সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানাতালায় জেলে-কৃষকের জীবন-জীবিকার কথা শুনলেন ড. হোসেন জিল্লুরদেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সম্মাননা স্মারক বিতরণ

সতক্ষীরার কলারোয় এসিল্যান্ড নেই ২২ মাস! জন-দুর্ভোগ চরমে

কলারোয়া প্রতিবেদক: প্রায় ২২ মাস ধরে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (এসিল্যান্ড) না থাকায় উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার সাধারণ জমির মালিকরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। তারা জমির খাজনা, নামজারি, নামপত্তন, বন্দোবস্ত, ইজারা, খাসজমি ডিসিআর পেতে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২২ নভেম্বর সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) সানজিদা জেসমিন বদলি হয়ে অন্যত্র চলে যান। এরপর থেকে এ দপ্তরে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায় ও ইউএনও মনিরা পাবভীন। বদলিজনিত কারণে বর্তমানে ইউএনও’র পদটিও গত এক মাস ধরে শূন্য।

উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো অহিদুর রহমান বলেন, ‘জমির দাখিলা কাটা, খাজনা আদায়, খাস জমির ডিসিআর ও মিউটেশন করতে হয় মাসে প্রায় তিন শতাধিক। দীর্ঘদিন এসিল্যান্ড না থাকায় আমরা পড়েছি নানা দুর্ভোগে। সময়মতো দূরদূরান্ত থেকে আসা জমির মালিকদের দাখিলাও কেটে সমাধান দিতে পারছি না। অফিসের দপ্তরির কাজও বিঘ্নিত হচ্ছে। সেইসঙ্গে উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার জমির মালিকরা অফিসে এসে কোনো সমাধান না পেয়ে তারা বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।

সেবা নিতে আসা পৌরসদরের বাসিন্দা মোস্তফা বলেন, উপজেলা ভূমি অফিসে এসিল্যান্ড না থাকায় অফিসের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। অফিসের কেউ ঘুষ ছাড়া কথাও শোনে না। তারপরও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে পাওয়া যায় না। এক একটি নামজারি কেস সম্পন্ন করতে ৫০০০টাকা থেকে ১২০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে দ্রুত একজন এসিল্যান্ড (ভূমি) নিয়োগ দানের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে মাসে রাজস্ব ঘাটতি ২০ কোটি!

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোমরা স্থলবন্দরে দু’মাসে ৪০ কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি পড়েছে। চলতি অর্থ বছরের প্রথম দু’মাসে (জুলাই-আগস্ট) রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি ভোমরা স্থল বন্দরে। চলতি অর্থ বছরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়েছিল ১৪৯ কোটি ৭৩লক্ষ টাকা। লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আয় হয়েছে ১০৯ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা।
বন্দর সূত্র জানায়, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের প্রথম দুইমাসে ১৪৯ কোটি ৭৩লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায়ের টার্গেট দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড(এনবিআর)। জুলাই মাসে ৬৪ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা এবং আগস্ট মাসে ৮৪ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকা রাজস্ব টার্গেট দেয় রাজস্ব বোর্ড। এ টার্গেটের বিপরীতে জুলাই মাসে ৪৯ কোটি ২ লক্ষ এবং আগস্ট মাসে ৬০ কোটি ৫৩ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে দুমাসে রাজস্ব আয় হয়েছে ১০৯ কোটি ৫৫লক্ষ টাকা। এতে টার্গেটের তুলনায় রাজস্ব ঘাটতির পরিমান দাঁড়িয়েছে ৪০ কোটি ১৮লক্ষ টাকা। তবে বন্দর সংশ্লি¬ষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, অর্থ বছরের প্রথম দু’মাসে রাজস্ব ঘাটতি দেখাদিলেও ২২টি পণ্য নতুন করে আমদানির অনুমোদন পাওয়ায় ঘাটতি উসুল হবে। ভোমরা স্থল বন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী নওশাদ দিলওয়ার রাজু রাজস্ব ঘাটতির কথা স্বীকার করে বলেন, বছর শেষে এ ঘাটতি থাকবে না। তিনি বলেন, প্রথম দুইমাসে বাংলাদেশ ভারতে বেশ কয়েকদিন সরকারি ছুটি থাকায় এবং ওপারে শ্রমিক সংগঠনগুলো ‘বন্দ’ পালন করায় রাজস্ব ঘাটতির ঘটনা ঘটেছে। ২২ পণ্য আমদানিতে সরকার নতুন করে ছাড় দিয়েছে। এতে রাজস্ব আহরণের পরিমান বেড়ে যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
কাস্টমস এক্সাসাইট ও ভ্যাট কমিশনারেটের খুলনা অঞ্চলের কমিশনার কেএম অহিদুল ইসলাম ও একই কথা বলেন। তবে ভোমরা বন্দরকে অর্থনীতির খোলা জানালা হিসেবে সম্ভাবনাময় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক ৫১

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫১ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে বুধবার সকাল পযর্ন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় উদ্ধার করা হয়েছে ইয়াবাসহ বেশ কিছু মাদক দ্রব্য।

আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১০ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৭ জন, তালা থানা ৬ জন, কালিগঞ্জ থানা ৬ জন, শ্যামনগর থানা ৯ জন, আশাশুনি থানা ৬ জন, দেবহাটা থানা ২ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
এর মধ্যে পাটকেলঘাটা উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য রেজাউলসহ জামায়াতের ১০ নেতা-কর্মী ও খলিশখালী ইউনিয়ন যুবদলের সেক্রেটারী আওয়াল সরদার রয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন — পাচার হওয়া মেয়েকে ফিরে পেতে চায় পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ সৌদে আরবে পাচার হয়ে যাওয়ার পর নির্যাতনের শিকার হওয়া মেয়েকে ফিরে পেতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক দিনমজুর। বুধবার সকাল ১১ টায় ওই দিন মজুর সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে তার মেয়েকে ফিরে পেতে ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
লিখিত বক্তব্যে সাতক্ষীরা সদর উপরেজলার মাগুরা কর্মকার পাড়ার ওই দিন মজুর বলেন,
তার মেয়েকে (২২) হাসপাতালে ৪০ হাজার টাকা মাসিক বেতনে নার্সের চাকুরি দেওয়ার নাম করে গত পহেলা ফেব্র“য়ারি বাড়ি থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায় আন্তর্জাতিক নারী পাচার সিণ্ডিকেডের সদস্য প্রতিবেশী নাছিমা খাতুন ও তার সহযোগি খুলনা শহরের টুটপাড়ার কামরুজ্জামান ওরফে সোহাগ বাবু। ঢাকার কলাবাগানের তানিয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে জান্নাতিকে সৌদি আরবে নিয়ে যাওয়ার পরপরই সেখানকার দালাল ফরহাদের মাধ্যমে সেখানকার সমুদ্র বন্দর ‘দাম্মাম খাবজি’ এর নিকটবর্তী দুম্বা খাটালের মালিক ‘হায়ান ম্যাডাম অরফা’ এর কাছে চার লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়। এর আগে প্রকৃত জন্মসনদ বাদ দিয়ে তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান লিপুর কাছ থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে জন্মসনদ সংগ্রহ করে পাসপোর্ট তৈরিতে ব্যবহার করেন নাছিমা ও সোহাগ বাবু। প্রথম দিন থেকেই জান্নাতিকে ১০ থেকে ১১ জন পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করতে বাধ্য করা হয়। অপারগতা প্রকাশ করায় সারা দিনে মাত্র একটি রুটি ও পানি খাইয়ে রেখে নির্যাতন চালানো হয়। সে যাতে বাড়িতে যোগাযোগ করতে না পারে সেজন্য তার মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেওয়া হয়। সম্প্রতি বাড়িওয়ালীর ইমো মোবাইল ফোন থেকে জান্নাতি তার উপর নির্যাতনের কাহিনী পরিবারেরর সদস্যদের জানায়। এখানে শুধু সে নয়, বাংলাদেশী আরো বেশ কয়েকজন নারীকে সেখানে এনে একইভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে।
গত ২৩ আগষ্ট আন্তঃজার্তিক নারী পাচারকারি দলের সদস্য খুলনার সোহাগ বাবু তাদের বাড়িতে এসে বড় মেয়েকে সৌদি আরবে নিয়ে যাওয়ার জন্য ইতিপূর্বে দাবিকৃত এক লাখ টাকা ও পাসপোর্ট বই নিতে আসেন। ওই দিন কৌশলে তাকে ছেড়ে দিয়ে এক আত্মীয়ের মাধ্যমে র‌্যাব এর সহযোগিতায় গত ২৮ আগষ্ট সন্ধ্যায় খুলনা সোনাডাঙা বাসষ্টাণ্ডে এসে এক লাখ টাকা ও বড় মেয়ের পাসপোর্ট দেওয়ার কথা বলে সোহাগ বাবুকে আটক করা হয়। র‌্যাব এর কাছে সোহাগ বাবুর স্বীকারোক্তি অনুযায়ি পরদিন মাগুরার কর্মকারপাড়া থেকে দালাল নাছিমাকে গ্রেফতার করে সদর থানার পুলিশ। এ ঘটনায় তিনি বাদি হয়ে ২৯ আগষ্ট রাতেই নাছিমা ও সোহাগ বাবুর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাননামা চার জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক অনুপ কুমার দাস সোহাগ বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে ৫দিনের রিমাণ্ড আবেদন জানালেও নাছিমাকে রিমাণ্ডের জন্য আবেদন করেননি। এমনকি গত ৪ সেপ্টেম্বর রিমাণ্ড শুনানীকালে দুুর্বল উপস্থাপনার কারণে আদালত তা মঞ্জুর করেনি। এরপরপরই গ্রেফতারকৃত সোহাগ বাবুর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দু’টি তার বাবার কাছে দিয়ে দেওয়ার পর মেয়েকে নতুন করে নির্যাতন করা হচ্ছে। গ্রেফতারকৃতদের আবারো রিমাণ্ডের আবেদন জানাতে বললে ওই দারোগা উদ্যোগ নিচ্ছেন না। ফলে আসামীরা জামিন পেয়ে গেলে তার মেয়েকে আর জীবন্ত অবস্থায় দেশে ফেরানো সম্ভব হবে না বলে তিনি আশঙ্কা করছেন।
বহু পুরুষের শয্যাসঙ্গিনী হতে আপত্তি করায় ইতিমধ্যেই মেয়ের দু’ স্তন, উরু, পা ও হাত গরম ইস্ত্রি দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ডান চোখটি ঘুষি মেরে ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। দু ’পাচারকারি গ্রেফতার হওয়ার পর নির্যাতনের মাত্রা আরো বেড়ে গেছে। তাদেরকে নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে মেয়েকে যে কান সময় মেরে ফেলা হবে বলে তাকে জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে শরীরে দগদগে ক্ষত নিয়ে প্রতিদিন যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়া মেয়েকে জীবন্ত অবস্থায় দেশে ফিরিয়ে আনতে গ্রেফতারকৃতদের রিমাণ্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য সৌদি আরবস্থ বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রি, প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, মানবাধিকার সংগঠণ ও বিচার বিভাগের সুদৃষ্টি কামনা করা হয়।
জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক অনুপ কুমার দাস জানান, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জাতীয় নজরুল সম্মেলন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ সাতক্ষীরায় শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী জাতীয় নজরুল সম্মেলন। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার পর জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাতক্ষীরা শিল্পকলা একাডেমিতে। চলবে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের অফিস চত্বর থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রা এসে শেষ হয় শিল্পকলা একাডেমিতে। ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক আবদুল হান্নানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার নিশ্চিন্ত কুমার পোদ্দার। এতে মুখ্য আলোচক ছিলেন নজরুল গবেষক জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের যুগ্মসচিব এএফএম হায়াতুল্লাহ, নজরুল ইন্সিটিটিউটের নির্বাহী পরিচালক অতিরিক্ত সচিব আবদুর রাজ্জাক ভুইয়া , সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনিন্দিতা রায় , নজরুল ইন্সটিটিউটের সচিব মো. আবদুর রহিম, প্রফেসর কাজী মো. অলিউল্লাহ ও প্রফেসর আশুতোষ সরকার। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও কবি নজরুল ইন্সটিটিউটের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ সম্মেলন ।
আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা নজরুলকে সাম্যবাদী হিসাবে আখ্যায়িত করে বলেন নজরুলের ‘চল চল চল উর্ধ গগনে বাজে মাদল নি¤েœ উতলা ধরনী তল, চলরে চলরে চল’ কবিতা আমাদের ব্রিটিশ বিদ্রোহ মানসকে শাণিত করেছে। তার ধুমকেতু পত্রিকায় নজরুল প্রথমেই স্বাধীনতার দাবি তোলেন উল্লেখ করে তারা আরও বলেন ভারতবর্ষের এক ইঞ্চি জমিও ব্রিটিশরা দখলে রাখতে পারবে না বলে হুশিয়ারি উচ্চারন করেছিলেন তিনি। নজরুল ‘আনন্দময়ী মায়ের আগমনী’ লিখে অসাম্প্রদায়িকতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি ১৯১৯ সালে নবযুগ পত্রিকা এবং পরে ১৯২২ সালে ধুমকেতু সম্পাদনা করেন। তিনি ছিলেন প্রেমের কবি, তিনি ছিলেন বিদ্রোহী কবি । নজরুল নিজেই ছিলেন নিজের শিক্ষক। নজরুল আমাদের প্রেরণা। নজরুল আমাদের পথপ্রদর্শক। নজরুলকে আমাদের হৃদয়ে অনুভূতিতে আনতে হবে । তার আদর্শকে আমাদের অনুসরন করতে হবে বলে উল্লেখ করেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নৌকায় ভোট চে‌য়ে শোভনালী‌তে রুহুল হ‌কের পথসভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: আজ বুধবার সকালে আশাশুনি উপজেলার শোভনালি ইউনিয়নের বদরতলা এলাকায় অনুষ্ঠিত এক পথসভায় নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে নির্বাচনী প্রচার করেছেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক সফল স্বাস্থ্যমস্ত্রী প্রফেসর ডা: আ ফ ম রুহুল হক এমপি। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সাংসদ প্রতিনিধি শম্ভুজিত মণ্ডল। সভায় ডা: রুহুল হক এমপি জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন চিত্র জনসাধারণের মাঝে তুলে ধরে বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করেছেন। দেশের রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন হয়েছে। মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। ঘরে ঘরে চাকরি দিয়েছেন। জননেত্রী শেখ হাসিনা টানা দুই মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী থাকায় বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে দ্রুত উন্নয়নের এক রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। একের পর মেগা প্রকল্পের বাস্তবায়নের মাধ্যমে বর্তমান সরকার দেশের জীবন-মানের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটিয়েছে। আশাশুনিও এই উন্নয়নের অংশীদার হয়েছে। আশাশুনির ৪টি ইউনিয়নে আশ্রায়ণ প্রকল্প হয়েছে, ১১ টি ইউনিয়নে ২৬ টি সাইক্লোন শেল্টার ও ৩ টি স্কুলের নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে, আশাশুনি ডিগ্রি কলেজ সরকারিকরণ সহ মহিলা কলেজের নতুন ভবণ নির্মাণ, আশাশুনি বাইপাস সড়ক নির্মাণ, মা ও শিশুদের জন্য ১০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণ, আশাশুনিতে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণ সহ তিনি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের উল্লেখ করেন। সাতক্ষীরাবাসীর স্বপ্নের মেডিকেল কলেজ, বাইপাস সড়কের কাজ সম্পন্নের পথে, রেললাইন স্থাপনের প্রাথমিক প্রস্তুতিও শেষ হয়েছে। ” আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার পক্ষে ভোট চেয়ে তিনি বলেন, “যতবার বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় এসেছে তারা বাংলাদেশকে মৌলবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করেছে। বিশ্ব দরবারে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে অসম্মানিত করেছে। বিপরীতে একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া আওয়ামীলীগ প্রতিবার ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশকে নিয়ে গেছে এক অনন্য উচ্চতায়। বিশ্ববাসী অবাক হয়ে দেখেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একের পর এক সাফল্য। রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আজ বিশ্ব পারমাণবিক ক্লাবের গর্বিত সদস্য। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বিশ্বকে আগামীর বাংলাদেশের বার্তা শুনিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। ”আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশকে সমৃদ্ধশালী সোনার বাংলায় পরিণত করতে আবারো নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উপহারের বিনিময়ে দেয়া হলো দুটি দ্বীপ

অনলাইন ডেস্ক: মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিন সিঙ্গাপুরের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে দামি উপহার নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই ব্যবসায়ীর কাছে দেশের দুটি দ্বীপ টেন্ডার ছাড়াই তুলে দেন তিনি। দুর্নীতির ওপর নজরদারিকারী একটি গ্রুপ গতকাল মঙ্গলবার এ তথ্য জানায়।
গ্লোবাল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম কনসোর্টিয়াম জানায়, এ ছাড়া কয়েক কোটি ডলারের একটি দুর্নীতির সঙ্গেও যুক্ত ইয়ামিন। এমন এক সময় এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলো, যার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই তিন লাখ ৪০ হাজার জনসংখ্যার এই দেশটিতে পুনর্নির্বাচনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ইয়ামিন। তাঁর মূল রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ও বিরোধীরা অবশ্য সবাই হয় জেলে নয়তো নির্বাসনে। গণমাধ্যমকেও অত্যন্ত শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করেন তিনি।
দ্বীপ দেওয়ার মূল ঘটনাটি ঘটে ২০১৪ ও ২০১৫ সালে। সে সময়ের পর্যটনমন্ত্রী এবং ইয়ামিনের ডেপুটি আহমেদ আদিবও এ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। পরবর্তী সময়ে দুর্নীতিসহ একাধিক অভিযোগে তাঁদের কারাদণ্ড হয়। এই ঘটনা প্রথম আলোর মুখ দেখে ২০১৬ সালে। আলজাজিরার এক তদন্তে এ ঘটনাটি বের হয়ে আসে। তবে ইয়ামিন এ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
তবে এবার গ্লোবাল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম কনসোর্টিয়াম সরকারি নথিপত্রের বরাত দিয়ে এ অভিযোগ করে। টেন্ডার ছাড়াই ট্যুরিজম রিসোর্ট ডেভেলপারদের সঙ্গে অন্তত দুই ডজন চুক্তি করেন ইয়ামিন। তারা ইয়ামিন ও আদিবের সিঙ্গাপুরে বিলাসবহুল হোটেলে অবস্থানের ছবিও প্রকাশ করে। পরবর্তী সময় ওই ব্যবসায়ী মালদ্বীপের জনবসতিশূন্য একটি দ্বীপ বিনা মূল্যে এবং আরেকটি মাত্র ৫০ লাখ ডলার দিয়ে গ্রহণ করেন। সূত্র : এএফপি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এক দিনেই মিলবে পাসপোর্ট

এক দিনেই মিলবে পাসপোর্ট

কর্তৃক daily satkhira

দেশের খবর: জরুরি ভিত্তিতে এক দিনের মধ্যে পাসপোর্ট প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর। এরই মধ্যে এই সিস্টেমে পাসপোর্ট সরবরাহের কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান। তিনি বলেছেন, ‘যাদের অতি প্রয়োজনে এক দিনেই পাসপোর্ট দরকার পড়ছে আমরা তাদের তা সরবরাহ করতে পারছি। সীমিত আকারে এ কার্যক্রম চালু হয়েছে, আমরা শিগগিরই ব্যাপক হারে এ সেবা দিতে পারব।’
অন্যদিকে পাসপোর্ট আবেদন করার সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ফটোকপি জমা দেওয়ার সময় মূল কার্ডও দেখানোর নিয়ম করা হয়েছে। এ ছাড়া আগামী জানুয়ারি থেকে ই-পাসপোর্ট চালু হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন মহাপরিচালক।
পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্র জানায়, সাধারণভাবে একটি পাসপোর্টের আবেদন করার ২১ দিন পর পাসপোর্ট পেয়ে থাকে একজন গ্রাহক। জরুরি ভিত্তিতে পেতে হলে তিন দিনে পাওয়া যায়। ‘সুপার এক্সপ্রেস’ নামের ডেলিভারি সিস্টেমে এক দিনেই মিলছে পাসপোর্ট। তবে আপাতত এটি শুধু রিনিউ আবেদনকারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হচ্ছে। নতুন পাসপোর্ট গ্রাহকদের জন্য এখনো এ সেবা চালু হয়নি। কারণ হিসেবে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে জানান, যাদের আগে থেকে এমআরপি পাসপোর্ট আছে তাদের নতুন পাসপোর্ট করতে ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হয় না। ফলে তাদের পাসপোর্ট এক দিনে দেওয়া যায়।

এ বিষয়ে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, এমন অনেক ঘটনা আছে যে বিদেশে যাওয়ার জন্য ভিসা নেবেন কিন্তু পাসপোর্টের মেয়াদ আছে এক দিন। এ ক্ষেত্রে ছুটে আসেন এক দিনে পাসপোর্ট করার জন্য। এ ছাড়া এমন অনেকে আছে যারা খুব অসুস্থ, এক দিনেই তাদের পাসপোর্ট প্রয়োজন, বিদেশে যাবে চিকিৎসা করাতে। এমন সব জরুরি কারণেই সুপার এক্সপ্রেস পাসপোর্ট চালু করা হচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যদি কেউ এক দিনে পাসপোর্ট পেতে চায় তাহলে তাকে ব্যাংকে জরুরি পাসপোর্টের ফি জমা দিয়ে দুপুর ১২টার আগে আবেদন জমা দিতে হবে। ১২টার আগে আবেদন পেলে সন্ধ্যার দিকে পাসপোর্ট সরবরাহ করা হয়।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest