সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে ৩২টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ : আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংসসাতক্ষীরায় ইজিবাইকের নির্বিঘ্নে চলাচল ও চালকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে স্মারকলিপিউচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলনশ্যামনগরে পৃথক ঘটনায় একই দিনে দুজনের মৃত্যুসাতক্ষীরায় জমি দখলের অভিযোগ আ.লীগ নেত্রী রওশন আরা রুবির বিরুদ্ধে প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতারসাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষগণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভামাদকের আখড়ায় অতিষ্ঠ ঝাউডাঙ্গার দত্তবাগ এলাকাবাসীচলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারা

সাতক্ষীরায় ভূমিহীন নেতা অ্যাড. আব্দুর রহিমের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ ১৯৮৭ সালের ৩০ মার্চ সাতক্ষীরা শহরতলীর বাকালে এক ভ্যান চালকের ছেলে ইসলামকে পুড়িয়ে হতা পরবর্তী ভূমিহীনদের অধিকার আন্দোলন প্রতিষ্ঠায় অ্যাড. আব্দুর রহিমের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। এ আন্দোলনে শরীক হয়ে সংগঠণকে শক্তিশালী করেছিলেন কৃষক নেতা সাইফুল্লাহ লস্কর, অধ্যাপক আবু আহম্মদ, কলেজ শিক্ষক আনিছুর রহিম, অ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, আব্দুস সাত্তারসহ কয়েকজন ব্যতিক্রমধর্মী মানুষ। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালের কালিগঞ্জের বাবুরাবাদে ভূমিহীনদের উচ্ছেদ প্রতিরোধ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অ্যাড. আব্দুর রহিম। পরবর্তীতে পুলিশ, ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত ভূমিহীন জাহেদার মিছিল পরবর্তী ভূমিহীন আন্দোলনের গতি বাড়াতে জেলা নাগরিক কমিটির প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও জাপা নেতা হিসেবে তার ভূমিকা অবিষ্মরনীয়। ভূমিহীন আন্দোলনকে রুখে দিতে পুলিশ ও ভূমিদস্যুরা সাইফুল্লাহ লস্করকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে এ কথাটি প্রথম জোরালো কণ্ঠে বলেছিলেন আব্দুর রহিম। ১৯৫২ সালের ভাষা আনোদালনে তিনি রাজপথে থেকে আন্দোলন করেছিলেন। কলেজে শিক্ষকতা করাকালিন নয়, আইনজীবী পেশায় নিয়োজিত থাকাকালিন তিনি সাতক্ষীরার জলাবদ্ধতা নিরসন, রাস্তা সংস্কার, বিদ্যুতের লোডশেডিংসহ সামাজিক উন্নয়নে তার কতা অস্বীকার করা যাবেনা। সকলে মিলে তার কর্মজীবনে ফেলে যাওয়া পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে পারলে তার বিদেহী আত্মা শান্তি পাবে।
সোমবার সকাল ১১ টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আব্দুর রহিমের ষ্ষ্ট মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে এক স্মরণসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক আনিছুর রহিমের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শেখ আজাহার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান আশু, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও নাগরিক কমিটির সদস্য সচীব অ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারি, জেলা বাসদের সমন্বায়ক অ্যাড. আজাদ হোসেন বেলাল, কলারোয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আরাফাত হোসেন, মরহুমের ছেলে আনোয়ার জাহিদ তপন, জাসদ নেতা সরদার কাজেম আলী, ওবায়দুস সুলতার বাবলু, সিপিব নেতা আবুল হোসেন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মদ্যপ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট করতে গিয়ে ধরা বিমান ক্রু

অনলাইন ডেস্ক: মদ পানের অভিযোগে ভিভিআইপি ফ্লাইট থেকে বাদ পড়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক কেবিন ক্রু।
শুক্রবার লন্ডনের উদ্দেশে যাওয়া প্রধানমন্ত্রীকে বহন করা বিজি-০০১ ফ্লাইটে এই ঘটনা ঘটে। রেওয়াজ অনুযায়ী ভিভিআইপি ফ্লাইটে ওঠার আগে পরীক্ষাকালে ওই ক্রু’র শরীরে অ্যালকোহলের উপস্থিতি পাওয়া যায়।
বিমানের চিফ মেডিকেল অফিসার-সিএমও এর ফাইনাল স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ধরা পড়ে অ্যালকোহলের উপস্থিতি। অ্যালকোহলের টেস্ট পজিটিভ হওয়ায় অভিযুক্ত কেবিন ক্রু সৈয়দা মাসুমা মুফতিকে ভিভিআইপি ফ্লাইট থেকে বহিষ্কার করা হয়।
ফ্লাইটে চিফ পার্সার হিসেবে গেছেন কাস্টমার সার্ভিসের ডিজিএম নুরুজ্জামান রঞ্জু। ঘটনা ধামাচাপা দিতে গিয়ে ফেঁসে যাচ্ছেন তিনি। সেই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট বিভাগে মহাব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধেও।
জানা গেছে, নুরুজ্জামান রঞ্জু ও সৈয়দা মাসুমা মুফতিকে গ্রাউন্ডেড করেছে বিমান কর্তৃপক্ষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ফিরিঙ্গি’ রূপী আমির খান এলেন প্রকাশ্যে

বিনোদনের খবর: কখনো ক্রিকেট ব্যাট হাতে ব্রিটিশদের থেকে কর মুক্তি পেতে এসেছেন, কখনো নীলবিদ্রোহী মোঙ্গল পাণ্ডের অবয়বে, কখনো ভীনগ্রহ হতে মানুষরূপী এলিয়েন হয়ে হাজির হয়েছেন তিনি।
জ্বী হ্যা, বলিউডের মি. পারফেক্টশনিস্ট আমির খানের কথা বলছি। ভিন্নভিন্ন চরিত্রে হাজির হয়ে যিনি রুপালি পর্দা দাপিয়ে বেড়ান।
এবার তাকে দেখা যাবে ‘ফিরিঙ্গি’ সাহেবের চরিত্রে।
সোমবার সকালে নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে একটি মোশন পোস্টার শেয়ার করেন আমির খান। যেখানে তাকে রাজকীয়ভাবে ঘোড়ার পিঠে চড়ে সহাস্যে সালাম জানাতে দেখা গেছে।
পরনে তার সবুজ রঙের পর্তুগিজ জ্যাকেট, মাথায় হ্যাট, চোখে গোল চশমা, গলায় ঝোলানো একটি দূরবীন, কোমরের কাছে ঝুলছে এক বোতল পানীয়।
‘থাগস অব হিন্দুস্থান’ ছবিতে এভাবেই হাজির হয়েছেন আমির খান। সামাজিক মাধ্যমে ছবিটি শেয়ার করে আমির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমি হলাম ফিরিঙ্গি, আমার মতো মানুষ এই পৃথিবীতে আর কোথাও পাবেন না। হল আমার দ্বিতীয় নাম। আর ভরসা দেওয়ায়ই আমার কাজ। কসম করে বলছি!!!’
প্রসঙ্গত, থাগস অব হিন্দুস্থান অর্থাৎ হিন্দুস্তানের ঠগিদের নিয়ে এ ছবিটির চিত্রনাট্ট বানানো হয়েছে। ভারতবর্ষে একটা সময় ঠগি ছিল এক আতঙ্গের নাম।
ঠগিরা ছিল বিশেষ ধরণের দস্যু যারা নিরিহ পথিকদের মালামাল লুট করে তাদের হত্যা করত।
গিনেজ বুজ অব ওয়ার্ল্ডের রেকর্ড অনুযায়ী, ১৭, ১৮ ও ১৯ শতকে ঠগিদের হাতে ২০ লাখের বেশি পথিক নিহত হয়েছিল।
আমির খানের ‘থাগস অব হিন্দুস্থান’ ছবিটিতে ১৭৯০ থেকে ১৮০৫ এর মধ্যেকার সময়ের এসব ঠগিদের একটি গল্প উঠে এসেছে।
হিন্দুস্তান টাইমস এর খবর, এই ছবির কাহিনী ফিলিপ মিডোস টায়লরের ১৮৩৯ সালের উপন্যাস ‘কনফেশন্স অব এ থাগ’ এর ভিত্তিতে তৈরি।
যেহেতু আমির খান মানেই নতুনত্ব। তাই আমিরের টুইটে ছবির মোশন পোস্টার দেখে সিনে প্রেমীরা ভয়ানক ঠগিদের ও ফিরিঙ্গি আমির খানকে দেখতে অধীর অপেক্ষা করছে, সেটা সহজেই অনুমান করা যায়।
ছবিতে আরও আছেন অমিতাভ বচ্চন, ক্যাটরিনা কাইফ, ফাতিমা সানা শেখ। আগামি ৮ নভেম্বর ২০১৮ তে ছবিটি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চুল পড়া রোধে প্রাকৃতিক উপায়

অনলাইন ডেস্ক: চুল পড়ার সমস্যা কম বেশি সবারই দেখা দেয়। ঠিকঠাক পরিচর্যা করলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।
রূপচর্চা-বিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে চুল পড়া কমানোর ঘরোয়া উপায় এখানে দেওয়া হল।

গরম তেল মালিশ করা: নারিকেল বা জলপাইয়ের তেল গরম করে আঙ্গুলের সাহায্যে ধীরে ধীরে মাথার ত্বকে মালিশ করুন। এটা চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, গোড়া শক্ত হয় এবং মাথার ত্বকের উন্নতি হয়।

পেঁয়াজের রস: এর সালফার উপাদান চুল পড়া রোধে সাহায্য করে, চুলের ফলিকলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, ফলিকলের সংক্রমণ কমিয়ে পুনুরুজ্জিবিত করে। এর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান মাথার ত্বকে সংক্রমণ সৃষ্টিকারী জীবাণু ধ্বংস করে। ফলে চুল পড়া কমে।

বিটের রস: বলা হয়ে থাকে শরীরের সর্বরোগের সমাধান রান্নাঘরেই রয়েছে। চুল পড়া কমাতে ও সার্বিক পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে বিট সাহায্য করে। তাই চুল পড়ার সমস্যা সমাধানে প্রতিদিন খাবার তালিকায় বিট রাখার চেষ্টা।

গ্রিন টি: চুলের ফলিকল পুনুরুজ্জীবিত করতে ও চুল গজাতে সাহায্য করে। এছাড়া, গ্রিন টি বিপাক বাড়ায় ফলে স্বাভাবিকভাবেই চুলের বৃদ্ধি হয়। গ্রিন টি’র দ্রবণ দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। নিজেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন।

প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের যত্ন

আমলকী: চুল পড়ার অন্যতম কারণ ভিটামিন সি’র অভাব। আমলকী ভিটামিন সি’র ভালো উৎস। চুল সুন্দর রাখতে এর বিকল্প নেই। এই ফলে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ব্যাকটেরিয়া রোধী উপাদান যা খুশকি ও মাথার ত্বকের সংক্রমণ দূর করে। আমলকী মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবারহ করে চুল শক্ত ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে।

নিম পাতা: এর ঔষধি গুণ সবারই জানা। এটা চুল পড়া কমাতেও সাহায্য করে। নিমের ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস রোধী উপাদান খুশকি দূর করতে সাহায্য করে। চুলের ফলিকল শক্ত করতে ও বৃদ্ধি করতে নিম সহায়তা করে। চাইলে নিমের প্যাক ব্যবহার করতে পারেন।

নিম পাতা গরম পানিতে ফুটিয়ে পেস্ট বানিয়ে মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষার পর শ্যাম্পু করে নিন। ভালো ফলাফলের জন্য সপ্তাহে দুদিন এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সন্তানের ধর্ষণের ভিডিও করতেন মা

অনলাইন ডেস্ক: নিজের শিশু সন্তানকে অনলাইনে যৌন নির্যাতনকারীদের কাছে বিক্রি করেছে এক নারী। ওই শিশুর বয়স ৯ বছরের চেয়েও কম। এ ঘটনায় ওই জার্মান নারী ও তার সহযোগিদের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
তদন্তে উঠে এসেছে ভয়ঙ্কর সব তথ্য। যেখানে দাবি করা হচ্ছে শুধু অন্যদের হাতে তুলে দেয়াই না, শিশুটির মা ও তার সহযোগী নিজেরাই তাদের সন্তানকে যৌন নির্যাতন করতেন। তারা অনলাইনে যোগাযোগ হওয়া বেশ কিছু জার্মান ও বিদেশি নাগরিককে ৯ বছরের এই শিশুকে ধর্ষণ করার সুযোগ করে দিয়েছেন। দুই বছর ধরে এই কাজ করে তারা হাজার হাজার ইউরো উপার্যন করেছেন।
এ ধরনের অনেক নির্যাতনের দৃশ্য রেকর্ড করে ভিডিও অনলাইনে বিক্রি করা হতো।
অজ্ঞাত এক ফোনে তথ্য পেয়ে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে পুলিশ এই চক্রকে সনাক্ত করে। বেরিন টি. ও তার সঙ্গীসহ মোট আটজনকে এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের শিশু নির্যাতনের আরো অভিযোগ রয়েছে।
তদন্তকারীরা বলছেন, তাঁদের দেখা সবচেয়ে ভয়াবহ শিশু নির্যাতনের ঘটনা এটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চুম্বনের সময় কামড়ে স্বামীর জিভ ছিঁড়ে ফেললেন স্ত্রী!

অনলাইন ডেস্ক: মাঝে মধ্যে খুনসুটি, টুকিটাকি ঝগড়া হতেই পারে। কিন্তু তা যে এমন মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছাবে কে জানত! এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ভারতের দিল্লিতে। যেখানে স্ত্রী কামড়ে জিভ হারিয়েছেন স্বামী।
শনিবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে দিল্লির রানহোলার বিকারনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। আহত যুবকের নাম করণ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ অভিযোগ স্বীকার করেছেন ওই নারী। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারায় (ধারালো অস্ত্র বা অন্য কিছু দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করা) মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।
জানা যায়, ঘটনার দিন রাতে করণকে চুম্বন করার সময় জিভ ছিঁড়ে দেন ওই নারী। আগে থেকেই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকত। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই স্বামীর চেহারা নিয়ে বিদ্রূপ, উপহাস করতে শুরু করেন ওই নারী।
করণের আর্তনাদে ছুটে আসেন প্রতিবেশিরা। তারা দেখেন করণের মুখের মধ্য থেকে অনবরত রক্ত বের হচ্ছে। সেই সঙ্গে মেঝেতে অর্ধেক জিভ পড়ে রয়েছে। রক্তাক্ত অবস্থায় প্রতিবেশীরা তাকে দিল্লির সফদর জং হাসপাতালে ভর্তি করেন।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, করণের মুখের অবস্থা মারাত্মক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইয়াবা সেবনে ভয়াবহ শারীরিক ক্ষতি

অনলাইন ডেস্ক: সম্প্রতি বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের মধ্যে ইয়াবা ব্যাপক জনপ্রিয়। আর বহন করতে সহজ হওয়ায় বেশির ভাগ মাদক ব্যবসায়ীরা ইয়াবা ব্যবসার দিকে বেশি ঝুঁকছেন। ইয়াবার মরণ ছোবলে বিপথগামী হচ্ছে পরিবার, সমাজ ও ব্যক্তিজীবন। দীর্ঘদিন ‘ইয়াবা’ সেবনে শারীরিক ও মানসিক মারাত্মক জটিলতা তৈরি হয়। এর মরণ ছোবলে জীবন নিঃশেষ হয়ে যায়।

আসুন জেনে নেই ইয়াবা সেবনে যেসব শারীরিক ক্ষতি হয় আপনার।

মস্তিষ্কের সমস্যা
ইয়াবা সেবনে মস্তিষ্কের কিছু ছোট রক্তনালি নষ্ট হতে পারে। দীর্ঘদিন সেবনে অল্প বয়সেও ব্রেনস্ট্রোক করে প্যারালাইজড হওয়া বা চলাচলে অক্ষম হওয়ার আশঙ্কা ৯৫ শতাংশ।

রক্তচাপ বেড়ে যায়
ইয়াবা সেবন দ্রুত হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায় এবং রক্তচাপ জাগিয়ে তোলে। এছাড়া তীব্র মাথাব্যথা হয় বা মাথা ধরে। তাই ইয়াবা সেবন থেকে রিবত থাকুন।

দৃষ্টিশক্তি কমে যায়
চোখের মণি প্রসারিত (ডায়ালাইটেড) হয়। দৃষ্টি আস্তে আস্তে কমে যায় বা নষ্ট হয়। কোনো কিছু মনে রাখতে পারে না বা ভুলে যায়। কাজের প্রতি মনোযোগ কমে যায় বা আগ্রহ থাকে না।

ক্ষুধা নষ্ট
ইয়াবার মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হলো ক্ষুধা কমে যাওয়া বা ক্ষুধাহীনতা। ফলে আস্তে আস্তে ওজন কমে যায়। মাঝেমধ্যেই বুক ধড়ফড় করে, অস্থিরতায় ভোগে। বুকে ব্যথা বা হার্টের সমস্যা তৈরি হতে পারে।

লিভার ও কিডনি
ইয়াবা সেবনের ফলে লিভারসিরোসিস থেকে লিভার ক্যানসারেও পরিণত হতে পারে। এছাড়া শরীরে একধরনের তাপ তৈরি হয়, যা কিডনির ক্ষতি করতে পারে।

ফুসফুসের সমস্যা
নাক দিয়ে ধোঁয়া হিসেবে ব্যবহার করায় ফুসফুসে পানি জমা বা অন্য ক্ষতি হতে পারে। স্কিন বা চামড়া লাল হয়ে যায় বা মারাত্মক চর্মরোগের সমস্যা তৈরি করে।

কর্মক্ষমতা হারায়
শরীর প্রচণ্ড অলস হয়ে পড়ে। পড়াশোনা, দৈনন্দিন কাজকর্মে আগ্রহ কমে যায়, কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। অতিরিক্ত ইয়াবা গ্রহণ হাইপারথার্মিয়া বা উচ্চ শারীরিক তাপমাত্রার কারণ হতে পারে।

ঘুমের সমস্যা
এর প্রভাবে কেউ দিনে ঘুমায়, রাতে জেগে থাকে। কেউ কেউ টানা সাত থেকে ১০ দিন জেগে থাকে, আবার একটানা ঘুমায়।

সিজোফ্রেনিয়া ও হ্যালুসিনেশন
কারো ক্ষেত্রে সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। অনেকে পাগল হয়ে যায়। চোখে উল্টাপাল্টা দেখে। কারো কারো ক্ষেত্রে হ্যালুসিনেশন বা গায়েবি আওয়াজ শোনার ঘটনা ঘটে।

আত্মহত্যার প্রবণতা
ডিপ্রেশন বা হতাশাজনিত নানা রকম অপরাধপ্রবণতা বৃদ্ধি পায়। আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ে। অনেকে হঠাৎ আত্মহত্যা করে বসে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৯ বছর ধরে কোনও গাড়ি নেই এই শহরে

অনলাইন ডেস্ক: বাইরে বের হলেই গাড়ির শব্দে আর ধোঁয়ায় হাঁস ফাঁস অবস্থা হয় আমাদের। অথচ জানেন কি এমন এক শহর আছে যেখানে গাড়ি নিষিদ্ধ। স্পেনের একটি ছোট্ট শহর পন্টেভেদ্রা। দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে এই শহরে গাড়ি নিষিদ্ধ। খুব প্রয়োজন ছাড়া এখানে গাড়ি চলাচল করে না।
শহরের বাসিন্দারা পায়ে হেঁটে বা বাইসাইকেলে গন্তব্যে পৌঁছান। শহরটা ছোট হওয়ায় বাইসাইকেলেই যাওয়া যায়।
১৯৯৯ সাল থেকে এই শহরে গাড়ি নিষিদ্ধ। জানেন কি কেন ১৯ বছর ধরে গাড়ি নিষিদ্ধ করা হয়েছে এই শহরে? মিগুয়াল অ্যাঙ্গসো ফারনানডেজ লরেস। পন্টেভেদ্রার মেয়র। এই নিয়ে চার বার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ১৯৯৯ সালে প্রথমবার মেয়র হওয়ার পরই তিনি গাড়ি নিষিদ্ধ করে দেন।
যানজট আর দূষণমুক্ত করে পন্টেভেদ্রাকে বাসযোগ্য করে তোলার পরিকল্পনা তার। আর শুধুমাত্র সে কারণেই গাড়ি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাতে জনগণ সাড়াও দেন। সে জন্য ১৯৯৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তাকেই মেয়র নির্বাচিত করা।
১৯৯৬ থেকে ২০০৬, এই ১০ বছরে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ৩০ জনের। এর পরের ১০ বছর অর্থাৎ ২০০৬ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা মাত্র ১০। এমনকি ২০০৯ সালের পর থেকে একটি মৃত্যুও পথ দুর্ঘটনার কারণে হয়নি বলে সম্প্রতি জানিয়েছেন মেয়র নিজেই।
পায়ে হেঁটে আর বাইসাইকেলে যাতায়াত করার জন্য দূষণের মাত্রাও প্রচুর কমেছে। পন্টেভেদ্রার বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণও হ্রাস পেয়েছে। গাড়ির ভিড়ে অন্যান্য শহরে যেমন নাভিশ্বাস ওঠার জোগড়, রাস্তায় পা ফেলার জায়গা পাওয়া যায় না, পন্টেভেদ্রায় ঠিক উল্টো।
গাড়ির সংখ্যা কমে যাওয়ায়, মানুষের বসতি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৯৯ সালে গাড়ি নিষিদ্ধ হওয়ার পর থেকে এই শহর ১২ হাজার নতুন বাসিন্দা পেয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest