সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনসাতক্ষীরায় পুকুরের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যুমানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলাআদালতে মামলা করার ৭ মাস পর সাতক্ষীরার ফিংড়িতে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগদেবহাটায় ৩০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারসাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বিজ্ঞান মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিতবাক্‌স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চরিত্রহনন ও ইয়েলো জার্নালিজম নিয়ন্ত্রণও জরুরি: সাতক্ষীরায় আইনমন্ত্রীআইনমন্ত্রীর সাথে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃত্বের সৌজন্য সাক্ষাৎতালায় বিএনপি নেতার বসতবাড়িতে হামলা-ভাংচুর ও লুটপাট: সংবাদ সম্মেলন

যে ৭ কারণে ফল বা সবজির রস খাওয়া দরকার

সুস্থ থাকতে, ওজন কমাতে অনেকেই ফল, সবজির রস খেলেও নিউট্রিশনিস্টরা জুস খাওয়ার ব্যাপারে বিশেষ উত্সাহ দেন না। কারণ, জুস করলে খাবারের ফাইবার নষ্ট হয়ে যায়।
তবে জুস মানেই কিন্তু খারাপ নয়, জুস খাওয়ার রয়েছে প্রচুর উপকারিতাও।

১। হজম: জুস করলে ফল, সবজির ফাইবার বেরিয়ে যায়। তাই তাড়াতাড়ি শোষিত হয় ও হজমও হয় তাড়াতাড়ি।

২। বেশি ফল ও সবজি: নিউট্রিশনিস্টরা দিনে অন্তত ৫-৬ রকমের ফল, সবজি খাওয়ার কথা বলে থাকেন। এত রকম ফল, সবজি এক দিনে খাওয়া সম্ভব হয় না। জুস করে খেলে যা সম্ভব।

৩। ডিটক্স: কোনও অনুষ্ঠানে ভারী খাওয়া দাওয়ার পর পাচনতন্ত্রের যখন বিশ্রামের প্রয়োজন হয় তখন ডিটক্স করার জন্য জুস খুবই উপকারি।

৪। ত্বক: জুস পুষ্টিগুণের কারণে ত্বকে ঔজ্জ্বল্য আনতে সাহায্য করে। আবার ভাজাভুজি, ফ্যাট জাতীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতাও কমায়। ফলে ত্বক ভাল থাকে।

৫। স্ট্যামিনা: বিটরুট জুসের মতো বেশ কিছু জুস রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে, রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়িয়ে স্ট্যামিনা বাড়াতে সাহায্য করে। এই জুস অ্যাথলিটদের জন্য খুবই উপকারি।

৬। অনেক প্রকার সব্জি: জুস খেলে অনেক রকম সবজি রাখা যায় ডায়েটে। যে সবজি হয়তো রান্না করেন না বা স্যালাডে খান না, সেই সবও জুস করে খেতে পারেন।

৭। পুষ্টিগুণ: সবজির জুস খাওয়ার ভাল দিক হল এতে সবজির মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বজায় থাকে। রান্না করলে বা গরম করলে যা নষ্ট হয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাকে হত্যা করে চাটনি দিয়ে মায়ের ‘হৃদপিণ্ড’ খেল ছেলে!

মাকে হত্যা করে হৃদপিণ্ড বার করে খেয়ে ফেলল ছেলে। গত সোমবার বিকেলে এই নারকীয় ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মহারাষ্ট্রের কোলাপুরে।
সুনীল কুছাকুর্ণী নামে ২৭ বছরের সেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশি জেরায় নিজের দোষ স্বীকার করেছে সে।

শাহুপুরি পুলিশের এক সিনিয়ন ইন্সপেক্টর মিড-ডে’কে জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যায় মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফেরেন সেই অভিযুক্ত। তখন বাড়িতে ছিলেন না সুনীলের মা ৬৫ বছরের ইলাভা। খুব ক্ষুধা পাওয়ায় প্রতিবেশী একজনের বাড়িতে খাবার চাইতে যান সুনীল। কিন্তু, মদ্যপ সুনীলকে খাবার দিতে চাননি ওই প্রতিবেশী। তার পর ফিরে এসে বাড়ির সামনেই বসেছিলেন অভিযুক্ত।

বেশ কিছু সময় বাদে তার মা বাড়িতে ফেরেন। তখনই তাকে মারধর শুরু করে ছেলে। তার প্রচণ্ড মারে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ইলাভা দেবীর। তাতেও রাগ কমেনি ছেলের। এর পর মায়ের দেহ চিরে হৃদপিণ্ড বার করে আনে সে। মায়ের রান্না করা রাখা চাটনি দিয়ে সেই হৃদপিণ্ড খান সুনীল। সঙ্গে ছিল পাঁপড়ও।

মাকে মারধরের সময়ই পুলিশে খবর দিয়েছিলেন প্রতিবেশীরা। পুলিশ এসে যখন সুনীলকে গ্রেফতার করে, তখন তার গোটা শরীর রক্তের ছাপ। পাশে পড়ে রয়েছে মায়ের নিথর দেহ।

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, স্থানীয় এক ঠিকাদারি সংস্থায় কাজ করেন সুনীল। প্রতি দিনই মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরে মাকে মারধর করতেন। তার অত্যাচারে মাস ছয়েক আগে তিন সন্তানকে নিয়ে মুম্বাইয়ে বাপের বাড়িতে চলে যান স্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডেল স্টেনকে দলে নিল শাহরুখের নাইট রাইডার্স

মাত্র কিছুদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের বোলিংয়ের ভিডিও পোস্ট করে ডেল স্টেন লিখেছিলেন যে, খুব শীঘ্রই তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছেন। প্রায় ৯ মাস মাঠের বাইরে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই ফাস্ট বোলার।

সেই ডেল স্টেইনকে এবার নিজেদের দলে নিল কেপ টাউন নাইট রাইডার্স। যে দলের মালিক বলিউডের বাদশা শাহরুখ খান। ভারতে ডেল স্টেন এতদিন ধরে আইপিএলে খেললেও কখনও, শাহরুখ খানের কলকাতা নাইট রাইডার্সে খেলেননি।

নিজের দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা যখন ঢেলে নিজেদের ক্রিকেট প্রতিযোগিতা সাজাচ্ছে, সেখানে ডেস্ট স্টেন যোগ দিলেন শাহরুখের দলেই। সব ঠিক চললে আগামী ৩ নভেম্বর কেপটাউন নাইট রাইডার্সের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার টি২০ গ্লোবাল লিগে খেলতে নামবেন স্টেন।

সেদিনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে একদিকে থাকবেন ডেল স্টেন, ক্রিস গেইল এবং জেপি ডুমিনির মতো তারকারা। আর তাদের উল্টোদিকে থাকবেন, এবি ডিভিলিয়ার্স, মর্নি মর্কেল এবং ডোয়েন ব্র্যাভোদের মতো তারকারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে জেলা শিক্ষা অফিসারকে সংবর্ধনা

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনিতে নবাগত জেলা শিক্ষা অফিসার এস এম ছায়েদুর রহমানকে সংবর্ধনা এবং মাধ্যমিক শিক্ষার মনোন্নয়নের লক্ষ্যে মতবিনিময় ও অবসর ভাতা প্রদান অনুষ্ঠান করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে এতিম ছেলেমেয়েদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির আয়োজনে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নবাগত জেলা শিক্ষা অফিসার এস এম ছায়েদুর রহমান। শিক্ষক সমিতির সভাপতি নীলকণ্ঠ সোমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার অলোক কুমার তরফদার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বাকী বিল্লাহ ও একাডেমীক সুপারভাইজার হাসানুজ্জামান। প্রধান শিক্ষক এএসএম মোস্তাফিজুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, প্রধান শিক্ষক অরুন কুমার গাইন, এস এম আবু ছাদেক, পরিমল কুমার দাশ, কামরুন নাহার কচি ও অবঃ শিক্ষক রমেশ চন্দ্র সরকার। অনুষ্ঠানে ১৯ জন অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীকে সমিতির নিজস্ব তহবিল হতে ৭ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকার অবসর ভাতা প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে পুষ্টি বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপ্তি

কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জ মাঠ পর্যায়ে সেবাদানকারীদের পুষ্টি বিষয়ক মৌলিক প্রশিক্ষনের সমাপনি অনুষ্ঠান মঙ্গলবার দুপুর ১ টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের আয়োজনে ও নবযাত্রা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সহযোগিতায় ৬ টি ব্যাচের প্রশিক্ষণের সমাপনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান। পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুস সেলিমের সভাপতিত্বে নবযাত্রা প্রকল্পের মিনহাজ উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু প্রমুখ। ২৪ জুলাই থেকে ২৯ আগষ্ট পর্যন্ত ৬ টি ব্যাচে মোট ১৪৯ জন স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী পরিদর্শক, স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা, পরিবার কল্যাণ সহকারী, উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার ও পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শকদের পুষ্টি বিষয়ক মৌলিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এর পূর্বে সপ্তাহ ব্যাপি প্রশিক্ষণের উদ্বোধন ঘোষণা করেন পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক রওশনারা জামান। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান, স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা: শেখ আকছেদুর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুর সেলিম, ডা: ফয়সাল আহম্মেদ, নবযাত্রা ওয়াল্ড ভিশনের ফির্ল্ড কো-অডিনেটর আশিষ কুমার হালদার প্রমুখ। উপজেলার ১২ ইউনিয়নে ২৪ কেন্দ্রে মা ও শিশু স্বাস্থ্য সচেতনতা বাস্তবায়নে নাটক প্রদর্শন চলছে। যা সচেতনতা বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে উন্নয়নের শিক্ষা বৃত্তির টাকা বিতরণ

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনিতে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউ-েশনের সহযোগিতায় এবং উন্নয়ন সংস্থার আয়োজনে অতিদরিদ্র কার্যক্রমভুক্ত সদস্যর মেধাবী সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি ২০১৫ এবং ২০১৬ প্রদান করা হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার আশাশুনি সদর ইউপি চেয়ারম্যান এর কার্যালয়ে ও শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান এর কার্যালয়ে পৃথক দুটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আশাশুনি সদরে বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আশাশুনি ইউপি চেয়ারম্যান, স ম সেলিম রেজা মিলন। সভাপতিত্ব করেন উন্নয়ন সংস্থার সমৃদ্ধি কর্মসূচি সমন্বয়কারী আশাশুনি ইউনিয়ন, মো: তারিকুর রহমান। অন্যদের মধ্যে আশাশুনি ইউনিয়নের শাখা ব্যবস্থাপক অতীশ দিপঙ্কর মন্ডল, সহকারী হিসাবরক্ষক তাপসী তরফদার, সমৃদ্বি স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইকবাল কবির, সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা জাবের হোসেন, মাঠকর্মী মিজান, করিম, শঙ্কর, রাজ্জাক, হানিফ এবং স্থানীয় মেম্বারগণ ও গুণীব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এসময় ছয় জন মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের প্রত্যেকের হাতে বার হাজার টাকা করে সর্বমোট বাহাত্তর হাজার টাকার চেক তুলে দেন। শোভনালীতে পৃথক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান প্রফেসর ম. মোনায়েম হোসেন। সভাপতিত্ব করেন উন্নয়ন সংস্থার সমৃদ্ধি কর্মসূচি সমন্বয়কারী আশাশুনি ইউনিয়ন তারিকুর রহমান। অন্যদের মধ্যে শোভনালী ইউনিয়নের শাখা ব্যবস্থাপক মো: আরাফাতুর রহমান, সহকারী হিসাবরক্ষক সাজ্জাদ হোসেন, মাঠকর্মী মিজান, করিম, শঙ্কর, রাজ্জাক, হানিফ এবং স্থানীয় মেম্বারগণ ও গুণীব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে এগার জন মেধাবী ছাত্র ছাত্রীর প্রত্যেকের হাতে বার হাজার টাকা করে সর্বমোট এক লক্ষ বত্রিশ হাজার টাকার চেক তুলে দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক সমিতিতে চলছে তুঘলকি কাণ্ড!

এম. বেলাল হোসাইন : গ্রাহকদের কাছ থেকে অধিক অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে সাতক্ষীরা সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক সমিতি নেতবৃন্দের বিরুদ্ধে। এছাড়া সমিতির অর্থ তছরুপসহ নানা অভিযোগ রয়েছেই। এসব ঘটনায় ইতোমধ্যে অবশ্য দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দের ব্যাপক অনিয়ম আর দুর্নীতির অভিযোগে ৬ জন্য সাধারণ সদস্য পদত্যাগও করেছেন। সূত্রে জানাগেছে, জমি রেজিস্ট্রি করতে প্রতি লাখে ইউনিয়নে হলে খরচ ৯ হাজার টাকা ও পৌরসভার মধ্যে হলে খরচ হয় ১১ হাজার টাকা। সেখানে দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দ ইউনিয়ন পরিষদের জমি রেজিস্ট্রি করতে নেয় সাড়ে ১১ হাজার টাকা আর পৌরসভার মধ্যে রেজিস্ট্রি করতে নেয় সাড়ে ১৩ হাজার টাকা। একটি সার্টিফাই কপি তুলতে খরচ হয় ৪৫০ টাকা। কিন্তু গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া হয় ১৫ থেকে ১৭ শত টাকা। এসব অতিরিক্ত টাকা সমিতিতে জমা না দিয়ে কিছু প্রভাবশালী দলিল লেখকরা নিজেদের পকেটে ভরেন। গ্রাম থেকে আসা দূর্বল প্রকৃতির দলিল লেখকরা বঞ্চিত হন। অসহায় দলিল লেখকের মাথায় ভর করে দলিল লেখক সমিতির কতিপয় কর্মকর্তা আজ লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক হয়েছে বলে জানিয়েছেন সমিতির কতিপয় সদস্যরা। সমিতির বাইরে থাকা কিছু দলিল লেখক দলিল করতে গেলে সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দলিল গ্রহিতা এবং দাতাদের সামনে অশ্লীল ভাষা গালিগালাজ করেন। পরবর্তীতে উক্ত দলিল লেখকের কাছে দাতা গ্রহিতা তো দূরের কথা কেউ কোন কাজের জন্য আসতে চায় না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সদস্য জানান, দলিল লেখক সমিতি কতিপয় কর্মকর্তার হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে। তারা ইচ্ছেমত নিজ স্বার্থে সমিতিকে ব্যবহার করছেন। সমিতি রেজিস্ট্রিশনকৃত হলেও আজও পর্যন্ত সমিতির নামে সমবায় অফিসে কোন একাউন্ট খোলা হয়নি। এ পর্যন্ত অডিট ও জমা দেননি তারা। এছাড়া সমিতির বর্তমান সভাপতি কুদ্দুস ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি সমিতিকে ব্যবহার করেন নিজ স্বার্থে এবং সমিতির অনেক অর্থ তারা তছরুপও করেছেন তারা। বিশেষ করে সমিতির সভাপতি কুদ্দুস সাহেব ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি ৪লক্ষ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাথ করেন। তবে তা থেকে মাত্র ১ লক্ষ টাকা সমিতির গত ২২ আগস্ট মিটিংয়ের রেজুলেশনের মাধ্যমে ফিরিয়ে দিতে সম্মত হয়েছেন তারা। আর ৩ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা মাফ করে দেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে বার বার পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিতহ হলে সাব রেজিস্ট্রার ও জেলা রেজিস্ট্রার সমিতির কর্মকর্তাদের সতর্ক করলে তারা সাব রেজিস্ট্রার ও জেলা রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন হয়রানির ভয় দেখিয়ে তাদের জিম্মি করে রাখা হয়। সম্প্রতি একটি মারামারির ঘটনায় সমিতিতে ১ লক্ষ ৬১ হাজার টাকা খরচ দেখানো হয়েছে এবং তার মধ্যে থেকে বর্তমান ২জন কাউন্সিলরের নামেও খরচ দেখানো হয়েছে। সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এসব ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং ৫ জন পদত্যাগ করার পর দলিল লেখক সমিতির নাসির, ইসতিয়াক ও মনি সকলের কাছে মাফ চেয়ে পুনরায় সকলকে সংগঠিত করার চেষ্টা করছেন।
অপরদিকে সমিতির নামে কালেকশনগুলো করে থাকেন সমিতির উপদেষ্টা আবুল কাসেম। তিনি দলিল প্রতি ১০০ টাকা দীর্ঘ ৮ বছর যাবত এই কালেকশনের দায়িত্ব পালন করেন। এ থেকে তিনি ১৬ সালের ফেব্রয়ারী থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১৮ থেকে ১৯ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেছেন বলে জানিয়েছেন একটি সূত্র।
এছাড়া দলিলের কালেকশন করে থাকেন কাশেমেরই সহকারী সাচ্চু। তিনি শুধু কালেকশনই নয় তিনি শহরের বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজও করে থাকেন। যাতে তাদের এই নিরব চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে না পারেন। এছাড়া নকল তুলতে গেলে নকল নবিস সমিতির সভাপতি সুমন নামের এক ব্যক্তির হাতে টাকা না পৌছানো পর্যন্ত নকল তোলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন রেজিস্ট্রি অফিসের একটি গোপন সূত্র।
এব্যাপারে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি কুদ্দুসের এর সাথে মঙ্গলবার রাত ৮.৪৫ মিনিটের সময় যোগাযোগ করলে টাকা আত্মসাতের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমাদের মধ্যে কিছু লোক রয়েছে যারা সমিতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন কথাবার্তা ছাড়া। আর বিস্তারিত জানতে তার সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য বলেন।
সমিতির উপদেষ্টা আবুল কাশেমের সাথে রাত ৯টার দিকে যোগযোগ করলে তিনি বলেন, আমি দীর্ঘ ৪ বছর যাবত হার্টের সমস্যায় রয়েছি। সুতরাং এধরনের টাকা পয়সায় বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। সভাপতির টাকা আত্মসাতের বিষয়ে তিনি বলেন, ৫ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাত করেছেন এটা সঠিক নয়। তিনি কোন আত্মসাত করেননি। কিন্তু তিনি ১ লক্ষ ৭২ হাজার টাকার হিসাব দিতে পারছিলেন না। তবে যেহেতু সকলের টাকা তাই তিনি ১লক্ষ টাকা দিতে সম্মত হয়েছেন। তিনিও অফিসে চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছেন। নকল নবিস সুমনের ব্যবহৃত ০১৭১৭ ১৪৯৪৯৮০২ নাম্বারে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় ২টি ক্লিনিককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

কলারোয়া অফিস : কলারোয়ায় দুটি ক্লিনিকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। উপজেলার কাজীরহাট এলাকার দুটি বেসরকারি ক্লিনিকে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। জানাগেছে- কাজীরহাটের জননী ক্লিনিক ও রহিমান নার্সিং হোমে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ১৫হাজার টাকা করে তাৎক্ষনিক জরিমানা আদায় করা হয়। মেয়াদোত্তীর্ন কাগজপত্র, ডিপ্লোমা নার্স না থাকা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না থাকা, ডিগ্রিধারী প্যাথলোজিস্ট না থাকা, নিয়মিত এমবিবিএস ডাক্তার না থাকাসহ অন্যান্য কারণে ওই জরিমানা করা হয়। তাদেরকে আগামি ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে কাগজপত্র ও সার্বিক অন্যান্য বিষয়গুলো সমাধান নিশ্চিত করার শর্ত দেয়া হয় বলে জানা গেছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সাতক্ষীরার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাসরিকা জাহান। এসময় তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. ইকবাল মাহমুদসহ অন্যরা। এদিকে, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কর্মকর্তা চলে যাওয়ার ১৫মিনিট পরেই অজ্ঞানের ডাক্তার ছাড়াই রহিমা নার্সিং হোমে দুটি অপারেশন করার সময় স্থানীয় মানুষের বাধার মুখে তা বন্ধ হয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest