন করা হবে। এইচপি দলের বাইরে থাকা এই ক্রিকেটারদের তালিকায় রয়েছেন- তাসকিন আহমেদ, সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস, মার্শাল আইয়ুব, আল আমিন, নুরুল হাসান সোহান, মোহাম্মদ আশরাফুলরা।

আশরাফুলের জন্য নির্বাচকদের নজরে আসার বড় সুযোগ হবে এই চারদিনের টেস্ট ম্যাচ। সোমবার খুলনায় পৌঁছানোর কথা স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটারদের। আর বৃহস্পতিবার খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে শুরু হবে এই চারদিনের ম্যাচ।

২০১৩ সালে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে আট বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন আশরাফুল। আপিলের পর সেই সাজা কমে দাঁড়ায় পাঁচ বছর। দুই বছর আগে বিপিএল ছাড়া অন্যান্য ঘরোয়া আসরে খেলার ছাড়পত্র পান তিনি। অবশ্য ঘরোয়া ক্রিকেটে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে প্রথম মৌসুমে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি আশরাফুল।

তবে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে নিজের সর্বশেষ মৌসুমে দারুণ কিছুই করে দেখিয়েছেন আশরাফুল। হাঁকিয়েছেন পাঁচটি সেঞ্চুরি। পাশাপাশি লিস্ট এ ক্রিকেটে বেশ ধারাবাহিকও ছিলেন তিনি। গত দুই মৌসুমে ২৩টি পঞ্চাশ ওভারের ম্যাচে তার ব্যাটিং গড় ৪৭.৬৩। তবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সে ধারাবাহিকতা ছিল না আশরাফুলের ব্যাটে। গত দুই মৌসুমে ১৩টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে তার ব্যাটিং গড় মাত্র ২১.৮৫।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্যাসেল-৩ বাস্তবায়ন; বিপুল মূলধন ঘাটতির শঙ্কায় সোনালী ব্যাংক

দেশের খবর: ২০২০ সালের জানুয়ারির মধ্যে ব্যাসেল-৩ পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে হবে। তখন ব্যাংকগুলোকে ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে মূলধন সংরক্ষণ করতে হবে সাড়ে ১২ শতাংশ। এ পরিমাণ মূলধন সংরক্ষণ করতে হলে বিপুল পরিমাণ মূলধন ঘাটতির সম্মুখীন হবে সোনালী ব্যাংক। তাই মূলধন ঘাটতি এড়াতে সরকারের কাছে ৬ হাজার কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি চায় রাষ্ট্রায়ত্ত এ ব্যাংকটি। একইসঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় প্রদত্ত সেবাসহ সরকারের অন্যান্য সেবার ক্ষেত্রে যৌক্তিক হারে সেবার মাশুল (ফি) নির্ধারণ করতে চায় ব্যাংকটি। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সম্প্রতি সোনালী ব্যাংকের সিইও এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে একটি চিঠিতে ব্যাংকটির বর্তমান পরিস্থিতি জানিয়ে ব্যাসেল-৩ বাস্তবায়নে মূলধন ঘাতটি পুরনে ব্যাংক গ্যারান্টিসহ বেশ কিছু পলিসিগত সুবিধা চেয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিগত দিকনির্দেশনা এবং এ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নিবিড় তদারকিসহ যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে সোনালী ব্যাংক ২০১৭ সালে সত্যিকার অর্থেই ঘুড়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১৭ সালে এ ব্যাংক দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে ২য় সর্বোচ্চ এবং রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ পরিচালন মুনাফা (১ হাজার ১৯৫ কোটি টাকা) এবং সর্বোচ্চ নিট মুনাফা তথা ৭০৯ কোটি টাকা অর্জন করেছে। গত ২০০৭ সালে সোনালী ব্যাংক করপোরেটাইজকালীন একুমুলেটেড লস ৬ হাজার ৫৭৪ কোটি ৩২ লাখ টাকা ইনটেনজিবল অ্যাসেট (গুডউইল) এ স্থানান্তর করে ১০ বছরের মুনাফার বিপরীতে সমন্বয়ের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতি বছর এ ব্যাংক এক দশমাংশ অর্থাৎ ৬৫৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা করে বিগত ১০ বছরে গুডউইল বাবদ ৬ হাজার ৫৭৪ কোটি ৩২ লাখ টাকা সম্পূর্ণ সমন্বয় করা হয়েছে। তাছাড়া ২০১৫ সাল থেকে বাস্তবায়নাধীন ব্যাসেল-৩ এর কঠোর নিয়ামানুবর্তিতার কারণে ব্যাংক ক্রমাগত মূলধন ঘাটতির সম্মখীন হচ্ছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিবিড় তদারকি এবং শাখা পর্যায়ে গৃহীত কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ফলে ব্যাংকটি ২০১৮ সালের জুলাইয়ে পরিচালনা মুনাফার পরিমাণ (সাময়িক) ৯১২ কোটি টাকা অর্জন করে। যেখানে ২০১৭ সালের জুলাইয়ে এ পরিমাণ ছিল মাত্র ৩১৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ মুনাফা বৃদ্ধির হার ১৮৮ দশমিক ৬১ শতাংশ। আশা করা যাচ্ছে, আগামীতেও মুনাফা বৃদ্ধির এ ধারা অব্যাহত থাকবে। তবে ব্যাসেল-৩ নীতিমালার কারণে নিট মুনাফা অর্জনের মাধ্যমে ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি পূরণ সম্ভব হচ্ছে না। এর পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকের বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় নেয়া হলে ২০১৯ সালে ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ হিসাবে এ ব্যাংক বিপুল পরিমাণ মূলধন ঘাটতির সম্মুখীন হবে।

সোনালী ব্যাংকের চিঠিতে বলা হয়, এ ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি পূরণে সরকার যদি নগদ অর্থের পরিবর্তে ৬ হাজার কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি দেয় তাহলে কোনো নগদ লেনদেন ছাড়াই শুধু ব্যাংক গ্যারান্টি ইস্যুর মাধ্যমে এ ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি পূরণ সম্ভব হবে। তাই সোনালী ব্যাংকের বিরাজমান মূলধন ঘাটতি পূরণে ৬ হাজার কোটি টাকার সরকারি গ্যারান্টি ইস্যুর পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ করা হলো।

চিঠিতে বলা হয়, সোনালী ব্যাংককে নিজস্ব মুনাফার কথা বিবেচনার বাইরে রেখে সরকারের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে সবসময় কাজ করতে হয়। যা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টিভঙ্গিপূর্ণ নয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, সরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে পরিমিত (স্ট্যান্ডার্ড) কমিশন হচ্ছে দশমিক ৪০ শতাংশ। সে হিসাবে সোনালী ব্যাংক সরকারের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে ৯৪ হাজার ২৪৬ কোটি টাকার ঋণপত্রের ক্ষেত্রে মেয়াদকালীন প্রাপ্য কমিশনের পরিমাণ দাঁড়ায় আনুমানিক ৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। অথচ সরকার এ ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংককে থোক বরাদ্দ হিসেবে দুই দফায় ২০ কোটি দেয়ার প্রস্তাব করেছে।

ফলে ব্যাংক স্টান্ডার্ড রেট বাবদ ৫ হাজার কোটি টাকার কমিশন থেকে বঞ্চিত হয়েছে সোনালী ব্যাংক। পরবর্তীতে সরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড হারে কমিশন প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হয়।

সোনালী ব্যাংক সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় বিভিন্ন পর্যায়ের সুবিধাভোগীকে বিনামূল্যে ৩৭টি সেবা এবং নামমাত্র মূল্যে সরকারি কর্মচারীদের ১৪টি সেবা দিয়ে থাকে। এসব সেবার ক্ষেত্রে ব্যাংককে বিপুল পরিমাণ ব্যয়ভার বহন করতে হয়। সরকারের পক্ষে আর্মি পেনশন, সিভিল পেনশন, সঞ্চয়পত্র ও ওয়েজ আর্নার্স বন্ডসমূহ সোনালী ব্যাংক তার নিজস্ব তহবিল ব্যবহার করে সেবা দিয়ে থাকে। সেবামূল পরিশোধের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পুনঃভরণ দাবির নিরীক্ষাসহ যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে পুনঃভরণ পেতে উল্লেখযোগ্য সময় ব্যয় হয়। ফলে এ সব খাতে ব্যাংকের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ অনুপার্জিত অবস্থায় বিনিয়োজিত থাকে।

এ ছাড়াও বিভিন্ন সময় রাষ্ট্রীয় স্বার্থে এবং সরকারি সিদ্বান্তে অনেক অলাভজনক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। এ ক্ষেত্রে বিপিসি, বিজেএমসি, বিএডিসি ইত্যাদির সংস্থার সঙ্কটে ১৪ শতাংশ হার সুদে ঋণ দেয়া হলেও পরে সরকারি সিদ্ধান্তে মাত্র ৫ শতাংশ সুদে ২০ থেকে ৩০ বছর মেয়াদে বন্ড নেয়ার মাধ্যমে ঋণ সমন্বয় করা হয়। ফলে এ সব ক্ষেত্রে ব্যাংকের বছরে এক হাজার ৫৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ক্ষতি হয়

তাই সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় প্রদত্ত সেবাসহ সরকারের অন্যান্য সেবার ক্ষেত্রে যৌক্তিক হারে সেবার মাশুল (ফি) নির্ধারণ করার আবেদন জানান ব্যাংকটির সিইও এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ওবায়েদ উল্লঅহ আল মাসুদ।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, অনিয়ম দুর্নীতি আর অব্যবস্থাপনার কারণে খেলাপি ঋণ বাড়ছে। নিয়ম অনুযায়ী খেলাপির বিপরীতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখতে গিয়ে মূলধন ঘাটতি বাড়ছে। সরকারি ব্যাংকগুলোর এ হার বেশি।

তিনি বলেন, প্রতিবছরই বাজেট থেকে এ মূলধন যোগান দেয়। অর্থাৎ অনিয়ম-দুর্নীতি ফলে ঘাটতি হওয়া এ মূলধন পূরণে হচ্ছে জনগণের করের টাকায়। মূলধন সরবরাহের সরকারি উদ্যোগের কোনো যুক্তিযুক্ত নেই। এ উদ্যোগ রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনার অদক্ষতা এবং দুর্নীতিকে উৎসাহিত করার সামিল।

ব্যাংক গ্যারান্টির বিষয়ে সাবেক এ গভর্নর বলেন, এ ক্ষেত্রে সরকারকে নগদ টাকা দিতে না হলেও পুরো টাকার দায়ভার কিন্তু সরকারকেই নেতে হবে। তাই বিষয়টি ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। তবে সরকারি কাজে ফি নির্ধারণে বিষয়ে সরকার ভেবে দেখতে পারেন বলেও মত দেন তিনি।

এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে বলেন, সোনালী ব্যাংকের চিঠিতি নথিভুক্ত করা হয়েছে। আর বেশি কিছু তিনি বলতে চাননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেন কিনে নিয়েছে সরকার

দেশের খবর: ৩৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা দিয়ে ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেন কিনে নিয়েছে সরকার। গতকাল রবিবার গণভবনে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে সম্পত্তির বর্তমান মালিক ও তার সন্তানদের কাছ থেকে এই সম্পত্তি কেনার রেজিস্ট্রিকৃত দলিল গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এর আগে গত ৮ আগস্ট রোজ গার্ডেন ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন করে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এরপরে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় বর্তমান মালিকের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে রোজ গার্ডেনের মূল্য ৩৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা নির্ধারণ করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রোজ গার্ডেনের দলিল গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী এটিকে জাদুঘরে রূপান্তরিত করতে এক হাজার এক টাকা টোকেন মূল্যে সম্পত্তিটি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তর করেন। এ সময় সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে বাড়িটির দলিল গ্রহণ করেন।
সূত্র আরো জানায়, বর্তমানে রোজ গার্ডেন স্থাপনাটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে। ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনা করে এটিকে একটি জাদুঘরে রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘পুরান ঢাকার ইতিহাস তুলে ধরতে ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেনকে জাদুঘরে পরিণত করা হবে। রোজ গার্ডেনের একটি ঐতিহাসিক মূল্য রয়েছে। কেননা, দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন এখান থেকেই যাত্রা শুরু করে। এমন স্থাপনা নষ্ট হতে দেওয়া যায় না।’
তিনি আরো বলেন, সরকার এর আগে নগর ভবনে একটি জাদুঘর স্থাপন করেছে। তবে এখন সেই জাদুঘরটি রোজ গার্ডেনে স্থানান্তর করা হবে। ভবনটির মূল কাঠামো অপরিবর্তিত রেখে এটি সংস্কার করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, ১৯৩১ সালে ২২ একর জমির ওপর রোজ গার্ডেন স্থাপনাটি নির্মাণ করেছিলেন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ঋষিকেশ দাস। এটি পুরান ঢাকার টিকাটুলির কে এম দাস লেনে অবস্থিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কনসার্টে মদপানে অসুস্থ শতাধিক, নিহত ২

অনলাইন ডেস্ক: অতিরিক্ত মদপান করায় অস্ট্রেলিয়ার সিডনির একটি কনসার্টে শতাধিক ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এঘটনায় এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে দুজনের।
পুলিশ জানায়, ডেফকন ওয়ান নামে ওই কনসার্টে নিহত দুজনের বয়স ২১ ও ২৩। শতাধিক ব্যক্তিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৩ জনের অবস্থা গুরুতর। আর জরুরি সহায়তা চেয়েছেন ৭০০ জনেরও বেশি মানুষ।
নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গ্লাডিস বেরেজিকলিন বলেন, ‘অনেক পরিবার সকালে ঘুম থেকে উঠেই একটি ট্রাজেডির মুখোমুখি হবে। এটা সহ্য করার মতো নয়। ঘটনার আকস্মিকতায় আমি আতঙ্কিত।’
পুলিশ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ২ টিনএজারসহ ১০ জনকে চিহ্নিত করেছে। ওই দুই টিনএজার মাদক নিয়ে এসে অন্যদেরকে সরবরাহ করেছেন বলে জানা গেছে।
২০০৯ সাল থেকে সিডনিতে কনসার্টটি হয়ে আসছে। এর আগে ২০১৩ ও ২০১৫ সালেও এখানে অতিরিক্ত মাদক গ্রহণ করে ২ জন মারা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বের সেরা ৫ ব্যাটসম্যান

খেলার খবর: ভারতের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের টেস্ট সিরিজে বর্তমান ক্রিকেটের সবচেয়ে প্রতিভাবান দু’জন ব্যাটসম্যান খেলেছেন। সিরিজে ৫৯৩ রান করেন ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। টেস্ট সিরিজে কিছুটা ম্লান থাকলেও ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে পরপর দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি করে ইংল্যান্ডের ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পেছনে বড় ভূমিকা রাখেন ইংলিশ অধিনায়ক জো রুট।
রান বা ব্যাটিং গড়ের হিসেবে বিবেচনা করলে ‘বর্তমান ক্রিকেটে সেরা ব্যাটসম্যান আসলে কারা’ সহজেই এই তর্কের সমাধানে আসা যায়।
কিন্তু বর্তমানে অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফরম্যাট জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর সব ফরম্যাটে ব্যাটসম্যানের সার্বিক প্রভাব আর পারফরমেন্সের হিসেব করাটাই বেশি যুক্তিসঙ্গত।

৫. রোহিত শর্মা (ভারত)
বয়স: ৩১; টেস্ট: ২৫; রান: ১৪৭৯; গড়:৩৯.৯৭
এই তালিকায় সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত নামটি হয়তো ভারতের এই ওপেনিং ব্যাটসম্যানেরই। ভারতের টেস্ট দলে নিয়মিত সুযোগই পান না রোহিত শর্মা। কিন্তু সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তার মত ধারাবাহিকভাবে একের পর এক ম্যাচ জেতানো ইনিংস সাম্প্রতিক সময়ে খেলতে পারেননি কোনো ব্যাটসম্যানই। ওয়ানডে ক্রিকেটে ১৮টি সেঞ্চুরি থাকলেও টেস্টে রোহিত শর্মার নামের পাশে শতকের সংখ্যা মাত্র ৩টি। টেস্ট ক্রিকেটে নিজের প্রথম দুই ইনিংসেই দু’টি সেঞ্চুরি হাঁকান রোহিত। আর পরের ৪১ ইনিংস খেলে আসে তৃতীয় সেঞ্চুরিটি। ওয়ানডেতে রোহিত শর্মার ডাবল সেঞ্চুরি আছে তিনটি; আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এই অর্জন আর কোনো ক্রিকেটারের নেই।

রোহিত শর্মা ভারতে যতটা স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে রান করেন, ভারতের বাইরে ঠিক ততটাও করতে পারেন না। ভারতের ভেতরে রোহিত শর্মার টেস্ট গড় ৮৫। আর ভারতের বাইরে ২৫। ক্রিজে সেট হয়ে যাওয়ার পর অলস শট খেলে উইকেট বিলিয়ে দেয়া আসার প্রবণতা রয়েছে তার।

৪. কেইন উইলিয়ামসন (নিউজিল্যান্ড)
বয়স:২৮; টেস্ট:৬৫; রান:৫৩৩৮; গড়:৫০.৩৫
বর্তমান যুগের চার ব্যাটিং ‘গ্যালাক্টিকো’র মধ্যে সবচেয়ে বেশি উপেক্ষিত বলা যায় তাকে।ব্যাটিংয়ের ক্ষেত্রে রীতিমত বৈজ্ঞানিক ধারা মেনে চলেন উইলিয়ামসন। তিনি রক্ষণে যেমন মনোযোগী, আক্রমণেও তেমনই সুশৃঙ্খল। সাধারণত ব্যাটিংয়ের সনাতন রীতি মেনে চলেন তিনি। উইলিয়ামসন ফিল্ডারদের গ্যাপে শট খেলতে পছন্দ করেন। স্ট্রোক নেয়ার ক্ষেত্রে তাকে খুব একটা আগ্রাসী ভূমিকায় কখনোই দেখা যায় না।

তার ব্যাটকে বিধ্বংসী অস্ত্র হিসেবে নয়, সূক্ষ্ম কাজ সম্পাদন করতে পারা যন্ত্র হিসেবে দেখতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। তবে প্রয়োজনের সময় ঠিকই বিধ্বংসী হয় ওঠার ক্ষমতা রাখেন উইলিয়ামসন। বিশেষ করে শর্ট বলকে দারুণ ধারাবাহিকতার সাথে মিড উইকেটে পুল করার সক্ষমতা রয়েছে তার। নিউজিল্যান্ডের কিংবদন্তী মার্টিন ক্রো’র ১৭ টেস্ট সেঞ্চুরির রেকর্ড এবছর ছাড়িয়ে গিয়েছেন উইলিয়ামসন। টেস্টের পাশাপাশি ওয়ানডে ক্রিকেটেও দারুণ কার্যকর উইলিয়ামসন। ওয়ানডেতে ৫ হাজারের বেশী রান তিনি করেছেন প্রায় ৪৭ গড়ে।

৩. জো রুট (ইংল্যান্ড)
বয়স:২৭; টেস্ট:৭৪; রান:৬২৭৯; গড়:৫১.০৪
মসৃণ ভঙ্গিমা, চমৎকার ব্যাকফুট গেম এবং ধারাবাহিকতা জো রুটের ব্যাটিংয়ের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। প্রথম বল থেকেই ঝুঁকিহীনভাবে রান করা শুরু করেন তিনি। ব্যাটিংয়ের সময় শরীরের ভারসাম্য দারুণভাবে ধরে রাখা রুট ব্যাকফুটের পাশাপাশি ফ্রন্টফুটেও নান্দনিক ব্যাটিং করেন। রুটের ব্যাটিংয়ের মূল অনুষঙ্গ টাইমিং। অফ স্ট্যাম্পের ওপর খেলেন বলে অনেক সময়ই লেগ বিফোর উইকেট হয় আউট হন রুট। তবে রুটের প্রধান সমস্যা চমৎকার ভাবে শুরু করেও শেষপর্যন্ত বড় ইনিংসে খেলতে না পারা।

ওভালে ভারতের সাথে তার সেঞ্চুরিটি ১৩ মাসের মধ্যে তাঁর একমাত্র টেস্ট সেঞ্চুরি। এর মধ্যে খেলা টেস্টে ৯টি অর্ধশতক রয়েছে তার।
ইনিংসকে অর্ধশতক থেকে শতকে রূপান্তরের হার খুব একটা ভাল নয় রুটের – ২৫%। ৪১টি ফিফটি ও ১৪টি সেঞ্চুরি করা রুটের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা মনে করা হয় তার ফিটনেস। তার শারীরিক শক্তি বা স্ট্যামিনা কোহলি বা স্টিভ স্মিথের মত নয়, যে কারণে ঐ দু’জনের চেয়ে তিনি পিছিয়ে আছেন বলে মনে করা হয়।

২. স্টিভ স্মিথ (অস্ট্রেলিয়া)
বয়স:২৯; টেস্ট:৬৪; রান:৬১৯৯; গড়:৬১.৩৭
স্মিথের প্রচলিত ধারার বিপরীতমুখী শাফলিং ব্যাটিং টেকনিক নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে। কিন্তু তার পদ্ধতি যে যথেষ্ট কার্যকর তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। ২০১৭-১৮ সালের অ্যাশেজ সিরিজের সময় তাঁর ব্যাটিং গড় ছিল ৬৩.৭৫ , টেস্ট ইতিহাসে স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের পর যা সবচেয়ে বেশি (অন্তত ২০বার বা তার চেয়ে বেশি ইনিংস ব্যাট করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে)। অফ স্টাম্পে গার্ড নেয়া ব্যাটসম্যানদের পথিকৃতদের মধ্যে একজন স্মিথ (সাধারণত ব্যাটসম্যানরা লেগ বা মিডল স্ট্যাম্পে গার্ড নেয়)। এর ফলে ফ্রন্টফুটে খেলে পিচ থেকে বের হয়ে এসে এলবিডব্লিউ হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমিয়ে আনেন তিনি।
মনে হতে পারে এভাবে ব্যাট করার কারণে তার উইকেট অনেকটাই অরক্ষিত হয়ে যায়; তবে এই পদ্ধতি তার পছন্দের লেগ সাইডে রান করার জন্য তাকে সবসময় সুযোগ করে দেয়। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে শেষ চার বছরে তাঁর গড় ৯৬, অস্ট্রেলিয়ার বাইরে যা ৫৭।
মাঝেমধ্যে ‘গালি’ পজিশনে বল স্লাইস করে আউট হওয়ার প্রবণতা বাদে স্মিথের ব্যাটিংয়ে বড় কোনো খুঁত নেই; তবে বাঁহাতি স্পিনারদের বলে বেশিবার আউট হতে দেখা গেছে তাকে। কোহলির পর অর্ধশতককে শতকে পরিণত করার হার সবচেয়ে বেশি স্মিথের; ৪৯%।
এপিল মাসে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হওয়ার পর ২০১৯ বিশ্বকাপের আগে পুরো ফর্মে ফিরে আসাই স্মিথের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

১. বিরাট কোহলি (ভারত)
বয়স:২৯; টেস্ট:৭১; রান:৬১৪৭; গড়:৫৩.৯২
দেশের মাটিতে খেলা হলে কোহলি নিশ্চিতভাবে রান করবেন। তার ব্যাটিংয়ে দৃঢ়প্রত্যয় আর আত্মবিশ্বাসের ছাপটা অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর আরো বেশি নজর কেড়েছে। মাঠে তার আচরণে তাকে কলহপ্রিয় – এমনকি কখনো উস্কানিমূলকও – বলে মনে করা স্বাভাবিক। অদম্য স্পৃহা ও সর্বোচ্চ ফিটনেস লেভেলের একজন খেলোয়াড় তিনি। ওয়ানডেতে তার ব্যাটিং গড় ৫৮’র বেশি; আর টি টোয়েন্টিতে তা প্রায় ৪৯। তার প্রজন্মের সবচেয়ে কার্যকর অল-রাউন্ড ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন কোহলি। তার বিরুদ্ধে বল করা যেকোনো বোলারের জন্যই ভীতিকর একটি বিষয়। অসাধারণ ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে নিজেকে আলাদা উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া কোহলি এখনো তার পারফরমেন্সের সর্বোচ্চ শিখর স্পর্শ করেননি বলে মনে করেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। সূত্র: বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest