সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ৫০তম জাতীয় দাবা ‘বি’ বাছাই না করিয়ে খেলোয়াড় পাঠানোর পায়তারা: সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশ

 

নিজস্ব প্রতিনিধি :
নাশকতার মামলায় সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতীর জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

আজ ২৪ জানুয়ারি-২৩ মঙ্গলবার সাতক্ষীরা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে আদালতের বিচারক মোহাম্মাদ হুমায়ুন কবির জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

গত ২৪ ডিসেম্বর-২০২২ শনিবার সকালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন, খালেদা জিয়াসহ আলেম ওলামাদের মুক্তিসহ ১০ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ করে জামায়াত। সে সময় নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগে ১৬ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এঘটনায় সদর থানা পুলিশের উপ-পুলিশ পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে সাতক্ষীরা পৌর মেয়র, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব তাজকিন আহমেদ চিশতী ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রউফ সহ অজ্ঞাত ২শতাধিক ব্যক্তিকে আসামী করে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং জি আর ৯৬২/২২।

উক্ত মামলায় হাইকোর্টে জামিন প্রার্থনা করলে হাইকোর্ট তাকে নি¤œ আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী মঙ্গলবার সাতক্ষীরা চীফজুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হলে আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন এড. ওকালত হোসেন।

সাতক্ষীরা জজকোর্টের পিপি এড. আব্দুল লতিফ জামিন না মঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এবিষয়ে তাজকিন আহমেদ চিশতী এর পক্ষের আইনজীবী ও সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক এড.সৈয়দ ইফতেখার আলী বলেন, ২৪ ডিসেম্বরের ঘটনায় তাকে আসামী করা হয়েছে। অথচ তাজকিন আহমেদ চিশতী তার এবং তার মায়ের অসুস্থ্যতা জনিত কারনে গত ২২ ডিসেম্বর ভারতে গমন করেন এবং ফিরে আসেন ২৬ডিসেম্বর। তারপরও তাকে ওই মামলা আসামী করা হয়েছে। পোসপোর্টের ফটোকপিসহ ভারতে যাওয়ার এবং অবস্থানের সকল প্রমান কোর্টে উপস্থাপন করা হলেও তার জামিন না মঞ্জুর করে আদালত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
অবশেষ নাশকতা মামলায় দীপ্ত টিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি রঘুনাথ খাঁ কে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ।

সোমবার ২৩ জানুয়ারি সন্ধ্যার ৭টার দিকে দেবহাটার খলিশাখালী এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

রঘুনাথ খাঁ সাতক্ষীরা শহরের কাঠিয়া এলাকার মৃত মদনমোহন খান পুত্র এবং ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক বাংলা ৭১ পত্রিকা ও দীপ্ত টেলিভিশনের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।

আটক হওয়া অন্য ২জন হলেন দেবহাটা উপজেলার ঢেবুখালী গ্রামের ফজর আলীর পুত্র রেজাউল ইসলাম এবং একই উপজেলার চালতেতলা এলাকার নওশের আলীর পুত্র লুৎফর রহমান।

এ বিষয়ে দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওবায়দুল ইসলাম জানান, দেবহাটার খলিশাখালি এলাকায় ভূমিহীন নামধারীদের সাথে যোগাসাজসে বোমা ফাটিয়ে নাশকতার পরিকল্পনা করছিল খবর পেয়ে পুলিশ তাদেরকে আটক করে। এ ঘটনায় দেবহাটা থানার উপ পরিদর্শক লালচাঁদ মিয়া বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

এদিকে, রঘুনাথ খাঁ’র স্ত্রী সুপ্রিয়া রানী খাঁ জানান, সংবাদ সংগ্রহ সংক্রান্ত বিষয়ে সোমবার সকালে সাংবাদিক রঘুনাথ খাঁ একটি ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলযোগে দেবহাটার খলিশাখালী এলাকায় যান। সেখান থেকে ফিরে আসার পর সাতক্ষীরা শহরের ডে নাইট কলেজ মোড় থেকে তাকে আটক করা হয়। এঘটনায় বিভিন্ন খোজাখুজি করেও না পেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তিনি।

২৩.০১.২০২৩

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : বিদ্যালয়ের প্রতিটি শ্রেণির কৃতি-শিক্ষার্থীদের ভাল ফলাফলে উদ্বুর্দ্ধ করতে ও উৎসাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘মা’  ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শ্রেণিতে ১ম স্থান অধিকারী ও সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় সদরের ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের শাল্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস রুমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবব্রত কর্মকার’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে কৃতি- কোমলমতি শিক্ষার্থীদের
মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘মা’ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, বঙ্গবন্ধু পরিষদ সাতক্ষীরা পৌর শাখার আহবায়ক ও ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুলের মানবিক প্রধান শিক্ষক মো. মমিনুর রহমান মুকুল। প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বিদ্যালয়ের প্রতিটি শ্রেণির কৃতি-শিক্ষার্থীদের ভাল ফলাফলে উদ্বুর্দ্ধ করতে ও উৎসাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘মা’ ফাউন্ডেশন কাজ করে যাচ্ছে। কৃতি শিক্ষার্থীদের ভাল ফলাফলের স্বীকৃতি স্বরুপ এই পুরস্কার
অন্যান্য শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহ ও ভাল পড়া-শুনায় উদ্বুর্দ্ধ করবে। এছাড়াও ‘মা’ ফাউন্ডেশন আত্মমানবতার সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুলের বিদ্যোৎসায়ী সদস্য বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী শেখ আব্দুল আহাদ, শাল্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের
অভিভাবক মো. আকরামুজ্জামান লিটন, মাহাবুবুজ্জামান রিন্টু, শাল্যে সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোছা: আমেনা খাতুন, ছায়রা খাতুন, মো. জিয়াউর রহমান, গৌতম কুমার দাস, মো. ফিরোজ হোসেন, মো. সালাহউদ্দীন আল-মানিক ও শিরিনা পারভীন প্রমুখ। পুরস্কার বিতরণ শেষে সদর উপজেলা
চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মো. আসাদুজ্জামান বাবুর দাদা মরহুম আলহাজ¦ হেদায়েতুল্লাহ সরদার, দাদী মরহুমা মঙ্গলজান, পিতা মরহুম আব্দুল গফুর
গফ্ফার সরদার চেয়ারম্যান ও মাতা মরহুমা মনোয়ারা সুলতানার কবর জিয়ারত করেন
রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন মানবিক প্রধান শিক্ষক মো. মমিনুর রহমান মুকুল।

এছাড়াও সদরের ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাছখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাছখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ ৪টি বিদ্যালয়ে শ্রেণিতে ১ম স্থান অধিকারী ও সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া কোমলমতি ২৪জন কৃতি কোমলমতি শিক্ষার্থীর মাঝে এ পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এসময় ব্রহ্মরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুল ইসলাম, মাছখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আইরিন আক্তার ও মাছখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহাজান আলীসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার উন্নয়নে কৃতি-শিক্ষার্থীদের ভাল ফলাফলে উদ্বুর্দ্ধ করতে ও উৎসাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘মা’ ফাউন্ডেশনের এ মহৎ উদ্যোগের জন্য সংগঠনের চেয়ারম্যান মানবিক প্রধান শিক্ষক মো. মমিনুর রহমান মুকুলকে ধন্যবাদ জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরায় নতুন সহকারী জেলা তথ্য অফিসার হিসেবে যোগদান করেছেন লতিফুন নাহার। সোমবার ২৩ জানুয়ারি তিনি যোগদান করেন। এর আগে তিনি খুলনা, মাগুরা ও যশোর তথ্য অফিসে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

নবাগত সহকারী তথ্য অফিসার লতিফুন নাহার সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী ঈষিকা আর্টের প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট চিত্র শিল্পী প্রয়াত এম এ জলিল এর সহধর্মীনি।

সাতক্ষীরা জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম তার যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : সাতক্ষীরার দেবহাটা রূপসী ম্যানগ্রোভ  দর্শানার্থীদের বিনোদন নিশ্চিত করতে নানা প্রস্তুতি চলছে রূপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রে। সাতক্ষীরা দেবহাটা উপজেলার ইছামতি নদীর তীরে সুন্দরবনের আদলে গড়ে তোলা পর্যটন কেন্দ্রটি ১৫০ বিঘা জমিতে বিস্তৃর্ণ।

এই বনের বুক চিরে প্রায় ১০ একর জমিতে অনামিকা লেক, পিকনিক স্পট, শিশুপার্ক, কনফারেন্স রুম, বনের ভিতরে বাশের তৈরী ট্রেইল, সেলফি পয়েন্ট, প্যাডেল চালিত বোড, ইছমিতির পাড়ে বসে বৈকালিন, তিন নদীর মোহনা দেখার সুব্যবস্থা। এছাড়া নারী-পুরুষের জন্য আলাদা নামাজের স্থান, ওয়াশবøক, সুপেও পানির ব্যবস্থা ছাড়াও নতুন ভাবে যোগ হচ্ছে রাত্রিযাপনের জন্য কটেজ। নানামূখি বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করা বনটিতে বর্তমানে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। আসন্ন ঈদুল আযাহা উপলক্ষে চলছে নান সাজসজ্জা ও নির্মান কাজ।

জেলার সদর হতে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দুরে ইছামতি নদীর তীরে শিবনগর মৌজায় অবস্থিত এ বনটি। এটি উপজেলার “রূপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র” নামে পরিচিত। ইছামতি নদীর তীরে কৃত্রিমভাবে সৃষ্টি এ ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটি এ উপজেলায় মানুষকে গর্বিত করে। উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় টাউনশ্রীপুর এলাকায় ভারতের টাকী পৌরসভার বিপরীতে ইছামতি নদীর তীরে শীবনগর মৌজায় এ বনটি  তৈরী করা হয়েছে। এই পর্যটন কেন্দ্রর সার্বিক উন্নয়নের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন সহযোগীতা প্রদান করা হয়েছে। এই বনটিতে বহু প্রজাতির ফলজ ও বনজ বৃক্ষ রয়েছে।

সুন্দরবনের আদলে বিভিন্ন প্রজাতির বনজ বৃক্ষের চারা এনে রোপন করে ব্যাপক বনের সৃষ্টি করা হয়েছে। যার মধ্যে কেওড়া, বাইন, গোলপাতা, কাঁকড়া, নিম, সুন্দরী, হরকচাসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ উদ্ভিদ। বিনোদন প্রিয়াসীদের জন্য রয়েছে বসারস্থান। শিশুদের আনন্দ দেওয়ার জন্য কৃত্রিম বিভিন্ন প্রজাতীর পশুপাখি। স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করে এটি পরিপূর্ণ বনে পরিনত করতে উপজেলা প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে।

এদিকে, সাতক্ষীরা জেলার ইছামতি সীমান্তের ইছামতির তীরে গড়ে ওঠা দৃষ্টিনন্দিত মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্য ম্যানগ্রোভ মিনি সুন্দরবনটির পরপর পরিধি বাড়ছে। ২০০৯ সালে দেবহাটার সুঁশিলগাতী এলাকার নদীর বেড়িবাধ ভেঙ্গে প্লাবিত হলে বাধ রক্ষায় ২০১০ সালে উপজেলার প্রশাসনের উদ্যোগে বাধ রক্ষায় ও প্রাকৃতিক ভারসম্য রক্ষার জন্য তৈরী করা হয় ম্যানগ্রোভ বন। বেশ কয়েক বছর যেতে যেতে বনের আকার বৃদ্ধি পেতে থাকে। আর রক্ষা পায় আশে পাশের এলাকাবাসীরা। প্রতিবছরে উপজেলার ও জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ উপভোগ করতে আসে প্রকৃতির এই দৃর্শ্য। তাছাড়া বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে বনটিতে কানায় কানায় দর্শণার্থী পরিপূর্ণ হয়।

তাছাড়া শীতের প্রথম থেকে শুরু হয় পিকনিক উৎসব। অনেকে এসে রান্নাবান্না করে ধুমধাম চড়–ই ভাতিও করে। কয়েক মাস ধরে চলতে থাকে উৎসবের আমেজ। সেই আমেজ ছড়িয়ে পড়ে সকলের মাঝে। বর্তমান স্থানটিতে প্রবেশ করতে হলে উপজেলা প্রশাসনেকে টিকিটের মাধ্যমে ২০টাকা ফি দিতে হয়। যার পুরো টাকা সরকারি রাজস্ব তহবিলে জমা হয়। স্থানটি ইছামতির তীরে নিরিবিলি হওয়ায় বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ এখানে সময় কাটাতে আসেন।
ঘুরতে আসা দর্শানার্থীরা জানান, বনটি ইছামতি নদীর পাড়ে হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। এপাশে বাংলাদেশ অপরপাশে ভারত মাঝ খানে নদী। জায়গাটি অত্যান্ত নিরিবিলি হওয়ায় সব বয়সী মানুষের কাছে প্রিয়। তাছাড়া বিভিন্ন দিবস বা ছুটির দিনে বেশি দুরে যা যেয়ে দেবহাটায় এসে সুন্দরবনের স্বাদ পায়।

নারী ও শিশুদের জন্য স্থানটি খুবই নিরাপদ বলেও দাবি দর্শানার্থীদের।
এই স্পটটিতে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার মানুষের সমাগম ঘটে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া ছুটি ও বিভিন্ন উৎসব ঘিরে দিনে ৩/৪ হাজার দর্শানার্থীদের পদাচরন ঘটে এই বিনোদন কেন্দ্রে। বর্তমানে পর্যটন কেন্দ্রে দায়িত্বে ম্যানেজার দিপঙ্কর ঘোষ বলেন, বিনোদন কেন্দ্রে এসে যাতে কেউ কোন প্রকার হয়রানি না হয় সেব্যাপারে আমাদের স্টাফরা নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছেন। আমরা দর্শানার্থীদের বিনোদনের জন্য নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছি।

এদিকে নানা উদ্যোগ আর আশার কথা জানিয়ে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, যেহেতু আমার সুন্দরবনের কাছাকাছি অবস্থান করি। সেকারনে রাজধানী সহ দেশ-বিদেশী পর্যটক সুন্দর ভ্রমনে আসেন। তাদের কথা বিবেচনা করে রূপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটি দর্শানার্থীদের মত করে সাজানো হচ্ছে। তাছাড়া আমাদের স্বপ্নের সেতু চালু হওয়ায় বর্তমানে ঢাকা থেকে এসে একদিনে ঘুরে আবার ঢাকায় ফিরতে পারবেন। আমাদের পক্ষ থেকে পর্যটন কেন্দ্রের উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। আমি অনুরোধ করব যারা ঈদে ছুটিতে বাড়িতে ফিরবেন অর্ন্তত একবার হলেও দেবহাটা রূপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটি ঘুরে যাবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কে এম রেজাউল করিম,  দেবহাটা  :
সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলাটি একটি ঐতিহ্যবাহী উপজেলা। বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের আর্ন্তজাতিক সীমানা নির্ধারকারী নদী ইছামতি নদীর ধার ঘেষে দেবহাটা উপজেলার অবস্থান। ইছামতির ওপারে রয়েছে ভারতের হাসনাবাদ রেলষ্টেশন।
যার কারনে ব্রিটিশ শাসনামলে এ অঞ্চলের মানুষের দ্বিতীয় ঠিকানা ছিল কলকাতা শহর। তারা অনায়াসেই রেলে করে কলকাতা যেতে পারতেন।
এই দেবহাটার সুশীলগাতী গ্রামে রয়েছে উপমহাদেশের প্রখ্যাত চিকিৎসক ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মূখ্যমন্ত্রী ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়ের বাড়ি। টাউনশ্রীপুরে রয়েছে ভারতের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল শংকর রায় চৌধুরীর পৈত্রিক নিবাস। এই দেবহাটার নামকরন নিয়ে নানাজনের কাছ থেকে নানারকম মতামত পাওয়া যায়।
কেউ বলেন, প্রাচীনকালে এখানে দেব-দেবীর হাট বসত, সেজন্য নাম হয়েছে দেবহাটা। আবার কেউ বলেন, প্রাচীনকালে এখানে ঘন জঙ্গল ছিল। সেই জঙ্গলে বিভিন্ন বনদস্যু বা অনেকে রাগারাগি করে যেয়ে পালিয়ে থাকত। তারা বলত ঐ জঙ্গলে দেবো—-হাটা।
আর কালে আবর্তে সেখান থেকে নাম হয়েছে দেবহাটা। তবে যে যাই বলুক না কেন এই দেবহাটাকে ঘিরে একদিকে যেমন রয়েছে নানারকম কল্পকাহিনী ঠিক তেমনি রয়েছে অনেক প্রাচীন র্কীতি বা নিদর্শন।
প্রাপ্ত তথ্য মতে জানা গেছে, ১৮৬৭ সালে তৎকালীন বৃটিশ আমলে দেবহাটার টাউনশ্রীপুরে দেবহাটা পৌরসভা গড়ে উঠেছিল। ঐ সময় বর্তমান বিভাগীয় শহর খুলনাতেও পৌরসভা গড়ে ওঠেনি। সেই পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন দেবহাটা সদরের বাসিন্দা স্বনামধন্য ও প্রজাহিতৈষী জমিদার ফনীভূষন মন্ডল।
যিনি একটানা ত্রিশ বছর পৌরসভার চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। দেবহাটা থেকে টাউনশ্রীপুর পর্যন্ত সাড়ে ৩ কিলোমিটারের মধ্যে জমিদার ও গাঁতীদার মিলে ১৮ জন বসবাস করতেন। এই ১৮ জনের মধ্যে কেউ ছিলেন অত্যাচারী আবার কেউ ছিলেন প্রজাহিতৈষী।
জমিদারদের মধ্যে প্রধান ছিলেন জমিদার ফনীভূষন মন্ডল।
যিনি মানুষের কল্যানার্থে ও সেবার মনোভাব নিয়ে অনেক স্থাপনা তৈরী করে গেছেন। তার মধ্যে আছে দেবহাটা পাইলট হাইস্কুল (বর্তমানে মডেল হাইস্কুল), থানার পাশে ফনীভূষনের মা ভূবন মোহিনীর নামে প্রতিষ্ঠিত কমিউনিটি ক্লিনিক  (যেটি বর্তমানে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে মানুষের সেবা প্রদান করা হয়) সহ অসংখ্যা কল্যানকর স্থাপনা।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
বিসিক সাতক্ষীরার আয়োজনে সরকারের এটুআই প্রোগ্রামের আওতাভুক্ত বিসিকের উদ্ভাবনী উদ্যোগ ” মাঝারি,ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের জিআইএস ভিত্তিক ডাটাবেজ” কর্মচসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কাজী আরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে বিসিকের উপব্যবস্থাপক গোলাম সাকলাইন জানান, শিল্পের ডাটাবেজ তৈরি হলে সরকারিভাবে দেয় প্রণোদনা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তিতে এ ডাটাবেজের অন্তর্ভুক্ত শিল্পগুলোর জন্য বিসিক সুপারিশ করবে,ডাটাবেজ তৈরি হলে শিল্প খাতের সব তথ্য অনলাইনে একই স্থান থেকে দ্রুত পাওয়া সম্ভব হবে।

সভায় বিসিকের শিল্পনগরী কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান ডাটাবেজ কর্মসূচি সম্পর্কে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।

সভাপতি প্রশাসনের সকল কর্মকর্তাসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সকলকে কর্মসূচি সফল করতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার নির্দেশনা দেন। আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), জেলার বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার(ভূমি),জেলা নাসিবের সভাপতি ও বিসিক শিল্পনগরীর শিল্প মালিকগন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভূমিদস্যুদের কবল থেকে খাস জমি উদ্ধার পূর্বক ভূমিহীনদের মাঝে বন্টন এবং কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে পথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার বিকালে সাতক্ষীরা শহরের খুলনরোড মোড়ে অনুষ্ঠিত পথ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা ভূমিহীণ সমিতির সভাপতি কওছার আলী ।
বক্তব্য রাখেন, জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি কমরেড আদিত্য মল্লিক, জেলা ভূমিহীন সমিতির সহ-সভাপতি গোলাম রসুল, জেলা ভূমিহীণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ, জলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জি এম রেজাউল করিম রেজা, সদর উপজেলা ভূমিহীন সমিতির সভাপতি ইউসুফ আলী, সহ-সভাপতি শাহাজান আলী, ভূমিহীন মহিলা নেত্রী নাজমা আক্তার নদী, লাবসা ইউনিয়ন ভূমিহীন সমিতির সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম, মহিলা নেত্রী সাহিদা আক্তার ময়না, ইসমাইল হোসেন, এড আকবর আলী, বিশ^াস আবুল কাশেম, আরমান আলী, আজহারুল ইসলাম, শরিফা খাতুন প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, কলারোয়া উপজেলায় ভূমিহীনদের ঘর দেওয়ার নাম করে যে জমি ক্রয় করেছে তা প্রকৃত মূল্য ছাড়া কয়েকগুন বেশি দেখানো হয়েছে। এই সকল দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। উচ্ছেদ হওয়া ভূমিহীনদের পুর্নাবসন করতে হবে। প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে মুজিবর্ষের ঘর দিতে হবে। ভূমিহীনদের তালিকা তৈরিতে জেলার ভূমিহীনদের সহযোগিতা নিতে হবে। খাস জমি কোন প্রভাবশালীকে আর না দিয়ে ভূমিহীনদের দিতে হবে। বিনেরপোতা আফসান গ্রুপের ভবন উচ্ছেদ না করে অসহায় ভূমিহীনদের কে উচ্ছেদ করা হয়েছে। যা কিছু প্রভাবশালী দুর্নীতির কর্মকর্তা নায়েবসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় তা বলবান রয়েছে অবিলম্বে উচ্ছেদ করতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তর কে দৃষ্টি আকর্ষন জেলায় ১৫০ টির বেশি ভাটা রয়েছে। যার অধিকাংশ ইটের ভাটা গুলো জনবশতিপূর্ণ এলাকায় করা হয়েছে। অবিলম্বে এসব ভাটা বন্ধের দাবি জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest