সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানসাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভাসাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে টুটুলকে ঘিরে তৃণমূলে তৎপরতাসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনীসাতক্ষীরায় টেপা মাছ খেয়ে একই পরিবারের ৫ জন অসুস্থ : ব্যবসায়ীর মৃত্যুডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনসাতক্ষীরায় পুকুরের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যুমানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

সাতক্ষীরায় নিউজ নেটওয়ার্কের প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনীতে বক্তারা- ‘সংবিধান বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দিয়েছে’

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের সংবিধান চিন্তা ও মত প্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছে। সংবিধান বাক স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতাও নিশ্চিত করেছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে যা ইচ্ছা তাই লিখলাম। যা খুশী তাই প্রকাশ করলাম। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বলতে যা বুঝায় তা হলো আইন ও নৈতিকতার মাপে সিদ্ধ এবং রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সমুন্নত রেখে গঠনমূলক মত প্রকাশ। আর এর ব্যতিক্রম কোনোভাবেই মিডিয়ার স্বাধীনতা হিসাবে গন্য হবে না।
বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে নিউজ নেটওয়ার্ক আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে এ কথা বলেন আলোচকরা। তারা বলেন আমরা স্বাধীনতা চাই , তবে তা বলগাহীন নয়। এ প্রসঙ্গে তারা সংবাদ লিখন ও প্রকাশে কারও ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ না করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন এর বিপরীত হলে তা মানহানির পর্যায়ে চলে যেতে পারে। এ জন্য সংবাদ লিখনে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজন রয়েছে।
নিউজ নেটওয়ার্কের সম্পাদক শহীদুজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হোসেন বকুল ওরফে সাজ্জাদ বকুল, সাতক্ষীরা জেলা সমন্বয়কারী ভয়েস অব সাতক্ষীরার সম্পাদক এম কামরুজ্জামান ও মনিটরিং অফিসার শ্যামল সিংহ রায় ।
স্থানীয় পত্রিকায় স্থানীয় খবরের ওপর অধিকতর গুরুত্ব আরোপ করে তা প্রকাশ করতে হবে এমন মন্তব্য করে আলোচকরা বলেন এ জন্য পুরো ব্যবস্থাপনাকে ঢেলে সাজাতে হবে। সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখা এবং তাদের কল্যাণে প্রতিটি সংবাদ হাউসের উচিত কল্যাণ তহবিল গড়ে তোলা। কোনো উসকানিমূলক খবর নয়, কারও অধিকারের ওপর হস্তক্ষেপ করার ওপরও খবর নয় জানিয়ে তারা বলেন সব সংবাদের ক্ষেত্রে বিপরীত অংশের মন্তব্য নিতে হবে। তারা কোনো মন্তব্য করতে না চাইলে কিংবা তাকে না পাওয়া গেলে সে বিষয়টিও পত্রিকায় তুলে ধরতে হবে বলে মন্তব্য করেন তারা।
আলোচনায় উঠে আসে সংবাদ লিখন ও পরিবেশনের সময় বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার প্রসঙ্গ। এসব ডিভাইসের ব্যবহার যথাযথ না হলে তা বুমেরাং হয়ে দাঁড়াতে পারে। অন্যের হাতে পড়লে তিনি তার অসদুদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য ওই ডিভাইস ব্যবহার করে সাংবাদিকের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করতে পারেন। হ্যাকিংয়ের কবল থেকে নিজের সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে ভাবতে হবে। নিউজের যথাযথ সূত্র সুরক্ষা , নিউজ লিখবার সময় যাচাই বাছাই, নিজেই বিচারক হয়ে রায় না দেওয়া এসব বিষয়ের ওপর যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হলে সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিক মানহানির মতো মামলা এড়াতে পারবেন। অসহায় মানুষের পাশে সাংবাদিক দাঁড়াবেন এটাই স্বাভাবিক উল্লেখ করে তারা বলেন মানুষ এখনও মিডিয়ার ওপর আস্থাশীল ।
সংবাদপত্রের ক্রমবিকাশ সম্পর্কে আলোচকরা বলেন ১৭৯৯ সালে গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েরসলির সময়কালে সংবাদপত্র রেগুলেশন প্রণীত হয়। এ সময় থেকে প্রিন্টার্স লাইনে সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকরের নাম লেখা শুরু হয়। এর পর ১৮২৩ সালে সংবাদপত্রের লাইসেন্স প্রদান চালু হয় । ১৮৩৫ সাল পর্যন্ত তা বহাল থাকার পর ১৮৫৭ তে তা ফের চালু হয়। ১৮৬০ সালে পেনাল কোড এবং ১৮৭০ সালে মানহানির সাথে যুক্ত হয় রাষ্ট্রদ্রোহ। ১৮৯৮ সালে সংবাদপত্রে শ্রেণি শত্রুতার বিচারের বিধান চালু করা হয়। ১৮৬৭ সালে প্রেস এন্ড রেজিস্ট্রেশন , ১৮৭৮ সালে ভার্নাকুলার প্রেস অ্যাক্ট এবং ১৯৯৮ সালে ক্রিমিন্যাল প্রসিডিউর বা ফৌজদারি কার্যবিধি চালু হয়। ১৯০৮ সালে নিউজ পেপার ইনসাইটমেন্ট অফেন্স অ্যাক্ট এবং ১৯১০ সালে প্রেস অ্যাক্ট ও ১৯২২ সালে প্রণীত হয় প্রেস এন্ড পাবলিকেশনস অ্যাক্ট। এর পর ১৯২৩ সালে অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট চালু হয়। বর্তমানে এর মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট । ১৯৭৩ সালে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ডিক্লারেশন অ্যাক্ট এবং ১৯৭৪ সালে নিউজ পেপার এমপ্লয়ীজ আইন চালু হয়। একই সালে বিশেষ ক্ষমতা আইনের বিষয়টি সংযুক্ত হয়।
আলোচনায় অতিথি বক্তারা আরও বলেন সংবাদ মাধ্যম ও সংবাদকর্মীদের সুরক্ষায় আরও কৌশলী হতে হবে। বর্তমানে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তা সংশোধনের যে দাবি নিয়ে সম্পাদকরা মাঠে নেমেছেন তাকে স্বাগত জানিয়ে বলা হয় সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিকের স্বাধীনতা না থাকলে দেশে গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটে না। এমনকি সুশাসনও নিশ্চিত হয় না।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আরও অংশ নেন দৈনিক কালের চিত্র সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, দৈনিক যুগান্তর ও এনটিভির সাংবাদিক সুভাষ চৌধুরী, দৈনিক দক্ষিণের মশাল সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহি, দৈনিক পত্রদূতের উপদেষ্টা সম্পাদক অধ্যাপক আনিসুর রহিম, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবদুল বারী, দৈনিক পত্রদূত সম্পাদক লায়লা পারভিন সেঁজুতি, ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, দৈনিক দৃষ্টিপাত এর নির্বাহী সম্পাদক আবু তালেব মোল্লা , সাপ্তাহিক সূর্যের আলো পত্রিকার সম্পাদক আব্দুল ওয়ারেশ খান চৌধুরী পল্টু, দৈনিক সুপ্রভাত সাতক্ষীরার নির্বাহী সম্পাদক শেখ তানজির আহমেদ। সম্পাদকবৃন্দ বিভিন্ন প্রশ্ন তুলে ধরেন। এসবের জবাব দেন আলোচক সাংবাদিকরা।
সমাপনী অধিবেশনে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ গ্রহনকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় কোর্স সমাপনী সনদপত্র।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় ইঁদুর নিধন অভিযান উদ্বোধন

কলারোয়া প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান ২০১৮এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা অডিটোরিয়ামে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা আলমগীর হোসাইনের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। “ঘরের ইঁদুর, মাঠের ঈদুর, ধ্বংস করে অন্ন, সবাই মিলে ঈদুর মারি ফসল রক্ষার জন্য”এই স্লোগানকে সামনে রেখে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত কৃষকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম-বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব আরাফাত হোসেন। এসময় তিনি বলেন, মাঠের ফসল ঘরে তুলে কৃষকরা তাদের সফলতা পাই। কিন্তু ঘরের ভিতরে ঈঁদুর থাকলে সেই ফসল নষ্ট করে ফেলে। ইঁদুর যেমন মানুষের জান-মালের ক্ষতি করে তেমনি সমাজকে নষ্ট করে ফেলে। তাই ইঁদুর নিধন করে ফসলের আগ্রহ বাড়াতে হবে বলে মনে করি। উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আলহাজ্ব শেখ আবুল হাসানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মহাসীন আলী, ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, আফজাল হোসেন হাবিল, সামসুদ্দিন আল মাসুদ বাবু, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার ভারপ্রাপ্ত বজলুর রহমান সরদার প্রমুখ। একই সাথে ৩দিন ব্যাপী জাতীয় খাদ্য দিবস ও খাদ্য মেলার সমাপনি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ওয়াশিংটনের ‘বার্তা’ কাদেরকে জানালেন বার্নিকাট

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশের আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘বার্তা’ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া স্টিফেন ব্লুম বার্নিকাট। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বনানী সেতু ভবনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে বের হয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
মার্শিয়া ব্লুম বলেন, আমরা আসন্ন জাতীয় নির্বাচব নিয়ে কথা বলেছি। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে তাকে জানিয়েছি যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ একটি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তার প্রার্থীর সঙ্গে যারা ভোটার তাদের নিরাপত্তা, ভোটারের ভোটাধিকার এবং জনসাধারণের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত থাকে। যুক্তরাষ্ট্র জানে নির্বাচনকালীন সময়ে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করে। এটা যেন কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়।
মার্কিন এই কূটনীতিক বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে গণতান্ত্রিক চর্চা দেশের প্রতিটি নাগরিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি নাগরিকের যেন মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয় সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আমি বার্তা পৌঁছে দিয়েছি।
এ সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার ও রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি দেশের জনগণকেও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বলে জানান বার্নিকাট।
তিনি বলেন, দেশের সকল মানুষকে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টিতে সচেতন হতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, নির্বাচনের অনুকূল পরিবেশের জন্য শুধু সরকার ও রাজনৈতিক দলের উপর নির্ভর করলেই চলবে না। এ জন্য তাদের পাশাপাশি জনসাধারণকেও সোচ্চার থাকতে হবে। এমনকি পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের প্রত্যেক নাগরিক এ প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত হবে বলে প্রত্যাশা করে যুক্তরাষ্ট্র।
‘দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া যখন দুর্নীতি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে রয়েছেন’ তখন যুক্তরাষ্ট্র সুষ্ঠু নির্বাচন কতটুকু প্রত্যাশা করছে? এমন প্রশ্নের জবাবে বার্নিকাট বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পরিসর অনেক বড়। ৩০০ সিটে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। অনেক প্রার্থী এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। যারা যে কোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারবে। প্রার্থীরা তাদের দলের দাবি তুলে ধরার সুযোগ পাবে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট বিশ্বাস করে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ এবং প্রত্যাশিত স্বাধীনতা নিশ্চিত হলে সমস্যা হবে না। নির্দিষ্ট কারও জন্য এ প্রক্রিয়া থেমে থাকবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করতে সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠান করার জন্য ইসির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঘোষণা হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল। নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, সংবিধানের মধ্যে থেকে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে তারা প্রস্তুত।

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ছাড়া আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না এই বার্তা নিয়েই বৃহস্পতিবার সকালে ইসির সঙ্গে নির্বাচনের সার্বিক বিষয়াদি নিয়ে বৈঠক করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা।
নির্বাচনে বিদেশী পর্যবেক্ষকদের আশা, আগামী নির্বাচনে ইসির ইভিএম ব্যবহারের পরিকল্পনাসহ নির্বাচনী সহিংসতা বন্ধ এবং ১০ কোটি ৪২ লাখ ভোটারের নিরাপত্তা নিয়ে নির্বাচনের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে ইসির সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
আগামী নভেম্বরে নির্বাচন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি প্রতিনিধি দল আসার কথা জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা।
পরে বৈঠকের আলোচনা নিয়ে কথা বলেন ইসি সচিব। তিনি জানান, নির্বাচনী প্রস্তুতিতে সন্তুষ্ট ইইউ প্রতিনিধি দল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কূটনীতিকদের সাথে যে কথা বলল জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট

দেশের খবর: ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের কাছে ৭ দফা দাবি ও ১১ দফা লক্ষ্য তুলে ধরেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে হোটেল লেকশোরে বৈঠকটি শুরু হয়ে পৌনে ১ ঘণ্টা চলে।
গনফোরামের প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বৈঠকে সূচনা বক্তব্য রাখেন। এরপর ড. কামাল হোসেন লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
লিখিত বক্তব্যে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবি ও ১১ দফা তুলে ধরেন তিনি। এ সময় কূটনীতিকদের প্রশ্নের জবাব দেন ড. কামাল হোসেন।
ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা আ স ম আব্দুর রব বলেন, আজকে আমরা বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সাথে মতবিনিময় করেছি৷ অত্যন্ত সফলভাবে এই মতবিনিময় সভা সমাপ্ত হয়েছে।
সিলেটে জনসভা বিষয়ে তিনি বলেন, ২৩ অক্টোবর সিলেটে আমাদের জনসভা ছিলো৷ তার অনুমতি দেয়নি সরকার। আমরা আশা করবো, অন্তত ২৪ তারিখ অনুমতি দেয়া হবে৷ আশা করছি সরকার গণতান্ত্রিক আচরণ করবে। সরকার যদি অনুমতি না দেয় তাহলে দেশে বিদেশে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবে৷
ঢাকায় অবস্থানরত সুইজারল্যান্ড, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কাতার, ভিয়েতনাম, কানাডা, তুরস্ক, চীন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, জাপান, ভারতের পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক ও প্রতিনিধিরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জমির উদ্দিন সরকার, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
এ ছাড়াও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন, সুব্রত চৌধুরী, জেএসডির আসম আব্দুর রব, তানিয়া রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার কৃত্রিম চাঁদ বানাতে চলেছে চীন!

অনলাইন ডেস্ক: রাতের আকাশ আলোকিত করতে কৃত্রিম চাঁদ বানাতে চলেছে চীন। দেশটির একটি শহরে উৎক্ষেপণ করার পর ওই চাঁদ আকাশ থেকে চারপাশের প্রায় ৫০ কিলোমিটার এলাকা আলোকিত করবে। চীনের সংবাদমাধ্যম চায়না ডেইলীর এক প্রতিবেদেনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২০২০ সালে তথাকথিত আলোকসজ্জা বিষয়ক উপগ্রহ অর্থাৎ সেই চাঁদটি শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় চেংগদু শহরে উৎক্ষেপণের কথা রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ওই অঞ্চলের ওপরে নিক্ষেপ করা এই উপগ্রহটি সত্যিকারের চাঁদের চেয়ে আটগুণ বেশি আলো দিবে।
উপগ্রহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই প্রকল্পের কিছু কিছু তথ্য প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হচ্ছে, ফ্রান্সের একজন শিল্পীর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েই এ প্রকল্প হাতে নিয়েছেন তারা। ওই শিল্পী ওপর থেকে পৃথিবীতে আয়নার একটি নেকলেস ঝুলিয়ে দেয়ার কথা প্রথম কল্পনা করেছিলেন।
চেংগদু অ্যারোস্পেস সায়েন্স অ্যাণ্ড টেকনোলোজি মাইক্রো-ইলেক্ট্রনিক্স সিস্টেম রিসার্স ইন্সটিটিউট কোম্পানি লিমিেটের প্রধান উ চুংফেন্ড ১০ অক্টোবর কৃত্রিম চাঁদ নামের এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রথম জনসম্মুখে প্রকাশ করেন।
এমন চাঁদের ব্যাপারে উ চুংফেন্ডকে সংশয়ের কথা জানালে তিনি বলেন, আমরা অনেক বছর ধরে এটির উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। আর বর্তমানে আমরা এ ব্যাপারে আশাবাদী যে ২০২০ সালের মধ্যে আমরা এটিকে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করতে পারবো।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে রাশিয়া রাতের আকাশে এমন একটা কিছু উৎক্ষেপণ করার চেষ্টা করেছিলো যা চাঁদের পর সবচেয়ে আলোকিত কিছু বলে জানানো হয়েছিল তাদের পক্ষ থেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক: নাম জিজ্ঞেস করতেই হাত দিয়ে ইশারা করে খেতে চাইল ৭৫ এর কাছাকাছি বয়সী রোগাক্রান্ত প্রবীণ এই নারী। রাতে কিছু খেয়েছে কিনা জানি না। তবে হাতের ইশারা দিয়ে বোঝাতে চায় বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত কিছুই খাওয়া হয়নি তার । প্রবীণ এই নারী শারীরিক অসুস্থতার কারণে ভালভাবে কথা বলতে পারেনা। হাতের ইশারায় সব কিছু বোঝানোর চেষ্টা করেন তিনি। জানি না কার মা কে রেখে গেছে, আর কে তাকে খাওয়াবে! নাম পরিচয় ভালোভাবে বলতে পারে না এমনি এক হতভাগ্য প্রবীণ নারীর অবশেষে ঠাই হলো মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার আরিচা ঘাটের পুরাতন ট্রাক টার্মিনালের পরিত্যক্ত ঘরের বারান্দায়।

ছানি পড়ায় চোখে কম দেখে, মুখে ঘা, জ্বরসহ শরীরে নানা সমস্যা নিয়ে টার্মিনালে ঘরের বারান্দায় সাতদিন ধরে শুয়ে আছে প্রবীণ এই নারী। কোথায় তার বাড়ি-ঘর, কোথায় তার ছেলে-মেয়ে, কোথায় তার স্বজন, কেবা রাখে তার খবর? মানুষের দেয়া মশারির মধ্যে শুয়ে থাকা এই নারীর সাথে কথা বলতে যায় এ প্রতিনিধি। সে কথা বলতে চায়, কিন্ত  দুর্বলতার কারণে তার মুখ দিয়ে বলা কথার শব্দ শোনা যায়না। তাই বোঝা যায় না তার কথা।

স্থানীয়রা জানান, এক সপ্তাহ আগে কে বা কারা আরিচা পুরাতন ট্রাক টার্মিনালের দক্ষিণ পাশের ঘরের বারান্দায় ফেলে রেখে যায় এই প্রবীণকে। হাঁটার কোনো শক্তি নেই যেখানে প্রাকৃতিক কাজ সারতেন সেখানেই থাকতেন তিনি। কেউ না কেউ তাকে এখানে রেখে গেছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।

এমতাবস্থায় নিহালপুর গ্রামের জবেদা বেগম নামের অপর এক নারীর মায়া হলে তিনি ওই প্রবীণকে রিকশায় করে টার্মিনালের উত্তর পাশের ঘরের বারান্দায় নিয়ে যান। তাদের সাধ্য অনুযায়ী সেবা করছেন। একটি মশারি কিনে দিয়েছেন স্থানীয় একজন। কেউ দিলে তার ভাগ্যে খাবার জোটে, না দিলে না খেয়ে থাকতে হয় তাকে। তাও আবার একা হাত দিয়ে খেতে পারে না। দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে ওই প্রবীণ নারী। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে আরো রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ছেন তিনি।

আরিচা পুরাতন ট্রাক টার্মিনালের সুইপার আব্দুর রহমান বলেন, ‘৭দিন আগে টার্মিনালে এসে ওই প্রবীণ নারীকে ঘিরে লোকজনের ভিড় দেখতে পাই। কে বা কারা তাকে এখানে রেখে গেছে বলতে পারি না। আমি দু’দিন খাবারও দিয়েছি তাকে। তখন তিনি একটু একটু কথা বলতে পারতো। কিন্ত হাঁটতে পারতো না। তার নাকি ছেলে-মেয়ে সবই আছে।’

নিহালপুর গ্রামের জবেদা বেগম জানান, ‘কয়েকদিন আগে টার্মিনালের দক্ষিণ পাশের ঘরের বারান্দায় যেখানে প্রাকৃতিক কাজ সারতেন সেখানেই শুয়ে থাকতে দেখা যায় তাকে। এমতাবস্থায় তাকে দেখ-ভাল করার জন্য রিকশায় করে টার্মিনালের উত্তর পাশের ঘরের বারান্দায় নিয়ে আসি আমি। ওই ঘরটি আমার বাড়ির কাছে। তাকে গোসল করিয়ে পোশাক পরিয়ে এখানে রাখা হয়। কাঁথা-বালিশের ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছে।’

একই গ্রামের সুলতানা বেগম বলেন, আমি ওই প্রবীণের কাছ থেকে শুনেছি তার ১ ছেলে, নাম মসুর আলী, স্বামীর নাম মকছেদ আলী, বাড়ি শিবালয় উপজেলার জাফরগঞ্জ গ্রামে। কে তাকে এখানে রেখে গেছে জিজ্ঞেস করলে একবার ছেলের কথা বলে, আবার বলে আমার কপাল। কোনো কিছুই ভালভাবে বলতে পারেনা সে। বর্তমানে সে অসুস্থ্য তাকে চিকিৎসা করানো দরকার। আমরা গরিব মানুষ, যা খাই, তা নয় দিলাম। কিন্ত চিকিৎসা করাবো কিভাবে? তাকে চিকিৎসা এবং সহযোগীতা করার জন্য সংশ্লিষ্টসহ সমাজের হৃদয়বান ব্যাক্তিদেরকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

এ ব্যাপারে শিবালয় মডেল ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ডের সদস্য রফিকুল ইসলাম বলেন, যদিও নিহালপুর এলাকাটি তার এলাকার মধ্যে নয়। তারপরও মানবিক কারণে তার সাধ্য আনুযায়ী ওই প্রবীণকে সহযোগীতার করার আশ্বাস দেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফল বাতিল ও ঢাবি ভিসির পদত্যাগ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষার ফল বাতিল এবং ঢাবির উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ বৃহস্পতিবার বিকেলে ডাক ও রেজিস্ট্রিযোগে শিক্ষা সচিব ও ঢাবি উপাচার্যের প্রতি এই নোটিশ পাঠান। নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী ইউনুছ আলী নিজেই।

গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত হওয়া ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। যে অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবি করে ডিজিটাল জালিয়াতি হয়েছে। সমালোচনার মুখে পড়ে প্রথমে সোমবার এই পরীক্ষার ফল স্থগিত করা হয়। কিন্তু মঙ্গলবার ঠিকই ফল প্রকাশ করা হয়।
অপরদিকে ইউনিটটিতে নিকট অতীতে সর্বোচ্চ ফলাফল হয়েছে, যা ক্ষেত্রবিশেষে দুই থেকে তিনগুণ। ২৬ দশমিক ২১ শতাংশ শিক্ষার্থী এতে পাস করেছেন।

এমনকি ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় রেকর্ড নম্বর পেয়ে প্রথম হওয়া ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটে ফেল করেছিলেন। এই শিক্ষার্থীর নাম জিহাদ হাসান আকাশ। তিনি রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন। এ নিয়ে শুরু হয় আরও সমালোচনা। প্রশ্নফাঁসের সন্দেহ আরও বাড়ে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest