সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ড

সাতক্ষীরায় আত্মসমর্পনকারী বনদস্যুদের  ঈদ উপহার দিলো র‌্যাব

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় আত্মসমর্পনকারী বনদস্যুদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

র‌্যাব মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে আত্মসমর্পণকারী বনদস্যুদের মাঝে আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে শুক্রবার বেলা ১১ টায় র‌্যাব সাতক্ষীরা ক্যাম্পে এসব উপহার সামগ্রী তুলে দেন কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লীডার মোঃ ইশতিয়াক হোসাইন।

ঈদ সামগ্রী বিতরণকালে র‌্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্ন্দুরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের আত্মসমর্পণকারী এ সব জলদস্যুরা পুনর্বাসিত হয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করছেন।

তাদের মধ্যে র‌্যাব ক্যাম্পে উপস্থিত থাকা ১৫জনকে এসব উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়।

সরকারের পক্ষ থেকে আত্মসমর্পণকারী সকল জলদস্যু/বনদস্যুদের বিরুদ্ধে রুজুকৃত চাঞ্চল্যকর ও গুরুতর অপরাধের (হত্যা ও ধর্ষণ) মামলা ব্যতীত অন্যান্য সকল সাধারণ মামলা সহানুভূতি সহকারে বিবেচনার বিষয়টি চলমান রয়েছে।

এছাড়া র‌্যাব ফোর্সেস ডিজি’র পক্ষ হতে জলদস্যুদের পূর্ববর্তী দক্ষতা অনুযায়ী এবং ক্ষেত্র বিশেষ নতুন করে সরকারি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রশিক্ষিত করে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখা হয়েছে।

ঈদ সামগ্রি পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়া আত্মসমর্পনকারী বনদুস্য পরিবারের সদস্যরা র‌্যাবের এ ধরনের মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার বাঁশদহা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর সিসি ঢালাইয়ের উদ্বোধন

জুলফিকার আলীঃ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ০১নং বাঁশদহা ইউনিয়নের পরিষদ চত্বর সিসি ঢালাইয়ের শুভ উদ্বোধন হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় প্রধান অতিথি হিসেবে শুভ উদ্বোধন করেন,বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন সচিব মোঃ নূরুল হাফিজ (রাজু)।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাঁশদহা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, চেয়ারম্যান মাস্টার মোঃ মফিজুর রহমান, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়ার্ড সদস্য খোরশেদ আলম রিপন,

০২ নং ওয়ার্ড সদস্য মফিজুল ইসলাম, ওয়ার্ড সদস্য মোশারফ হোসেন,গওসুল আজম ওয়ার্ড সদস্য, জাহাঙ্গীর হোসেন, আহসান উদ্দিন, মোরশেদুল ওয়ার্ড সদস্য বদরুজামান খোকা, শাহজান আলী,

১২৩ মহিলা সদস্যা রাশেদা খাতুন, রিজিয়া খাতুন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ডাক্তার আল মামুন, আব্দুর রউপ, সাইফুল ইসলাম ও মশিয়ার রহমান ও ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ সহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ বৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায়  পাঁচটি উপজেলার ৩৪ হাজার ৪৩ জন উপকারভোগীদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরায় কোভিড-১৯ মহামারীসহ প্রাকৃতিক দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জেলার পাঁচটি উপজেলার ৩৪ হাজার ৪৩ জন উপকারভোগীদের মাঝে ৫ হাজার টাকা করে সর্বমোট ১৭ কোটি ৭০ লাখ ৩০ হাজার টাকার নগদ অর্থ বিতরন করা হয়েছে। সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ) এর আয়োজনে বৃহস্পতিবার আশাশুনি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত নগদ অর্থ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন, প্রধান অতিথি সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ আফম রুহুল হক।

এর আগে সকালে তালা উপজেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত নগদ অর্থ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন, সাতক্ষীরা-১ (তালা+কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মোস্তফা লুৎফুল্লাহ।
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে পৃথক এই তিনটি অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এসডিএফ’র চেয়ারপার্সন অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব মোঃ আব্দুস সামাদ, এসডিএফ’র পরিচালক অপারেশন্স মোঃ গোলাম মোস্তফা, আঞ্চলিক পরিচালক মোঃ হেদায়েত উল্লাহ, পরিচালক ফিন্যান্স মোঃ মাহবুবুল আলমসহ স্ব-স্ব উপজেলা নির্বাহি অফিসার ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গণ।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, তালা, কলারোয়া আশাশুনি, কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলার কোভিড-১৯ মহামারীসহ প্রাকৃতিক দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এই পাঁচটি উপজেলার ৩৪ হাজার ৪৩ জন উপকারভোগীদের মাঝে ৫ হাজার টাকা করে সর্বমোট ১৭ কোটি ৭০ লাখ ৩০ হাজার টাকার নগদ অর্থ বিতরন করা হয়েছে। এর মধ্যে কালিগঞ্জ ও আশাশুনি উপজেলায় ১১ হাজার ৬৬০ জন উপকারভোগীকে ৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, তালা উপজেলার ৮ হাজার ৯৯৪ জন উপকারভোগীর মাঝে ৪ কোটি ৪৭ লাখ ২০ টাকা বিতরন করা হয়। বাকী ৭ কোটি ৪০ লাখ ১০ হাজার টাকা কলারোয়া ও শ্যামনগর উপজেলার উকারভোগীদের মাঝে বিতরন করা হয়।
বক্তারা এ সময় বলেন, বর্তমানে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সেনারবাংলা গড়ার অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ^ ব্যাংকের সহায়তায় ৫ বছর মেয়াদী ৩৪০ মার্কিন ডলার বরাদ্দের জিলিয়েন্স, এন্ট্রাপ্রেনিওরশীপ আ্যান্ড লাইভলীহুড ইম্প্রুভমেন্ট প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ ৫ অক্টোবর-২০২১ থেকে শুরু হয়েছে। দরিদ্র ও অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, কোভিড-১৯ এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থণীতিকে পূর্বের অবস্থানে ফিরিয়ে নেয়া এবং প্রকল্প এলাকা গ্রামীন উদ্যোক্তাদের সহায়তাকরন এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য যা বাংলাদেশ সরকারের রুপকল্প ২০৪১, এসডিজির গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যসমুহ ও ৮ম পঞ্চবার্ষির্কি পরিকল্পনায় লক্ষ্যমাত্র অর্জনে সহায়তা করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বলাডাঙ্গা-ছয়ঘরিয়া দাখিল মাদ্রাসা দীর্ঘদিন পরে এমপিওভুক্ত হওয়ায় বইছে আনন্দের বন্যা
জি.এম আবুল হোসাইন : সীমান্তবর্তী উপজেলার মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা অন্যতম। এলাকাবাসির স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে ও সমাজে শিক্ষার আলো ছড়ানোর লক্ষ্যে বলাডাঙ্গা-ছয়ঘরিয়া দাখিল মাদ্রাসাটি সদর উপজেলা শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
১৯৭০ সালের ১লা জানুয়ারিতে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ বছর পর হয়েছে এমপিওভুক্ত। এ অঞ্চলে শিক্ষার আলো জ্বালাতে অদ্যাবধি বিনা বেতনে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মচারীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। বর্তমানে নানাবিধ সমস্যার মধ্য দিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে প্রতিষ্ঠানটি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদ্বিচ্ছায় দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে এবার।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, ১৯৭০ সালে ছয়ঘরিয়া গ্রামের দুই ভাই মরহুম আনছার আলী ও মরহুম নিছার আলী তাদের ১একর ৬ শতক (এর মধ্যে অখন্ড ৭৬ শতাংশ) জমি নিয়ে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
তখন থেকে প্রতিষ্ঠানটির অস্থায়ীভাবে পাঠদান শুরু করা হয়। ১৯৭০ সালে স্থায়ীভাবে ৬টি কক্ষ বিশিষ্ট একটি টিন শেট ও মাটির ভবনে পাঠদান শুরু করা হয়। ১৯৮৯ সালে প্রথম মাদ্রাসার নামে রেজিস্ট্রেশন করে পরীক্ষা দেওয়া হয়। ২০০৯ সালের ১লা জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠানটি একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯৯৬ সালে ফ্যাসিলিটিজ ডিপার্টমেন্ট, খুলনা জোনের উদ্যোগে ৩ কক্ষ বিশিষ্ট একতলা ভবন নির্মিত হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় বিভিন্ন দিবস পালনসহ পাঠদানের পাশাপাশি মাদ্রাসার মাঠে রয়েছে খেলার ব্যবস্থা। ইতোমধ্যে মাদ্রাসা থেকে ইবতেদায়ী সমাপনী, জেডিসি ও দাখিল পরীক্ষায় সাফল্যতার সাথে উত্তীর্ণ হয়ে অনেক ছাত্রছাত্রী দেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ণরত ও প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে কর্মরত আছে।
বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ১১ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ১জন কর্মচারী ছাত্র-ছাত্রীদের লেখা-পড়ায় গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক  মাওলানা মো. মিজানুর রহমান বলেন, এলাকার ছেলেমেয়েদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলার মহান উদ্দেশ্য নিয়ে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অবশেষে আল্লাহর রহমতে মাদ্রাসাটি সরকারের এমপিও ভুক্ত হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করে নজিরবিহীন ঘটনার জন্ম দিয়েছেন। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দেশ সমৃদ্ধশালী হচ্ছে। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সদর-২ আসনের এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, শিক্ষা অফিস সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক-শিক্ষিকারা দীর্ঘদিন বিনা বেতনে পাঠদান করলেও তারা ছিলেন খুবই আন্তরিক। যে কারণে পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা ভাল ফলাফল করেছে। তিনি আরো বলেন, জাতীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি’র সহযোগিতা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টির ফলে আজ প্রতিষ্ঠানটি এমপিও ভুক্ত হয়েছে। সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
২০১২ সালে বিনা বেতনে অবসরে যাওয়া শিক্ষক মো. ইসহাক আলী আক্ষেপ করে বলেন, নিজের জন্য না হলেও আগামী প্রজন্মের মঙ্গলের জন্য আমরা আমাদের এপ্রতিষ্ঠানটি আগলে রাখব। বর্তমান সরকারের সদ্বিচ্ছায় এটি দ্রুত এমপিওভূক্ত হবে বলে আমার বিশ্বাস ছিল। ২০১৯ সালের পর আবারো ২৭১৬ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিও ভূক্তি করতে পারা সরকারের জন্য ছিল বড় চ্যালেন্জ। যেটি তিনি সফলতার সাথে   করে চলেছেন।
উপজেলার প্রাচীনতম এপ্রতিষ্ঠানে বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৩শত ৫৭জন। মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে পড়ালেখার মান ভাল এবং রেজাল্টও আশানুরুপ। ২০২১ সালের দাখিল পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৯৬ শতাংশ। ২০০৩ সালে মাদ্রাসার সুপারিন্টেনডেন্ট হিসেবে যোগদানের পর থেকে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিবেশের উন্নয়ন ঘটিয়েছেন মাওলানা মো. আব্দুল কুদ্দুস। তিনি শিক্ষকমন্ডলী, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, সকল সদস্য ও অভিভাবকদের সহযোগিতা নিয়ে  প্রতিষ্ঠানের জন্য নিরলস কাজ করে চলেছেন।
শিশু বান্ধব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় রয়েছে ফলজ বৃক্ষসহ মূল্যবান বৃক্ষরাজি। দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ মাদ্রাসাটিকে অসাধারণ ও মনোরম করে তুলেছে। তিনি আরো বলেন, প্রাক – প্রাথমিক থেকে দাখিল ১০ম শ্রেণি নিয়ে ক্লাশ পরিচালনা করা শিক্ষক স্বল্পতার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন নিয়মিত ক্লাশ পরিচালনা এবং ছুটির পর ৫ম ও ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে অতিরিক্ত ক্লাশ পরিচালনা করা হয়ে থাকে। ফলে শিক্ষকদের জন্য প্রতিষ্ঠান চলাকালে বিশ্রামের সুযোগ থাকেনা। তার পরে রয়েছে কক্ষ সংকট। অফিস সহ ১০টি কক্ষ রয়েছে। ছেলে মেয়েদের জন্য কক্ষ সংকট একটি বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। শ্রেণি কক্ষ সম্প্রসারণের জন্য এলাকাবাসী জোর দাবি জানিয়েছেন।
প্রতিষ্ঠানকে সমহিমায় এগিয়ে নিতে এবং লেখাপড়ার মান আরও উন্নত করতে ক্লাশ রুম সম্প্রসারণ, প্রয়োজনীয় শিক্ষক ব্যবস্থা, ও সংস্কার কাজ করার জন্য ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য সহ জেলা শিক্ষা বিভাগের পাশাপাশি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন এলাকাবাসি। পাশাপাশি এমপিও ভুক্তির সুখবরে এলাকার স্থানীয় ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, কর্মচারী, অভিভাবক সহ সর্বস্তরে বইছে আনন্দের বন্যা। ঈদের খুশির আগে এমন সুখবরে এলাকায় চলছে দোয়া ও মিষ্টি বিতরণ কার্যক্রম।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ৪জন মাদক ব্যবসায়ী আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পুলিশের অভিযানে ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার ( ০৬ জুলাই) রাতে কাজীরহাট এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

এ সময় তাদের তল্লাশি করে অবৈধ নেশা জাতীয় ৮৫পিচ ইয়াবা টেবলেট উদ্ধার ও একটি সাদা রংয়ের প্রাইভেট কার জব্দ করা হয় যার নম্বর ঢাকা মেট্রো-খ-১১-২৭১৩

আটককৃতরা হলেন যশোর জেলার ঝিকরগাছার কানার আলী গ্রামের আবু সায়ীদ খানের ছেলে মো. সংগ্রাম খান (২৩) আলাউদ্দিন গোলদারের ছেলে রিকন গোলদার (২২) মাঠশিয়া গ্রামের রফিকুল গাজীর ছেলে আবু সায়ীদ গাজী(৩০) সোনাপুর শেখপাড়া গ্রামের মীর হাফিজুর রহমান ছেলে মীর সুলতান (২৩)।

জেলা গোয়েন্দা শাখা( ডিবি) পুলিশের ওসি বাবুল আক্তার জানান,  বুধবার রাতে নাভারণ থেকে একটি প্রাইভেটকার মাদকদ্রব্য বহন করে সাতক্ষীরায় নিয়ে যাচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাজীরহাট এলাকায় একটি সাদা রং এর প্রাইভেটকার সিগন্যাল প্রদান করা হয়। প্রাইভেটকারটি থামিয়ে তল্লাশী করে  ৮৫ পিচ নেশা জাতীয় ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এবং ৪ জন মাদক ব্যয়সায়ীকে আটক করা হয়।  তিনি আরও বলেন তারা দীর্ঘদিন মাদক ব্যাবসার সাথে জড়িত রয়েছে। বৃহস্পতিবার তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অভিযান পরিচালনা করে পুলিশের এসআই  শিমুল হালদার , এ.এস.আই মাজেদুল ইসলাম, শাখা , সাতক্ষীরা, এ.এস.আই এম.ডি মাইনুল ইসলাম , মোহাম্মদ আলী প্রমুখ। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাইপাস সড়ক এলাকায় বেড়ে চলেছে চোরের উৎপাত ! এক রাতে মসজিদে ও বাড়িতে চুরি
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার কাশেমপুর বাইপাস সড়ক এলাকায় চোরের চক্র সদস্যদের উৎপাত বেড়ে চলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সচেতন সাধারণ  মানুষ জানান,
সন্ধ্যা হলেই কাশেমপুর বাইপাস সড়ক এলাকায় রাত ১২ টা পর্যন্ত ক্যারাম খেলার নামে জুয়া খেলা আসর বসে, মাদক কেনাবেচা ও মাদক সেবনের আসরে হাট বসে।
আর এসবইর কারনে সাতক্ষীরা বাইপাস সড়কে একের পর এক ঘটনা ঘটতে থাকে ছিনতাই ও চুরি ঘটনা। ৭ জুলাই (বুধবার) দিবাগত রাতে  একটি মসজিদে ও বাসাবাড়িতে চুরি হয়েছে।
জানাগেছে, বুধবার দিবাগত গভীর রাতে কাশেমপুর বাইপাস সড়কে বায়তুন নুর জামে মসজিদের একটি মাইক সেট, মাইক্রোফন ও ৪ টি দান বক্সের টাকা চুরি করে নিয়ে যান চোর চক্র সদস্যরা।
একই রাতে কাশেমপুর গ্রামের মোবারক আলীর বাড়ি থেকে তার ছেলের সবুরের ইজিবাইক একটি ব্যাটারি চুরি করে নিয়ে যান চোরের চক্র সদস্যরা।
কাশেমপুর বাইপাস বায়তুন নুর জামে মসজিদ কমিটির এক সদস্য জানান, তিনি ভোরে ফজরের আযান দিতে গিয়ে দেখে মসজিদের থাকা একটি মাইক সেট, একটি মাইক্রোফোন ও ৪টি দান বক্স নেই। তখন তিনি মসজিদ কমিটির সভাপতিকে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি সহ মসজিদ প্রতিষ্ঠাতার সদস্য সাংবাদিক সেলিম হোসেন ছুটে আসেন।
এরপর ইমাম সহ মুসল্লিরা মসজিদের আশেপাশে এই গুলো খুজতে থাকি। একপর্যায়ে মসজিদের পাশে আজিজ সরদারের পাট ক্ষেতে ৪টি দান বক্স তালা ভাঙ্গা অবস্থায় ফেলা দেখতে পায়। পরে সদর থানার পুলিশকে জানানো হয়েছে বলে মসজিদ কমিটির সদস্যরা জানান।
অপরদিকে কাশেমপুরে ইজিবাইক চালক জানান, তিনি সকালে ঘুম থেকে ওঠে দেখতে পায় তার ইজিবাইকে একটি ব্যাটারি  চুরি করে নিয়ে গেছে।  এছাড়াও একইরাতে ওই চোরের চক্র সদস্যরা কাশেমপুর গ্রামে আব্দুল করিম সরদারের বাড়িতে সহ আরো অনেকের বাড়িতে চুরি করার চেষ্টা করছিল। কিন্তু চোরের চক্র সদস্যরা ব্যার্থ হয়ে চলে যায় বলে স্থানীয় বাসিন্দা করিম জানান। কিছু দিন আগে কাশেমপুর বাইপাস সড়কের পাশে রিয়াসাত নামে পোল্ট্রি খামার থেকে চোরের চক্র সদস্যরা বড় জাতের দুইটি মুরগী চুরি করে নিয়ে যায় বলে ওই খামার মালিক জানান। বাইপাস সড়ক এলাকার পাশ্ববর্তী একটি বাড়ি থেকে টাকা ও সোনা গোহনা চুরি করে নিয়ে যায় চোরের চক্র সদস্যরা। গত বছর কাশেমপুর পূর্বপাড়া জামে মসজিদে মাইক সেট ও দানবক্সের তালা ভেঙ্গে টাকা চুরি করে নিয়ে যায় চোরের চক্র সদস্যরা। কদমতলা আলহে হাদীস জামে মসজিদ দানবক্স তালা ভেঙ্গে টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। কাশেমপুর প্রাইমারী স্কুল সংলগ্ন জামে মসজিদ মাইক সেট চুরি করে নিয়ে যায় চোরের চক্র সদস্যরা।
পবিত্র ঈদুল ফিতরের কয়েকদিন পূর্বে কাশেমপুর বাইপাস সড়কে কয়েকবার দফায় দফায় পথচারী ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা ছিনতাই করে নেয় ছিনতাইকারী চক্র সদস্যরা। তবে এই এলাকায় বিশেষ করে ঈদ ও দূর্গাপূজার সময় ছিনতাই ও চুরি ঘটনা ঘটে বেশি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ কাইয়ুম বলেন, ছিনতাই, চুরি ও মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ তৎপরতা রয়েছে। তবে বাইপাস সড়কে এসব ঘটনা বিষয় শুনলাম।  তবে আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজিব খান বলেন,  আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এব্যাপারে পুলিশ সুপারের কাছে আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সাধারন সচেতন ও ভুক্তভোগী মানুষ।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ঈদুল আযহা উপলক্ষে ভিজিএফ কার্ডের চাউল বিতরণের উদ্বোধন
 দেবহাটা ব্যুরো।। দেবহাটা উপজেলার ৩নং সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার ভিজিএফ কার্ডের চাউল বিতরণের উদ্বোধন করা হয়েছে।
এসময় চাউল বিতরন করেন ৩নং সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম। এছাড়া সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সদস্য আলহাজ্ব আল ফেরদৌস আলফা,
উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার  (ICT) ও ইউনিয়ন ট্যাগ অফিসার ইমরান হোসেন, ইউপি সচিব গোলাম রব্বানী, মহিলা ইউপি সদস্যা সাজু পারভীন, রেহানা খাতুন ও জুলেখা খাতুন, ১নং সদস্য মোখলেছুর রহমান, ২নং সদস্য নূর মোহাম্মাদ, ৩নং সদস্য রবিউল ইসলাম, ৪নং সদস্য নাজিম উদ্দিন,
৫নং সদস্য শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, ৬নং সদস্য নির্মল কুমার মন্ডল, ৭নং সদস্য নজরুল ইসলাম, ৮নং সদস্য আবুল হোসেন, ৯নংসদস্য আবুল কালামসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় পল্লী চিকিৎসকের মৃত্যু

আশাশুনি প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরার আশাশুনি সদরের পল্লী চিকিৎসক সাবেক সাংবাদিক ও বাংলাদেশ গ্রাম্য ডাক্তার কল্যাণ সমিতির উপজেলা শাখার সভাপতি আশুতোষ সানা (৬০) সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে সাতক্ষীরা হতে মোটরসাইকেল যোগে আশাশুনি আসার পথে চাপড়া সড়কের কেয়ার রাস্তার মোড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুৎ খুটিতে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নিহত পল্লী চিকিৎসক আশুতোষ সানা কাদাকাটি ইউনিয়নের টেংরাখালী গ্রামের মৃত জীবন কৃষ্ণ সানার ছেলে। বর্তমানে তিনি আশাশুনি সদরের দয়ারঘাট গ্রামে বসবাস করেন।
খবর পেয়ে আশাশুনি ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়েতাকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে পৌছানোর ব্যবস্থা করেন।

তার এই মৃত্যুতে আশাশুনি উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও উপজেলা নাগরিক সমাজ সহ আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest