সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কবির হোসেনের যোগদাননূরনগর ইউনিয়নবাসীর জন্য সমাজসেবক লিটনের ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুসারসা বাহরুল উলুম মাদ্রাসার বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ  মৃত্যুঞ্জয় কুমার ও আবু তাহেরের নেতৃত্বে প্রথম আলো সাতক্ষীরা বন্ধুসভার কমিটি ঘোষণাখালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের দোয়াসাতক্ষীরার ৪টি সংসদীয় আসনে বিএনপির ২ বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ২৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিলসাতক্ষীরা-০১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আ’লীগ নেতা মুজিবের মনোনয়ন জমাসাতক্ষীরা জেলা কিন্ডার গার্টেন এ্যাসোসিয়েশনের ফলাফল প্রকাশExploring the Flavorful Journey of Ground Beef Enchiladasজেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি গঠন

শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদের শোক দিবসের প্রস্তুতি সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে শোক দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকাল ৫টায় সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি রাশেদুজ্জামান রাশির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি সবুর খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ: মজিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন, আ: রহমান, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ পৌর শাখার সভাপতি নুরুল হক, সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন, রনি সহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সভায় ১৫ আগস্ট সকাল ৭টায় জাতীয় পতাকা ও কালো পতাকা উত্তোলন, সকাল ৭.১৫ মিনিটে কালো ব্যাচ ধারণ, ৭.৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধুর প্রতিক কৃতিতে মাল্যদান, ১০টায় শোক র‌্যালীতে অংশ গ্রহন, দুপুরে দেড়টায় গণভোজ। ১৭ আগষ্ট বিকাল ৪টায় সুলতানপুরস্থ আজাদী সংঘ ক্লাবে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে বলে সিন্ধান্ত গৃহিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় তাঁতীলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ধানমন্ডীস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে বাংলাদেশ তাঁতীলীগের সাতক্ষীরা সদর ও পৌর শাখার উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
উক্ত সমাবেশে পৌর সভাপতি নুরজাহান সাদিয়ার সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল কুমার সানার পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, জেলা তাঁতীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্ব মীর আজহার আলী শাহীন। প্রধান বক্তা ছিলেন, আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম। বিশেষ বক্তা ছিলেন জেলার সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান তুহিনসহ জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর নেতৃবৃন্দ। বক্তারা অবিলম্বে অফিসে হামলাকারিদের গ্রেফতার ও শাস্তি জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর: দেশের মোবাইল অপারেটরগুলো টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসির দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী ৪৫ পয়সার নিচে কোনো কলরেট নির্ধারণ করতে পারবে না। আর কলরেটের সর্বোচ্চ সীমা হবে ২ টাকা পর্যন্ত।

আজ মধ্যরাতের পর থেকে মোবাইল অপারেটরগুলোকে এই নির্দেশনা মেনে কল রেট নির্ধারণ করবে। বর্তমানে বিটিআরসির নির্ধারিত সর্বনিম্ন অন-নেট প্রতিমিনিট ২৫ পয়সা এবং অফ-নেটে ৬০ পয়সা। আর অন-অফে সর্বোচ্চ সীমা ২ টাকা চালু রয়েছে।

এখন থেকে আর মোবাইল ফোনে কথা বলার ক্ষেত্রে অফনেট ও অননেট সুবিধা থাকছে না।

৪৫ পয়সা হলো নতুন কলরেটের ফ্লোর প্রাইস (ইউনিফায়েড ফ্লোর প্রাইস)। এই রেটের কমে কোনও মোবাইল নম্বরে কল করা যাবে না।

তবে মোবাইল ফোন অপারেটররা তাদের পছন্দমতো রেট সাজিয়ে নতুন কলরেট গ্রাহকদের অফার করতে পারবে। কলরেটের সর্বোচ্চ সীমা হবে ২ টাকা, যা আগেও ছিল। কোনও অপারেটর গ্রাহকের কাছ থেকে প্রতি মিনিটের কলের জন্য ২ টাকার বেশি চার্জ করতে পারবে না।

বর্তমানে বিটিআরসির নির্ধারণ করে দেওয়া সর্বনিম্ন অননেট চার্জ প্রতি মিনিট ২৫ পয়সা ও অফনেট ৬০ পয়সা। সর্বোচ্চ চার্জ প্রতি মিনিটে ২ টাকা। মোবাইল ফোন অপারেটররা এই সীমার মধ্যে থেকে নিজেদের অপারেটরের চার্জ নির্ধারণ করেছে। ফলে একেক অপারেটরের চার্জ ছিল একেক রকম।

প্রসঙ্গত, দেশে দুই ধরনের কলরেট চালু আছে, অননেট ও অফনেট। অননেট হলো একই মোবাইল নেটওয়ার্কে কল করার (কথা বলার) পদ্ধতি এবং অফনেট কল হলো এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে ফোন করা। নতুন নিয়মে এই অননেট ও অফনেটের কলরেট পদ্ধতি আর থাকছে না।

১৪ আগস্ট থেকে নতুন কলরেট চালুর কথা বলা হলেও একাধিক মোবাইল ফোন অপারেটরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, বেশিরভাগই আজ সোমবার রাত ১২টার পরে (মঙ্গলবারের প্রথম প্রহরে) নতুন কলরেট কার্যকর করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার আর নেই

দেশের খবর: সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ২৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। সিঙ্গাপুরে থাকা সমকালের বিশেষ প্রতিনিধি শরীফুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বিকেলে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন গোলাম সারওয়ারকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়।

গত ৩ আগস্ট মধ্যরাতে সমকাল সম্পাদককে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। এর আগে গত ২৯ জুলাই মধ্যরাতে গোলাম সারওয়ার রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর ও পৌর তাঁতীলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

 

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ধানমন্ডীস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে বাংলাদেশ তাঁতীলীগের সাতক্ষীরা সদর ও পৌর শাখার উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
উক্ত সমাবেশে পৌর সভাপতি নুরজাহান সাদিয়ার সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল কুমার সানার পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, জেলা তাঁতীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্ব মীর আজহার আলী শাহীন। প্রধান বক্তা ছিলেন, আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম। বিশেষ বক্তা ছিলেন জেলার সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান তুহিনসহ জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর নেতৃবৃন্দ। বক্তারা অবিলম্বে অফিসে হামলাকারিদের গ্রেফতার ও শাস্তি জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের অফিস সহকারি আক্তারুজ্জামানের এক্স-রে জালিয়াতির ঘটনার নার্স সনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের অফিস সহকারি আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ডাক্তারি সনদ জালিয়াতি ও প্রতারনার অভিযোগে সোমবার সকাল ১০টায় দ্বিতীয় দফায় তদন্ত হয়েছে। এ সময় ভিকটিম বেবী নাজমিন প্রতারক হিসেবে গত ৩০ মে তারিখে তার চিকিৎসাধীন ওয়ার্ডে দায়িত্বে থাকা সদর উপজেলার গাভা এলাকার সানজিদাকে সনাক্ত করেন।
তদন্ত কালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাঃ এহছেন আরা, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আবুল হোসেন ও ডাঃ শরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, পাটকেলঘাটা থানার এনায়েতপুর শানতলা গ্রামের কলেজ পড়–য়া বেবী নাজমিন ও তার বোন মারুফা প্রতিপক্ষের হামলায় জখম হয়ে গত ২৮ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সার্জারী কনসালট্যান্ট ডাঃ শরিফুল ইসলাম তাদেরকে ২৯ মে পর্যন্ত চিকিৎসা দেন। একই গ্রামের মাস্টাররোলে কর্মরত রুবেল ওরফে শামীমের মাধ্যমে হাসপাতালের স্বাস্থ্য সহকারি কাম ওয়ার্ড মাষ্টার আক্তার হোসেনের সঙ্গে বেবী, বোন মারুফা ও তাদের মা সাবিনা খাতুনের পরিচয় ঘটে।৩০ মে সেবিকার দেওয়া এক্সরে স্লিপ নিয়ে অফিসে গেলে আক্তার হোসেন একজন সেবিকাকে ডেকে তাদেরকে নিয়ে ১২৫ নং কক্ষে এক্স-রে করে আসতে বলেন। আক্তার হোসেনের কথামত দু’ বোনের এক্স-রে বাবদ ৭০০ টাকা তাদের সঙ্গে পাঠানো নার্সকে দিয়ে দেয়া হয়। পরবর্তীতে ৩০ মে সন্ধ্যায় ভূয়া এক্সরে প্লেট দিয়ে পরদিন ছাড়পত্র দেওয়ার পর এক্স-রে প্লেট, এক্স-রে স্লিপ নিয়ে ছাড়পত্রে কাটাকাটি করে ৩০ মে লিখে তাদেরকে ফেরৎ দেন আক্তার। ওই দিন শামীমের মাধ্যমে বেবী ও মারুফা জানতে পারে যে জামিন পাওয়ানোর সুবিধার্থে তড়িঘড়ি করে দুর্বল ডাক্তারি সনদ দেয়ার জন্য আসামী আব্দুর রহমানের কাছ থেকে৩০ হাজার টাকা নিয়েছেন আক্তারুজ্জামান। দু’ বোনের মাথায় গভীর ক্ষত হওয়ার কারণে কয়েকটি সেলাই দেওয়ার পরও এমসিতে থেতলানো জখম বলে উল্লেখ করায় তারা অবাক হন। এমসিতে এক্স-রে করা হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়। সাংসদ অ্যাড. মোস্তফা লুৎফুল্লাহের কথা মত বিষয়টি নিয়ে নাগরিক মঞ্চের আহবায়ক অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসুল একজন সাংবাদিককে নিয়ে গত ১৭ জুলাই সিভিল সার্জনের কাছে গেলে তিনি ৩০ মে ওই ওয়ার্ডে কর্মরত দু’ সেবিকাকে না ডেকে একজনকে ও সংশ্লিষ্ট ডাঃ শরিফুল ইসলামকে সামনে না রেখে সিভিল সার্জন ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ ফরহাদ জামিলকে সামনে রেখে আক্তারের পক্ষ নিয়ে বেবী, মারুফা ও তার মা সাবিনা এক্সরে না করার স্বপক্ষে টিপসহি দিয়েছেন বলে দাবি করে প্রয়োজনে মামলা করার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন । বিষয়টি নিয়ে পত্রপত্রিকায় ছাপানো হয়। পত্রপত্রিকায় অভিযোগ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ায় কতদন্ত টিমের প্রধান ডাঃ এহছেন আরার পাওয়া নোটিশ পেয়ে গত ৯ আগষ্ট বুধবার সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের সস্মেলন কক্ষে ভিকটিম মারুফা, বেবী নাজমিন, আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী, ভূমিহীন নেতাসহ বিভিন্ন স্তরের লোকজন আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সনদ জালিয়াতির অভিযোগ আনেন।
একইভাবে সোমবার সকাল ১০ টায় সিভিল সার্জনের সদর হাসপতালের সুপারের অফিস কক্ষে ভিকটিম বেবী নাজমিন এক্সরে করার খরচ বাবদ আক্তারুজ্জামানের নির্দেশে ৭০০ টাকা নেওয়া সেবিকা সানজিদা খাতুনকে চিহ্নিত করেন। একইভাবে শামীম ওরফে রুবেল তদন্তকারি কর্মকর্তাদের সামনে আক্তারুজ্জামানদের সঙ্গে মারুফা ও বেবী নামজমিনের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। তবে মোবাইলে এক জনের কাছে আক্তারুজ্জামানকে বাচিয়ে দেওয়ার কথা বলার বিষয়টি স্বীকার করেন।
সূত্রটি আরো জানায়, দুর্বল ডাক্তারি সনদ দেওয়ার জন্য ও ডাক্তারি সনদ গ্রিভিয়াস করার জন্য সদর হাসপাতালের সবচেয়ে বড় ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে আক্তার হোসেন পরিচিতি লাভ করেছেন। এ ছাড়া সাধারণ ডাক্তারি সনদ গ্রিভিয়াস হিসেবে লিখিয়ে নেওয়া, গ্রিভিয়াস সনদ সিমপিল ইন নেচার হিসেবে লিখিয়ে নেওয়া ব্যাপারে মোটা অংকের আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে আক্তারুজ্জামাানের বিরুদ্ধে।
তবে তদন্ত টিমের প্রধান ডাঃ এহছেন আরা জানান, বেবী নাজনিন বুধবার চোখের সমস্যা আছে এমন একজন নার্সই তাদের কাছ থেকে আক্তারুজ্জামানের নির্দেশ মত টাকা নিয়েছে। যা’ সোমবার সে তদন্তকালে সনাক্ত করেছে। যদিও সানজিদা অস্বীকার করেছে বেবীর অভিযোগ। এ ছাড়া সিসি ক্যামেরা চালু না থাকার বিষয়টি অবাক বলেন, এটা চালু থাকলে মুহুর্তের মধ্যেই সমস্যা সমাধান হয়ে যেতো। তবে কোন নার্স বা ডাক্তারের সামনে বেবী, মারুফা বা মারুফার মা সাবিনার টিপ সহি নেওয়া হয়েছিল তা এখনো চিহ্নিত করা যায়নি। মঙ্গলবার সকাল টায় মারুফাকে তাদের তদন্ত টিমের সামনে এসে টিপ সহি নেওয়া ও সংশ্লিষ্ট নার্সকে চিহ্নিত করার জন্য বলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুলতানপুর জামে মসজিদ ও মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটি গঠন

 

সুলতানপুর জামে মসজিদ ও মাদ্রাসার ত্রি-বার্ষিক (২০১৮-২০২১) পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টায় সুলতানপুর জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত এক সভার মাধ্যমে এ কমিটি গঠন এবং নবগঠিত কমিটির কাছে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, খন্দকার শফিকুল বাসার মানিক। নবগঠিত নেতৃবৃন্দ হলেন, সভাপতি শেখ আশরাফুল হক, সহ-সভাপতি খন্দকার শফিকুল বাশার মানিক, মীর মঞ্জুর আলী, এম.এ হামিদ, সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব ছোট, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেল্লাল হোসেন, মীর মাহমুদ আলী আবির, কোষাধাক্ষ্য শেখ হারুন উর রশিদ, সদস্য কাজী সাইদুর রহমান, শেখ জামশেদ উদ্দিন চান্দু, শেখ আবু সেলিম ককিল, খায়রুল বাঁশার খান মুকুল, শেখ শাহজান কবির, তহিদুর রহমান ডাবলু, শেখ কামরুল হক চঞ্চল, শেখ আব্দুল কাদের, শেখ জাহাঙ্গীর হাসান খোকন, হাফিজুর রহমান বাবলু, শেখ মারুফ হাসান মিঠু, শেখ মোসফিকুর রহমান মিলটন, খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, শেখ আসাদ আহমেদ অনজু, শেখ আজমল হোসেন, শেখ আব্দুর রশিদ, শেখ জাহাঙ্গীর কবির। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জালিয়াতি চক্রের হোতা সামাদ গংদের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় ক্রয়কৃত সম্পত্তি জালিয়াতি চক্র কতৃক জোর পূর্বক দখল করে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জমির মালিক প্রতিকার চেয়ে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন। পুলিশ সুপার বিষয়টি সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্ত করে ব্যাবস্থা গ্রহনের নির্দেশ প্রদান করেছেন।

সুলতানপুর এলাকার সিরাজুল হকের ছেলে জিয়াউল হক লিখিত অভিযোগে বলেন,সুলতারপুর মৌজায় এস.এ ৬৮ নং খারিজ মতে ৬৮/২ নং খতিয়ানে ১২১ দাগে ০.৪৫ একর জমির মধ্যে ০.১০ একর জমি ফাতেমা খাতুনের কাছ থেকে ৭/৬/২০১৫ তারিখে ক্রয় করি। যার কোবলা দলিল নং ৪২৬০। উক্ত জমি ক্রয় করে নিজ নামে নামপত্তনসহ খাজনা পরিশোধ করে আসিতেছি। পূর্বের জমির মালিক সেমিপাঁকা ঘর নির্মান করে আশাশুনি উপজেলার মজিবর রহমানের ছেলে অহেদ মোড়লের নিকট ভাড়া দেয়। আমি জমি ক্রয় করে ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে থাকি। অহেদ মোড়ল মারা গেলে তার স্ত্রী কন্যরা সেখানে বসবাস করতে থাকে। তারা হঠাত করে ভাড়া বন্ধ করে দেয় এর কারন জানতে চাইলে তারা বলে জনৈক জোনাব আলি মৌখিক ভাবে জমিটি দান করে গেছেন। তারা সাতক্ষীরা সহকারি জজ আদালতে দেওয়ানি ১৬৬/১৫ ও ১৯৯/১৫ নং দুটি মামল দায়ের করে যাহ বিজ্ঞ আদালত ২৫//২০১৭ তারিখে খারিজ করে দেয়।
লিখিত অভিযোগে তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে নাজিরা বেগম সাতক্ষীরা চিহিৃত জালিয়াতি চক্রের হোতা বালিথা গ্রামের শওকাত আলীর জামাই জাল সামাদ যোগসাজসে কালিগঞ্জ সাবরেষ্ট্রি অফিসে ২৪৪৮ ও আশাশুনি সাবরেজিষ্ট্রি অফিসে ২০২২ সং জাল দলিল সৃষ্টি করে। একই আদালতে ৮৯/১৭ নং একটি পার্টিশন মামলা দায়ের করে। উক্ত জমির জাল দলিল সৃষ্টি করে জালিয়াতি চক্রের হোতা জাল সামাদ বিভিন্ন ভাবে আমার কাছে চাঁদা দাবী করছে। চাঁদা না দিলে তারা সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাকে জীবন নাশের হুমকি দিচ্ছে। শুধু তাই না তারা আমার ভগ্নিপতি মোকলেস আলীকে খুন জখম করার হুমকি দিচ্ছে। হুমকি ও জীবন নাশের ভয়ে গত ২০/১২/১৬ তারিখে সাতক্ষীরা সদর থানায় তাদের বিরুদ্ধে একটি ৯৯৫ নং সাধারণ ডায়রি করি। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে জিয়াউল হক জাল চক্রের হোতা সামাাদ মুহুরু ও তার গংদের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার বরাবর ১০/০৭/২০১৮ তারিখে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ সুপার সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্ত পূর্বক ব্যাবস্থা গ্রহনের নির্দেশ প্রদান করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest