সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে ৩২টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ : আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংসসাতক্ষীরায় ইজিবাইকের নির্বিঘ্নে চলাচল ও চালকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে স্মারকলিপিউচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলনশ্যামনগরে পৃথক ঘটনায় একই দিনে দুজনের মৃত্যুসাতক্ষীরায় জমি দখলের অভিযোগ আ.লীগ নেত্রী রওশন আরা রুবির বিরুদ্ধে প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতারসাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষগণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভামাদকের আখড়ায় অতিষ্ঠ ঝাউডাঙ্গার দত্তবাগ এলাকাবাসীচলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারা

cisf-airport22আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরগুলোতে যে কোনো সময় হামলা হতে পারে। দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা এমন আশঙ্কা করার পর বিমানবন্দরগুলোতে হাই অ্যালার্ট জারি হয়েছে। রাজধানী দিল্লি, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদসহ পশ্চিম ভারতের বিমানবন্দরগুলোতেও জারি হয়েছে সতর্কতা। বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তাও।
জানা গেছে, মুম্বাই, জয়পুর, আহমেদাবাদ, দিল্লি ও হায়দরাবাদ বিমানবন্দরে যে কোনো সময় হামলা চালাতে পারে সশস্ত্র জঙ্গিরা। সে কারণে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে বিমানবন্দর এলাকা।
দেশটির বিমানবন্দরগুলিতে হাই অ্যালার্ট জারির পাশাপাশি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে বোম্ব স্কোয়্যাড ও কমান্ডো বাহিনীকে।
সিআইএসএফ-এর মহানির্দেশক ও পি সিং জানিয়েছেন, দেশের জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরগুলিতে হাই অ্যালার্ট জারি হয়েছে। আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, বিমানসংস্থাগুলিকেও সচেতন করা হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তার দিকে বাড়তি নজর রাখা হচ্ছে। সিআইএসএফ-এর ওই শীর্ষ কর্তা আরও জানিয়েছেন, একটি বিশেষ বৈঠকে বিমানবন্দরগুলিতে সতর্কতা জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

sm1নিউজ ডেস্ক: রেড অ্যালার্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শারদীয় দুর্গা পূজা, আশুরা ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের ঢাকা সফরকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে এই রেড অ্যালার্ট চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। তারা বলছে, নিরাপত্তা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশ প্রধান, র‌্যাব প্রধানসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা দফায় দফায় বৈঠক করছেন। যে কোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত বিশেষ নোট পাঠানো হয়েছে দেশের প্রতিটি জেলার পুলিশ সুপারদের।
দেশের প্রতিটি পূজা মণ্ডপ, আশুরার তাজিয়া মিছিল ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের আবাসস্থল ও তাদের যাওয়া-আসার পথে গড়ে তোলা হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা। এ ছাড়া কূটনৈতিক এলাকা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ, ওয়াসা, গ্যাসসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতেও বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এসব তথ্য দিয়ে বলেছে, জঙ্গি হামলার কোনো তথ্য গোয়েন্দাদের কাছে না থাকলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি থাকছে না। পূজা, আশুরা এবং ইংল্যান্ড দলের ঢাকা সফর-এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এক সময়ে হয়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চাচ্ছে না সরকার। যে কারণে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, আসন্ন পূজা, আশুরা ও ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন নাশকতা ঠেকাতে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। ওই সব এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ, ডিবি পুলিশ, আনসার সদস্য, র‌্যাব ও ডগ স্কোয়াডের সদস্য নিয়োজিত থাকবে।
গত সোমবার পুলিশ সদর দফতরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিষয়ে এক সভায় পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, পূজার আগে, পূজা চলাকালে এবং পরের কয়েকদিনের জন্য আলাদা নিরাপত্তা পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ ছাড়া ইংল্যান্ডের জাতীয় ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফরের সময়ে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া গতকাল বলেছেন, অতীতের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করে এবার পবিত্র আশুরা উপলক্ষে হোসনি দালান ইমামবাড়া থেকে বের হওয়া তাজিয়া মিছিলে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গতকাল বেলা পৌনে ১২টার দিকে হোসনি দালানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে এ কথা জানান তিনি।
কমিশনার বলেন, আমরা অতীতের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে এবারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। চারশ বছর ধরে চলে আসা এ ধরনের একটি অনুষ্ঠানে গতবছর যে হামলা হয়েছে তা খুবই দুঃখজনক। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাভুক্ত থাকবে। তিনস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। মিছিলে আগত সবাইকে আর্চওয়ে গেট দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে চেক করা হবে।
এ সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবার সহযোগিতা চান কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি আরও জানান, আগেই তাজিয়া মিছিলে আতশবাজি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এবার ১২ ফুটের বেশি উচ্চতার নিশানও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পুলিশ সদর দফতর সূত্র জানায়, যে কোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের রাখা হয়েছে প্রস্তুত। দেশের প্রতিটি পূজা মণ্ডপ, আশুরার তাজিয়া মিছিল ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের আবাসস্থল ও তাদের যাওয়া-আসার পথে গড়ে তোলা হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা।
এ ছাড়া কূটনৈতিক এলাকা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ, ওয়াসা, গ্যাসসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতেও বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সূত্র জানায়, জঙ্গি হামলার কোনো তথ্য গোয়েন্দাদের কাছে না থাকলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি থাকছে না। পূজা, আশুরা এবং ইংল্যান্ড দলের ঢাকা সফর-এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এক সময়ে হয়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কোনো রিস্ক নিতে চাচ্ছে না সরকার। যে কারণে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে।
পুলিশ ও র‌্যাব জানায়, রাজধানীসহ দেশজুড়েই নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে। এ ছাড়া থাকছে সাদা পোশাকের গোয়েন্দা ইউনিট, ডগ স্কোয়াড, বোমা ডিসপোজাল ইউনিট, স্ট্রাইকিং ফোর্স, পুলিশের বিশেষ টিম সোয়াত, মোটরসাইকেলে টহল, ফুট প্যাট্রল ও তল্লাশি চৌকি।
নিউজ ডেস্ক: রেড অ্যালার্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শারদীয় দুর্গা পূজা, আশুরা ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের ঢাকা সফরকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে এই রেড অ্যালার্ট চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। তারা বলছে, নিরাপত্তা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশ প্রধান, র‌্যাব প্রধানসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা দফায় দফায় বৈঠক করছেন। যে কোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত বিশেষ নোট পাঠানো হয়েছে দেশের প্রতিটি জেলার পুলিশ সুপারদের।
দেশের প্রতিটি পূজা মণ্ডপ, আশুরার তাজিয়া মিছিল ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের আবাসস্থল ও তাদের যাওয়া-আসার পথে গড়ে তোলা হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা। এ ছাড়া কূটনৈতিক এলাকা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ, ওয়াসা, গ্যাসসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতেও বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এসব তথ্য দিয়ে বলেছে, জঙ্গি হামলার কোনো তথ্য গোয়েন্দাদের কাছে না থাকলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি থাকছে না। পূজা, আশুরা এবং ইংল্যান্ড দলের ঢাকা সফর-এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এক সময়ে হয়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চাচ্ছে না সরকার। যে কারণে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, আসন্ন পূজা, আশুরা ও ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন নাশকতা ঠেকাতে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। ওই সব এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ, ডিবি পুলিশ, আনসার সদস্য, র‌্যাব ও ডগ স্কোয়াডের সদস্য নিয়োজিত থাকবে।
গত সোমবার পুলিশ সদর দফতরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিষয়ে এক সভায় পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, পূজার আগে, পূজা চলাকালে এবং পরের কয়েকদিনের জন্য আলাদা নিরাপত্তা পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ ছাড়া ইংল্যান্ডের জাতীয় ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফরের সময়ে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া গতকাল বলেছেন, অতীতের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করে এবার পবিত্র আশুরা উপলক্ষে হোসনি দালান ইমামবাড়া থেকে বের হওয়া তাজিয়া মিছিলে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গতকাল বেলা পৌনে ১২টার দিকে হোসনি দালানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে এ কথা জানান তিনি।
কমিশনার বলেন, আমরা অতীতের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে এবারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। চারশ বছর ধরে চলে আসা এ ধরনের একটি অনুষ্ঠানে গতবছর যে হামলা হয়েছে তা খুবই দুঃখজনক। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাভুক্ত থাকবে। তিনস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। মিছিলে আগত সবাইকে আর্চওয়ে গেট দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে চেক করা হবে।
এ সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবার সহযোগিতা চান কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি আরও জানান, আগেই তাজিয়া মিছিলে আতশবাজি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এবার ১২ ফুটের বেশি উচ্চতার নিশানও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পুলিশ সদর দফতর সূত্র জানায়, যে কোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের রাখা হয়েছে প্রস্তুত। দেশের প্রতিটি পূজা মণ্ডপ, আশুরার তাজিয়া মিছিল ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের আবাসস্থল ও তাদের যাওয়া-আসার পথে গড়ে তোলা হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা।
এ ছাড়া কূটনৈতিক এলাকা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ, ওয়াসা, গ্যাসসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতেও বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সূত্র জানায়, জঙ্গি হামলার কোনো তথ্য গোয়েন্দাদের কাছে না থাকলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি থাকছে না। পূজা, আশুরা এবং ইংল্যান্ড দলের ঢাকা সফর-এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এক সময়ে হয়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কোনো রিস্ক নিতে চাচ্ছে না সরকার। যে কারণে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে।
পুলিশ ও র‌্যাব জানায়, রাজধানীসহ দেশজুড়েই নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে। এ ছাড়া থাকছে সাদা পোশাকের গোয়েন্দা ইউনিট, ডগ স্কোয়াড, বোমা ডিসপোজাল ইউনিট, স্ট্রাইকিং ফোর্স, পুলিশের বিশেষ টিম সোয়াত, মোটরসাইকেলে টহল, ফুট প্যাট্রল ও তল্লাশি চৌকি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1475810171ডেস্ক রিপোর্ট: ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশ হাইতিতে স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮৩ জন।
স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটির সরকার সর্বশেষ এই তথ্য জানিয়েছে।
হাইতির সরকার জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ম্যাথিউর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত শুধু রোচে-এ-বাতেয়ু শহরে মারা গেছেন ৫০ জন। উপদ্বীপের মূল শহর জেরেমির ৮০ শতাংশ ভবন ধসে পড়েছে। সাদ শহরের ৩০ হাজার বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে।
গত মঙ্গলবার হাইতি ও কিউবায় আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় ম্যাথিউর গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৩০ কিলোমিটার। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে গত সোম ও মঙ্গলবার ভারি বর্ষণ হয়। এ বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় হাইতির দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ একটি সেতু ভেঙে যাওয়ায় দুর্যোগপীড়িত অনেক অঞ্চলে সাহায্য পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না।
ঘূর্ণিঝড় ম্যাথিউ ক্যারিবীয় অঞ্চল পার হওয়ার পর চার মাত্রার ঝড়ে রূপ নিয়েছে, যা ঘূর্ণিঝড় হিসেবে দ্বিতীয় শ্রেণির। ঝড়টি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গারাজ্যের দিকে ধাবিত হয়।
ঘূর্ণিঝড়ের পর হাইতি সরকার মৃতের সংখ্যা ১০০-এর কিছুটা বেশি বলে জানিয়েছিল। অবশ্য পরে তারা মৃতের সংখ্যা ২৮৩ বলে জানায়।
ঘূর্ণিঝড় ম্যাথিউ গত এক দশকের মধ্যে ক্যারিবীয় অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সবচেয়ে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়। হাইতি ও কিউবার ওপর দিয়ে এটি বয়ে যায়।
ঘূর্ণিঝড়-পরবর্তী বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, ম্যাথিউর প্রভাবে বাহামায় গাছপালা উপড়ে পড়েছে। তবে দেশটিতে কোনো হতাহতের খরব জানা যায়নি।
ঘূর্ণিঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় হাইতির দক্ষিণ উপকূলের শহর ও মৎস্যজীবীদের গ্রাম। গাছের চাপা, উড়ে আসা ভাঙা টুকরোর আঘাত ও পানিতে ডুবে অনেকের মৃত্যু হয়েছে।
হাইতির সরকার জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ে অনেক অঞ্চলে মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক ও বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।
হাইতি থেকে বিবিসির সংবাদদাতা টনি ব্রাউন বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিম হাইতির ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে স্থানীয় মানুষই উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। ওই অঞ্চলে এখনো কোনো পুলিশ বা সেনাবাহিনীর সেবা পৌঁছায়নি।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, হাইতিতে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের ত্রাণ সহায়তা প্রয়োজন।
আমেরিকান রেড ক্রসের মুখপাত্র সুজি ডি ফ্রান্সিস বলেন, হাইতিতে সহায়তা কার্যক্রমের শুরুতেই মোবাইল নেটওয়ার্ক ঠিক করা জরুরি। এমন প্রযুক্তি নিয়েই তাঁরা হাইহিতে যাচ্ছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1475759948চাকরি ডেস্ক: বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলের কাস্তমস হাউজে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। বিভিন্ন পদে ৯৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। পদগুলোর মধ্যে রয়েছে-
কম্পিউটার অপারেটর পদে চারজন, সাটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে দুজন, উচ্চমান সহকারী পদে ছয়জন, ক্যাশিয়ার পদে একজন, সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে দুজন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে পাঁচজন, গাড়িচালক পদে ১০ জন, টেলিফোন অপারেটর পদে একজন, সিপাই পদে ৫৬ জন, ফটোকপি অপারেটর পদে দুজন, ইলেকট্রিশিয়ান পদে একজন, অফিস সহায়ক পদে তিনজন এবং নিরাপত্তা প্রহরী পদে একজন নিয়োগ দেওয়া হবে।
পদগুলোতে মর্যাদা অনুযায়ী অষ্টম শ্রেণি থেকে স্নাতক পাস প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হবে। আট হাজার ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে পদনুযায়ী বেতন দেওয়া হবে ৩০ হাজার ২৩০ টাকা পর্যন্ত। আবেদনের জন্য প্রার্থীদের বয়স ৩১ অক্টোবর, ২০১৬ তারিখে অনূর্ধ্ব ৩০ বছর হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য বয়সসীমা ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিল থাকবে।
আগ্রহী প্রার্থীরা বিজ্ঞাপনে উল্লেখিত ঠিকানায় আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করা যাবে ১৫ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখ পর্যন্ত।
বিস্তারিত জানতে দৈনিক কালেরকণ্ঠ পত্রিকায় ৫ অক্টোবর, ২০১৬ তারিখে প্রকাশিত বিজ্ঞাপনটি দেখুন-

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার শহীদ স্মৃতি ডিগ্রী কলেজে উপাধ্যক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই নিয়োগ নিয়ে বড় ধরনের বানিজ্য চলছে  বলেও খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে গোপনে প্রকাশ্যে বেশ দর কষাকষি চলছে। তবে কে বা কারা এই বানিজ্যের সাথে জড়িত তা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।  কলেজ সংশ্লিষ্ট  একাধিক সূত্র এ তথ্য দিয়েছে। কলেজ সূত্রে জানা গেছে কাল ৮ অক্টোবর উপাধ্যক্ষ নিয়োগ পরিক্ষা হবার কথা। এ পরিক্ষা সংম্লিষ্ট কলেজে না হয়ে তা সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে। নিয়োগ পরিক্ষার স্থান পরিবর্তন নিয়ে এমনিতেই নানা প্রশ্ন উঠেছে। জানা গেছে উপাধ্যক্ষ পদের জন্য আবেদন করেছেন মো.আবুল মুকাল্লিম, মো. মনিরুজ্জামান, দীপক বাড়ৈ, আবদুর রহিম ও আবু আহসান লিপু। এরই মধ্যে এই পদের নিয়োগ মূল্য ২০ লাখ টাকায় ঠেকেছে।  তবে এই কুড়ি লাখ টাকা দিয়ে কে পরিক্ষায় প্রথম হবার ভাগ্যবান প্রার্থী তা সময় বলে দেবে বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে ১০ লাখ টাকা অগ্রিম নেওয়া হয়েছে বলেও চাউর রয়েছে। নিয়োগের বিষয়ে জানার জন্য চেষ্টা করা হলে কলেজ অধ্যক্ষ ফজলুর রহমান এখন ঢাকায় রয়েছেন বলে জানান। অপরদিকে কলেজ গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান আব্দুস সোবহানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তা সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : জেলা আঞ্চলিক পরিবহন কমিটি ও জেলা সড়ক নিরাপত্তা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং বিআরটিএর নির্বাহী পরিচালক তানভীর আহমেদ চৌধুরীর পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিসষ্ট্রেট সৈয়দ ফারুক আহমেদ, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার আতিকুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ এফ এম এহতেশামুল হক, জেলা বাস, মিনিবাস, মাইক্রোবাস, কোচ মালিক সমিতির সভাপতি ও দৈনিক কালের চিত্র পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক জি এম মনিরুল ইসলাম মিনি, টিআই তপন কুমার মজুমদার, এলজিডির হাসিবুজ্জামান, ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ আব্দুস সেলিম, রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের সেক্রেটারি শেখ নূরুল হক, সাতক্ষীরা জেলা ট্যাংক ট্র্যাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আজিজুল হক, সাধারণ সম্পাদক শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন, সাতক্ষীরা জেলা ট্যাংক ট্রাক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় সাতক্ষীরায় একটি ট্রাক টার্মিনাল করার সিদ্ধান্ত এবং শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে ব্যাটারি চালিত ভ্যান চলাচল বন্ধের ব্যাপারে আরো কঠোর হওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া অটো রিক্সা অটো টেম্পু- মাহিন্দ্রা-থ্রি হইলার চলাচলের ব্যাপারে কঠোর সতর্কতা প্রদান করা হয়। এসময় জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতি, জেলা ট্রাক ট্রাংকলরী শ্রমিক, ট্রাংক মালিক সমিতি ও মাহিন্দ্রা থ্রি হইলার-অটো রিক্সা অটো টেম্পু চালক লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তবে শারদীয় দুর্গোৎবের পরে এসব বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

image_68887_0
শ্যামনগর ব্যুরো : শ্যামনগর উপজেলার  কাশিমাড়ী ইউনিয়নের বর্তমান ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষে ৫ জন মারাত্মক আহত। স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, গতকাল সকালে পূর্বকাশিমাড়ী তরফদারবাড়ী পুকুরে সাঁতার ও হাঁস ধরা প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষ মারাত্মক আকার ধারণ করলে শ্যামনগর থানার এসআই আসাদ ও কামালের নেতৃত্বে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সংঘর্ষে বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আঃ রউফ সমর্থক ঝাপালি গ্রামের আব্দুল হকের পুত্র নাজমুন সাহাদাত (৩০), একই গ্রামের ছবিলারের পুত্র আল মামুন(২১), আলাউদ্দীনের পুত্র শামিম (২৪), কাশিমাড়ী গ্রামের ইউনুচ আলীর পুত্র তৈয়েবুর রহমান (১৭) ও আব্দুল জলিলের পুত্র আব্দুল আলিম মারাতœক ভাবে আহত হয়। অপরদিকে প্রাক্তণ চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান আনিচের সমর্থক গোবিন্দপুর গ্রামের রাশেদুল আহত হয়। আহতরা উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছে। এঘটনায় এলাকায় উত্তেজনায় বিরাজ করছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষ থেকে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4
শ্যামনগর ব্যুরো : শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের মাদার নদীর ভাঙ্গনকৃত বেড়ীবাধ সংস্কারের দাবিতে গতকাল সকাল ১০ টায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। রমজাননগর ইউনিয়ন পরিষদ, স্থানীয় জনগণ, সুন্দরবন স্টুডেন্ট সলিডারিটি টিম ও বারসিক এর আয়োজনে মানববন্ধনে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় চেয়ারম্যান মোঃ আকবর আলী তার বক্তব্য বলেন মাদার নদীর ভাংঙ্গকৃত ১শত ৫০ফুট বেড়ীবাধ ভাঙ্গন পরস্পর মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। ভাঙ্গন এলাকায় একটি সাইক্লোন সেল্টার, সেখানে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। দ্রুত ভাঙ্গন এলাকায় সরকারি ভাবে কাজ না হলে বেড়ীবাধ ভেঙ্গে রমজাননগর সহ নুরনগর, ঈশ্বরীপুর সহ কয়েকটি ইউনিয়ন নদীর পানিতে ভেসে যাবে। ইহাতে জানমালের ও মৎস্য ঘেরের ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা। চেয়ারম্যান আরো বলেন এ ব্যাপরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পানি সম্পদ মন্ত্রী সহ সাতক্ষীরা জেলা ও শ্যামনগর উপজেলার দায়িত্বশীল ব্যাক্তিদের নিকট সাংবাদিকদের মাধ্যমে বেড়ীবাধ রক্ষার আহবান জানান। এ সমায় রমজাননগর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য/সদস্যা গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ হাজার হাজার মানুষ মানববন্ধনে অংশ নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest