সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর২৪ ঘণ্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইব্রাহিমআশাশুনিতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙেছে ৫টি ঘর, চরম দুর্ভোগে ক্ষতিগ্রস্তরামুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ

আশাশুনি প্রতিনিধি :
আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে নাশকতা মামলায় উপজেলা জামাতের আমির ইউপি চেয়ারম্যান সহ ১০জন আটক হয়েছে। গত দুই দিনে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মমিনুল ইসলাম (পিপিএম) এর নেতৃত্বে থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান পরিচালনাকালে ৫(১২)২২ নং নাশকতা মামলায় উপজেলা জামাত ইসলামের আমির ও শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আবু বক্কার সিদ্দিক, বুধাহাটা সাবেক ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আব্দুল করিম ঢালী, বুধহাটা শাহজাহান আলী সরদারের ছেলে বকুল সরদার, কুল‍্যা গ্রামের গফফার সরদারের ছেলে মেহেদী হাসান, পদ্ম বেউলা গ্রামের মৃত আব্দুল সরদারের ছেলে মোজাম মাস্টার, আশাশুনি সদরের ইয়াকুব আলী সানার ছেলে আব্দুল হাই সানা, শ্রী কলস গ্রামের মৃত গফফার সরদারের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান,

আশাশুনি সদরের মৃত খালেক সরদারের ছেলে আলমগীর হোসেন পিন্টু সরদার, বালিয়াপুর গ্রামের মৃত আবু তালেব মোল‍্যার ছেলে আব্দুল লতিফ মোল‍্যা। একই দিনে অন্য মামলায় অন্য মামলায় বড়দল ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়দল গ্রামের কাওসার ঢালীর ছেলে সামাদ ঢালীকে আটক করে। থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মমিনুল ইসলাম (পিপিএম) জানান, নাশকতা সৃষ্টি পরিকল্পনা, ককটেল রাখা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় এসআই কাজী নুরুন্নবী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে।

এ মামলার অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত ছিল। বুধবার রাতে উপজেলা জামাতের আমির মাওঃ আবু বক্কর সিদ্দিক ও বিএনপির সাবেক সভাপতি করিম ঢালীকে আটক করা হয়। আটকৃত আসামীদের বৃহস্পতিবার সকালে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা ১ (তালা-কলারোয়া) সংসদ সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ সাথে সৌজন্য সাক্ষাত ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছে তালা উপজেলার জাতীয় মহিলা সংস্থার নব-গঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দরা। এসময় সংসদ সদস্য’র সহধর্মিনী নাসরীন খান লিপিকে ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরায় সংসদ সদস্য বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাত ও ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এসময় জাতীয় মহিলা সংস্থার নব-গঠিত কমিটিকে মিষ্টিমুখ করান এবং তাদেরকে অভিনন্দন জানান সংসদ সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ ।

সৌজন্য সাক্ষাত ও শুভেচ্ছা বিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন এসময় তালা উপজেলার জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান সুতপা রাহা, জাতীয় মহিলা সংস্থার সদস্য শিক্ষিকা তানিয়া জেসমিন, নাসিমা সুলতানা, দেবশ্রী পাল, তথ্যসেবা কর্মকর্তা সাথী রানী রায়,জাতীয় মহিলা সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো ফরিদুজ্জামান প্রমূখ।

এসময় নগরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান লিপু উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) সাতক্ষীরার চায়না বাংলা কনফরেন্স রুমে উইনরক ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃক বাস্তবায়িত সুইজারল্যান্ড এ্যাম্বেসির অর্থায়নে আশ্বাস প্রকল্প কর্তৃক ২০ জন মেন্টরের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

মানবপাচার থেকে উদ্ধারপ্রাপ্ত নারী ও পুরুষদের এলাকাভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষনের মাধ্যমে সারভাইভারদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করায় মেন্টরদের সমাজ সেবামূলক অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তাদেরকে এই সম্মাননাসূচক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এসময় অনুষ্ঠানে মেন্টর মেন্টি ট্রেনিং শেষ করে কর্মে যুক্ত হয়েছে ৫ জন সারভাইভার তাদের অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করেন।মূলত আশ্বাস প্রকল্পের এই নতুন উদ্যোগ গ্রহনের মাধ্যমে মেন্টর মেন্টি প্রশিক্ষন গ্রহন শেষে সারভাইভারগণ নিজেরা স্বাবলম্বী হতে পারছে। তাই আশ্বাস প্রকল্পের থেকে এই ধরনের মেন্টর যারা অসহায় মানুষকে আর্থিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য সহযোগিতা করে যাচ্ছেন তাদেরকে সম্মাননা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

মেন্টরদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মঈনুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা টি টি সি এর অধ্যক্ষ কে এম মিজানুর রহমান, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার সঞ্জীব কুমার দাস, সাতক্ষীরা নাসিব এর সভাপতি জি এম ইসলাম রনি, অগ্রগতি সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আব্দুস সবুর বিশ্বাস, কারিতাস মটস এর টেকনিক্যাল অফিসার তপন কুমার অধিকারী এবং উইনরক ইন্টারন্যাশনালের ট্রেনিং এ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট ম্যানেজার মো: ওমর ফারুক।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিগণ তাদের বক্তব্যে ভবিষ্যতে আশ্বাস প্রকল্পের এই ধরনের সমাজসেবামূলক কাজের জন্য তাদের প্রতিষ্ঠান সর্বদা সাথে থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত মেন্টররা মাঠ পর্যায়ে তাদের কাজের অভিজ্ঞতা-লার্নিং সমূহ শেয়ার করেন এবং অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের নিকট থেকে সম্মাননা সূচক ক্রেস্ট গ্রহন করেন।
এসময় অনুষ্ঠানে এ প্রকল্পের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মেন্টরদের সম্মাননা প্রদানের সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উইনরক ইন্টারন্যাশনালের আশ্বাস প্রকল্পের ট্রেনিং এ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট ম্যানেজার মো: ওমর ফারুক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি:
মাধবকাটিতে সরকারি সম্পত্তি মাটি ও বালু বিক্রেতা ওয়ারেশ আলীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে গণস্বাক্ষরকৃত অভিযোগ জমা দিয়েছেন তারা।

এলাকাবাসী জানান, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মাধবকাটি এলাকার মাধবকাটি মৌজায় জে এল নং ৮১ এবং ২৩২ ও ২৯৪ নং এস এ খতিয়ানে ক তপশীল ভুক্ত অ-ইজারাভুক্ত ভিপি সম্পত্তি (খালের জমি) থেকে দীর্ঘ ১০/১২ বছর যাবত পাইপ বসিয়ে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালি এবং মাটি বিক্রয় করে আসছেন মাধবকাটি গ্রামের মৃত মাদার মোড়ল উরফে পাগলা মোড়লের পুত্র ওয়ারেশ আলী মোড়ল। ইচ্ছামত মাটি কাটা এবং বালি বিক্রয় করার কারনে যে কোন সময় বড় ধ্বংসের সৃষ্টি হতে পারে এমন আতংক দেখা দেয় এলাকাবাসীর মধ্যে। কিন্তু এবিষয়ে তাকে সতর্ক করলেও কারো কথা না শুনে রাস্তা কেটে, খালে ধারের মাটি কেটে এবং অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রয় করে আসছিলেন ওয়ারেশ আলী।

এবিষয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারী২০ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এলাকাবাসী। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ৫ নভেম্বর ২০২০ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার মো: নুরুল আমিন ৩১.৪৪. ৮৭০০.০২১.০৩.০০২.২০-৩৪৭নং স্মারকে অভিযুক্ত ওয়ারেশ আলীকে সতর্ক করা হয় এবং পুনরাবৃত্তি ঘটলে জরিমানার নির্দেশক্রমে সহকারী কমিশনার(ভূমি) সাতক্ষীরা সদরকে প্রতিবেদন প্রেরণ করেন।

কিন্তু কিছুদিন পর পুনরায় ওয়ারেশ আলী সম্পত্তি থেকে অবৈধভাবে মাটি বিক্রয় শুরু করে। এলাকাবাসী বিষয়টি আবারো জেলা প্রশাসনকে অবগত করালে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তাৎক্ষনিকভাবে মাটি বিক্রয় বন্ধ করেন ওয়ারেশ আলী।

তবে আবারো মাটি বিক্রির পায়তারা শুরু করেছেন ওয়ারেশ আলী। ইতোমধ্যে বিভিন্ন ইট ভাটা মালিকদের প্রতিনিধিদের সেখানে নিয়ে মাটি বিষয়ে বিভিন্ন আলাপ আলোচনা করেছেন বলে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী দাবি করেছেন। ওই মাটি খাদক ওয়ারেশ আলী সেখান থেকে যাতে আর কোন ভাবেই মাটি বিক্রয় করতে না পারে সে বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরারা তালার কুমিরায় অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করতে না পেরে মন্দির ভাংচুরের কাল্পনিক নাটক সাজিয়ে মিথ্যা মামলায় তিনজনকে কারাগারে পাঠানের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিরোধপূর্ণ ওই সম্পত্তিতে কখন মন্দির ছিল না। ধর্মীয় ইস্যু সৃষ্টি করে পুলিশকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছে কুমিরা গ্রামের গৌতম দে গং।

গৌতম দের দায়ের করা কল্পিত মামলাটি সুষ্ঠ তদন্তের দাবী জানিয়েছে কুমিরা গ্রামের রেজাউল সরদারসহ তার পরিবার। রেজাউল সরদার মিথ্যা মামলার হাতথেকে রক্ষাপেতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক জনার্কীন সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পাটকেলঘাটার কুমিরা গ্রামের মৃত মো: জামাল উদ্দীন সরদারের ছেলে মো: রেজাউল সরদার। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন কুমিরা মৌজায় ১০২২ খতিয়ানে ৪১১৭, ৪১২১, ৪১১৯, ৪১৩৭, দাগে ৬.৭০ একর জমি দীর্ঘদিন ধরে পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে ভোগদখল করে আসছিলাম। উক্ত সম্পত্তিতে কালিগঞ্জ সহকারী জজ আদালতের অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পন ট্রাই: ৮১৬/২০১২ নং মামলায় গত ইং ০২/১০/২২ তারিখে আমাদের পক্ষে রায় ডিক্রি হয়।

উক্ত আদালত ডেপুটি কমিশনার সাতক্ষীরাকে আগামী ৯০দিনের মধ্যে উক্ত সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তির তালিকা হতে অবমুক্তির নির্দেশ দেন। উক্ত সম্পত্তিতে আমাদের পারিবারিক কবরস্থান, পাঞ্জেগানা, বসতবাড়িসহ দোকানপাটও রয়েছে। এদিকে সংখ্যালঘুর দোহাই দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উক্ত সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করে আসছিল একই এলাকার গৌতম দে গং। কিন্তু আদালত থেকে আমাদের পক্ষে রায় ডিক্রি হওয়ার পর থেকে মৃত. সুনিল কুমার দের পুত্র গৌতম কুমার দে এবং সহযোগিরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে। উক্ত সম্পত্তিতে তাদের কোন শর্ত না থাকার পরও শুধুমাত্র অবৈধ লোভ ও লাভের বশবর্তী হয়ে গৌতম কুমার দে গং নানা চক্রান্ত শুরু করে। এর জের ধরে গত ০২/১২/২২ তারিখে গৌতম কুমার দের নেতৃত্বে কার্তিক দে, স্বপন দে, বাবুল দে, সাগর দে, পিং- কার্ত্তিক দে সহ ভাড়াটিয়া ২০০/২৫০ জন ব্যক্তি অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমাদের দখলীয় সম্পত্তিতে প্রবেশ করে আমাদের বসতবাড়ি ভাংচুরের চেষ্টা করে এবং নতুন ঘর নির্মানের চেষ্টা করে। এতে আমরা বাধা দিতে গেলে আমাদের খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে চলে যায়। পরবর্তীতে ওই ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলায় পুলিশ আমার দুই ভাই এবং মামাকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করেন। বিজ্ঞ আদালত আমাদের জামিন দিয়েছেন।
মিথ্যা মামলায় আমাদের কারাগারে পাঠিয়ে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে পত্রপত্রিকায় মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন তারা। এমনকি আমাদের ফাঁসাতে ৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের উপস্থিত হয়ে আমরা তাদের বাড়িঘর এবং মন্দির ভাংচুর করেছি মর্মে সংবাদ সম্মেলন করে। অথচ উল্টো তারাই আমাদের বাড়িঘর ভাংচুর করে। আর সেখানে কোন মন্দির ইতোপূর্বেও ছিলোনা। বর্তমানেও নেই বা বসত ঘরও নেই। তাহলে ভাংচুর কিভাবে হল? শুধুমাত্র সম্পত্তি দখল করতে না পেরে মন্দির ভাংচুরের কাল্পনিক মিথ্যা নাটক সাজানো হয়েছে। আদৌ ওই সম্পত্তি গৌতম দের ভোগদখলে ছিলো না এবং নেই।

তিনি আরো বলেন আমরা অত্যান্ত অসহায় নিরিহ প্রকৃতির মানুষ হওয়ায় ধর্মীয় সংখ্যালঘুর দোহাই দিয়ে আমাদের হয়রানি করে যাচ্ছে তারা। অথচ উক্ত সম্পত্তির সকল বৈধ কাগজপত্র এবং আদালতের রায় ডিক্রি আমাদের পক্ষে রয়েছে। আমরা তদন্তপূর্বক উল্লেখিত গৌতম দে এবং তার সহযোগীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরায় জেন্ডার ভিক্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ১৬ দিবস সক্রিয়তা কার্যক্রম র্শীষক এ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৮ ডিসেম্বর সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে সোনারগাঁ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মোঃ নজরুল ইসলাম।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসু দেব বসু, জেলা তথ্য অফিসার, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা প্রতিনিধি সমাজ সেবা উপ-পরিচালক সন্তোষ কুমার নাথ, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর উপ- পরিচালক আশীষ কুমার মন্ডল, ইন্সেপেক্টর অফ ট্যাক্স সাইফুদ্দীন আহমেদ, কানাডা হাই কমিশনের প্রতিনিধি সামাইয়া করিম ও আমিচি ডি ফান্সেসকোর ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্লেলিয়া পেজাল্লি।

সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট দেবেন্দ্র নাথ গাইনের সভাপত্বিতে অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সংস্থার সহকারী পরিচালক মলি মন্ডল। সভার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক সভারঞ্জন শিকদার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব আলহাজ¦ মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, ১৬ দিবস সক্রিয়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে আমাদের নারী ও কন্যা শিশুদের সুরক্ষা দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, প্রতিবন্ধী কন্যা শিশুদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল তৈরি করতে হবে। তিনি সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশন এর আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

ধারাবাহিকভাবে সরকারী-বেসরকারী সংস্থা থেকে আগত বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত সকলেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা ও সঞ্চালনা করেন সম্প্রীতি’র প্রোগ্রাম অফিসার রেহেনা পারভীন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খুলনা প্রতিনিধি :
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) চতুর্থ মেধা তালিকার ভিত্তিতে প্রথম বর্ষে স্নাতক (সম্মান)/স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ku.ac.bd/undergraduate তে ইউনিট ও স্কুল অনুযায়ী চতুর্থ মেধা তালিকাসহ বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে। চতুর্থ পর্যায়ের প্রাথমিক ভর্তি প্রক্রিয়া আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়। যা আগামীকাল শনিবার (১০ ডিসেম্বর) রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে জিএসটি ওয়েবসাইটের (gstadmission.ac.bd)  মাধ্যমে নির্ধারিত ফি প্রদান করে সম্পন্ন করতে হবে।

তবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের এসএসসি এবং এইচএসসি ও সমমানের পাসের মূল মাকর্শিট আগামী ১১ ডিসেম্বর (প্রতিদিন সকাল ৯টা হতে বিকাল ৪টা) পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দিতে হবে। অন্যথায় প্রাথমিক ভর্তি বাতিল হয়ে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইকেল মধুসূদন দত্ত অতিথি ভবনের শিক্ষক ক্লাবে এই ভর্তির কাগজপত্র জমা নেওয়া হবে। মূল মার্কশীট দুটি আবেদনকারীর নাম ও জিএসটি রোল নম্বর লেখা একটি এ ফোর সাইজের খামে করে জমা দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস এ তথ্য জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. কাজী মাসুদুল আলম জানান, চতুর্থ পর্যায়ে ভর্তির জন্য একজন ভর্তিচ্ছুর পছন্দের তালিকায় একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও যেকোনো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আর কখনো ভর্তির জন্য বিবেচিত হবে না। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থাকা অবস্থায় মাইগ্রেশন সম্পন্ন করলে পূর্বের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য বিবেচিত হবে না। জিএসটিভুক্ত যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিমধ্যে প্রাথমিক ভর্তি সম্পন্ন করে থাকলে পুনরায় ভর্তি হতে হবে না। তবে আবেদনকারী একইসঙ্গে অন্য এক বা একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হলে তার ভর্তি অন্য বিশ্ববিদ্যালয় স্থানান্তর (ইউনিভার্সিটি মাইগ্রেশন) করতে পারবে। আবেদনকারীকে নিজ দায়িত্বে প্রদত্ত নির্দেশনা অনুসরণ করে gstadmission.ac.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে ইউনিভার্সিটি মাইগ্রেশন ১০ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। সেক্ষেত্রে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। মূল কাগজপত্র যে বিশ্ববিদ্যালয় জমা আছে সেখানেই থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা সদর থানা জামে মসজিদের সম্প্রসারিত ভবনের ভিত্তিপ্রস্তুরের উদ্বোধন করা হয়েছে।

৮ ডিসেম্বর যোহর বাদ প্রধান অতিথি হিসেবে ভিত্তিপ্রস্তুরের শুভ উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার ও সদর থানা জামে মসজিদের সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এবং মসজিদের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ সজীব খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ আতিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মীর আসাদুজ্জামান, থানা মসজিদের সহ-সভাপতি ডাঃ মুনছুর আহমেদ,

সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ও মসজিদের সাধারণ সম্পাদক আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান, মসজিদের ক্যাশিয়ার মো: রুস্তম আলী, সদস্য হাবিবুর রহমান, মঞ্জুরুল ইসলাম, আব্দুস সামাদ, মীর আহছানুল হক, হাসান সিরাজুম মনিরসহ মসজিদ কমিটির সদস্যবৃন্দ। দোয়া পরিচালনা করেন অত্র মসজিদের পেশ ইমাম মাও সাইফুল্লাহ আনোয়ার। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest