সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভাসাতক্ষীরা সরকারি কলেজে শিক্ষার্থী জাকারিয়া হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনবিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিশ্চিতের দাবি সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের ১৩৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় কিশোর গ্যাং এর সদস্যের ছুরিকাঘাতে কলেজ ছাত্র জাকারিয়া খু%ন : প্রধান আসামী নাহিদসহ গ্রেপ্তার-২গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জামায়াত নেতা মাও: আব্দুস সবুরসাতক্ষীরায় জামায়াত নেতার নেতৃত্বে ঘের লুটপাটের অভিযোগ : ১০ লাখ টাকার ক্ষতিশ্যামনগরে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ : কার্যক্রম স্থগিতের আবেদনসাংবাদিক শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসম্ভাবনা ও সংকটে দেবহাটা: পাঁচ ইউনিয়নের মানুষের চোখে আগামীর প্রত্যাশা

ডেনমার্কের রাজকুমারীর আগমনে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়ে শ্যামনগরের উপকূলীয় অঞ্চল

নিজস্ব প্রতিনিধি : উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত দেখতে একদিনের সফরে বুধবার সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আসছেন ডেনমার্কের রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ ডোনাল্ডসন।

রাজকুমারীর ভ্রমন সফল করতে ইতিমধ্যে প্রস্তুতি প্রায় শেষ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। আর তার ভ্রমণকে নির্বিঘœ করতে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের উপকূলীয় অঞ্চলে।
জেলা তথ্য অফিস থেকে দেয়া সফরসুচি অনুযায়ি, রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ ডোনাল্ডসন বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় শ্যামনগরের টাইগার পয়েন্টে হেলিকপ্টার থেকে নামবেন। এরপর গাড়িতে চড়ে শ্যামনগরের কুলতী গ্রামে যাবেন। পরে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ওই জনপদে পায়ে হাঁটবেন এবং জলবায়ু ঝুকিপূর্ন জনগোষ্টির বসবাস এলাকা ঘুরে দেখবেন। জলবায়ু ঝুকিপূর্ন জনগোষ্টির বসবাস এলাকায় অবস্থিত সাইক্লোন সেন্টার ও বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করবেন রাজকুমারী।

এসময় তিনি বাঁধের পাশে বসবাসকারি প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের সাথে কথা বলবেন। দুপুরে তিনি স্থানীয় বরসা রির্সোটে মধ্যহ্নভোজ করবেন। এছাড়া তিনি সুন্দরবন ভ্রমণ করবেন এবং বনবিভাগের লোকজনের সাথেও কথা বলবেন।
সাধারণ মানুষের জন্য ২৫ ও ২৬ মার্চ সুন্দরবন,সাতক্ষীরা রেঞ্জে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারী করেছে বনবিভাগ। এজন্য সব ধরণের পাস বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে বনবিভাগ।
এবিষয়ে সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারি বন সংরক্ষক (এসিএফ) এম এ হাসান জানান,রাজকুমারীর সুন্দরবন ভ্রমনকে নির্বিঘœ করতে দুদিন সাধারণ পর্যটকদের সুন্দরবন ভ্রমনে নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছে।

এদিকে রাজকুমারীর আগমনকে ঘিরে শ্যামনগরে সাজসাজ রব পড়ে গেছে। নিরাপত্তার চাদরে মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে পুরো এলাকা।
পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নিরাপত্তার বিষয়টি দেখভাল করছে এসএসএফ। জেলা ও থানা পুলিশ তাদেরকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে। এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির জানান, রাজকুমারীর আগমনকে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দময় করতে সবধরণের প্রস্তুতি প্রায় শেষের পথে। কুলতলী গ্রামের ইটের সোলিং রাস্তা সংস্কার ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বদ্দীপুর ক‌লোনীতে প্রকৃ‌তি ও পু‌ষ্টির গ‌ল্পের আস‌র

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ‘কলার মোচায় রক্ত সঞ্চালন বৃ‌দ্ধি ক‌রে, তিত বেগুন কৃ‌মি দূর ক‌রে, নাত‌া‌ড়িপাতা‌ড়ি শাক রু‌চি বৃ‌দ্ধি ক‌রে, কুল‌ফি শাক রক্ত তৈ‌রি ও ফোলা রো‌গ উপশম ক‌রে। ঠিত তেমনি বউটু‌নি শাক আয়রন ও পু‌ষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। বেলে শাক কোষ্ঠকা‌ঠিন‌্য দূর ক‌রে‌। ডুমু‌রে র‌য়েছে ডায়‌বে‌টি‌সের প্রতি‌ষেধক। মালঞ্চ শাক ক্ষত সারা‌তে সাহায‌্য করে। আর কচুর পাতা চো‌খের জন‌্য ভা‌লো। পেপুল স‌র্দি-কা‌শি ও এলা‌র্জি দূর ক‌রে।

এছাড়াও র‌য়ে‌ছে অত‌্যন্ত পু‌ষ্টি সমৃদ্ধ ব্রাহ্মি, কল‌মি, দস্তা কচু, হেলাঞ্চ, স‌ঞ্চি, বেতশাক, ঘ‌্যাটকল, আমরুল, কাটানটিসহ নানা প্রজা‌তির অচাষকৃত শাক ও লতা পাতা।

আর এসব অচাষকৃত শাক-লতা-পাতার পু‌ষ্টিগুণ মুগ্ধ হ‌য়ে শুন‌ছি‌লেন সাতক্ষীরা সদর উপ‌জেলার বদ্দীপুর ক‌লোনী এলাকার নারী ও শিশুরা।

সোমবার (২৫ এ‌প্রিল) সকাল ১০টায় গবেষণা প্রতিষ্ঠান বার‌সি‌ক আ‌য়োজিত ‘এ‌সো প্রকৃ‌তি‌কে জা‌নি, পু‌ষ্টির গল্প শুনি’ শীর্ষক প্রকৃ‌তি ও পু‌ষ্টির গ‌ল্পের আস‌রে এসব গুণাগুণ তু‌লে ধ‌রেন পুুষ্টির ফে‌রিওয়ালা খ‌্যাত উদ্যোক্তা রুহুল কুদ্দুস।

এসময় আরও বক্তব‌্য রা‌খেন বার‌সিক সাতক্ষীরা রি‌সোর্স সেন্টা‌রের সহকার‌ী কর্মসূ‌চি কর্মকর্তা গাজী মা‌হিদা মিজান এবং যুব সংগঠক জাহাঙ্গীর আলম।

এসময় স্থানীয়দের প্রতি অচাষকৃত শাক সব‌জি সংরক্ষণ ও দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় রেখে পুষ্টির চাহিদা পূরণের আহবান জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা পরিষদে অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী উপহার সামগ্রী বিতরণের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি : করোনা ভাইরাস জনিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় অসহায় ও দরিদ্র জনসাধারণের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সোমবার (২৫ এপ্রিল) সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের আয়োজনে পরিষদ চত্বরে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত মাশরুবা ফেরদৌস এঁর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে দুঃস্থ অসহায়দের মাঝে এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে করোনাভাইরাস জনিত

পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলায় ৪৭০০শ অসহায় ও দরিদ্র জনসাধারণের মাঝে এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসএম খলিলুর রহমান, হিসাবরক্ষক আবু হোরায়রাসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

পরিষদের অন্তর্ভুক্ত ৭৮ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার এলাকার অসহায় দরিদ্র মানুষের মাঝে জেলা পরিষদের সদস্যদের মাধ্যমে নিজ নিজ এলাকায় এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হবে সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চিনি, ভোজ্য তেল, সেমাই ,দুধ ,শাড়ি /লুঙ্গি পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে এসব ত্রাণ সামগ্রী ও ঈদ উপহার পেয়ে গরিব দুঃখী অসহায় মানুষেরা অনেক খুশি হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চলছে তাপপ্রবাহ, সাতক্ষীরায় আজ তাপমাত্রা আরও বাড়বে

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বিভিন্ন স্থানের মত সাতক্ষীরাতেও তাপপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করেছে। রোববার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে সাতক্ষীরায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছোঁয়। যদিও এদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে চুয়াডাঙ্গায়।

একাধিক আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেল থেকে জানা যাচ্ছে সাতক্ষীরায় আজ সোমবার দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত তীব্র তাপদাহ বয়ে যেতে পারে। এসময় তাপমাত্রা বেড়ে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।

এদিকে, চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এখন সারাদেশ বৃষ্টিহীন। শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় কোথাও বৃষ্টি হয়নি। ফলে সারাদেশেই গরমে নাভিশ্বাস উঠেছে জনজীবনে। তবে ঢাকায় গরম থাকলেও সঙ্গে রয়েছে দমকা বাতাস।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রিকে মৃদু, ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রিকে মাঝারি ও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে বেশি তাপমাত্রাকে তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়।

রোববার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা যশোরে ৪০ দশমিক ৪, রাজশাহীতে ৪০ দশমিক ৩ ও ঈশ্বরদীতে ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ জানান, রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে প্রবল বিজলি চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

রাজশাহী, পাবনা, যশোর এবং চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে জানিয়ে এ আবহাওয়াবিদ বলেন, রংপুর, দিনাজপুর, নীলফামারী ও পটুয়াখালী অঞ্চলসহ ঢাকা বিভাগ, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অবশিষ্টাংশের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এটি অব্যাহত থাকতে পারে।

এ সময়ে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে জানিয়ে বজলুর রশিদ বলেন, আগামী ৫ দিনের মধ্যে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাবিতে সাতক্ষীরা সদরের শিক্ষার্থীদের সংগঠন প্রাণসায়ের কমিটি গঠন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: গতকাল রবিবার আহবায়ক কমিটি ঘোষণার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘প্রাণসায়র’ এর যাত্রা শুরু হয়েছে।

সাতক্ষীরা শহরের প্রাণকেন্দ্রে প্রবাহিত ‘প্রাণসায়র’ খালের নামানুসারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠনটির এই নামকরণ করা হয়েছে।

মোঃ মিকাইল ইসলাম চঞ্চলকে আহবায়ক ও নাভিদ আনজুমকে সদস্য সচিব করে ৮ সদস্যের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। উপদেষ্টামণ্ডলীর সর্বসম্মতিক্রমে গতকাল সন্ধ্যায় এ আহবায়ক কমিটি ঘোষিত হয়।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, যুগ্ম আহ্বায়ক যথাক্রমে রাকিবুল আলম ঋজু, মো. ওবায়দুল হাসান ও সুজয় বসু এবং সদস্য কাজী আব্দুল ওয়াকিল, মোছা. নাসরীন সুলতানা ও অনুস্কা ব্যানার্জী শ্রাবস্তী।

উল্লেখ্য, সাংগঠনিক গতিশীলতা আনয়নের জন্য আগামী তিনমাসের মধ্যে আহবায়ক কমিটিকে নতুন কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
1 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিক্ষোভের মুখে সেই মা-ছেলেকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

দেশের খবর: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও থানার সামনে বিক্ষোভের মুখে মুচলেকা নিয়ে সৈয়দা রত্না ও তাঁর ছেলেকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। রোববার দিবাগত রাত প্রায় সাড়ে ১২টার দিকে কলাবাগান থানা থেকে দুজনকে মুক্তি দেওয়া হয়।

কলাবাগান এলাকার একটি মাঠে থানা ভবন নির্মাণের প্রতিবাদে সোচ্চার ছিলেন ওই এলাকার বাসিন্দা সৈয়দা রত্না। তিনি বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সদস্য।

রোববার সকালে ওই মাঠে ইট-সুরকি ফেলা হলে সেখানে গিয়ে ফেসবুকে লাইভ করেন সৈয়দা রত্না। একপর্যায়ে বেলা ১১টার দিকে তাঁকে আটক পরে পুলিশ। পরে তাঁর কলেজপড়ুয়া ছেলেকেও ধরে নেওয়া হয়।

দিনভর মা–ছেলেকে থানায় আটকে রাখা হয়। তাঁদের আটকের খবর পেয়ে বেলা দুইটার দিকে ওই মাঠে যান মানবাধিকারকর্মী খুশী কবির, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, উদীচীর ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক আরিফ নূরসহ কয়েকজন।

পরে রাতে মা–ছেলের মুক্তির দাবিতে মানবাধিকারকর্মী ও উদীচীর নেতা–কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হন কলাবাগান থানার সামনে। সৈয়দা রত্না ও তাঁর ছেলের মুক্তি দাবি করে বিভিন্ন স্লোগান দেন তাঁরা। বিক্ষোভকারীদের হাতে ‘হে পুলিশ আমার মা কই’, ‘পুলিশ আমার বোন কোথায়’, ‘পুলিশ আমার ভাই কোথায়’, ‘মাঠ দখল করে থানা চাই না’ ইত্যাদি স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

রাত ৯টার দিকে থানার সামনে থাকা উদীচীর সদস্য নাজিয়া নিগার বলেন, নাগরিক অধিকার নিয়ে কাজ করার কারণেই সৈয়দা রত্না ও তাঁর ছেলেকে পুলিশ হয়রানি করছে।

এ সময় কলাবাগান থানা–পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, সৈয়দা রত্নার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দুটি মামলা দেওয়া হচ্ছে। এরপর কলাবাগান থানার ওসি পরিতোষ চন্দ্র বাইরে যান। থানায় ফিরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নয়, শুধু সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে সৈয়দা রত্নার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হবে। আর তাঁর ছেলেকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ওসি পরিতোষ এ ঘোষণা দেওয়ার পরপরই তাঁর মোবাইলে একটি কল আসে। তখন পাশে গিয়ে ফোনে কথা বলেন তিনি। মুঠোফোনে কথোপকথন শেষে ওসি বলেন, কারও বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হচ্ছে না। মা–ছেলে দুজনকেই ছেড়ে দেওয়া হবে। শুধু মায়ের কাছ থেকে একটি মুচলেকা নেওয়া হবে।

এরপর সৈয়দা রত্নার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। মাঠ রক্ষার আন্দোলন করবেন না এবং ডাকলে যেকোনো সময় থানায় হাজির হবেন—এ শর্ত দিয়ে মুচলেকা নেওয়া হয়।

থানা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সৈয়দা রত্না বলেন, ‘আমাকে থানায় এনে বসিয়ে রাখা হয়েছিল। এখন এর বেশি আর কিছু বলতে পারছি না।’

পান্থপথের উল্টো দিকের গলির পাশে একটি খোলা জায়গা রয়েছে। এটি তেঁতুলতলা মাঠ হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় শিশুরা সেখানে খেলাধুলা করে। পাশাপাশি মাঠটিতে ঈদের নামাজ, জানাজাসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান হয়।

এই মাঠে কলাবাগান থানার স্থায়ী ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই এর প্রতিবাদ করছেন স্থানীয় লোকজন।

মাঠটি রক্ষার দাবিতে এলাকাবাসী গত ৪ ফেব্রুয়ারি পান্থপথের কনকর্ড টাওয়ারের সামনে মানববন্ধন করেন। ‘কলাবাগান এলাকাবাসী’র ব্যানারে আয়োজিত ওই কর্মসূচিতে স্থানীয় শিশু-কিশোর ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন। এতে মানববন্ধনের সংগঠকদের অন্যতম ছিলেন সৈয়দা রত্না।

রত্নার মেয়ে শেউঁতি শাহগুফতা বলেন, কলাবাগানের ওই মাঠটিতে ইট-সুরকি ফেলার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভ করায় বেলা ১১টার দিকে তাঁর মা সৈয়দা রত্না এবং ভাইকে ধরে নেওয়া হয়। তাঁর মা মাঠটি রক্ষার আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। তিনি আরও বলেন, ‘মাঠে গত রাতে ইট-সুরকি ফেলছিল পুলিশ। সকালে মা মাঠের সামনে গিয়ে ফেসবুকে লাইভ করছিলেন। তখন তাঁকে আটক করা হয়। পরে আমার ভাই বাসা থেকে বেরিয়ে রাস্তায় এলে তাকেও ধরে কলাবাগান থানায় নিয়ে যায়।’

দুজনকে দিনভর থানায় আটকে রাখা হয়। তাঁদের আটকের খবর পেয়ে বেলা দুইটার দিকে ওই মাঠে যান মানবাধিকারকর্মী খুশী কবির, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, উদীচীর ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক আরিফ নূরসহ কয়েকজন।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘আমরা একটা অপরাধী সমাজ চাই না। তাই দেশের প্রতিটি এলাকায় শিশু-কিশোরদের খেলার মাঠ দরকার। মাঠের জায়গায় থানা করে অপরাধ কমানো যাবে না। বেশি করে মাঠ থাকলেই অপরাধ কমবে।’ তিনি বলেন, ‘শিশুদের জন্য বিকল্প খেলার মাঠ না দেওয়া পর্যন্ত ওই স্থানে থানা বা অন্য কোনো অবকাঠামো গড়ে তোলা হোক তা আমরা চাই না।’

এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি কলাবাগানের তেঁতুলতলা মাঠে খেলতে যাওয়া কয়েকটি শিশুর কান ধরে ওঠবস করায় পুলিশ। এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় ভূমিদস্যু মোস্তাককে ঘের ছাড়তে সর্বশেষ তিন দিনের আল্টিমেটাম

নিজস্ব প্রতিনিধি : তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নোটিশ পেয়েও বরিবার ঘের ছেড়ে চলে যাননি যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার চুয়াডাঙা গ্রামের মোস্তাক আহম্মেদ। উপরন্তু রবিবার পুলিশের একটি বিশাল টিম জবরদখলকারি মোস্তাক আহম্মেদ এর পক্ষ নিয়ে তালা উপজেলা খরাইল, বারাত, মীর্জাপুর, ভবানীপুর এলাকায় টহল দিয়েছে।

মোস্তাক আহম্মেদ এর সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা জমির মালিকদের হুমকি দিয়ে বলেছে“ এক সপ্তাহ আর কখনো পুরবে না। জমি ফিরিয়ে নিতে এলে রক্তের হোলি খেলা হবে।
এদিকে চুক্তিপত্রের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরও তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নোটিশ অমান্য করে ঘেরের জমি ছেড়ে না দেওয়ায় কেশবপুর উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোস্তাক আহম্মেদকে বুধবার পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়েছে জমির মালিক ও জনপ্রতিনিধিরা। ব্যত্তয় ঘটলে বৃহষ্পতিবার স্থানীয় সাংসদ, তেতুলিয়া, কুমিরা ও ইসলামকাটির তিন চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে জমির মালিকদের অধিকার ফিরিয়ে আনা হবে।
কুমিরা ইউনিয়নের তিন নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাক নূরু সরদার রবিবার বিকেলে তালা উপজেলার মীর্জাপুর ঘোষপাড়া সার্বজনীন দুর্গাপুজা মণ্ডপ চত্বরে অনুষ্ঠিত এক মত বিনিময় সভায় বলেন, এক সময় কপোতাক্ষ নদ ছিল তালাবাসীর অভিশাপ।

বর্ষার পানি সরতে না পেরে নদের দু’তীর উপচে বিস্তীর্ন অঞ্চল প্লাবিত হতো। বছরের ছয় মাসেরও বেশি সময় জলাবদ্ধ থাকায় এলাকায় ফসল হতো না।

বাধ্য হয়ে মীর্জাপুর, ভবানীপুর, বারাত, খরাইল এলাকার কৃষকরা তাদের জমি মাছ চাষের জন্য লীজ দিতো। সর্বপরি কয়েক বছর আগে কেশবপুরের চুয়াডাঙা গ্রামের মোস্তাক আহম্মেদ কৌশলে তাদের এলাকার কয়েকজন হিন্দু জমির মালিকদের কাছ থেকে জমি লীজ নেয়। যারা নিজেরা ঘের করতো তাদেরকে ভয় দেখিয়ে জমি লীজ নেওয়ার চেষ্টা করেন মোস্তাক। তাতেও লাভ না হওয়ায় মোস্তাক ভবানীপুর, খরাইল, মীর্জাপুর, বারাতসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষকে মারপিট করে পুলিশে প্রভাব খাটিয়ে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেষ্টায় কপোতাক্ষ খননের ফলে এখন তালা উপজেলা জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্ত। মোস্তাক মাছ চাষের নামে ঘেরের মাটি অঙ্গার বানিয়ে ফেলেছে। ২৫০ বিঘা ও ১১০০ বিঘা ঘেরের মাঝখানের রাস্তায় মানুষ তো নয়, গরু ছাগল ও চলতে পারে না। এটা আর সহ্য করা হবে না। গত বছরের ২৬ অক্টোবর খরাইলের প্রহ্লাদ মণ্ডলকে তার ঘেরের বাসা থেকে তুলে নিয়ে নৌকায় বেঁধে দীর্ঘপথ নির্যাতন করে মোহনা বাজারে নিয়ে তাকে চোর ও চাঁদাবাজ আখ্যা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলেও পাটকেলঘাটার ইন্দ্রজিৎ সাধুকে ম্যানেজ করে প্রহ্লাদকে দিয়ে মামলা তুলে নেয় মোস্তাক। এর কয়েকদিন পর মোস্তাক তার ঘেরে ৫০০ মন মাছ লুট ও ২১ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে প্রহ্লাদের নামে মামলা করে। যা আজো চলমান। মোস্তাক বাহিনীর হাতে এলাকার কমপক্ষে ২৫ জন সাধারণ কৃষক নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

মীর্জাপুরের আশীষ ঘোষ, চিত্তরঞ্জন মণ্ডল, খরাইলের প্রহ্লাদ মণ্ডল বলেন, মোস্তাক একজন সন্ত্রাসী ও বিএনপি নেতা হয়েও গায়ের জোরে এ এলাকায় ঘের করতে চায়। এজন্য একশ্রেণীর প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সে কিনে ফেলেছে। ম্যানেজ করেছে পুলিশকে। ফলে হারির মেয়াদ গত ৩০ চৈত্র পার হওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাত দিনের নোটিশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছে মোস্তাক। কেশবপুর থেকে সন্ত্রাসী ভাড়া করে এনে তালার সাধারণ মানুষকে হুমকি দিয়েছে। এটা মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজনে জীবন দিয়েও মোস্তাক ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীকে প্রতিহত করা হবে।
ঘোষপাড়া দুর্গা মন্দির থেকে জমির মালিক ও সাধারণ কৃষকরা বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মীর্জাপুর শ্মশানে চলে আসেন। সেখানে উপস্থিত হন তালা- কলারোয়ার সাংসদ অ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, কুমিরা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান, তেঁতুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি প্রভাষক মহিবুল্লহ মোড়ল, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু, রফিকুল ইসলাম, হিরন্ময় মণ্ডল, নির্মল মণ্ডলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা , কর্মী ও সমর্থকরা।
বক্তব্য রাখার একপর্যায়ে সাংসদ মোস্তফ$া লুৎফুল্লাহ বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করে মোস্তাক আহম্মেদ রবিবারের মধ্যে ঘের ছাড়েনি। তাই সবদিক ভেবে ইউপি সদস্য মাসুদ, খায়রুল ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সরদার মশিয়ারকে নিয়ে বিস্তারিত আলাপ আলোচনা করে যারা জমি ফিরিয়ে নিতে চান এমন কৃষকদের তালিকা তৈরি করতে হবে। বুধবারের মধ্যে মোস্তাক আহম্মেদ তার ঘের থেকে মাছ ধরে নিয়ে জমি ছেড়ে না দিলে তিনিসহ কুমিরা, ইসলামকাটি ও তেঁতুলিয়ার তিন চেয়ারম্যানকে নিয়ে জনগণকে সংগঠিত করে বৃহষ্পতিবার সকালে সকল বাধা অপসারন করে কৃষকদের চাষের জমি বুঝিয়ে দেওয়া হবে। তবে বুধবারের মধ্যে তিনি এলাকার কোন কৃষককে মোস্তাকের ফাঁদে পা না দেওয়ার আহবান জানান।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জীবন মৃত্যুর সন্ধীক্ষণে ৮ মাসের শিশু হাফসা হালিম সাবা

জীবন মৃত্যুর সন্ধীক্ষণে ৮ মাসের শিশু হাফসা হালিম সাবা। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শিশুটি মৃত্যু পথের যাত্রী। তবে উন্নত চিকিৎসা পেলে হয়তো সুস্থ হতে পারবে শিশু সাবা।
সে তালা উপজেলার মঙ্গলানন্দকাটি গ্রামের হতদরিদ্র মো: হালিম শেখের কন্যা। জন্ম থেকে হার্টে ছিদ্র থাকায় বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে পরামর্শ গ্রহণ করা হয়েছে। এপর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষাধিক টাকা তার পিছনে ব্যয় করেছেন অসহায় দরিদ্র পিতা হালিম। ইতোমধ্যে চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে নিজের বশত ভিটার কিছু অংশ বিক্রয় করে ফেলেছেন।

কিন্তু তাকে পুরো সুস্থ্য করতে হলে বিপুল পরিমান অর্থের প্রয়োজন যা তার হতদরিদ্র পিতা হালিম শেখের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না। ৮ মাসের শিশুকে সুস্থ্য করতে তার পিতা সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন। সকলেই স্ব স্ব অবস্থান থেকে এগিয়ে আসলেই বেঁচে যেতে পারে একটি নিষ্পাপ প্রাণ। শিশু হাফসা হালিম সাবাকে সাহায্য পাঠাতে সরাসরি পিতা হালিম শেখের সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে। মোবাইল নং ০১৭৩৯ ১২৪১৬৬ (বিকাশ) এছাড়া সোনালী ব্যাংক খলিশখালী শাখা একাউন্ট নাম্বার ২৮১২৬০১০০৮৮১৭। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest