সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভাদেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক : দুইজনের বিরুদ্ধে মামলাসাতক্ষীরায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ যুবদল নেতা সুমনের: অপসাংবাদিকতার চিত্র তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডিসখিপুরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে শিশুদের মাঝে খেলাধুলার পোশাক বিতরণসাতক্ষীরায় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের উদ্যোগে সমন্বয় সভাতালায় রেকর্ডীয় জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা সদরের লাবসায় ‘পাবলিক হেয়ারিং’অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক নিয়ে কল্যাণ ব্যানার্জি’ ফেসবুক আইডির পোস্ট: ব্যবস্থা গ্রহণে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ

সাতক্ষীরার নবাগত তথ্য অফিসারকে সম্মিলিত সাংবাদিক এসোসিয়েশনের শুভেচ্ছা

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলার নবাগত তথ্য অফিসার মো. জাহারুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সম্মিলিত সাংবাদিক এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় জেলা তথ্য অফিসে নবাগত তথ্য অফিসার মো. জাহারুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করেন সংগঠনের সভাপতি জাতীয় দৈনিক নব অভিযান পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সাধারণ সম্পাদক দৈনিক সাতঘরিয়া পত্রিকার মফস্বল সম্পাদক মো. আব্দুর রহমানসহ সকল সদস্যবৃন্দ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা তথ্য অফিসের সহকারী তথ্য অফিসার মো. রমজান আলী, সম্মিলিত সাংবাদিক এসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ সভাপতি দৈনিক যুগেরবার্তার বার্তা সম্পাদক খন্দকার আনিছুর রহমান, সহ সভাপতি দৈনিক ঢাকা টাইমস্’র সাতক্ষীরা প্রতিনিধি এম বেলাল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ৭১ টিভির ক্যামেরাপার্সন সৈয়দ সাদিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক দীপ্ত টিভির ক্যামেরাপার্সন মো. রেজাউল করিম, কোষাধ্যক্ষ দৈনিক কালের চিত্র’র স্টাফ রিপোর্টার সেলিম হোসেন, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বিটিভি’র ক্যামেরাপার্সন মীর মোস্তফা আলী, দৈনিক কালের চিত্র’র মফস্বল সম্পাদক মেহেদী আলী সুজয়, দৈনিক পত্রদূত’র নিজস্ব প্রতিনিধি মো. আব্দুর রহিম ও দৈনিক সুপ্রভাত সাতক্ষীরার স্টাফ রিপোর্টার মাহফিজুল ইসলাম আককাজ, দৈনিক পত্রদূত’র নিজস্ব প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান মধু, দৈনিক প্রতিদিনের কথা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মো. মাসুদ আলী, দৈনিক কাফেলার স্টাফ রিপোর্টার শেখ কামরুল ইসলাম, দৈনিক লাখোকষ্ঠ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ফিরোজ হোসেন,

দৈনিক আজকের তথ্য পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি রাহাত রাজা, বাংলা টিভি’র ক্যামেরাপারর্সন শহিদুজ্জামান শিমুল, দৈনিক যুগেরবার্তার স্টাফ রিপোর্টার আজিজুল ইসলাম ইমরান, দৈনিক সাতক্ষীরার সকাল পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ফাহাদ হোসেন। উল্লেখ্য, নবাগত জেলা তথ্য অফিসার মো. জাহারুল ইসলাম গত ১৭ আগস্ট ২০২২ তারিখে সাতক্ষীরায় যোগদান করেন। এরআগে তিনি যশোর জেলা তথ্য অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনিতে পারটিসিপেটরি রেজিলেন্স এ্যাকশন প্লান মিটিং

শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনিতে পারটিসিপেটরি রেজিলে¯œ এ্যাকশন প্লান মিটিং

শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনিতে পারটিসিপেটরি রেজিলে¯œ এ্যাকশন প্লান মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার দুপুরে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত সভায় মিটিং এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বুড়িগোয়ালিনি ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ নজরুল ইসলাম।

উন্নয়ন সংস্থা প্রেরণা ও নওয়াবেকী গণমুখি ফাউন্ডেশনের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন উক্ত ইউনিয়নের সচিব ও সকল মেম্বরবৃন্দ।

মিটিং এ উক্ত ইউনিয়নের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ স্থানের রাস্তাঘাট, বাধ, ড্রেন, বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার প্রভৃতি নির্মাণ ও সংস্কার এর বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক গৃহিত বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পগুলোকে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে উন্নয়ন সংস্থা প্রেরণা ও নওয়াবেকী গণমুখি ফাউন্ডেশন যৌথভাবে কাজ করছে। সে লক্ষে অনুষ্ঠিত মিটিং আলোচনান্তে ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের রাস্তা সংস্কার এবং ১নং ওয়ার্ডের ড্রেন সংস্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সামাজিক দায়বদ্ধ তহবিল প্রদানকারী সংস্থার সাথে ওয়াস এসডিজি প্রকল্পের ফলোআপ মিটিং

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা ও কলারোয়া পৌরসভার ওয়াস ব্যবসায়ীদের সাথে ওয়াস খাতে বরাদ্ধ বৃদ্ধির জন্য সামাজিক দায়বদ্ধ তহবিল (সিএসআর) প্রদানকারী বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও কোম্পানী প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

বিগত ২৪ আগস্ট ২০২২ তারিখে ম্যানগ্রোভ সভাঘর, সাতক্ষীরাতে সভায় লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বর্ণনা করেন হোপ ফর দি পুওরেষ্ট’র মার্কেট ডেভেল্পমেন্ট অফিসার নন্দিতা রানী দত্ত। সভার শুরুতে সাতক্ষীরা ও কলারোয়া পৌরসভায় বাস্তবায়িত কার্যক্রম ও অর্জিত ফলাফল তুলে ধরা হয়।

পরবর্তীতে প্রাইভেট সেক্টরের বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতার কার্যক্রম (সিএসআর) ফান্ড যাতে ওয়াস কর্মসূচীতে বরাদ্ধ করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সর্বোপরি ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে সামাজিক দায়বদ্ধতার কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়ে কমিটমেন্ট ও ফলোআপের কৌশল নিধারণ করা হয়। আশা’র জেলা ব্যবস্থাপক মোঃ আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোছাঃ রাবেয়া পারভীন।

বিশেষ অতিথির আসন গ্রহণ করেন সাতক্ষীরা পৌরসভার ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নূরজাহান বেগম, ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনিমা রানী মন্ডল, সাতক্ষীরা পৌরসভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা ও ওয়াস এসডিজি প্রকল্পের ফোকাল পার্সন মোঃ জিয়াউর রহমান, নারী নেত্রী শম্পা গোস্বামী। সমগ্র সভা পরিচালনা করেন অত্র সংস্থার টাউন কোঅর্ডিনেটর মৃনাল কুমার সরকার। কোম্পানী প্রতিনিধিদের মধ্যে মোঃ রবিউল ইসলাম, মোঃ ইমরান হোসেন, মোঃ বিপুল আলম, ব্যবসায়ী দিলীপ অধিকারী, ব্যবসায়ী মোঃ আবু সাঈদ, উদ্যোক্তা সালমা খাতুন, সেলিনা খাতুন, ফরিদা খাতুন, হাতেম গাজী, সাংবাদিক অমিত কুমার ঘোষসহ অন্যান্য। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে অংশগ্রহণ করেন অত্র সংস্থার মার্কেট ডেভেল্পমেন্ট অফিসার রোকসানা পারভীন । উল্লেখ্য, এইচপি নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক দাতা সংস্থা সীমাভীর অর্থায়নে সাতক্ষীরা ও কলারোয়া পৌরসভায় ওয়াস বিষয়ক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো ওয়াস উদ্যোক্তা তৈরী এবং সফল ওয়াস ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যা প্রত্যক্ষভাবে এলাকার ওয়াস ব্যবস্থার মান বৃদ্ধি করবে যেটি বাংলাদেশ সরকারের স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন অভিষ্ট ২০৩০ অর্জনে অবদান রাখবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে নরেন্দ্র মুণ্ডা হত্যা : গ্রেপ্তারকৃত প্রত্যেককে একদিন করে কারাফটকে রিমাণ্ড শুনানীর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ধুমঘাটের অন্তাখালিতে সন্ত্রাসী হামলায় নরেন্দ্র মুণ্ডার মৃত্যু ও তিন নারী জখম হওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত চার সন্ত্রাসীর প্রত্যেককে কারাফটকে এক দিন করে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেওয়া হয়েছে। সাতক্ষীরার আমলী আদালত-১ এর বিচারক রাকিবুল ইসলাম মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা শ্যামনগর থানার উপপরিদর্শক রিপন মল্লিকের সাত দিনের রিমাণ্ড আবেদন শুনানী শেষে এ আদেশ দেন।

এদিকে নরেন্দ্র মুণ্ডাকে হত্যার প্রতিবাদে আদিবাসী ছাত্র পরিষদের সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে বুধবার বিকেল ৫টায় শ্যামনগর প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে সংগঠণটির সহ সাধারণ সম্পাদক গণেশ মাদ্দির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন রামপ্রসাদ মুণ্ডা, গোপাল মুণ্ডা, সনাতন মুণ্ডা, প্রশান্ত মুণ্ডা, অনাথ মণ্ডল প্রমুখ।

রিমাণ্ড মঞ্জুর হওয়া আসামীরা হলেন শ্যামনগর উপজেলার বংশীপুর গ্রামের আলমগীর গাজীর ছেলে নুর হোসেন(২৬), তার ভাই নূর মোহাম্মদ(২২), পাতড়াখোলা গ্রামের আকবর আলীর ছেলে আক্কাস আলী আব্বাস ও একই গ্রামের ছুন্নত গাজীর ছেলে রাশিদুল গাজী।

মামলা ও ঘটনার বিবরনে জানা যায়, শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ধুমঘাট গ্রামের মুণ্ডা পাড়ায় শ্রীফলকাটি গ্রামের গফুর সরদারের ছেলে রাশেদুল ইসলাম ও এবাদুল ইসলামের নেতৃত্বে ২০ আগষ্ট সকালে দুই শতাধিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলা চালায়। মুল্লুক চাদ মুণ্ডার দেড় বিঘা জমিতে লাগানো ধানের বীজতলা পাওয়ার টিলার দিয়ে চাষ করে নষ্ট করে দেয়। বীজতলা নষ্ট ও বাড়িঘর ভাঙচুরে বাধা দেওয়ায় তিন নারী ও এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করা হয়। ২১ আগষ্ট বিকেলে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নরেন্দ্র মুণ্ডা মারা যায়। এ ঘটনায় ফণীন্দ্র মুণ্ডা বাদি হয়ে শনিবার ২২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১৭০ জনের বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ শুক্রবার রাতে ও শনিবার সকাল নূর হোসেন, নূর মোহাম্মদ, আক্কাজ আলী আব্বাস ও রাশিদুল গাজীকে গ্রেপ্তার করে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সাত দিনের রিমাণ্ড আবেদন করেন। মুণ্ডাদের সম্পত্তি জাল জালিয়াতির মাধ্যমে দখল করার চেষ্টা ও নরেন্দ্র মুণ্ডাকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে বিভিন্ন মানবাধিকার ও সামজিক সংগঠণ ক্ষোভে ফেটে পড়ে। তারা সাতক্ষীরা ও শ্যামনগরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে।

মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা শ্যামনগর থানার উপপরিদর্শক রিপন কুমার মল্লিক গ্রেপ্তারকৃত চার আসামীর এক দিন করে কারাফটকে রিমাণ্ড মঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি জলমহলের অবৈধ বাঁধ ও নেট-পাটা অপসারণের সিদ্ধান্ত ৬ মাসেও বাস্তবায়ন হয়নি!

আশাশুনি ব্যুরো: গত ফেব্রুয়ারি মাসে আশাশুনি উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় বুধহাটা ইউনিয়নের একাধিক খাল জলমহলের অবৈধ বাঁধ ও নেট-পাটা অপসারণের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সিন্ধান্ত গ্ৰহনের পর ৬মাস অতিবাহিত হলেও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বাঁধাগ্ৰস্থকারি অবৈধ বাঁধ ও নেট-পাটা অপসারণে আজও পর্যন্ত কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্ৰহন করতে দেখা যায়নি বলে অভিযোগ তুলেছেন ইউনিয়নবাসি।

জানাগেছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসের আশাশুনি উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুল হক ডাবলু কর্তৃক ইউনিয়নবাসিকে জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা করতে পানি নিষ্কাশনের জন্য ব্যবহৃত সরকারি খাল/জলমহল গুলো থেকে অবৈধ বাঁধ বা নেট-পাটা অপসারণের দাবির প্রেক্ষিতে মাসিক সভায় উপস্থিতির সর্বসম্মতিক্রমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইয়ানুর রহমান সভার কার্যবিবরণীতে লিপিবদ্ধ করেন এবং প্রস্তাবের বিপরীতে ভিন্ন মত না থাকায় কার্যবিবরণী দৃঢ়করণ করেন।
কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট প্রতিবন্ধতার কারনে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বাধাগ্ৰস্থ হয়ে বর্ষা মৌসুমে ইউনিয়নের মৎস্য চাষী, কৃষি ফসল, রাস্তা এমনকি কাঁচা ঘরবাড়ি মারাত্মক ক্ষতিগ্ৰস্থ হলেও উপজেলা প্রশাসনের সেদিকে কোন খেয়ালই নেই। বুধহাটা ইউনিয়নসহ জেলা সদরের ফিংড়ি ইউনিয়নের পানি নিষ্কাশনের জন্য ব্যবহৃত বৈউলা, শ্বেতপুর, গুড়গুড়ি, বাউশুলী, পাইথালী, মহেশ্বরকাটি মৌজার একাধিক সরকারি খাল/জলমহল অবৈধ দখল, অবৈধ বাঁধ বা নেট-পাটা দিয়ে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বাঁধাগ্ৰস্থ করায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে এসব এলাকার মৎস্য চাষি ও কৃষকদের বড় অংকের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।
গুটি কয়েক অসাধু ব্যক্তির কারনে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলেও উপজেলা প্রশাসনের কোন কার্যকরী বা স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা দেখতে পাওয়া যায়নি এমনটি দাবি ভুক্তভোগীদের। জানাগেছে, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে এসকল খাল জলমহল গুলো ইজারা নিয়ে নিয়ম ভঙ্গ করে অবৈধ বাঁধ বা নেট-পাটা দিয়ে মৎস্য চাষ করা হলেও তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না।

কোথাও কোথাও ইজারা ছাড়াও সম্পূর্ণ গায়ের জোরে জবর দখল করে নেট-পাটা বসিয়ে এমনকি বাঁধ দিয়ে মৎস্য চাষ করছে।
সোমবার সকাল থেকে বুধহাটা ইউনিয়নের বিভিন্ন মৌজার খাল জলমহল ঘুরে দেখা গেছে, উল্লেখিত মৌজার অধিকাংশ খাল জলমহলের একাধিক স্থানে নেট-পাটা বসিয়ে মৎস্য চাষ করা হচ্ছে। বৈউলা খাল জলমহলটির একাধিক স্থানে এমন ভাবে বাঁধ দেয়া হয়েছে যে দেখে বোঝার উপায় নেই এটা সরকারি খাল জলমহল। এসময় বিভিন্ন এলাকার একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা গেছে, খাল জলমহল গুলো নিয়ে কতৃপক্ষের উদাসীনতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বৈউলা খাল জলমহলের ১৪একর খাল জলমহল কুঁন্দুড়িয়া মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতির অনুকুলে ইজারা দিয়ে তার থেকে ৩ বছর মেয়াদে ইজারা মূল্য সরকারি খাতে জমা নিয়ে আড়াই বছর অতিবাহিত হলেও তাকে জলমহলের দখল বুঝিয়ে দেয়া হয়নি। এমনকি কে বা কাহারা জলমহলটি দখল করছে সে বিষয়েও খোঁজ খবর রাখেন না কতৃপক্ষ।
এবিষয়ে জানতে চাইলে বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুল হক ডাবলু বলেন, মাসিক মিটিং হয় আশাশুনির ১১টি ইউনিয়নের জনগনের কল্যানের জন্য। মাসিক সভায় বসে অনেক নীতি কথা বলা হয় কিন্তু বাস্তবে একটাও বাস্তবায়ন হতে দেখা যায় না। মাত্র ১০ জন অসাধু লোক খাল গুলো নিয়ম বহির্ভূত ভাবে নেট-পাটা ও আড়ের বাঁধ দিয়ে তিন লক্ষ মানুষের বিভিন্ন প্রকার ফসল নষ্ট করছে অথচ কাহারো কোন খেয়াল নেই সেদিকে।
খাস খাল গুলো অবৈধ কাগজ তৈরি করে হাইকোর্টে বৈধ ইজারার বিপরীতে স্থগিতাদেশ করে রেখেছে সেদিকে সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতারের কর্মকর্তাদের কোন খেয়াল নেই। আমরা জনপ্রতিনিধিরা ইউনিয়ন ভুমি অফিস ও এসিল্যান্ড অফিসে গেলে এ সংক্রান্ত বিষয়ে কোন কাগজপত্র দিয়ে সাহায্যতো দুরের কথা আমাদের সাথে ভালোভাবে কথাই বলতে চায় না।

এরা সবাই ঐ সব জলমহল দস্যুদের দোসর। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি জনগনের প্রতিনিধি হিসাবে জনগনের সম্পদ রক্ষা করার জন্য জনগনকে সাথে করে নিয়ে খু্ব শিঘ্রই দা, কোদাল, লাপনা নিয়ে খাল থেকে নেট-পাটা, বাঁধ কেঁটে দেবো। তাতে যা হয় হবে, জনগনের ফসলতো বাঁচবে। বহুবার উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের এর সাথে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের বলেছি শুধু আশ্বাস দেয় কাজ হয় না। যখন সব পানিতে তলিয়ে যাবে তখন লোক দেখানো একটা শো করবে চিরকাল যা দেখছি। সোনর বাংলাদেশের সোনার ফসল নষ্ট হচ্ছে অথচ আমাদের কোন যায় আসে না আফসোস, বঙ্গবন্ধু কি এজন্যই দেশ স্বাধীন করেছিল?

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইয়ানুর রহমান জানান, খাল জলমহল গুলো থেকে এর আগেও নেট-পাটা অপসারণ করা হয়েছে। কিন্তু অপসারণের কিছুদিন পর পুনরায় তারা একই কাজ করে থাকে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উচিত হবে আমরা এগুলো অপসারণ করার পরে পূনরায় যেন বাঁধ বা নেট-পাটা বসিয়ে পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে না পারে সে দিকে নজর রাখা। তিনি আরও বলেন, পিছনে যেটা হয়েছে- হয়েছে। অতি দ্রুত এসকল খাল জলমহল গুলো সনাক্ত করে সেখানে বাঁধ বা নেট-পাটা অপসারণ পূর্বক দোষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্ৰহন করা হবে।

মরিচ্চাপ নদী পূনখননের কারনে মরিচ্চাপ নদীর সাথে সংযুক্ত সরকারি খাল এ এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় কোন ভুমিকা রাখতে পারছে না। এমতাবস্থায় যত দ্রুত সম্ভব উল্লেখিত খাল জলমহল থেকে অবৈধ দখলদার, অবৈধ বা ও নেট-পাটা অপসারণ করতে না পারলে দু’এক দিনের ভারী বৃষ্টিপাতে বুধহাটা ইউনিয়নসহ সদরের ফিংড়ি ইউনিয়ন মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সংশ্লিষ্ট যথাযথ উদ্ধতন কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপে এসকল খাল জলমহল গুলো থেকে অবৈধ দখলদার, অবৈধ বাঁধ ও নেট-পাটা অপসারণের জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা খাদ্য বান্ধব কমিটির সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি : “শেখ হাসিনার বাংলাদেশ ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা খাদ্য বান্ধব কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে সদর উপজেলা খাদ্য বান্ধব কমিটির আয়োজনে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা-তুজ-জোহরা’র সভাপতিত্বে কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

সদর উপজেলা খাদ্য বান্ধব কমিটির সভার আলোচ্য সুচির মধ্যে ছিল ভোক্তাদের আপলোড যাচাই-বাছাই আগামী ৩০ আগস্টের মধ্যে সমাপ্ত করা এবং আগামী ১ সেপ্টেম্বর সারা দেশে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় চাল বিক্রয় শুরু করা প্রসঙ্গসহ বিভিন্ন বিষয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. জাকির হোসেন, সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান, সদর উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক মো. হুমায়ুন বাসিদ
প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রেশনকার্ডের নামের তালিকায় অনিয়ম : কাশিমাড়ি ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

বিশেষ প্রতিনিধি:
শ্যামনগর উপজেলার ২ নং কাশিমাড়ি ইউনিয়নে রেশন কার্ড এর নামের তালিকা থেকে সাধারণ মানুষের নাম বাদ দেওয়ায় এবং তালিকায় ইউপি চেয়ারম্যান এর নিজের পকেটের লোকের নাম তালিকাভুক্ত করে অনিয়ম ও দুর্নীতি করায় কাশিমাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আনিছুজ্জামান আনিচের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে ইউনিয়নের কয়েকশত দরিদ্র মানুষ।

২৩ শে আগস্ট মঙ্গলবার সকাল ১১টায় কাশীমাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন করা হয়।

উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে রেশনকার্ড থেকে বাদ পড়া কয়েকশত সাধারণত ও নিরীহ ভুক্তভোগী মানুষের সাথে একাত্বতা প্রকাশ করে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন কাশীমাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী শোমসের ঢালী,সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন,৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ছানাউল্লাহ , ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক খোকন সানা এবং ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি এশার আলী, হাবিবুল্লাহ সরদার সহ অনেকেই।

এসময় বক্তারা বলেন যে আমরা বিগত ইউপি নির্বাচনের সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া নৌকায় ভোট দিয়েছিলাম এজন্য আমাদের ও আমাদের লোকজনের রেশনকার্ডের নাম থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে আমাদের নাম কেটে দিয়ে চেয়ারম্যানের নিজের লোকজনদের নাম বসিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তিনি বতর্মান রেশনকার্ডে যাদের নাম দিয়েছেন তারা বেশির ভাগ এলাকার অর্থ বিত্তশালী মানুষ।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী আনিছুজ্জামানের সাথে মূঠোফনে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও যোগাযোগ করা সম্ভাব হয়নি।

এদিকে ইউনিয়নের গরিব দুঃখী অসহায় সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের রেশনকার্ডের তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়ে বিত্তবান লোকজনের নাম অন্তরভুক্ত করায় এলাকার সুশীল সমাজের মানুষেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। সেই সাথে সাথে উক্ত ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহনের ও দাবী জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর: ভারতের কাছে শেখ হাসিনা সরকারকে টিকিয়ে রাখতে হবে, এমন কোনো অনুরোধ জানাননি বলে দাবি করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, আমি তার ধারে কাছেও নেই। এটি ডাহা মিথ্যা।

সোমবার (২১ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাকে যে অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে আমি তার ধারে কাছেও নেই। এটি ডাহা মিথ্যা। নির্বাচন নিয়ে কোনো কথা বলিনি। গ্লোবাল কনটেস্ট যে অস্থিতিশীল অবস্থা তার প্রেক্ষিতে স্থিতিশীলতার কথা বলেছি।

সম্প্রতি বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে সমালোচনার মধ্যে পড়েন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। এ অবস্থায় রোববার (২১ আগস্ট) বক্তব্যের বিষয়ে মন্ত্রীকে পাঠানো হয়েছে লিগ্যাল নোটিশ। নোটিশ পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আইনি প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলে জানানো হয়।

গত ১৮ আগস্ট সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম শহরের জে এম সেন হলে এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুই দেশেরই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। এটি সম্ভব যদি শেখ হাসিনার সরকারকে সমর্থন দেয় ভারত।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকারকে টিকিয়ে রাখার জন্য যা যা করা দরকার, আমি ভারতবর্ষের সরকারকে সেটা করতে অনুরোধ করেছি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বক্তব্যে দেশজুড়ে আলোচনার ঝড় ওঠে। তার বক্তব্যে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারাও বিব্রত। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কূটনীতিকরা বলছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী যা বলেছেন তা দেশের জন্য অসম্মানজনক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest