এশিয়া কাপে বাংলাদেশের গ্রুপে ভারত-পাকিস্তান

আগামী অক্টোবরে বাংলাদেশে বসছে এশিয়া কাপ হকি টুর্নামেন্ট। আট জাতির এই টুর্নামেন্টের কঠিন গ্রুপে পড়েছে বাংলাদেশ। ভারত, পাকিস্তান ও জাপানের মতো দল স্বাগতিকদের গ্রুপে রয়েছে। তাদের মোকাবিলা করেই পরের পর্বে ওঠা লাল-সবুজের দলের জন্য কঠিনই বটে।

আগামী ১১ থেকে ২২ অক্টোবর আসরটি বসছে মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে। আসরের ‘এ’ গ্রুপে পড়েছে বাংলোদেশ। উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিকরা মুখোমুখি হবে শক্তিশালী পাকিস্তানের।

এরপর ১৩ অক্টোবর দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত। গ্রুপের তৃতীয় শেষ ম্যাচে স্বাগতিকরা লড়বে জাপানের সঙ্গে। ২২ অক্টোবর আসরের ফাইনাল ম্যাচ। অবশ্য বেশ কয়েকটি স্থান নির্ধারণী ম্যাচও হবে এই সময়ে।

টুর্নামেন্টের টাইটেল স্পন্সর হয়েছে ভারতের হিরো মটোকর্প। তাই আসরটির নাম হচ্ছে ‘হিরো এশিয়া কাপ’।

এশিয়া কাপের আট দল : বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, জাপান (‘এ’ গ্রুপ)। মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ও ওমান (‘বি’ গ্রুপ)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজক কাতার। আর এই বিশ্বকাপে চমক দেখাতে চায় দেশটি। সে লক্ষ্যেই এখন চলছে নতুন একটি স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ।

তবে আর ১০টি সাধারণ স্টেডিয়ামের মতো দেখতে হবে না এটি। আরবের নাগরিকদের ঐতিহ্যবাহী হাতে বোনা টুপি ‘গাহফিয়া’র আদলে তৈরি করা হচ্ছে স্টেডিয়ামটি।

গতকাল রোববার কাতারের বিশ্বকাপ আয়োজক কমিটির প্রধান হাসান আল-থাওয়াহাদি জানিয়েছেন, সৌদি জোটের অবরোধের মধ্যেই বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজনের সব ধরনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।

ইরানের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং জঙ্গি সংগঠনগুলোকে সমর্থন, অর্থায়ন ও লালন-পালনের অভিযোগে গত ৫ জুন কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরব। তবে এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে দোহা।

অবরোধের কারণে স্থলপথে কোনো পণ্য আমদানি করতে না পারলেও সমুদ্র ও আকাশপথে ইরান, তুরস্ক ও ওমানের কাছ থেকে খাদ্য এবং বিশ্বকাপের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানি করছে কাতার। এই বিশ্বকাপ আয়োজনকেই বিশ্বব্যাপী নিজেদের পরিচিত করার কৌশল হিসেবে গ্রহণ করেছে দেশটি।

মিডল ইস্ট মনিটর জানিয়েছে, টুপির আদলে দোহার আল থুমামা স্টেডিয়ামটির নকশা করেছেন একজন কাতারি স্থাপত্যকার। ঐতিহ্যবাহী টুপি ‘গাহফিয়া’র আকৃতির এই বিশ্বকাপের একটি কোয়ার্টার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। মোট ৪০ হাজার দর্শক মাঠে বসে খেলা দেখতে পারবেন।

হাসান আল-থাওয়াহাদি বলেন, এই নকশা আরব ও মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হবে। মধ্যপ্রাচ্যে প্রথম বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য শ্রদ্ধাও জানানো হবে এই নকশার মধ্য দিয়ে।

২০২২ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনে কাতার আটটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্টেডিয়াম নির্মাণ, নতুন বন্দর এবং ৩৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে মেট্রোরেল চালুসহ নানা ধরনের নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করছে। এসব অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে দেশটির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৭৫ শতাংশ পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনে ঘুষ নিচ্ছে পুলিশ

পাসপোর্ট তৈরিতে ভেরিফিকেশনের সময় শতকরা ৭৫ দশমিক ৩ জন গ্রাহকের কাছ থেকে এসবি (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) পুলিশ ঘুষ বা নিয়ম-বহির্ভুত অর্থ নিচ্ছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি)। তাদের এক গবেষণায় এ তথ্য ওঠে এসেছে।
সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

এসময় বলা হয়, পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে ঘুষ বা নিয়ম-বহির্ভুত অর্থ হিসেবে গড়ে একজন সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে ৭৯৭ টাকা আদায় করে।

বিস্তারিত আসছে…

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফের উ. কোরিয়ার নাকের ডগায় সামরিক মহড়া চালাল যুক্তরাষ্ট্র!

উত্তর কোরিয়াকে চাপে রাখতে ফের পিয়ংইয়ংয়ের নাকের ডগায় সামরিক মহড়া চালাল যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া।

স্বাভাবিকভাবেই এ ধরনের পদক্ষেপে ক্ষেপে গিয়ে যা কিছু একটা করার চেষ্টা করে থাকে উত্তর কোরিয়া।
এবার তারা কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখাবে? আবার কি পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাবে নাকি অন্য কিছু করে দেখাবে?

উত্তর কোরিয়ার ওপর জাতিসংঘের নতুন নিষেধাজ্ঞার জবাবে প্রশান্ত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের গুয়াম দ্বীপের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর হুমকি দেয় দেশটি। কিন্তু গত সপ্তাহে হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করেন কিম জং-উন। কিন্তু তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আচরণের ওপর নজর রাখছেন তারা।

যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার বাৎসরিক সামরিক মহড়া বন্ধের জন্য উত্তর কোরিয়া আহ্বান জানানোর পরও তা স্থগিত না করায় নিন্দা জানিয়েছে কিম জং-উনের প্রশাসন। ওয়াশিংটনের দাবি, ধরনের দিক থেকে এটি আত্মরক্ষামূলক সামরিক মহড়া। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার দাবি, এটি তাদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালানোর প্রস্তুতিমূলক মহড়া।

সম্প্রতি চীন ও রাশিয়া বলেছে, উত্তর কোরিয়ার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা বন্ধের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক মহড়া বন্ধ রাখতে হবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ জোসেফ ডানফোর্ড বলেছেন, যেকোনো পর্যায়ে সমঝোতার জন্য তাদের সামরিক মহড়া বন্ধের পরিকল্পনা নেই।

রোববার উত্তর কোরীয় সরকারের সংবাদপত্র রোডোং সিনমুনের এক সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, ‘এই মহড়া কোরীয় উপদ্বীপের পরিস্থিতি আরো খারাপ পর্যায়ে নিয়ে যাবে এবং এমন এক পরমাণু যুদ্ধ বাঁধিয়ে দেবে, যা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। ’

যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া প্রতিবছর দুইবার যৌথ সামরিক মহড়া চালায়। ব্যাপকসংখ্যক সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম থাকে মহড়া দুটিতে।

প্রতি বসন্তে কয়েক সপ্তাহ ধরে ‘ফোয়াল ইগল/কি রিজলভ’ শীর্ষক সামরিক মহড়া হয়ে থাকে। আর হেমন্তে কয়েক দিন ধরে ‘উলচি-ফ্রিডম গার্ডিয়ান’ নামে সামরিক মহড়া হয়ে থাকে। এবার সোমবার থেকে আগামী ১০ দিন ধরে স্থল, জল ও আকাশে এ মহড়া চলবে। এ ছাড়া সন্ত্রাসী হামলা মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়েও মহড়া হবে।

উলচি-ফ্রিডম গার্ডিয়ান সামরিক মহড়ায় দক্ষিণ কোরিয়া ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন করে থাকে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ হাজার ৩০ হাজার সেনা এতে অংশ নেয়। কোনো কোনোবার অন্য মিত্রদেরও এ মহড়ায় ডাকা হয়। গত বছর এ মহড়ায় অংশ নেয় যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ডেনমার্ক, ফিলিপাইনসহ নয়টি দেশের সেনারা।

দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭৬ সাল থেকে উলচি-ফ্রিডম গার্ডিয়ান নামে যৌথ সামরিক মহড়া চালিয়ে আসছে। কোরিয়ার সপ্তম শতকের সামরিক নেতা ‍উলচি মুনডেয়কের নামে এ মহড়ার নামকরণ করা হয়েছে। ওই শতকে চীনের একটি আগ্রাসন প্রতিহত করেছিলেন উলচি।

বছরের প্রথম দিকে ফোয়াল ইগল-কি রিজলভ মহড়ার সময় উত্তর কোরিয়া পরমাণু যুদ্ধের হুমকি দিলেও শেষ পর্যন্ত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মধ্য দিয়ে তাদের হুমকি শেষ হয়। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ১৯৫৩ সালে সামরিক চুক্তির আওতায় প্রতিরক্ষামূলক এই মহড়া করে থাকে তারা।

২০১৫ সালে উলচি-ফ্রিডম গার্ডিয়ান মহড়ার পর সীমান্তে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার সেনারা গোলাগুলিতে লিপ্ত হয়। সেবার কোনো প্রাণহানি হয়নি। তবে এ ধরনের কোনো মহাড় মানতে নারাজ পিয়ংইয়ং। তা ছাড়া এবার এমন সময় এ মহড়া হচ্ছে, যখন তাদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এখন দেখার বিষয়, উত্তর কোরিয়া শেষ পর্যন্ত কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কমল হাসান কন্যা শ্রুতি হাসানের অশ্লীল ছবি ফাঁস!

কমল হাসানের কন্যা শ্রুতি হাসান৷ সিনেপর্দায় তার ইমেজটা বেশ দুষ্টু-মিষ্টি৷ কিন্তু আইটেম নাম্বারে নাচতে এসে সেই পুরানো ইমেজে পড়ল, নতুন ছাপ৷ তামিল ছবি ‘ইয়েবাড়ু’র জন্য একটি আইটেম গানে অংশ নেন শ্রুতি৷ অশ্লীলতার কারণে সেই আইটেম নাম্বারে পড়ে সেন্সরের কাঁচি৷ কিন্তু সেই ছবিই রাতারাতি ছড়িয়ে পড়ে ইন্টারেনেটে৷

রামচন্দ্র তেজা ও এমি জ্যাকশন অভিনিত এই ছবি বক্স অফিসে ঢাহা ফেল করলেও, শ্রুতির এই আইটেম নাম্বার হয়েছিল হিট৷ কিন্তু সেন্সরের কারণে ছবি থেকে গানটি সরিয়ে নিতে বাধ্য হলে, ছবির ব্যবসায় আর হ্রাস পড়ে৷ শেষমেশ ছবির ব্যবসাকে উসকে দিতে প্রযোজকের তুরুপের তাস হয়ে উঠেছে শ্রুতির ছবি? উত্তর পাওয়া যায়নি এই প্রশ্নের৷ ছবি নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ শ্রুতি হাসানও৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্যাটকো মামলা চলবে

গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বৈধতা নিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এর ফলে বিচারিক আদালতে মামলাটি চলতে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আজ সোমবার সকালে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ আপিল খারিজ করেন।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।

গতকাল রোববার এ মামলার শুনানি শেষে রায়ের দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।

২০১৬ সালের ১০ মে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন খারিজ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

২০১৫ সালের ৫ আগস্ট গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান ও বিচারপতি আবদুর রবের বেঞ্চ। একই সঙ্গে আদেশের অনুলিপি বিচারিক আদালতে পৌঁছানোর দুই মাসের মধ্যে খালেদা জিয়াকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়।

২০১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ পায়। এরপর ৫ এপ্রিল বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানান খালেদা জিয়া। পরে তিনি জামিন পান।

অভিযোগপত্র দাখিলের পর মামলাটি বর্তমানে ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে এখন অভিযোগ গঠন পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান ব্যারিস্টার খোকন।

সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় খালেদার বিরুদ্ধে গ্যাটকোসহ তিনটি মামলা হয়। আদালতের স্থগিতাদেশে আটকে যাওয়ার দীর্ঘদিন পর মামলাগুলো সচল করার উদ্যোগ নেয় দুদক।

খালেদা জিয়া, তাঁর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা দায়ের করেন দুদকের উপপরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকার ক্ষতি করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘুমানোর অন্তত: তিন ঘন্টা আগে রাতের খাবার খান

আমাকে একটি ফিটনেস টিপস দিতে বললে আমি প্রথমেই কি টিপস দেই জানেন? পরামর্শ দেই যে: রাতের খাবার ঘুমানোর অন্তত: তিন ঘন্টা আগে খাবেন|

আমরা বাঙালিরা সাধারণতঃ ঘুমাতে যাবার আগে, রাত ১০-১১ টায় রাতের খাবার খেয়ে অভ্যস্ত| তাই না? রাতের খাবার খেয়েই আমরা দেই ঘুম| কোনো নড়া চড়া নেই, কেউ আবার খেয়েই শুয়ে শুয়ে রাত জেগে টিভি দেখে, কম্পিউটারে কাজ করে|এতে কোনো শারীরিক কাজ কর্ম কিন্তু হয় না|এটা যে কত খারাপ তা বলার অপেক্ষা রাখে না|গবেষনায় দেখা গেছে, রাতে দেরি করে খেলে হার্টের সমস্যা,ওজনাধিক্য,ডায়বেটিসের সমস্যা দেখা দেয়|

বাইরের দেশগুলোতে কিন্তু এর উল্টোটি দেখা যায়| ওখানে রাতের খাবার ৭ টার মধ্যে খাওয়া হয়|অনেকে দিনের আলো থাকতেই রাতের খাবার শেষ করে|তাইতো ওরা এতো ফিট ও কর্মঠ|

রাতের কেন খাবার তাড়াতাড়ি খাবেন?

ভরা পেটে খেয়েই শুয়ে পড়লে বা রাতের খাবার দেরি করে খেলে এর পরে আমাদের আর কোনো শরীরক কাজ হয় না| ফলে খাবারের ক্যালোরি আমাদের শরীরে ফ্যাট হিসাবে জমা হয়| খাবারগুলোও ঠিক মতো হজম হয় না|ফলে ওজন বেড়ে যেতে পারে|
কিন্তু আপনি যদি ঘুমানোর অন্তত: তিন ঘন্টা আগে খাবার খান, তাহলে ঠিক মতো খাবার হজম হবে| কারণ আপনার কাজের মাধ্যমেই খাবার সঠিক ভাবে হজম হবে ঘুমানোর আগেই| আর ভারি খাবার হজম হতে অন্তত: তিন ঘন্টা তো লাগেই|
ভাবছেন রাতে ঘুমানোর তিন ঘন্টা আগে খেলে রাতে ক্ষুধা পাবে, ফলে ঘুমাতে পারবেন না? কিন্তু তা নয়| একটু ক্ষুধা ভাব আপনার শরীরকে ফ্যাট ক্ষয় করার প্রক্রিয়ায় নিয়ে যাবে, শরীরের সঞ্চিত ফ্যাট বার্ন হবে, ওজন কমবে| সকালে ক্ষুধা লাগবে, ফলে আপনি সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠতে পারবেন|ভালো মতো নাস্তা করে কাজে যেতে পারবেন|এই প্রক্রিয়াকে বলে রাতে রোজা রাখা| ওজন ঠিক রাখতে বা কমাতে, রাতে নাহয় রোজা রাখলেন|
এই হেলদি লাইফস্টাইলের অভ্যাস করলে আমাদের দেহের পরিপাকতন্ত্রের বিশ্রামও হয়। কারণ, সারাদিন খাবার হজম করতে পরিপাকতন্ত্র অনেক পরিশ্রম করে। রাতের তাড়াতাড়ি খাবার খাওয়া শেষ করলে পরিপাকতন্ত্রকে বিশ্রাম করার সুযোগ দেয়া যায়।
রাতের খাবার ঘুমানোর তিন ঘন্টা আগে খেলে রাতে পরিপাকতন্ত্র যেহেতু বিশ্রামের সুযোগ পায়, তাই তখন ঘুমও ভাল হবে।
গবেষণায় দেখা গেছে যারা দেরি করে রাতের খাবার খায় তাদের ৫৫% এর মাঝে হৃদরোগ হবার ঝুঁকি থাকে। তাই রাতের খাবার তিন ঘন্টা আগে খেলে হৃদরোগের সম্ভাবনা থেকে মুক্ত থাকা যায়।
একটানা অনেক দিন যদি বেশি রাতে না খাওয়া হয়, তাহলে তা হৃদরোগী এবং স্থূলতার সমস্যা যাদের আছে তাদের জন্য বেশ উপকারি। কারন এই অভ্যাস ghrelin নামক ক্ষুধার হরমোনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, ফলে ক্ষুধা কম লাগে। কারণ, দেখা গেছে এই হরমোন অধিকাংশ সময় স্থূল মানুষদের মধ্যে অকার্যকর থাকে।
রাতের খাবার ঠিক সময়ে খেলে তা দেহ থেকে বিষাক্ত পদার্থ বা টক্সিন বের করে দিতে পারে|রোজা রাখলে শরীর যেভাবে টক্সিন বের করে সেভাবে|
রাতে তাড়াতাড়ি খেলে সঠিক সময়ে কম ক্ষুধা নিয়ে খাওয়া হতে পারে, ফলে কম খাওয়া হলে, এটি ইন্সুলিনের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

খাদ্যের ক্যালরি এবং আমাদের শরীরে এর প্রভাব জানতে ক্লিক করুন|

রাতের খাবার দেরি করে খেলে কি কি সমস্যা হতে পারে?

খাবার ঠিক মতো হজম হবে না, পুরোটাই ফ্যাট হিসাবে সঞ্চিত হয়ে ওজন বাড়াবে
হজমের সমস্যা, যেমন: বুক জ্বালা পোড়া, গ্যাস, ঢেকুর, হজমের সমস্যা, মাথাব্যথা, ফুসফুসে প্রদাহ ইত্যাদি হতে পারে|
অনেক দিন ধরে এরকম অনিয়ম হলে খাদ্যনালির ক্যানসারও হতে পারে বেল ধারণা করা হয়। কারণ, অ্যাসিডিটি সমস্যার জন্য রোগীরা সাধারণত যেসব ওষুধ সেবন করেন, সেগুলো বেশি দিন ব্যবহার করলে ক্যানসারের হতে পারে।
ওজন বেশি হলে হার্টের সমস্যা, ডায়বেটিসের সমস্যা ও নানাবিধ শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়|

তাই উপরোক্ত কারণগুলোর জন্যে রাতের খাবার ঘুমানোর অন্তত: তিন ঘন্টা আগে খান|আপনার স্বাস্থ্য আপনারই হাতে|এই একটি হেলদি লাইফস্টাইল আপনাকে দিতে পারে ফিট, মেদ বিহীন স্বাস্থ্য| তাই দেরি না করে আজই শুরু করুন এই হেলদি লাইফস্টাইল| আমাদের সবারই উচিত নিজের ও পরিবারের সবার স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেয়া|

তাই এই ফিটনেস টিপসটি সবার সাথে শেয়ার করে সবার উপকার করুন|

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লিভ টুগেদার করছেন ইলিয়ানা!

সাম্প্রতিক সময়ে ‘বাদশাহো’ ছবি দিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন ইলিয়ানা। এ ছবি নিয়েই একটি ভারতীয় মিডিয়াকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন এ নায়িকা। আর এখানে একটি বিস্ময়কর মন্তব্যের মাধ্যমে বোমা ফাটিয়েছেন তিনি।

নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও প্রেমিক সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেছেন, বিয়ে ও লিভ টুগেদারের তিনি কোনো পার্থক্য দেখেন না। তার এমন বক্তব্যে হইচই পড়ে গেছে বলিপাড়ায়। এই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমি কখনোই মিডিয়া এবং আমার ব্যক্তিগত জীবনকে এক করি না। তবে এ বিষয়ে বলতেই আমার কোন দ্বিধা নেই। আমার প্রেমিক সম্পর্কে মোটামুটি সবাই জানেন। তার নাম এন্ড্রু নিবোন। সে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। আমরা খুব ভালো আছি একসঙ্গে।

তাহলে বিয়ে করছেন না কেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে ইলিয়ানা বলেন, বলতে দ্বিধা নেই এন্ড্রুর সঙ্গে আমি থেকেছিও। যেটাকে বলা হয় লিভ টুগেদার। আসলে আমি মনে করি বিয়ে ও লিভ টুগেদারের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। তারপরও বিয়ে যেহেতু একটি রীতি। সেটাতো করতেই হবে। তবে এখনই নয়, সময় হলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest