সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

আাশাশুনিতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের ইনহেল্ডার প্রজেক্টের প্রকল্প অগ্রগতি অবহিত করন কর্মশালা 

মোস্তাফিজুর রহমান : আশাশুনিতে আশাশুনি এডিপি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ইনহেল্ডার প্রজেক্টের প্রকল্প অগ্রগতি অবহিত করন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টায় উপজেলা কনফারেন্স রুমে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাফফারা তাসনীনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি   ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম। আশাশুনি ওয়ার্ল্ড ভিশনের প্রোগ্রাম অফিসার মিলিতা সরকারের পরিচালনায় এসময় কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সামিউর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম আজিজুল হক, সমাজ সেবা কর্মকর্তা এমদাদুল হক, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোছা: সামছুন্নাহার, ওয়ার্ল্ড ভিশন সাতক্ষীরা এপিসি ম্যানেজার মেথিন্ডা মেন্ডস, ইউপি চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা মিলন, আবু হেনা শাকিল, এস এম রফিকুল ইসলাম, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আ: হান্নান, প্রধান শিক্ষিকা কামনুন্নাহার কচি, প্রেস ক্লাব সভাপতি জিএম মুজিবুর রহমান, রিপোর্টার্স ক্লাব সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ। এসময় সাংবাদিক, বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ ও বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায়  আশাশুনি এডিপি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ইনহেল্ডার প্রজেক্টের বিগত এক বছরের কাজের অগ্রগতি সম্বন্দে আলোচনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দলীয় সরকারের অধীনেও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব

দেশের খবর: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) মনে করে দলীয় সরকারের অধীনেও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব। সেজন্য রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। তবে দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে কিনা তা নিয়ে এখানো জনমনে সংশয় রয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে ধানমন্ডি মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। ‘রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহারে সুশাসন ও শুদ্ধাচার’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে গবেষণাপত্র উত্থাপন করেন টিআইবি’র সিনিয়র প্রগ্রাম ম্যানেজার (রিসার্স এন্ড পলিসি) শাহজাদা এম আকরাম। এসময় টিআইবি’র উপদেষ্টা ও নির্বাহী ব্যবস্থাপক ড. সুমাইয়া খায়ের, রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসানসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ইফতেখারুজ্জামান আরো বলেন, এক সময়ে দেশে তত্ত্বাবধায়ক প্রক্রিয়াটি গ্রহণ হয়েছিলো। তা সাংবিধানিকভাবে বাতিল করা হয়েছে। এখন বাস্তবতা মেনে সাংবিধানিকভাবে যেভাবে বৈধ নির্বাচন করা সম্ভব সেভাবে করতে হবে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যেখানে সংসদীয় গণতন্ত্র বিরাজ করছে। সেখানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিরল। যদিও আমাদের দৃষ্টান্ত অনুসরণে কোন কোন দেশ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা করছে।

বিশ্বের অধিকাংশ সংসদীয় গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের সংস্কৃতিতে যেতে চাই। কিন্তু এটা অবশ্যই মানতে হয়, আস্থাহীনতার যে কথাটি বলা হয়, তাও বাস্তব। এই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা যেটা আশা করতে পারি, নির্বাচনে যারা অংশগ্রহণকারী দল তাদের সবার মধ্যে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রতি শ্রদ্ধা থাকবে। সেই শ্রদ্ধা বোধ থেকেই সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি করতে দায়িত্ব পালন করবে। রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল ভূমিকা থাকলে তা সম্ভব।

এক প্রশ্নের জবাবে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক বলেন, এই সরকারের অধীনে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে তার কোনোটাই গ্রহণযোগ্য হয়নি তা বলা যাবে না। কোন কোন স্থানীয় নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়েছে। বিতর্কের ঊর্ধ্বে হয়েছে। কী পরিপ্রেক্ষিতে এই গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে তা বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলো সুনির্দ্দিষ্ট ভাবে চেয়েছিল বলেই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে। তারপরও দেশের অনেক মানুষ দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে আস্থাহীনতা রয়েছে। যদি পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়, সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ভূমিকা রাজনৈতিক দলগুলো পালন করে এবং সাধারণ মানুষ যদি সেই ভূমিকা পালন করে পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে তাহলে দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে।

টিআইবি’র গবেষণাপত্রের পর্যবেক্ষণে বিভিন্ন দলের মনোনয়ন বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রচর্চার ঘাটতিও রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্বাচনী অঙ্গীকার ও বাস্তবায়নে অনেক ফারাক রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। আগামী নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে সুশাসন ও শুদ্ধাচারের বিষয়ে সুনির্দ্দিষ্ট অঙ্গীকার ও পরবর্তীতে নির্বাচিত হতে পারলে তা বাস্তবায়নের তথ্য তুলে ধরার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া দূর্নীতি প্রতিরোধ ও শুদ্ধাচারর্চ্চার স্বার্থে দূর্নীতি দমক কমিশনকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি কালাকানুন পাস না করার আহ্বান জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতারক বহুবিবাহের হোতা কামরুলকে খুঁজছে পুলিশ!

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরায় বহু অপকর্মের হোতা কামরুল ইসলামকে খুজে পাচ্ছে না পুলিশ। গোয়েন্দা সংস্থা তাকে হন্যে হয়ে খুজে বেড়াচ্ছে। বহু নারীর জীবন নষ্টকারী ও বহু অপকর্মের হোতা কামরুল ইসলাম নিজের অপরাধকে আড়াল করতে কখনো কখনো নিজের নাম, জন্মদাতা পিতার নাম ও ঠিকানা পরিবর্তন করায় গোয়েন্দা সংস্থা তার নাগাল পাচ্ছে না। তবে গোয়েন্দা সংস্থার হাতে তার অপকর্মের খতিয়ান রয়েছে বলে জানা গেছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ জোড়দিয়া গ্রামের আলাউদ্দীন ও ছফুরা খাতুনের ছেলে কামরুল ইসলাম। ভোটার তালিকায় তার নং ১৪১৫। জাতীয় পরিচয়পত্র নং ৮৭০৬৯৭০০০৩৮৯। কামরুল ইসলামের জন্ম তারিখ ৬সেপ্টেম্বর ১৯৭৮। বহু নারীর সর্বনাশকারী ও প্রতারক কামরুল ইসলাম কখনো বকুল গাজী, কখনো বকুল চৌধুরী নাম ধারণ করে। নিজের জন্মদাতা পিতার নাম পাল্টে কখনো আলাউদ্দীনের স্থলে লোকমান গাজী, কখনো জিয়াদ গাজী আবার কখনো সুলতান গাজী লিখে প্রতারণা করেছে। হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। নামে বেনামে পুলিশের নাম করে সাধারণ মানুষকে মামলার ভয় দেখিয়ে আদায় করেছে লক্ষ লক্ষ টাকা। মাদক ব্যবসা করে গড়ে তুলেছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট।
এ পর্যন্ত ৮বার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছে কামরুল ওরফে বকুল। অপরাধ জগতের ভয়ঙ্কর প্রতারক কামরুল ওরফে বকুলের বিরুদ্ধে পাহাড়সম অভিযোগ জমা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে।
সূত্রমতে, ২০০০সালে যশোর কাজী অফিসের আব্দুর রউফ মাস্টারের দপ্তরে বসে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার সরাফপুর গ্রামের শেখ মুনসুর রহমানের মেয়ে মাগফুরা খাতুনকে বিয়ে করে কামরুল ইসলাম। তার মোস্তাকিম (১৬), মোছাদ্দেক (১৩) ও তফুরা খাতুন (১০) নামে তিনটি সন্তান আছে। মাগফুরার পিতা মুনসুর রহমানকে মিথ্যা ও হয়রানি মামলায় জেলে পাঠিয়ে মাগফুরাকে যশোরে নিয়ে বিয়ে করে কামরুল।
এরপর আশাশুনির সরাফপুর গ্রামের কেরামত আলীর মেয়ে আলেয়া খাতুনকে বিয়ে করে কামরুল ইসলাম। সেখানে রিমা নামে তার একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। রিমা স্থানীয় হাইস্কুলে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।
এরপর ২০১২ সালে আশাশুনি উপজেলার শ্বেতপুর গ্রামের আবু বক্করের মেয়ে এক সন্তানের জননী ময়না খাতুনকে বিয়ে করে কামরুল। ময়নার আগের ঘরের মেয়েকেও সর্বনাশ করতে ছাড়েনি এই লম্পট কামরুল।
এলাকাবাসি জানায়, কামরুল ইসলাম তার পিতা ও ভগ্নিপতিকেও ছাড় দেয়নি। ফেন্সডিল দিয়ে পিতা ও ভগ্নিপতিকে তুলে দেয় পুলিশের হাতে। বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রামবাসির সুপারিশে ও পুলিশের বিচক্ষণতায় কামরুলের পিতা আলাউদ্দীন ছাড়া পেলেও ভগ্নিপতিকে খেতে হয় জেলের ভাত।
এরপর কামরুলের মুখোশ খুলে গেলে স্বেচ্ছায় সে গ্রামছাড়া হয়। বিভিন্ন স্থানে একেক সময় একেক পরিচয় দিয়ে বিয়ের পর বিয়ে করতে থাকে। জোড়দিয়া থেকে চলে এসে নাম ধারণ করে বকুল গাজী ওরফে বকুল চৌধুরী। নিজের পিতার নাম পাল্টে রাখে কখনো জিয়াদ গাজী, কখনো লোকমান গাজী আবার কখনো সুলতান গাজী। সদর উপজেলার বালিথা, এল্লারচর ও সুলতানপুরসহ বিভিন্ন গ্রামের নাম হয় তার ঠিকানা।
এভাবে বকুল গাজী নাম ধারণ করে ২০১৬ সালের ৯ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের সামছুদ্দিন গাজীর মেয়ে খালেদা খাতুনকে এফিডেভিডের মাধ্যমে বিয়ে করে কামরুল। পরে খালেদা খাতুনকে নিয়ে কামরুল ইসলাম ইটেরভাটার লেবার সর্দার সেজে চলে যায় আমিন বাজারের সাভারের তারা ব্রিক্সস্।ে সেখানে তারা ব্রিকস্ এর মালিককে শ্রমিক দেয়ার কথা বলে প্রায় লক্ষ টাকা ও খালেদার বিয়ের কাগজপত্র নিয়ে খালেদাকে রেখে পালিয়ে আসে কামরুল। পরে ১-৬-২০১৬ তারিখে খালেদার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে এড. এটিএম আকবর আলীর দপ্তর থেকে এফিডেফিড মূলে তালাক দেয় খালেদাকে। এরপর ২০১৮সালের ৭জুন পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার মাওলানা আব্দুর রাজ্জাকের দপ্তরে বসে আবারো খালেদা খাতুনকে বিয়ে করে।
এরআগে কামরুল ইসলাম নিজেকে বকুল গাজী এবং পিতা আলাউদ্দীনের স্থলে লোকমান গাজী সাং বালিথা পরিচয় দিয়ে কালিগঞ্জ উপজেলার বন্দকাটি গ্রামের জবেদ আলীর মেয়ে রাশিদা খাতুনকে বিয়ে করে।
এছাড়া পুরাতন সাতক্ষীরা দক্ষিণপাড়া এলাকায় কামরুল ওরফে বকুল ও তার স্ত্রী পরিচয়দানকারী চাঁদনি খাতুন ২০১৮সালের ২৯জুলাই আনিছুর রহমানের বাড়ি থেকে গরু চুরি করে পালানোর সময় এলাকাবাসি ধরে গণধোলাই দেয়।
এদিকে তথ্যানুসন্ধানে এলাকাবাসি আরো জানায়, গত ২১-০১-২০১৮ তারিখে একটি মাছের ঘেরের লিজডিড করে কামরুল। সেখানে নিজের নাম কামরুল ইসলাম, পিতা- আলাউদ্দীনের স্থলে লিখেছে সুলতান গাজী। ঠিকানা লিখেছে সুলতানপুর।
কামরুল ইসলাম ওরফে বকুলের প্রতারণা এখানেই শেষ নয়,পুরাতন সাতক্ষীরার মরহুম গোলাম এজদানির ছেলে ওলিউল্যাহকে পুলিশ ধরলে তাকে ছাড়ানোর নাম করে কামরুল ওরফে বকুল ৪৭হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগ করেন ওই পরিবারের সদস্যরা।
২০১৬ সালের ২নভেম্বর বকুল গাজীর নামে ফেন্সিডিল পাচারের মামলা হয়। মামলা নং ০২/৫৮২।
এভাবেই কামরুল ইসলাম ওরফে বকুল একের পর এক বিয়ে করে অসংখ্য নারীর জীবন নষ্ট করেছে। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আদায় করছে লক্ষ লক্ষ টাকা। মাদক পাচার করে হয়েছে কোটিপতি। তার প্রতারণার শিকার হয়ে সর্বশান্ত হয়েছে অগণিত পরিবার। তার জন্ম দেয়া সন্তানেরাও আজ পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
অবিলম্বে এই কামরুল ওরফে বকুলকে গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি এলাকাবাসির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩ লাখ সাড়ে ১০ হাজার সরকারি পদ শূন্য

দেশের খবর: জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমানে দেশে মন্ত্রণালয় অধিদফতর আওতাধীন ৩ লাখ ১০ হাজার ৫১১টি পদ শূন্য রয়েছে। সোমবার জাতীয় সংসদে নাটোর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন দফতর/সংস্থায় মোট শূন্য পদের সংখ্যা ২ হাজার ৫৯৬টি। কোনো কোনো দফতর/সংস্থার নিয়োগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন, কিছু কিছু পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণযোগ্য এবং কিছু কিছু পদ বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে পূরণযোগ্য বিধায় শূন্য পদ পূরণের তারিখ নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা সম্ভব নয়।
সিলেট-৫ আসনের সেলিম উদ্দিনের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৫’ জারির পূর্বে জনপ্রশাসনের কর্মচারীগণ ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণিতে বিভাজিত ছিল। শ্রেণিভিত্তিক উক্ত বিভাজনে ১ম গ্রেড হতে ৯ম গ্রেড ১ম শ্রেণি, ১০ গ্রেড হতে ১৩তম গ্রেড ২য় শ্রেণি, ১৪তম গ্র্রেড হতে ১৬তম গ্রেড ৩য় শ্রেণি এবং ১৭তম গ্রেড হতে ২০তম গ্রেড ৪র্থ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত ছিল।
২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর তারিখে জারিকৃত ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৫’ এর অনুচ্ছেদ ৮ অনুযায়ী ‘আপাতত বলবৎ এতদসংক্রান্ত অন্য কোনো বিধি-বিধান যাহাই থাকুক না কেন, কর্মচারীগণ ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণিতে বিভাজনের বিদ্যমান ব্যবস্থার পরিবর্তে বেতনস্কেলের গ্রেডভিত্তিক পরিচিত হইবেন।’ মর্মে বিধান প্রবর্তন করা হয়েছে। ফলে বর্তমানে জনপ্রশাসনের কর্মচারীগণের পরিচিতি বেতন স্কেলের ‘গ্রেডভিত্তিক’ পরিচিতির ব্যবস্থা বিদ্যমান রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহীদ বুদ্ধিজীবী-বধ্যভূমি নিয়ে গান

বিনোদনের খবর: বুদ্ধিজীবী এবং বধ্যভূিম নিয়ে তৈরি হলো গান। ‘তোমাদের যা বলার ছিল বলছে কি এই দেশ’ শীর্ষক গানটি ভিডিও আকারে প্রকাশ হবে। দেশের ৭১টি বধ্যভূমিতে চিত্রায়িত হবে এটি। এমনটাই জানিয়েছেন গানের গায়ক পাপি মনা।
ইবরার টিপুর সুর ও সংগীত পরিচালনায় গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। গানের কথা লিখেছেন হাসান আহমেদ।
এ গান প্রসঙ্গে ইবরার টিপু বলেন, ‘আমাদের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীরা। জাতিকে মেধায় পঙ্গু করে দেয়ার নীলনকশা থেক এই হত্যা। তাদেরকে শব্দ-সুরে স্মরণ করার সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত। এমন কাজ বেশি করে হওয়া উচিত।’
শিল্পী পাপি মনা বলেন, ‘তাদের আত্মদানের ওপর দাঁড়িয়ে আজকের বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রতিটা ইঞ্চিকে বধ্যভূমি বানিয়েছিল পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় সহযোগী রাজাকার আলবদররা। সেই বধ্যভূমির স্মৃতি এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্নের বাংলাদেশের কথা গানে গানে বলার চেষ্টা করব। ডিসেম্বরের ১ তারিখে গানটি ভিডও সহ রিলিজ হবে একটি বড় ইউটিউব কনটেন্ট প্রতিষ্ঠান থেকে।’
এর ভিডিওতে নানা রকম চমক থাকবে বলে জানান গীতিকার হাসান আহমেদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাহরাইনকে ১০-০ গোলে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

খেলার খবর: আগেরদিনই অধিনায়ক মারিয়া মান্দা, কোচ গোলাম রব্বানি ছোটনরা জানিয়েছিলেন, প্রথম ম্যাচেই নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করতে চায় বাংলাদেশ। বাহরাইনকে পেয়ে সেই শক্তিরই পরীক্ষা করে নিল বাংলাদেশের কিশোরীরা। মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিকে তারা রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছে ১০-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে।
কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে বাহরাইনের জালে রীতিমতো গোলউৎসবে মেতে ওঠে মারিয়া মান্দা-আখি খাতুনরা। ম্যাচের শুরু থেকেই বাহরাইনের রক্ষণ ভেঙে চুরমার করে দেয় বাংলাদেশের মেয়েরা। ফলে এলো বিশাল এই জয়। বাহরাইনের মেয়েরা কোনো প্রতি আক্রমণই গড়তে পারেনি বাংলাদেশের রক্ষণে। ফলে পুরোটা ম্যাচই বলতে গেলে দর্শক হয়ে থাকতে হয়েছে বাংলাদেশের গোলরক্ষককে।
দুই বছর আগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী ফুটবলের বাছাই পর্বে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে চূড়ান্ত পর্বে উঠেছিল বাংলাদেশ। লাল-সবুজ জার্সিধারী কিশোরীরা সেই শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার লড়াইয়ের মিশনটা শুরু করেছে বেশ ভালোভাবেই। অন্যদিকে দুই ম্যাচ মিলে বাহরাইনের মেয়েরা হজম করল ১৮ গোল।
বাংলাদেশের হয়ে ২টি করে গোল করেন আনুচিং মোগিনি, শামসুন্নাহার জুনিয়র এবং অধিনায়ক মারিয়া মান্ডা, ১টি করে গোল করেন আনাই মোগিনি, সাজেদা, শামসুন্নাহার সিনিয়র এবং তহুরা।

ম্যাচের নবম মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো বাংলাদেশ। তহুরা খাতুনের ক্রস থেকে বক্সের মধ্যে বল পান আনাই মোগিনি। ফাঁকায় বল পেয়েও পোস্টের ওপর দিয়ে মেরে সুযোগ নষ্ট করে দেন তিনি। ১১তম মিনিটেই গোলের দেখা মেলে বাংলাদেশের। ডান প্রান্ত দিয়ে ডি-বক্সের বাইরে থেকে আনাই মোগিনির বাঁকানো শট চলে যায় বাহরাইনের জালে।

১৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ফেলে বাংলাদেশের কিশোরীরা। প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে মারিয়া মান্ডার চোখ ধাঁধানো শট জড়িয়ে যায় বাহরাইনের জালে। ১৯ মিনিটে ব্যবধান দাঁড়ায় ৩-০। বক্সের মধ্যে শামসুন্নাহার জুনিয়রের ছোট ক্রসে আনুচিং মোগিনি ডান পায়ের আলতো টোকায় বল বাহরাইনের জালে পাঠিয়ে দেন।

২৭ মিনিটে ব্যবধান হতে পারতো ৪-০। কিন্তু ঋতুপর্ন চাকমার জোরালো শট বল জালে প্রবেশ করলেও অফসাইডের বাশি বাজান রেফারি। এর দুই মিনিট পর আরও একটি গোল বাতিল হয়ে যায়। শামসুন্নাহার জুনিয়র করেছিলেন গোলটি। রেফারি এখানেও অফসাইডের অজুহাত তুলে দেন।

৩৫ মিনিটে আরও একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়। বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়া ঋতুপর্ন চাকমার শট গোলরক্ষক ঠিকমতো ফেরাতে পারেননি। সামনে বল পেয়ে আনুচিং বল জড়িয়ে দেন জালে। কিন্তু সাইড রেফারি ফ্ল্যাগ তুলে জানিয়ে দেন এটা ছিল অফসাইড।

তবে প্রধমার্ধেই ব্যবধান ৫-০ করে ফেলে বাংলাদেশ। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে পঞ্চম গোল করে কিশোরীরা। আনাই মোগিনির ক্রসে শামসুন্নাহার জুনিয়রের হেড চলে যায় বাহরাইনের জালে।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও ৫বার মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির জালে বল জড়ায় বাংলাদেশের মেয়েরা। ৫৫ মিনিটে ৬-০ ব্যবধান করেন সাজেদা আক্তার। মাঝমাঠ থেকে ডিফেন্ডার আখি খাতুনের ক্রস খুজে নিয়ে বল নিয়ন্ত্রণে নেন বদলি ফরোয়ার্ড সাজেদা। ঠান্ডা মাথায় বাহরাইনের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এ ফরোয়ার্ড।

দুই মিনিট পর আবারও গোল। এবারও গোলের যোগানদাতা আখি। তার জোরালো শর্ট বক্সের মধ্যে পেয়ে শামসুন্নাহার জুনিয়র যে শটটি নিলেন, তা প্রথমে বাহরাইন গোলরক্ষক ফিরিয়ে দিলেও ফিরতি বলে দারুণ এক শটে জালে জড়িয়ে দেন ছোট শামসুন্নাহার। হয়ে যান ৭-০।

৫৮ মিনিটে পেনাল্টি পায় বাংলাদেশ। ব্যবধান হয়ে যায় ৮-০। এ সময় গোলদাতা শামসুন্নাহারকে বক্সের মধ্যে ফেলে দেয় বাহরাইনের দানা বাসেম। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। কিন্তু এর প্রতিবাদ করায় তাকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। ১০ জনের দলে পরিণত হয় বাহরাইন। স্পট কিক থেকে গোল করেন শামসুন্নাহার সিনিয়র।

৭২ মিনিটে আবারও দূর পাল্লার শর্টে দুর্দান্ত এক গোল। এবারও দুর পাল্লার শটে গোল করেন মারিয়া মান্দা। বক্সের বাইরে থেকে বাংলাদেশ অধিনায়কের ডান পায়ের শট পোস্টের কোন দিয়ে চলে যায় জালে। ব্যবধান দাঁড়ালো ৯-০ গোলের। ব্যবধান ১০-০ গোলে উন্নীত করেন তহুরা। ৮১ মিনিটে সাজেদা বল নিয়ে ঢুকে পড়েন বক্সে। এরপর বল চলে যায় তহুরার কাছে। গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে বল জালে পাঠান এ ফরোয়ার্ড।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের দিন ধার্য্য হবে মঙ্গলবার

দেশের খবর: বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের দিন ধার্য্য হবে মঙ্গলবার। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ কাজল এ নিশ্চিত করেছেন। গণমাধ্যমকে তিনি জানান,আসামিপক্ষে পেশ করা আইনি পয়েন্টের আলোকে রাষ্ট্রপক্ষে শেষবারের মতো সংক্ষিপ্ত বক্তব্য ও যুক্তি উপস্থাপনের মাধ্যমে কাল মঙ্গলবার মামলার বিচারকার্য শেষ হচ্ছে এবং রায় ও আদেশের দিন ধার্য হবে।
সোমবার এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌসঁলি সৈয়দ রেজাউর রহমান যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন। তিনি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা সংগঠনে হাওয়া ভবনসহ ১০টি ষড়যন্ত্রের স্থানের নাম উল্লেখ করেন। ওই স্থানগুলোতে বসেই ২১ আগস্ট হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ছক করা হয়েছে বলে তিনি যুক্তি দেন।
সৈয়দ রেজাউর রহমান বলেন, ২১ আগষ্ট হামলায় ১৫টি আর্জেস গ্রেনেড ব্যবহৃত হয়েছে। এর মধ্যে অবিস্ফোরিত অবস্থায় উদ্ধারকৃত ৪টি গ্রেনেড উদ্ধার করা হলেও আদালতের অনুমতি ছাড়াই সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি, হেয়ারস এভিডেন্স বিষয়ে রেফারেন্স পেশ করেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সম্বলিত ২৫টি পত্রিকা ফিরিস্ত করে আদালতে দাখিল করেন তিনি।
এ মামলায় ৮ আসামি জামিনে রয়েছেন উল্লেখ করে প্রধান কৌঁসুলি মামলার রায় ও আদেশের আগ পর্যন্ত তাদের জামিন বাতিল করে কারাগারে প্রেরণে আবেদন দাখিল করেন। মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পেরেছে রাষ্ট্রপক্ষ এ দাবি করে আইন অনুযায়ি আসামীদের সর্বোচ্চ সাজার আর্জি পেশ করা হয়।
এর আগে রাষ্ট্রপক্ষে তিন কার্যদিবস আইনজীবী মোশররফ হোসেন কাজল, বিশেষ পিপি মো. আবু আব্দুল্লাহ্ ভূইয়া ও আকরাম উদ্দিন শ্যামল আইনি পয়েন্টে যুক্তিতর্ক পেশ করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলির পর মামলার পাঁচ আসামির পক্ষে আইনজীবী মাঈনুদ্দিন আইনি পয়েন্টে যুক্তিতর্ক পেশ করেন। অন্য আসামিদের পক্ষে আইনি পয়েন্টে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনি পয়েন্টের আলোকে সামগ্রিক যুক্তিতর্ক পেশ শুরু করেন আইনজীবী এসএম শাহজাহান। মঙ্গলবার আসামিপক্ষে আইনি পয়েন্টে যুক্তিতর্ক পেশ সমাপ্ত হবে বলে জানান এডভোকেট শাহজাহান।
পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিনের আদালতে একুশে আগস্টের ওই ঘটনায় আনা পৃথক মামলায় একই সঙ্গে বিচার চলছে। ১১৮ কার্যদিবস শেষে মামলাটি এই পর্যায়ে এসেছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ নিয়েছে ২৯ কার্যদিবস আর আসামিপক্ষ নিয়েছে ৮৯ কার্যদিবস।
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ভয়াবহ, বর্বরোচিত ও নৃশংস গ্রেনেড হামলার ঘটনায় আনা পৃথক মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ৫২ জন। এর মধ্যে ৩ জন আসামির অন্য মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় তাদেরকে মামলা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। বর্তমানে ৪৯ আসামির বিচার চলছে। এর মধ্যে এখনো ১৮ জন পলাতক। মামলার আসামি বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, বিএনপি নেতা সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, সেনা কর্মকর্তা রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরীসহ ২৩ জন কারাগারে রয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাঙালি শরণার্থীরা পাকিস্তানের নাগরিকত্ব পাবেন

অনলাইন ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, তার সরকার বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানে থেকে আসা শরণার্থীদের পাকিস্তানের নাগরিকত্ব প্রদানের কথা বিবেচনা করছে।
রোববার (১৬ সেপ্টেম্বর) করাচিতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে আসা আড়াই লক্ষ মানুষ এখন করাচিতে শরণার্থী হিসেবে বসবাস করছেন।
ইমরান খান বলেন, ৪০ বছর ধরে তারা এই শহরে আছেন। তাদের সন্তানরাও এই শহরেই বড় হচ্ছে। কিন্তু তাদের নেই কোন পাসপোর্টে কিংবা কোন পরিচয়পত্র।
‘এগুলো না থাকলে চাকরি হয় না, আর চাকরি হলেও তাদের বেতন হয় অর্ধেক।’
করাচি শহরের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কথা উল্লেখ করে ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিক ইমরান খান বলেন, এসব শরণার্থীর জন্য শিক্ষা এবং চাকরির বাজার উন্মুক্ত করতে হবে।
জাতিসংঘের হিসেব অনুযায়ী, পাকিস্তানে এখন ১৪ লাখ আফগান শরণার্থী বসবাস করছেন। তাদের ৭৪% দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রজন্মের আফগান। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন পর্যায়ে বিপুল সংখ্যক শরণার্থী তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে চলে আসেন।
পাশাপাশি বার্মা থেকেও প্রচুর শরণার্থী আসেন। মহানগরীর ১০৩টি মহল্লায় বাঙালী এবং বর্মী শরণার্থীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ বলে বিবিসি সংবাদদাতা জানাচ্ছেন। কিন্তু নাগরিকত্ব কিংবা পরিচয়পত্রের অভাবে তাদের বেশিরভাগই দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন এবং নানা ধরনের সামাজিক নিপীড়নের শিকার হন।
পাকিস্তান নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী, সে দেশের ভূখণ্ডে ১৯৫১ সালের পর জন্মগ্রহণকারী যে কেউ পাকিস্তানী নাগরিকত্বের অধিকারী। কিন্তু পাকিস্তানে বর্তমানে যারা সরকারি শরণার্থী কার্ড ব্যবহার করছেন তারা নাগরিকত্বের আবেদন করতে পারবেন না।
যেসব উর্দুভাষী শরণার্থী দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে আটকা পড়ে রয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী অবশ্য তাদের ভবিষ্যতের ব্যাপারে কোন মন্তব্য করেননি। বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest