সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে পৃথক ঘটনায় একই দিনে দুজনের মৃত্যুসাতক্ষীরায় জমি দখলের অভিযোগ আ.লীগ নেত্রী রওশন আরা রুবির বিরুদ্ধে প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতারসাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষগণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভামাদকের আখড়ায় অতিষ্ঠ ঝাউডাঙ্গার দত্তবাগ এলাকাবাসীচলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারাপেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দাসাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণ

‘২০০ কোটি টাকা’ হলেই বাঁচবে চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি : আলমগীর

বিনোদনের খবর: ঢাকাই সিনেমার সোনালী দিন এখন আর নেই। এখন নানা সংকটের মধ্যে বেঁচে আছে চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি। মাত্র ২০০ কোটি টাকা হলেই এই ইন্ডাস্ট্রিকে বাঁচানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন চিত্রনায়ক আলমগীর। বাংলা চলচ্চিত্রকে বাঁচাতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে ২০০ কোটি টাকাও চাইলেন তিনি।
‘নতুন মুখের সন্ধানে’ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর রেডিশন হোটেলে অর্থমন্ত্রীর কাছে চলচ্চিত্রের জন্য এই বাজেট চান তিনি।
এ সময় এখানে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, তথ্য সচিব আবদুল মালেক, সংস্কৃতি সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
আলমগীর বলেন, ‘মাত্র ২০০ কোটি টাকা আমাদের চলচ্চিত্রের জন্য বরাদ্দ দিয়ে আমাদের ইন্ডাস্ট্রিকে বাঁচান। আমাদের অর্থমন্ত্রী ১২ থেকে ১৩ বার বাজেট ঘোষণা করেছেন। কোন জায়গা থেকে আমাদের কোথায় এনেছেন আমাদের দেশকে। তিনি চাইলে সবকিছুই সম্ভব। তার কাছে ২০০ কোটি টাকা কোনো ব্যাপার না।’
আলমগীরের পরে অর্থমন্ত্রীও সেখানে বক্তব্য রাখেন। তিনি এই বিষয়ে বলেন, ‘আমি কোনো অনুষ্ঠানে গিয়ে ওয়াদা করি না। সেখানে গিয়ে সবার কথা শুনি, বুঝি। পরে চিন্তাভাবনা করে কাজ করি। আমি কোনো ওয়াদা করছি না। একটা কথা বলি, টাকার জন্য কোনো কিছু আটকে থাকবে না।’
দীর্ঘ ২৭ বছর পর চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির উদ্যোগে শুরু হচ্ছে চলচ্চিত্রে নতুন শিল্পী খোঁজার আয়োজন ‘নতুন মুখের সন্ধানে’।
১৯৮৪ সালের ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ কার্যক্রম দিয়েই চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করেছিলেন চিত্রনায়ক আসলাম তালুকদার মান্না, সোহেল চৌধুরী, আমিন খান, চিত্রনায়িকা দিতি, খালেদা আক্তার কল্পনা, রাশেদা চৌধুরী, খল অভিনেতা মিশা সওদাগরসহ অনেকেই। এখন ইন্ডাস্ট্রি নতুন মুখের অপেক্ষায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মনোনয়ন দৌড়ে একঝাঁক ক্রীড়াবিদ-সংগঠক

দেশের খবর: তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। তবে ধরে নেয়া হচ্ছে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহের যে কোনো দিন হবে একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন। সে হিসেবে দেশের সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে এখনও ৩ মাসেরও বেশি সময় বাকি। তবে এরই মধ্যে দেশে নির্বাচনী উত্তাপ শুরু হয়ে গেছে। শুরু হয়েছে নানা হিসাব-নিকাশ।
শহর, বন্দর আর গ্রাম-গঞ্জে বইছে নির্বাচনী বাতাস। কাগজ-কলমে এখনও প্রার্থী ঠিকঠাক না হলেও সম্ভাব্যরা নিজের ছবি দিয়ে দলের প্রতীকে ভোট চেয়ে পোস্টার, ব্যানার লাগানোও শুরু করে দিয়েছে নিজ নিজ এলাকায়।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করেন অনেক ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব, যাদের মধ্যে ক্রীড়া সংগঠকই বেশি। আছেন অনেক সাবেক তারকা ক্রীড়াবিদও। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে বিভিন্ন সেক্টরের মতো ক্রীড়াঙ্গনের অনেক মানুষ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যাদের বেশিরভাগই বর্তমান সংসদ সদস্য। আছেন কিছু নতুন মুখও, যারা প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিতে চান বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ব্যানারে।
কেবল ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠকই নন, বিভিন্ন সময়ে ক্রীড়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন এমন অনেকেই আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন। যাদের কেউ নিজ নিজ দলের প্রভাবশালী নেতা, অনেকে মাঝারি গোচের। অনেকে আবার মনোনয়ন পাবেন না ধরেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন নিজেকে মানুষের কাছে নেতা হিসেবে উপস্থাপন করার।

দেশের প্রধান রাজনৈতিক দল ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক হারুনুর রশিদ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির যুব ও ক্রীড়া সংগঠক জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক বলেছেন, তাদের দলের অনেকেই মনোনয়ন দৌড়ে রয়েছেন। তবে কাগজ-কলমে কেউই চূড়ান্ত নন। সবাই মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা করছেন।

হারুনুর রশিদ নিজে নির্বাচন করতে চান লক্ষ্মীপুর-২ আসন থেকে। এই আসন থেকে তিনি ১৯৯৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ‘আমি এই আসন থেকে আগে নির্বাচিত হয়েছিলাম। দল মনোনয়ন দিলে এবারও নির্বাচন করতে চাই। আমি সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি’- বলছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাবেক এই সাধারণ সম্পাদক।

সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক দলীয় মনোনয়ন পেলে এই প্রথম সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবেন। তিনি মনোনয়ন চাইবেন ঢাকা-১৬ আসন থেকে। দেশের ফুটবলে উজ্জ্বল মুখ আমিনুল হক। দীর্ঘদিন খেলেছেন লাল-সবুজ জার্সি গায়ে, নেতৃত্বও দিয়েছেন দেশকে। খেলা ছেড়ে রাজনীতিতে নেমেছেন সুদর্শন এ ফুটবলার। বিএনপির যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করছেন তিনি। ‘আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি। দল মনোনয়ন দিলে নির্বাচন করবো’- বলেন আমিনুল হক।

বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশন ও ক্লাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেকেই আছেন যারা বর্তমান সংসদ সদস্য। গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন অনেকে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত এদের অনেকের মনোনয়ন পাওয়া নিশ্চিত। অনেকে বাদ পড়বেন। তবে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনয়ন চূড়ান্ত না করা পর্যন্ত তাদের অপেক্ষায় থাকতেই হবে। যদিও প্রকাশ না হলেও অনেকে দলীয় হাই কমান্ডের সবুজ সংকেত পেয়ে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন।

এবারের সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বড় চমক হতে পারে জাতীয় দলের বর্তমান দুই ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজা এবং সাকিব আল হাসান যদি অংশ নেন। তারা দু’জন নির্বাচনে অংশ নেবেন কি না- সেটা নিজ মুখে একবারও বলেননি। তবে, কয়েক মাস আগে এক অনুষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতা আ হ ম মোস্তফা কামাল জানিয়েছিলেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবেন মাশরাফি এবং সাকিব। হয়ত এ লক্ষ্য সামনে রেখেই নিজ এলাকা নড়াইলে বেশ কিছু জনকল্যাণমূলক কাজও করে যাচ্ছেন মাশরাফি। সাকিব যদিও এ ব্যাপারে পুরোপুরি উদাসীন।

যদি মাশরাফি এবং সাকিব নির্বাচনে অংশ নেন, তাহলে তারা দু’জন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ব্যানারে প্রার্থী হবেন মাগুরা এবং নড়াইল থেকে। সাকিব আল হাসান অংশ নেয়ার কথা রয়েছে মাগুরা সদর এবং মাশরাফির অংশ নেয়ার কথা রয়েছে নড়াইল সদর আসন থেকে।

বর্তমান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য। ওই আসনে তার মনোনয়ন পাওয়া অনেকটা নিশ্চিত। যেমন নিশ্চিত সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নোয়াখালী-৫ আসন থেকে। বীরেন শিকদারের আগে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা আহাদ আলী সরকার তার আসন নাটোর-২ থেকে নির্বাচন করার আগ্রহ নিয়ে এলাকায় কাজ করছেন। ‘আমি বেশ ভালোভাবেই এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে যাচ্ছি। দল মনোনয়ন দিলে নির্বাচন করার ইচ্ছা আছে’-বলছিলেন সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আরিফ খান জয় গত নির্বাচনে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন নেত্রকোনা-৩ আসন থেকে। এবারও তিনি ওই আসনে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আরিফ খান জয় ও গোলরক্ষক আমিনুল হক নিজ নিজ দলের মনোনয়ন পেলে একই সঙ্গে খেলা দুই ফুটবলারদের দেখা যাবে ভিন্ন ভিন্ন আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ে।

আবাহনী লিমিটেডের পরিচালক, বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাবেক সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের সভাপতি শাহরিয়ার আলম গত নির্বাচনে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন রাজশাহী-৬ আসন থেকে। তিনি বর্তমানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। এবারও ওই আসন থেকে তার মনোনয়ন পাওয়া প্রায় নিশ্চিত বলেই জানা গেছে।

বর্তমান সংসদ সদস্যদের মধ্যে নির্বাচন করবেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক ফুটবলার আবদুস সালাম মুর্শেদী। তিনি কিছুদিন আগে খুলনা-৪ আসনের উপ-নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনে তিনি ওই আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন, তা প্রায় নিশ্চিত।

আবাহনীর পরিচালক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন গত নির্বাচনে সংসদ সদস্য হয়েছেন কিশোরগঞ্জ-৬ আসন থেকে। একই আসন থেকে এবারও তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের দুই সাবেক সভাপতি আ হ ম মোস্তফা কামাল ও সাবের হোসেন চৌধুরী এবারও নিজ নিজ আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইবেন। পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল গত নির্বাচনে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন কুমিল্লা-১০ আসন থেকে। সাবের হোসেন চৌধুরী ঢাকা-৯ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। শোনা যাচ্ছে তার আসন থেকে মনোনয়ন চাইবেন বিশিষ্ট ফুটবল সংগঠক মোজাফফর হোসেন পল্টু।

সাবেক ফুটবলার ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু কুষ্টিয়া-২ আসন থেকে গত নির্বাচনে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। একই আসন থেকে এবারও তিনি নিজ দল জাতীয় সমাজতাতিন্ত্রক দল (জাসদ) থেকে নির্বাচন করবেন তা এক প্রকার নিশ্চিত।

ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক পরিচালক গোলাম দস্তগীর গাজী গত নির্বাচনে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জ-১ থেকে। তিনি এবারও একই আসন থেকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সাবেক অ্যাথলেট মাহবুব আরা বেগম গিনি গাইবান্দা-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। একই আসন থেকে এবারও তিনি ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইবেন।

জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক, বিসিবির পরিচালক নাঈমুর রহমান দুর্জয় গত নির্বাচনে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন মানিকগঞ্জ-১ আসন থেকে। এবারও একই আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশি বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেট দলের প্রথম অধিনায়ক।

মানিকগঞ্জ-২ আসনে মনোনয়ন চাইবেন সাবেক ফুটবলার, বিসিবির সাবেক পরিচালক দেওয়ান সফিউল আরেফীন টুটুল। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগেরও সাবেক যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক। ওই আসনে মনোনয়ন দৌড়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী মমতাজ।

জাতীয় সংসদের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান জাহিদ আহসান রাসেল গাজীপুর-২ আসন থেকে গত নির্বাচনে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। একই আসন থেকে মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন তিনি।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ও আবাহনীর ভারপ্রাপ্ত ডাইরেক্টর ইনচার্জ কাজী নাবিল আহমেদ যশোর-৩ আসনে সংসদ সদস্য। এবারও তিনি একই আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইবেন।

বাফুফের সাবেক সদস্য ও চট্টগ্রাম আবাহনীর মহাপরিচালক শামসুল হক চৌধুরী সংসদ সদস্য চট্টগ্রাম-১২ আসনের। একই আসন থেকে এবারও তিনি নির্বাচন করতে চান। মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে এগিয়েও আছেন বিশিষ্ট এ ফুটবল সংগঠক।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাবেক সহ-সভাপতি বীর বাহাদুর বান্দরবান থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবারও তার একই আসন থেকে মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল বলে জানিয়ে বিভিন্ন সূত্র।

বিএনপির সিনিয়র নেতা, সাবেক ফুটবলার ও বাফুফের সাবেক সভাপতি মেজর হাফিজ উদ্দিন (অব.) ভোলা থেকে নির্বাচন করবেন বলে শোনা যাচ্ছে। বাফুফের আরেক সাবেক সভাপতি এসএ সুলতান একবার সংসদ সদস্য হয়েছিলেন চাঁদপুর-৩ আসন থেকে। এসএ সুলতান ওই আসন থেকে এবারও নির্বাচন করবেন বলে শোনা গেলেও তিনি নিজে অবশ্য জোর দিয়ে কিছু বলেননি।

সাবেক তারকা ফুটবলার কায়সার হামিদ জাকের পার্টির প্রার্থী দুইবার নির্বাচন করেছিলেন ঢাকা-৫ ও ১৪ থেকে। এবারও নিজ দল থেকে নির্বাচন করার ইচ্ছে প্রকাশ করে কায়সার হামিদ বলেছেন, ‘আমি এলাকায় কাজ করছি। মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। জানি না, আমার দল এককভাবে নাকি কোনো জোটের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেবে।’

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মহি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইবেন ব্রাহ্মবাড়িয়া থেকে। বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রকীব মন্টু আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সিলেট-৩ আসন থেকে।

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য সাইদুর রহমান প্যাটেল মনোয়ন চাইবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের। তিনি ঢাকা-৬ আসনে নির্বাচন করতে আগ্রহী বলে জানা গেছে। বাংলাদেশ বাস্কেটবল ফেডারেশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইবেন পুরান ঢাকা থেকে।

সাবেক ফুটবলার একরামুল করিম চৌধুরী নোয়াখালী-৪ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য। তিনিও আওয়ামী লীগের ব্যানারে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রন ও চুলের যত্নে নিম পাতার ব্যবহার

স্বাস্থ্য কণিকা: নিম একটি ঐতিহ্যবাহী ভেষজ ওষুধ যা প্রাচীনকাল থেকেই চর্মরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আলসার, চিকেন পক্স চিকিৎসায়ও ব্যবহৃত হয় নিম। বলা হয়, প্রতিদিন গোসলের পানিতে একমুঠ নিম পাতা দিয়ে গোসল করলে চর্মরোগ দূরে থাকবে এবং শরীর ঠাণ্ডা হবে।
দাঁত পরিস্কারে নিমের মেসওয়াক এখনো গ্রাম-গঞ্জে জনপ্রিয়। নিমে থাকে প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক। এটি উচ্চ মানের অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদানে সমৃদ্ধ যা নানা ধরণের সংক্রমন প্রতিরোধ করে।
মাঝ বয়সিদের চুল রুক্ষ হয়ে উঠে যাওয়া একটা স্বাভাবিক প্রবণতা। বর্তমানে অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও নানা ধরনের কেমিকেল ব্যবহারের কারণে অল্প বয়সিদেরও এ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। গবেষকরা বলছেন, ত্বক ও চুলের যে কোন সমস্যার জন্য নিম হতে পারে উৎকৃষ্ঠ সমাধান। নিমের ১০টি ব্যবহার দেওয়া হলো-

১. ব্রনের জন্য নিম ফেস প্যাক
কিছু নিমপাতা সামান্য পানিতে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। সেই পাতা বেটে পেস্ট তৈরি করে তা ব্রনের উপর দিয়ে একঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এবার ধুয়ে ভালো ময়েশ্চরাইজার লাগান। ব্রন চলে গিয়ে ত্বক আরও উজ্জ্বল হবে।

২. চুলের জন্য নিমের তেল
২৫০ মিলি নারকেল তেল একটা পাত্রে নিয়ে গরম করুন। তেল ফুটতে শুরু করলে তার মধ্যে বেশ কিছু নিম পাতা ছেড়ে দিয়ে চুলা বন্ধ করুন। এভাবে রেখে দিন চার ঘণ্টা। এবার তেলটুকু একটা বোতলে বা পাত্রে সংরক্ষণ করুন। প্রতি রাতে এই তেল মাথার ত্বকে মালিশ করুন। পরের দিন ধুয়ে ফেলুন।

৩. স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য
গোসলের পানিতে ১০-১৫ টা নিমপাতা ছেড়ে ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর সেই পানি দিয়ে গোসল করুন। গ্রীষ্মের গরমে এই পানি আপনাকে ত্বকের নানা সংক্রমন থেকে দূরে রাখবে।

৪. স্বাধারণ ত্বকের জন্য ফেস প্যাক
গোলাপ জলের সঙ্গে এক চা-চামচ নিম পাউডার ও এ চা-চামচ তুলসি পাউডার মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। সেটা মুখের ত্বকে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। এটা ত্বককে শুধু মসৃন ও উজ্জ্বলই করবে না, কালো দাগও দূর করবে।

৫. চিকেন পক্স
নিমপাতা পানিতে সিদ্ধ করুন। সেই পানি ঠান্ডা করে গোসল করুন। তুলার বল দিয়ে নিমপাতা সিদ্ধ পানি সকাল-বিকাল ক্ষতের উপর লাগান। দ্রুত ভাল হয়ে যাবে।

৬. নিম হেয়ার মাস্ক
এক চা-চামচ নিম পাউডারের সঙ্গে দুই চা-চামচ টক দই মেশান। এটা চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত মাখুন। ১৫ মিনিট পর চুল ধুয়ে ফেলুন।

৭. একজিমা চিকিৎসায়
এক টুকরো নিমের বাকল সারারাত পানিতে ফিজিয়ে রাখুন। এরপর সেটা বেটে পেস্ট করে একজিমা আক্রান্ত স্থানে লাগান। এটা খুবই কার্যকর।

৮. ডার্ক সার্কেলের জন্য
চোখের কালো দাগ দূর করতে নিমের পাতার ব্যবহার কার্যকর। কিছু নিমপাতা বেটে রস বের করে নিতে হবে। এরপর তুলার প্যাড কিছুক্ষণ সেই রসে ভিজিয়ে রেখে হালকা নিংড়ে চোখের উপর দিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। ফলাফল টের পাবেন নিজেই।

৯. চুলের প্রাকৃতিক কন্ডিশনার
নিমপাতা বেটে পেস্ট করে তার সঙ্গে কয়েক ফোটা গোলাপজল ও এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে মাথার ত্বক বাদ দিয়ে শুধু চুলে লাগাতে হবে। এক ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। চুল হবে ঝলমলে, ঝরঝরে।

১০. ক্ষত সারাতে
এ চা-চামচ নিম পাউডারের সঙ্গে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে ক্ষত স্থানে লাগালে দ্রুত উপশম হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মাদ্রাসার শ্রেণিকক্ষে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ

আব্দুল জলিল : সাতক্ষীরার মাধবকাটিতে একটি মাদ্রাসার শ্রেণি কক্ষ থেকে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে তিনি আত্মহত্যা করেছেন নাকি তাকে কেউ হত্যা করেছে তা নিশ্চিত করা যায়নি।
নিহত গৃহবধূর নাম রেখা খাতুন (৩২)। মাধবকাটি গ্রামের মিলন হোসেনের স্ত্রী তিনি। তাদের বাড়ির পাশেই রয়েছে মাধবকাটি দাখিল মাদ্রাসা।
সাতক্ষীরা সদর থানার উপরিদর্শক ফাতেউর রহমান জানান, খবর পেয়ে তিনি সেখানে পৌছানোর পর তার লাশটি নামানো হয়েছে। এখনই বিষয়টি হত্যা না আত্মহত্যা তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
প্রতিবেশিরা জানান তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ দেখা দিলে স্থানীয়রা তা মিটিয়ে দেন। পরে তারা স্বামী স্ত্রী তিন মাস আগে ঢাকা চলে যান।
উপপরিদর্শক আরও জানান ঢাকা থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর রেখা ও তার স্বামী মিলন গ্রামে ফিরে আসেন। এরপর রাতে তার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। রেখার আগের স্বামীর পক্ষের দুটি ছেলেমেয়ে রয়েছে।
তিনি জানান, ময়না তদেন্তর জন্য রেখার লাশ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গরু কোন ধর্মীয় প্রাণী নয়: বাবা রামদেব

বিদেশের খবর: গরু কোন ধর্মীয় প্রাণী নয়, গরুর কোন ধর্ম নেই। এমনটি বলেছেন ভারতের বিখ্যাত যোগগুরু বাবা রামদেব। ভারতে গরুকে ধর্মীয় প্রাণী হিসেবে মূল্যায়ন করে হিন্দুরা। সম্প্রতি এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

এনডিটিভির একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, আমি একজন বিজ্ঞানসম্মত সন্ন্যাসী। আমার সংস্থা পতঞ্জলিতে ৩০০ এর বেশি বিজ্ঞানী কাজ করে। আর আমাদের পণ্যগুলো ১০০ শতাংশ খাঁটি। রামদেবের পতঞ্জলি সংস্থায় বিভিন্ন ধরনের আয়ুর্বেদিক পণ্য তৈরি হয়।

‘আমি টাকার পিছনে ছুটি না কিন্তু টাকাই আমার পিছনে ছুটে। আমার কোন দল নেই, আবার আমি সব দলের,’ বলেন রামদেব।

এছাড়া তিনি যোগশাস্ত্র সম্পর্কে বলেন, যোগব্যায়াম শারীরিক গঠনে সাহায্য করে। যে ব্যক্তি নিয়মিত যোগব্যায়াম করে সে ফিট থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হবু বরকে  প্রিয়াঙ্কার প্রকাশ্যে চুমু! (ভিডিও)

বিনোদন সংবাদ: নিজের ৩৬ তম জন্মদিনে লন্ডনে নিক জোনাসের সঙ্গে আংটি বদল করেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। আর বাগদানের পর থেকে সম্পর্কের বিষয়টি এখন আর লুকিয়ে রাখছেন না এ তারকা যুগল।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন প্রিয়াঙ্কা-নিক। সেখানে হবু বরের সঙ্গে একান্তে সময় কাটাচ্ছেন দেশি গার্ল খ্যাত এ অভিনেত্রী।

এদিকে রবিবার ২৬ বছরে পা দিয়েছেন মার্কিন পপস্টার জোনাস। নিকের ভাই জো জোনাস ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়ে লস এঞ্জেলসের একটি বেসবল স্টেডিয়ামে নিকের জন্মদিন উদযাপন করেন নিক-প্রিয়াঙ্কা। সেখানে প্রকাশ্যে নিককে চুমু খেয়েছেন প্রিয়াঙ্কা।

এরইমধ্যে নিকের জন্মদিন উদযাপনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে স্টেডিয়ামের মাঝে তৈরি করা মঞ্চে কেক কাটেন নিক। পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন প্রিয়াঙ্কা। কেক কাটা শেষে হবু স্ত্রীর দিকে এগিয়ে যান নিক। এরপর তাকে জড়িয়ে ধরে প্রকাশ্যে ঠোঁটে চুমু খান প্রিয়াঙ্কা! এই প্রথম নিক-প্রিয়াঙ্কাকে প্রকাশ্যে চুমু খেতে দেখা গেলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরীকে ‘সৌদি বাদশাহ’র ৩০ লাখ রিয়ালের উপহার! (ভিডিও)

ভিন্ন স্বাদের খবর: হালিমা বোল্যান্ড। মধ্যপ্রাচ্যের তেল সমৃদ্ধ দেশ কুয়েতের একজন টিভি উপস্থাপিকা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বিপুল জনপ্রিয়তা ও অনুসারী রয়েছেন।

স্থানীয় গণমাধ্যম আল আরাবিয়্যাহ জানায়, সম্প্রতি এ তারকা রিয়াদের একটি হোটেল কক্ষে উঠে দেখতে পান তার কক্ষে প্রায় ৩০ লাখ রিয়াল বা ৮ লাখ ডলার (৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা) সমমূল্যের বিলাসবহুল উপহার পাঠানো হয়েছে।

আশ্চর্য্যের বিষয় হলো, এই উপহার নাকি পাঠিয়েছেন স্বয়ং সৌদি বাদশাহ! বোল্যান্ড যখন এই উপহারের ভিডিও নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন, তখন এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়।

তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ এই ঘটনায় ৩ ব্যক্তিকে আটক করেছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সৌদি বাদশাহর নামে তারা প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ৩৭ বছর বয়সী বোল্যান্ডের ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ৩৫ লাখ অনুসারী রয়েছে। সোমবার তিনি যখন অজস্র উপহারের বক্স খুলছিলেন তখন তা ভক্তদের জন্য সরাসরি সম্প্রচার করেন। বক্সের ভেতরে দেখা যায় বিলাসবহুল অলঙ্কার, ফুল আর কাপড়। এরপর হোটেলের দরজা খুলেই তিনি দেখতে পান একজন স্টাফ একটি ট্রলি নিয়ে আসছেন, যেখানে রয়েছে আরও উপহার! এর একটি বক্সে শুধু কয়েক ডজন সুগন্ধীর বোতলই ছিল। সেখানে খোদাই করা ছিল তার নাম। বক্সের ভেতর একটি বার্তাও ছিল। যেখানে লেখা: ‘হালিমা, আবদুল জলিল বোল্যান্ড, বিশ্বের সেরা সুন্দরী যার পদানত থাকবে সারা দুনিয়া।’

ভিডিওতে দেখা যায়, বক্সের ভেতরে একটি চিঠি আছে, যেখানে সৌদি বাদশাহর সিলমোহর অঙ্কিত। এর পরপরই সৌদি আরবে টুইটার হ্যাশট্যাগ শুরু হয়, ‘হালিমাকে উপহার পাঠিয়েছেন বাদশাহ’ (দ্য কিং গিভস গিফটস টু হালিমা)। পাশাপাশি, বহুমূল্যের ওই উপহার ও সৌদি রাজপরিবারের দুর্নীতি নিয়ে অনেকে ব্যাঙ্গাত্মক টুইট করেন।

আমিরাতের একটি সংবাদ ভিত্তিক চ্যানেল জানিয়েছে, এই ঘটনায় তিন ব্যক্তিকে আটক করেছে সৌদি পুলিশ। এদের একজন সৌদি, আরেকজন লেবানিজ আর তৃতীয়জন ভারতীয় নাগরিক। সৌদি বাদশাহ এই উপহার না পাঠিয়ে থাকলে, কে প্রকৃতপক্ষে এই উপহার পাঠিয়েছেন তা নিয়ে বোল্যান্ড বা সৌদি কর্তৃপক্ষ – কেউই কোনো বিবৃতি দেয়নি।

সাধারণ কেউ এই উপহার পাঠাননি, তা স্পষ্ট। কিন্তু কেনইবা অন্য কেউ লাখ লাখ রিয়াল সমমূল্যের উপহার একজন নারীকে পাঠাবেন, সেটি এখনও রহস্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আগামী বছরের মার্চে ডাকসু নির্বাচন

শিক্ষা ও রাজনীতি সংবাদ: আগামী মার্চের শেষ সপ্তাহে ডাকসু (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) নির্বাচনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তৈরি করেছে একটি নির্বাচনী রোডম্যাপ। সেই অনুযায়ী আগামী মাসের মধ্যে প্রথম খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

মোট তিন দফায় প্রকাশিতব্য এই তালিকা ডিসেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত হবে। আর জানুয়ারি মাসে তফসিল ঘোষণা ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ এবং পরের মাসে ব্যালট পেপার ছাপানো হবে। এক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করছে প্রভোস্ট কমিটি এবং শৃঙ্খলা কমিটি।

রোববার এসব তথ্য জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সূর্যসেন হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল।

একইদিন ডাকসু নির্বাচন আয়োজনের দ্বিতীয় ধাপ হিসেবে ক্যাম্পাসে ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছে কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংগঠনগুলোর ফোরাম পরিবেশ পরিষদের ওই বৈঠক রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে শুরু হয়। চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। প্রায় ১৬ বছর পর একই প্লাটফর্মে বসতে পেরে ছাত্রনেতারা ছিলেন অনেকটাই আপ্লুত। তারা মন খুলে কথা বলেছেন।

বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি সমর্থিত ছাত্রদলের সভাপতি কোলাকুলি করেন। বৈঠকে ছাত্রনেতারা দ্রুত নির্বাচন আয়োজনে ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সহাবস্থানের পরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুল মতিন ভার্চুয়াল শ্রেণীকক্ষে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে ভিসি অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান বলেন, ছাত্রনেতাদের সঙ্গে আমরা বৈঠক করেছি। অত্যন্ত দায়িত্বশীলভাবে ও আন্তরিক পরিবেশে তারা নিজেদের মতামত ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ২৮ বছর ধরে ডাকসু অচল আছে। এটাকে সচল করতে একটু সময়ের প্রয়োজন। এটা জোড়াতালির বিষয় নয়। আমরা সেই যৌক্তিক সময় নিয়েই নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরি করেছি। এ বিষয়ে হলের প্রভোস্টরা কাজ করছেন।

জানতে চাইলে সূর্যসেন হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মাকসুদ কামাল বলেন, ২৮ বছর ধরে যে অচলায়তন তা ভাঙতে একটু সময় লাগছে। নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রধান দুটি চ্যালেঞ্জ আছে। একটি হচ্ছে ভোটার তালিকা তৈরি, অপরটি সহাবস্থান। ৫ মাস ধরে আমরা ভোটার তালিকা তৈরির কাজ করছি। অক্টোবরের মধ্যে এ কাজ শেষ হয়ে যাবে। এখন রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে সহাবস্থানও নিশ্চিত হবে। তখন আর ডাকসু নির্বাচনে কোনো বাধা থাকবে না।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। এ সময় প্রোভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ, প্রোভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামাদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রাব্বানী, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন হলের প্রভোস্টরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ছাত্র ইউনিয়ন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রী, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (জাসদ), বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (বিএসএল), সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টসহ ১৩টি ছাত্র সংগঠনের নেতারা বৈঠকে যোগ দেন। প্রত্যেক সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।

জানা গেছে, পরিবেশ পরিষদের বৈঠকে ছাত্রনেতারা নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে আলাদা মতামত দিয়েছেন। কয়েকটি প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচন দাবি করেছে। তবে বেশির ভাগ সংগঠন জাতীয় নির্বাচনের পর নির্বাচন আয়োজনের পক্ষে মতামত দিয়েছে।

ছাত্রনেতাদের আলোচনায় উঠে এসেছে আরও বেশকিছু মতামত। অধিকাংশ ছাত্রনেতা ডাকসু নির্বাচনের আগে ক্যাম্পাসে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের মধ্যে সহাবস্থান নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।

ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার সমুন্নত রাখতে ডাকসু নির্বাচন জরুরি। আমরা ডাকসু নির্বাচন চাই। তিন থেকে চার মাসের মধ্যে নিয়মিত ছাত্রছাত্রীদের বৈধ ভোটার তালিকা করার পর নির্বাচন আয়োজনের জন্য আমরা দাবি জানিয়েছি। সহাবস্থানের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটি হলে যত ছাত্র বা ছাত্রী থাকেন তার মধ্যে মাত্র ৩০ ভাগ ছাত্রলীগের কর্মী বা সমর্থক। বাকিরা বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মী। সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা তো আছেনই। সুতরাং সহাবস্থান অটুট আছে। আমরা সবাইকে বলছি, আপনারা যারা নিয়মিত ছাত্র আছেন তারা আসুন। আমরা চাই ছাত্রদলের কেউ ক্যাম্পাসে এসে পেট্রল বোমা রাখবে না। সহাবস্থানের জন্য আমাদের কোনো আপত্তি নেই।

বৈঠক শেষে ছাত্রদল সভাপতি রাজিব আহসান বলেন, ডাকসু নির্বাচনের জন্য সর্বাগ্রে দরকার পরিবেশ। সে পরিবেশের জন্য ছাত্র সংগঠনের সহাবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে বলেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে রাজনীতি করার যে স্বাভাবিক পরিবেশ, তা তৈরি করে দিতে হবে। সব সংগঠনের সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। হলগুলোয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের থাকার উপযোগী করতে হবে। মেধার ভিত্তিতে সিট বণ্টন করতে হবে। অন্য ছাত্র সংগঠন যারা আছে তারা যেন ভীতিহীন ও নিরাপদে থাকার পরিবেশ পায় তা নিশ্চিত করতে হবে।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের একাংশের সভাপতি ইমরান হাবিব রুমন বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে ডাকসু নির্বাচন চেয়ে আসছি। নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হলে ভালো হয়। ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী বলেন, ‘আমরা দ্রুত ডাকসু নির্বাচন চাই। সেটা জাতীয় নির্বাচনের আগে হোক বা পরে, আপত্তি নেই। তবে এর জন্য প্রশাসনের আন্তরিকতা ও ক্যাম্পাসের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা জরুরি।

ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মোস্তফা বলেন, আমরা ডাকসু নির্বাচনের জন্য যা যা প্রস্তুতি দরকার তা সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছি। আগামী মার্চের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় সময় বেঁধে দিয়েছে। সেই সময়ের মধ্যে হোক এটা আমরা চাই।

ভিসির ব্রিফিং : বৈঠক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, সামনে আমাদের অনেক বড় একটি বিষয় আছে। সেটি নিয়ে আলোচনা করার জন্য আমাদের আজকের (রোববার) সভাটি ডাকা হয়েছে। গণতান্ত্রিক ও সংসদীয় রীতিনীতি এবং মূল্যবোধ নিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীরা আলোচনা করেছে। তারা যে বিষয়গুলো উপস্থাপন করেছে, সেগুলো আমাদের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা নোট করেছেন। সেগুলো আলোচনা-পর্যালোচনা করে প্রতিটি বিষয় কিভাবে সমাধান করা যায়, সেগুলোর দিকে আমরা এগোব।

তিনি বলেন, সবাইকে এক করে যেন নির্বাচন করতে পারি, এমন পরামর্শ এসেছে। কেউ বলছে মার্চের মধ্যে করা যায় কি না। কেউ জাতীয় নির্বাচনের পর আয়োজনের কথা বলছেন। তবে সবাই একটি বিষয়ে একমত হয়েছেন যে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেন ডাকসু নির্বাচনটা করে।

কবে নাগাদ নির্বাচন দেয়া হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাবি ভিসি বলেন, নির্বাচনের ব্যাপারে একটা নির্দেশনা আমাদের আগেই দেয়া আছে। নির্বাচনী কাজের পরিধি নিয়ে আমাদের প্রভোস্ট কমিটি ও শৃঙ্খলা কমিটি এরই মধ্যে একটা নির্দেশনা দিয়েছে। সেক্ষেত্রে ২০১৯ সালের মার্চ মাস আমাদের টার্গেটে আছে। সেখান থেকে আমাদের সরে যেতে বলেনি শৃঙ্খলা কমিটি ও প্রভোস্ট কমিটি। এ লক্ষ্যে আমরা আছি। এই নিরিখে আমাদের প্রোভোস্টরা ভোটার তালিকা প্রণয়নের জন্য কাজ করছেন।

তিনি বলেন, অক্টোবরের মধ্যে খসড়া ভোটার তালিকা প্রণয়ন করব। এটা কঠিন কাজ। এটা করতে পারলে আমরা অনেক এগিয়ে যাব। সহাবস্থানের জন্য যা যা করা দরকার, প্রোভোস্টরা তা-ই করবেন। এগুলো নতুন কিছু নয়। সবাই অভিজ্ঞ, সবাই যা করা দরকার তা করবেন। হলে সহাবস্থান ও মধুর ক্যান্টিনে রাজনৈতিক চর্চা সবার জন্য উন্মুক্ত। আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা নেই। ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলো তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালনার জন্য যা উন্মুক্ত, সেগুলো কারও জন্য বাধা নেই।

ছাত্রলীগ-ছাত্রদল নেতার কোলাকুলি : বৈঠক শেষে বিদায় নেয়ার সময় প্রশাসনিক ভবনের সামনে এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। ছাত্রদল সভাপতি রাজিব আহসানকে জড়িয়ে ধরেন ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। শীর্ষ দুই নেতা পরস্পর কোলাকুলি করেন। বৈঠকে উভয় দল মন খুলে প্রায় একই ধারায় বক্তব্যের পর বাইরে শত শত ছাত্রলীগ নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীর সামনে এই ঘটনা সাময়িকভাবে আনন্দের হিল্লোল বয়ে যায়।

প্রশাসনিক ভবনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র যুগান্তরকে বলেন, ক্যাম্পাসে এবং প্রায় সারা দেশের রাজনীতিতে ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের মধ্যে বৈরী সম্পর্ক বিরাজ করছে। এই বৈঠক ঘিরে একধরনের আতঙ্ক ও উদ্বেগ কাজ করছিল। বিশেষ করে ছাত্রদল নেতারা ছাত্রলীগের তরফে হামলা এমনকি গ্রেফতারের আতঙ্কে ছিলেন। অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি তৈরি হয় কি না, তা নিয়েও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মী, সাধারণ ছাত্রছাত্রী ও গণমাধ্যম কর্মীদের কৌতূহল ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দুই নেতার কোলাকুলিতে সব শঙ্কা দূর হয়ে যায়।

এর আগে পরিবেশ পরিষদের বৈঠক শেষে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজোয়ানুল হক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতারা এক প্রকার আগলে রেখে ছাত্রদলের দুই নেতাকে প্রশাসনিক ভবনের ভেতর থেকে নিয়ে আসেন। এরপরই দুই নেতা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, ১৯৯০ সালের দিকে যখন ডাকসু সক্রিয় ছিল, তখন ছাত্রনেতাদের মধ্যে এমন সদ্ভাব ছিল। ক্যাম্পাসে গোলাগুলি বা মারামারির পর মধুর কেন্টিনে বা নিজ নিজ হলে একসঙ্গে পাশাপাশি অবস্থান ও খাবার গ্রহণ করতেন তারা। সেই সহাবস্থান অনেকটাই তিরোহিত ছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এটি জাতীয় দৈনিকের সাবেক এক বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার জানান, ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভের পর দুটি বাদে আর সব আবাসিক হল স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিয়েছিল ছাত্রলীগ। কিন্তু পরে ছাত্রলীগ নেতাদের স্বাগত জানিয়েছিল ছাত্রদল। ডাকসু ভবনের সামনে উভয় সংগঠনের শীর্ষ নেতারা কোলাকুলির পর গ্রুপ ছবি তোলেন। প্রায় ১৭ বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রোববার একই দৃশ্যের অবতারণা ঘটল।

উল্লেখ্য, এই বৈঠক সামনে রেখে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গাড়িতে করে ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের ক্যাম্পাসে নিয়ে এসেছিল কর্তৃপক্ষ। ছাত্রলীগ-ছাত্রদলের শীর্ষ দুই নেতার কোলাকুলির পর সেই গাড়িতে উঠে বসেন ছাত্রদলের নেতারা। এরপর বিদায় নেন ক্যাম্পাস থেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest