
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় বিনম্র শ্রদ্ধায় সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে একাত্তর এর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি সাতক্ষীরা জেলা শাখা এ স্মরণ সভার আয়োজন করেন। একাত্তর এর ঘাতক দালাল কমিটির সাতক্ষীরালা সদস্য অধ্যক্ষ সুভাষ সরকারের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, প্রফেসর নিমাই মন্ডল, এড. ফাহিমুল হক কিসলু, বিশিষ্ট সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান মাসুম, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির পৌর শাখার সম্পাদক রওনক বাছাড় প্রমুখ। সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক ও ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সদর উপজেলা শাখার সভাপতি শেখ হারুন উর রশিদদের পরিচালনায় বক্তারা বলেন, সৈয়দ শামসুল হক ছিলেন স্বাধীনতার স্বপক্ষের কবি, মুক্ত চিন্তার মানুষ। অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি। তিনি শুধু কবি ছিলেন না তিনি সাহিত্যের পাশাপাশি গণসঙ্গীতসহ জনপ্রিয় ধারার সঙ্গীতেও অসামান্য অবদান রেখেছিলেন। তার প্রতিটি লেখার মধ্যে ছিল শোষণ পিড়িত মানুষের মুক্তির কথা, ছিল বাংলার জয়গানের কথা। তার লেখার মাধ্যমে তিনি আজ আমাদের মাঝে স্মরনীয় হয়ে আছেন। দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে অন্যতম অভিভাবকের ভুমিকায় অসামান্য অবদান রেখেছেন তিনি। তার বিয়োগে জাতি এক প্রতিভাবান ব্যক্তিকে হারিয়েছে। যতদিন বাংলাদেশ ততদিন তিনি এদেশের মানুষের মাঝে বেঁচে থাকবেন। স্মরণ সভায় সৈয়দ শামসুল হক রচিত কবিতার আংশিক আবৃতি করেন দিলরুবা রোজ ও পরিবেশন করেন বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পি আবু আফ্ফান রোজ বাবু।

আশাশুনি ডেস্ক: আশাশুনি উপজেলার ২৫টি সরকারি অফিসের মধ্যে ১৩টি অফিসের কর্মকর্তার পদ শূন্য রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পদগুলো শূন্য থাকায় স্বাভাবিক কর্মকান্ড স্থবির হতে শুরু করেছে। উপজেলা পরিষদভুক্ত এবং উপজেলা পর্যায়ে ইউএনও, এসি (ল্যান্ড), ওসি, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সহ বিভিন্ন অফিসের ২/১ টি বাদে বেশির ভাগেরই গুরুত্ব অনেক বেশী। অফিসগুলো জনগুরুত্বপর্ণ হওয়া স্বত্বেও বছরের পর বছর ধরে আশাশুনির অনেক অফিসে কর্মকর্তার পদশূন্য রয়েছে। তাছাড়া সম্প্রতি বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে এখান থেকে বদলী করা হলেও তদস্থলে কাউকে পোষ্টিং দেয়া হয়নি। শূণ্য থাকা পদগুলোর মধ্যে মৎস্য কর্মকর্তা, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা, সমবায়, সমাজসেবা, পল্লী উন্নয়ন, পরিসংখ্যান, নির্বাচন, মাধ্যমিক শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী, খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও সাব রেজিস্ট্রারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ রয়েছে। এসব পদে অধঃস্তন কাউকে ভারপ্রাপ্ত করে, কাউকে ২/৩টি উপজেলার সাথে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে, কাউকে চলতি দায়িত্ব দিয়ে এসব অফিস পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে কোন কোন অফিসে মাসে একদিন, কোন কোন অফিসে মাসে ২/৪দিন করে কর্মকর্তাদের দেখা মেলে। ফলে অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমসমুহ ফাইলবন্ধি হয়ে রয়েছে। জনসাধারণ দিনের পর দিন ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। কোন কোন অফিসে বর্তমানে দৈনিকের পরিবর্তে সপ্তাহে ১/২ দিন করে অফিস কার্যক্রম চালু রাখার মত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিটিং বা জরুরি কাজে অফিসে না থাকলে সেদিন উপজেলা পরিষদ এলাকা জনমানবশূন্য মনে হয়। সেবা নিতে আসা অনেককেই অফিসে এসে বারবার ফিরে যেতে দেখা যায়। তাই জনগুরুত্বপূর্ণ এসকল অফিস সমুহের শূন্য পদগুলোতে জরুরী ভিত্তিতে কর্মকর্তা নিযুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্ত্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী উপজেলাবাসী ।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের বর্ধিতসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় জেলা ছাত্রলীগ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হুসাইন সুজন। সাধারণ সম্পাদক শেখ এহসান হাবিব অয়নের পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, তালা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সরদার মশিয়ার, দেবহাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজ, কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান হোসেন, কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি গৌতম কুমার লস্কর, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আহসান হাবিব লিমু, সরকারি কলেজছাত্রলীগের সভাপতি মিঠুন ব্যনার্জী, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি রমজান আলী রাতুল, দেবহাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান শাওন, সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের রাজু, তালা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, পলিটেকনিক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাসেল, পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আওসাফুজ্জামান শাওন, পলিটেনকনিট ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পথিক প্রমুখ। সভায় ঐতিহ্যবাহী এ সংগঠনের কার্যক্রম কে আরো গতিশীল করার জন্য জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রতিটি উপজেলা এবং প্রতিটি ইউনিটকে দিক নিদের্শনা মূলক বক্তব্য উপস্থাপন করেন। এছাড়া আগামীতে ছাত্রলীগকে আরো সুসংঘঠিত করার জন্য জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: আজ ৬ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি সাতক্ষীরা জেলা শাখা ও সদর উপজেলা শাখার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় স্বাধীনতা, একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি পদক প্রাপ্ত সব্যসাচী লেখক প্রয়াত সৈয়দ শামসুল হকের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত স্মরণ সভায় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বীর জনতাকে উপস্থিত থাকার জন্য আহবান জানিয়েছেন নির্মূল কমিটির সদর উপজেলা শাখার সভাপতি শেখ হারুন উর রশিদ।
এ. এস. এম মাকছুদ খান: সনাতন ধর্ম্বাবলম্বীদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা ৭ দিনের ছুটির কবলে পড়ছে ভোমরাস্থল বন্দর। আজ বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে বন্ধ হচ্ছে এ বন্দরের সকল আমদানি রপ্তানী কার্যক্রম।
দেবহাটা প্রতিনিধি: “আমিও আছি, লড়ছি আমরা জীবনের জন্য” এই প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে দেবহাটায় বিশ্ব মস্তিস্ক প্রতিবন্ধীব্যাক্তি দিবস উৎযাপিত হয়েছে। বুধবার বেলা ১১ টায় বেসরকারি প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা ডিআরআরএ’র আয়োজনে লিলিয়ানা ফন্ডস্ ও সিবিএম’র অর্থায়নে বিভিন্ন এলাকার সিপি ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অংশ গ্রহণে বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে হাদিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাটখোলা মোড়সহ প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ডিআরআরএ’র কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। পরে দিবসের তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ডিআরআরএ’র ডিপুটি ম্যানেজার জিএম আনজির হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের ফিল্ড সুপারভাইজার রবিউল হক। বক্তব্য রাখেন দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, এলডিডিপি প্রকল্পের প্রকল্প ম্যানেজার আনোয়ারুল ইসলাম, সহকারী প্রকল্প সমন্বয়কারী দেবাশীষ ঘোষ, প্রতিবন্ধী শিশু লিপিকা মন্ডল, প্রতিবন্ধী শিশুর অভিভাবক মারুফা সুলতানা প্রমূখ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিআরআরএ’র কমিউনিটি মবিলাইজার রামপ্রসাদ মিস্ত্রি, করবী স্বর্ণকার, আছাদুজ্জামান, সুজাতা মন্ডল, আব্দুল হামিদ, প্রতাব কুমার, মুরর্শিদা পারভীন, মনোয়ারা খাতুন, রফিকুল ইসলাম, আছাদুল হকসহ সকল কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ। এসময় প্রতিবন্ধী ও তাদের অভিভাবকদের পক্ষ থেকে বক্তব্যে বলা হয়, সন্তান প্রসাবে অদক্ষ ধাত্রী, জন্মগত সমস্যা, সঠিক সময়ে সুচিকিৎসা এবং অসহায় গরিব হওয়ায় প্রতিবন্ধীতার প্রধান কারণ। তাদের এই সমস্যার জন্য গাড়িতে বা যানবহনে তাদের নিতে চাই না, পরিবার ও সমাজে তাদের ভিন্ন চোখে দেখে। তাই সমাজে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার আবেদন জানান। সেই সাথে সরকারি ও বেসরকারি ভাবে আরো বেশি সেবা প্রদানের দাবি জানানো হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৬ এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৬ সুষ্ঠভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রস্তুতি সভায় জানান হয় আগামী ১৬ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হবে। ৩ দিন ব্যাপি বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৬ এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৬ সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে ১৬, ১৭, ১৮ এই তিন দিন ব্যাপি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মুনসুর আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অরুন কুমার মন্ডল, সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আশরাফ হোসেন, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আতিকুল হক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কাজী আব্দুল মান্নান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মনিরা পারভীন, জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) বিবি খাদিজা, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আবুবক্কর সিদ্দীক, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন, রেড ক্রিসেন্টের জেলা ইউনিট অফিসার আতিকুল ইসলাম, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির খান বাপ্পি, ক্রীড়া শিক্ষক ভদ্র কান্ত, শংকর কুমারসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্যবৃন্দ।