সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে শিক্ষার্থী জাকারিয়া হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনবিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিশ্চিতের দাবি সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের ১৩৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় কিশোর গ্যাং এর সদস্যের ছুরিকাঘাতে কলেজ ছাত্র জাকারিয়া খু%ন : প্রধান আসামী নাহিদসহ গ্রেপ্তার-২গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জামায়াত নেতা মাও: আব্দুস সবুরসাতক্ষীরায় জামায়াত নেতার নেতৃত্বে ঘের লুটপাটের অভিযোগ : ১০ লাখ টাকার ক্ষতিশ্যামনগরে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ : কার্যক্রম স্থগিতের আবেদনসাংবাদিক শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসম্ভাবনা ও সংকটে দেবহাটা: পাঁচ ইউনিয়নের মানুষের চোখে আগামীর প্রত্যাশাবাকশিস সাতক্ষীরা জেলা শাখার নির্বাচন: সভাপতি খলিলুর -সম্পাদক নূর মোহাম্মদ

নবীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য : মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক সংকটে ভারত

বিদেশের খবর: নবী হযরত মুহম্মদকে (সা.) নিয়ে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির দুই নেতার বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক টানাপোড়েন প্রকট হচ্ছে।

উপসাগরীয় দেশ কাতার, কুয়েত, সৌদি আরব, আরব আমিরাত, ওমান, বাহরাইনের পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, মালদ্বীপ, জর্ডান, লিবিয়াও ভারতের ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে।

কুয়েতের বাজারে ভারতীয় পণ্য বর্জন করা হয়েছে। ইরান, কুয়েত এবং কাতার ওই ঘটনায় নিন্দা জানাতে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে। সৌদি আরব সমালোচনা জানিয়ে কড়া ভাষায় বিবৃতি দিয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স লিখেছে, উপসাগরীয় এবং এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ এ মুসলিমপ্রধান দেশগুলোর সঙ্গে নয়া দিল্লির সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক থাকায় ভারতীয় কূটনীতিকরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও ঝড়ের যে আরও অনেকখানি বাকি তা টের পাওয়া যাচ্ছে।

এই বিতর্কের মূলে রয়েছেন নূপুর শর্মা, যিনি ছিলেন ভারতের হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল বিজেপির মুখপাত্র। গত মাসে এক টেলিভিশন বিতর্কে তিনি নবীকে নিয়ে বিতর্কিত ওই মন্তব্য করেছিলেন। তার সেই বক্তব্যের ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে।

বিজেপির দিল্লি শাখার মিডিয়া প্রধান নভিন কুমার জিন্দালও বিতর্কিত এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে টুইটারে উসকানিমূলক পোস্ট দেন।

তাদের এসব মন্তব্যকে ভারতে বিদ্যমান তীব্র ধর্মীয় বিভাজনের প্রতিফলন বলছেন সমালোচকরা। এই বিভাজন দেশটি গত কয়েক বছর ধরেই প্রত্যক্ষ করে আসছে। ২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ও আক্রমণ তীব্রভাবে বেড়েছে।

দুই বিজেপি নেতার, বিশেষ করে নূপুর শর্মার বক্তব্য ভারতের সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়কে ক্ষুব্ধ করেছে। কিছু রাজ্যে বিচ্ছিন্নভাবে বিক্ষোভও দেখা গেছে।

বিজেপির এই দুই নেতা এরই মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন। নূপুরের সদস্যপদ স্থগিত এবং জিন্দালকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি এক বিবৃতিতে বিজেপি বলেছে, “বিজেপি যেকোনো ধর্মের যেকোনো ধর্মীয় ব্যক্তিত্বকে অপমানের কঠোর নিন্দা জানায়। কোনো সম্প্রদায় বা ধর্মকে অপমান বা হেয় করে- এমন যেকোনো আদর্শেরও বিরুদ্ধেও বিজেপি। বিজেপি এ ধরণের মানুষ কিংবা দর্শনকে সমর্থন করে না।”

কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় যেভাবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গেছে তাতে বিজেপির নেওয়া এ পদক্ষেপ হয়ত যথেষ্ট বলে বিবেচিত হবে না।

ভারতকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলেছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, “এ ধরনের ইসলামবিদ্বেষী মন্তব্যের জন্য যদি শাস্তি পেতে না হয়, এটি যদি অব্যাহত থাকে, তবে তা মানবাধিকারের জন্য গুরুতর হুমকি হবে। এর মাধ্যমে বিদ্বেষ ও বিভাজন আরও বাড়বে, যা সংঘাত ও ঘৃণার চক্র তৈরি করবে।”

সৌদি আরবও তাদের বিবৃতিতে কড়া কড়া শব্দ ব্যবহার করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, বিজেপির মুখপাত্রের বক্তব্যের নিন্দা জানাচ্ছে তারা।

পরিস্থিতি সামাল দিতে কূটনীতিকদের মুখ খুলতে হচ্ছে।

কাতারে ভারতের রাষ্ট্রদূত দীপক মিত্তাল বলেছেন, ‘বিচ্ছিন্ন কিছু ব্যক্তির’ মন্তব্য ভারত সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিনিধিত্ব করে না। বিজেপির সিনিয়র নেতা এবং অন্যান্য কূটনীতিকরাও বিতর্কিত সেই বক্তব্যের নিন্দা করেছেন।

বিতর্কিত ওই মন্তব্যের জেরে ৫৭ সদস্যের অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কনফারেন্স (ওআইসি) এবং পাকিস্তানও ভারতের সমালোচনা করেছে। দিল্লি অবশ্য ওআইসি ও পাকিস্তানের সমালোচনাকে উড়িযে দিয়েছে। বলেছে, তাদের মন্তব্য ‘অবাঞ্ছিত ও সংকীর্ণচিত্তের’।

বিশ্লেষকরা বলছেন, জল অনেকদূর গড়িয়ে গেছে। পরিস্থিতি সামলাতে এখন বিজেপি ও সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বকে প্রকাশ্যে বিবৃতি দেওয়া লাগতে পারে। তা না হলে আরব বিশ্ব ও ইরানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

সংকটে অনেক কিছু :

উপসাগরীয় দেশগুলোর জোট গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) সদস্য কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব, বাহরাইন, ওমান এবং ইউএই। এই জোটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বাণিজ্য সম্পর্ক রয়েছে ভারতের। ২০২০-২০২১ সালে জিসিসির সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৮৭ বিলিয়ন ডলার।

এসব দেশে লাখ লাখ ভারতীয় কাজ করে, যারা কোটি কোটি ডলার রেমিটেন্স পাঠায় দেশে। ভারতের সবচেয়ে বেশি জ্বালানি আমদানিও হয় এসব দেশ থেকেই।

২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে উপসাগরীয় অঞ্চলে নিয়মিত সফর করতে দেখা গেছে। ভারত সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে ভারত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সই করেছে, ব্যাপক বাণিজ্য চুক্তির জন্য জিসিসির সঙ্গে তাদের আলাপও চলছে।

নরেন্দ্র মোদী ২০১৮ সালে আবুধাবিতে প্রথম হিন্দু মন্দিরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন; একে ভারতের সঙ্গে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের নজির বলে অভিহিতও করেছিলেন।

নবীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে ভারতের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া দেশগুলোর তালিকায় আরব আমিরাতের নাম থাকা নয়া দিল্লির জন্য ‘খুবই দুশ্চিন্তার’, বলছেন বিশ্লেষকরা।

গত কয়েক বছরে আরব আমিরাতের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। দেশটি বহুজাতিক বিভিন্ন ফোরামে ভারতকে সমর্থনও করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, যে বিতর্ক শুরু হয়েছে তা আরব আমিরাত এবং অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক সাফল্যে ছায়া ফেলতে পারে।

কয়েক বছরে দিল্লির সঙ্গে তেহরানের সম্পর্কে আগের মতো উষ্ণতা নেই। এর মধ্যে এই বিতর্ক ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আবদুল্লাহিয়ানের আসন্ন ভারত সফরেও প্রভাব ফেলতে পারে।

ভারতের প্রাক্তন কূটনীতিক অনিল ত্রিগুনায়াত আরব বিশ্বে কাজ করেছেন। তার ভাষ্য, ভারত এখন জটিল পরিস্থিতিতে আছে, এবং কেবল নেতৃত্ব পর্যায়ে আন্তরিক প্রচেষ্টাই ভারতের নেতিবাচক পতন রোধ করতে পারে।

এক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে ভারতকে যে কূটনৈতিক মূল্য দিতে হবে, তাতে উপসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের স্বার্থের বিশাল ক্ষতি করতে পারে, বলছেন অন্য কূটনীতিকরাও।

উইলসন সেন্টারের এশিয়া কর্মসূচির পরিচালক মাইকেল কুগেলম্যানের মতে, বিদেশি রাষ্ট্র এমনকি দিল্লির ঘনিষ্ঠ কেউও যখন ভারতের কোনো অভ্যন্তরীণ বিষয়ের সমালোচনা করেন, তখন ভারতীয় কর্মকর্তারা প্রায়শই আত্মপক্ষ সমর্থন করে প্রতিক্রিয়া দেখান।

“কিন্তু এই ক্ষেত্রে ভারতীয় কূটনীতিকরা ক্ষমা প্রার্থনা থেকে শুরু করে ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে নানা কৌশল অবলম্বন করতে পারেন,” বলেছেন তিনি।

আরব দেশগুলোও নিজ দেশের জনগণের মধ্যে ক্ষোভ কমানোর উপায় খুঁজছে। এসব দেশে ভারতের সমালোচনা করে দেওয়া হ্যাশট্যাগগুলো ট্রেন্ড হচ্ছে, দেশগুলোর গণমাধ্যমেও নবী মোহাম্মদকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের ইস্যুটির খবর নিয়মিত আসছে।

এর মধ্যে কিছু হ্যাশট্যাগে ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক দেওয়া হয়েছে। কাতার ও কুয়েতের অনেক দোকান তাদের তাক থেকে ভারতীয় পণ্য সরিয়ে নিয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।

কুগেলম্যানসহ অনেক বিশ্লেষকই মনে করেন, প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জিসিসির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ এবং উভয় পক্ষই উত্তেজনা কমানোর দিকে মনোযোগ দেবে।

“কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চলের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া নিয়ে ভারতের উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ রয়েছে। অবশ্য ভারত তার শক্তিশালী অবস্থান ও প্রভাবের কারণেও নিজেকে কিছুটা রক্ষা করতে পারবে।

“নিজেদের অর্থনৈতিক স্বার্থেই উপসাগরীয় দেশগুলো চাইবে ভারত তাদের কাছ থেকে জ্বালানি কিনুক, তারা চাইবে ভারতীয়রা থাকুক, কাজ করুক। সর্বোপরি তারা ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যেতে চাইবে,” বলেছেন তিনি।

ধর্মীয় বিভাজন বাড়ছে :

সমালোচকরা বলছেনে, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারতে ধর্মীয় মেরুকরণ বাড়ছিল। তার মধ্যে শতাব্দী প্রাচীন একটি মসজিদে প্রার্থনার অনুমতি চেয়ে বারানসীর স্থানীয় আদালতে হিন্দুদের কয়েকটি দলের আবেদনকে ঘিরে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উত্তেজনাও ছিল চরমে।

যে মসজিদে প্রার্থনার আবেদন জানানো হয়েছিল, সেটি একটি মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের ওপর নির্মিত হয়েছিল বলে দাবি করে আসছেন কট্টরপন্থি হিন্দুরা।

এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে টিভি চ্যানেলগুলো উস্কানিমূলক বিতর্কের আয়োজন করেছে; সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিস্তর বিদ্বেষমূলক কথাবার্তা দেখা গেছে। ডানপন্থি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত অনেকে বিভিন্ন টিভি শোতে বিতর্কিত বক্তব্যও দিয়েছেন।

সমালোচকরা বলছেন, বিজেপি দাবি করলেও নূপুর শর্মা মোটেও ‘বিচ্ছিন্ন কেউ’ নন। তিনি দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখপাত্র ছিলেন, যার কাজ ছিল বিজেপির দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা।

বিষয়টি নিয়ে এই আন্তর্জাতিক টানাপোড়েন ভারতের জন্য ‘জেগে ওঠার’ বার্তা হওয়া উচিত; বিভাজনের রাজনীতি যে আন্তর্জাতিক জটিলতায়ও ফেলতে পারে, তাও তাদের শেখা উচিত, বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

“ক্রমবর্ধমান বিষাক্ত রাজনীতির ক্ষেত্রে, ভারতে যা ঘটে, সবসময়ই যে তা ভারতের ভেতরেই থাকে না, দিল্লি তা শিখছে। বিশ্বব্যাপী ভারতের যখন প্রভাব বাড়ছে, বিদেশে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হচ্ছে; তখন অভ্যন্তরীণ রাজনীতি বিদেশের অসন্তোষের কারণ হলে ঝুঁকি বাড়বে,” বলেছেন কুগেলম্যান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিনিধি :

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

গতকাল সাতক্ষীরা মিশন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বল ফিল্ড চত্বরের ফলজ বৃক্ষ রোপন করা হয়।
সুন্দরবন ফাউন্ডেশন ও কোস্টাল ডিজাস্টার হিউম্যানট্রেনিয়ান নেটওয়ার্ক এর সহযোগিতায় ও পরিবেশ অধিদপ্তর এর আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে ফলজ চারা রোপন করেন সরদার শরীফুল ইসলাম উপ-পরিচালক পরিবেশ অধিদপ্তর সাতক্ষীরা।

উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করেন শেখ আফজাল হোসেন নির্বাহী পরিচালক সুন্দরবন ফাউন্ডেশন, সাতক্ষীরা, মোছাঃ শামিমা খাতুন প্রধান শিক্ষক সাতক্ষীরা মিশন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মোঃ আজিজুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ ও ছাত্র-ছাত্রী বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে স্বতস্ফুর্তভাবে অংশগ্রহন করেন।
একই সাথে ছাত্র-ছাত্রীদের বৃক্ষরোপন ও পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তুলতে উদ্বুদ্ধ করেন ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীনের বিরুদ্ধে সরকারি প্রকল্প অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশকে কেদ্র করে সাংবাদিক আফজাল হোসেন ও আব্দুল মাজিদ এর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবে আয়োজিত ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচিতে রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিন এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি জিএম মামুন,

দৈনিক আলাকিত বাংলাদেশ এর উপজলা প্রতিনিধি শেখ আব্দুল হামিদ, দৈনিক সাতনদী’র সিনিয়র রিপোর্টার হাফিজুর রহমান, দৈনিক সাতঘরিয়া’র কালিগঞ্জ ব্যুরো প্রধান ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক গাজী মিজানুর রহমান, শ্যামনগর রিপার্টার্স ক্লাবের মারুফ বিল্যাহ রুবেল, শ্যামনগর সুদরবন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিলাল হোসেন, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সদস্য জিএম আব্বাসউদ্দীন, দৈনিক কালের চিত্র’র কালিগঞ্জ ব্যুরা প্রধান ইউপি সদস্য এসএম গোলাম ফারুক, কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফিফা রেফারী শেখ ইকবাল আলম বাবলু প্রমুখ। দৈনিক সুপ্রভাত সাতক্ষীরা পত্রিকার নিজস্ব প্রতিনিধি শেখ শাওন আহমেদ সোহাগের সঞ্চালনায় মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন,

কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীনের বিরুদ্ধে রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে তার গাত্রদাহ শুরু হয়। নিজস্ব লোক হিসেবে পরিচিত ফার্নিচার ব্যবসায়ী শংকরপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামকে বাদী করে দৈনিক পত্রদূত’র কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন প্রতিনিধি ও দৈনিক স্পদন পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি সহকারী শিক্ষক আফজাল হোসেন এবং দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন প্রতিনিধি সহকারী শিক্ষক আব্দুল মাজিদ এর নামে চাঁদাবাজি ও হামলার মিথ্যা অভিযোগ দেয়। গত ৫ জুন দিবাগত রাত ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীন নিজ থানায় উপস্থিত থেকে মামলা রেকর্ড করিয়েছেন। তদন্ত ছাড়াই থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান মামলা রেকর্ড করেছেন যা মোটেই কাম্য নয়। প্রায় দু’বছর পূর্বে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান কালিগঞ্জ থানায় যোগদান করেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। তারা বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের অনিয়ম অসঙ্গতি তুলে ধরে প্রশাসন ও রাষ্ট্রকে সহায়তা করছে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা নিয়ে দুর্নীতিবাজদের উৎসাহিত করা হলো। অবিলম্বে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যানসহ যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ সুপার ও উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা। মানববন্ধনে কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংবাদিকসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দও বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশে বছরে মাথাপিছু খাদ্য অপচয় ৬৫ কেজি!

ভিন্নরকম খবর: বিশ্বে প্রতি বছর যত খাবার উৎপাদন হয় তার একটি বড় অংশ মাঠ থেকে আর খাবার টেবিল পর্যন্ত পৌঁছায় না। উচ্ছিস্ট হিসেবে অপচয় হয়ে যায়। খাদ্য অপচয়ের ক্ষেত্রে উন্নত, উন্নয়নশীল আর অনুন্নত কেউই বাদ যায় না বাংলাদেশেও প্রতি বছর যত খাবার উৎপাদন হয়, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো তারও একটি বড় অংশ নষ্ট হয়ে ভাগাড়ে যায়।

২০২১ সালে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা ইউনেপ ফুড ওয়েস্ট ইনডেক্স নামে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে, যাতে বলা হয়েছে- বাংলাদেশে বছরে এক কোটি ৬ লাখ টন খাদ্য অপচয় হয়। মাথাপিছু খাদ্য অপচয়ের হারও বাংলাদেশে অনেক বেশি। খবর বিবিসি বাংলার।

ইউনেপের ওই ইনডেক্স অনুযায়ী একজন বাংলাদেশি বছরে ৬৫ কেজি খাদ্য উপাদান কিংবা তৈরি খাদ্য নষ্ট করেন। কিন্তু বাংলাদেশের মতো একটি দেশে খাবারের এত অপচয় কেন হয়? কিভাবেই বা সেটি ঠেকানো যাবে? এ নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন করেছে বিবিসি বাংলা।

এতে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ও পাকিস্তানের পর তৃতীয় সর্বোচ্চ খাদ্য অপচয় হয় বাংলাদেশে।

খাদ্য অপচয় বলতে কী বোঝায়?

উৎপাদনের শুরু থেকে অর্থাৎ সেটি মাঠে শস্য উৎপাদন হোক কিংবা সবজি, ফল, মাংস, ডিম বা দুধ যাই হোক না কেন, সেটি মানুষের খাবারের প্লেটে যদি না পৌঁছায়, অথবা প্লেটে পৌঁছেও নষ্ট হয় তবে সাধারণভাবে তাকে খাদ্য অপচয় বলা যায়।

উৎপাদনের পর যদি সেটি খাওয়ার যোগ্য না হয়, মানে সেটি যদি পচে যায়, বা মান সম্পন্ন না হয়, সেটিও খাদ্য অপচয় বলে গণ্য হয়।

ইংরেজিতে বিষয়টি বোঝানোর জন্য ‘ফুড লস’ এবং ‘ফুড ওয়েস্ট’ দুইটি শব্দ ব্যবহার করা হয়। কিন্তু বাংলায় এ দুইটিকেই খাদ্য অপচয় বলে বর্ণনা করা হয়।

২০২১ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও বাংলাদেশে একটি গবেষণা চালায় যাতে বলা হয়, বাংলাদেশে উচ্চ আয়ের পরিবারে বেশি খাদ্য অপচয় হয়।

ওই গবেষণা দলের প্রধান ছিলেন ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের হর্টিকালচার বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান ।

তিনি বলেছেন, তাদের গবেষণায় তারা দেখতে পেয়েছেন উচ্চ আয়ের পরিবারে এক মাসে মাথাপিছু ২৬ কেজি খাদ্য অপচয় হয়। সে তুলনায় মধ্য এবং নিম্ন আয়ের পরিবারে অপচয় কম হয়।

কিভাবে নষ্ট হয়?

অধ্যাপক কামরুল হাসান বলেছেন, বাংলাদেশে কয়েকটি ধাপে খাদ্য অপচয় হয়। তবে ফসলের ক্ষেত থেকে খাদ্যসামগ্রী বাজারে এসে পৌঁছানোর মধ্যবর্তী পর্যায়ে সবচেয়ে বড় অপচয়টি হয়। এর মধ্যে ফসল তোলার পর্যায়ে এক ধরণের অপচয় হয়, এরপর মজুদ বা সংরক্ষণ করা এবং ব্যাপারীর মাধ্যমে সেটি বাজারজাত করার সময় আরেকবার অপচয় হয়।

এরপর দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে যখন বড় শহরে ফসল, সবজি ও ফল, মাংস, ডিম, বা দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত পণ্য আসে তখন আরেক দফায় অপচয় হয়।

কারণ হিসেবে অধ্যাপক কামরুল হাসান বলেছেন, দেশে কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার কম, ফলে মাঠ থেকে ফসল তোলা, প্রক্রিয়াকরণ এবং মজুদ, তারপর সেগুলো বাজারে পরিবহন-এর প্রতিটি পর্যায়েই অপচয় হয়।

এফএও’র গবেষণায় দেখা গেছে, শস্যদানা মানে চাল, গম ও ডাল এসব উৎপাদন থেকে মানুষের প্লেট পর্যন্ত পৌঁছানোর আগেই প্রায় ১৮ শতাংশ অপচয় হয়। ফল আর সবজির ক্ষেত্রে অপচয় হয় ১৭ থেকে ৩২ শতাংশ পর্যন্ত।

কেন মাথাপিছু খাদ্য অপচয় এত বেশি?

বাংলাদেশের আর্থিক অবস্থা এখন মধ্যম আয়ে উন্নীত হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও দেশে মাথাপিছু খাদ্য অপচয়ের যে হিসাব তা যথেষ্ট বেশি বলে মনে করেন গবেষকেরা।

অধ্যাপক হাসান মনে করেন, বাংলাদেশের কৃষিতে প্রযুক্তির কম ব্যবহার, সংরক্ষণের ব্যবস্থা পর্যাপ্ত না থাকা, এবং বিকল্প সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকাই খাদ্য অপচয়ের প্রধান কারণ।

তিনি বলেন, কৃষক যদি তার উৎপাদিত ফসল সংরক্ষণ ঠিকমত না করতে পারে তাহলে তার ক্ষতি হবেই। ধরুন, কোল্ড স্টোরেজ না থাকার কারণে তাকে হয়তো শাক আজকেই বিক্রি করতে হবে, কিন্তু বিক্রি না হলে সেটা পুরো নষ্ট হয়ে গেল।

কিভাবে ঠেকানো যাবে?

খাদ্যের অপচয়ের সঙ্গে আরো অনেক অপচয় এবং ক্ষতি হয়। এর মানে হচ্ছে উৎপাদনের পেছনে যে অর্থ লগ্নি করা হয়, যে পরিমাণ পানি ও জ্বালানি বিনিয়োগ করা হয়েছে, ফসল তোলা এবং পরিবহণ ও বাজারজাতকরণ এই প্রতিটি ক্ষেত্রে শ্রম ও অর্থ এবং প্রাকৃতিক শক্তির অপচয় হওয়া।

নষ্ট হওয়া খাবার জলবায়ু পরিবর্তনেও নেতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। এর মানে হচ্ছে চাহিদা পূরণে বেশি বেশি উৎপাদন প্রক্রিয়ায় যেতে হবে যা জমির উর্বরতা কমিয়ে দেয়।

আবার ভাগাড়ে ঠাঁই হওয়া ফেলে দেয়া খাবার পচে মিথেন গ্যাস তৈরি করে। জাতিসংঘের হিসেব অনুযায়ী ২০৭৫ সাল নাগাদ বিশ্বের জনসংখ্যা দাঁড়াবে ৯৫০ কোটি।

এই বিপুল জনসংখ্যার চাহিদা মেটানোর জন্য ভবিষ্যতে আরও খাদ্যের দরকার হবে। শুধুমাত্র অপচয় বন্ধ করেই এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব বলে মনে করেন গবেষকেরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, জলবায়ু পরিবর্তনে গোলটেবিল বৈঠক

আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনিতে কারিতাস’র সমন্বিত দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের মাধ্যমে কমিউনিটির সক্ষমতা বৃদ্ধি (আইডিআরআর) প্রকল্পের স্টেকহোল্ডারদের সাথে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন ও স্মার্ট সিটি বিষয় গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে কারিতাস, জার্মানির আর্থিক সহায়তায় কারিতাস বাংলাদেশ’র খুলনা অঞ্চলের ইন্টিগ্রেটেড আইডিআরআর প্রকল্প এ বৈঠকের আয়োজন করে।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারি কমিশনার (ভূমি) শাহীন সুলতানা।

প্রকল্পের ফিল্ড অফিসার আলোইসিয়াস গাইনের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, মোসলেমা খাতুন মিলি, কৃষি অফিসার রাজিবুল হাসান, সমাজসেবা অফিসার রফিকুল ইসলাম,

কারিতাসের ডিএম তাপস সরকার, আইডিআরআর প্রকল্পের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর পবিত্র কুমার মণ্ডল, মিল কো-অর্ডিনেটর মেহেদী হাসান খান, আশাশুনি প্রেসক্লাব ও রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দক্ষিণ দেবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে বদলির দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি :
বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাতসহ নানা অভিযোগে দক্ষিণ দেবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে বদলির দাবিতে জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর অভিযোগ লিখিত দায়ের করা হয়েছে।

গত ৩ জুন ২০২২ তারিখে বিদ্যালয়ের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, লাবসা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এড. মোস্তাফিজুর রহমান শাহনেওয়াজসহ এলাকাবাসী এ অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা: সাহিদা খাতুন দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কাজ করেন না। সংস্কারের বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাত করে আসছেন। বিদ্যালয়ের পুরাতন বেঞ্চ, চেয়ার বিক্রয় করে আত্মাসাত করেন।

এছাড়া বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার মান দিন দিন নষ্ট হচ্ছে।

ফলে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রয়ম কমে যাচ্ছে। এবিষয়ে প্রতিবাদ করলে তিনি বিদ্যালয়ের অভিভাবকসহ এলাবাসীর সাথে খারাপ আচরণ করেন। বিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত প্রধান শিক্ষক সাহিদা খাতুকে বদলীর দাবি জানিয়েছেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় চাকুরি দেওয়ার নামে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেত্রী আয়শা’র বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ন আহবায়ক আয়শা সিদ্দিকা বিরুদ্ধে চাকুরি দেওয়ার নাম করে টাকা আত্মসাৎ অভিযোগ উঠেছে। তবে এ অভিযোগকে গুজব দাবি করেছেন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেত্রী আয়াশ সিদ্দিকা।
এঘটনায় দেবহাটা থানার সখিপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম এর পুত্র হাফিজুল ইসলাম সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয় লিখিত অভিযোগ করেন।

পুলিশ সুপার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাতক্ষীরা ডিবি পুলিশের ওসি কে নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযোগে বলেন সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও আহবায়ক কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক আয়শা সিদ্দিকা ও স্বামী আফছার উদ্দীন আমার পূর্ব পরিচিত আমাকে এনএসআই (গোয়েন্দা শাখার জুনিয়ার ফিল্ড অফিসার) পদে চাকুরি দিবে বলে বিগত ২০১৯ সালে আয়শা সিদ্দিকা ভাড়া নেওয়া বাড়ীতে বসে আমার নিকট হইতে দুই কিস্তিতে সর্বমোট সাত লক্ষ দুই হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। টাকা গ্রহন করার সময় আমাকে বলে যে, ছয় মাসের মধ্যে আমাকে চাকুরি দিবে।

নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও আমার চাকুরি না দেওয়ায় আমি বাধ্য হয়ে আয়শা সিদ্দিকার কাছে আমার টাকা গুলি ফেরত চাই । কিন্তু আমার টাকা গুলি দিচ্ছে না।

দুই বছর যাবত আমাকে ঘুরাচ্ছে। বর্তমানে আমার টাকা দিবে না বলিয়া বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করছে। আয়শা সিদ্দিকা ভাড়া নেওয়া বাড়ীতে যাইয়া আমার পাওনা টাকা চাইলে আমাকে মান- অপমান জনক কথা বার্তা বলে, বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করে আর বলে যে , তাহারা কোন টাকা দিতে পারবে না বলে তাগিড়য়ে দেয়।

এবিষয়ে অভিযুক্ত আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, এটি একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। আমি যখন সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলাম ঠিক তখনই এই গুজবটা তোলা হয়েছিল স্থানীয় কোন জনপ্রশাসন প্রতিনিধি কে না জানিয়ে অভিযোগটা করা হয়েছিল বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদে। এই যে টাকা দিয়ে চাকরি নেয়ার অভিযোগ টাতো থানায় করা উচিত ছিল, কিংবা স্থানীয় জনপ্রতিনিধির কাজ করা উচিত ছিল।

তারা আমাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য সরাসরি কেন্দ্রে অভিযোগ করেছে। যখন কেন্দ্র থেকে তারা কোনো সুফল পায়নি তখন থানায় একটা অভিযোগ করেছেন।

এবিষয়ে সাতক্ষীরা ডিবি পুলিশের ওসি বাবুল আক্তার বলেন, এবিষয়ে এসপি স্যারের কাছে ভুক্তভোগীরা একটি অভিযোগ দিয়েছিল। বিষয়টির সমাধানের জন্য ১৫ তারিখে উভয়পক্ষকে নিয়ে বসাবসির দিন রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোমরায় পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :
কাস্টমস লাইসেন্সের বিভিন্ন ধারা-উপধারা সংশোধনসহ বিভিন্ন দাবিতে সাতক্ষীরার ভোমরায় পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালিত হচ্ছে। সোমবার সকাল থেকে এই কর্মবিরতি শুরু হয়। ফলে আমদানি রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এই বন্দরটিতে।

ভোমরা স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ খান জানান,ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের দেশব্যাপী ডাকা কর্মবিরতি আমরা পালন করছি।

পরবর্তীতে কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মসূচি পালিত হবে।
তিনি আরও জানান,কাস্টমস-এর কিছু কালো আইনের কারণে আমরা নিস্পেষিত হচ্ছি।

একটি লাইসেন্সের কোনো সমস্যা হলে বাকী দুটো পোর্টে আমদানি-রপ্তানীর সুযোগ হারাচ্ছে ব্যবসায়ীরা।

এছাড়া উত্তরাধিকার সূত্রে লাইসেন্স প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিভিন্ন জটিলতা তৈরি করছে কাস্টমস-এর জটিল ধারাগুলো। তাই আমরা চাচ্ছি,সরকার লাইসেন্স প্রাপ্তি ও ব্যবহারের জটিল ধারাগুলো তুলে দিক।
ভোমরা শুল্ক স্টেশনের সহকারি কমিশনার আল আমিন জানান,ব্যবসায়ীরা আজকে কলমবিরতিতে রয়েছেন। তাই আমদানি-রপ্তানী বন্ধ রয়েছে।

ভোমরা বন্দও সূত্রে জানা গেছে,প্রতিদিন সাড়ে তিনশ’ থেকে ৪শ’ পণ্যবাহি ট্রাক স্থলবন্দওে প্রবেশ করে ও বের হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest