সর্বশেষ সংবাদ-
মানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলাআদালতে মামলা করার ৭ মাস পর সাতক্ষীরার ফিংড়িতে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগদেবহাটায় ৩০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারসাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বিজ্ঞান মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিতবাক্‌স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চরিত্রহনন ও ইয়েলো জার্নালিজম নিয়ন্ত্রণও জরুরি: সাতক্ষীরায় আইনমন্ত্রীআইনমন্ত্রীর সাথে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃত্বের সৌজন্য সাক্ষাৎতালায় বিএনপি নেতার বসতবাড়িতে হামলা-ভাংচুর ও লুটপাট: সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১০ বোতল কেরেক্সসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

বিশেষ প্রতিনিধি, শ্যামনগর : শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়নের জয়নগরে ধানখেতে ইঁদুর মারার বৈদ্যুতিক ফাঁদে স্পৃষ্ট হয়ে জয়নগর নিবাসী আব্দুর রশিদ ঢালী (৬৫) ইন্তেকাল করেছেন ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। জয়নগর ত্রি-মোহনা মোহনা জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মোস্তাফিজুর রহমান এর নানা আব্দুল হামিদ হুজুরের মেজো ভাই আব্দুর রশিদ ঢালী (৬৫) (৩০/৮/২০২৪) শুক্রবার সন্ধ্যায় বিদ্যুৎপৃষ্টে ইন্তেকাল করিয়াছেন।

কাশিমাড়ী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য আনোয়ার হোসেন ঢালী জানান, ইঁদুরে ধানখেত নষ্ট করে ফেলে। তাই ইঁদুর নিধনে ধানখেতে চিকন খোলা তার বা ‘গুনা’য় বিদ্যুতের সংযোগ দিয়ে ফাঁদ তৈরি করেন। শুক্রবার বিকালে বিশ স্প্রে করার জন্য নিজের জমিতে যান আব্দুর রশিদ।

এ সময় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করেই খোলা অবস্থায় থাকা গুনায় হাত দিলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনা স্থলে মৃত্যু বরণ করে পড়েছিল। রাতে তার খোজ না পেয়ে জমিতে যেয়ে পরিবারের সদস্যরা দেখেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মরে পড়ে ছিল।
এব্যাপারে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, পুলিশ লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার সকাল ১০ টায় জয়নগর আমিনিয়া হামিদিয়া ফাজিল মাদরাসায় মরহুমের জানাযার নামাজ শেষে তাকে ঢালীবাড়ি পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :

২৬ দিন পর সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করেছে র‌্যাব। এসময় লুট হওয়া অস্ত্র-গুলি রাখার অভিযোগে ২ যুবককে আটক করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে শহরের সুলতানপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুতে রাখা অস্ত্র-গুলি উদ্ধার ও আসামী আটকের ঘটনা ঘটে।

আটককৃতরা হলেন, পৌরসভার সুলতানপুর এলাকার শেখ সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে মেহেদী হাসান (২১) ও আব্দুল মজিদ গাজীর পুত্র ফরহাদ হোসেন (২৭)।

উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে, ২টি ওয়ান শুট্যারগান, একটি বিদেশী পিস্তল, দুটো ম্যাগজিন ও ২৩ রাউন্ড গুলি

র‌্যাব সাতক্ষীরা ক্যাম্পের কমান্ডার ফয়সাল তানভীর বলেন, ০৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পরে সাতক্ষীরা সদর থানায় হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা। এসময় পুলিশের কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি লুট করা হয়। পরবর্তীতে মাইকিং করে অস্ত্র ফেরত চাওয়া হলেও লুটকারীদের অনেকেই কর্ণপাত করেননি।

র‌্যাব কমান্ডার আরও জানান, শনিবার দুপুরে তাদের কাছে খবর আসে,সুলতানপুর এলাকায় লুট হওয়া ও অবৈধ অন্যান্য অস্ত্র মাটিতে পুতে রাখা হয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ফরহাদ হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার রান্না ঘরের মধ্যে পুতে রাখা অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি থানার এসআইদের হারিয়ে যাওয়া দুটো মোটরসাইকেলের চেসিস জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও আটককৃত আসামীদের সাতক্ষীরা সদর থানায় সোপর্দ করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান র‌্যাব কমান্ডার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তে ১২ কোটি টাকার ভারতীয় মাদক ক্রিস্টাল মেথ আইস, এলএসডি ও বিদেশি মদসহ ইমন হোসেন (২৩) নামের এক যুবককে আটক করেছে বিজিবি।

তিনি উপজেলার রাজপুর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে।

বৃহষ্পতিবার গভীর রাতে উপজেলার রাজপুর সীমান্ত এলাকা থেকে মাদকসহ তাকে আটক করা হয়।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আশরাফুল হক জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজপুর সীমান্তে অভিযান চালায় বিজিবি সদস্যরা। এসময় একটি ব্যাগসহ ইমনকে আটক করা হয়। পরে ব্যাগ তল্লাশি করে ১২কোটি টাকা মূল্যের ২কেজি ভারতীয় ক্রিস্টাল মেথ আইস, ২ বোতল এলএসডি ও ৪ বোতল বিদেশি মদ জব্দ করা হয়।

কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিন জানান, শুক্রবার বিজিবির পক্ষ থেকে ইমনের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দেওয়া হয়েছে। ইমনের বিরুদ্ধে এর আগেও কলারোয়া থানায় দুটি মাদক মামলা রয়েছে বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
২০ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে বাড়ি থেকে তুলে এনে ১৭ দিন গোয়েন্দা পুলিশ হেফাজতে রেখে ষাড়াশি দিয়ে পায়ের নখ তুলে হাত, পা ও চোখ বেঁধে, লাঠি ও গুলি করে হাতের কনুই ও কবজির হাড় ভেঙে দিয়ে ১৩ লাখ টাকা আদায় করার ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহষ্পতিবার সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মুগিডাঙা গ্রামের ওয়াজেদ আলী সরদারের ছেলে এরশাদ আলী ওরফে আলী হোসেন বাদি হয়ে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম প্রথম আদালতে সদর সার্কেলের তৎকালিন সহকারি পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামানসহ ১৭জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২০ জনের নামে এ মামলা দায়ের করেন। বিচারক নয়ন কুমার বড়াল মামলাটি এজাহার হিসেবে গণ্য করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অন্যতম আসামীরা হলেন, সদর থানার তৎকালিন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমদাদ হোসেন, ডিবি পুলিশের তৎকালিন উপপরিদর্শক আবুল কাশেম, সহকারি উপপরিদর্শক কাজী এমরান, সদর থানার উপপরিদর্শক আবুল কালাম, সহকারি উপপরিদর্শক পাইক দেলোয়ার হোসেনসহ মৃগিডাঙা গ্রামের ১১জন।

মামলার বিবরনে জানা যায়, সদর উপজেলার মৃগিডাঙা গ্রামের ওয়াজেদ আলী সরদারের ছেলে এরশাদ আলী ওরফে আলী হোসেন একজন মুদি ব্যবসায়ি। তার মাছের ঘের ও রয়েছে। ২০১৩ সালের মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে পুলিশসহ সকল আসামীরা তার কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় ওই বছরের ১১ মার্চ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাড়িতে মিস্ত্রী দিয়ে কাজ করানোর সময় একই গ্রামের আলী হোসেন, নুরুল আমিন, মিজানুর রহমানসহ ১১ জন তার বাড়ি ঘিরে ফেলে। তখন স্থানীয় সকল আসামীদের সহযোগতায় পুলিশ তার দুই হাতে হ্যাÐকাপ লাগাইয়া ভ্যানে তুলে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে একটি অন্ধকার রুমে আটকে রাখে।

স্বজনরা গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে গেলে তারা কিছুই জানেন না বলে জানানো হয়। গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে উপপরিদর্শক আবুল কাশেম ব্যবসায়ি এরশাদের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা চায়। আট দিন ধরে নির্যাতনের পর তার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করিয়ে টাকা আনার কথা বলতে বলে। ২৪ মার্চ রাত ৮টার দিকে উপপরিদর্শক আবুল কাশেম বাঁশের লাঠি দিয়ে নির্যাতনের একপর্যায়ে তার ডান হাতের কনুই এর হাড় ভেঙে গুড়ো করে দেয়। প্লাস দিয়ে তুলে নেওয়া হয় শাহাদাৎ আঙুলের নখ। এরপরও টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে ২৫ মার্চ ভোরে গোয়েন্দা পুলিশ হেফাজত থেকে তার দু’চোখ বেঁধে গাড়িতে তুলে একটি অজ্ঞাতস্থানে এনে পস্তিল দিয়ে গুলি করে তার ডান হাতের কব্জির হাড় ভেঙে দেওয়া হয়।

এরপর কয়েকজন আসামী তার স্ত্রীকে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে এসে করুণ পরিণতি দেখায়। একপর্যায়ে জীবন বাঁচাতে ১৩ লাখ টাকা দিলে ২৮ জানুয়ারি সকাল ১১টার দিকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর ২২ দিন এরশাদ আলী সাতক্ষীরা শহরের সংগ্রাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
সাতক্ষীরা জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাড. ইকবাল হাসান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরা আশাশুনি শ্রীউলা ইউনিয়নে ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল হাকিম সরদার হত্যা মামলার প্রধান আসামী সন্ত্রাসী আলাউদ্দিন লাকি ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার এবং বিচারের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আশাশুনি শ্রীউলা ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজেন মহিষকুড় বাজারে বুধবার বিকালে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

শ্রীউলা ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আব্দুল মালেক সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আশাশুনি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক স.ম হেদায়াতুল ইসলাম।

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা যুব দলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সুমন রহমান, জেলা ছাত্র দলের সহ সভাপতি রাকিবুল ইসলাম, জেলা মৎস্যজীবী দলের যুগ্ম আহবায়ক মাহমুদুল, যুগ্ম আহবায়ক বাবলু, আশাশুনি উপজেলা যুব দলের সদস্য সচিব আবু জাহিদ সোহাগ, আশাশুনি স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক নুরে আলম সহ আরো অনেকে।

সমাবেশে বক্তরা বলেন, শ্রীউলা ইউনিয়নে ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল হাকিম সরদার কে হত্যা করেছে সন্ত্রাসী আলাউদ্দিন লাকি ও তার সহযোগিরা। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে এই হত্যার বিচার হয়নি। তার পরেও এখনও এই সন্ত্রাসী আলাউদ্দিন লাকি ও তার সহযোগিরা বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। একাধিক মামলার প্রধান আসামী সন্ত্রাসী আলাউদ্দিন লাকি ও তার সহযোগি দের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : ২০১৬ সালের ৯ জুলাই দিবাগত রাত দুইটার দিকে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওলিউল্লাহকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় সাবেক সাংসদ এসএম জগলুল হায়দার, এসএম আতাউল হক দোলন, সাতক্ষীরার সাবেক পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীর, সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের তৎকালিন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর্জা সালাহউদ্দিনসহ ৩৫ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী ছালিমা খাতুন বাদি হয়ে মঙ্গলবার আমলী আদালত-২ এ ওই মামলা দায়ের করেন। বিচারক নয়ন কুমার বিশ্বাস বাদির লিখিত অভিযোগটি সিআর মামলা হিসেবে আমলে নিয়ে (১৫৬(৩)/১৫৭ ধারা তৎসহ গঠিত পুলিশ রেগুলেশন ,বেঙ্গল এর ২৪৫(এ) নং রেগুলেশন অনুযায়ি অগ্রসর হওয়ার জন্য শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
মামলায় অন্যতম আসামীরা হলেন,কাশিমাড়ি ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা আনিছুজ্জামান আনিছ, গাবুরা ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান শফিউল আযম লেনিন, শ্যামনগর সদর ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাড. জহুরুল হায়দার বাবু।

মামলার বিবরনে জানা যায়, শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নগর গ্রামের একরামুল হক এর ছেলে কৃষক ওলিউল্লাহকে ক্ষমতাসীন দলের সাংসদ, নেতাসহ তৎকালিন জেলা পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীর, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর্জা সালাহ্উদ্দিন হত্যার পরিকল্পনা করে। এর আংশ হিসেবে ২০১৬ সালের ৮ জুলাই তৎকালিন সাংসদ জগলুল হায়দার, সাবেক সাংসদ আতাউল হক দোলন, শফিউল আযম লেনিন, জহুরুল হায়দার বাবুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নেতা গাজী আনিছুজ্জামান আনিছ এর বাড়িতে গোপন বৈঠক করে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। এরই অংশ হিসেবে ৯ জুলাই বিকেল ৫টার দিকে নিজ বাড়িতে পারিবারিক ঝামেলা সংক্রান্ত একটি শালিসি বৈঠক চলাকালিন পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীর ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর্জা সালাহ্উদ্দিন এর নির্দেশে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট শেষে ওলিউল্লাহকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। ৯ জুলাই দিবাগত রাত দুইটার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে কাশিমাড়ি গ্রামের মশিউর রহমান ও মঈনুর হোসেনের বাড়ির সামনে রাস্তা থেকে ওলিউল্লার মাথায় গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়। পুলিশ ও ক্ষতাসীন দলের নেতারা এটাকে বন্দুকযুদ্ধ বলে প্রচার দেয়। পরে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়না তদন্ত শেষে ১০ জুলাই বিকেলে ওলিউল্লাহ এর লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রাতেই নামাজে জানাযা শেষে ওলিউল্লার লাশ পারিবারিক কবরস্থারে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ভিকটিম ওলিউল্লাহকে প্রধান আসামী করে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করে শ্যামনগর থানায়।

ওই সময়কার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারণে আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা করা সম্ভব না হওয়ায় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তণ হওয়ায় মামলার বিলম্বের কারণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জজ কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাড. সৈয়দ ইফতেখার আলী ১০জন পুলিশ সদস্যসহ ৩৫জনের বিরুদ্ধে আদালতে দায়েরকৃত মামলাটি মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় এফআইআর হিসেবে গণ্য করার নির্দেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

গত ২৮ আগস্ট ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক বাংলার ভোর ও সাতক্ষীরা থেকে দৈনিক সাতক্ষীরা সংবাদ পত্রিকা ও অনলাইন পত্রিকায় “কুখরালী আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি হাতিয়েছেন ৭৬লক্ষ টাকা” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত।

আমি সভাপতির দায়িত্বে থাকাকালে সহ-সুপারসহ ৫টি পদে নিয়োগ হয়েছে, তা সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতেই কোন প্রকার অনিয়ম ছাড়াই হয়েছে। নিয়োগ বোর্ডে ডিজির প্রতিনিধিসহ শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সরকারের পরিবর্তনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে একটি পক্ষ আমাকে হয়রানি করার উদ্দেশে এধরনের মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে। আমার পিতাকে আওয়ামী লীগের নেতা বানিয়েছে অথচ আমার পিতার বিরুদ্ধে একাধিক নাশকতার মামলা রয়েছে। আমি নিজে ২০০৩ সালের ছাত্রদলের ওয়ার্ড সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। অন্যদিকে শরিফুল ইসলাম জুয়েল ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি এবং ইয়াছিন আরাফাতের পিতা আবু আব্দুল্লাহ আবু সাক্কার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়ে এলাকায় অত্যাচার চালিয়েছিল। এখন তারাই আমাদের হয়রানি করার চক্রান্ত শুরু করেছে। আমি উক্ত মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
মো: আসাদুজ্জামান খোকন
পিতা- মো: শহীদুল ইসলাম
কুখরালী আমতলা, সাতক্ষীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় এক তরুণীকে গণধর্ষণ করার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় চারজন পলাতক আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।মঙ্গলবার গভীর রাতে শহরের নিউ মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা হলো, শহরের দক্ষিণ পলাশপোল এলাকার মন্টু কারিকরের ছেলে সুলতান আহমেদ (২০), ছাত্তার গাজীর ছেলে আবদুল গফুর গাজী, পলাশপোল দক্ষিণপাড়ার কামাল হোসেনের ছেলে আবদুল্লাহ হোসেন জনি এবং কামালনগর গ্রামের সিদ্দিকুল ইসলাম বাবুর ছেলে জুম্মাতুল ইসলাম বনি। তাদের মধ্যে সুলতান আহমেদ ০৫ আগস্টের পরে উঠতি সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

র‌্যাব,সাতক্ষীরা ক্যাম্পের ইনচার্জ নাজমুল আহসান জানান,২৬ আগস্ট রাতে শহরের নিউমার্কেট এলাকায় আবদুল্লাহ হোসেন জনির বাড়িতে গণধর্ষণের শিকার হন মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হওয়া আশাশুনি এলাকার মানসিক ভারসাম্যহীন এক তরুণী।পরের দিন সকালে জনির বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় ওই তরুণীকে। মঙ্গলবার নির্যাতিতা তরুণীর পিতা বাদি হয়ে সুলতান আহমেদ,আব্দুল গফুরসহ ৬ জনকে আসামি করে সাতক্ষীরা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

তরুণীর পিতা জানান,দু’মাস আগে ভ্যান থেকে পড়ে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয় তার মেয়ে। সেই থেকে সে কিছুটা মানসিক সমস্যায় ভুগছিল। ২৬ আগস্ট সে কাউকে কিছু না জানিয়ে বাড়ি থেকে চলে আসে। ধারণা করা হচ্ছে,ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে সে সাতক্ষীরাতে আসে। নিউমাকের্ট এলাকায় অবস্থানকালে আসামীরা তাকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান,বর্তমানে নির্যাতিতা তরুণী সাতক্ষীরার একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধিন আছেন। আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে,সুলতান আহমেদের নেতৃত্বে কিশোর গ্যাং শহরের নিউমার্কেট ও পাকাপোলের মোড় সহ একাধিক এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। গত শহরের পাঁকাপোলের মোড়ে মো: আব্দুল্লাহ নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে মোবাইল ও টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নিতে ব্যাপক মারপিট করে সুলতান আহমেদ ও বাবু হোসেনসহ সন্ত্রাসীরা। এসময় সাংবাদিক রবিউল ইসলামের ছেলে আল শাহারিয়ার রুমন ও আল মেহরাব রুহান সন্ত্রাসীদের বাঁধা দিতে গেলে তাদেরকে লোহার রড দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়।কেঁড়ে নেওয়া হয় তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল। এনিয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest