সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেনসাতক্ষীরা সদরে ইউনিটি গ্রুপের ‘বিজনেস অপরচুনিটি’ সম্মেলন অনুষ্ঠিতসাংবাদিক সুজন ওসুজয়ের মায়ের ইন্তেকাল:প্রেসক্লাবের শোক

যশোরে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

অনলাইন ডেস্ক: যশোর শহরে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে সোহাগ হোসেন নামে এক যুবক খুন হয়েছেন।
শুক্রবার দিনগত রাতে শহরের পুরাতন কসবা কাজীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সোহাগ কাজীপাড়া এলাকার মৃত সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।
নিহতের ভাই সমরাজ জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে কাজীপাড়া আমতলায় মনিরের বাড়ির সামনে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা সোহাগকে ছুরি মেরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু তার আগেই সোহাগের মৃত্যু হয়।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কাজল মল্লিক জানান, রাত পৌনে ১টার দিকে সোহাগকে হাসপাতালে আনা হয়। কিন্তু তার আগেই মৃত্যু হয়েছে যুবকের। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা গেছেন সোহাগ।
যশোর কোতয়ালী থানার এসআই শাহাজুল সোহাগ জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়েছি। তবে কারা কী কারণে তাকে খুন করেছে, তা এখনও জানা যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘সংসদে প্রতিনিধিত্বকারীদের নিয়েই নির্বাচনকালীন সরকার’

দেশের খবর: আগামী জাতীয় নির্বাচনের সময় সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে একটি সরকার গঠন করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । নিউইয়র্কে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে শুক্রবার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে শেখ হাসিনার অংশগ্রহণ সম্পর্কে গণমাধ্যমকে অবহিত করতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি বিরোধী দলীয় নেত্রীর (রওশন এরশাদ) সঙ্গে কথা বলতে যাচ্ছি। তারা যদি চান আমাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সব রাজনৈতিক দল যদি চায় তাহলে আমরা তাদের প্রতিনিধি নিয়ে সরকার গঠন করতে পারি। তারা ক্ষমতাসীন অথবা বিরোধী দল কিনা সেটা কোনো বিষয় না। তবে নির্বাচনকালীন সরকার সম্পর্কে এখানে কোনো সংজ্ঞা নেই।’
সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার আত্মজীবনী প্রকাশের পেছনে কারা রয়েছে তা খুঁজে বের করতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আমি এ ব্যাপারে জানি, কিন্তু আমি আপনাদের বলব না। বরং আমি আপনাদের কাছ থেকে এ ব্যাপারে জানতে চাই এবং আমি চাই এ বই প্রকাশের পেছনে কারা রয়েছে তা আপনারা খুঁজে বের করবেন।’
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিচারপতি সিনহার একটি আত্মজীবনী সম্প্রতি আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। এতে সাবেক প্রধান বিচারপতি তার পদত্যাগের বিভিন্ন কারণ তুলে ধরেছেন।
‘এ ব্রোকেন ড্রিম : রুল অব ল,’ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি’শীর্ষক এ বইয়ের কপিরাইট হচ্ছে ললিতমোহন- ধনাবাতি মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের নামে। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে এ বইয়ের প্রকাশনা উৎসবের কথা রয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ বইয়ের পাণ্ডুলিপি কতবার বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখান থেকে আনা হয় তা সাংবাদিকদের খুঁজে বের করতে হবে। এ বই প্রকাশনায় কারা অর্থ দিয়েছে এবং আপনাদের মতো কোনো সাংবাদিক এর সঙ্গে জড়িত কিনা এবং কী পরিমাণ অর্থ দিয়েছে তা অনুগ্রহ করে উন্মোচন করুন।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো বড় আইনজীবী এ বইয়ের পান্ডুলিপি সংশোধন করে দিয়েছেন কিনা অথবা কোনো সংবাদপত্র অথবা মালিক এর পৃষ্ঠপোষক কিনা তা আপনারা খুঁজে বের করুন।’

যুক্তরাষ্ট্রে সিনহার ভাইয়ের নামে একটি বাড়ি ক্রয় সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে বাড়ি কেনা কঠিন কিছু নয়। বিপুল দামের কারণে বাংলাদেশে কেনা কঠিন। অর্থ জমা করলে যুক্তরাষ্ট্রে যেকোনো ব্যক্তি বাড়ি কিনতে পারেন।
শেখ হাসিনা বলেন, কে এবং কীভাবে এ বাড়ি ক্রয় করেছে সে ব্যাপারে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই। আপনারা খুঁজে বের করুন এবং তথ্য দিন। যদি কোনো ব্যক্তি এ ব্যাপারে দোষী সাব্যস্ত হয় তাহলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী সাইবার অপরাধ এখন একটি আলোচ্য বিষয়। সব দেশ এ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে এ আইন প্রণয়ন করেছি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে নয়। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের পর সাইবার অপরাধ এখন একটি বৈশ্বিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

সাংবাদিকদের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনারা সবসময় আইনের শুধু একদিক দেখেন।’ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদেও সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সবাই এ ব্যাপারে শঙ্কিত। কারণ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদী কার্যক্রমকে সাইবারের মাধ্যমে উস্কে দেয়া হয়।’
‘শিশু থেকে তরুণ পর্যন্ত সবাই যখন ভুল পথে চলে যাচ্ছে অথবা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে, তখন বিভিন্ন সামাজিক ও ডিজিটাল মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য কিনা‘ প্রশ্ন করেন।
তিনি বলেন, ‘যদি কোনো সাংবাদিক সুষ্ঠু সাংবাদিকতার চর্চা করেন তাহলে তিনি কেন শঙ্কিত হবেন?’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এ সময় মঞ্চে ছিলেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ-বিন-মোমেন সংবাদ সম্মেলনে সূচনা বক্তব্য দেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুই রণবীরের গোপন কথা ফাঁস করবেন দীপিকা ও আলিয়া

অনলাইন ডেস্ক: পছন্দের বলিউড তারকারা তাদের একে অপরের নানান রকম গোপন খবর ফাঁস করেন। আর সেসব ছড়িয়ে যায় বিদ্যুৎ বেগে। এসব কথা মাথায় রেখেই ‘কফি উইথ করণ’- শো শুরু করেছিলেন করণ জোহর। সে শো হিট হয়। আর সেকথা মাথায় রেখেই ‘কফি উইথ করণ’-এর সিজন-৬ শুরু হতে যাচ্ছে। করণের এই শোয়ের প্রথম দিনের অতিথি হবেন বলিউডের দুই প্রথম সারির অভিনত্রী। আলিয়া ভাট ও দীপিকা পাড়ুকোন। একজন রণবীর কাপুরের বর্তমান, অন্যজন প্রাক্তন।

যিনি রণবীর কাপুরের প্রাক্তন তিনিই আবার রণবীর সিংয়ের বর্তমান। মনে করা হচ্ছে দুই রণবীরের গোপন খবরের পর্দা ফাঁস করতেই আসছেন তাদের প্রেমিকারা। আর শোয়ে দীপিকা ও আলিয়া যখন থাকছেন তখন দুই রণবীরের সম্পর্কে নানান গোপন কথার পর্দা যে ফাঁস হওয়ায় স্বাভাবিক।

গত বছর এই শোয়ে হাজির হয়েছিলেন রণবীর কাপুর ও রণবীর সিং জুটি। বলিউডের দুই রণবীরের হাসি ঠাট্টা ও গল্প-গুজবে জমে উঠেছিল চ্যাট শো। এবার দেখা যাক দীপিকা ও আলিয়া একে অপরের সঙ্গে কতটা মানিয়ে নিতে পারেন।

বিশেষ করে যখন রণবীর কাপুরের সঙ্গে দীপিকা ও আলিয়া দুজনেরই বিশেষ একটা সম্পর্ক রয়েছে। দীপিকা হলে রণবীর কাপুরের প্রাক্তন প্রেমিকা। বিভিন্ন কারণে সেই সম্পর্ক ভেঙে গেলেও বন্ধুত্ব অটুট রয়েছে। আর আলিয়া হলেন রণবীর কাপুরের বর্তমান। অন্যদিকে দীপিকা আবার বর্তমানে রণবীর সিংয়ের সঙ্গে প্রেম করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কনজাংটিভাইটিস বা চোখ উঠলে করণীয়

স্বাস্থ্য কণিকা: কনজাংটিভাইটিস বা চোখ উঠা একটি পরিচিত চোখের সমস্যা। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে যে কোনো বয়সের মানুষ এই রোগটিতে আক্রান্ত হতে পারেন। সারা বছর আক্রান্ত হওয়ার সুযোগ থাকলেও গরমে চোখ উঠার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়। সংক্রামক হওয়ায় পরিবারের একজন সদস্য আক্রান্ত হলে অন্য সদস্যদেরও আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি।

আমাদের চোখের সাদা অংশটুকু একটা পাতলা পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে- যার নাম কনজাংটিভা। এই কনজাংটিভায় যখন বিভিন্ন কারণে সংক্রমণ হয় তখন সূক্ষ্ম রক্তনালীগুলো লালচে হয়ে উঠে এবং চোখ লাল দেখায়। এছাড়া চোখ দিয়ে পানি পড়া, চুলকানি, হলদেটে নিঃসরণ কিংবা আলোক সংবেদনশীলতা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা যায়। বিভিন্ন কারণে এই কনজাংটিভাইটিস হতে পারে।

যেমন: ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাল ও ফাঙ্গাল ইনফেকশন, রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শ ইত্যাদি। কনজাংটিভাইটিস একটি অস্বস্তিকর সমস্যা। এই সময় চোখে কন্টাক্ট লেন্স বা কোনো ধরনের কসমেটিকস ব্যবহার করা উচিত নয়। তাছাড়া আলোক সংবেদনশীলতার জন্য সানগ্লাস পড়া আরামদায়ক। তবে এটি খুব সংক্রামক হওয়ায় চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ৩০

বিদেশের খবর: ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছে।
মার্কিন ভূতাত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার একটু আগে সুলাওয়েসি দ্বীপে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পের পরপর সমুদ্র উপকূলীয় ওই শহরটিতে সুনামিও আঘাত হেনেছে। সুলাওয়েসি প্রদেশের রাজধানী পালু, ডোঙ্গালা ও অন্যান্য কয়েকটি উপকূলীয় এলাকায় ৫ ফুট উচ্চতার ঢেউ আছড়ে পড়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার মুখপাত্র সুতপো পারু নাগরোহো জানান, ভূমিকম্পে ৩০ জন মারা গেছে। অনেকেই এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। ভূমিকম্পে অনেক ভবন ধসে গেছে বলে খবর এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মৌসুমে প্রথম হারের স্বাদ পেল বায়ার্ন মিউনিখ

খেলার খবর: বুন্দেসলিগায় এ মৌসুমে প্রথম হারের স্বাদ পেল বায়ার্ন মিউনিখ। শুক্রবার রাতে হার্থা বার্লিনের ঘরের মাঠে ২-০ গোলে হেরেছে নিকো কোভাচের শিষ্যরা।
ম্যাচের ২৩তম মিনিটের মাথায় পেনাল্টি থেকে গোল করে হার্থা বার্লিনকে এগিয়ে দেন ভেদাদ ইবিসেভিচ। প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে ডি-বক্সের মাঝামাঝি থেকে ডান পায়ের শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মিডফিল্ডার ওন্দ্রেই দুদা।
ছয় ম্যাচ থেকে চার জয় ও এক ড্র’তে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আছে বায়ার্ন। সমান পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে হার্থা বার্লিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিজেই রোগ নির্ণয় করুন

অনলাইন ডেস্ক: আমাদের অভ্যাস হচ্ছে শরীর খুব খারাপ না হওয়া পর্যন্ত চিকিৎসকের কাছে না যাওয়া। মাঝে মাঝে শরীর হয়ত একটু খারাপ লাগে, একটু বিশ্রাম নিলে ঠিক হয়ে ‍যায়। এই লক্ষণগুলো যে হতে পারে বড় কোনো রোগের পূর্বাভাস এটা চিন্তাও করি না।

সচেতনভাবে উপসর্গগুলো লক্ষ্য করলে নিজেরাই কিছু রোগ সনাক্ত করতে পারি। যেমন:

হৃদরোগ
হৃদরোগের উপসর্গগুলো হলো, বুকে ব্যথা, নাড়ির গতি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, শ্বাস-প্রশ্বাসে অস্বাভাবিকতা শরীরের কিছু কিছু জায়গায় নীল হয়ে যাওয়া, চোখের চারপাশ ফুলে যাওয়া, অস্বাভাবিক হৃদস্পন্দন ইত্যাদি।

ডায়াবেটিস
রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া হচ্ছে ডায়াবেটিস। বারবার পানির পিপাসা ও মুখ শুকিয়ে যাওয়া, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, শরীর দুর্বল লাগা, ওজন কমে যাওয়া, দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া এবং সকালের প্রথম প্রস্রাব একটি স্বচ্ছ পাত্রে রেখে রোদে দিলে যদি ৪ ঘণ্টার মধ্যে তলানিতে (প্রায় ৭০ ভাগ) জমে, তবে বুঝতে হবে এটি ডায়াবেটিসের লক্ষণ।

জন্ডিস
জন্ডিসের উপসর্গ হচ্ছে শরীর ও চোখ ফ্যাকাসে হলুদ হয়ে যাওয়া, প্রস্রাবের রঙ হলুদ হয়ে যাওয়া, শরীর খুব ক্লান্ত লাগা, খাবারে অরুচি।

গ্যাস্ট্রিক
গলা ও বুক জ্বালাপোড়া, টক টক ঢেঁকুর ওঠা, বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা গ্যাস্ট্রিকের উপসর্গ। সাধারণত সঠিক সময়ে খাবার না খাওয়া, ভেজালযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে গ্যাস্ট্রিক হয়।

উপসর্গগুলো লক্ষ্য করুন, যদি নিয়মিত এর যেকোনোটি হতে থাকে, অপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সঠিক চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ থাকুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কমছে ডিসি হওয়ার বয়স; হচ্ছে কর্মকর্তাদের ক্যারিয়ার প্ল্যানিং নীতিমালা

দেশের খবর: মাঠ প্রশাসনের শীর্ষপদ জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে নিয়োগের বয়সসীমা কমানো হচ্ছে। এ পদে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তার বয়স হতে হবে ৪৫ বছরের কম। বর্তমানে ডিসি পদে নিয়োগের সর্বোচ্চ বয়স ৫০ বছর নির্ধারণ করা আছে। ডিসি হতে হলে মাঠ প্রশাসনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদে কমপক্ষে ৫ বছর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) হিসেবে ২ বছর ও ভূমি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। উল্লিখিত বিধান রেখে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার এবং সরকারের উপসচিব ও তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ক্যারিয়ার প্ল্যানিং (কর্মজীবন পরিকল্পনা) নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

নীতিমালাটি সম্প্রতি প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটিতে পাঠানো হলে তা আরও পর্যালোচনার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইনের নেতৃত্বে করা কমিটিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কমিটি এটি চূড়ান্ত করার পর তা অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে। জানতে চাইলে সোহরাব হোসাইন বুধবার বলেন, আমরা একটি বৈঠক করেছি নীতিমালাটি নিয়ে। তবে আরও কয়েকটি বৈঠক করার পর এটি চূড়ান্ত করা হবে।

নীতিমালার খসড়ায় বলা হয়েছে- একজন ডিসি এক জেলায় তিন বছর এবং একাধিক জেলায় ৪ বছরের বেশি থাকতে পারবেন না। বর্তমানে তিন বছরের বেশি কেউ ডিসি হিসেবে থাকার নিয়ম নেই। সরকারের উপসচিবদের মধ্য থেকেই ডিসি পদে নিয়োগ দেয়া হবে। পাশাপাশি যুগ্ম-সচিবদের মধ্য থেকে বিভাগীয় কমিশনার নিয়োগ করা হবে। তাদের সর্বোচ্চ বয়স হবে ৫২ বছর এবং এক বিভাগে দুই বছরের বেশি কেউ বিভাগীয় কমিশনার থাকতে পারবেন না। তবে একাধিক বিভাগে তিন বছর থাকতে পারবেন। বর্তমানে অতিরিক্ত সচিবদের মধ্য থেকে বিভাগীয় কমিশনার পদে নিয়োগ দেয়া হয়। আর অতিরিক্ত সচিবদের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে প্রেষণে নিয়োগ দেয়া হবে এবং তিন বছরের বেশি এক মন্ত্রণালয়ের কাজ করতে পারবেন না। তবে সরকার চাইলে এই মেয়াদ কমবেশি করতে পারবে। সরকার উপযুক্ত কর্মকর্তাদের সচিব পদে নিয়োগ দেবেন। সেই ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতা, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা, চাকরির অভিজ্ঞতা, বিশেষ বিষয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা মূল্যায়ন করা হবে। কমপক্ষে তিন বছর সচিব পদে চাকরি করা কর্মকর্তাকে সিনিয়র সচিব পদে পদায়ন করা হবে। মুখ্য সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব পদে পদায়নের ক্ষেত্রে তিন বছর সচিব পদে চাকরির অভিজ্ঞতার সঙ্গে মাঠ প্রশাসনে চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

এছাড়া কোনো সিনিয়র সহকারী সচিব বা উপসচিব চাকরিজীবনের ২০ বছরেও যদি পরবর্তী ধাপে পদোন্নতি না পান, তাহলে বাকি কর্মজীবনে তার আর পদোন্নতি হবে না। ওই কর্মকর্তা অবসরে যাওয়ার আবেদন করলে সরকার তাকে পরবর্তী ধাপে অর্থাৎ উপসচিব বা যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে অবসরে পাঠাবে। তবে অবসরে যাওয়ার এই আবেদন করতে হবে চাকরিজীবনের ২০ থেকে ২১ বছরের মধ্যে। নীতিমালাটি অনুমোদন পেলে চাকরির ৬ বছর পূর্তিতে ইউএনও পদে পদায়ন করা হবে। ইউএনও পদে যোগদানের আগে দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। যারা লিয়েনে থাকার কারণে এসি ল্যান্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না, তাদের ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এর ধারাবাহিকতায় সাত বছর চাকরি পূর্তিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদে পদায়ন করা হবে। পদায়নের আগে দুই সপ্তাহের ভূমি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ দেয়া হবে এবং প্রশিক্ষণের ফল পদায়নের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেয়া হবে।

খসড়ায় বলা হয়েছে, পদোন্নতির ক্ষেত্রে চাকরিকাল, কর্মমূল্যায়ন প্রতিবেদন, বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের প্রাপ্ত নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতা, শৃঙ্খলা প্রতিবেদন ও সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের (এসএসবি) মূল্যায়ন বিবেচনা করে নির্দিষ্ট নম্বর বণ্টনের বিধান রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে উপসচিব পদে পদোন্নতিতে সিনিয়র সহকারী সচিব বা সমমর্যাদার পদে পাঁচ বছরের সন্তোষজনক চাকরির জন্য ১০ নম্বর, যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতিতে উপসচিব পদে তিন বছর চাকরির জন্য ১০ নম্বর এবং অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতিতে যুগ্ম সচিব পদে দুই বছরের চাকরির জন্য ১০ নম্বর। এছাড়া তিনটি পদের ক্ষেত্রেই কর্মমূল্যায়ন প্রতিবেদনে ৫০ নম্বর, বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের জন্য ১০ নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতার জন্য ১০ নম্বর, শৃঙ্খলা প্রতিবেদনে ১০ নম্বর ও এসএসবির মূল্যায়নের জন্য ১০ নম্বর থাকবে।

কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সের বিষয়ে নীতিমালায় গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এতে সরকারি চাকরির অংশ করা হচ্ছে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির (বিএমএ) ওরিয়েন্টেশন কোর্স। তবে এখনই তা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না বা পদোন্নতির ক্ষেত্রে এর জন্য কোনো পয়েন্ট রাখা হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, একসময় বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হবে। কারণ সব প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরই মৌলিক সামরিক প্রশিক্ষণ থাকা উচিত। এছাড়া নবীন কর্মকর্তাদের যোগদানের পরপরই দেড় বছরের প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমিতে আইন ও প্রশাসন বিষয়ে এ প্রশিক্ষণ নিতে হবে। জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ের বিভিন্ন শাখার কাজের বিষয়ে ধারণা লাভ করা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ভূমি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ধারণা পাওয়ার জন্য সার্ভে অ্যান্ড সেটলমেন্ট কোর্স করতে হবে। বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে যারা ভালো ফল করবেন, তাদের অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য বিদেশে পাঠানো হবে। এছাড়া সম্ভব হলে বিএমএ ওরিয়েন্টেশন কোর্স সম্পন্ন করতে হবে।

প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রসঙ্গে নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে- সহকারী কমিশনার পদে ওইসব কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেয়া হবে, যারা সাফল্যের সঙ্গে ভূমি জরিপ ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করবেন। চাকরির পাঁচ বছর পূর্তিতে সিনিয়র স্কেল পাবেন। সেক্ষেত্রে সিনিয়র সহকারী কমিশনার, সিনিয়র সহকারী সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-বিভাগের কার্যাবলি সংক্রান্ত একটি স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অ্যাডভান্স কোর্স অন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। যুগ্ম সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য সিনিয়র স্টাফ কোর্স বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য পলিসি প্ল্যানিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কোর্স (পিপিএমসি) বাধ্যতামূলক করা হবে। এছাড়া অন্যান্য প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশ নিতে হবে। বৈদেশিক উচ্চতর ডিগ্রি এবং শিক্ষাজীবনের সব পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণী বা বিভাগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে পদায়নে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest