সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ড

শ্যামনগরে কেন্দ্রীয় যুবলীগের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পূজা মন্ডপে চেক বিতরণ

 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চল সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কেন্দ্রীয় যুবলীগের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পূজা মন্ডপ উন্নয়নে চেক বিতরণ করেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহ সম্পাদক ও সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্র নেতা বাবলুর রহমান বাবলু।

তিনি জানান,
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের চেয়ারম্যান ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এর নির্দেশক্রমে কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট এর ভাইস চেয়ারম্যান বাবু সুব্রত পাল এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে শ্যামনগরের বিভিন্ন পূজা মন্ডবে উন্নয়নে চেক হস্তান্তর করছি। বুধবার (১৩ জুলাই) উপজেলার বিভিন্ন পূজামন্ডপে শ্যামনগরের কৃর্তি সন্তান কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহ সম্পাদক ও সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্র নেতা বাবলুর রহমান বাবলু অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে চেক হস্তান্তর করেন। এসময় পদ্নাপুকুর ইউনিয়নে কামাল কাটি সার্বজনীন দূর্গা মন্দিরে পক্ষে চেক গ্রহণ করেন মন্দিরের সভাপতি বৈদ্য নাথ মন্ডল, গাবুরা ইউনিয়নের খলিষাবুনিয়া মধ্যপাড়া দূর্গা ও কালি মন্দিরের পক্ষে চেক গ্রহণ করেন সাধারণ সম্পাদক শরৎ মন্ডল, মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের সৎসঙ্গ মন্দিরে পক্ষে সাধারণ সম্পাদক এিদ্বীপ তারণ মন্ডল। এসময় হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আল মামুন লিটন, উপজেলা যুবলীগের সদস্য আহসানুর রহমান শেখ হারুন অর রশিদ, বিশ্বনাথ নন্দী সাগর, শেখ সুন্নত আলী, হাসানুজ্জামান লিটন,, আতাউর রহমান, মুজাহিদ, শরীফুল ইসলাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা থানা জামে মসজিদের কার্যকরি কমিটি গঠন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সাতক্ষীরা সদর থানা জামে মসজিদের কার্যকরি কমিটির গঠিত হয়েছে। গত ১২ জুলাই সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম(বার) স্বাক্ষরিত একপত্রে উক্ত কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়।

কমিটির সভাপতি সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার, সহ-সভাপতি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা ডা: মুনছুর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক সদর থানার অফিসার ইনচার্জ,

সহ-সম্পাদক ডা: আবুল কালাম বাবলা, হিসাব রক্ষক শেখ আবুল কালাম, কোষাধ্যক্ষ রোস্তম আলী, সদস্যযথাক্রমে মীর মোস্তফা হাসান, শেখ মঞ্জুরুজ্জামান, ডা: মিনহাজ আহমেদ,

শেখ নিয়াজ হাসান, মো: মিজানুর রহমান, মো: মমতাজ আহমেদ বাপ্পী, রবিউল ইসলাম রবি, মফজুলার রহমান, হাবিবুর রহমান, মীর আহাছানুল হক, মো: আবু সাঈদ(শিক্ষক), জিয়াউল বিন সেলিম যাদু, মো: আব্দুস সামাদ, সিরাজুম মনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে একই পরিবারের তিনজনকে জখম

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে একই পরিবারের তিনজনকে পিটিয়ে জখমের ঘটনা ঘটেছে।
১২ জুলাই সকাল ১০ টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের মুনজিতপুরস্থ লম্বাটালী এলাকায় এঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, মুনজিতপুর লম্বাটালী গ্রামের শেখ আব্দুল করিম, তার পুত্র শেখ আব্দুল রাসেকুল ইসলাম ও কন্যা আফরিন রিয়া।
এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে প্রতিকার চেয়ে আব্দুল করিমের স্ত্রী রওশন আরা বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, আব্দুল করিমের বাড়ীর পূর্ব পাশে চলাচলের পথ আছে। উক্ত পথ দিয়ে তারা দীর্ঘদিন যাবত চলাচল করে আসছিল। কিন্তু একই এলাকার মৃত লুৎফর রহমানের পুত্র শেখ আব্দুর রহিমগং উক্ত পথ বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করিলে স্থানীয় ভাবে আপোষ মিমাংসার করা হয়। স্থানীয় কাউন্সিলরসহ গ্রামের গন্যমান্য লোকজন আমাদের উক্ত পথ দিয়ে চলাচল করিতে বলে।

কিন্তু তারা কারো কথা মানে না। উক্ত পথ দিয়ে করিম এর পরিবার চলাচল করায় রহিম গং ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১২ জুলাই সকাল ১০ টার দিকে রহিমের নেতৃত্বে তার পুত্র শেখ আব্দুল রাফি, শেখ আব্দুল নাজিম, শেখ আব্দুল নাহিদ, মৃত. লুৎফর রহমানের পুত্র শেখ আব্দুস সাত্তার, রহিমের স্ত্রী নীলুফা ইয়াসমিনসহ কতিপয় ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে করিমের বসতবাড়ীতে প্রবেশ করে তাকে মারপিট করতে থাকে। এতে বাধা দেওয়ায় করিমের পুত্র শেখ আব্দুল রাসেকুল ইসলাম ও কন্যা সাদিয়া আফরিন রিয়াকে মারপিট করে গুরুতর জখম করে। এদের মধ্যে রাসেকুল ইসলাম মাথায় গভীর জখম প্রাপ্ত হয়। এসময় স্থানীয়রা তাদের দ্রুত উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এঘটনায় ন্যায় বিচারের দাবিতে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে করিমের স্ত্রী রওশন আরা। তিনি দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় সংখ্যালঘুর দোহায় দিয়ে রেকর্ডীয় সম্পত্তি দখল চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরায় সংখ্যালঘুর দোহায় দিয়ে আইন ও আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রায় শত বছরের দখলীয় রেকর্ডীয় সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল চেষ্টায় ষড়যন্ত্র মূলক হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, আশাশুনি উপজেলার গুনাকরকাটি গ্রামের মৃত মোসেল উদ্দীন সানার পুত্র জিয়াউর রহমান।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, সাতক্ষীরার হাবাসপুর মৌজায় খতিয়ান নং এসএ ২১, হাল ১৯৫, ১৭, দাগ নং- ৩১২, ৩১৪, ৩১৩ জমির পরিমান ৫১ শতকের মধ্যে ৪৫ শতক সম্পত্তি আমার মাতা মোছা: জবেদা খাতুনের পৈত্রিক সম্পত্তি।

যার পরবর্তীতে ওয়ারেশ হিসেবে আমিসহ আমার ভাই বোন এবং মাতা উক্ত সম্পত্তি ভোগদখল করে আসছি।

হাবাসপুর গ্রামের এখলাছুর রহমান বকুল, মহাদেব কুমার ঘোষ, আকরাম হোসেন, সিরাজ সরদার ও অরবিন্দু ঘোষ গং উক্ত সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের চক্রান্ত শুরু করে। সম্পত্তির কিছু অংশ ভ্রমাত্মকভাবে অরবিন্দুসহ কয়েকজনের নামে রেকর্ড হয়ে যায়।

যদিও আমরা রেকর্ড সংশোধনের জন্য আদালতে মামলা দায়ের করেছি। কিন্তু ওই ভ্রমাত্মক রেকর্ডকে পুজি করে উল্লেখিত ব্যক্তিরা আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি দখলে মরিয়া হয়ে ওঠেছে। উক্ত সম্পত্তি আমাদের দখলে থাকলেও তা দখল করতে সংখ্যালঘু পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বিভিন্ন দপ্তরে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন অভিযোগ দায়ের করে হয়রানি করে যাচ্ছে। এমনকি পত্র-পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে আমাদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে যাচ্ছে। এ উদ্দেশ্যে গত ৮জুন অরবিন্দু ঘোষ প্রেসক্লাবে হাজির হয়ে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে ভিত্তিহীন একটি সংবাদ সম্মেলন করে।

এছাড়া এর আগে তার ভাই জগবন্ধুও একই তথ্য দিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ করে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। তারা দাবি করেছে, ১৯৩৩/৩৪ সালে তারা বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে নিলামে উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করেছিল। অথচ ১৯৭১ সালে স্বাধীন হওয়ার পরই বাংলাদেশের সৃষ্টি হয়েছে। তাহলে তারা কিভাবে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে নিলামে খরিদ করলেন। এছাড়া আংশিক নিলামের কথা বলা হয়েছে।

নিলাম কখনো আংশিক হয় না এবং ১৯৩৩/৩৪ সালে নিলাম বয়নামায় বাংলায় লেখা হত না। তাদের উপস্থাপিত দলিল বাংলায় লেখা এবং ১৭. ৫৯ শতক সম্পত্তি দাবি করলেও তাদের দলিল, ভলিউম বইয়ে ১৭.৫৬ শতক সম্পত্তি। তাহলে কিভাবে তারা ৫৯ শতক সম্পত্তি দাবি করছেন। তাদের উপস্থাপিত নিলাম বয়নামায় দলিলে কোন সরকারি বড় সিল মোহর কিছুই নাই। এছাড়া তাদের নিলাম সার্টিফিকেটের কোন তথ্য হুদিস পাওয়া যায়নি। কোবলা দলিলের সাথে ভোলমের সাথে মিল নাই। দলিলের সার্টিফাইট কপিতে গ্রহিতার পিতার নাম উল্লেখ করা হয়নি। এস এ রেকর্ডের মালিক শ্রী সতিন্দ্রনাথ ঘোষ ও শ্রী পঞ্চানন ঘোষ, এই দুই ব্যক্তির কোনজন্ম পরিচয় বা এদের কোন ওয়ারেশ কায়েম সনদ পত্র পাওয়া যায়নি।

সুতরাং তাদের দলিল জ¦াল বলে আমরা মনে করি। এছাড়া অরবিন্দু ঘোষগং একটি সোলেনামা দাখিল করেছে। গত ০৯ সেপ্টেম্বর ৬৯ তারিখের ৯৫/৬৯ নং সোলে নামা যার বাদী কালীপদ ঘোষ, বনাম বিবাদী খগেন্দ্র নাথ ঘোষ এর মধ্যে সোলে সুত্রে ১৯/১২/৬৯ তারিখে নিস্পত্তি করে কালীপদ ঘোষ ফাইনালী ডিগ্রি পেয়েছেন বলে উক্ত বিষয় বর্ণনা করেছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এইসোলে নামা জাল। ১৭ জুলাই ১৯৩৫ তারিখের ১৬৬৯নং কোবলা দলিলের গ্রহিতা জোতিন্দ্র নাথ ঘোষ এবং এস এ রেকর্ডের মালিক সতীন্দ্র নাথ ঘোষ। এর কোন বুনিয়াদ বা দলিলাদি খুজে পাওয়া যায়নি। অথচ আমাদের সকল কাগজপত্র সঠিক থাকার পরও সংখ্যালঘুর দোহায় দিয়ে আমাদের সম্পত্তি দখল করতে চান তারা। এবিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে দুইবার বসাবসি হলেও তারা শালিস মানেনি। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকারও পর তারা চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। গত ৪জুন ২২তারিখে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ উক্ত সম্পত্তি পরিদর্শন করে নিষেধাজ্ঞাদেশ জারি করেন। অথচ আমার নেতৃত্বে তাদের উপর হামলা করার মিথ্যা কল্পকাহিনী সাজিয়ে প্রচার করা হচ্ছে। আমি একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকুরি করে জীবিকা নির্বাহ করি। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানি করাসহ প্রকাশ্যে খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে যাচ্ছে। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় সংখ্যালঘু পরিচয় দিয়ে তার পৈত্রিক সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল চেষ্টাকারী অরবিন্দু গং এর ষড়যন্ত্রের হাত রক্ষা পেতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকড়া ব্রীজটি ব্যবহারে বিরত থাকতে সতর্ক করলেন ইউএনও

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের মরিচ্চাপ নদীর উপর নির্মিত বাঁকড়া ব্রীজটি মাঝ বরাবর ডেবে গিয়ে যানবাহন ও জনসাধারণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ব্রীজটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকার জন্য সকলকে সতর্ক ও অনুরোধ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়ানুর রহমান।

এসময় স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও জনসাধারণের ভোগান্তি কমাতে বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়ে জানতে চাইলে জবাবে তিনি বলেন, এজন্য সময় লাগবে।
উল্লেখ্য, গত ৪ জুলাই সোমবার গভীর রাতের কোন এক সময়ে বাঁকড়া ব্রীজটির মাঝ বরাবর ভেবে দু’দিকের সংযোগ সড়ক থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন হয়ে যানবাহন ও জনসাধারণের ব্যবহারে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

মরিচ্চাপ নদী খননের কারনে খননকৃত নদীর প্রস্থ ১৮০ ফিটের তুলনায় ব্রীজটির দৈর্ঘ্য ৬০ ফিট হওয়়ায় এবং ব্রীজের প্লিয়ারের পাশ থেকে বালু এবং মাটি সরে যাওয়ায় ব্রীজটির একাধিক স্থানে ফাটল ধরে দূর্বল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলো।

অন্যদিকে পাইথালী টু কালিবাড়ি বাজার সড়কের বেহাল দশা, কামলকাটি(শালখালী বাজার) ব্রীজটি অনুরূপ ভাবে ডেবে এবং সর্বশেষ বাঁকড়া ব্রীজটি ভেঙে পড়ায় এ অঞ্চালে মাঝারী বা ভারী যানবাহনের যাতায়াতের আর কোন উপায় বাকি রইল না।

এছাড়া গোড়া কামালকাটি ব্রীজ পার হয়ে ওয়াবদা রাস্তা কাঁচা থাকায় কুঁন্দুড়িয়া পি এন মিধ্যমিক বিদ্যালয়ে আসা প্রতিষ্ঠানটির কামালকাটি ও বাঁকড়াসহ এ অঞ্চালের শিক্ষার্থীরা পড়ছে চরম বিপাকে। এমতাবস্থায় নতুন ব্রীজ নির্মাণ যেহেতু সময়ের ব্যাপার সেহেতু দ্রুত ছোট যানবাহন ও শিক্ষার্থীদের চলাচলের বিকল্প পথ বের না করতে পারলে অসহায়ত্বের মধ্যে দিন যাপন করতে হবে এ এলাকার জনসাধারণের। বড় কোন দূর্ঘটনা এড়াতে শিক্ষার্থীসহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনায় এখানে যতদ্রুত সম্ভব কাঠ অথবা বাঁশের সেতু তৈরির জন্য উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রাথমিক চিকিৎসায় গ্রাম্য ডাক্তাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে –ডাঃ রুহুল হক এমপি

আশাশুনি ব্যুরো: দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসায় গ্রাম্য ডাক্তাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসায় একজন গ্ৰাম্য ডাক্তারকে যেটুকু করা উচিত সেই লিমিট অতিক্রম না করার জন্য আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুল মিলনায়তনে আশাশুনিতে কর্মরত আশাশুনি গ্ৰাম্য ডাক্তার (আরএমপি) ওয়েলফেয়ার সোসাইটির বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক এমপি। এসময় তিনি গ্ৰাম্য ডাক্তারদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভরা বিভিন্ন প্রলোভনের মাধ্যমে আপনাদের দিয়ে পাওয়ারফুল এন্টিবায়োটিক লেখানোর চেষ্টা করবে।

আপনার তাদেরকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে প্রয়োজনে রোগীদেরকে রেফার করে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে পাঠানোর পরামর্শ দেন। সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গ্ৰাম্য ডাক্তারদের প্রত্যন্ত অঞ্চলের রোগীদের প্রাথমিক পর্যায়ে সেবায় নিয়োজিত করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান তিনি। বক্তব্যে শেষে তিনি গ্ৰাম্য ডাক্তারদের উদ্দেশ্যে রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
আশাশুনি উপজেলা গ্ৰাম ডাক্তার (আরএমপি) ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি গ্ৰাম ডাক্তার ইশার আলীর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি ঢালী মোঃ সামছুল আলমের সঞ্চালনায় এসময় বিশেষ অতিথি ও অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শম্ভুজিত মন্ডল,

থানা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) জাহাঙ্গীর হোসেন, বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলের অধ্যক্ষ আবু দাউদ, ডাঃ সুব্রত কুমার ঘোষ, ডাঃ পিনাক কুমার মন্ডল, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মোসলেমা খাতুন, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মিরাজ আলী, এসএম শাহনেওয়াজ ডালিম, সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুল হক ডাবলু, দিপংকর বাছাড় দীপু,

এসএম ওমর সাকি ফেরদৌস, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম রেজা মিলন, আব্দুল বাছেদ আল হারুন চৌধুরী, আলিম মোল্যা, আওয়ামী লীগ নেতা এটিএম আক্তারুজ্জামান, মোহাম্মদ আলী, আব্দুল জলিল ঢালী, বাংলাদেশ গ্ৰাম্য ডাক্তার (আরএমপি) ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সদস্য সচিব গ্ৰাম্য ডাক্তার আজিজুল ইসলাম, গ্ৰাম্য ডাক্তার মিজানুর রহমান ডাবলু, গ্ৰাম্য ডাক্তার মাহবুবুল ইসলাম, আশাশুনি উপজেলা গ্ৰাম্য ডাক্তার কমিটির সেক্রেটারি বিনয় কুমার বিশ্বাস, কালিগঞ্জ উপজেলা কমিটির সেক্রেটারি মিলন কুমার প্রমূখ। ####

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৮৬ সাতক্ষীরা ব্যাচের ঈদ পুণর্মিলনী

৮৬ সাতক্ষীরা ব্যাচের ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সাতক্ষীরা শহরের নারকেলতলা এলাকায় অনুষ্ঠিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ৮৬ সাতক্ষীরার সভাপতি আবু জাফর।

বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো: গোলাম হাসান, চেয়ারম্যান ফারুখ খান টগরসহ ৮৬ ব্যাচের বন্ধুরা। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, মাগফুর রহমান।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ৮৬ ব্যাচের বন্ধুদের বিপদে আপদে সব সময় আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকবো। আমাদের বন্ধুত্ব আরো দৃঢ় হবে। যা আমাদের সামাজিক ও পারিবারিক জীবনে ভ্রাতৃত্বের সৃষ্টি করবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে বিষাক্ত দ্রব্য খাইয়ে স্বামীর নগদ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ!

নিজস্ব প্রতিনিধি :
আশাশুনিতে বিষাক্ত দ্রব্য খাইয়ে স্বামীর অর্জিত অর্থসহ নগদ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী স্বামী প্রতিকার চেয়ে আশাশুনি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ভুক্তভোগী স্বামী শফিকুল ইসলাম মোল্যা আশাশুনি বাইনতলা গ্রামের মৃত হাজী বাবর আলী মোল্যার পুত্র।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রাজপুর গ্রামের গোলদার শেখের কন্যা মনোয়ারা বেগমের সাথে গত বছর দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন শফিকুল ইসলাম। বিবাহের পর থেকে রাজপুর গ্রামের শফিকুল স্ত্রী মনোয়ারা খাতুনের বসবাস শুরু করে। একপর্যায়ে মনোয়ারা খাতুনের কন্যা খুকুমনি ও জামাতা নুর ইসলামের কু পরামর্শে শফিকুলের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চক্রান্ত শুরু করে।

এদিকে স্ত্রী মনোয়ারা খাতুনের কথামত শফিকুল সরল বিশ^াসে নিজের বসত বাড়ীর জমি জায়গার কাগজপত্র, নগদ টাকা সহ সকল জিনিসপত্র নিয়া রাজাপুর গ্রামে রাখেন। এছাড়াও শফিকুল বিভিন্ন সময়ে ইট ভাটায় কাজ করে উপার্জিতও স্ত্রী মনোয়ারার কাছে জমা রাখেন। পরে তিনি জানতে পারেন স্ত্রী মনোয়ারা একাধিক স্থানে বিবাহ করেছে এবং অসৎ চরিত্রের।

গত ২৬ জুন ২২ তারিখ রাতে শফিকুলের ১২ বস্তা ধান, নগদ টাকা সহ অন্যান্য মালামাল আত্মাসাথের উদ্দেশ্যে স্ত্রী মনোরায়ার খাতুন কন্যা খুকু মনি ও জামাতা নুর ইসলামের কুপরামর্শে খাবারের সাথে বিষ মিশিয়ে খাইয়ে দেয়। এতে শফিকুলের শরীরে জ্বালা পোড়া ও মস্তিস্ক বিকৃত হতে থাকলে তিনি বুঝতে পারেন স্ত্রী মনোয়ারা যোগসাজস তার সম্পত্তি আত্মসাৎ করার জন্য বিষাক্ত ঔষধ ভাতের সহিত মিশিয়ে খাইয়ে দিয়েছে। পরে স্থানীয়রা শফিকুলকে গ্রাম্য ডাক্তার দ্বারা চিকিৎসা করায়। পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ইং-০৫/০৭/২০২২ তারিখে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকায় কর্তব্যরত ডাক্তার জানায় বিষাক্ত ঔষধ সেবন করা হয়েছে। তখন শফিকুল নিশ্চিত হন তার সরল বিশ্বাসে বিষাক্ত ঔষধ ভাতের সাথে মিশিয়ে খাইয়েছে। প্রায় এক মাস চিকিৎসা শেষে শফিকুল কিছুটা সুস্থ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। এঘটনায় তিনি প্রতিকার চেয়ে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest