সর্বশেষ সংবাদ-
টিআরএম বিলের ক্ষতিপূরণের বকেয়া ৪৮ কোটি টাকা পরিশোধ ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে অবাঞ্চিত ঘোষনাসাতক্ষীরায় জামায়াত এমপির ভিডিও ভাইরাল:  ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ সাতক্ষীরা জেলার জলাবদ্ধতা ও পরিবেশগত সংকট নিরসনে করনীয় শীর্ষক গণতান্ত্রিক সংলাপসাতক্ষীরায় প্রাথমিক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার: জনরোষে অভিযুক্ত নারীর মৃত্যুআশাশুনিতে গাঁজাসহ ব্যবসায়ী গ্রেফতারদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের নতুন প্রেস মিনিস্টার সাতক্ষীরার সন্তান সাইদুর রহমানসাতক্ষীরা কুখরালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৪ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় মৎস্যঘের থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার: পরিবারের দাবি হত্যাসাতক্ষীরায় ফাইনাল খেলা দেখে ফেরার পর আর্জেন্টিনা সমর্থকের মৃত্যু

ট্রাফিক সপ্তাহ ঘিরে বিরক্ত চালকরা

দেশের খবর: শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শুরু হয় ট্রাফিক সপ্তাহ। রাজধানীর মোড়ে মোড়ে বসেছে চেকপোস্ট কিংবা ভ্রাম্যমাণ আদালত। চলমান ট্রাফিক সপ্তাহের কারণে ব্যাপক হারে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়ায় ট্রাফিক সপ্তাহ আরও তিন দিন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) আছাদুজ্জামান মিয়া।
গত ৫ আগস্ট থেকে চলমান ট্রাফিক সপ্তাহে এক লাখ ৭৬ হাজার ৫৯৪টি মামলা এবং ৪ কোটি ৪৯ লাখ ৯ হাজার ২২৩ টাকা জরিমানা করেছে পুলিশ। যা চলবে আগামী ১৪ আগস্ট পর্যন্ত।
সরেজমিন ঘুরে ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চলতি মাসের ৫ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া ট্রাফিক সপ্তাহ। তারপর আরও তিন দিন বাড়িয়ে করা হয় দশ দিন। ট্রাফিক সপ্তাহের অভিযানে যানবাহনের ফিটনেস, রেজিস্ট্রেশন এবং ট্রাফিক আইন অমান্যের ঘটনায় করা হচ্ছে মামলা ও জরিমানা। তবে রাজধানীতে ট্রাফিক সপ্তাহ নিয়ে বিরক্ত প্রকাশ করেছেন বাস, মোটরসাইকেল ও সিএনজির চালকরা।
সিএনজি চালক মনতাজ উদ্দিন বলেন, আমার গাড়ির সকল কাজপত্র ও ড্রাবিং লাইসেন্স আছে। কিন্তু দেখা যায়, গুলিস্তান থেকে মিরপুর যেতে কয়েক জায়গা চেক করা হয়। যা খুবই বিরক্তকর। একটা গাড়ি বার বার চেক করে সময় নষ্ট ছাড়া আর কিছু না।
এছাড়া বিআরটিসি বাস চালক আশরাফুল ইসলাম বলেন, ট্রাফিক সপ্তাহ চলার কারণে অনেক গাড়ি দেখা যায় না। ফিটনেসবিহীন গাড়িগুলো গেরেজে পড়ে রয়েছে। ফিটনেসবিহীন গাড়িগুলোর বিভিন্ন অপকর্মের জন্য আমরা দায়ী হবো কেন? ট্রাফিক সপ্তাহে কারণে বিআরটিসির উপরের যাত্রীর অনেক চাপ যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাসের চাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়। ওই ঘটনার প্রতিবাদে সেদিন থেকেই শিক্ষার্থীরা রাজধানীর বিভিন্ন রাস্তায় অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে।
এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে শিক্ষার্থীরা গাড়ির কাগজপত্র যাচাই ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার কাজ শুরু করে। এরপরই শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরার অনুরোধ করে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করে ট্রাফিক পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘দেশে খালেদা জিয়া আর শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্য’

দেশের খবর: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে নেয়ার দিন সরকার যতটা ভয়ে ছিল এখন তার চেয়েও বেশি ভয়ে আছে যে, তাকে ছেড়ে দিলে কী হয়। সেজন্য জামিনযোগ্য মামলাও তাকে জামিন না দিয়ে অন্যায়ভাবে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে।

সোমবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন আয়োজিত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং তার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ও আন্তর্জাতিক সমাজকর্মী বেগম মেহরুন্নেছা সহ- সকল রাজবন্দীদের মুক্তির দাবিতে গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নজরুল বলেন, দেশের মধ্যে দুজন হলেন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্য ব্যক্তি। একজন খালেদা জিয়া আর একজন শেখ হাসিনা। এখন এর মধ্যে একজন প্রধানমন্ত্রী থেকে নির্বাচন করবেন, আর একজন জেলে থেকে নির্বাচন করবেন- এটাকে তো লেভেল প্লেইং ফিল্ড বলা যায় না। একজন এমপি থেকে নির্বাচন করবে আর আমরা এমপি না থেকে নির্বাচন করবো সেটাও লেভেল প্লেইং ফিল্ড নয়।

আমরা নির্বাচনের মাধ্যমেই সরকার পরিবর্তন চাই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা নির্বাচন করতে চাই। কিন্তু নির্বাচনের নামে কোনো খেলায় অংশ নিতে চাই না। আমরা সরকারের পতন চাই এটা কোনো গোপন কথা না। এই সরকারকে সরিয়ে আমরা দেশ শাসন করতে চাই- এটাও গোপন কথা না। সুতরাং আমরা কোনো ষড়যন্ত্রও করি না। আমরা ঐক্যবদ্ধ গণতান্ত্রিক আন্দোলন করতে চাই। এর কোনো বিকল্প নেই। সেই আন্দোলন সফল হবে, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জনগণ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনবে।

সরকারের সমালোচনা বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, এই সরকারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এত নোংরা অভিযোগ আছে যে- অন্য কেউ হলে বা অন্য কোনো সরকার হলে আগেই পদত্যাগ করতো। কিছুদিন আগে জার্মানির একটি সংস্থা বলেছে স্বৈরাচারী দেশের মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ। সরকার মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে কিন্তু সারা বিশ্বের সবাই বলে স্বৈরাচার।

নজরুল বলেন, দেশে যদি আজ সত্যিকারে নির্বাচিত সরকার থাকতো তাহলে জনগণের কাছে জবাবদিহিতা দিতে হতো, এই সরকারের জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা নেই, যা ইচ্ছা তাই করছে। তাদের জবাবদিহিতা করতে হয় না, কারণ বর্তমান সরকার এমন একটি সংসদ গঠন করেছে যে সংসদের বিরোধীদল প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত এবং সেই দলের তিনজন সরকারি দলের মন্ত্রী। এরা সারাদিন সরকারি অফিস করে সংসদে গিয়ে বিরোধীদলীয় আসনে বসে। বিরোধীদলের আসনে বসে সরকারি বিল পাস করে। পৃথিবীর কোথাও এমন হাস্যকর সংসদ নেই, যা বাংলাদেশের চলছে। পৃথিবীর কোথাও সংসদে গণতন্ত্র নিয়ে ইয়ার্কি-ফাজলামি চলে না, কিন্তু বাংলাদেশে যেটা চলছে। আমরা বলব এটা এক ধরনের ইয়ার্কি-ফাজলামি।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে এবং শিক্ষক নেতা সেলিম মিয়ার সঞ্চালনায় গোলটেবিল বৈঠকে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, ডিএল’র সাধারণ সম্পাদক সাইফ উদ্দীন মনি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, আব্দুল আউয়াল খান, জিনাফের সভাপতি লায়ন মিয়া মোহাম্মাদ আনোয়ার, ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক আরিফা সুলতানা রুমা প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় ছাত্রলীগ সভাপতিসহ ৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

অনলাইন ডেস্ক: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের এক শিক্ষার্থীকে অপহরন ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে।
এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার দুপুরে অপহরণের শিকার শিক্ষার্থী মো. ওসমান আলীর পিতা আজগর আলী বাদী হয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতিসহ সাতজন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী ও অজ্ঞাত আরো চার-পাঁচজনকে আসামি করে কলারোয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
দায়েরকৃত মামলার বিবরণে জানা গেছে, গত রোববার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে ডিবির ওসি পরিচয় দিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো: আবু সাইদের নেতৃত্বে স্থানীয় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের উল্লেখিত নেতাকর্মীরা উপজেলার পাইকগাড়া গ্রামের সাতক্ষীরা সিটি কলেজের ছাত্র মো. ওসমান আলী দালালকে তার বাড়ির সামনে থেকে জোরপূর্বক চোখ, মুখ ও হাত বেঁধে মটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায়।
ঘটনার কয়েক ঘন্টা পর পাইকপাড়া গ্রামের ছাত্রলীগ নেতা শাহিন গায়েন এক লাখ টাকার বিনিময়ে ওসমানকে ছাড়িয়ে দিতে পারবে বললে ওসমানের পিতা আজগর নগদ ৩৫ হাজার টাকা দেন।
বাকী টাকা পাঁচদিনের মধ্যে পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছেলেকে ছাড়িয়ে দিতে অনুরোধ করেন।
এরপর ৬ আগষ্ট ভোর ৬টায় ছেলে আহত অবস্থায় বাড়িতে ফিরে এলে তিনি বিস্তারিত ঘটনা জানতে পারেন।

মামলার এজাহারভুক্ত আসামীরা হলেন, উপজেলার যুগিখালী গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে ইউনিয়ন ছাত্রলীগ কর্মী মঈন উদ্দীন জামান ওরফে টাইফুন (২৪), জালালাবাদ গ্রামের মো: গোলাম রহমানের ছেলে ডিবির ওসি পরিচয়দানকারী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো: আবু সাইদ (২৭), পাইকপাড়া গ্রামের আ: গোলাপ গায়েনের ছেলে ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা মো: শাহিন গায়েন (২৫), আব্দুল জলিল মেম্বরের ছেলে মো: সোহাগ (২৫), মৃত, ছাত্তার শেখের ছেলে মো: সইল উদ্দীন (২৫), আকরাম সরদারের ছেলে আনারুল সরদার (২৫) ও ওজিয়ার দালালের ছেলে আব্দুল করিম(২৫)।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ছাত্রলীগের সভাপতি মো: আবু সাইদ জানান, আমি রাজনৈতিক কোন্দলের শিকার। মো. ওসমান থানা ছাত্রশিবিরের সাধারন সম্পাদক। আমাদের দলীয় কিছু কর্মী তাকে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে বলে আমি জানি। এর বেশি আমি আর কিছুই জানিনা। পরবর্তীতে শুনেছি আমার নামেই মামলা দায়ের হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিকুর রহমান ছাত্রলীগে সন্ত্রাসবাদের স্থান নেই মন্তব্য করে জানান, থানায় মামলা হওয়ার পর ঘটনাটি আমরা শুনেছি। বিষয়টি তদন্ত করা হবে। ঘটনার সত্যতা পেলে এ ব্যাপারে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কলারোয়া থানার ওসি মারুফ আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এই সিন্ডিকেট সদস্যদের ধরতে আমরা গোপনে অভিযান চালিয়ে মামালার আসামি মইন উদ্দীন জামান ওরফে টাইফুনকে আটক করেছি।
আদালতে সে ১৬৪ ধারায় ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। বাকি অপরাধীদের গ্রেফতার করতে বিশেষ অভিযানে নেমেছে পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা শিবিরের সভাপতি ও ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রী আটক

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা শহরে গোপন বৈঠক করার সময় জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রী সাদিয়া সুলতানাসহ ৩ জনকে আটকের কথা জানিয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এসময় সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ জিহাদী বই, লিফলেট, কাফনের কাপড় ও হ্যান্ডবিল উদ্ধার করা হয়।
সোমবার সকালে শহরের মুন্সিপাড়াস্থ জেলা জামায়াতে অফিস সংলগ্ন সানজির আহমেদ নুরের বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রী সাদিয়া সুলতানা ও সাদিয়া সুলতানার ভাই একরামুল ইসলাম।
সাতক্ষীরা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক তদন্ত শাহরিয়ার হাসান জানান, জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রী সাদিয়া সুলতানা গত চার বছর ধরে স্বামী ও স্ত্রী পরিচয়ে মুন্সিপাড়াস্থ সানজির আহমেদের বাসায় ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছিল। তারা সেখানে থেকে শহরের বিভিন্ন স্থানে জামায়াত-শিবির ও সরকার পতনের কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সকালে সেখানে ছাত্র শিবিরের গোপন বৈঠক হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ সেখানে অভিয়ান চালায়। এ সময় সেখান থেকে জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি জাহিদুল ও ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রী সাদিয়া সুলতানা ও সাদিয়ার ভাই একরামুলকে আটক করা হয়। সেখান থেকে এ সময় জিহাদী বই, লিফলেট, কাফনের কাপড় ও হ্যান্ডবিল উদ্ধার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে আটক ৫৫

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে চার মাদক মামলার আসামী ও বিএনপি-জামায়াতের ৭ কর্মীসহ ৫৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
রবিবার সন্ধ্যা থেকে সোমবার সকাল পযর্ন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু মাদক দ্রব্য।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৫ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৮ জন, তালা থানা ২ জন, কালিগঞ্জ থানা ৬ জন, শ্যামনগর থানা ১১ জন, আশাশুনি থানা ৬ জন, দেবহাটা থানা ৩ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোটা প্রায় উঠিয়ে দেওয়ার পক্ষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব

দেশের খবর: কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গঠিত কোটা পর্যালোচনা কমিটির প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানিয়েছেন, সরকারি চাকরিতে কোটা তুলে দিয়ে মেধাকে প্রাধান্য দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে কোটা পর্যালোচনায় গঠিত সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি। এখন মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিষয়ে উচ্চ আদালতের মতামত চাওয়া হবে।

আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, কোটা নিয়ে সুপারিশ প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছি। আমরা মেরিটকে প্রাধান্য দিয়ে অলমোস্ট কোটা উঠিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করব।

তিনি আরো বলেন, কোটা বাতিল, সংস্কার ও পর্যালোচনায় গঠিত ৫ সদস্যের এই কমিটি তাদের প্রাথমিক মতামত আরো বলেছে মুক্তিযোদ্ধা কোটা সম্পর্কে আদালতের অবজারভেশন চাওয়া হবে।

মুক্তিযোদ্ধা কোটা সম্পর্কে সচিব বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংরক্ষণের বিষয়ে কোর্টের আদেশ আছে, সে অনুযায়ীই তা চলবে।

পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠি সম্পর্কে জানতে চাইলে শফিউল আলম বলেন, দেশে অনগ্রসর জনগোষ্ঠী অগ্রসর হয়ে গেছে। এখন আর অনগ্রসর নাই। তাই এ ক্ষেত্রে কোটার দরকার হবে না বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

কোটা ব্যবস্থা সংস্কারে গত জুলাইতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি করা হয়। ওই কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। কমিটি গঠনের এক মাসের বেশি সময় পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব আজ এ তথ্য জানালেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১০ শর্তে পাওয়া যাবে লাইসেন্স

দেশের খবর: আদালতের আদেশে চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স কোন যোগ্যতার ভিত্তিতে দেওয়া হয়, সে বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)। ওই প্রতিবেদনে যে যোগ্যতার ভিত্তিতে পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু বা নবায়ন করা হয়, তা উল্লেখ করা হয়েছে।
বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চে রোববার বিকেলে প্রতিবেদন দাখিলের পর এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য ৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যুর ক্ষেত্রে যেসব যোগ্যতার কথা বলা হয়েছে সেগুলো হলো :

১. বাংলা অথবা ইংরেজি লিখতে এবং বলতে পারা।

২. প্রার্থীর বয়স ২০ বছর হওয়া।

৩. রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষার উপযুক্ততার মানদণ্ডে উত্তীর্ণপূর্বক শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণ করা।

৪. শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ কমপক্ষে দুই মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পর ড্রাইভিং কম্পিটেন্সি টেস্ট বোর্ডের পরিচালিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা।

৫. ড্রাইভিং কম্পিটেন্সি টেস্ট বোর্ডের পরিচালিত লিখিত, মৌখিক এবং ব্যবহারিক পরীক্ষায় কৃতকার্য হওয়া।

৬. আবেদনকারীর স্থায়ী ঠিকানার পুলিশ যাচাই প্রতিবেদন সঠিক হওয়া।

৭. রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষার উপযুক্ত মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হওয়া।

৮. কমপক্ষে তিন বছর হালকা বা মধ্যম শ্রেণির মোটরযান চালানোর অভিজ্ঞতা না থাকলে কোনো আবেদনকারী মধ্যম বা ভারী (যে ক্ষেত্রে যেটা প্রযোজ্য) মোটরযান চালানোর ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে না। তবে শর্ত থাকে যে, উপযুক্ত বলে বিবেচিত কোনো শ্রেণির লোকজনকে সরকার এই বিধির কার্যকারিতা থেকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারবে।

৯. কমপক্ষে তিন বছর হালকা বা মধ্যম শ্রেণির মোটরযান চালানোর অভিজ্ঞতা থাকা সাপেক্ষে আবেদনকারী মধ্যম বা ভারী (যে ক্ষেত্রে যেটা প্রযোজ্য) মোটরযান চালানোর ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে পূর্বানুরূপে সংশ্লিষ্ট শ্রেণির শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণ করা এবং এর মেয়াদ কমপক্ষে দুই মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পর ড্রাইভিং কম্পিটেন্সি টেস্ট বোর্ডের পরীক্ষায় কৃতকার্য হওয়া।

১০. পরিবহন যানের চালকদের আঞ্চলিক পরিবহন কমিটি (আরটিসি) থেকে ইস্যুকৃত পাবলিক সার্ভিস ভেহিকল অথরাইজেশন (পিএসভি) প্রাপ্ত হওয়া।

নবায়ন

১. মোটরযান পরিদর্শকের ফিল্ড টেস্টে কৃতকার্য হওয়া।

২. প্রার্থীদের রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় (উপযুক্ততার মানদণ্ডে) উত্তীর্ণ হওয়া।

আদালতে জাবালে নূর পরিবহনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী পঙ্কজ কুমার কুণ্ডু। বিআরটিএর পক্ষে ছিলেন রফিকুল ইসলাম। রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন আবেদনকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

এর আগে ৩০ জুলাই এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট দুই শিক্ষার্থীর পরিবারকে আপাতত পাঁচ লাখ টাকা করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে রুল জারি করেন।

এ ছাড়া চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স কোন যোগ্যতার ভিত্তি দেওয়া হয় এবং সড়কে চলাচলকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ কী পদক্ষেপ নিয়েছে, সে বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দাখিল করতে বিআরটিএকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতিবেশীরা পিটিয়ে মারল গৃহবধূকে

অনলাইন ডেস্ক: বাঁশ কাটা নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিবেশীর বেধড়ক মারধরে শিউলী আক্তার লতা (৩০) নামে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন।
রোববার রাতে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া গ্রামের ইউনুস মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গৃহবধূ লতাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত প্রতিবেশী ময়েজ উদ্দিনের স্ত্রী হেলেনা আক্তার, ছেলে মাহফুজ ও মেয়ে কাকলী আক্তারকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত গৃহবধূর ভাসুর স্থানীয় ইউপি সদস্য মোতালিব মোল্লা জানান, লতাদের সীমানা থেকে প্রতিবেশী ময়েজ উদ্দিন একটি বাঁশ কেটে ফেলেন। এ সময় বাড়িতে অন্য কেউ না থাকায় লতা প্রতিবেশী ময়েজ উদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে এর প্রতিবাদ করেন।
এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ময়েজ উদ্দিন (৫০), তার স্ত্রী হেলেনা আক্তার (৪৫), ছেলে মাহফুজ (২২) ও মেয়ে কাকলী আক্তার (২৫) লাটিসোটা নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা এলোপাথাড়ি পিটিয়ে লতাকে গুরুতর আহত করে।
খবর পেয়ে বাড়ির লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রোববার সন্ধ্যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্বামী ছাত্তার মোল্লা প্রায় ১৫ বছর ধরে দুবাই প্রবাসী। দুই বছর আগে তিনি ছুটিতে দেশে এসেছিলেন। তাদের রিফাত নামে মাদরাসা পড়ুয়া ১২ বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।
কাপাসিয়া থানার ওসি (অপারেশন) মনিরুজ্জামান খান জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ময়েজ উদ্দিনের স্ত্রী হেলেনা আক্তার, ছেলে মাহফুজ ও কাকলী আক্তারকে আটক করা হয়েছে। নিহতের ভাসুর মোতালিব বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest