সর্বশেষ সংবাদ-

হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখতে আপেল

স্বাস্থ্য কণিকা: ছোট-বড় সবার পরিচিত ফল আপেল। নিয়মিত তাজা ও বিষমুক্ত আপেল খাওয়া দারুণ উপকারী। ওজন কমাতে আমাদের চেষ্টার শেষ নেই। আবার মরণব্যাধি ক্যান্সারের কথাও আমরা জানি। ক্যান্সার মানেই তো মৃত্যুর কাছে পৌঁছে যাওয়া। এমনই মরণঘাতী রোগ যে রোগাক্রান্ত শরীরের অংশ কেটে ফেলেও রেহাই নেই। অথচ ক্যান্সার প্রতিরোধেও দারুণ উপকারী আপেল। নিয়মিত আপেল খেলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটা কমে যায়। হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখতেও আপেল উপকারী।

সবল হার্টের জন্য
হার্টের জন্য আপেলকে কার্যকরী ওষুধ বলা যায়। তা ছাড়া কোলেস্টেরলের মাত্রা কম রাখতে আপেল যথেষ্ট উপকারী। যারা প্রতিদিন দুটি আপেল খায় তাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা অন্যদের চেয়ে কম থাকে।

ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধ
ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধেও আপেল যথেষ্ট কার্যকরী। যারা বেশি বেশি আপেল খায় তাদের ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অর্ধেক কমে যায়।

স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধক
আপেল ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধেও সহায়ক। এক গবেষণায় দেখা যায়, যেসব মহিলা প্রতিদিন একটি আপেল খায় অন্যদের চেয়ে তাদের এই রোগটি হওয়ার আশঙ্কা ১৭ শতাংশ কমে যায়। আপেলের সংখ্যা যত বাড়বে স্তন ক্যান্সার হওয়ার শঙ্কাও তত কমবে। প্রতিদিন তিনটি আপেল খেলে এই আশঙ্কা ৩৯ শতাংশ কমে যায়। সংখ্যাটা যদি ছয় হয় তাহলে সেই শঙ্কাটা নেমে আসে ৪৪ শতাংশে।

ওজন কমানো
ওজন কমাতে অনেকেই খাওয়াদাওয়া কমিয়ে দেয়। কিন্তু আপেল তাদের জন্য একটু হলেও স্বস্তির বিষয় হয়ে আসতে পারে। কেননা আপেল ওজন কমানোর লড়াইয়ে দারুণ কার্যকরী। বিশেষ করে যেসব মহিলা ওজন কমাতে চায় তারা দৈনিক তিনটি আপেল খেলে ডায়েট করার চেয়ে ভালো ফল পাবে।

অ্যাজমা প্রতিরোধে
এক গবেষণায় দেখা যায়, যেসব শিশু প্রতিদিন আপেলের রস খায় অন্যদের চেয়ে তাদের এই রোগটি হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। একই গবেষণায় দেখা যায়, যেসব মা সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায় বেশি আপেল খায় সেসব মায়ের সন্তানেরও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভিয়েতনামে বন্যা ও ভূমিধস; নিহত ১৩, নিখোঁজ ৩

বিদেশের খবর: কয়েকদিনে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ভিয়েতনামের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরো ৩ জন নিখোঁজ রয়েছে। আজ সোমবার দেশটির জাতীয় দুর্যোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কেন্দ্রীয় স্টিয়ারিং কমিটির বরাত দিয়ে বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, বাড়িঘর, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে রাস্তা ও ফসলের বেশি ক্ষতি হয়েছে। আজ সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় থানহ হোয়া প্রদেশে বন্যায় নয় জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরো তিনজন নিখোঁজ রয়েছে। এদিকে উত্তরাঞ্চলীয় হোয়া বিনহ, ইয়েন বাই, সোন লা এবং লং সোন প্রদেশে বন্যা ও ভূমিধসে একজন করে মারা গেছে। এখন পর্যন্ত, বন্যা ও ভূমিধসে ৩৬৪টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত ও ৬ হাজার ৫২৩ হেক্টর জমির ধান ও অন্যান্য শস্য ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে আর্ন্তজাতিক সংবাদমাধ্যম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মন্ত্রিসভায় শ্রমআইন- ২০১৮ এর খসড়া অনুমোদন

দেশের খবর: দুর্ঘটনায় শ্রমিক হতাহতের ঘটনায় দ্বিগুণ ক্ষতিপূরণ ও বাধ্যতামূলক উৎসব ভাতা প্রদানসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে পরিবর্তন এনে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন- ২০১৮ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সচিবালয়ে বৈঠকে বিভিন্ন শ্রম ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের বিধান রেখে খসড়াটির অনুমোদন দেয়া হয়।
সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, সংশোধিত শ্রমআইনে বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্য রয়েছে শ্রমিকদের উৎসব ভাতা বাধ্যতামূলক; কিশোররা কাজ করতে পারবে, শিশুরা নয়; দুর্ঘটনায় কোনও শ্রমিক নিহত হলে তার ক্ষতিপূরণ দ্বিগুণ দিতে হবে।
বাংলাদেশে ২০০৬ সালের শ্রমআইন কার্যকর রয়েছে। বিভিন্ন শ্রম সংস্থা ও শ্রমিক সংগঠনের দাবির মুখে ২০১৩ সালে শ্রমআইন সংশোধন করা হলেও তা যথেষ্ট হয়নি বলে আলোচনা ছিল।
এরপর থেকেই আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), আন্তর্জাতিক ক্রেতা জোট এবং বিভিন্ন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠন শ্রমআইন ফের সংশোধনের দাবি তোলে।
এ নিয়ে বাংলাদেশ সরকার দেশে-বিদেশে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে। এরপর শ্রমআইন সংশোধনের খসড়া করে তা আইএলওতে পাঠানো হয়। আইএলওর পর্যবেক্ষণ আমলে নিয়ে মালিক, শ্রমিক ও সরকারি প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত ত্রিপক্ষীয় কমিটি আইনটির খসড়া চূড়ান্ত করে।
প্রচলিত আইনে দুর্ঘটনায় মৃত্যুজনিত কারণে শ্রমিকের উত্তরাধিকারীরা এক লাখ টাকা এবং স্থায়ী সম্পূর্ণ অক্ষমতার জন্য এক লাখ ২৫ হাজার টাকা পাওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু এই ক্ষতিপূরণ বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠন, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী, আইএলওসহ সব দেশীয় শ্রমিক সংগঠনের অব্যাহত দাবি ছিল।
নতুন আইনে এই অর্থ দ্বিগুণ করে দুর্ঘটনায় মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণ ২ লাখ টাকা, স্থায়ীভাবে সম্পূর্ণ অক্ষম হয়ে পড়লে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করা হচ্ছে।
নতুন আইন অনুযায়ী, কেউ যদি শিশুশ্রমিক নিয়োগ করে, তাঁকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হবে। ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত কিশোররা হালকা কাজ করতে পারবে। আগে ১২ বছরের শিশুরা হালকা কাজের এ সুযোগ পেত।
প্রস্তাবিত আইনে ট্রেড ইউনিয়নের কথাও বলা হয়েছে। আগে ট্রেড ইউনিয়ন করার জন্য ৩০ শতাংশ শ্রমিকের অনুমোদন প্রয়োজন ছিল। এখন তা কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। আগে ট্রেড ইউনিয়ন করার জন্য ধর্মঘট ডাকার জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের মত গ্রহণের বিধান ছিল। এখন সেটা কমিয়ে ৫১ শতাংশ করা হয়েছে।
শ্রম আদালতে মামলা নিষ্পত্তির জন্য (রায়ের সময়) নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এখন প্রস্তাবিত আইনে ৯০ দিনের মধ্যে রায় দিতে হবে। কোনো কারণে এই ৯০ দিনের মধ্যে রায় দেওয়া না গেলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে এই রায় অবশ্যই দিতে হবে।
প্রস্তাবিত আইনে নারী শ্রমিকদের প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এর ব্যত্যয় হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রস্তাবিত আইনে অসদাচরণের জন্য মালিক ও শ্রমিকের আগে যে সাজা ছিল তা কমানো হয়েছে। আগে সাজা ছিল দুই বছর এখন করা হয়েছে এক বছর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘ভয়’

বিনোদনের খবর: আগামী ১৪ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এর ৭ম আসর। চলবে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত। এ উৎসবে প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ভয় – দ্য ফেয়ার অব সাইলেন্স’।
নবারুণ ভট্টাচার্য্যের ‘মৃতদেহ দর্শন’ গল্পের ছায়া অবলম্বনে চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন জুয়েইরিযাহ মৌ। সরকারি অর্থায়নে নির্মিত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট-এর প্রযোজনা ‘ভয়-দ্য ফেয়ার অব সাইলেন্স’।
‘দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এ প্রদর্শনীর খবরে উচ্ছ্বসিত নির্মাতা জুয়েইরিযাহ মৌ। তিনি বলেন, দিল্লি চলচ্চিত্র উৎসবে ‘ভয়-দ্য ফেয়ার অব সাইলেন্স’ প্রদর্শনীর মাধ্যমে চলচ্চিত্রটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হবে। এ খবর আমার এবং আমার ‘ভয়’-এর গোটা টিমের জন্য আনন্দের।
সমাজ ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় মানুষের একান্ত ব্যক্তিগত জীবনেও অস্থিরতা আসে। সারাদেশ জুড়ে ব্লগার ও অনলাইন এক্টিভিস্টদের যখন কুপিয়ে হত্যা করা হচ্ছে তখন একজন লেখক নিজের ভেতরে অনুভব করেন তার আঁচ। মনস্তাত্বিক জগতে তোলপাড় শুরু হয়। চেনা-আধ চেনা মুখ রক্তে ভেসে যাচ্ছে এই দৃশ্য দেখে। টিভি স্ক্রিনে সে খবর শুনে। শান্ত, স্বাভাবিক সংসারের চিত্র বদলে দেয় দেশের রাজনৈতিক পট-পরিবর্তন। যার খবর হয়তো কোন নিউজে কোন মিডিয়ায় আসে না। কিন্তু লেখক নিলয় আর সহজ-সরল অপর্ণার স্বাভাবিক দিনযাপন আর স্বাভাবিক থাকে না। এরকম ভাবেই এগিয়ে যায় ‘ভয়-দ্য ফেয়ার অব সাইলেন্স’ এর কাহিনী।
২২ মিনিটের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি নিয়ে নির্মাতা জুয়েইরিযাহ মৌ বলেন, অনেক বড় কোন রাজনৈতিক বা সামাজিক ইস্যু কি করে স্বতঃস্ফূর্ত গতিতে চলতে থাকা ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলে এ নিয়ে এ গল্প বলে যেতে চেয়েছি আমরা। আমি নিজেই ব্যক্তিগতভাবে এরকমটা ভাবি, আমরা ইস্যুদের এড়িয়ে যাই, আমরা অনেকেই। কিন্তু সেই ইস্যুই হয়তো আমার বা আমার খুব কাছের কারও ব্যক্তিগত জীবনের একটা অন্ধকার অংশ!
‘ভয়’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির নির্বাহী প্রযোজক মিতুল আহমেদ। সিনেমাটোগ্রাফার রাওয়ান সায়েমা এবং সম্পাদনা করেছেন চৈতালি সমাদ্দর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আ’লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত, বিএনপি মজেছে খালেদার মুক্তি নিয়ে

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী তালিকা প্রায় চূড়ান্ত করা হলেও বিএনপির নির্বাচনের অংশগ্রহণ নিয়ে চলছে দো’টানা। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে এতে তারা অংশ নেবেন, নয়তো নয়।
তবে বর্তমানে নির্বাচন আর খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনায় মজেছেন দলের সিনিয়র নেতারা। বিএনপির পক্ষ থেকে সংলাপের কথা বলা হলেও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বার বার বলা হচ্ছে সুযোগ নেই সংলাপের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের কিছু সিনিয়র নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের বিভিন্ন তথ্য নিয়ে কয়েকটি সংস্থার রিপোর্ট জমা পড়েছে। রিপোর্টে বিতর্কিত এমপিদের আমলনামা এবং মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের ভালো-মন্দ দু’টায় ঠাঁই পেয়েছে। দলের কর্মকাণ্ড কিংবা জনপ্রিয়তার দিক থেকে কোন এমপির কি আমলনামা সবই লেখা রয়েছে সেই রিপোর্টগুলোতে।

আওয়ামী লীগের এক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, প্রতিটি আসনে একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছে। এ মুহূর্তে প্রকাশ্যে কারো নাম ঘোষণা করা যাবে না। নাম ঘোষণা করলে বিভিন্ন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। সংঘাতও হতে পারে। নাম ঘোষণার সময় এখনো হয়নি। সময় বলে দেবে কে মনোনয়ন পাবে। যেই মনোনয়ন পাবে তার পক্ষ নিয়ে সবাইকে কাজ করতে হবে। যাদের ব্যক্তি ইমেজ ভালো। দলের সুনাম কুড়াবে। তাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, আওয়ামী লীগ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ইতোমধ্যে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকা থেকে তৃণমূলের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। দলের সভানেত্রী বিভিন্ন উইংস থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছেন। এসব তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেয়া হবে।
এই তালিকাও মোটামুটি প্রস্তুত, প্রার্থিতা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলা হয়েছে। তবে তফসিল ঘোষণার পরই মনোনয়ন কারা পাচ্ছেন, তা চূড়ান্তভাবে বলা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অন্য দিকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বিএনপি। দলের কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি পাওয়া-না পাওয়ার ওপর নির্ভর করছে বিএনপির নির্বাচনী সমীকরণ। ইতোমধ্যে বিএনপি নেতারা ঘোষণা দিয়েছেন, খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে যাবেন না তারা। বিএনপির সমস্ত মনোযোগ এখন খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে। তারা কি করবে তা নিয়ে বিচার বিশ্লেষণ চলছে দলে। নেতারা বৈঠক করছেন, কথা বলছেন। খালেদা জিয়ার দিক-নির্দেশনাও পেয়েছেন।

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার খালেদা জিয়াকে নির্বাচনে অযোগ্য করার ষড়যন্ত্র করছে। এটা তারা পারবে না। সেই চ্যালেঞ্জই এখন আমরা মোকাবিলা করছি। শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমেই খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে। তবে সরকারের অসৎ উদ্দেশ্য থাকলে বিএনপি বসে থাকবে না।
তিনি বলেন, চেয়ারপারসনের মুক্তির পাশাপাশি এবার নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আদায় করে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারও বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে যা যা করার সবই করবেন তারা।

দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, চার শর্ত পূরণ না হলে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না। শর্তগুলো হচ্ছে- খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণ, নির্বাচন হতে হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক, শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে এবং নির্দলীয় সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ২০ দলের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম বলেন, অগণতান্ত্রিক প্রহসনের মধ্য দিয়ে আরেকটি নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে যাচ্ছে সরকার। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে সরকারকে বাধ্য করা। যাতে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা যায়। আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। মুক্ত খালেদা জিয়া ছাড়া বিএনপি বা ২০ দল কোনও নির্বাচনে যাবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফার্মের মুরগীর মাংস আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর

স্বাস্থ্য কণিকা: ফার্মের মুরগীকে যে খাবার দেয় হয় তা হচ্ছে চামড়া শিল্পের বর্জ্য। এসব বর্জ্যে আছে বিষাক্ত ক্রমিয়াম। যা মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। মুরগি রান্না করলেও এই ক্রমিয়াম নষ্ট হয় না। কারণ এর তাপ সহনীয় ক্ষমতা হলো ২৯০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট। আর আমরা রান্না করি ১০০ -১৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেটে। ফলে এই বিষাক্ত ক্রমিয়াম মুরগির মাংস থেকে আমাদের দেহে প্রবেশ করে কিডনি, লিভার অকেজো করে দিতে পারে। এছাড়া এই বিষাক্ত ক্রমিয়াম দেহের কোষ নষ্ট করে দেয় যা পরবর্তীতে ক্যানসার সৃষ্টি করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক আবুল হোসেন তার গবেষণায় দেখতে পান প্রতি ১০০০ গ্রাম মুরগীর মাংসে ক্রমিয়াম আছে ৩৫০ মাইক্রোগ্রাম।
হাড়ে ক্রমিয়াম আছে ২০০০ মাইক্রো গ্রাম। কলিজায় ক্রমিয়াম আছে ৬১২ মাইক্রো গ্রাম। মগজে আছে ৪,৫২০ মাইক্রো গ্রাম। রক্তে আছে ৭৯০ মাইক্রো গ্রাম ক্রমিয়াম।

World Health Organization (WHO)-এর মতে, একজন মানুষের ৩৫ মাইক্রোগ্রাম ক্রমিয়াম গ্রহণ করতে পারে। এর বেশি হলে তা দেহের জন্যে ক্ষতিকর। আমরা যদি ২৫০গ্রাম ওজনের এক টুকরা মাংস খাই তবে আমদের দেহে প্রবেশ করছে ৮৭.৫ মাইক্রোগ্রাম ক্রমিয়াম যা অনেক বেশি।
আবার আমরা যদি ৬০ গ্রাম ওজনের একটা মাংসের টুকরো খাই তবে তা থেকে আমরা পাচ্ছি ২১.৮৮ মাইক্রো গ্রাম ক্রমিয়াম।
যা সহনীয় পর্যায়ে কিন্তু এই ক্ষতিকর এই ক্রমিয়াম ছাড়াও মুরগিকে দেয়া হয় নানা ধরনের এন্টিবায়োটিক।
কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মতে, মুরগির মাংসে এবং ডিমে এসব এন্টিবায়োটিক বর্তমান থাকে। আর এসমস্ত এন্টিবায়োটিক মুরগির মাংস ও ডিমের সঙ্গে আমাদের দেহে প্রবেশ করে এবং আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।
সর্বশেষে বলতে হয় আমাদের এই বিষাক্ত ফর্মের মুরগী খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।
আমরা অনেকেই আমাদের কোমলমতি বাচ্চাদের নিয়ে বাইরে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে খেতে যাই আর বাচ্চাদের পছন্দই থাকে চিকেন ফ্রাই , গ্রিল,তান্দুরি ইত্যাদি চিকেন আইটেম যা বেশিরভাগ সময় ফর্মের মুরগির হয়ে থাকে।
আমাদের এখনই সাবধান হতে হবে, বিষাক্ত এইসব ফর্মের মুরগি থেকে নয়তো আমরা এবং আমাদের অতি আদরের সন্তানরা পড়বে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে। যা আমাদের কারোই কাম্য নয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আলাদিনের জ্বিনের মত সবার ইচ্ছে পূর্ণ করেন বিল গ্রিফিন

অনলাইন ডেস্ক: সবার মনের ইচ্ছে পূরণ করেন এক ব্যক্তি। নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে করছে, তিনি কে এবং কী উপায়ে মানুষের ইচ্ছে পূরণ করেন তাই না? আসলে আরব্য রজনীর আলাদিনের প্রদীপের জ্বিনের মত মনে হলেও; বাস্তবে এই কাজটিই করেন বিল গ্রিফিন নামের এক মহৎ মানুষ। চলুন বিস্তারিত জানা যাক তার কর্মপ্রক্রিয়া সম্পর্কে।
বিল গ্রিফিন লন্ডনের অধিবাসী। তিন বছর আগে অন্যের ইচ্ছে পূরণের জন্য তিনি একটি ওয়েবসাইট খোলেন, যার নাম ‘ক্রাউড-উইশ ডটকম’। আগে তিনি কমেডি সেন্ট্রাল নামে এক প্রতিষ্ঠানে মার্কেটিং ডিরেকটর হিসেবে উচ্চ বেতনের চাকরি করতেন। কিন্তু তিনি সেই চাকরি ছেড়ে দেন শুধু মানুষের ইচ্ছে পূরণ করবেন বলে।
প্রতিদিন সাধারণ মানুষ তাদের ইচ্ছে প্রকাশ করেন। এরপর কয়েকজন সেগুলো মূল্যায়ন করেন এবং পরবর্তীতে গ্রিফিন দিনের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইচ্ছেকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে পূরণ করে দেন। গ্রিফিন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এই ইচ্ছে পূরণের পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করে থাকেন।
যেখানে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদেরকে আহ্বান করা হয় ইচ্ছে মতো কোনোকিছু চাইতে। এই সাইটে আপনার সেই ইচ্ছেটি ১০০ বা তার চেয়ে কম শব্দের মধ্যে লিখে আবেদন করতে হবে। সেই ইচ্ছে যা খুশি হতে পারে। তা যদি ওইদিন সবথেকে বেশি জনপ্রিয়তা পায় তবে তা তাৎক্ষণিকভাবে পূরণ করার ব্যবস্থা করা হয়।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানুষ বিভিন্ন পণ্য চেয়ে আবেদন করেন। বিল গ্রিফিন এ পর্যন্ত হাজারেরও বেশি ইচ্ছে পূরণ করেছেন। এ নিয়ে তিনি একটি বই লেখার কাজে হাত দিয়েছেন। যেখানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ৯৯টি ইচ্ছের কথা তিনি জানাবেন।
তার এই নতুন বই লেখার আইডিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এটা আসলে কোনো বিশেষ গবেষণা নয় যে পৃথিবীর সবার ইচ্ছে, স্বপ্ন এবং ভবিষ্যতের আকাঙ্খা সেখানে প্রকাশ পাবে।’
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ তাদের ইচ্ছে প্রকাশ করছেন। এখানে সাধারণ মানুষেরা তাদের আনন্দ, হাসি, মন খারাপের কথা, মজার এবং হৃদয় ভাঙ্গা ইচ্ছের কথা জানাচ্ছেন। মজার ব্যাপার হলো, বেশিরভাব ক্ষেত্রেই মানুষ খুব সাধারণ কিছু চান, কেউ কেউ তো উড়তে আবার কেউ কেউ রায়ান গোসলিং বা অন্য কারো সাথে রাত কাটাতে ইচ্ছে পোষণ করে। কেউ চান কী করে বাবা-মার সাথে দ্রুত যোগাযোগ করা যায়, কেউ কেক খেতে চান, কেউ কেউ আবার তাদের বসের সাথে ফাইট করার সাহস চান। এমনই হাজারো ইচ্ছে। জানান গ্রিফিন।
এই ইচ্ছে পূরণ প্রজেক্ট পূর্ণ গতিতে এগিয়ে চলছে এবং প্রত্যেকের ইচ্ছে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অল্প সময়ে সুন্দরী হওয়ার উপায়

অনলাইন ডেস্ক: নারী মাত্রই সুন্দরী হওয়ার প্রবল আকাঙ্খা রয়েছে। সুন্দর মুখশ্রী, কোমল ত্বক আর আকর্ষণীয় অবয়বের জন্য মেয়েদের মাঝে রয়েছে তুমুল প্রতিযোগিতা। তবে হাতের কাছে থাকা একটি জিনিস দিয়ে অধরা এই সৌন্দর্য আয়ত্ব করতে পারবেন যে কোনো নারী; আর সেটি হল-মসুর ডাল।
এই ডালটিতে উপস্থিত প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, কার্বোহাইড্রেড, ডায়াটারি ফাইবার, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এ, সি, ই, কে এবং থিয়েমিন নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে। সেই সঙ্গে ত্বকের অন্দরে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানদের বের করে দিয়ে স্কিনকে সুন্দর করে তুলতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
প্রসঙ্গত, বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত মসুর ডাল দিয়ে বানানো নানাবিধ ফেস মাস্ক মুখে লাগাতে শুরু করলে ত্বকের অন্দরে প্রোটিনের ঘাটতি দূর হয়। ফলে ত্বকের বয়স কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠতেও সময় লাগে না।
তবে এখানেই শেষ নয়। মসুর ডাল আরও নানাভাবে ত্বকের উপকারে লেগে থাকে। যেমন-
ত্বককে উজ্জল করে তোলে: অল্প সময়ে ত্বক উজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত হয়ে উঠুক, এমনটা চান নাকি? তাহলে ত্বকের পরিচর্যায় মুসুর ডালকে কাজে লাগাতে ভুলবেন না যেন! এক্ষেত্রে ৫০ গ্রাম মুসুর ডালকে সারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরদিন সকালে উঠে জলটা ছেঁকে নিয়ে ডালটা বেটে নিতে হবে। তারপর ডালের পেস্টটির সঙ্গে ১ চামচ কাঁচা দুধ এবং পরিমাণ মতো বাদাম তেল মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর পেস্টটি ভাল করে মুখে লাগিয়ে কম করে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে উষ্ণ গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফলতে হবে মুখটা। এইভাবে প্রতিদিন ত্বকের পরিচর্যা করলে দেখবেন ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেতে সময় লাগবে না।
ত্বককে নিমেষে সুন্দর করে তোলে: ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে বেসন এবং দইয়ের কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। তার উপর যদি এই মিশ্রনে অল্প করে মসুর ডাল মিশিয়ে দিতে পারেন, তাহলে তে কথাই নেই! কারণ এই তিনটি উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে বানানো পেস্টটি এত মাত্রায় পুষ্টিকর উপাদানে ভরপুর হয় যে ত্বক সুন্দর হয়ে উঠতে সময়ই লাগে না।
এখন প্রশ্ন হল, কী মাত্রায় এই তিনটি উপাদানকে মেশাতে হবে? এই পেস্টটি বানাতে প্রথমে ১ চা চামচ মসুর ডাল পাউডারের সঙ্গে সম পরিমাণ বেসন এবং দই মেশাতে হবে। সঙ্গে যোগ করতে পারেন অল্প করে হলুদও। এবার সবকটি উপাদান ভাল করে মিশিয়ে মুখে লাগাতে হবে। কিছু সময় অপেক্ষা করার পর মুখ ধুয়ে নিতে হবে।
ফেস ওয়াশ হিসেবে কাজে লাগানে যায়: নানা কাজে সারা দিন আমাদের রাস্তায় কাটাতে হয়। ফলে পরিবেশ দূষণের কারণে ত্বকের বারোটা বেজে যেতে সময় লাগে না। এমন পরিস্থিতিতে দিনের শেষে মসুর ডালকে কাজে লাগিয়ে যদি ত্বককে পরিষ্কার করা যায়, তাহলে স্কিন টোনের উন্নতি তো ঘটেই, সেই সঙ্গে পরিবেশ দূষণের কারণে ত্বকের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও কমে।
প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে এক চামচ মুসুর ডালের পাউডারের সঙ্গে ২ চামচ দুধ, অল্প পরিমাণে হলুদ এবং ৩ ড্রপ নারকেল তেল মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। তারপর মিশ্রনটি সারা মুখে লাগিয়ে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে ভাল করে ধুয়ে ফলতে হবে মুখটা।
ত্বকের অন্দরে আদ্রতার ঘটতি দূর করে: আপনার ত্বক কি বেজায় ড্রাই। সেই সঙ্গে বলি রেখাও দেখা দিতে শুরু করেছে নাকি? তাহলে আর সময় নষ্ট না করে মসুর ডালের পাউডারের সঙ্গে পরিমাণ মতো মধু মিশিয়ে নিয়ে নিয়মিত মুখে লাগাতে শুরু করুন। তাহলেই দেখবেন ধীরে ধীরে বলি রেখা কমতে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে ত্বকের ড্রাইনেসও কমে যাবে। এক্ষেত্রে প্রথমে ১ চা চামচ মসুর ডাল পাউডারের সঙ্গে ১ চা চামচ মধু মেশাতে হবে। এরপর ভাল করে দুটি উপাদান মিশিয়ে নিয়ে মিশ্রনটি মুখে লাগাতে হবে। ১৫ মিনিট পেস্টটি মুখে ঘষার পর হালকা গরম জল দিয়ে মুখটা দুয়ে নিলেই কেল্লাফতে!
ড্রাই স্কিনের সমস্যা দূর করে: পরিমাণ মতো মসুর ডাল পাউডারের সঙ্গে সম পরিমাণ গাঁদা ফুল মিশিয়ে ভাল করে বেটে নিয়ে এই পেস্টটি বানাতে হবে। তারপর সেটি কম করে ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখার পর ধুয়ে ফেলতে হবে।
প্রসঙ্গত, ড্রাই স্কিনের সমস্যা দূর করার পাশাপাশি ব্রণর প্রকোপ কমাতে এবং ত্বককে নরম তুলতুলে করে তুলতেও এই ফেস মাস্কটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
এছাড়া ফেস হেয়ার পরিষ্কার করা ও মৃত কোষের স্তর সরিয়ে ফেলার কাজেও মসুর ডাল হতে পারে আপনার মোক্ষম অস্ত্র।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest