সর্বশেষ সংবাদ-
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ যুবদল নেতা সুমনের: অপসাংবাদিকতার চিত্র তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডিসখিপুরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে শিশুদের মাঝে খেলাধুলার পোশাক বিতরণসাতক্ষীরায় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের উদ্যোগে সমন্বয় সভাতালায় রেকর্ডীয় জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা সদরের লাবসায় ‘পাবলিক হেয়ারিং’অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক নিয়ে কল্যাণ ব্যানার্জি’ ফেসবুক আইডির পোস্ট: ব্যবস্থা গ্রহণে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশআশাশুনির প্রতাপনগরে বেড়িবাঁধের বড় অংশ নদীগর্ভে : এমপির ঘটনাস্থল পরিদর্শনদেবহাটায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভাসাতক্ষীরায় তৃণমূল নারী সুরক্ষা ফোরামের সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার তালায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছায়ে অনিয়মের প্রতিবাদ করায় বীরমুক্তিযোদ্ধা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে জঘন্য মিথ্যাচার এবং মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির চক্রান্তের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার দক্ষিণ শার্শা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা তবিবুর রহমানের পুত্র আবু সাঈদ মোহম্মদ ইদ্রিস।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমার পিতা মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে সে সময় যে সব বীর সেনানিরা অংশগ্রহণ করেছিলেন দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাদের সন্তান ও পোষ্যদের কিছু সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছেন সরকার। কিছু অমুক্তিযোদ্ধা অবৈধ লোভ ও লাভের বশবর্তী হয়ে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ভূয়া সনদ সৃষ্টি করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সন্তানদের চাকুরি সুবিধাসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নিয়ে আসছেন।

এরকম একজন ব্যক্তি সাতক্ষীরা তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার ধানদিয়া ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামের প্রয়াত লোলিত মোহন সাহা। তিনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। ১৯৭১ এর পর দীর্ঘকাল যাবত কখনো তাকে মুক্তিযোদ্ধা দাবিও করেননি তার পরিবার। অথচ পত্র পত্রিকার মাধ্যমে ২০১৯ সালে আমার পিতাসহ আমরা জানতে পেরেছি তার পুত্ররা বীরেন্দ্র নাথ সাহা, প্রতাপ কুমার সাহা ও পৌত্র সুমন সাহা মুক্তিযোদ্ধার একটি সাময়িক সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্টি করে। ওই জাল সনদে তারা সরকারি চাকুরি করে আসছেন।

বিষয়টি অবগত হয়ে আমার পিতাসহ অন্যান্য বীর মুক্তিযোদ্ধারা হতবাক হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে আমার পিতা প্রতিবাদ শুরু করেন। এঘটনায় আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন আমার পিতা। পিবিআই তদন্ত করে তাদের উপস্থাপিত ১৪৮৬০ নং সনদটি সঠিক নয় মর্মে উল্লেখ করে একটি রিপোর্ট প্রদান করেছেন। মামলাটি বর্তমানে জেলা জজ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়াও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আমি নিজে অভিযোগ দায়ের করি। পরবর্তীতে শিক্ষা অফিস বিভাগীয় মামলা দায়ের করে এবং কেন তাদের চাকুরি থেকে বরখাস্ত করা হবে না মর্মে ১০ কার্য দিবসের মধ্যে সন্তোষ জনক জবাব লিখিতভাবে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

তিনি আরো বলেন, তাদের পিতা লোলিত মোহনের লাল মুক্তিবার্তা, গেজেট নেই তবুও জালিয়াতির মাধ্যমে সাময়িক সনদে বছরের পর বছর চাকুরি করে আসছেন। সম্প্রতি তালায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই শুরু হলে অমুক্তিযোদ্ধা পিতাকে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে গেজেট ভুক্ত করতে মরিয়া হয়ে উঠেন। এবিষয়ে আমার পিতা প্রতিবাদ করার কারনে প্রকৃত সত্যকে আড়াল করার জন্য আমাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে জঘন্য মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন লোলিত মোহনের সন্তানসহ জনৈক স্বার্থন্বেষী ব্যক্তিরা। এমনকি আমার ভগ্নিপতি পাইকগাছার মল্লিক শফিকুল ইসলামকে জড়িয়ে তাকে হয়রানির চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে ভগ্নিপতি সরকারি চাকুরিজীবী হওয়ায় তাকে হেয়প্রতিপন্ন এবং চাকুরির ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে নানান চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছেন। শুধুমাত্র ওই মামলায় স্বাক্ষী হওয়ার কারণে তাকে এবং তার পরিবারকে জড়িয়ে এধরনের গভীর ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন ওই অমুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা। আমি ওই জালিয়াতির বিরুদ্ধে সক্রিয় প্রতিবাদ করায় আমার বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু নির্যাতনের মিথ্যা অপবাদ লাগিয়ে হয়রানির ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। সর্বশেষ চক্রান্তের অংশ হিসাবে গত ১৮ আগস্ট ২০২২ তারিখের ঘটনা উল্লেখ করে আমি, আমার পিতা এবং ভগ্নিপতি মল্লিক শফিকুল ইসলামকে জড়িয়ে অনলাইনে একটি মিথ্যা কাল্পনিক ঘটনা সাজিয়ে জি.ডি করে হয়রানির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় ওই অমুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং সহযোগীদের চক্রান্তের হাত থেকে রক্ষা পেতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল হাসান কে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার বিকাল ৫টার দিকে কালিগঞ্জের দক্ষিণশ্রীপুর এলাকার দিদার চেয়ারম্যানবাড়ি এলাকায় থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।

তিনি সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি সোহেল আহমেদ মানিক জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির নির্দেশনা অনুযায়ী বিএনপির ইউনিয়ন ভিত্তিক কর্মসূচি অংশ হিসেবে দক্ষিণশ্রীপুরে কর্মসূচি ছিল ১০ সেপ্টেম্বর শনিবার।

বিকাল ৫টার দিকে পুলিশ সেখানে গিয়ে স্টেজ ভেঙে দেয় এবং কর্মসূচি না করার জন্য বলে। পরবর্তীতে কর্মসূচি করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা হলে ব্যারিকেট দেয় এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক তারিকুল হাসানকে আটক করে।
এবিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল) আমিনুর রহমান আমিন বলেন, জিজ্ঞাবাসাদের জন্য তারিকুল হাসানকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি প্রতিনিধি : আশাশুনিতে ইসলাম ধর্ম অবমাননার দায়ে এক যুবককে আটক করেছে থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ তাকে আটক করেন।

থানা সূত্রে জানাগেছে, মহান আল্লাহ তায়ালা, আল-কোরআন ও হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) সম্পর্কে তার নিজ ফেসবুক আইডিতে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য সম্বলিত পোষ্ট করে শ্রীউলা ইউনিয়নের দক্ষিণ পুইজালা গ্রামের গুরুদাশ বাছাড়ের ছেলে মিহির কান্তি বাছাড়।

অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ তড়িত পদক্ষেপ গ্রহন করেন এবং বড়দল ব্রীজের উপর থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোমিনুল ইসলাম এর নেতৃত্বে এসআই নূর হোসেন ও এএসআই মোজাফ্ফার তাকে আটক করেন।

থানার অফিসার ইনচার্জ মোমিনুল ইসলাম জানান, তার বিরুদ্ধে ধর্ম অবমানার মামলা দায়ের করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
নলতা শরীফ তাঁতী সমাজ উন্নয়ন সংস্থার আংশিক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকালে নলতায় এক জরুরি সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সভাপতি হয়েছে মোঃ হাবিবুল্লাহ, সহ-সভাপতি মোঃ কাশেম আলী মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মোঃ বদরুজ্জামান, সদস্য মোঃ ওমর হোসেন, শিব কুমার কর্মকার, মোঃ শওকত হোসেন, মোঃ বাপ্পি, মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, মিজানুর রহমান, মোঃ সাহিন হোসেন।

কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন আমরা সিন্ডিকেট সমিতি চাই না, আমরা সবাই স্বাধীনভাবে ব্যবসা করতে চাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে গহীন অরন্যে কাঁকড়া ধরার অভিযোগে ১৫ জেলেকে আটক করেছে বনবিভাগ।

বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন অফিসার (এসও) নূর আলমের নেতৃত্বে বনবিভাগের সদস্যরা শুক্রবার বিভিন্ন সময়ে গহীন সুন্দরবনের বড় বৈকারী খাল ও মাহমুদা নদী হতে তাদের আটক করে।

এ সময় জেলেদের ব্যবহৃত ৫টি নৌকা, ৭৫টি আটনসহ কাঁকড়া ধরার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ৯ জেলেকে বন আইনে সোয়া এক লাখ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

আটক জেলেরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী গ্রামের ছবেদ আলী গাজীর ছেলে সুন্নত গাজী, মাজেদ গাজীর ছেলে খায়ের গাজী, রমজান গাজীর ছেলে কুদ্দুস গাজী, মরাগাং গ্রামের জহুর মিস্ত্রীর ছেলে আব্দুল জলিল মিস্ত্রী, পার্শ্বেখালী গ্রামের নেকবত গাজীর ছেলে রাশিদুল গাজী, মোহর আলী গাইনের ছেলে নজরুল ইসলাম গাইন, খালেক মোল্যার ছেলে আব্দুস সালাম,

জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুল আলিম, যতীন্দ্রনগর গ্রামের ছবেদ আলী মোল্যার ছেলে গফুর মোল্যা, গফুর মোল্যার ছেলে ফয়জুল্যাহ, ছোটভেটখালী গ্রামের ইসমাইল গাজীর ছেলে নওশের গাজী, কেরামত গাজীর ছেলে কওছার গাজী, শাহাদাৎ মোড়লের ছেলে আমিরুল মোড়ল এবং কয়রা উপজেলার বোতল বাজার গ্রামের মহিউদ্দীন শেখের ছেলে শফিকুল ইসলাম ও জামির উদ্দীন গাজীর ছেলে আজিবর গাজী।

সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) এ.কে.এম ইকবাল হোসেন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গহীন সুন্দরবনের সংরক্ষিত এলাকায় জেলেদের প্রবেশ নিষিদ্ধ।

কিন্তু ওই জেলেরা গোপনে অবৈধভাবে সেখানে প্রবেশ করে কাঁকড়া ধরার সময় তাদের আটক করা হয়। আটক জেলেদের মধ্যে ৯জনকে বন আইনে সোয়া এক লাখ টাকা জরিমানা করে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বাকি জেলেদের বন আইনে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিদুল ইসলামের আয়োজনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের জন্মদিন পালন করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকালে কেক কেটে জন্মদিন পালন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইদুজ্জামান জনি,

লাবসা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান সোহার্ত, সিটি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা চয়ন, মিথন, মহিদুজ্জামান, মানিক,নাজমুল, পলিটেকনিক কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আজিবুর রহমান, আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ৭ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মুন্না, সালাউদ্দিন, আরাফাত চয়ন প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ঃ বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট সাতক্ষীরা জেলা শাখার কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

গত ৩১ আগষ্ট সংগঠণটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বিধান বিহারী গোস্বামী ও মহাসচিব অ্যাড. গোবিন্দ চন্দ্র প্রামানিক স্বাক্ষরিত ৩১ সদস্য বিশিষ্ঠ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট এর নব গঠিত সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক হলেন অ্যাড. অসীম কুমার মণ্ডল, সাতজন যুগ্ম আহবায়ক প্রদীপ কুমার মণ্ডল, মোহিদ কুমার মণ্ডল, মনোতোষ কুমার মণ্ডল, প্রফেসর অনন্ত কুমার মণ্ডল, বিজন কুমার মণ্ডল, দেবীরঞ্জন মণ্ডল, সদস্য সচিব অ্যাড.

সুনীল কুমার ঘোষ, সাতজন যুগ্ম সদস্য সচিব হলেন তাপস কুমার মণ্ডল, মিন্টু কুমার দাস, কৃষ্ণপদ দাস, তনু কুমার রায়, সরোজিৎ কুমার, ডাঃ বিষ্ণুপদ মণ্ডল, প্রভাষক দেবাশীষ কুমার মণ্ডলভ ১৬ জন সদস্যরা হলেন, অসীম কুমার মণ্ডল, পলাশ দাস, শ্রীবাস কুমার মণ্ডল,

শুভ কুমার রায়, সৌভিক কুমার মণ্ডল, ললিতা বাহাদুর, রঞ্জন কুমার মণ্ডল, অ্যাড. স্বপন কুমার মণ্ডল, অ্যাড. সাধান কুমার ঘোষ, মাষ্টার দীপক চন্দ্র, সুরঞ্জন কুমার গাইন, তরুন কান্তি মণ্ডল, শ্যামল কুমার দাশ, অসীম কুমার দাশ ও সুধান্য কুমার দাস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক: দিনকে দিন শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মহননের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। প্রতিমাসে গড়ে ৪৫ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত এ সংখাটি দাঁড়িয়েছে ৩৬৪ জন।

শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) আঁচল ফাউন্ডেশনের এক সমীক্ষায় এ তথ্য জানা গেছে। শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে এক ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই সমীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

‘বেড়েই চলেছে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার হার; আমাদের উদ্বিগ্ন হওয়া কতটা জরুরি?’ শীর্ষক সমীক্ষার ফলে বলা হয়, দেশের দেড়শ জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা এবং অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে আত্মহত্যার তথ্য সংগ্রহ করে এই সমীক্ষা করা হয়েছে।

সমীক্ষার তথ্য অনুসারে, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে ৩৬৪ জন আত্মহননের পথ বেছে নেয় যারা তাদের জীবদ্দশায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ছিলেন। এদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুল, মাদরাসা, নার্সিং প্রভৃতি বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থী রয়েছেন। ৩৬৪ জন আত্মহত্যাকারীর মধ্যে ১৯৪ জনই ছিলেন স্কুলগামী শিক্ষার্থী। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন কলেজ শিক্ষার্থীরা যার সংখ্যা ৭৬ জন। অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মহননকারীর সংখ্যা ৫০ জন। তবে মোট আত্মহননকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদরাসায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীও ছিলেন ৪৪ জন।

আত্মহত্যাকারীদের বয়সভিত্তিক সমীক্ষা থেকে দেখা যায়, ১৩ থেকে ২০ বছর বয়সীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। যা ৭৮ দশমিক ৬ শতাংশ। ২১ থেকে ২৬ বছর বয়সীদের মধ্যে ১৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ শিক্ষার্থী আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে। ১৩ বছরের নিচে যাদের বয়স, তারাও এই পথ থেকে পিছপা হয়নি। ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ অর্থাৎ ২৯ জন আত্মহত্যা করেন। তবে সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যা করেছে ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সীরা, যার সংখ্যা ১৬০ জন। এছাড়াও সর্বনিম্ন ৭ বছরের একটি শিশুও আত্মহত্যা করেছে।

প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য বিশ্লেষণে বলা হয়, বিগত আট মাসে মোট আত্মহননকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫০ জন ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে পুরুষ শিক্ষার্থী ৬০ শতাংশ এবং নারী শিক্ষার্থী ৪০ শতাংশ। কলেজপড়ুয়াদের মধ্যে ৭৬ জন এই পথ বেছে নেয় যাদের মাঝে ৪৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ পুরুষ এবং ৫৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ নারী। সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ১৯৪ জন স্কুলগামী শিক্ষার্থী বিগত আট মাসে আত্মহত্যা করেছেন। তাদের মধ্যে ৩২ দশমিক ৯৯ শতাংশ পুরুষ এবং ৬৭ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ নারী শিক্ষার্থী। এমনকি মাদরাসায় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও আত্মহত্যার মাধ্যমে জীবনাবসানের পথ বেছে নিয়েছে যা সংখ্যায় ৪৪ জন। তাদের মধ্যে ৩৯ দশমিক ২৯ শতাংশ পুরুষ এবং ৬০ দশমিক ৭১ শতাংশ নারী শিক্ষার্থী।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আত্মহত্যায় স্কুলগামীরা এগিয়ে। বিদ্যালয়গামী অর্থাৎ প্রাইমারি থেকে মাধ্যমিক পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন। যা শতকরা ৫৩ দশমিক ৩০ শতাংশ। আত্মহত্যার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা যা ২০ দশমিক ৮৮ শতাংশ। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থী রয়েছে ১৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ। আত্মহননকারীদের মধ্যে মাদরাসার শিক্ষার্থী রয়েছেন শতকরা ১২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ।

এদিকে সমীক্ষায় দেখা যায়, আত্মহত্যায় এবারেও এগিয়ে আছে নারী শিক্ষার্থীরা যা মোট আত্মহননকারীদের ৬০ দশমিক ৭১ শতাংশ বা ২২১ জন। অন্যদিকে পুরুষ শিক্ষার্থী রয়েছেন ৩৯ দশমিক ২৯ শতাংশ বা ১৪৩ জন।

বিভাগভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, আত্মহত্যাকারীদের অবস্থান বিবেচনায় সবার শীর্ষে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। শতকরা ২৫ দশমিক ২৭ শতাংশ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেন। চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং খুলনা বিভাগে ১৪ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ আত্মহত্যা করে। দেশের অপরপ্রান্তে রংপুর বিভাগে আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থী রয়েছেন ৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এছাড়া বরিশাল বিভাগে ৯ দশমিক ৬২ শতাংশ, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং রাজশাহী বিভাগে ১৪ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। অপর দিকে, সিলেট বিভাগে তুলনামূলকভাবে কম সংখ্যক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেন যা ৪ শতাংশ।

এতে আরও দেখা যায়, চলতি বছরের ৮ মাসের তথ্য বলছে (জানুয়ারি থেকে আগস্ট) প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৪৫ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। প্রেমঘটিত কারণেই সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করে হয়েছে।

ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জ জেলার এডিসি (শিক্ষা ও আইসিটি ডিভিশন) আজিজুল হক মামুন এবং আঁচল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তানসেন রোজ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest