সর্বশেষ সংবাদ-
তালার সুভাষিনী গ্রামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি : নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটসাতক্ষীরা জেলা আইনজীবি সমিতির ১১ সদস্য বিশিষ্ট্য আহবায়ক কমিটি গঠনপাইকগাছা থেকে খুলনা যাওয়ার পথে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রকলারোয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়াদেবহাটায় তীব্র শীতে ব্যাহত জীবন যাত্রাOntdek de wereld van Supergame: Alles wat u moet weten over online casino’s in Belgiëসাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসবের উদ্বোধনদেবহাটার বিস্তীর্ণ মাঠে এখন সরিষা ফুলের হলুদের সমারোহসাতক্ষীরায় ৪ সংসদীয় আসনের ১০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিলসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন

তিন দিন পর থেকে বৃষ্টিপাত বৃদ্ধির সম্ভাবনা

দেশের খবর: আগামী ৭২ ঘণ্টা পর থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্নস্থানে বৃষ্টিপাত বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কম রয়েছে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, এই সময়ে সকল সমুদ্রবন্দরে লঘুচাপ থাকছে। দক্ষিণাঞ্চলের নদীবন্দরসমূহে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখানো হয়েছে।

আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়, চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

আবহাওয়ার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মৌসুমী অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা সংকটের বর্ষপূর্তি; উখিয়া ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের বিক্ষোভ

দেশের খবর: কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিক্ষোভ করেছে রোহিঙ্গারা। শানিবার রোহিঙ্গা সংকটের এক বছর পূর্ণ হওয়ায় নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দাবিতে এই বিক্ষোভ করেন। শনিবার (২৫ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১১টা পর্যন্ত টেকনাফ এবং উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী ও মধুরছড়ার বিভিন্ন ক্যাম্পে এক সঙ্গে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে রোহিঙ্গারা। এতে রোহিঙ্গা নেতারা বক্তব্য রাখেন।

বিক্ষোভে রোহিঙ্গা নেতারা বলেন,‘মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাবাহিনী ও উগ্রপন্থী মগররা আমাদের ওপর নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ ও বর্বর নির্যাতন চালিয়েছে। বাধ্য হয়ে আমাদের প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে হয়েছে। কিন্তু, এক বছর পার হয়ে গেলেও আন্তর্জাতিক মহল এখনও পর্যন্ত কোনও ধরনের সুরাহা করতে পারেনি। আমরা আমাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে চাই ফেরত যেতে। এজন্য আমাদের নিরাপদ পরিবেশ, নাগরিকত্ব ও একটি রাষ্ট্রের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে।

উখিয়ায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় একটি অংশের রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন,‘রোহিঙ্গা নির্যাতনের এক বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু, আমাদের ভাগ্যের কোনও উন্নয়ন হয়নি। এজন্য আন্তর্জাতিক মহলকে নাড়া দিতে আজকের এই বিক্ষোভ সমাবেশ।’

উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ আবু তাহের বলেন,‘সকাল থেকে আমরা আমাদের ব্লকে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করছি। এতে করে অন্তত আমাদের মনে একটু হলেও শান্তি আসবে। আমরা আমাদের অধিকার ফিরে পেতে চাই। আমরা দেশে ফিরে যেতে চাই।’

উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের লালু মাঝি বলেন,‘আমাদের এই বিক্ষোভ মিয়ানমারের বিরুদ্ধে। আমরা আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য এই বিক্ষোভ সমাবেশ করছি। আজ এক বছর পার হলেও আমরা সুষ্ঠু বিচার নিয়ে সন্দিহান। আমরা বিচার চাই, মিয়ানমারের শাস্তি চাই।’

উখিয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল খায়ের এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,‘আজ সকালে হঠাৎ করেই রোহিঙ্গারা ক্যাম্প থেকে রাস্তার নামার চেষ্টা করে। আমরা বাধা দিলে তারা ক্যাম্পের ভেতরেই শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোপ সমাবেশ করার অনুরোধ জানায়। পরে উখিয়া ও বালুখালীর বিভিন্ন ক্যাম্পে রোহিঙ্গারা তাদের কর্মসূচি পালন করে। রোহিঙ্গারা প্রতিবাদ সরূপ প্রায় দুই ঘণ্টা তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এতে কোনও ধরণের অপ্রীতিকার ঘটনা ঘটেনি।’

১৯৮০ সালে আইন করে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার পর মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ওপর দমন নিপীড়ন শুরু করে । এর পর নানা অজুহাতে রোহিঙ্গাদের ওপর নেমে আসে বর্বর নির্যাতন। গত ১৯৭৮ ও ১৯৯২ সাল থেকে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালিয়ে আসা শুরু করে। মিয়নমার সেনাবহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর এবং ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট ভয়াবহ নির্যাতন শুরু করে।
মুলত ২০১৭’র আগস্টের পর থেকে ধাপে ধাপে সামরিক প্রচারণা চালিয়ে সেখানকার বাসিন্দাদের রোহিঙ্গাবিদ্বেষী করে তোলা হয়। ফলে নিপিড়নের মুখে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আসতে বাধ্য হয়। কিন্তু এবার প্রায় ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসে। নতুন পুরনো মিলিয়ে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংখ্যা এখন ১১ লাখ ১৬ হাজার ৪১৭জন। এর বাইরেও দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে প্রায় তিন লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলকাতার সিরিয়াল; মমতার হস্তক্ষেপেই শুরু হলো শুটিং

বিনোদন সংবাদ: অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপেই কাটল কলকাতার বাংলা মেগা সিরিয়ালের জট। গতকাল শুক্রবার থেকে ফের শুরু হচ্ছে টলিউডের কাজ। এবং আই আশ্বাস প্রদান করেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (২৩ আগস্ট) বিকেল ৪টা থেকে নবান্নে বৈঠকে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে হাজির ছিলেন প্রযোজক গোষ্ঠী থেকে শুরু করে আর্টিস্ট ফোরাম, টেকনিশিয়ান এবং বিভিন্ন চ্যানেলের প্রতিনিধিরা। আর সেখানেই সব পক্ষের অভাব, অভিযোগের কথা শোনেন মুখ্যমন্ত্রী।

বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী জানান, আমাদের টেলি ইন্ডাস্ট্রি বাংলার গর্ব। বাংলার এই শিল্প বহু মানুষের কর্মসংস্থানের যোগান দেয়। তাই সব পক্ষ যাতে খোলামেলাভাবে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করতে পারে, তার জন্যই ডাকা হয় বৈঠক। শুধু তাই নয়, বৈঠকে প্রত্যেকে খোলামেলাভাবে আলোচনা করেছেন। এক সঙ্গে কাজ করতে হলে মতবিরোধ থাকতেই পারে। কিন্তু, সে সব মিটে গেছে। শুক্রবার থেকে ফের শুরু হবে শুটিং।

তবে প্রযোজক থেকে শুরু করে আর্টিস্ট ফোরাম কিংবা টেকনিশিয়ানদের কাজ করতে যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, তার জন্য শিগগিরই একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হবে। ওই কমিটিতে থাকছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, প্রসেনজিত চট্টোপাধ্যায়, শ্রীকান্ত মোহতা, নিসপাল সিং রানে, শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায়, স্বরূপ বিশ্বাস, অপর্ণা ঘটক, লিনা গঙ্গোপাধ্যায়, জি বাংলার সম্রাট ঘোষ সহ অন্য চ্যানেলের প্রতিনিধিরাও। প্রত্যেক মাসে এই কমিটি বৈঠকে বসবে। মিটিয়ে নেবে নিজেদের মধ্যের যেকোনো ভুলবোঝাবুঝি।

মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, কাজ করতে গিয়ে কারো সঙ্গে যাতে কারো মতবিরোধ না হয়, তা দেখাই এই কমিটির প্রধান কাজ। পাশাপাশি শিল্পীরা যাতে প্রতিমাসের ১৫ তারিখের মধ্যে বেতন পেয়ে যান, সেই বিষয়টিও দেখা হবে গুরুত্ব দিয়ে।

পাশাপাশি প্রযোজক থেকে টেকনিশিয়ান বা শিল্পীদের যদি কোনো অভিযোগ থাকে, এই কমিটি সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে সবকিছু সসম্মানে মিটে গেছে। খুব শিগগিরই টেলিভিশনের পর্দায় দর্শক আবার বাংলা সিরিয়াল দেখতে পাবেন বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে বাংলার টেলিশিল্প ভবিষ্যতে আরো ভালো জায়গায় পৌঁছবে বলেও আশা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, গত শনিবার থেকে বন্ধ হয়ে যায় রায় সব বাংলা সিরিয়ালের নতুন এপিসোডের শুটিং। প্রযোজক গোষ্ঠী এবং আর্টিস্ট ফোরামের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিরোধের কারণেই বন্ধ হয়ে যায় সিরিয়ালের শুটিং।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাকিব খান আমার অভিভাবক: বুবলী

বিনোদন সংবাদ: ঈদে মুক্তি পেয়েছে শাকিব খান ও বুবলী অভিনীত ছবি ‘ক্যাপ্টেন খান’। ছবিটি নিয়ে ঈদের দিন একটি বেসরকারি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলে মুখোমুখি হয়েছিলেন ছবির দুই তারকা। সেখানে ক্যাপ্টেন খানের পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন শাকিব-বুবলী। কথা প্রসঙ্গে এক পর্যায়ে শাকিবকে অভিভাবক হিসেবে অকপটে স্বীকার করে নেন বুবলী।

অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে শাকিব খান বলেন, অন স্ক্রিনে বুবলীর সঙ্গে আমার একটা ভালো ক্যামিস্ট্রি তৈরি হয়েছে। মুখের কথা শেষ হতে না হতেই উপস্থাপকের প্রশ্ন- অফ স্ক্রিন? জবাবে শাকিব খান বলেন, খুব ভালো বন্ধু। এরপর আরও কিছু একটা বলতে চাচ্ছিলেন শাকিব। এমন সময় বুবলী বলেন, অফ স্ক্রিনে তিনি তো আমার অভিভাবক-পরামর্শদাতা। তাকে আমি অভিনয়ের গুরু বলি।

এরপর কিছুটা অপ্রস্তুত শাকিব খান বলেন, এক সাথে কাজ করেছি, এক সাথে কাজ করছি…আজকে তো তাকে ঈদ মোবারকও জানানো হয়নি…। সুতরাং সমস্ত রসায়নের সবকিছু কিন্তু ক্যামেরার সামনে বলতে হয় না। এটা হচ্ছে আমাদের দর্শকদের আগ্রহের একটা কারণ থাকে। তাই অফ স্ক্রিনে গল্প অফ স্ক্রিনে থাক। আপাতত অন স্ক্রিন নিয়ে কথা বলি।

সংবাদপাঠিকা থেকে ২০১৬ সালে ‘বসগিরি’ ছবি দিয়ে ঢালিউডে নাম লেখান বুবলী। মাঝের সময়ে ‘শুটার’, ‘রংবাজ’, ‘অহংকার’, ‘চিটাগাংইয়া পোয়া নোয়াখাইল্লা মাইয়া’, ‘সুপার হিরো’ এবং ‘ক্যাপ্টেন খান’ মতো ব্যবসা সফল ছবি দর্শকদের উপহার দিয়েছেন হালের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। কিন্তু তার প্রতিটি ছবির বিপরীতে থাকেন ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান। শাকিবের মতো জনপ্রিয় একজন নায়কের বিপরীতে একের পর ছবিতে নায়িকার হওয়ার কারণে অনেকের ঈর্ষার কারণও তিনি।

এই প্রসঙ্গেও এদিন বুবলীকে প্রশ্ন ছোঁড়া হয়- শুরু থেকে কেবল শাকিব খানের বিপরীতে আপনাকে দেখা যাচ্ছে, অন্য কারও সঙ্গে নয় কেন? জবাবে বুবলী বলেন, এটা গল্পের ওপর নির্ভর করে, পরিচালকের পছন্দের ওপর নির্ভর করে, প্রযোজকদের বিনিয়োগের ওপর নির্ভর করে। কারণ দিন শেষে একটা ছবির পেছনে অনেক টাকা বিনিয়োগ করা হয়। এখন সেই পরিচালক ও প্রযোজকেরা যখন চান শাকিব ও বুবলী একসঙ্গে কাজ করুক, সেখানে আমাদের কী করার আছে! তবে সামনে শাকিব ছাড়াও অন্য নায়কের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছার কথাও জানান বুবলী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাগুরায় দুই ‘ডাকাতের’ গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

ডেস্ক রিপোর্ট: মাগুরা সদরের রাউতড়া এলাকায় সন্দেহভাজন দুই ডাকাতের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ডাকাতির মালামাল ভাগাভাগি নিয়ে নিজের মধ্যে গোলাগুলিতে তারা মারা যায় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

নিহত দুইজন হলেন, সদরের ভাবনহাটি গ্রামের শাহাদত মোল্যার ছেলে সিবাদুল ইসলাম সিবা (৪২) ও যশোরের নরসিংহপুর এলাকার নুর নবী মোল্যার ছেলে কামাল মোল্যা (৩২)।

মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম জানান, রাউতড়া গ্রামে একটি মাঠে ডাকাতির মালামাল ভাগাভাগি নিয়ে শনিবার ভোর চারটার দিকে সংঘর্ষ বাঁধে। একপর্যায়ে দুই দল ডাকাতের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ সেখান থেকে দুইজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপর ডাকাতরা পালিয়ে যায়।

আহত দুইজনকে মাগুরা সদর হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, নিহত দুইজন আন্তঃজেলা সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য। তাদের একজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় আটটি ও অপরজনের বিরুদ্ধে পাঁচটি ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে।

লাশ উদ্ধারের সময় ঘটনাস্থল থেকে সাত রাউন্ড গুলির খোসা, চারটি রামদাসহ বিভিন্ন ডাকাতির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানায় পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ওয়েসিসের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা উপজেলা সদরের দেবহাটা সরকারী বিবিএমপি ইনষ্টিটিউশন হাইস্কুলে লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ওয়েসিসের আয়োজনে এবং কেবিএ কলেজের রোভার স্কাউটস, ফিরোজা মজিদ ট্রাস্ট ও আইডিয়ালের সহযোগীতায় বৃহষ্পতিবার সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে একটানা বিকাল ৪ টা পর্যন্ত অসহায় ও দুঃস্থদের জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে দিনব্যাপী চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডাঃ শেখ, আকছেদুর রহমান, ডাঃ মাহফুজ আহম্মেদ, ডাঃ আশরাফুল কবির, ডাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস, ডাঃ মিনারা খাতুর ও ডাঃ মিজানুর রহমান। চিকিৎসকবৃন্দ প্রায় ৪শত রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। মেডিকেল ক্যাম্পে সমস্ত রোগীদের জন্য ফ্রি চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি ফ্রি ঔষধ বিতরন করা হয়। এসময় ফিরোজা মজিদ ট্রাস্টের সভাপতি ঢাকা আহছানিয়া মিশনের উপ-পরিচালক ও হেড অফ হেলফ সেক্টর ইকবাল মাসুদ, লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ওয়েসিসের সাবেক সভাপতি এসএম মেহেদী হাসান, কেবিএ কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও স্কাউট লিডার আবু তালেব, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব আর.কে.বাপ্পা, সহকারী অধ্যাপক সাংবাদিক ইয়াছিন আলী, সাংবাদিক কে.এম রেজাউল করিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে এই মেডিকেল ক্যাম্প পরিদর্শনে আসেন দেবহাটা থানার ওসি সৈয়দ মান্নান আলী। তিনি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন দেখে আয়োজনকারীদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, মানব সেবাই হলো সবচেয়ে বড় কাজ। আর এই ধরনের আয়োজন করে মানুষকে সেবা দেয়াটা মহৎ মানষিকতারই প্রকাশ। তিনি মাঝে মাঝে এধরনের আয়োজন করার অনুরোধ জানান। পরে মেডিকেল ক্যাম্প পরিদর্শন করেন বিশিষ্ট ব্যাংকার ও সমাজসেবক কাজী আব্দুল মজিদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা সরকারি বিবিএমপি হাইস্কুলের শতবর্ষ উদযাপন কমিটির সভা

 

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা উপজেলা সদরের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক সদ্য সরকারিকৃত বিবিএমপি হাইস্কুলের শতবর্ষ উদযাপন কমিটির দ্বিতীয় সভা ঈদুল আযহার পরের দিন বৃহষ্পতিবারর সকাল ১০ টায় স্কুল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন শতবর্ষ উদযাপন কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট ব্যাংকার ও সমাজসেবক কাজী আব্দুল মজিদ। সভায় উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য রিয়াসাত আলী, সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, সাবেক শিক্ষক মোজাম্মেল হক, সাবেক শিক্ষক আব্দুল হামিদ, কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ডাঃ আব্দুল লতিফ, সহ-সভাপতি প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হক লাভলু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাবিব মন্টু, সহকারী অধ্যাপক সাংবাদিক ইয়াছিন আলী, ঢাকা কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজসেবক আকবর আলী, ঢাকা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজসেবক সাব্বির আহমেদ, সহকারী প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, ব্যবসায়ী জাকির হোসেন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, প্রচার উপ-কমিটির আহবায়ক সাংবাদিক আর.কে.বাপ্পা, শিক্ষক সিদ্দিক আহমেদ মিঠু, সাংবাদিক কে.এম রেজাউল করিম প্রমুখ। সভায় বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহনের পাশাপাশি বিভিন্ন কমিটির ও উপ-কমিটির যাচাই বাছাই করা হয় এবং কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্কুল পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হাফিজ-আল আসাদ ও দেবহাটা থানার ওসি সৈয়দ মান্নান আলীকে অর্ন্তভূক্ত করা হয়। সভার শুরুতে সভাপতি সৈয়দ কাজী আব্দুল মজিদ সকলকে ঈদ মোবারক জানিয়ে ধন্যবাদ জানান এবং শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান সফল ও সুন্দরভাবে করতে বিস্তারিত দিক নির্দেশনা দেন। এছাড়া সভায় সকলের সম্মতিক্রমে রেজিষ্ট্রেশন ফরম অবিলম্বে পূরন করে কমিটির নিকট জমা দেয়ার আহবান জানানো হয়। এছাড়া বিস্তারিত তথ্যের জন্য উদযাপন কমিটির ওয়েবসাইট- www.debhatabbmpcent.org   এবং ফেসবুক পেইজ- Debhata Bbmp Century Celebration তে যোগাযোগ করার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বেনাপোলে চলছে ইমিগ্রেশন পুলিশের অবাধ চাঁদাবাজি

যশোর প্রতিনিধি: ঈদের টানা ৫ দিনের ছুটিতে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার বেড়েছে কয়েক গুণ। ভ্রমণপিপাসু ভারতগামী পাসপোর্ট যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। কিন্তু এতে যাত্রীদের সুবিধা দেখার যেন কেউ নেই! বেড়েছে তাদের ভোগান্তি।

বেনাপোল আর্ন্তজাতিক চেকপোস্টে কাস্টম এবং স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের দীর্ঘ প্রচেষ্টা সত্বেও বন্ধ হয়নি ইমিগ্রেশান পুলিশের পাসপোর্ট দালালী। ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা এখানে কর্মরত সিপাহীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছেন না। বেপরোয়া সিপাহীরা ভারত যাতয়াতকারী পাসপোর্ট যাত্রীদের নানাভাবে হয়রানীসহ তাদের কাছ থেকে ইমিগ্রেশনের কাজ করে দিবে এমন আশ্বাস দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনেই এসব পুলিশের বিচরণ। কোন পাসপোর্ট যাত্রীকে দেখলেই তারা ছুটে যায় তার কাছে। বলে, ২শ টাকা দিন পাসপোর্টের সকল কাজ করে দিচ্ছি। ভারতগামী সাধারণ যাত্রীসহ ডাক্তার, উকিল, ব্যারিস্টার, সাংবাদিকসহ রোগী, শিশু কেউ রেহায় পাচ্ছে না এই ইমিগ্রেশন পুলিশের হাত থেকে।

ঈদের ছুটিতে স্বজনদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাত, চিকিৎসা, ব্যবসা, কেনাকাটা ও বেড়ানোর উদ্দেশে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত অন্য সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন ও ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঈদ প্যাকেজে অসংখ্য বাংলাদেশীকে ভিসা দিয়েছে ভারতীয় হাইকমিশন। ফলে ঈদের ছুটির সোম, মঙ্গল, বুধবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার (২০, ২১, ২২, ২৩ ও ২৪ আগস্ট) ৫ দিনে প্রায় ২৭ হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রী বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে গেছে। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ইমিগ্রেশন পুলিশ পাসপোর্ট দালালীর মত ঘৃণ্য কাজে লিপ্ত রয়েছে।

ঈদের ৫ম দিন শুক্রবার সকালে চেকপোস্টে গিয়ে দেখা যায়, প্রচন্ড রোদে ও খোলা আকাশের নিচে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে দুর্ভোগে আছে কয়েক হাজার নারী, শিশু ও পুরুষ যাত্রী। ধীর গতির কারনে দুইদেশের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছেন যাত্রীরা। দুই দেশের কর্তৃৃপক্ষ ইমিগ্রেশনে ও বেনাপোল চেকপোস্ট সোনালী ব্যাংক বুথে জনবল বৃদ্ধি না করায় দীর্ঘ সময় লাগছে পারাপারে।

কক্সবাজার থেকে আসা আয়ুব হোসেন ও তার স্ত্রী স্নেহময়ী বলেন, ‘আমাদের পাসপোর্টে আমরা নিজেরা কাজ করবো। কিন্তু টার্মিনালের বারান্দায় পুলিশ আমাদের পাসপোর্ট জোর করে কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। আমরা দিইনি।

এ দিকে বেনাপোল বন্দরের প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের বারান্দায় এসে সরেজমিনে দেখা যায় ইমিগ্রেশন পুলিশের সিপাহি সজিব, শহিদুল, সেকেন্দার, ইমরুল এবং বাবুল পাসপোর্টধারী যাত্রীদের কাছ থেকে পাসপোর্ট আর টাকা নিচ্ছে ইমিগ্রেশানের কাজ করে দেওয়ার কথা বলে।

এ সময় বেনাপোল স্থল বন্দরের ট্রাফিক পরিদর্শক ও সিবিএ নেতা মনির হোসেন মজুমদার জানান, বন্দরের প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে ইমিগ্রেশিন পুলিশের সিপাহিরা পাসপোর্টধারী যাত্রীদের নানাভাবে নাজেহাল করে থাকে। আমরা ওসি সাহেবের কাছে এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি কিন্তু কোন কাজ হয় না।

একই কথা জানালেন টার্মিনালে কর্মরত একজন বিজিবি সদস্যও। তাছাড়া ভারতগামী কয়েকজন সিনিয়র পাসপোর্টধারী যাত্রী জানান, এখানে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের পুলিশি হয়রানী থেকে রেহায় পাওয়ার উপায় খুঁজে বের করা খুব দরকার।

বেনাপোল চেকপোস্ট আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত মোঃ মাসুম কাজী জানান, আমাদের ইমিগ্রেশনে কোন সমস্যা নেই। পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চাপ বাড়লেও তাদের দুর্ভোগের কথা মাথায় নিয়ে ১৬টি ডেস্কে দ্রুত কাজ করে যাচ্ছে অফিসাররা। এবার ঈদে ভ্রমণপিপাসু মানুষের ভারত ভ্রমণের চাপ অন্য সময়ের চেয়ে একটু বেশি। যাত্রীদের যাতে কোনো দুর্ভোগ পোহাতে না হয় এ কারণে ইমিগ্রেশন আন্তরিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যাত্রী সেবা বাড়াতে ইমিগ্রেশন চত্বরে পুলিশের জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে।

প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে ইমিগ্রেশন পুলিশের পাসপোর্ট দালালীর ব্যপারে যাত্রীদের অভিযোগের কথা বললে তিনি জানান, ইমিগ্রেশানের এরিয়ার বাইরে গিয়ে যদি কোন পুলিশ সদস্য পাসপোর্ট দালালী বা যাত্রীদের হয়রানী করে তাহলে তার দায়ভার তার নয়।

বেনাপোল কাস্টমস হাউজের সহকারী কমিশনার উত্তম চাকমা জানান, যাত্রীরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে পারেন তার জন্য ঈদের ছুটির মধ্যেও জনবল বাড়িয়ে কাজ চলছে চেকপোস্ট শুল্ক তল্লাশি কেন্দ্রে। আমাদের সদস্যদের বিরুদ্ধে যাত্রীদের কোন অভিযোগ থাকলে প্রমাণসাপেক্ষে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest