সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ যুবদল নেতা সুমনের: অপসাংবাদিকতার চিত্র তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডিসখিপুরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে শিশুদের মাঝে খেলাধুলার পোশাক বিতরণসাতক্ষীরায় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের উদ্যোগে সমন্বয় সভাতালায় রেকর্ডীয় জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা সদরের লাবসায় ‘পাবলিক হেয়ারিং’অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক নিয়ে কল্যাণ ব্যানার্জি’ ফেসবুক আইডির পোস্ট: ব্যবস্থা গ্রহণে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশআশাশুনির প্রতাপনগরে বেড়িবাঁধের বড় অংশ নদীগর্ভে : এমপির ঘটনাস্থল পরিদর্শনদেবহাটায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভা

অনলাইন ডেস্ক: দিনকে দিন শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মহননের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। প্রতিমাসে গড়ে ৪৫ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত এ সংখাটি দাঁড়িয়েছে ৩৬৪ জন।

শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) আঁচল ফাউন্ডেশনের এক সমীক্ষায় এ তথ্য জানা গেছে। শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে এক ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই সমীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

‘বেড়েই চলেছে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার হার; আমাদের উদ্বিগ্ন হওয়া কতটা জরুরি?’ শীর্ষক সমীক্ষার ফলে বলা হয়, দেশের দেড়শ জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা এবং অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে আত্মহত্যার তথ্য সংগ্রহ করে এই সমীক্ষা করা হয়েছে।

সমীক্ষার তথ্য অনুসারে, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে ৩৬৪ জন আত্মহননের পথ বেছে নেয় যারা তাদের জীবদ্দশায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ছিলেন। এদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুল, মাদরাসা, নার্সিং প্রভৃতি বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থী রয়েছেন। ৩৬৪ জন আত্মহত্যাকারীর মধ্যে ১৯৪ জনই ছিলেন স্কুলগামী শিক্ষার্থী। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন কলেজ শিক্ষার্থীরা যার সংখ্যা ৭৬ জন। অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মহননকারীর সংখ্যা ৫০ জন। তবে মোট আত্মহননকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদরাসায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীও ছিলেন ৪৪ জন।

আত্মহত্যাকারীদের বয়সভিত্তিক সমীক্ষা থেকে দেখা যায়, ১৩ থেকে ২০ বছর বয়সীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। যা ৭৮ দশমিক ৬ শতাংশ। ২১ থেকে ২৬ বছর বয়সীদের মধ্যে ১৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ শিক্ষার্থী আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে। ১৩ বছরের নিচে যাদের বয়স, তারাও এই পথ থেকে পিছপা হয়নি। ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ অর্থাৎ ২৯ জন আত্মহত্যা করেন। তবে সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যা করেছে ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সীরা, যার সংখ্যা ১৬০ জন। এছাড়াও সর্বনিম্ন ৭ বছরের একটি শিশুও আত্মহত্যা করেছে।

প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য বিশ্লেষণে বলা হয়, বিগত আট মাসে মোট আত্মহননকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫০ জন ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে পুরুষ শিক্ষার্থী ৬০ শতাংশ এবং নারী শিক্ষার্থী ৪০ শতাংশ। কলেজপড়ুয়াদের মধ্যে ৭৬ জন এই পথ বেছে নেয় যাদের মাঝে ৪৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ পুরুষ এবং ৫৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ নারী। সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ১৯৪ জন স্কুলগামী শিক্ষার্থী বিগত আট মাসে আত্মহত্যা করেছেন। তাদের মধ্যে ৩২ দশমিক ৯৯ শতাংশ পুরুষ এবং ৬৭ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ নারী শিক্ষার্থী। এমনকি মাদরাসায় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও আত্মহত্যার মাধ্যমে জীবনাবসানের পথ বেছে নিয়েছে যা সংখ্যায় ৪৪ জন। তাদের মধ্যে ৩৯ দশমিক ২৯ শতাংশ পুরুষ এবং ৬০ দশমিক ৭১ শতাংশ নারী শিক্ষার্থী।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আত্মহত্যায় স্কুলগামীরা এগিয়ে। বিদ্যালয়গামী অর্থাৎ প্রাইমারি থেকে মাধ্যমিক পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন। যা শতকরা ৫৩ দশমিক ৩০ শতাংশ। আত্মহত্যার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা যা ২০ দশমিক ৮৮ শতাংশ। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থী রয়েছে ১৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ। আত্মহননকারীদের মধ্যে মাদরাসার শিক্ষার্থী রয়েছেন শতকরা ১২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ।

এদিকে সমীক্ষায় দেখা যায়, আত্মহত্যায় এবারেও এগিয়ে আছে নারী শিক্ষার্থীরা যা মোট আত্মহননকারীদের ৬০ দশমিক ৭১ শতাংশ বা ২২১ জন। অন্যদিকে পুরুষ শিক্ষার্থী রয়েছেন ৩৯ দশমিক ২৯ শতাংশ বা ১৪৩ জন।

বিভাগভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, আত্মহত্যাকারীদের অবস্থান বিবেচনায় সবার শীর্ষে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। শতকরা ২৫ দশমিক ২৭ শতাংশ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেন। চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং খুলনা বিভাগে ১৪ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ আত্মহত্যা করে। দেশের অপরপ্রান্তে রংপুর বিভাগে আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থী রয়েছেন ৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এছাড়া বরিশাল বিভাগে ৯ দশমিক ৬২ শতাংশ, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং রাজশাহী বিভাগে ১৪ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। অপর দিকে, সিলেট বিভাগে তুলনামূলকভাবে কম সংখ্যক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেন যা ৪ শতাংশ।

এতে আরও দেখা যায়, চলতি বছরের ৮ মাসের তথ্য বলছে (জানুয়ারি থেকে আগস্ট) প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৪৫ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। প্রেমঘটিত কারণেই সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করে হয়েছে।

ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জ জেলার এডিসি (শিক্ষা ও আইসিটি ডিভিশন) আজিজুল হক মামুন এবং আঁচল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তানসেন রোজ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরাসহ ১৩ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ

দেশের খবর: দেশের ১৩টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। দেশজুড়ে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। আগামী তিন দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে। এরপর গরমের তীব্রতা কমে আসবে।

শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, বর্তমানে ফরিদপুর, সিরাজগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া এবং ভোলা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া দেশের উত্তরাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দেশের অন্যত্র তা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তাড়াশে ৩৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উল্লেখযোগ্য তাপমাত্রার মধ্যে চাঁদপুর ও শ্রীমঙ্গলে ৩৬.৫ ডিগ্রি, ফরিদপুর, চুয়াডাঙ্গা, সাতক্ষীরা ও ভোলায় ৩৬.৪ ডিগ্রি, সন্দ্বীপে ৩৬.৩ ডিগ্রি, যশোরে ৩৬.২ ডিগ্রি, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, ফেনী, সিলেট ও কুমারখালীতে ৩৬.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল কুমিল্লায় ২৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিজলী চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

পূর্বাভাসে আরো বলা হয়, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরো ঘণীভূত হতে পারে।

এতে আরো বলা হয়, মৌসুমী বায়ুর অক্ষ ভারতের রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, অন্ধ্র প্রদেশ, সুস্পষ্ট লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল ও ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র মাঝারি থেকে মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

“মানবিকতার ও মানবতার ইতিহাস এই উপমহাদেশে অতি পুরাতন। আর এই ইতিহাস শুরু হয়েছে কবিতা দিয়েই। আজ থেকে হাজার বছর আগে মধ্যযুগের কবি দ্বিজ চন্ডী দাস বলেছেন – ‘শোন হে মানুষ ভাই, সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’- গত ৪ সেপ্টেম্বর নিজের লেখা বইয়ের প্রকাশন উৎসবে কথাগুলো বলেন, শরীয়তপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ কবি শেখ মফিজুর রহমান।

এ এক মাহেন্দ্রক্ষণ, জমজমাট আয়োজন। উৎসব মুখর উচ্ছ্বল পরিবেশ, চারিদিকে সাজ সাজ রব। এক রঙের শাড়ি পরে ঘুরছে নবীন আইনজীবী, এক রঙের পাঞ্জাবীতে প্রবীণ আইনজীবীবৃন্দ। উদ্দেশ্য একটাই – কবি শেখ মফিজুর রহমান, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ, শরীয়তপুর মহোদয়ের দ্বিতীয় একক কাব্যগ্রন্থ – “এবং একটি ছবি” এর মোড়ক উন্মোচন। এই উপলক্ষ্যেই আনন্দ আয়োজন। উক্ত অনুষ্ঠানে কবি হিসেবে অনুভূতি ব্যক্ত কালে শেখ মফিজুর রহমান মহোদয় উক্ত মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন – ‘কবিতা কখন লিখি এই প্রশ্ন করেন অনেকেই। মূল বিষয় হলো সদিচ্ছা, সময়টা বের হয়ে যায়। কবিতা মূলত স্বতঃস্ফূর্তভাবে হয়ে চলে আসে। দ্বিজেন্দ্রনাথ রায়ের ভাষায় – “ঐ সিন্ধুর ওপার হতে কি সুন্দর সংগীত ভেসে আসে”। রবীন্দ্রনাথের ভাষায় – সে যে ঢেউয়ের মতো ভেসে আসে’।

বিজ্ঞ বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ), নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, শরীয়তপুর জনাব স্বপন কুমার সরকার মহোদয়ের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ পারভেজ হাসান, সম্মানিত জেলা প্রশাসক, শরীয়তপুর। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন মাননীয় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মহোদয়ের সহধর্মিণী জনাব রুখসানা ইসলাম শিল্পী মহোদয়, শরীয়তপুরের বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ সালেহুজ্জামান মহোদয়, সাতক্ষীরার বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ হুমায়ূন কবীর মহোদয়, শরীয়তপুরের সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ সাইফুল হক মহোদয়, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ জনাব রেহেনা আক্তার মহোদয়। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন যশোরের সিনিয়র সহকারী জজ জনাব বিলাস মন্ডল।

বিশেষ অতিথিবৃন্দ ছাড়া শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সহকারী জজ এবং জাজ ইনচার্জ নেজারত জনাব মোঃ সালাহ উদ্দিন মহোদয়, শরীয়তপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সম্মানিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, বিজ্ঞ জিপি, পিপি, মেয়র সদর পৌরসভা, শরীয়তপুর এবং মেয়র, নড়িয়া পৌরসভা, শরীয়তপুর।

সদ্য প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ থেকে কবিতা আবৃত্তি করেন – অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ জনাব রেহেনা আক্তার, ইয়াসমিন নাহার, সিনিয়র সহকারী জজ, খুলনা, জনাব মোঃ হুমায়ুন কবির, সহকারী জজ, শরীয়তপুর এবং জনাব মন্ময় মনির, সহকারি অধ্যাপক, সীমান্ত আদর্শ কলেজ, সাতক্ষীরা। সভাপতি, কবিতা পরিষদ ও বঙ্গবন্ধু আবৃত্তি পরিষদ, সাতক্ষীরা।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইয়াসমিন নাহার, সিনিয়র সহকারী জজ, খুলনা।

“যুক্ত করো হে সবার সঙ্গে, মুক্ত করো হে বন্ধ” – এই মূল মন্ত্র নিয়ে কবিতার ছন্দে শেষ হলো এই আলোক আয়োজন। অনুষ্ঠান শেষ হলেও কবিতার আবেশ লেগে ছিলো মুগ্ধ শ্রোতাদের চোখে মুখে।

লেখা: ইয়াসমিন নাহার, সিনিয়র সহকারী জজ, খুলনা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আকবর আলি খান আর নেই

কর্তৃক Daily Satkhira

দেশের খবর: সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।

বৃহস্পতিবার রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লে আকবর আলি খানকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

১৯৪৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে জন্মগ্রহণ করেন আকবর আলি খান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের পর কানাডার কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

সরকারি চাকরি দিয়ে তার পেশাজীবন শুরু। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আকবর আলি হবিগঞ্জের মহুকুমা প্রশাসক বা এসডিও ছিলেন। সেসময় সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে কাজ করলে তার বিচার করে পাকিস্তান সামরিক সরকার। তারই অনুপস্থিতিতে দেওয়া হয় ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড।

স্বাধীনতার পর আবার আমলা হিসেবে পেশাজীবনে প্রবেশ করেন। বাংলাদেশ সরকারের অর্থসচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আকবর আলি সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টাও ছিলেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনাও করেছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিদেশের খবর: রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুর পর যুক্তরাজ্যের নতুন রাজা হয়েছেন তাঁর বড় ছেলে চার্লস। তিনি প্রিন্স অব ওয়েলস হিসেবে এতদিন পরিচিত ছিলেন। এখন থেকে তিনি রাজা তৃতীয় চার্লস নামে পরিচিত হবেন।

আগামীকাল শনিবার এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি নিজেকে রাজা হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার কথা রয়েছে। লন্ডনের সেন্ট জেমস প্যালেসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা দেবেন। খবর বিবিসির।

বৃহস্পতিবার রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুর খবর ঘোষণা করার সময় রাজ পরিবারের টুইট বার্তায় চার্লসকে রাজা ও তাঁর স্ত্রী ক্যামিলাকে ‘দ্য কুইন কনসোর্ট’ বলে উল্লেখ করা হয়। চার্লস মাত্র তিন বছর বয়সে যুবরাজ হয়েছিলেন।

চলতি বছর বয়সের কারণে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ দুর্বল হয়ে পড়ায় চার্লস বেশকিছু দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। নানা ঐতিহ্যগত অনুষ্ঠান ও অভিষেক অনুষ্ঠানে রাজমুকুট পরার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটিশ সম্রাজ্যে চার্লাসের শাসনামল শুরু হবে।

এর আগে দীর্ঘ ৭০ বছর ধরে যুক্তরাজ্য শাসন করে আসা ব্রিটিশ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ মৃত্যুপবল করেন। বৃহস্পতিবার লন্ডনের স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে খবরটি জানিয়েছে বাকিংহাম প্যালেস। খবর বিবিসির।

গত জুলাই মাস থেকে স্কটল্যান্ডের বারমোরাল প্রাসাদে ছিলেন রানি। সেখানেই ৯৬ বছর বয়সে মৃত্যু হয় রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের।

বেশ কিছুদিন ধরেই বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন রানি। যার কারণে গত শরৎ থেকে অনেক অনুষ্ঠানেই অংশ নিতে পারেননি তিনি। রানির পক্ষ থেকে সেসব দায়িত্ব পালন করে গেছেন ছেলে প্রিন্স চার্লস।

এর মধ্যে গত মঙ্গলবার লিজ ট্রাস যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ পেতে স্কটল্যান্ডের বালমোরাল ক্যাসলে রানির কাছে যান। নিয়ম অনুযায়ী, লন্ডনেই রানির সঙ্গে দেখা করতে যেতে হয়। কিন্তু তাঁর অসুস্থতার জন্য স্কটল্যান্ডেই যেতে হয় লিজ ট্রাসকে।

সেসব নিয়ম-নীতির পর থেকে শোনা যায় রানির অবস্থার অবনতি হওয়ার কথা। অবশেষে বৃহস্পতিবার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন ব্রিটেনের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় সিংহাসন অলংকৃত করে রাখা দ্বিতীয় এলিজাবেথ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর প্রতিনিধি :
শ্যামনগরে পাইলস ও নাকের পলিপাস বিষয়ে অভিজ্ঞ এম.এম গোলাম বারীর বিরুদ্ধে ভূল চিকিৎসার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি শ্যামনগর ন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক এম.এম গোলাম বারীর বিরুদ্ধে ভূল চিকিৎসার অভিযোগ এনে তার সমস্ত ক্ষতিপূরণ বা নগদ অর্থ দাবী করেছেন একই উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের খলিসাবুনিয়া গ্রামের মৃতঃ আমিন উদ্দীন গাজীর ছেলে মোঃ সিদ্দিক গাজী (৪০)।

সম্প্রতি শ্যামনগর ন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক এম.এম গোলাম বারীর বিরুদ্ধে ভূল চিকিৎসার অভিযোগ এনে তার সমস্ত ক্ষতিপূরণ বা নগদ অর্থ দাবী করেছেন একই উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের খলিসাবুনিয়া গ্রামের মৃতঃ আমিন উদ্দীন গাজীর ছেলে মোঃ সিদ্দিক গাজী (৪০)।
ভুক্তভোগী সিদ্দিক গাজী এক ভিডিও বক্তব্যে বলেন, তিনি কয়েকমাস যাবৎ পাইলস রোগে ভূগছিলেন। অতঃপর প্রতিবেশী/গ্রামবাসীদের কাছ থেকে খবর পান, শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে নুর ফার্মেসীর ২য় তলায় পাইলস ও নাকের পলিপাস চিকিৎসালয় এই মর্মে সপ্তাহের প্রতি সোমবার সকাল ১০ টা হতে দুপুর ৩ টা পর্যন্ত রোগী দেখেন এম.এম গোলাম বারী। আমি সুস্থতার জন্য তার শরণাপন্ন হই।

তিনি আমাকে বলেন, আপনার তো পাইলস না- এনালফিশার। তখন আমি বললাম, কি করা লাগবে, তিনি বলেন- ইনজেকশন দিতে হবে। তিনি আমাকে ইনজেকশন দিলেন। পরে সেখানে পঁচন ধরে, অবস্থা আরও খারাপ হয়ে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। আমি তাড়াতাড়ি আদি চাঁদসী ডাঃ বিনয় কৃষ্ণের পুত্র ডাঃ সুজিত রায়ের কাছে গেলে তিনি বলেন, আপনার তো পাইলস। এর আগে যে চিকিৎসা আপনি করিয়েছিলেন তা ভূল ছিল। তাড়াতাড়ি আপনাকে অপারেশন করতে হবে। তখন আমি ঝাউডাঙ্গায় সুজিত বাবুর চেম্বারে ভর্তি হয়ে অপারেশন করার পর সুস্থ। পরে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে গোলাস বারীর কাছে ভূল চিকিৎসা করিয়েছেন মর্মে টাকা ফেরত চাইলে তিনি বলেন, আমার ভূল চিকিৎসা করার অনুমতি আছে যা ইচ্ছে করেন, এইসব কথা বলে ফোন কেটে দেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত এবং কথিত হাতুড়ি চিকিৎসক এম.এম গোলাম বারীর মুঠোফোনে ভূল চিকিৎসার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রতুত্তরে বলেন, আমি পাইলস এর ডাক্তার, এনালফিশার এর ট্রিটমেন্ট করিনা। সিদ্দিক গাজীর পাইলস হয়েছিল, তার প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য আমি অবশ করিয়ে কাজ শুরু করি, এজন্য ইনজেকশন দিয়েছি। তাছাড়া সিরিয়াস রোগীর গায়ে আমি হাত দেই না। রোগীর অবস্থা মারাত্মক হলে আমি অন্যত্র রেফার করি। সিদ্দিক গাজী টাকা ফেরত চাইলে তো হবে না। আমি কাজ করেছি, তার বিনিময়ে টাকা নিয়েছি।

গভীর ক্ষোভ ও কান্নাজড়িত কণ্ঠে মো: সিদ্দিক গাজী এ প্রতিবেদককে জানান, আমি গরীব মানুষ। বন-জঙ্গলে মাছ-কাঁকড়া মেরে খাই। ২০ হাজার টাকা মানে আমার কাছে অনেক। গোলাম বারী ডাক্তার আমাকে ভূল চিকিৎসা দিয়েছেন। যার ফলে আমার শরীরে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। আমি পরবর্তীতে আবার অনেক টাকা খরচ করে স্বনামধন্য এমবিবিএস ডাক্তার সুজিত রায়ের নিকট হইতে ট্রিটমেন্ট করিয়ে এখন সুস্থ আছি। যদি গোলাম বারী আমার টাকাগুলো ফেরত দিতো, তাহলে আমি নতুন করে নৌকা-জাল সারাই করে পুনরায় বন-জঙ্গলে যেয়ে আয় রোজগার করে আমার পরিবারের জন্য জীবিকা নির্বাহ করতে পারতাম। আমি জলাঞ্জলিতে যাওয়া আমার অর্থ ফেরতের জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। একই সাথে এরকম ভূয়া ও হাতুড়ি চিকিৎসকরা যাতে ব্যাঙের ছাতার মতো গ্রাম-গঞ্জে চেম্বার বসিয়ে কসাইখানা তৈরি না করতে পারে এ বিষয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন সহ সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর ও কর্মকর্তাদের বিশেষ সুদৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি…. রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল (৬৭) বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৫ ছেলে, ৬ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
মরহুম আব্দুল মান্নান উপজেলার গোবরাখালী গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। আব্দুল মান্নানের পরিবার সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত ছিলেন। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে তিনি নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় বুধবার ৭ সেপ্টেম্বর, সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি ইন্তেকাল করেন।

পরে বৃহষ্পতিবার দুপুরে বাদ যোহর তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান শেষে তাকে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এসময় দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অধীর কুমার গাইন, দেবহাটা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার ইয়াছিন আলী, দেবহাটা থানার এসআই শফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। মরহুম আব্দুল মান্নানকে পুলিশের একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান শেষে মরহুমকে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
তেল, গ্যাস ও দ্রব্যমুল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদল নেতা শাওনের মৃত্যুতে ৮/০৯/২০২২ তারিখ বিকাল ৫টায় জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচির আলোকে সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আয়োজনে এক শোক র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত শোকর‌্যালি ও সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের সভাপতি আবু জাহিদ ডাবলু।
উক্ত অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান মুকুল। শোক র‌্যালি সাতক্ষীরা শহরের হাটের মোড় থেকে শুরু হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আলী শাহিন, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম, সহ সভাপতি হাসান শাহরিয়া রিপন, নাসির হোসেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. হাসিব। আরো উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সুমন রহমান,

সদস্য সচিব শেখ মনিরুজ্জামান প্রিন্স, পৌর যুব দলের সদস্য সচিব মাসুম রানা সবুজ, জেলা যুবদল নেতা আশরাফুজ্জামান হাবলু, পারভেজ সাজ্জাদ, গোলাম রব্বানী, এসে এস কে রুবেল, কাজী রাসিউল করিম রুমান, দেবাশীষ চৌধুরী, পারভেজ রোমেল, আরিফুর রহমান লিটন, জিল্লুর রহমান, মোঃ কুদ্দুস, এ্যড মেহেদী হাসান শিমুল, সাজ্জাদুর রহমান লালটু, ফিরোজ গাজী, নয়ন, সাইফুল ইসলাম কাফি, সোহাগ হোসেন, জিল্লুর রহমান, মোহাম্মদ রাজু, নাসির, লালটু, ইমতিয়াজ, মহাসিন, কামরুল, সুজন, আশরাফ জীবন, ফারুক হোসেন, রেজাউল করিম, আসিফ রায়হান, জহুরুল ইসলাম,
ফারুখ হোসেন মিঠু, আমিনুর ইসলাম, মিনুর রহমান, আবু রায়হান রিপন, মোমরেজুল ইসলাম, কামরুল হুদা, খালিদ হোসেন, লেয়াকত, আনারুল, গোলাম মোস্তফা বাবু, শরিফুজ্জামান শরিফ, শাহিনুর রহমান শাহিন, হাসান সরদার, আলতাফ হোসেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শফিকুল আলম বাবু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest